× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Omar Farooqs Mar World Premiere
google_news print-icon

‘ওমর ফারুকের মা’র ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার

ওমর-ফারুকের-মার-ওয়ার্ল্ড-প্রিমিয়ার
ওমর ফারুকের মা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্য।
গল্পটি ওমর ফারুক ও তার মায়ের। যুদ্ধের এক রাতে ফিরে ভাত খাবেন বলে মাকে কথা দিয়ে যান ওমর ফারুক। সেই রাত্রে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের একটি অবিচ্ছিন্ন সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে ওমর ফারুকের মা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন এম এম জাহিদুর রহমান (বিপ্লব)। সিনেমাটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত।

বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান সিনেমাটির পরিচালক।

গল্পটি পিরোজপুর জেলার আমড়াঝুড়ি কাউখালী উপজেলার আশোয়া আমড়াঝুড়ি নামক স্থানের ওমর ফারুক ও তার মায়ের। সিনেমায় ওমর ফারুক ২১ বছরের যুবক, স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ পিরোজপুরের টাউন ক্লাব চত্বরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন ওমর ফারুক।

এক সন্ধ্যায় অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে পিরোজপুরের ট্রেজারি ভেঙে লুট করেন অস্ত্র। আত্মগোপনে থেকে সুসংগঠিত করতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধাদের। যুদ্ধের এক রাতে ফিরে ভাত খাবেন বলে মাকে কথা দিয়ে যান ওমর ফারুক। সেই রাত্রে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন তিনি।

সিনেমায় মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, ওমর ফারুকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সাঈদ বাবু। আরও আছেন বন্যা মির্জা, সাহেদ শরীফ খান, খাইরুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকি, সালমা রহমান, আইনুন পুতুল, রিপন চৌধুরী, কাজী রাজু, সৈয়দ শুভ্রসহ অনেকে।

৩ ডিসেম্বর বিকেলে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার শো হয়।

আরও পড়ুন:
লকডাউন নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা
মুম্বাই উৎসবে প্রদর্শিত হবে টুসির ‘রিপলস’
বিঝু উৎসবে আসছে চাকমা ভাষার চলচ্চিত্র ‘স্ববনত তুই’
শুক্রবার থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্যের সবচেয়ে বড় উৎসব
‘লটারি’ টাকা ছাড়াই দেখা যাবে চরকিতে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Sanjay said that he is still in great financial trouble

এখনও অর্থকষ্টে আছেন, জানালেন সঞ্জয়

এখনও অর্থকষ্টে আছেন, জানালেন সঞ্জয় সঞ্জয় গান্ধী
সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, অতিমারির সময় থেকে তার আর্থিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে বাড়িভাড়া মেটানোর সামর্থ্য পর্যন্ত তার নেই। এমনকি মরিয়া হয়ে তিনি তার মিরা রোডের একটি ফ্ল্যাট বন্ধক রাখার কথাও ভেবেছেন।

রুপালি পর্দার মানুষগুলোর জীবন যতখানি রঙিন, বোধ হয় তার উল্টো দিকে অপেক্ষা করে থাকে ততখানিই অন্ধকার। গত কয়েক বছরের অতিমারি পরিস্থিতি সেই দিকটি আরও বেশি করে তুলে ধরেছে।

সম্প্রতি অভিনেতা সঞ্জয় গান্ধী তার জীবনের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন। হিনা খানের ‘ইয়ে রিশ্তা ক্যা কহলাতা হ্যায়’ ধারাবাহিকে দাদাজির ভূমিকায় অভিনয় করে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী।

সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, অতিমারির সময় থেকে তার আর্থিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে বাড়িভাড়া মেটানোর সামর্থ্য পর্যন্ত তার নেই। এমনকি মরিয়া হয়ে তিনি তার মিরা রোডের একটি ফ্ল্যাট বন্ধক রাখার কথাও ভেবেছেন।

আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, আসলে অতিমারি পরিস্থিতি সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছে বাস্তবটা ঠিক কতটা কঠিন। যারা পরিস্থিতিটা বুঝতে পারেন না, তাদের জানানোর জন্যই সঞ্জয় তুলে ধরেছেন তার ২০২১ সালের জুন মাসের অভিজ্ঞতা। প্রবীণ এই অভিনেতা জানিয়েছেন, সেই সময় হাতে কাজ ছিল না। রোজের খরচ চালানোও মুশকিল হয়ে গিয়েছিল।

একটি সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, এমনিতে অভিনেতাদের জীবন রঙিন, যত ক্ষণ তারা কাজ করেন। এক বার হাতে কাজের অভাব হলেই মুশকিল, যে কোনও সময় পতন হতে পারে।

তবে তিনি জানিয়েছেন, ‘ঝনক’ শুরু হওয়ার পর তার জীবন খানিকটা স্বাভাবিক খাতে বইছে। তিনি জানান, অভিনয় করার জন্য মুম্বাইতে থাকা প্রয়োজন, আর সেটা খুবই খরচসাপেক্ষ। এ দিকে অভিনয় করা ছাড়া অন্য কোনও আয়ের উৎসও থাকে না। ফলে সমস্যায় পড়েন অভিনেতারা।

তিনি আরও বলেন, অনেক অভিনেতা অতিমারির সময় কষ্টে ছিলেন। আমারও সমস্ত সঞ্চয় শেষ হয়ে যায় ওই সময়। আন্ধেরিতে বাড়ি ভাড়া করে থাকি। ভাড়া মেটানোর জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে টাকা ধার করতে হয়েছে। সেই সব মেটাতে আমাকে আমার বাড়ি বন্ধক রাখতে হবে। কারণ এখনও দারুণ অর্থকষ্টে আছি। নতুন কিছু কাজের কথাও ভাবতে হচ্ছে।

সঞ্জয়কে দেখা গিয়েছে ‘নাগিন’ এবং ‘ইয়ে রিশ্তা ক্যা কহলাতা হ্যায়’-সহ বেশ কয়েকটি ধারাবাহিকে।

মন্তব্য

বিনোদন
Surprising love beyond 30

৩০ পেরিয়ে ‘অবাক ভালোবাসা’

৩০ পেরিয়ে ‘অবাক ভালোবাসা’ ‘অবাক ভালোবাসা’ গানে অংশ নেয়া ওয়ারফেজ ব্যান্ডের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
কয়েক প্রজন্ম ধরে অবাক ভালোবাসা শ্রোতাদের খুব প্রিয় একটি গান। এটি ভালোবাসা আর সুরের শক্তিতে অনেক মানুষকে কাছে এনেছে।

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ ৪০ বছরে পা দিয়েছে ৬ জুন।

বেশ কিছু অ্যালবাম, পুরস্কার, অসাধারণ ও হিট গানের সঙ্গে বাংলাদেশের সংগীত জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে ব্যান্ডটি। তা ছাড়া গানের কথা ও সুরের মধ্য দিয়ে কয়েক প্রজন্ম ধরে সারা বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে তারা।

গত সপ্তাহে কোক স্টুডিও বাংলায় নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ হয়েছে ওয়ারফেজের বিখ্যাত গান ‘অবাক ভালোবাসা’। গানটি নতুন করে প্রমাণ করল কিছু গান, কিছু সুর কখনও পুরোনো হয় না। কয়েক প্রজন্ম পরও এসব গান আবার নতুন করে ফিরে আসে।

গানটির নতুন সংস্করণ ইউটিউবে ৭০ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। এমন সময়ে এর আদি সংস্করণের কথাও আমাদের মনে পড়ে যায়।

আজ থেকে ৩০ বছর আগে ‘অবাক ভালোবাসা’ নামের অ্যালবামে মুক্তি পায় এ গান। অ্যালবামটি তো হিট হয়েছিলই, সেই সঙ্গে অবাক ভালোবাসা গানটিও।

বেশ কিছু চমৎকার উপাদান এতে যুক্ত করা হয়েছিল। শুরুতেই কয়েক মিনিটের সেই গিটার সলো, পাথরে ধাক্কা খাওয়া ঢেউয়ের শব্দ, আকাশে উড়তে থাকা গাঙচিলের ডাক, আর তারপর অসাধারণ কথা ও সুরের সমন্বয়। তখনকার তরুণরা গানটিকে লুফে নিয়েছিল।

প্রায় তিন দশক পর প্রকাশিত অবাক ভালোবাসা গানের নতুন সংস্করণটি বর্তমান সময়ের তরুণদের ভালোবাসা পাচ্ছে। গানটিতে অংশ নিয়েছেন ওয়ারফেজের বর্তমান সদস্যরা শেখ মনিরুল আলম টিপু, ইব্রাহিম আহমেদ কমল (লিড গিটার), পলাশ নূর (ভোকাল), সামির হাফিজ (লিড গিটার), নাইম হক রজার (বেইজ গিটার) ও শামস মনসুর গণি (কিবোর্ড)। এতে পারফর্ম করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে এসেছিলেন ব্যান্ডটির সাবেক ভোকাল ও এই গানের স্রষ্টা বাবনা করিম। আরও ছিলেন একঝাঁক শিল্পী, যারা গানের সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়েছেন ও ভোকালাইজ করেছেন।

টিপু বলেন, ‘গত নভেম্বরে অর্ণব কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের ব্যাপারে আমার সাথে যোগাযোগ করে। তারা একটা এপিসোডে ওয়ারফেজকে ফিচার করতে চাইছিল। বিভিন্ন শর্ত, নানা বিষয়ে একমত হওয়ার পরে আমরা এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করলাম।’

টিপু জানান, তারা প্রথমে তাদের অন্য একটি হিট গান ‘একটি ছেলে’ নতুনভাবে করতে চাইছিলেন।

তিনি বলেন, “আমাদের বর্তমান ভোকাল পলাশ এই গানটা চমৎকার গায়। আমরা সবাই ভাবছিলাম এই গানটা দারুণ হবে, কিন্তু কোক স্টুডিও টিমের পছন্দ ছিল ‘অবাক ভালোবাসা’। অনেক চিন্তাভাবনার পর আমরা কোকের সিদ্ধান্তই মেনে নিলাম। সাথে সাথেই আমরা গানটি যার লেখা ও সুর করা, সেই বাবনা করিমের সাথে যোগাযোগ করলাম।”

টিপুর মতে, পুরো ব্যাপারটাই ছিল একটি দলীয় প্রচেষ্টা। নতুন সংস্করণটির প্রযোজনায় অর্ণব আর সামিরের সঙ্গে তিনি নিজেও কাজ করেছেন।

অবাক ভালোবাসা গানের ভিজ্যুয়াল পরিচালনায় ছিলেন ডোপ প্রোডাকশনের কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়। এর সেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় অন্তত ৩০০ কেজি বালি।

আর্ট ডিরেক্টর শিহাব নূর এবং কস্টিউম ডিজাইনার নিশাত দিশার সঙ্গে মিলে কৃষ্ণেন্দু আর তার টিম একটি চমৎকার ডিজাইন তৈরি করেছেন। এখানে ছিল কক্সবাজারের সমুদ্র, ‘অ্যাঞ্জেল ড্রপ’ নামের একটি ক্যাফে এবং নীলচে আভার সন্ধ্যাবেলা।

বেড়ে ওঠার সময়ে গানটি কৃষ্ণেন্দুর ভীষণ প্রিয় ছিল। তিনি বলেন, ‘অবাক ভালোবাসা শুনে আমার সবসময়ই শান্ত সমুদ্র আর রাতের তারাভরা আকাশের কথা মনে পড়ে। সেই কারণে ভিজ্যুয়ালের ক্ষেত্রে আমরা নীল আর সাদা টোন নিয়ে কাজ করেছি।’

পরিচালক আরও জানান, লাইভ শ্যুট করা সবসময়ই বেশ ঝামেলার। সেটে কাজ করার সময় প্রযুক্তিগত নানা সমস্যা মোকাবিলা করতে গিয়ে অডিও ও ভিডিও দুটি টিম মিলে একটি টিম হয়েই কাজ করেছিল।

অবাক ভালোবাসা গানের গীতিকার ও সুরকার বাবনা করিম জানান, গানটি মুক্তি পাওয়ার বছর দুয়েক আগে ১৯৯২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তিনি গানটি লিখেছিলেন। তার ভাষায়, ‘আমার মাথায় প্রথমে সুরটা এসেছিল। গানের কথা এসেছে আরও পরে।’

১৯৯৪ সালে ‘অবাক ভালোবাসা’ নামের অ্যালবামটি মুক্তি পাওয়ার পর ব্যান্ডটি ‘কোকা-কোলা ব্যান্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’-এর খোঁজ পায়।

প্রতিযোগিতায় এই গান জমা দেয়ার জন্য খুবই আগ্রহী ছিল ব্যান্ডটি, কিন্তু তাদের সাড়ে তিন হাজার টাকার মতো ঘাটতি ছিল।

এ নিয়ে টিপু বলেন, ‘প্রতিযোগিতার বিচারকরা আমাদের কাছে পাঁচটি ক্রোম ক্যাসেটে গানটির রেকর্ড, গানের কথা এবং গঠন (কনস্ট্রাক্ট) চেয়েছিলেন। বাবনা বা আমার কারও কাছেই ওই টাকা ছিল না। তাই আমি রেইনবোর কবির ভাইয়ের কাছে গেলাম। তিনি সাথে সাথেই আমাকে টাকাটা দিলেন এবং নিজেই ক্রোম ক্যাসেটগুলোও রেকর্ড করে দিলেন।’

অনুমিতভাবেই প্রতিযোগিতায় তারা প্রথম স্থান লাভ করে ৫০ হাজার টাকা জিতে নেন। এর ফলে নিঃসন্দেহে ব্যান্ডটি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছে; সংগীত জগতে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।

এখন তিন দশক পরে এসে ভাগ্যই যেন ওয়ারফেজ আর কোকা-কোলাকে আবার এক মঞ্চে নিয়ে এলো। কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনে যুক্ত হলো জনপ্রিয় ব্যান্ডটি।

কোক স্টুডিও বাংলার নতুন সংস্করণের প্রযোজনা ও সেট নিয়ে বাবনা করিম বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমার চমৎকার লেগেছে। আর দুটো ভিন্ন স্কেলকেও বেশ ভালোভাবেই মেলানো হয়েছে।’

আদি সংস্করণ ও নতুন সংস্করণের উল্লেখযোগ্য পার্থক্যটির দিকে নির্দেশ করে বাবনা বলেন, ‘এটা করার কারণ হলো পলাশ আর আমি দুই ধরনের স্কেলে গান করি।’

বাবনা করিম যে স্কেলের পরিবর্তনের কথা বলছেন, তা হলো সেটে নতুন সংস্করণটি লাইভ গাওয়ার সময় ই মাইনর থেকে সি মাইনরে চলে যাওয়া। অনেক সময় পারফরম্যান্সকে আরও শৈল্পিক করে তোলার জন্য একাধিক স্কেল ব্যবহার করা হয়। এ রকম ক্ষেত্রে গানের গতিতেও আসে পরিবর্তন।

দুই বা ততধিক ভোকাল একই গান গাওয়ার সময়ও স্কেলের এই পরিবর্তন দেখা যায়। অবাক ভালোবাসার ক্ষেত্রে এ কারণেই পরিবর্তনটি করা হয়।

পলাশ বলেন, ‘এই গানে আমরা সি মাইনর থেকে ই মাইনরে গিয়েছি। অর্থাৎ মোট চারবার স্কেল পাল্টেছে!’ দুজন ভোকালিস্টের স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফর্মের সুবিধার্থে এটা করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘ঠিক কীভাবে এই ট্রানজিশনটা আনা হবে, সে ব্যাপারে ওয়ারফেজ আর অর্ণবের মাঝে দীর্ঘ আলোচনা হয়। একসময় একটা পয়েন্ট ঠিক করা হয়, যেখানে ভোকাল আর বাদ্যযন্ত্রের এই ট্রানজিশনটা সুন্দরভাবে হয়। সেদিন আমি নতুন কিছু জিনিস শিখতে পেরেছিলাম!’

নব্বই দশকের সংগীতপ্রেমী আর ওয়ারফেজের ভক্তদের স্মৃতিকাতর করে তুলেছে গানটির এ নতুন সংস্করণ, তবে নতুন আইডিয়া ও কয়্যার, বাঁশি ও পারকাশনসহ নতুন একটি সেটআপে গানটি করতে রাজি হওয়ার সাহস দেখানোর জন্য ওয়ারফেজকে ধন্যবাদ দিতেই হয়।

এ থেকে স্পষ্ট যে, সংগীতের বিবর্তন কখনও থেমে থাকে না এবং কিংবদন্তি ব্যান্ড ওয়ারফেজের অবাক ভালোবাসা সব মিলিয়ে ছিল অসাধারণ।

কয়েক প্রজন্ম ধরে অবাক ভালোবাসা শ্রোতাদের খুব প্রিয় একটি গান। এটি ভালোবাসা আর সুরের শক্তিতে অনেক মানুষকে কাছে এনেছে।

এখন সময় তরুণ শিল্পীদের এগিয়ে আসার, নতুন কিছু করার। সেটা তখনই সম্ভব হবে, যখন কিংবদন্তি শিল্পীরা নতুন ধরনের জিনিসগুলো গ্রহণ করার মানসিকতা দেখান, তাদের এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা করে দেন।

লেখক: সংগীতশিল্পী

আরও পড়ুন:
‘কে প্রথম কাছে এসেছি, কে প্রথম ভালোবেসেছি’
এতিম শিশুদের নিয়ে ‘রূপসী নওগাঁর’ ভালোবাসা দিবস
ছুঁয়ে যায় বসন্ত ভালোবাসা
মায়ের পা ধুয়ে শিশুদের ভালোবাসা দিবস পালন
শিক্ষক সামিউলের অন্যরকম ভালোবাসা বিনিময়

মন্তব্য

বিনোদন
The beauty pageant Beauty Queen Bangladesh has started

শুরু হলো সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘বিউটি কুইন বাংলাদেশ’

শুরু হলো সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘বিউটি কুইন বাংলাদেশ’ অতিথিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশে এই প্রথম ১৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সের যেকোনো নারী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারছেন।

‘আমি নারী আমি পারি’ এমন চিন্তাকে ধারণ করে শুরু হলো বিউটি কুইন বাংলাদেশ-২০২৪ প্রতিযোগিতা।

শুধু সুন্দর মুখ নয়, একটি মেয়ে আরো অনেক কিছু। তার প্রতিভা আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা, পরিশ্রম ও প্রত্যয় সবকিছু নিয়েই একটি মেয়ে। দেখা-অদেখা সবটা মিলেই সে হয়ে ওঠে অনন্য। আর বিউটি কুইন বাংলাদেশের এবারের আয়োজন এই অদেখা সৌন্দর্যের খোঁজেই।

লুকায়িত সৌন্দর্যকে খুঁজে বের করতে রোববার সকাল ৯টার দিকে রাজানীর সেগুনবাগিচার কচি কাঁচার মেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।

এর মাধ্যমে আজ থেকে শুরু হলো বিউটি কুইন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার প্রথম ঢাকা বিভাগের অডিশন কার্যক্রম। বাংলাদেশে এই প্রথম ১৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সের যেকোনো নারী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারছেন।

এ প্রসঙ্গে লাবণ্য মিডিয়া হাউজের কর্ণধার ও প্রযোজক মো. হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী বলেন, আমাদের এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যারা বের হয়ে আসবে তারাও একদিন শীর্ষস্থানে পৌঁছে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা চাই নারী যেন কোনো বয়সে আটকে না যায়।

তিনি বলেন, নারী সবসময় সুন্দরের প্রতীক। সে নারী হোক ১৬ কিংবা ৬১ বছরের। যে নারীরা টিনেজ বয়সে কোনো ধরনের প্রতিয়োগিতায় নানা কারণে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়নি তারা এখন এই বিউটি কুইন বাংলাদেশ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্ফটিত করে তুলতে পারবে।

স্কাই লাইন বিডি এন্টারটেইনমেন্টের স্বত্বাধিকারী আকাশ কুমার সাহা বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য সমাজে নারীরা যেন পিছিয়ে না থাকে। নারীরা যেন সমাজের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। এ বছর যিনি ‘বিউটি কুইন বাংলাদেশ’ জয়ী হবেন তিনি পাবেন পাঁচ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের মুকুট পুরস্কার, আরও পাবেন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা সুযোগ সুবিধা। এছাড়াও শীর্ষ দশ প্রতিযোগির জন্য থাকছে স্বর্ণের মুকুট, কিন্তু সেটা পরিমাণে কম। অংশগ্রহণকারী প্রদিযোগীদের রয়েছে নাটক, সিনেমা এবং বিজ্ঞাপনে কাজ করার সুযোগ।

রিয়েলিটি শো’র অন্যতম সমন্বয়ক স্নিগ্ধা হোসাইন প্রিয়া বলেন, সব বয়সের নারীদের সাড়া পাচ্ছি। পিছিয়ে পরা নারীরা প্রচণ্ড আগ্রহ নিয়ে বিউটি কুইন বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান, ১৬ থেকে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত যে কোন নারী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিউটি কুইন হওয়ার জন্য এর রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। ওযেবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে www.beautyqueenbangladesh.com এছাড়া রয়েছে Beauty Queen Bangladesh নামে একটি ফেসবুক পেইজ। এই পেইজে গিয়েও তাদের সকল তথ্য পাওয়া যাবে।

এবারের আসরের বিচারক হিসেবে ছিলেন চিত্র পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক সিদ্দিকী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ফ্লিম ক্লাবের সভাপতি শামসুল আলম, চিত্র নায়িকা এবং বিউটি এক্সপার্ট নাহিদা আশরাফ আন্না, অভিনেতা আশরাফ কবির, সমাজ সেবক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বেবি নাজনীন, অ্যালায়েন্স হসপিটালের পরিচালক মো. বায়েজিদ হোসেন, এসএ প্লাইউড কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ঝন্টু।

এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার।

মন্তব্য

বিনোদন
Devleena is next to Kangana

কঙ্গনার পাশে দেবলীনা

কঙ্গনার পাশে দেবলীনা কঙ্গনা রানাউত (বাঁয়ে) ও দেবলীনা ভট্টাচার্য। ছবি: সংগৃহীত
দেবলীনা লিখেছেন, বিমানবন্দরে তল্লাশির সময়ে কঙ্গনা ও নিরাপত্তারক্ষীর মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছে, তা জেনে বেশ অবাক হয়েছি। এই ধরনের ঘটনায় জনগণের বিশ্বাসভঙ্গ হয় ও নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘিত হয়।

বলিউড অভিনেত্রী তথা হিমাচল প্রদেশের মণ্ডী থেকে সদ্যনির্বাচিত বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতকে চড় মেরেছেন চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের নিরাপত্তারক্ষী কুলবিন্দর কউর। ঘটনা নিয়ে এই মুহূর্তে সরগরম নেটদুনিয়া। দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে মানুষ।

একদল বলছে, কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে অপমানসূচক মন্তব্যের যোগ্য জবাব দিয়েছেন কুলবিন্দর। আর একদল প্রশ্ন তুলছে, কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কি এই কাজ করা ঠিক হয়েছে কুলবিন্দরের?

এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন টেলি অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য। দেবলীনার মতে, এই ঘটনা নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘন করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেবলীনা লিখেছেন, ‘বিমানবন্দরে তল্লাশির সময়ে কঙ্গনা ও নিরাপত্তারক্ষীর মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছে, তা জেনে বেশ অবাক হয়েছি। এই ধরনের ঘটনায় জনগণের বিশ্বাসভঙ্গ হয় ও নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘিত হয়। কর্তব্যরত অবস্থায় একজন নিরাপত্তারক্ষী কখনোই তার ব্যক্তিগত রাগের প্রকাশ করতে পারেন না। ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার এই ঘটনা দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।’

দেবলীনা এই ঘটনার নিন্দা করে আরও লেখেন, ‘এই নিরাপত্তারক্ষীর কাজকে সমর্থন করার অর্থ অপরাধ ও অবাঞ্ছিত হিংসাকে মান্যতা দেয়া। এই ধরনের আচরণ ভয়ানক দৃষ্টান্ত তৈরি করে। ক্ষমতায় থাকলেই ব্যক্তিগত প্রতিশোধস্পৃহা চরিতার্থ করার সুযোগ করে দেয় এই ধরনের দৃষ্টান্ত। আমাদের এক হয়ে এই ঘটনার নিন্দা করা উচিত।’

এই ঘটনা যদি নিজেদের পরিবারের কোনো মানুষের সঙ্গে ঘটত, তা হলে কেমন লাগত? এই প্রশ্ন তুলেছেন দেবলীনা। অভিনেত্রী লেখেন, ‘সুবিচারের জন্য সবাই এক হই, চলুন। নিরাপত্তাবাহিনীতে যেন কোনও ধরনের প্রভাব না থাকে, সে দিকে দেখতে হবে।’

আরও একটি পোস্টে দেবলীনা লিখেছেন, ‘এটা শুধুমাত্র একটি চড় নয়। এটা ভারতের নিরাপত্তার বিষয়। আমরা যা ভাবছি, তার চেয়ে অনেক ভয়ঙ্কর হতে পারে এই ধরনের আচরণ।’

বৃহস্পতিবার এই ঘটনার পরে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে এসে উপস্থিত হন পুলিশ কর্মকর্তঅ (গোয়েন্দা বিভাগ) কেএস সন্ধু। বিমানবন্দরের নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মকর্তঅদের সঙ্গে তিনি এই ঘটনা নিয়ে আলোচনায় বসেন।

দিল্লি বিমানবন্দরে নেমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান কঙ্গনা। তাকে হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানান অভিনেত্রী। এর পরেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে সাসপেন্ডও করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

অভিযুক্ত দাবি করেন, কৃষক আন্দোলনের সময়ে কঙ্গনার একটি মন্তব্য তিনি মেনে নিতে পারেননি। বিমানবন্দরে তাকে দেখে তাই তার মাথাগরম হয়ে গিয়েছিল। তাই ইচ্ছা করেই কঙ্গনাকে চড় মেরেছেন তিনি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য

বিনোদন
Why did the security guard slap Kangana?

কঙ্গনাকে কেন চড় মারলেন নিরাপত্তারক্ষী

কঙ্গনাকে কেন চড় মারলেন নিরাপত্তারক্ষী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত (বাঁয়ে) ও সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ) কনস্টেবল কুলবিন্দর কৌর। ছবি: এনিডিটিভি
সিআইএসএফ বলেন, ‘তিনি (কঙ্গনা) একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন যে, কৃষকরা ওই আন্দোলনে ১০০ রুপির জন্য বসে আছে। তিনি কি সেখানে গিয়ে বসবেন? এ বিবৃতি দেয়ার সময় আমার মা সেখানে প্রতিবাদ করছিলেন।’

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ী প্রার্থী কঙ্গনা রানাউতকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক নারী নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে।

কঙ্গনার অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তারক্ষীকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

হিমাচল প্রদেশের মণ্ডি লোকসভা কেন্দ্রের সদ্য জয়ী কঙ্গনা চণ্ডীগড় থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন। ৩টার দিকে বিমানে ওঠার কথা ছিল তার। সেখানেই নিরাপত্তাজনিত কারণে তল্লাশির সময়ে ওই নিরাপত্তারক্ষী অভিনেত্রীকে চড় মারেন বলে অভিযোগ করেন কঙ্গনা।

সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ) কনস্টেবল যিনি নতুন সাংসদকে চড় মেরেছিলেন তার নাম কুলবিন্দর কৌর।

কৌর জানান, কৃষকদের অসম্মান করার অভিযোগে তিনি কঙ্গনাকে চড় মারেন।

২০২১ সালে দিল্লির রাজপথে প্রায় ১৫ মাস ধরে চলা পাঞ্জাবের কৃষক আন্দোলনের বিরোধিতা করে পর পর আক্রমণাত্মক টুইট করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। যার জেরে আইনি বিপাকেও পড়তে হয়েছিল তাকে। পাঞ্জাবে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। কঙ্গনার গাড়ি ঘেরাও করে সেই সময়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কৃষকরা।

সিআইএসএফ কনস্টেবলের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কৃষকদের বিক্ষোভের সময় অভিনেত্রীর ‘১০০ রুপি’ নিয়ে করা একটি মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হন কৌর।

কনস্টেবল বলেন, ‘তিনি একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন যে, কৃষকরা ওই আন্দোলনে ১০০ রুপির জন্য বসে আছে। তিনি কি সেখানে গিয়ে বসবেন? এ বিবৃতি দেয়ার সময় আমার মা সেখানে প্রতিবাদ করছিলেন।’

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক পপ তারকা রিহানা এক্সে (আগের টুইটার) কৃষকদের প্রতিবাদের বিষয়ে পোস্ট করে বলেছিলেন, ‘কেন আমরা এই বিষয়ে কথা বলছি না?’

এর উত্তরে মিসেস রানাউত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন, ‘কেউ এটা নিয়ে কথা বলছে না কারণ তারা কৃষক নয়, তারা সন্ত্রাসবাদী যারা ভারতকে ভাগ করার চেষ্টা করছে, যাতে চীন আমাদের দুর্বল ভাঙা দেশটি দখল করতে পারে। আমরা আমাদের জাতিকে তোমার মতো করে বিক্রি করছি না।’

পরে পোস্টটি সরিয়ে ফেলেন কঙ্গনা।

কঙ্গনাকে চড় দেয়ার ঘটনায় এর আগে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, বিমানবন্দরে তল্লাশির সময়ে নিজের মোবাইল ফোনটি নির্দিষ্ট ট্রেতে রাখতে রাজি হননি কঙ্গনা। তাতে আপত্তি করেন নিরাপত্তারক্ষী। তিনি অভিনেত্রীকে জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার নিয়ম অনুযায়ী, মোবাইল ওই ট্রেতে রাখতে হবে।

এর জেরেই ঝামেলা শুরু হয় এবং বিমানবন্দরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

মন্তব্য

বিনোদন
Stars who won in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে জিতলেন যেসব তারকা

পশ্চিমবঙ্গে জিতলেন যেসব তারকা পশ্চিমবঙ্গের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তারকাদের একাংশ। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
পশ্চিমবঙ্গের ২৯টি আসনে হয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা হয় জিতে গেছেন, নইলে এগিয়ে আছেন। এই রাজ্যে এবার একাধিক তারকা প্রার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে বড় তারকা হিসেবে হেরে গেছেন বিজেপির মিঠুন চক্রবর্তী।

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল মোটামুটি স্পষ্ট। পশ্চিমবঙ্গের ২৯টি আসনে হয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা হয় জিতে গেছেন, নইলে এগিয়ে আছেন। এই রাজ্যে এবার একাধিক তারকা প্রার্থী ছিলেন। কে কোথায় কেমন ফল করলেন- চলুন জেনে নিই।

দেব

ঘাটাল কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে ফের নির্বাচিত হয়েছেন দীপক অধিকারী ওরফে দেব। মিডিয়া পাড়ার সহকর্মী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

রচনা ব্যানার্জি

প্রথমবার রাজনীতির ময়দানে পা রেখেই সফল হয়েছেন ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ খ্যাত রচনা ব্যানার্জি। বন্ধু ও সহকর্মী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে হুগলি কেন্দ্র থেকে তিনি জয়ী হয়েছেন বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

সায়নী ঘোষ

যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রেও পর শেষ হাসি হেসেছেন সায়নী ঘোষ। এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর পরাজিত হয়েছেন সৃজন ভট্টাচার্য ও অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়।

জুন মালিয়া

মেদিনীপুর লোকসভা আসনে জয়ী হয়েছেন জুন মালিয়া। সেখানে তিনি বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে হারিয়ে দিয়েছেন।

শতাব্দী রায়

বীরভূমে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জিতে লোকসভার টিকিট পেয়েছেন শতাব্দী রায়। প্রায় ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন এ অভিনেত্রী।

ইউসুফ পাঠান ও শত্রুঘ্ন সিনহা

বহরমপুরের হেভিওয়েট প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে এবার চমকে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের সাবেক তারকা ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ইউসুফ পাঠান। অন্যদিকে আসানসোল থেকে জয়ী হয়েছেন শত্রুঘ্ন সিনহা।

আরও পড়ুন:
ট্রাম্পের রায়কে সঠিক ও স্বচ্ছ মনে করছেন অধিকাংশ ভোটার: জরিপ
রায় বেরেলিতে জয়ের ব্যবধানে সোনিয়াকে ছাড়িয়ে রাহুল
বুথফেরত জরিপ ভুল প্রমাণ করল কংগ্রেস জোট
তিরুবানান্তাপুরামে পিছিয়ে কংগ্রেসের শশী, এগিয়ে বিজেপির রাজিব
আমেঠিতে পিছিয়ে বিজেপির স্মৃতি ইরানি, এগিয়ে কংগ্রেসের প্রার্থী

মন্তব্য

বিনোদন
Actress Samya has passed away

অভিনেত্রী সীমানা মারা গেছেন

অভিনেত্রী সীমানা মারা গেছেন রিশতা লাবনী সীমানা
মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ৩৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবনী সীমানা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ৩৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

অভিনেত্রীর ভাই এজাজ বিন আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২১ মে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় সীমানার। তাকে প্রথমে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে নেয়া হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সীমানা স্বামী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘প্রতিদিন সকালে উঠেই, আগে নিউজ স্ক্রল করে দেখি, তোর কোনো ভালো খবর আছে নাকি। আজও তাই করতে যেয়ে, তোর এ খবর পেলাম!

‘তোর সাথেকার সব স্মৃতি দুই চোখে ভীড় করছে, তোর বাচ্চা দুইটা…! সব যন্ত্রণার অবসান হল আজ। শান্তিতে ঘুমা!’

২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে আসা সীমানা ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসিত হন। এর পর তিনি অভিনয় শুরু করেন পরে নাটকেও।

মন্তব্য

p
উপরে