× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Adnan Sami will expose the rumor of leaving Pakistan
hear-news
player
google_news print-icon

পাকিস্তান ছাড়ার গুমর ফাঁস করবেন আদনান সামি  

পাকিস্তান-ছাড়ার-গুমর-ফাঁস-করবেন-আদনান-সামি- 
ভারতীয় সংগীতশিল্পী আদনান সামি। ছবি: সংগৃহীত
তুমুল জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী আরও লেখেন, ‘তারা আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছিল তা অনেকেই জানেন না, শিগগিরই একদিন সেই সত্য আমি প্রকাশ করব। যা সাধারণ মানুষকে হতবাক করবে। আমি অনেক বছর ধরে এ নিয়ে নীরব রয়েছি, কিন্তু সব বলার জন্য সঠিক মুহূর্তটি বেছে নেব।’

পাকিস্তান ছেড়ে ২০১৬ সালে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন তুমুল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আদনান সামি।

কিন্তু কেন পাকিস্তানের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছিলেন এই সংগীতশিল্পী। এবার সেই গুমর ফাঁস করবেন তিনি।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ এক নোট পোস্ট করেছেন আদনান সামি।

তিনি লেখেন, ‘অনেকে আমাকে জিজ্ঞেস করে, পাকিস্তানের প্রতি আমার এত ঘৃণা কেন? কঠিন সত্য হলো পাকিস্তানের জনগণ যারা আমার প্রতি ভালো ব্যবহার করেছে, তাদের প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই। আমি প্রত্যেককে ভালোবাসি যারা আমাকে ভালোবাসে।

‘আমার প্রধান সমস্যা রাষ্ট্রকাঠামোর সঙ্গে। যারা আমাকে সত্যিকারভাবে চেনেন তারাও জানেন সেই রাষ্ট্রকাঠামো বহু বছর ধরে আমার সঙ্গে কী করেছে, যা শেষ পর্যন্ত আমার পাকিস্তান ছাড়ার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

তিনি আরও লেখেন, ‘তারা আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছিল তা অনেকেই জানেন না, শিগগিরই একদিন সেই সত্য আমি প্রকাশ করব। যা সাধারণ মানুষকে হতবাক করবে। আমি অনেক বছর ধরে এ নিয়ে নীরব রয়েছি, কিন্তু সব বলার জন্য সঠিক মুহূর্তটি বেছে নেব।’

View this post on Instagram

A post shared by ADNAN SAMI (@adnansamiworld)

আদনান সামি ২০২০ সালে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রীতে ভূষিত হন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
This time Hero Alam will entertain Brazil fans

এবার ব্রাজিল-ভক্তদের মাতাবেন হিরো আলম

এবার ব্রাজিল-ভক্তদের মাতাবেন হিরো আলম মেসির পর এবার নেইমারকে নিয়ে গান গাইলেন হিরো আলম। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
হিরো আলম নিউজবাংলাকে বলেন, “আর্জেন্টিনা-মেসিকে নিয়ে গান প্রকাশের পর অনেক অনুরোধ এসেছিল, ‘ভাই ব্রাজিলের জন্য একটা গান করেন।’ তখনই কথা দিয়েছিলাম, তাদেরকে নিয়েও একটা গান করব। সেই গানের রেকর্ডিং শেষ হয়েছে। আজকে বিকেলে বা সন্ধ্যার দিকে ছাড়ব।”

ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে এ দেশের দর্শকদের উন্মাদনার অন্ত নেই। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ভক্তদের মধ্যে এ উন্মাদনা সবচেয়ে বেশি।

বাড়িঘর, দোকানপাটে পছন্দের দলের পতাকার রং করানো, ছাদে-রাস্তাঘাটে পতাকা টাঙানোসহ অনেক কিছু করছেন সমর্থকরা।

সেই উন্মাদনার পারদ আরেকটু বাড়াতে কয়েক দিন আগে আর্জেন্টাইন ভক্তদের জন্য গান করেছিলেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম। শনিবার রাতে আর্জেন্টিনা-মেক্সিকো ম্যাচের আগেও ‘উই লাভ ইউ মেসি’ শিরোনামে আরেকটি গান প্রকাশ করেন তিনি।

এবার ব্রাজিল-ভক্তদের জন্য গান নিয়ে আসছেন আর্জেন্টাইন সমর্থক হিরো আলম। আরবি, ইংরেজি ও বাংলা মিলিয়ে গাওয়া সেই গানটির শিরোনাম ‘উই লাভ ইউ নেইমার’।

এ নিয়ে রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে হিরো আলম বলেন, ‘আর্জেন্টিনা-মেসিকে নিয়ে গান প্রকাশের পর অনেক অনুরোধ এসেছিল, ‘ভাই ব্রাজিলের জন্য একটা গান করেন।’ তখনই কথা দিয়েছিলাম তাদেরকে নিয়েও একটা গান করব। সেই গানের রেকর্ডিং শেষ হয়েছে, আজকে বিকেলে বা সন্ধ্যার দিকে ছাড়ব।”

‘উই লাভ ইউ নেইমার’ গানটি তিন ভাষায় গাওয়ার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন হিরো আলম।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু কাতারে হচ্ছে, ইন্টারন্যাশনাল ব্যাপার। আর আমরা তো বাঙালি। এইসব ভেবে করেছি আর কী।’

কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে মেক্সিকোকে হারিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের এবারের আসরে প্রথম জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা।

সোমবার রাত ১০টায় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এই আসরের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল।

আরও পড়ুন:
রবীন্দ্রসংগীত না গাইতে হিরো আলমের মুচলেকা
হিরো আলমকে আইনি নোটিশ
সাড়ে ৪ লাখে ‘হিরো আলমের’ কোরবানি
রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে অনুতপ্ত হিরো আলম চান ক্ষমা
হিরো আলম ও ভুবন বাদ্যকরের ‘হাউ ফানি’

মন্তব্য

বিনোদন
Messi is chasing Neymar

মুহিন-ঝিলিকের ‘ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার’

মুহিন-ঝিলিকের ‘ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার’ ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার গানের পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
সংগীতশিল্পী মুহিন ও ঝিলিকের কণ্ঠে প্রকাশ হয়েছে ‘ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার’ শিরোনামের একটি গান। জামাল হোসেনের কথায় গানটির সুর-সংগীত করেছেন মুহিন নিজেই।

কাতারে শুরু হওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। বাংলাদেশেও পছন্দের দল ও খেলোয়াড়দের নিয়ে রয়েছে উত্তেজনা।

কেউ সমর্থন করছেন আর্জেন্টিনা আবার কেউ ব্রাজিল। পিছিয়ে নেই দেশের শিল্পীরাও। সমর্থনের পাশাপাশি সংগীতশিল্পীরাও তাদের পছন্দের দল ও খেলোয়াড়দের নিয়ে গান বাঁধছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় সংগীতশিল্পী মুহিন ও ঝিলিকের কণ্ঠে প্রকাশ হয়েছে ‘ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার’ শিরোনামের একটি গান। জামাল হোসেনের কথায় গানটির সুর-সংগীত করেছেন মুহিন নিজেই।

গানটি প্রসঙ্গে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মুহিন ও ঝিলিক বলেন, ‘ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশ্বকাপ উপলক্ষে আমাদের এই গান। গানের কথাগুলো দারুণ। যারা ফুটবল খেলাকে উপভোগ করেন তাদের ভালো লাগবে।’

গানটির গীতিকার জামাল হোসেন বলেন, ‘সারা বিশ্ব এখন বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভাসছে। আমরাও এর বাইরে নই। আমাদের প্রত্যেকের পছন্দের দল ও খেলোয়াড় আছে। বিশ্বকাপের উত্তেজনাকে আরও রঙিন করে তুলতে আমাদের এই প্রয়াস।’

রঙ্গন মিউজিকের ব্যানারে নির্মিত গানটির জন্য ভিডিও পরিচালনা সৈকত রেজা। আর এটি মুক্ত হয়েছে রঙ্গন মিউজিকের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে।

আরও পড়ুন:
দুটি গান ‘রিপিট মোডে’ শুনছেন ফারুকী
লুইপা-পাপনের ‘হারিয়ে গেলাম’ গানে নুসরাত-যশ
ইমরান-টিনার ‘‌ইচ্ছে হলেই দিও’
তমালের ‌নতুন গান ‘নজর’
জয়-নচি’র গানের হ্যাট্রিক

মন্তব্য

বিনোদন
Lyricist Moniruzzaman stole 3 trophies of National Film Award

গীতিকবি মনিরুজ্জামানের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৩ ট্রফি চুরি

গীতিকবি মনিরুজ্জামানের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৩ ট্রফি চুরি গীতিকার মনিরুজ্জামান মনির। ছবি: সংগৃহীত
মনিরুজ্জামানের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩ নভেম্বর রাতে তার বাসার জানালা ভেঙে মোট পাঁচটি পুরস্কারের ট্রফি নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামারা। বিষয়টি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর টের পান তিনি। এরপর সেগুলো উদ্ধারের লক্ষ্যে ৫ নভেম্বর বাড্ডা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ডায়েরি নম্বর ৩৬১।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া গীতিকার মনিরুজ্জামান মনিরের বাসা থেকে চুরি হয়েছে ৫টি পুরস্কার। যার মধ্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ৩টি ।

৩ নভেম্বর রাতে গীতিকারের পশ্চিম মেরুল বাড্ডার বাসার জানালা ভেঙে চুরি হয় ট্রফিগুলো।

বৃহস্পতিবার গীতিকবি সংঘ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে নিন্দা প্রকাশ এবং অবিলম্বে ট্রফিগুলো উদ্ধারের দাবিও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

গীতিকবি সংঘের দাবি, চুরির ঘটনার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুলিশি সহায়তা চেয়েছেন মনিরুজ্জামান মনির। কিন্তু ২১ দিনেও (২৪ নভেম্বর পর্যন্ত) ট্রফিগুলো উদ্ধার হয়নি কিংবা কারা চুরি করেছে সেটিও চিহ্নিত করা হয়নি। যা হতাশার বলে উল্লেখ করেছে গীতিকারদের এ সংগঠন।

সংগঠনটি দাবি জানিয়ে বলেছে, ‘দেশের নন্দিত এই অগ্রজ গীতিকবির চুরি হওয়া সম্মান পুনরুদ্ধারের জোর দাবি জানাই পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি। আমরা চাই অবিলম্বে ট্রফিগুলো উদ্ধার এবং দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।’

মনিরুজ্জামানের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩ নভেম্বর রাতে তার বাসার জানালা ভেঙে মোট পাঁচটি পুরস্কারের ট্রফি নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামারা। বিষয়টি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর টের পান তিনি। এরপর সেগুলো উদ্ধারের লক্ষ্যে ৫ নভেম্বর বাড্ডা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ডায়েরি নম্বর ৩৬১। পুলিশ তার বাসা পরিদর্শন করে উদ্ধারের আশ্বাস দিয়ে যান।

১৯৮৮ সালে মুক্তি পাওয়া দুই জীবন সিনেমার ‘তুমি ছাড়া আমি একা পৃথিবীটা মেঘে ঢাকা’, ১৯৮৯ সালের চেতনা সিনেমায় ‘এই হাত করে নাও হাতিয়ার’ এবং ১৯৯০ সালের দোলনা চলচ্চিত্রের ‘তুমি আমার কত চেনা’ গানগুলোর জন্য পাওয়া জাতীয় পুরস্কারগুলো রয়েছে চুরি যাওয়া ট্রফির তালিকায়।

বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এবং খ্যাতিমান গীতিকবি মনিরুজ্জামান মনির। আশির দশকের শেষভাগ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটানা গান রচনা করেছেন তিনি। এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি গান হলো, ‘বুকে আছে মন, মনে আছে আশা’, ‘কী জাদু করিলা পিরিতি শিখাইলা’, ‘তুমি যেখানে আমি সেখানে’, ‘আমি একদিন তোমায় না দেখিলে’, ‘কী দিয়া মন কাড়িলা’, ‘তোমাকে চাই আমি আরও কাছে’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘ও আমার বন্ধু গো চির সাথি পথচলার’, ‘আমি চিরকাল প্রেমেরও কাঙাল’।

সিনেমায় তার লেখা সর্বশেষ জনপ্রিয় গান ‘এক বিন্দু ভালোবাসা দাও, আমি এক সিন্ধু হৃদয় দেবো’।

সিনেমা ছাড়াও মনিরুজ্জামানের রয়েছে ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি’র মতো বিখ্যাত সব গান।

মন্তব্য

বিনোদন
Rabindra Sangeet festival starts on Friday

রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব শুরু শুক্রবার

রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব শুরু শুক্রবার বুধবার রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থার ৩৩তম এই আয়োজনে সম্মাননা পাচ্ছেন বরেণ্য বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম ও কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলম।

‘এই জীবনে ব্যথা যত এইখানে সব হবে গত’- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এমন অমিয় বাণী ধারণ করে মঞ্চে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব। আয়োজনে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা।

১৯৮৮ সাল থেকে রবীন্দ্রসংগীত ও নবীন শিল্পীদের বিকাশে কাজ করে আসছে সংস্থাটি। করোনার কারণে প্রায় তিন বছর বন্ধ থাকার পর আবারও সরাসরি মঞ্চে ফিরছে এই উৎসব।

আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর দু’দিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে। শুক্রবার সকাল ১০টায় উৎসব উদ্বোধন ও গুণীজন সম্মাননা দেবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

বুধবার রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও কণ্ঠশিল্পী পীযূষ বড়ুয়া। এ সময় সংস্থার সভাপতি তপন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি আমিনা আহমেদ, সহ-সভাপতি খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ুম, বুলা মাহমুদ, কাজল মুখার্জী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক (সাধারণ) তানজিমা তমা, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক (পরিকল্পনা) সাগরিকা জামালী, অর্থ সম্পাদক কনক খান, দফতর সম্পাদক সীমা সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত জামাল মিতু, নির্বাহী সম্পাদক শর্মিলা চক্রবর্তী, আহমেদ শাকিল হাসমী, সাজ্জাদ হোসেন, জাফর আহমেদ ও রাবিতা সাবাহ।

সংবাদ সম্মেলনে পীযূষ বড়ুয়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘শেষবার এই উৎসব করেছি ২০১৯ সালে, মানে সরাসরি মঞ্চে। ২০২০ সালে পারিনি করোনভাইরাসের কারণে। ২১ সালে করেছি সীমিত পরিসরে অনলাইনে। ফলে এবারের উৎসবটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

সংবাদ সম্মেলন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সভাপতি তপন মাহমুদ বলেন, ‘১৯৮৮ সাল থেকেই এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য নবীন শিল্পীদের প্রমোট করা। সেই ধারা অব্যাহত থাকছে এবারের উৎসবেও।

‘আমাদের সময়ে শুধু বিটিভি ছিল। বা বেতার। ফলে আমরা সেখানে গাইলে পুরো বাংলাদেশ কাভার হতো। এখন অসংখ্য চ্যানেল। কিন্তু শিল্পীরা আগের সেই এক্সপোজার পান না। অথচ আমরা চাই নতুনরা গাওয়ার সুযোগ পাক, প্রচার পাক। সেই কাজটির জন্য এমন একটি উৎসবের খুব দরকার। এমন আয়োজন হলে নতুন শিল্পীরা অনেক সাহস পান। তাই এবারও আমরা নতুন সদস্যদের তুলে ধরব মঞ্চে। সঙ্গে আমরা পুরনোরা তো থাকবই।’

শুধু গান নয়, বরাবরের মতো এবারের উৎসবেও বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থার পক্ষ থেকে দেয়া হবে গুণীজন সম্মাননা। এবার সম্মাননা পাচ্ছেন বরেণ্য বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম এবং বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলম। দুজনেই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক।

২৫ নভেম্বর সকাল ১০টায় উৎসবের উদ্বোধন ও সম্মাননা প্রদান শেষে বেলা ১১টায় শুরু হবে সংগীত পরিবেশনা। মাঝে বিরতি নিয়ে বিকাল ৫টা থেকে হবে আবৃত্তি ও সংগীতানুষ্ঠান। পরদিন ২৬ নভেম্বর বিকেল ৫টা থেকে হবে আবৃত্তি ও সংগীতানুষ্ঠান।

উৎসবে সারা দেশ থেকে প্রায় ২০০ জন শিল্পী একক ও দলীয় পরিবেশনায় অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বুলবুল ইসলাম, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, রোকাইয়া হাসিনা, অদিতি মহসিন, ড. অরূপ রতন চৌধুরী, চঞ্চল খান, লিলি ইসলামসহ বেশ কয়েক জন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী।

উদ্বোধনী পর্বে অংশ নেবে পাঁচটি সঙ্গীত দল- সুরতীর্থ, সঙ্গীতভবন, বিশ্ববীণা, বুলবুল ললিতকলা একাডেমী (বাফা) ও উত্তরায়ণ।

জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। এরপর থাকবে পর পর দুটি কোরাস। দু’দিনের আয়োজনে গানের পাশাপাশি আবৃত্তি পরিবেশনায় অংশ নেবেন বাকশিল্পী আশরাফুল আলম, জয়ন্ত রায়, বেলায়েত হেসেন. মাহমুদা আখতার ও রেজিওয়ালী লীনা।

করোনাকালে মারা যাওয়া শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কবি ও সংস্কৃতজনদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে এবারের ৩৩তম আয়োজনটি। এ প্রসঙ্গে তপন মাহমুদ বলেন, ‘এই মহামারি শুধু আমাদের মঞ্চটাই কেড়ে নিয়েছে তা নয়। নিয়েছে আরও অনেক তাজা প্রাণ। যারা থাকলে আমাদের শিল্প-সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হতে পারত। তাই সেই মানুষগুলোকে উৎসর্গ করা হলো এই আয়োজন। আর এবারের স্লোগানের উদ্দেশ্য হলো, আমরা বলতে চাই- আমাদের যত ব্যথা ও বাধা ছিল জীবনে, তার সব অতিক্রম করব এই উৎসবের ভেতর দিয়ে।’

মন্তব্য

বিনোদন
Ayub Bachchus dream come true Bamba Channel I concert

আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ‘বামবা-চ্যানেল আই’ কনসার্ট

আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ‘বামবা-চ্যানেল আই’ কনসার্ট ‘বামবা-চ্যানেল আই ব্যান্ড মিউজিক ফেস্ট ২০২২’ এর সংবাদ সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা
২ ডিসেম্বর আর্মি স্টেডিয়ামের সেই কনসার্টে অংশ নেবে ১৬টি দল। তাদের মধ্যে রয়েছে - নগর বাউল, মাইলস, ওয়ারফেইজ, সোলস, রেঁনেসা, ফিডব্যাক, অর্থহীন, মাকসুদ ও ঢাকা, অবসকিউর, দলছুট, আর্টসেল, শিরোনামহীন, ভাইকিংস, ক্রিপটিকফেইট, পেন্টাগন ও পাওয়ারসার্জ।

বাংলা ব্যান্ড সংগীতে অবিস্মরণীয় একটি নাম আইয়ুব বাচ্চু। প্রায় ৯ বছর আগে কিংবদন্তী এই মিউজিশিয়ান নিজের স্বপ্নের কথা জানিয়ে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের কাছে প্রস্তাবনা রাখেন এবং দাবি করেন; প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর দেশের সেরা ব্যান্ডগুলো নিয়ে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে যেন কনসার্ট হয় এবং দিনটিকে যেন ‘ব্যান্ড মিউজিক ডে’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

তার এই স্বপ্নকে ধারণ করে গত ৯ বছর ধরে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে ১ ডিসেম্বর পালিত হচ্ছে ব্যান্ড মিউজিক ডে এবং কনসার্ট।

আইয়ুব বাচ্চুর সেই স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এবার চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ড এসোসিয়েশন (বামবা)।

এবার আরও বড় পরিসরে দেশ সেরা ব্যান্ডগুলো নিয়ে আর্মি স্টেডিয়ামের হতে যাচ্ছে ‘বামবা-চ্যানেল আই ব্যান্ড মিউজিক ফেস্ট ২০২২।’

চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান আয়োজকরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, বামবা-চ্যানেল আই ব্যান্ড মিউজিক ফেস্ট ২০২২, পাওয়ার্ড বাই গান বাংলার প্রকল্প পরিচালক ইজাজ খান স্বপন, বামবার সভাপতি হামিন আহমেদসহ দেশ সেরা ব্যান্ডগুলোর প্রতিনিধিরা।

এই আয়োজনে যুক্ত হওয়ার জন্য বামবাকে ধন্যবাদ জানান ফরিদুর রেজা সাগর। সেই সঙ্গে পৃষ্ঠপোষকতায় যারা ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছেন এবং যারা হবেন তাদেরকেও অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান তিনি।

স্বাধীনতা উত্তর ব্যান্ড সংগীতের কথা স্মরণ করে এই অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা করে শাইখ সিরাজ বলেন, ‘চ্যানেল আই এবং বামবার লোগোর মধ্যে একটা মিল রয়েছে। লাল সবুজের রং এর ব্যবহার। তাই আমি বামবা-চ্যানেল আই ব্যান্ড মিউজিক ফেস্ট ২০২২- পাওয়ার্ড বাই গান বাংলার লোগো তৈরি করতে পেরে খুবই আনন্দিত।’

সংবাদ সম্মেলনে এই মিউজিক ফেস্টের বিস্তারিত তুলে ধরে ইজাজ খান স্বপন বলেন, ‘‘এখন থেকে প্রতি বছর ডিসেম্বরের ১ তারিখে দেশজুড়ে পালিত হবে ‘ব্যান্ড মিউজিক ডে’ এবং ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ‘বামবা-চ্যানেল আই ব্যান্ড মিউজিক কনসার্ট’। এ বছর ঢাকায় কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে ২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) আর্মি ষ্টেডিয়ামে।’’

হামিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তী আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্নকে ধারণ করে চ্যানেল আইয়ের এমন মহৎ উদ্যোগের সঙ্গে প্রথমবার যুক্ত হয়ে বছরের সবচেয়ে বড় কনসার্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে বামবা। আশা করি সবাই এমন উদ্যোগের পাশে থাকবেন।’

এরপর তিনি কনসার্টে অংশগ্রহনকারী ১৬ টি ব্যান্ডের নাম ঘোষণা করেন। এতে অংশ নেবে- নগর বাউল, মাইলস, ওয়ারফেইজ, সোলস, রেঁনেসা, ফিডব্যাক, অর্থহীন, মাকসুদ ও ঢাকা, অবসকিউর, দলছুট, আর্টসেল, শিরোনামহীন, ভাইকিংস, ক্রিপটিকফেইট, পেন্টাগন ও পাওয়ারসার্জ।

আয়োজকরা জানান, ১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গন থেকে ব্যান্ড মিউজিক ডের উদ্বোধন করা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক।

কনসার্টে প্রবেশ মূল্য রাখা হয়েছে ৫০০ টাকা। আগ্রহীরা www.getsetrock.com এই ওয়েব সাইট থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
জেসিআই বাংলাদেশ রক ফেস্টে মাতল তারুণ্য
কনসার্ট: বৃষ্টি দমাতে পারেনি উচ্ছ্বাস
জেমসদের কনসার্টে ফিফা ট্রফি দেখার সুযোগ
বাংলাদেশের ৫০-এ মেডিসন স্কয়ারে কনসার্ট
এ আর রহমানের কনসার্টের টিকিট বিক্রি শুরু সোমবার

মন্তব্য

বিনোদন
Bambara concert with countrys best band in December

দেশসেরা ব্যান্ড নিয়ে বামবা’র কনসার্ট ডিসেম্বরে

দেশসেরা ব্যান্ড নিয়ে বামবা’র কনসার্ট ডিসেম্বরে দেশসেরা ব্যান্ড নিয়ে বামবা’র কনসার্ট ডিসেম্বরে। ছবি: সংগৃহীত
কনসার্ট শুরু কবে বেলা দুইটায়। অনুষ্ঠানের গেট খুলবে বেলা ১২টায়। কনসার্টে প্রবেশমূল্য ধরা হয়েছে ৫০০ টাকা। টিকিটের জন্য আগ্রহীরা ভিজিট করুন getsetrock.com ওয়েব সাইটে।

কোভিডের পর ঢাকাতে হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন (বামবা) এর কনসার্ট। ব্যান্ড ভক্তদের তুমুল আগ্রহের এ কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডিসেম্বরের ২ তারিখে।

রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে হবে এ আয়োজন। মঞ্চে উঠবে ১৬টি ব্যান্ড। বামবার দাবি, এটিই হতে যাচ্ছে বছরের সবচেয়ে বড় কনসার্ট।

কনসার্টে অংশ নেবে নগরবাউল জেমস, মাইলস্, ওয়ারফেইজ, শিরোনামহীন, অর্থহীন, আর্টসেল, সোলস্, ফিডব্যাক, রেনেসাঁ, মাকসুদ ও ঢাকা, অবসকিউর, দলছুট, ভাইকিং, পেন্টাগন, ক্রিপটিক ফেইট, পাওয়ারসার্জ।

বামবার ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়ারফেজের এস এম আলম টিপু নিউজবাংলাকে জানান, তারাও প্রস্তুত ভালো একটি আয়োজন করতে।

টিপু বলেন, ‘কোভিডের পর ঢাকায় বামবার কনসার্ট হচ্ছে। দর্শক-শ্রোতাদের বলব, ২ডিসেম্বর আপনারা সবাই আসুন। আপনাদের সঙ্গে আবার দেখা হবে। পছন্দের ব্যান্ডের পেজে চোখ রাখলেই কনসার্ট সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন।’

কনসার্টটি দুই দিন করার পরিকল্পনা ছিল বলে জানান টিপু। কিন্তু অনুমতি না পাওয়ায় একদিনেই পুরো আয়োজনটি করতে হচ্ছে।

কনসার্ট শুরু কবে বেলা দুইটায়। অনুষ্ঠানের গেট খুলবে বেলা ১২টায়। কনসার্টে প্রবেশমূল্য ধরা হয়েছে ৫০০ টাকা। টিকিটের জন্য আগ্রহীরা ভিজিট করুন getsetrock.com ওয়েব সাইটে।

আরও পড়ুন:
নভেম্বর রেইন কনসার্ট ১২ তারিখে
২৩ সেপ্টেম্বর আসছে ‘নদী রক্স কনসার্ট’
এক মঞ্চে গাইবে নগরবাউল, অর্থহীন, আর্টসেল
বন্যার্তদের সাহায্যে ঢাবিতে ২ দিনের কনসার্ট
জেসিআই বাংলাদেশ রক ফেস্টে মাতল তারুণ্য

মন্তব্য

বিনোদন
Non living 15

সঞ্জীববিহীন ১৫

সঞ্জীববিহীন ১৫ সঞ্জীব চৌধুরী। গ্রাফিক্স: নিউজবাংলা
গানেই সঞ্জীব চৌধুরীর স্বপ্ন ও কথা বয়ে বেড়ান এ প্রজন্মের তরুণরা। তাই তো এখনও কোনো তরুণ প্রাণের আড্ডায় বা মাঝরাতে ফাঁকা রাস্তায় শোনা যায়, ‘আমি তোমাকেই বলে দেবো/কী যে একা দীর্ঘ রাত, আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে/ছুঁয়ে কান্নার রং, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া।’

নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে টগবগে যে যুবক গলায় হারমোনিয়াম ঝুলিয়ে এই শহরের রাজপথে গানে গানে বলে গেছেন গণমানুষের কথা, আজ তার চলে যাওয়ার দিন।

তার গানে প্রেম-বিরহ যাপন করেছেন হাজারও তরুণ। আবার তারই গানে সমাজ, রাজনীতি, বিদ্রোহ, প্রতিবাদ-প্রতিরোধের আগুন খুঁজেছেন অনেক স্বপ্নবাজ।

বলছি কবি, গীতিকার, সুরকার, গায়ক, সাংবাদিক, নাট্যকার ও সংগঠক সঞ্জীব চৌধুরীর কথা। এতসব পরিচয় ছাপিয়ে গানই হয়ে উঠেছিল তার পরিচয়।

সব্যসাচী সেই মানুষটির চলে যাওয়ার ১৫তম বার্ষিকী আজ। মাত্র ৪৩ বছর বেঁচেছেন তিনি। এ ক্ষণজন্মেই রেখে গেছেন নানামাত্রিক কর্মের ছাপ।

১৯৯০ সালে প্রকাশ হয় সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিস্পর্ধী গদ্য ‘রাশপ্রিন্ট’। এটা উত্ত্যুক্তি হবে না যে, বইটি সে সময়ের নথিকৃত দৃশ্যগাথা।

আশির দশকের স্বৈরাচারী সরকার রাষ্ট্র-ক্ষমতা দখল করে আমাদের সমাজ আর মগজে যে দখলদারিত্ব কায়েম করেছিল, ‘রাশপ্রিন্ট’ তারই গদ্যকল্প।

১৯৯৬ সালে বাপ্পা মজুমদারসহ কয়েকজনকে নিয়ে সঞ্জীব তৈরি করেন গানের দল ‘দলছুট’, যা তাকে এনে দেয় খ্যাতি।

মিছিলে মিছিলে মুক্তির গান গাওয়া সঞ্জীব প্রায় অজানা এক মানুষ, কিন্তু তার ‘রাশপ্রিন্ট’-এ খুঁজে পাওয়া যায় সেই সঞ্জীবকে।

তিনি বেশি সাধারণের হয়ে উঠেছিলেন তার গানের মাধ্যমে। সংগীতে নানাভাবে পাওয়া গেছে তাকে।

‘আমি ঘুরিয়া ফিরিয়া সন্ধান করিয়া, স্বপ্নের ওই পাখি ধরতে চাই’ গানটিতে পাওয়া যায় স্বপ্নবাজ এক সঞ্জীবকে।

আবার ভালোবাসার মধুর স্মৃতি মনে করে তিনি গেয়ে ওঠেন, ‘তোমার বাড়ির রঙের মেলায় দেখেছিলাম বায়োস্কোপ।’

‘সাদা ময়লা রঙ্গিলা পালে’, ‘হাতের ওপর হাতের পরশ’, ‘চোখটা এত পোড়ায় কেন’, ‘তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও’, ‘হৃদয়ের দাবি’, ‘আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ’সহ অনেক জনপ্রিয় গান রয়েছে সঞ্জীবের। এসব গানেই তার স্বপ্ন ও কথা বয়ে বেড়ান এ প্রজন্মের তরুণেরা।

তাই তো এখনও কোনো তরুণ প্রাণের আড্ডায় বা মাঝরাতে ফাঁকা রাস্তায় শোনা যায়, ‘আমি তোমাকেই বলে দেবো/কী যে একা দীর্ঘ রাত, আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে/ছুঁয়ে কান্নার রং, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া।’

১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্ম এ শিল্পীর। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর বাই লেটারেল সেরিব্রাল স্কিমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার।

আরও পড়ুন:
‘আজও ডানা ভাঙা একটি শালিক হৃদয়ের দাবি রাখো’
শনিবার সঞ্জীব উৎসবে থাকছে নানা আয়োজন
সঞ্জীবের চলে যাওয়ার ১৪
ফেসবুকে স্মরণ করা হবে সঞ্জীব চৌধুরীকে
সঞ্জীব চৌধুরী বেঁচে আছেন তারুণ্যের স্বপ্ন ও গানে

মন্তব্য

p
উপরে