× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Alamgir Runa Lailas first
hear-news
player
google_news print-icon

আলমগীর-রুনা লায়লার প্রথম

আলমগীর-রুনা-লায়লার-প্রথম
বিজ্ঞাপনের দৃশ্যে রুনা লায়লা ও আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
বুধবার বিকেলে অনন্য মামুন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘সত্যি বলতে এক ফ্রেমে এমন গুণী শিল্পীদের পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

একসঙ্গে কাজ করলেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা আলমগীর ও গুণী সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা দম্পতিকে। এর আগে তারা একসঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

তবে এবার প্রথমবারের মতো এ দম্পতি কাজ করলেন বিজ্ঞাপনচিত্রে। এটি নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন।

রংধনু কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের বিজ্ঞাপনটি মঙ্গলবার চিত্রায়িত হয়েছে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ১ ও ৯ নম্বর শুটিং সেটে।

বুধবার বিকেলে অনন্য মামুন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘সত্যি বলতে এক ফ্রেমে এমন গুণী শিল্পীদের পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

আলমগীর-রুনা লায়লার প্রথম
বিজ্ঞাপনে অভিনয় করা শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত

বিজ্ঞাপনে আরও দেখা যাবে কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর, অভিনেতা ফেরদৌস ও শিশুশিল্পী লুবাবাকে।

বিজ্ঞাপনটির চিফ কো-অরডিনেটর হিসেবে কাজ করেন সাইফুল ইসলাম এবং ডিরেক্টর অফ ফটোগ্রাফি হিসেবে কাজ করেন হায়দ্রাবাদের ভেংকটেশ।

আরও পড়ুন:
এফডিসির এমডি হিসেবে নিজেকে যোগ্য মনে করি না: আলমগীর
গানই তার পরিচয়
ফোক স্টেশনে আঁখি আলমগীর
যৌথ জীবন শুরু করলেন নিলয়
‘ফকির আলমগীরের মতো শিল্পী এক দিনে হয় না’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Husband Adil arrested in Rakhi Sawant case

রাখি সাওয়ান্তের মামলায় স্বামী আদিল গ্রেপ্তার

রাখি সাওয়ান্তের মামলায় স্বামী আদিল গ্রেপ্তার রিয়্যালিটি তারকা রাখি সাওয়ান্ত ও তার স্বামী আদিল দুররানি। ছবি: সংগৃহীত
মামলায় রাখি অভিযোগ করেন, শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি তাকে না জানিয়ে ফ্ল্যাট থেকে অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন আদিল।

মারধর ও অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগে রিয়্যালিটি তারকা রাখি সাওয়ান্তের করা মামলায় মঙ্গলবার তার স্বামী আদিল দুররানিকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারা অনুযায়ী আদিলের নামে এফআইআর নথিভুক্ত করে মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা থানা। পরবর্তী সময়ে এফআইআরে ৪৯৮ (এ) ও ৩৭৭ ধারা যুক্ত করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আদিলকে বুধবার আদালতে তোলা হবে।

মামলায় রাখি অভিযোগ করেন, শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি তাকে না জানিয়ে ফ্ল্যাট থেকে অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন আদিল।

ওশিওয়ারা থানার বাইরে ‍উপস্থিত সাংবাদিকদের রাখি বলেন, “সকালে বাড়িতে ঢুকে আমাকে মারতে আসে সে। তৎক্ষণাৎ আমি পুলিশকে কল দিই। সে (আদিল) ঘন ঘন আমার বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যায়। এমনকি আজও সে বাড়িতে আমাকে মারতে আসে। আমি আতঙ্কে ছিলাম। সে আমাকে বলে, ‘তুমি সংবাদমাধ্যমে আমার মানহানি করেছো।’”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেয়া পোস্টে ২০২২ সালে আদিলকে বিয়ের কথা জানান রাখি।

চলতি বছরের জানুয়ারির ওই পোস্টে ম্যারেজ সার্টিফিকেটের ছবি দেন এ তারকা, যাতে বিয়ের তারিখ লেখা ছিল ২০২২ সালের ২৯ মে।

মামলায় স্বামীর বিরুদ্ধে বিয়ে-বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগও করেন রাখি।

রাখির ভাই রাকেশের দাবি, তার বোনকে শারীরিক ও মৌখিকভাবে হেনস্তা করেছেন ভগ্নিপতি।

মন্তব্য

বিনোদন
Siddharth Kiara seeks blessings for permanent booking in Rajasthan

রাজস্থানে ‘পার্মানেন্ট বুকিং’ সিদ্ধার্থ কিয়ারার, চাইলেন আশীর্বাদ

রাজস্থানে ‘পার্মানেন্ট বুকিং’ সিদ্ধার্থ কিয়ারার, চাইলেন আশীর্বাদ বিয়ের অনুষ্ঠানে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা বিয়ের প্রথম ছবিতে ‘শেরশাহ’ সিনেমার সংলাপ (আব হুমারি পার্মানেন্ট বুকিং হোগায়ি হ্যায় বা এখন আমরা স্থায়ীভাবে পরস্পরের) জুড়ে দেয় এ জুটি। তারা আরও লেখেন, ‘আগামীর পথচলায় আপনাদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা চাই।’

কয়েক বছরের প্রণয়কে পরিণয়ে রূপ দিয়েছেন বলিউডের হার্টথ্রব দুই অভিনয়শিল্পী সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি।

ভারতের রাজস্থানের জয়সালমিরের সূর্যগড় প্রাসাদে মঙ্গলবার সাত পাকে বাঁধা পড়েন ‘শেরশাহ’ সিনেমার আলোচিত এ জুটি।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, অনুষ্ঠানস্থলে অতিথিদের আগমনের ঘণ্টাখানেকের মধ্যে উইকিপিডিয়ায় সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার প্রোফাইলে ‘বিবাহিত’ শব্দটি যোগ হয়ে যায়।

গোলাপ দিবসে বিয়ের দিনে গোলাপি লেহেঙ্গা পরেন কিয়ারা, যেটি মনীষ মালহোত্রা ডিজাইন করেছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। বিপরীতে সিদ্ধার্থ গায়ে চাপান আইভরি শেরওয়ানি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা বিয়ের প্রথম ছবিতে ‘শেরশাহ’ সিনেমার সংলাপ (আব হুমারি পার্মানেন্ট বুকিং হোগায়ি হ্যায় বা এখন আমরা স্থায়ীভাবে পরস্পরের) জুড়ে দেয় এ জুটি।

তারা আরও লেখেন, ‘আগামীর পথচলায় আপনাদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা চাই।’

এর আগে সোমবার গায়ে হলুদ হয় তারকা এ জুটির। এ আয়োজনে দিনে ছিল মধ্যাহ্নভোজ। আর সন্ধ্যায় বসে জমজমাট গানের আসর। ওই আয়োজনে পরিবেশন করা হয় ‘রানজা’, ‘কাভি তুমহে’, ‘তেরা বান জাউঙ্গা’, ‘মেহেন্দি লাগাকে রাখনা’র মতো জনপ্রিয় গান।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এসব আয়োজনের বেশ কিছু ছবি নেট দুনিয়ায় ছেড়ে দেয় পাপারাজ্জিরা।

সিদ্ধার্থ, কিয়ারার বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন তাদের ঘনিষ্ঠজন, পরিবারের সদস্য ও বলিউডের সহকর্মীরা। বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা যায় করণ জোহর, শহিদ কাপুর ও তার স্ত্রী মিরা রাজপুত, জুহি চাওলাসহ অনেককে।

দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম করছিলেন কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ। কখনোই তারা প্রকাশ্যে প্রেমের বিষয়টি জানাননি। ২০২১ সালে ‘শেরশাহ’ সিনেমায় অভিনয়ের সময় তারা প্রেমে পড়েন বলে ধারণা করেন অনেকে।

পাঞ্জাবি ঐতিহ্য মেনে বিয়ের আয়োজন হয় এ জুটির। নিমন্ত্রিতদের জন্য সূর্যগড় প্রাসাদে ব্যবস্থা করা হয় ৮০টি বিলাসবহুল ঘরের।

অতিথিদের যাতায়াতের জন্য ছিল ৭০টি বিলাসবহুল গাড়িও, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্সেডিজ, জাগুয়ার, বিএমডব্লিউ।

আরও পড়ুন:
‘শেরশাহ’র কারণে চরম বিপাকে কাশ্মীরি সাংবাদিক
অবিকল কিয়ারা
‘বিগ বস’ জয়ী সিদ্ধার্থ শুক্লার প্রয়াণ
শিক্ষিকা আলিয়া থেকে হয়ে উঠলেন নায়িকা কিয়ারা
ভারত-পাকিস্তান অভিযানে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা

মন্তব্য

বিনোদন
I am single Raima

আমি সিঙ্গেল: রাইমা

আমি সিঙ্গেল: রাইমা রাইমা সেন
রাইমা বলেন, ‘ভালো মানুষ চাই। আমার এমন এক জন মানুষ চাই যে আমার জীবনধারার সঙ্গে মিশে যেতে পারবে, সঙ্গে একটু রসবোধ থাকবে। আর ব্যাঙ্কে টাকা থাকা তো জরুরি। ওটা না থাকলে তো চলবে না।’

বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের নাতনি ও অভিনেত্রী মুনমুন সেনের মেয়ে রাইমা সেন।

ভালো মনের মানুষ পেলেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চান বলে সম্প্রতি আনন্দবাজার পত্রিকাকে জানিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

৪৩ বছর বয়সী রাইমা বলেছেন, ‘আমি সিঙ্গেল। আমি তো চাই বিয়ে করতে। পাত্র খুঁজে দিলেই বিয়ে করব।’

ইন্ডাস্ট্রিতে পার করে ফেলেছেন এক যুগেরও বেশি। কখনও চর্চা হয়েছে তার কাজ, কখনও আবার শিরোনামে উঠে এসেছে তার ব্যক্তিগত জীবন। ঋতুপর্ণ ঘোষের মাধ্যমে দর্শক পেয়েছিলেন এক অন্য রাইমাকে।

প্রেম নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও এখনও বিয়ে করা হয়নি এই অভিনেত্রীর। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রাইমা বলেন, ‘ভালো মানুষ চাই। আমার এমন এক জন মানুষ চাই যে আমার জীবনধারার সঙ্গে মিশে যেতে পারবে, সঙ্গে একটু রসবোধ থাকবে। আর ব্যাঙ্কে টাকা থাকা তো জরুরি। ওটা না থাকলে তো চলবে না।

আমি সিঙ্গেল: রাইমা

‘যদিও আমি যে আংটিটা পরে থাকি তা দেখে অনেকেই ভাবেন আমি হয়তো এনগেজড, কিন্তু আমি সিঙ্গেল, সবাইকে বলতে চাই।’

হিন্দি এবং বাংলা দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সমান তালে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন রাইমা। তবে বেশিসংখ্যক কাজের থেকেও ভাল কাজ করা তার লক্ষ্য।

রাইমার কথায়, আমি একটু বেছে কাজ করি তাই আমায় অনেকে আনপ্রেডিক্টেবল ভাবে। কিন্তু আমি ভাল কাজ করার পক্ষপাতী। তাই তো অনেক দিন পর রক্তকরবী-তে কাজ করলাম। কী দারুণ চিত্রনাট্য। বিক্রমও বেশ ভালো। একটু বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে।

মুম্বাইয়ে বেশ কিছু ছবির কাজ করছেন রাইমা। বাংলা সিরিজ়ের পাশাপাশি তার অভিনীত তামিল ছবিও এখন মুক্তির অপেক্ষায়। শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন ওয়েব সিরিজ় ‘রক্তকরবী।’

আরও পড়ুন:
বিয়ে নিয়ে রাইমার সিদ্ধান্ত
আজব বায়না রাইমার, কালো ঘোড়া ছাড়া ছবিই তুলবেন না
স্বল্প বসনে আবারও অনুরাগীদের তাক লাগালেন রাইমা

মন্তব্য

বিনোদন
My marriage forehead is bad Prosenjit

বিয়ের কপালটা আমার খারাপ: প্রসেনজিৎ

বিয়ের কপালটা আমার খারাপ: প্রসেনজিৎ ফাইল ছবি
প্রসেনজিৎ বলেন, ‘বিয়ের কপালটা আমার খারাপ। প্রত্যেক জায়গায় আমি একটাই কথা বলি, যেটাই হয়েছে সেটা আমার দোষ, আমি তাকে বুঝতে পারিনি।’

প্রথম স্ত্রী দেবশ্রী রায়কে এখনও ভুলতে পারেন না ভারতীয় বাংলা সিনেমার সবচেয়ে পরিচিত মুখ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। সংসার ভাঙার দায়ও নিলেন তিনি। বললেন বন্ধুত্ব রাখতে চাওয়ার কথাও।

তিন দশক ধরে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের সামনে থাকা বুম্বাদার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা কম হয় না। নানাভাবে সামনে আসে সেসব প্রসঙ্গ। এবার তাই অভিনেতা নিজেই প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন।

জি ২৪ ঘন্টাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘বিয়ের কপালটা আমার খারাপ। প্রত্যেক জায়গায় আমি একটাই কথা বলি, যেটাই হয়েছে সেটা আমার দোষ, আমি তাকে বুঝতে পারিনি।’

ভালোবাসে পরস্পরকে বিয়ে করেছিলেন তারা। ছোটবেলার বন্ধুত্ব, যৌবনে পা দিয়েই দাম্পত্যে জড়ান। সালটা ১৯৯২। তবে খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি এই সম্পর্ক। তিন বছর পরেই ভেঙে যায় প্রসেনজিৎ-দেবশ্রীর বিয়ে।

অভিনেতা জানান, দেবশ্রীর সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। দু-বছর বাড়ির বাইরে বার হননি।

প্রসেনজিৎ বলেন, ‘জীবনে প্রথম প্রেম, প্রথম ভালোবাসার একটা আলাদা জায়গা থাকে। আরেকটা ফ্যাক্টর ছিল আমার বয়সটা। আমি যে সময় বিয়ে করেছিলাম, যদি আরও পাঁচ বছর পর বিয়ে করতাম, হয়ত বিষয়টা আমরা দুজনেই অনেকটা ম্যাচিউরডভাবে হ্যান্ডেল করতে পারতাম। তবে আমি কোনও জায়গায় কাউকে দোষ দিইনি। বলেছি সবটা আমার দোষ।’

অভিনেতা আরও বলেন, ‘সবাই জানতো আমাদের প্রেম, আমাদের ভালোবাসার কথা। আমি ভয় পেতাম। লোকে ভাববে আমার ভালোবাসাটা বোধহয় জেনুইন ছিল না। হয়তো আমার ভালোবাসাটা ভুল ছিল, আমি ভালোবাসতে পারিনি।

‘সেই ভাবনাটা থেকে ভেতরে ভেতরে কষ্ট পেতাম। লজ্জা, ভয়, অভিমান মিশিয়ে আমি কারুর সামনে যেতে পারিনি। সেইসময় অনেক পরিচালক, কাছের বন্ধুরা আমার বাড়িতে এসে বলেছেন- এটা জীবন নয়। এরপর ধীরে ধীরে গৃহবন্দি দশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াই।’

দেবশ্রীর সঙ্গে পুরোনো বন্ধুত্ব ফিরে পেতে চান প্রসেনজিৎ।

প্রথম বিয়ে ভাঙার পর অপর্ণা গুহঠাকুরতাকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা, তাদের মেয়ে প্রেরণা। সেই সম্পর্কেও প্রসেনজিৎ ইতি টানেন ২০০২ সালে। এখন অর্পিতাকে নিয়ে ঘর করছেন। তাদের একমাত্র ছেলে তৃষাণজিৎ।

আরও পড়ুন:
এবার ব্যোমকেশ হচ্ছেন দেব
ক্যানসারের কাছে হারলেন রাখির মা
শুটিংয়ে গিয়ে অসুস্থ নায়িকা ববি

মন্তব্য

বিনোদন
Season 15 of Sisimpur is starting

শুরু হচ্ছে সিসিমপুরের সিজন-১৫

শুরু হচ্ছে সিসিমপুরের সিজন-১৫
ইউএসএআইডি/বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত নতুন এই সিজনের স্লোগান- ছন্দে ছন্দে পনেরো এলো- সবাই মিলে এগোই চলো। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সিজন-১৫ এর আনকোরা পর্বগুলো দেখা যাবে দুরন্ত টেলিভিশনের পর্দায়।

শুরু হচ্ছে শিশুদের প্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুরের নতুন মৌসুম, সিজন-১৫। নতুন এই মৌসুমে হালুম, টুকটুকি, ইকরি ও শিকু হাজির হবে নতুন নতুন সব গল্প নিয়ে আর সঙ্গে থাকবে তাদের নতুন বন্ধু জুলিয়া।

জুলিয়া চরিত্রটি সিসিমপুরে বিশেষ সংযোজন। তার মধ্যে আছে অটিজম বিষয়ক বৈশিষ্ট্য। সিসিমপুরে বাংলাদেশের অটিজমসম্পন্ন শিশুদের প্রতিনিধিত্ব করবে জুলিয়া।

ইউএসএআইডি/বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত নতুন এই সিজনের স্লোগান- ছন্দে ছন্দে পনেরো এলো- সবাই মিলে এগোই চলো। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সিজন-১৫ এর আনকোরা পর্বগুলো দেখা যাবে দুরন্ত টেলিভিশনের পর্দায়।

সবাইকে অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া- এই বিষয় দুটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে সিসিমপুরের ১৫তম মৌসুম। এছাড়া মজার মজার গল্পের মাধ্যমে প্রাক-গণিত, প্রাক-পঠন, অটিজম, পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব, বিশ্লেষণী চিন্তা-ভাবনা, জেন্ডার বিষয়ক প্রচলিত সংস্কারকে জয় করা এবং ভিন্ন ভিন্ন ভাবপ্রকাশের উপায়কে সম্মান দেখানোর মতো বিষয়গুলোকে তুলে ধরা হবে।

এতে থাকবে গণিত, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিজ্ঞান নিয়ে দারুণ সব এনিমেশন। আর শিশুদের নিয়ে লাইভ এ্যাকশন ফিল্ম। এছাড়া ‘ইকরির সাথে বর্ণ চেনা’ এবং ‘টুকটুকির সাথে সংখ্যা চেনা’র প্রতিটি পর্বে ইকরি একটি করে বর্ণ এবং টুকটুকি একটি করে সংখ্যা চেনাবে।

১৫তম সিজনের পর্বগুলো বর্ণনামূলক, ‘শিকুর বিজ্ঞানের জগৎ’ এবং ‘ইকরির সাথে খেলার সময়’ এই তিন ধরনের ফরমেটে তৈরি। এবারের পর্বগুলোতে সিসিমপুরের বন্ধু হালুম, টুকটুকি, ইকরি, শিকুর সাথে নতুন বন্ধু জুলিয়া ছাড়াও অংশ নিয়েছে আমিরা এবং শিকুর সহকারি বানর।

এ ছাড়া থাকছে প্রতিবন্ধী, প্রান্তিক এবং আদিবাসী শিশুরাও। আর সিসিমপুরের নিয়মিত অন্যান্য চরিত্ররা তো থাকছেই। এই সিজনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কিছু পর্বে ব্যবহার করা হয়েছে ইশারা ভাষা।

৩০ জানুয়ারি সিসিমপুরের সিজন-১৫-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত ও অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি ইউএসএআইডির মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন ডেভিস স্টিভেন্স।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নতুন সিজনের উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. উত্তম কুমার দাশ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের সিইওও ডা. সাকী খন্দকার।

এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন এশিয়াটিকের কো-চেয়ারম্যান সারা যাকের, বিটিভি’র পরিচালক জগদীশ এষ, মাছরাঙা টেলিভিশনের নির্বাহী পরিচালক অজয় কুমার কুণ্ডু এবং ‘ইউএসএআইডি সিসিমপুর’ প্রজেক্টের চিফ অফ পার্টি মোহাম্মদ শাহ আলম-সহ অনেক গুণীজন। সঙ্গে ছিল সিসিমপুরের বন্ধু বাহাদুর, ইকরি, শিকু, টুকটুকি, হালুম ও নতুন বন্ধু জুলিয়া।

ইউএসএআইডির আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত ‘সিসিমপুর’ ২০০৫ সাল থেকে প্রাক-প্রাথমিক শিশু বিকাশ কার্যক্রমের আওতায় ‘সর্বত্র শিশুরা হয়ে উঠুক আরও সম্পন্ন, আরও সবল এবং আরও সদয়’ এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে সহায়তা করছে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমে সহায়তা করছে ‘প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়’।

আরও পড়ুন:
শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিতে সিসিমপুরের নতুন প্রকল্প
শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিতে সিসিমপুরের প্রকল্প
শিশুদের জন্য সিসিমপুর অ্যাপ

মন্তব্য

বিনোদন
Early Saturday afternoon release Tisha

দ্রুত ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তির ব্যবস্থা হোক: তিশা

দ্রুত ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তির ব্যবস্থা হোক: তিশা ফাইল ছবি
তিশা লিখেছেন, ‘আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত শনিবার বিকেল মুক্তির ব্যবস্থা করা হউক!’

আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বহুল আলোচিত ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমা মুক্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা।

সোমবার দুপুরে এই সিনেমার নির্মাতা ও তার স্বামী মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর এ সংক্রান্ত একটি ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এই আহ্বান জানান তিনি।

তিশা লিখেছেন, ‘আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত শনিবার বিকেল মুক্তির ব্যবস্থা করা হউক!’

তিনি যে পোস্টটি শেয়ার করেছেন তাতে ফারুকী লিখেছেন, ‘সেন্সর বোর্ডের প্রিয় ভাই-বোনেরা, আমরা এখনও আপনাদের চিঠির অপেক্ষায়। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আপিল বোর্ড একটা সিনেমার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাখে। শনিবার বিকেলের ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত দেশি-আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকা এবং টেলিভিশনের কল্যাণে সারা দুনিয়ার মানুষ জানে। তারা সবাই তাকিয়ে আছে।

‘আর দেরি না করে চিঠিটা তাড়াতাড়ি পাঠান। আমরা বাংলাদেশকে আর বিব্রতকর অবস্থায় না ফেলি। ওদিকে ফারাজ রিলিজ হচ্ছে তিন তারিখ। বাংলাদেশের মানুষ তাকিয়ে আছে শনিবার বিকেল মুক্তির দিকে, ফারাজের সাথে একই দিন বা এক ঘন্টা আগে হলেও।’

তিনি লিখেছেন, ‘সুতরাং এটা দ্রুত সমাধান করেন। আমরা হাসিমুখে সিনেমাটা রিলিজ করি। পৃথিবীর নানা দেশে সিনেমাটা দেখানো হয়েছে, হচ্ছে। এবার বাংলাদেশের মানুষের পালা। পাশাপাশি এটাও আপনাদের ভাবার সময় আসছে, এই নতুন মিডিয়ার যুগে সিনেমা আটকানোর মতো সেকেলে চিন্তা আদৌ কোনো কাজে আসে কি না। কারণ যে কেউ চাইলে তার ছবি ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে উন্মুক্ত করে দিতে পারে। ফলে ছবি আটকানোর চেষ্টা একটা পণ্ডশ্রম যা কেবল দেশের জন্য বদনাম-ই বয়ে আনতে পারে।

‘আরেকটা কথা যেটা বারবারই বলছি, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য অমানুষিক পরিশ্রম করে কারো সিনেমা বানানোর দরকার নাই। দেশের বাইরে যে কোনো দেশ থেকে ইউটিউব-ফেসবুকে একটা দশ মিনিটের ভিডিও আপ করে দিলেই হয়। শিল্প রচনার মতো এতো কষ্টসাধ্য পথে যাওয়ার তো দরকার নাই।’

পোস্টে এই নির্মাতা লিখেছেন, ‘আর তাছাড়া শিল্পীর লক্ষ্য এতো ন্যারো থাকে না, ভাই। কারো ভাবমূর্তি রক্ষা বা ক্ষুন্ন করার মতো কাজ তার না। তার লক্ষ্য মহাকালের সাথে তার কালের কথোপকথন! ইতি,আপনাদেরই বঙ্গসন্তান!’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে বহুদিন ধরে আটকে ছিল মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’। অবশেষে সিনেমাটি নিয়ে সেন্সর বোর্ডের আপিল কমিটির শুনানিতে জানানো হয়, এই সিনেমা মুক্তিতে আর বাধা নেই।

জানা যায়, গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটা ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। দেশে সিনেমাটি এখনও প্রদর্শিত না হলেও মিউনিখ, মস্কো, সিডনি, বুসান, প্যারিসের ভেসুল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে শনিবার বিকেল প্রদর্শিত হয়েছে এবং পুরস্কৃতও হয়েছে।

বাংলাদেশ, ভারত ও জার্মানির যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত শনিবার বিকেল। প্রযোজনায় আরও আছে জাজ মাল্টিমিডিয়া ও ছবিয়াল এবং ভারতের শ্যাম সুন্দর দে।

এতে অভিনয় করেছেন অস্কার মনোনীত ওমর সিনেমার অভিনেতা ইয়াদ হুরানিসহ নুসরাত ইমরোজ তিশা, জাহিদ হাসান, ইরেশ জাকের, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়সহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
‘ফারাজ’-এর আগে ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তির চিন্তা
ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তিতে বাধা নেই
ফারুকীর 'শনিবার বিকেল' নিয়ে আপিল শুনানি ২১ জানুয়ারি

মন্তব্য

বিনোদন
Who won the National Film Award

যারা পেলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

যারা পেলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে গত ২৬ জানুয়ারি এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। শিগগির অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার কথা রয়েছে।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২১-এর জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ২৭ ক্যাটাগরিতে ৩৪টি পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে গত ২৬ জানুয়ারি এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
শিগগির অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার কথা রয়েছে।

চলচ্চিত্রশিল্পে বিশেষ অবদান রাখায় এবার আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন (যৌথভাবে) অভিনেত্রী ডলি জহুর ও অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে (যৌথভাবে) নির্বাচিত হয়েছে মাতিয়া বানু শুকু নির্মিত ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ও রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত নির্মিত ‘নোনাজলের কাব্য’।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হয়েছেন (যৌথভাবে) মো. সিয়াম আহমেদ (মৃধা বনাম মৃধা) ও মীর সাব্বির মাহমুদ (রাতজাগা ফুল); শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (যৌথভাবে) হয়েছেন আজমেরী হক বাঁধন (রেহানা মরিয়ম নূর) ও তাসনোভা তামান্না (নোনাজলের কাব্য)।

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য)। পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এম ফজলুর রহমান বাবু (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী শম্পা রেজা (পদ্মপুরাণ) ও খল চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে মো. আবদুল মান্নান জয়রাজ (লাল মোরগের ঝুঁটি)পুরস্কার পেয়েছেন।

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে আকা রেজা গালিবের ‘ধর’ এবং শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে কাওসার চৌধুরীর ‘বধ্যভূমিতে একদিন।’

এবার শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হয়েছেন সুজেয় শ্যাম (যৈবতী কন্যার মন)। শ্রেষ্ঠ গায়ক হিসেবে কে. এম. আবদুল্লাহ-আল-মুর্তজা মুহিন (শোনাতে এসেছি আজ-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা চন্দনা মজুমদার (দেখলে ছবি পাগল হবি-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গীতিকার প্রয়াত গাজী মাজহারুল আনোয়ার (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ সুরকার হিসেবে সুজেয় শ্যাম (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন) এবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।

এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা চরিত্রে প্রভাষ কুমার ভট্টাচার্য্য মিলন (মৃধা বনাম মৃধা), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে আফিয়া তাবাসসুম (রেহানা মরিয়ম নূর) পুরস্কার পেয়েছেন। শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন জান্নাতুল মাওয়া ঝিলিক (যা হারিয়ে যায়)।

শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে নূরুল আলম আতিক (লাল মোরগের ঝুঁটি) এবং শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার পুরস্কার পেয়েছেন তৌকীর আহমেদ (স্ফুলিঙ্গ)।

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক হিসেবে সামির আহমেদ (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক শিহাব নূরুন নবী (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক (দলগত) সৈয়দ কাশেফ শাহবাজি, সুমন কুমার সরকার, মাজহারুল ইসলাম রাজু (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক শৈব তালুকদার (রেহানা মরিয়ম নূর), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা শিল্পী হিসেবে ইদিলা কাছরিন ফরিদ (নোনাজলের কাব্য) পুরস্কার জিতেছেন। শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান (দলগত) পুরস্কার পেয়েছেন মো. ফারুক ও মো. ফরহাদ রেজা মিলন (লাল মোরগের ঝুঁটি)।

আরও পড়ুন:
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে যুক্ত হতে পারে আরও নাম
রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেল বেঙ্গল পলিমার ওয়্যারস
প্রথমবার দেয়া হলো রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার

মন্তব্য

p
উপরে