× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Naeem Aisha Shekar will hit the theaters after the World Cup frenzy
google_news print-icon

বিশ্বকাপ উন্মাদনা শেষে প্রেক্ষাগৃহে আসবে নাঈম-আইশার ‘শেকড়’

বিশ্বকাপ-উন্মাদনা-শেষে-প্রেক্ষাগৃহে-আসবে-নাঈম-আইশার-শেকড়

গত বছর কানাডার টরন্টোতে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব সাউথ এশিয়ায় প্রিমিয়ার হওয়া আলোচিত সিনেমা ‘শেকড়’ এখনই দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে না। নির্মাতা প্রসূন রহমান এই কোরবানির ঈদে ছবিটি মুক্তির যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়িয়েছেন। মূলত প্রেক্ষাগৃহে একসাথে অনেক সিনেমার ভিড় এবং আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘ উন্মাদনার কথা মাথায় রেখেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নির্মাতার মতে, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরপরই দর্শক যখন খেলাধুলার আমেজ কাটিয়ে সিনেমা হলে ফিরবেন, তখনই ‘শেকড়’ বড় পর্দায় আসার জন্য সবথেকে উপযুক্ত সময়।

সিনেমাটি নির্দিষ্ট সময়ে মুক্তি না দেওয়া প্রসঙ্গে প্রসূন রহমান জানান যে, সুস্থ প্রতিযোগিতায় তাঁর কোনো অনীহা নেই, তবে একসাথে অনেক সিনেমা মুক্তি পাওয়ায় তিনি কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছেন। তিনি মনে করেন, ‘শেকড়’-এর মতো পারিবারিক ও আবেগনির্ভর একটি গল্পের জন্য শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ প্রয়োজন। দর্শকরা যেন কোনো তাড়াহুড়ো বা হট্টগোলের মধ্যে না থেকে স্থিরভাবে এবং গভীর মনোযোগ দিয়ে সিনেমাটি উপভোগ করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই প্রতীক্ষা। ঈদের আমেজ ও বিশ্বকাপ মৌসুমের পর ছবিটির আবেদন আরও বাড়বে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

‘শেকড়’ সিনেমার মূল উপজীব্য হলো মানুষ ও মাটির চিরন্তন টান। এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়া অভিবাসী মানুষের আত্মপরিচয়ের সংকট এবং জন্মভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার হাহাকার। দীর্ঘ সময় পর আবারও শেকড়ের টানে ফিরে আসা এবং পেছনে ফেলে যাওয়া প্রিয়জনদের সাথে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপনের এক মানবিক লড়াই এই সিনেমার গল্পের প্রাণ। প্রসূন রহমানের শৈল্পিক ঢঙে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনের এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ সমাদৃত হয়েছে।

এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা এফ এস নাঈম ও আইশা খান। তাঁদের সাবলীল অভিনয় দর্শকদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন একঝাঁক অভিজ্ঞ শিল্পী, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন দিলারা জামান, সমু চৌধুরী, সঙ্গীতা চৌধুরী, নাফিস আহমেদ, নাইরুজ সিফাত, রওনক রিপন, ফাতেমাতুজ জোহরা ইভা এবং শিশুশিল্পী মুনতাহা এমিলিয়া। গুণী শিল্পীদের এই বিশাল সমাগম সিনেমাটিকে দর্শকদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

বিনোদন
Half of the cost was brought home by Shahid Kriti Cocktail 2

খরচের অর্ধেক ঘরে তুলল শহীদ-কৃতির ‘ককটেল ২’

খরচের অর্ধেক ঘরে তুলল শহীদ-কৃতির ‘ককটেল ২’

চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত ও ব্যয়বহুল বলিউড সিনেমা ‘ককটেল ২’ মুক্তির আগেই বড় ধরনের ব্যবসায়িক সাফল্যের মুখ দেখেছে। শহীদ কাপুর, কৃতি স্যানন এবং রাশমিকা মান্দানা অভিনীত এই রোমান্টিক ছবিটি ২০১২ সালের সুপারহিট সিনেমা ‘ককটেল’-এর সিক্যুয়েল হিসেবে নির্মিত হয়েছে। মুম্বাইয়ে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্প্রতি ছবিটির ট্রেলার উন্মোচন করা হয়েছে। সেখানেই জানা গেছে যে, প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার আগেই ছবিটি তার মোট বাজেটের ৫০ শতাংশ অর্থ তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে। হোমি আদাজানিয়ার পরিচালনায় এই ছবিটি এখন সিনেমা প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ককটেল ২’ বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় বাজেটের রোমান্টিক ছবিগুলোর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। সিনেমাটির মোট বাজেট প্রায় ১৫০ কোটি রুপি, যার মধ্যে নির্মাণ ব্যয় হিসেবে ৯৫ কোটি রুপি খরচ হয়েছে। ছবির প্রধান তিন তারকা শহীদ, কৃতি ও রাশমিকার পারিশ্রমিক বাবদ ব্যয় করা হয়েছে ৩৫ কোটি রুপি এবং বাকি ২০ কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রচার ও বিজ্ঞাপনের জন্য। ছবিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাডডক ফিল্মস ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, টেলিভিশন ও মিউজিক স্বত্ব বিক্রির মাধ্যমেই ইতিমধ্যে ৭৫ কোটি রুপি আয় করে ফেলেছে।

প্রযোজক দিনেশ ভিজান ছবিটি আন্তর্জাতিক মানে এবং অত্যন্ত বড় পরিসরে নির্মাণ করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন নয়নাভিরাম লোকেশনে মাত্র ৭০ দিনে এই ছবির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। দর্শকদের বড় পর্দায় ভিন্নধর্মী ও দৃষ্টিনন্দন অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্যে ছবিটির সিনেমাটোগ্রাফি, ফ্যাশন ও সংগীতে আধুনিকতার ছোঁয়া রাখা হয়েছে। প্রথম কিস্তির মতো এটিও একটি প্রেমের ত্রিভুজ কাহিনি হলেও এর উপস্থাপনা সম্পূর্ণ নতুন হবে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এবারের কাহিনির গভীরতা ও চরিত্রের বিন্যাস দর্শকদের কাছে আরও বেশি চমকপ্রদ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিশেষ গুজব ছড়িয়েছিল যে ছবিতে কৃতি স্যানন ও রাশমিকা মান্দানার মধ্যে সমকামী প্রেমের সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। এই বিষয়ে ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে কৃতি স্যানন মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, দুজন ছেলে একসাথে থাকলে তাকে বন্ধু ভাবা হলেও দুজন মেয়ে ভালো বন্ধু হলে সমাজ সেটা সহজে মানতে চায় না। পরিচালক হোমি আদাজানিয়াও বিষয়টি পরিষ্কার করে জানান যে, শুটিংয়ের সময় কৃতি ও রাশমিকার মধ্যে চমৎকার এক বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল এবং তাঁদের পর্দার রসায়নও ছিল চমৎকার। তবে সমকামী প্রেমের ধারণাটি নিছক গুঞ্জন ছাড়া আর কিছু নয়।

পরিচালক হোমি আদাজানিয়া স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আগের ‘ককটেল’ সিনেমার কাহিনির সাথে এই সিক্যুয়েলের গল্পের কোনো সরাসরি মিল নেই। মূলত একটি সতেজ ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তরুণ জৈন ও লাভ রঞ্জন এই ছবির গল্প ও চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন। ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাওয়া এই ছবিটি বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আগের ছবিতে সাইফ আলী খান, দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়না পেন্টির যে রসায়ন ছিল, নতুন এই ত্রয়ীর রসায়ন দর্শকদের মাঝে সেই আবেদন ফিরিয়ে আনবে কি না, তা নিয়ে এখন চলছে জোর আলোচনা।

মন্তব্য

বিনোদন
Raeed topped the box office on its 10th day of release

মুক্তির দশম দিনে মাল্টিপ্লেক্সে আয়ের শীর্ষে ‘রইদ’

মুক্তির দশম দিনে মাল্টিপ্লেক্সে আয়ের শীর্ষে ‘রইদ’

ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর ব্যবসায়িক লড়াইয়ে দশম দিনে এসে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। দর্শক উপস্থিতি এবং আয়ের হিসাবে মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ শাকিব খান অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমাটিকে ছাড়িয়ে গেছে। বাংলা চলচ্চিত্রের বাণিজ্য বিশ্লেষক ফেসবুক পেজ বিএমআরের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির দশম দিনে ই-টিকিটভুক্ত মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে আয়ের দিক থেকে ‘রইদ’ প্রথম স্থানে উঠে এসেছে। যদিও শো সংখ্যায় ‘রকস্টার’ অনেক এগিয়ে ছিল, তবুও দর্শক চাহিদার বিচারে ‘রইদ’ বর্তমানে শহরকেন্দ্রিক প্রেক্ষাগৃহগুলোতে একচ্ছত্র দাপট দেখাচ্ছে।

মুক্তির দশম দিনে স্টার সিনেপ্লেক্স ও লায়ন সিনেমাস মিলিয়ে ‘রইদ’-এর মোট ২২টি শো প্রদর্শিত হয়। এর মধ্যে তিনটি শো প্রায় শতভাগ দর্শক উপস্থিতি নিয়ে সম্পন্ন হয়েছে, যা মাল্টিপ্লেক্সের জন্য একটি বড় সাফল্য। ওই দিন সিনেমাটি ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা আয় করেছে, যার ফলে মাল্টিপ্লেক্সগুলো থেকে এর মোট গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকায়। এই অর্জনের মধ্য দিয়ে ‘রইদ’ চলতি বছরের অষ্টম চলচ্চিত্র হিসেবে ই-টিকেটিংয়ের আওতাভুক্ত প্রেক্ষাগৃহগুলো থেকে এক কোটি টাকার ক্লাবে প্রবেশ করার গৌরব অর্জন করল। নাজিফা তুষি ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরানের অভিনয় দর্শকদের মাঝে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।

অন্যদিকে মুক্তির দশম দিনে মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে ‘রকস্টার’ তার শুরুর দিকের দাপট বজায় রাখতে কিছুটা হিমশিম খেয়েছে। এদিন স্টার সিনেপ্লেক্স, লায়ন সিনেমাস এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১০টি মাল্টিপ্লেক্সে মোট ৬৯টি শো চললেও কোনোটিই পুরোপুরি হাউসফুল হয়নি। একদিনে ‘রকস্টার’-এর আয় ছিল ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা, যা ‘রইদ’-এর দৈনিক আয়ের তুলনায় সামান্য কম। তবে মুক্তির প্রথম ১০ দিন শেষে মাল্টিপ্লেক্সগুলো থেকে ‘রকস্টার’ মোট ২ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আয় করেছে, যা এখনো মোট আয়ের বিচারে অনেক এগিয়ে রয়েছে। আজমান রুশো পরিচালিত এই সিনেমাটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও শাকিব ভক্তদের আনাগোনা মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে এখনো চোখে পড়ার মতো।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সামগ্রিক আয়ের বিচারে ‘রকস্টার’ এখনো অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে কারণ সিনেমাটি দেশের অধিকাংশ সিঙ্গেল স্ক্রিন বা একক প্রেক্ষাগৃহগুলোতে সগৌরবে চলছে। গ্রাম ও মফস্বল এলাকার দর্শকরা এখনো বড় পর্দায় শাকিব খানকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। তবে মাল্টিপ্লেক্সে সীমিত সংখ্যক শো নিয়ে ‘রইদ’-এর এই জয়জয়কার প্রমাণ করে যে, শহর এলাকার দর্শকদের রুচি ও চাহিদাতে বড় পরিবর্তন আসছে। বিশেষ করে জীবনঘনিষ্ঠ ও শৈল্পিক গল্পের প্রতি সাধারণ মানুষের ঝোঁক বাড়ছে, যা দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক ইঙ্গিত।

মাল্টিপ্লেক্সে ‘রইদ’ ও ‘রকস্টার’ ছাড়াও ঈদের অন্য সিনেমাগুলো তাদের দর্শক ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে লড়াইটা মূলত এই দুটি ভিন্ন ধারার সিনেমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। আগামী দিনগুলোতে মাল্টিপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ দর্শক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে শোর সংখ্যা আরও সমন্বয় করতে পারে। সব মিলিয়ে ঈদের এই সিনেমা যুদ্ধ কেবল আয়ের লড়াই নয়, বরং বাণিজ্যিক বনাম শৈল্পিক চলচ্চিত্রের এক নতুন পরীক্ষার ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোন সিনেমাটি সবচেয়ে বেশি ব্যবসা সফল হয়, তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

মন্তব্য

বিনোদন
Battala childrens new play Dakat Halum Chitpatang

বটতলার শিশুদের নতুন নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’

বটতলার শিশুদের নতুন নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’

রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে শনিবার জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে মঞ্চস্থ হয়েছে নাট্যদল বটতলার শিশু বিভাগের নতুন প্রযোজনা ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’। এটি মূলত শিশুদের অভিনয়ের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’র ষষ্ঠ আবর্তনের সমাপনী প্রদর্শনী। দীর্ঘ চার মাসের নিবিড় প্রশিক্ষণ এবং পরবর্তী কয়েক মাসের মহড়া শেষে একদল প্রাণবন্ত শিশু শিল্পী এই নাটকটি দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করে। অভিনয়ের প্রথম পাঠ শেষ করেই শিশুরা যেভাবে মঞ্চে নিজেদের প্রতিভা মেলে ধরেছে, তা উপস্থিত সুধীমহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

নাটকটি নির্মিত হয়েছে জার্মান প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ওটফিল্ড প্রুশলারের কালজয়ী রচনা ‘ডাকাত হটজেনপ্লটজ’ অবলম্বনে। দেশীয় প্রেক্ষাপটে ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ শিরোনামে এর চমৎকার নাট্যরূপ দিয়েছেন শাম্মি আক্তার এবং নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব হুমায়ূন আজম রেওয়াজ। নাটকটিতে শিশুদের সহজাত অভিনয় ও শৈল্পিক দক্ষতার মধ্য দিয়ে গল্পের বৈচিত্র্যময় ও হাস্যরসাত্মক দিকগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শিশুতোষ এই প্রযোজনাটি কেবল বিনোদনই নয়, বরং শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের দিকটিও নির্দেশ করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সফল প্রদর্শনী শেষে অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র ও বিশেষ উপহার তুলে দেওয়া হয়। এই আনন্দঘন আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম এভারেস্ট বিজয়ী নুরুন্নাহার নিম্মি, প্রখ্যাত আয়রনম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত, লেখক ও গবেষক সামীও শীশ এবং কবি সাকিরা পারভীন সুমা। এছাড়াও বটতলার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিজানুর রহমান এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্য শিল্পী লায়েকা বশীর শিশুদের উৎসাহিত করতে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা শিশুদের সৃজনশীল চর্চার এই নিয়মিত প্রয়াসকে সাধুবাদ জানান।

বটতলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ প্রযোজনাটি তারা ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন মঞ্চে প্রদর্শন করার পরিকল্পনা নিয়েছে। শিশুদের মধ্যে থিয়েটার বা নাট্যচর্চার একটি স্বতন্ত্র ও শৈল্পিক আবহ তৈরির লক্ষ্যেই তাদের বিশেষায়িত স্কুল ‘এক্টরস স্টুডিও’ এই কর্মশালা পরিচালনা করে আসছে। উল্লেখ্য, এর আগে ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’র অধীনে বটতলা সাফল্যের সাথে ‘গুপীবাঘা’, ‘গালিভারস ট্রাভেলস’, ‘আমরা সবাই রাজা’, ‘হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা’ ও ‘ফাংসাং’ এর মতো জনপ্রিয় শিশুতোষ নাটক মঞ্চে নিয়ে এসেছে।

দীর্ঘ ছয় মাসের প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির ফসল এই মঞ্চায়ন মূলত নতুন প্রজন্মের শৈল্পিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং শিশুদের সাবলীল পরিবেশনা পুরো মিলনায়তনে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। বটতলার এই নিয়মিত সৃজনশীল উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশের নাট্যঙ্গনে দক্ষ ও সংবেদনশীল শিল্পী উপহার দিতে বড় অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। শিশুদের মেধা ও মনন বিকাশে এমন আয়োজন নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নাট্যদলটি।

মন্তব্য

বিনোদন
Selim Kumar ended a colorful chapter in the land of no return

থামল এক বর্ণিল অধ্যায়, না ফেরার দেশে সেলিম কুমার

থামল এক বর্ণিল অধ্যায়, না ফেরার দেশে সেলিম কুমার

ভারতের জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেতা সেলিম কুমার আর নেই। গত ৭ জুন রাতে কোচিতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভারের জটিলতায় ভুগছিলেন এবং কয়েক বছর আগে তাঁর লিভার প্রতিস্থাপনও করা হয়েছিল। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে ভারতের দক্ষিণী চলচ্চিত্র অঙ্গনসহ সারা দেশের অভিনয় জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর সাবলীল অভিনয় আর হাস্যরসের ধরন কয়েক দশক ধরে দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিল।

সেলিম কুমারের বর্ণিল ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল মঞ্চে একজন মিমিক্রি শিল্পী হিসেবে। ১৯৬৯ সালে কেরালার নর্থ পারাভুরে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী ছাত্রজীবন থেকেই অভিনয়ের প্রতি প্রবল আগ্রহী ছিলেন। কেরালা তথা দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান কালাভবনের হয়ে মঞ্চে পারফর্ম করার মাধ্যমে তিনি দ্রুত পরিচিতি লাভ করেন। মিমিক্রি করার সময় তাঁর চমৎকার কমিক টাইমিং এবং উপস্থিত বুদ্ধির কারণে তিনি দর্শকদের পছন্দের শীর্ষে চলে আসেন। মঞ্চের এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাই শেষ পর্যন্ত ১৯৯৭ সালে তাঁকে বড় পর্দার পথে নিয়ে যায়।

১৯৯৭ সালে ইস্তামানুর নুরু ভাত্তাম চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিষেক হওয়ার পর সেলিম কুমারকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া সত্যমেবা জায়তি ছবিতে মাট্টানচেরি মাম্মাথু চরিত্রটি করার পর তিনি মালয়ালম সিনেমার অপরিহার্য কৌতুক অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। একসময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে, সে দেশের চলচ্চিত্রে কৌতুক দৃশ্যের কথা ভাবলেই পরিচালকদের প্রথম পছন্দ ছিলেন সেলিম কুমার। শত শত চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন এবং সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনের আবেগ-অনুভূতির এক জাদুকরী মুখপাত্র হয়ে উঠেছিলেন।

সেলিম কুমার কেবল কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং গম্ভীর ও জীবনঘনিষ্ঠ চরিত্রে অভিনয় করেও তাঁর সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া আদামিনতে মাকান আবু চলচ্চিত্রে একজন বৃদ্ধ মুসলিম ব্যক্তির চরিত্রে তাঁর হৃদয়স্পর্শী অভিনয় চলচ্চিত্র মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এই অসাধারণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সেই বছর শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কৌতুক অভিনেতার ইমেজ ভেঙে জাতীয় পুরস্কার জয় করার মতো বিরল কীর্তি হাতেগোনা যে কয়েকজন অভিনেতার রয়েছে, সেলিম কুমার ছিলেন তাঁদের অন্যতম।

ডিজিটাল যুগে এসে সেলিম কুমার এক নতুন প্রজন্মের কাছে মিম কিং হিসেবে পরিচিতি পান। তাঁর সিনেমার বিভিন্ন অভিব্যক্তি এবং সংলাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিম ও রাজনৈতিক ব্যঙ্গ হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর প্রতিটি মুভমেন্ট যেন নেটিজেনদের কাছে কোনো না কোনো অনুভূতির ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্পষ্টভাষী এবং সত্যনিষ্ঠ মানুষ। স্ত্রী সুনীতা এবং দুই ছেলে চন্দু ও অরোমলকে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। তাঁর বিদায়ে কেবল একটি প্রাণবন্ত মানুষেরই সমাপ্তি ঘটেনি, বরং ভারতীয় চলচ্চিত্র তার একজন দক্ষ ও বৈচিত্র্যময় অভিনেতা হারাল।

মন্তব্য

বিনোদন
Sudden rain remake is being released in Pooja again Sudden rain

পূজায় মুক্তি পাচ্ছে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র রিমেক ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’

পূজায় মুক্তি পাচ্ছে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র রিমেক ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’

১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এবং দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নেওয়া কালজয়ী সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ দীর্ঘ ২৭ বছর পর নতুন আঙ্গিকে বড় পর্দায় ফিরছে। নতুন প্রজন্মের কাছে এই জনপ্রিয় কাহিনী পৌঁছে দিতে ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’ শিরোনামে একটি রিমেক নির্মাণ করেছেন পরিচালক কামরুজ্জামান। সিনেমার শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে মুক্তির চূড়ান্ত অনুমতিও লাভ করেছে। পরিচালক কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার জোর প্রস্তুতি চলছে।

বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত মূল ছবিতে চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। রিমেকে সেই জনপ্রিয় চরিত্র দুটিতে অভিনয় করেছেন তরুণ অভিনেতা আরিয়ান সারোয়ার ও রাদিফা নারমিন। পরিচালক কামরুজ্জামান জানান, এমন একটি ক্লাসিক সিনেমা রিমেক করা ছিল অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট ও দর্শকদের রুচির কথা মাথায় রেখে অত্যন্ত যত্ন সহকারে কাজটি করা হয়েছে। মূল গল্পের নির্যাস বজায় রেখে আধুনিক নির্মাণশৈলীর মিশেলে ছবিটি দর্শকদের পুনরায় মুগ্ধ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

প্রধান চরিত্রে প্রথমবার অভিনয় করা আরিয়ান সারোয়ার সিনেমাটি নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি জানান, চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করতে তিনি মূল ছবিটি অসংখ্যবার দেখেছেন। ফেরদৌস আহমেদের অভিনয় শৈলীকে তিনি অনুসরণ করলেও অন্ধভাবে কাউকে অনুকরণ করেননি, বরং পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ঢঙে চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। ক্যারিয়ারের শুরুতেই এমন একটি আইকনিক চরিত্রে কাজের সুযোগ পাওয়াকে তিনি তাঁর অভিনয় জীবনের বড় এক অর্জন ও প্রাপ্তি বলে মনে করছেন।

‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমাটিতে আরিয়ান ও রাদিফা ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন একঝাঁক অভিজ্ঞ ও তরুণ শিল্পী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আজাদ আবুল কালাম, ফারজানা ছবি, ক্রিস্টিয়ানো তন্ময়, কায়েস আরজু, মৌ খান, এবং ঝুনা চৌধুরী। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের মূল ছবিটি বাংলাদেশের আশীর্বাদ চলচ্চিত্র ও ভারতের গ্রামকো ফিল্মস যৌথভাবে প্রযোজনা করেছিল। তবে রিমেকে আশীর্বাদ চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সহযোগী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।

দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনার অন্যতম সফল সিনেমা হিসেবে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র যে গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে, নতুন এই রিমেক সেই ঐতিহ্যকে কতটুকু পুনরুজ্জীবিত করতে পারে তা দেখার অপেক্ষায় আছেন সিনেপ্রেমীরা। দীর্ঘ বিরতির পর এমন একটি জনপ্রিয় গল্পের প্রত্যাবর্তন সিনেমা হলে দর্শকদের নতুন এক জোয়ার নিয়ে আসবে বলে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। পূজার মৌসুমে মুক্তি পাওয়ায় উৎসবের আমেজে সাধারণ দর্শকরা পুনরায় সেই জাদুকরী প্রেমের গল্পটি বড় পর্দায় উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

মন্তব্য

বিনোদন
Disney has announced the sixth installment of the Ice Age franchise

আইস এজ ফ্র্যাঞ্চাইজির ষষ্ঠ কিস্তির ঘোষণা দিল ডিজনি

আইস এজ ফ্র্যাঞ্চাইজির ষষ্ঠ কিস্তির ঘোষণা দিল ডিজনি

এনিমেশন সিনেমার ইতিহাসে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘আইস এজ’ দীর্ঘ দশ বছর পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছে। দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সম্প্রতি ডিজনি এই ফ্র্যাঞ্চাইজির ষষ্ঠ কিস্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই ছবিটির নাম রাখা হয়েছে ‘আইস এজ: বয়েলিং পয়েন্ট’। প্রায় এক দশকের বিরতি কাটিয়ে জনপ্রিয় এই চরিত্রগুলোর প্রত্যাবর্তনের খবরে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এবারের কিস্তিতে আইস এজের চিরচেনা গল্পে বড় ধরনের বৈচিত্র্য আসতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতারা। সিনেমার নাম থেকেই স্পষ্ট যে, গল্পের প্রেক্ষাপট এবার কেবল বরফে ঢাকা শীতল পরিবেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। ম্যানি, সিড ও ডিয়েগো এবার এমন এক ভূখণ্ডে পৌঁছে যাবে, যেখানে চারপাশে থাকবে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ও গলিত লাভা। মূলত এক প্রাগৈতিহাসিক এবং বিপর্যস্ত নতুন পৃথিবীর চিত্রই এবারের সিনেমার মূল উপজীব্য হতে যাচ্ছে।

ডিজনির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী বড় পর্দায় মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হলো, আগের কিস্তিগুলোর সেই পরিচিত কণ্ঠস্বরগুলোই আবার ফিরে আসছে। রে রোমানো, জন লেগুইজামো, ডেনিস লিয়ারি, সাইমন পেগ এবং কুইন লাতিফাসহ জনপ্রিয় সব মূল কণ্ঠশিল্পী আবারও নিজেদের নির্ধারিত চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন। পুরনো টিমের এই সফল সমন্বয় দর্শকদের মাঝে নস্টালজিয়া তৈরির পাশাপাশি সিনেমার গুণগত মান বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

দীর্ঘ বিরতির পর আইস এজের এই ফিরে আসাকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। এটিকে পুরনো স্মৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের যুক্ত করার একটি বড় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ডিজনির এই ঘোষণার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ভক্তদের অনেকেই এই পরিবর্তনের প্রশংসা করছেন এবং সিনেমার নতুন জগৎ দেখার জন্য এখন থেকেই অধীর আগ্রহ প্রকাশ করছেন। বক্স অফিসেও সিনেমাটি বড় ধরনের সাফল্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বিনোদন
Hollywood actor James Handy is the son of the murdered lover

হলিউড অভিনেতা জেমস হ্যান্ডি খুন, গ্রেফতার প্রেমিকার ছেলে

হলিউড অভিনেতা জেমস হ্যান্ডি খুন, গ্রেফতার প্রেমিকার ছেলে

হলিউডের জনপ্রিয় ব্লকবাস্টার সিনেমা টপ গান ম্যাভেরিকের মাধ্যমে সমাদৃত প্রবীণ অভিনেতা জেমস হ্যান্ডি মর্মান্তিকভাবে খুনের শিকার হয়েছেন। ৮১ বছর বয়সী এই গুণী অভিনেতাকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে তাঁর নিজের বাড়ির সামনে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানা এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরপরই লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে এবং এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল গ্লেডহিল নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আটককৃত ব্যক্তি নিহত অভিনেতার প্রেমিকার ছেলে। ঘটনার সময় ৯১১ জরুরি সেবা নম্বরে একটি ফোন আসে, যেখানে কলদাতা নিজেকে অজানা সমস্যার কথা জানিয়ে অভিযুক্ত হিসেবে পরিচয় দেন। কলদাতা নিজেকে ঈশ্বরের পুত্র দাবি করেন এবং স্বীকার করেন যে তিনি এক পাপী মানুষকে হত্যা করেছেন। ওই ফোনের সূত্র ধরেই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেখতে পায়, জেমস হ্যান্ডি তাঁর বাগানের সামনের অংশে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। তাঁর বুকে একাধিক গভীর জখম ও ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন, তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করতে হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো গভীর বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে, যা বর্তমানে অধিকতর তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

জেমস হ্যান্ডি ছিলেন হলিউডের একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও অভিজ্ঞ অভিনেতা। দীর্ঘ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন উভয় মাধ্যমেই তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। যদিও তিনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পার্শ্বচরিত্র বা অতিথি শিল্পী হিসেবে পর্দায় আসতেন, তবুও তাঁর প্রতিটি উপস্থিতি দর্শকদের কাছে ছিল স্মরণীয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে জুমানজি, লোগান, এনওয়াইপিডি ব্লু, ল অ্যান্ড অর্ডার, সিএসআই নিউইয়র্ক, ক্যাসেল এবং দ্য ওয়েস্ট উইং-এর মতো বিশ্বখ্যাত সব চলচ্চিত্র ও সিরিজ।

এই প্রবীণ অভিনেতার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত কাজ ছিল ২০২২ সালের সুপারহিট ছবি টপ গান ম্যাভেরিক। এই সিনেমায় তিনি জিমি নামের এক বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের মাঝেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। তাঁর এমন মর্মান্তিক প্রস্থানে হলিউডজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন এবং এই জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মন্তব্য

p
উপরে