× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
FDCs NOC stands in the way of independent films
hear-news
player
google_news print-icon

স্বাধীন চলচ্চিত্রের পথে বাধা এফডিসির ‘এনওসি’

স্বাধীন-চলচ্চিত্রের-পথে-বাধা-এফডিসির-এনওসি
স্বাধীন চলচ্চিত্রের পথে বাধা এফডিসির ‘এনওসি’। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
এফডিসি থেকে এনওসি নিতে চাইলে কোনো সিনেমার প্রযোজকের হতে হয় প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সদস্য। এ সদস্য পদ পেতে দিতে হয় ১ লাখ ৩ হাজার টাকা। এখানেই আটকে যান স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতারা।

পূর্ণ্যদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য, প্রামাণ্য বা তথ্যচিত্র সেন্সরের জন্য প্রয়োজন হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) অনাপত্তিপত্র (এনওসি)। আবেদন করা চলচ্চিত্রটি নির্মাণে বিএফডিসির কোনো পাওনা আছে কি না, সেটাই এনওসিতে জানানো হয়।

এফসিডির কাছ থেকে ‘কোনো পাওয়া নেই’ মর্মে প্রত্যয়ন পেলে সিনেমার সেন্সরে প্রদর্শন ও সেন্সর সার্টিফিকেট দেয় সেন্সর বোর্ড। আর প্রত্যয়নপত্র না দিলে সংশ্লিষ্ট সিনেমাকে সেন্সরে জমা নেয় না সেন্সর বোর্ড।

এফডিসি থেকে এনওসি নিতে চাইলে কোনো সিনেমার প্রযোজকের হতে হয় প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সদস্য। সমিতি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, এ সদস্যপদ পেতে দিতে হয় ১ লাখ ৩ হাজার টাকা।

এখানেই আটকে যান স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতারা। নানা উপায়ে টাকা জোগাড় করে সিনেমা নির্মাণের পর লাখ টাকায় প্রযোজক পরিবেশক সিমিতির সদস্য হওয়া স্বাধীন চলচ্চিত্রের প্রযোজকদের জন্য কঠিন।

অথচ এফডিসির এনওসি নিয়েই সিনেমা সেন্সর করতে হবে- এমন কোনো আইন চলচ্চিত্র সেন্সরশিপ আইন (১৯৬৩) এবং দ্য ফিল্ম সেন্সরশিপ (এমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট (২০০৬) এ উল্লেখ নেই।

‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের অনাপত্তিপত্র’র কথা উল্লেখ আছে সেন্সর বোর্ডের আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলির ‘আবেদন করার পূর্বপ্রস্তুতি’ বিভাগে।

এনওসির মারপ্যাঁচে এখনও আটকে আছে নির্মাতা রেজা ঘটকের হরিবোল সিনেমাটি। রেজা ঘটক নিউজাংলাকে জানান, ২০১৯ সালে তিনি হরিবোল সিনেমাটি সেন্সরে জমা দেন। এফডিসির এনওসি নেননি বলে সিনেমাটির সেন্সর পাওয়া নিয়ে তৈরী হয়েছে জটিলতা।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি কেন এফডিসির এনওসি নিতে যাব। আমি সিনেমাটি বানিয়েছি এফডিসির বাইরে, এমনকি এফডিসির কোনো সুযোগ-সুবিধাই নেইনি। আমি সিনেমা বানিয়েছি, সরাসরি সেন্সরে জমা দেব। এফডিসির এনওসি নিতে গিয়ে পরিচালক সমিতি, প্রযোজক সমিতি এবং এফডিসির ক্লায়েন্ট হতে হবে। এ রকম কোনো পদ্ধতির কথা সেন্সর অ্যাক্টে উল্লেখ নেই।’

যারা কোনো সমিতির সদস্য নন, এফডিসির ক্লায়েন্ট নন, তাদের কীভাবে এনওসি দেয়া হবে, তার একটি নিয়ম উল্লেখ আছে এফডিসির সেবার তালিকায়। সেই নিয়মে প্রযোজক সমিতির প্রত্যয়নের পাশাপাশি পরিচালক সমিতির প্রত্যয়নের কথাও বলা হয়েছে।

পরিচালক সমিতির প্রত্যয়ন পেতে চাইলে তাকে পরিচালক সমিতির সদস্য হতে হবে এবং সেই সদস্যপদ নিতে সমিতিতে দিতে হয় ৭৫ হাজার টাকা। পুরো বিষয়টিকে ‘চক্র’ বলে দাবি করছেন নির্মাতা রেজা ঘটক।

এফডিসির এনওসি ছাড়া সেন্সর সনদ পাওয়া নিয়ে জটিলতার আরেকটি ঘটনা ফেসবুকে জানিয়েছিলেন চলচ্চিত্রকর্মী স্বজন মাঝি। তিনি ফেসবুকে লেখেন, ‘আমার চেনা একজন নির্মাতা বন্ধু সরকারি অনুদানে স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন। ভদ্রলোক পাহাড়ে বসবাসকারী একটি স্বতন্ত্র জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে কাজ করবেন বলে পাহাড়ে শুট করতে গেলেন। শুটিং শেষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফুটেজ জমা দিয়ে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আনতে গেলেন। তাকে এফডিসির ছাড়পত্র জোগাড় করতে বলা হলো।

‘এফডিসিতে গিয়ে জানতে পারলেন ছাড়পত্র নিতে গেলে আগে তাকে এক লাখ টাকা জমা দিয়ে এফডিসির ক্লায়েন্ট হতে হবে। তিনি কর্তৃপক্ষকে জানালেন, ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য আমার তো এফডিসিতে কোনো কাজ নাই। আমার তো রাঙ্গামাটি বান্দরবানের পার্বত্যাঞ্চলে লোকেশন। এফডিসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রতি-উত্তরে বললেন, আপনি চাইলে এফডিসিতে রাঙ্গামাটির সেট বানিয়ে শুট করতে পারেন। ভদ্রলোক বললেন, এটা প্রামাণ্যচিত্র ভাই, সেট বানিয়ে শুট করার সুযোগ নাই!

‘যাই হোক, শেষ পর্যন্ত সেই ভদ্রলোককে বাধ্যতামূলক এক লাখ টাকা জমা দিয়ে এফডিসির ক্লায়েন্ট হয়ে ছাড়পত্র সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয়ের নিয়ম মানতে হয়েছিল।’ (স্ট্যাটাসের সংক্ষিপ্ত অংশ)

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এফডিসির এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, তারা প্রযোজক সমিতির প্রত্যয়ন চান, পরিচালক বা শিল্পী সমিতির কোনো প্রত্যয়ন তাদের প্রয়োজন হয় না।

এফডিসি থেকে এনওসি কেন নিতে হবে, জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘৩৫ মিলিমিটার ফিল্মে যখন সিনেমা নির্মাণ করা হতো, তখন এফডিসিতে অনেকেই সেবা নিয়ে টাকা বাকি রেখে সিনেমা নির্মাণ করেছেন এবং সিনেমা মুক্তিও দিয়েছেন। পরে আর টাকা পরিশোধ করেননি। এ সুযোগ যেন কোনো প্রযোজক আর না নিতে পারেন, সে জন্যই এনওসি নেয়াটা জরুরি।’

সে ক্ষেত্রে প্রযোজক সমিতির প্রত্যয়ন বা এফডিসির ক্লায়েন্ট হওয়া কেন জরুরি, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা এফডিসির ক্লায়েন্ট নন বা কোনো সমিতির সদস্য নন, তাদের জন্য প্রযোজক সমিতির প্রত্যয়ন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে করে আমরা দেশীয় সিনেমার মাদার অর্গানাইজেশন থেকে জানতে পারি যে আবেদনকারী একজন প্রযোজক এবং নথি সংরক্ষণের জন্যও এ প্রক্রিয়া জরুরি।

‘এ ছাড়া প্রযোজক সমিতির প্রতিনিধি এফডিসির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। আট সদস্যের পর্ষদের সাতজনই সরকারি কর্মকর্তা, একজন প্রযোজক সমিতির প্রতিনিধি।’

এখন অবশ্য প্রযোজক সমিতির কোনো কমিটি নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সমিতিটি এখন পরিচালনা করছেন মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগ করা সরকারি কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এফডিসির সেই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘যারা সিনেমা এফডিসির বাইরে বানান, তাদের জন্য আমরা এনওসি ফি নিই ১৫ হাজার টাকা। ১ লাখ টাকা দিয়ে এফডিসির তালিকাভুক্ত হতে হয়। যারা তালিকাভুক্ত হন, তারা যদি ১ লাখ টাকার কম সেবা নেন, তাহলে বাকি টাকা আমরা তাকে দিয়ে দেই, ১ লাখের বেশি লাগলে বাকি টাকা তার কাছ থেকে সংগ্রহ করি। এ ক্ষেত্রে তাদের কাছ থেকে আলাদা করে এনওসি ফি রাখা হয় না।’

সেপ্টেম্বর মাসে স্বাধীন চলচ্চিত্র সাঁতাও পেয়েছে সেন্সর ছাড়পত্র। এর পরিচালক খন্দকার সুমন কোনো সমিতির সদস্য ছিলেন না। কিন্তু এনওসি পেতে তাকে হতে হয়েছে প্রযোজক সমিতির সদস্য।

স্বাধীন চলচ্চিত্রের পথে বাধা এফডিসির ‘এনওসি’
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সে সময়ের তথ্যসচিবকে দেয়া নির্মাতা খন্দকার সুমনের চিঠি। ছবি: সংগৃহীত

খন্দকার সুমন গত ৩১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সে সময়ে তথ্য সচিবের দায়িত্বে থাকা মকবুল হোসেন বরাবর দুটি চিঠি ইস্যু করেন। যেখানে তিনি এফডিসির এনওসি নিতে একজন স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতার সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

সুমন নিউজবাংলাকে জানান, চিঠি পেয়ে মকবুল হোসেন চিঠির মারফত এফডিসির এনওসির বিষয়টি সেন্সর আইনে আছে কি না জানতে চান সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাইফুল্লার কাছে। মো. সাইফুল্লা চিঠির মাধ্যমে মকবুল হোসেনকে জানান, এমন কোনো আইন সেন্সর অ্যাক্টে নেই।

নিউজবাংলাও মো. সাইফুল্লার কাছে জানতে চেয়েছিল সেন্সর পেতে এফডিসির এনওসি নেয়ার প্রক্রিয়াটি সেন্সর আইনে আছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি কোনো আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়া কি না সেটা বলার আগে বলতে চাই, এটা মন্ত্রণালয়ের (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়) ইস্যু, এটা তারাই ভালো বলতে পারবে। তাদের সঙ্গে কথা বলেন।’

এফডিসির এনওসি নিয়ে কাজ করাকে সেন্সর বোর্ড তেমন সমর্থন করে না বলে শোনা যায় বোর্ড কর্মকর্তা ও বোর্ড সদস্যদের কাছে। তবে এনওসি ইস্যু করার মাধ্যমে এফডিসির কিছু আয় হয়, সে জন্য মন্ত্রণালয় থেকে পদ্ধতিটি চালু রাখতে বলা হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে জানান সেন্সর বোর্ডের দুই কর্মকর্তা।

এ নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং উপসচিব সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
কলকাতা সফরে যা করবেন তারা
রাজের হ্যাটট্রিক, সিয়াম-রাফির দুটি করে
কলকাতায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধন ২৯ অক্টোবর
কলকাতা যাচ্ছে দেশের ২৫টি সিনেমা
‘জিদ আছে তো জিত আছে’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Where are the movies that keep the 18 screens of Cineplex open?

সিনেপ্লেক্সের ১৮ স্ক্রিন চালু রাখার মতো সিনেমা কোথায়

সিনেপ্লেক্সের ১৮ স্ক্রিন চালু রাখার মতো সিনেমা কোথায় চট্টগ্রামে স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি স্ক্রিন। ছবি: সংগৃহীত
একেবারে না হলেও, স্টার সিনেপ্লেক্স ধীরে ধীরে সেই দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ রাজশাহী, খুলনা, বগুড়াতেও শাখা নির্মাণ করবে বলে জানিয়েছে। ঢাকার উত্তরাতে শাখা চালু করার পরিকল্পনা আছে তাদের।

ঢাকার বাইরে প্রথমবারের মতো শাখা খুলেছে দেশের আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ চেইন স্টার সিনেপ্লেক্স। শনিবার থেকে চট্টগ্রামে চালু হয়েছে ৩টি স্ক্রিন।

ঢাকার ৫টি শাখার সঙ্গে যুক্ত হলো চট্টগ্রামের একটি। মোট ৬টি শাখায় স্টার সিনেপ্লেক্সের স্ক্রিনের সংখ্যা ১৮টি। সবগুলো স্ক্রিন ভালোভাবে পরিচালনা করতে প্রয়োজন সিনেমা। কিন্তু সেই সিনেমা কি আছে?

স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান নিউজবাংলাকে স্পষ্টভাবে জানালেন, দেশের সিনেমার পাইপলাইনে তেমন কিছু দেখছেন না তিনি।

সিনেপ্লেক্সের ১৮ স্ক্রিন চালু রাখার মতো সিনেমা কোথায়
চট্টগ্রামে স্টার সিনেপ্লেক্সের ভেতরের সজ্জা। ছবি: নিউজবাংলা

মাহবুব রহমান বলেন, ‘হলিউড পাইপলাইনে মোটামুটি ভালো সিনেমা আছে। আমি পার্সোনালি চিন্তা করছি যে, বাংলাদেশে পাইপলাইনে ভালো কোনো সিনেমা নেই। সে কারণে কিন্তু আমরা নিজেদের প্রোডাকশনের জন্য তাড়াহুড়ো করছি। অনেকেই হয়তো কাজ করবে, কিন্তু আমি পাইপলাইনে কিছু দেখছি না।’

চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সবারই চাওয়া, সারা দেশে সিনেপ্লেক্স হোক। বিভিন্ন সভায়, সাংবাদিকদের সঙ্গে নানা ইস্যুতে কথা বলার সময় তারা এ দাবি জানিয়েছেন। সারা দেশে সিনেপ্লেক্স নির্মাণের জন্য সরকারের কাছেও আরজি জানিয়ে আসছেন পরিচালক, প্রযোজক ও শিল্পী সমিতির নেতারা।

একেবারে না হলেও, স্টার সিনেপ্লেক্স ধীরে ধীরে সেই দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ রাজশাহী, খুলনা, বগুড়াতেও শাখা নির্মাণ করবে বলে জানিয়েছে। ঢাকার উত্তরাতে শাখা চালু করার পরিকল্পনা আছে তাদের।

কিন্তু দেশে ভালো সিনেমা নির্মাণ না হলে বেশি স্ক্রিন বানিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। মাহবুব রহমান জানান, তাদের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা ছিল মহামারির (কোভিড-১৯) সময়। ওই সময় প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ করে দিতে হবে ভেবেছিলেন তারা। লস দিয়ে হলেও ধরে রেখেছিলেন সে সময়।

মাহবুব রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘মানুষ হলে ফিরে আসবে, এটা আমার বিশ্বাস ছিল এবং এটা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। দুটো সিনেমা আমাদের লস থেকে অনেক তুলে দিয়েছে। মানুষের মধ্যে এটা আছে যে, একসঙ্গে সিনেমা দেখা, আনন্দ করা। এটা সব সময় থাকবে।’

সিনেপ্লেক্সের ১৮ স্ক্রিন চালু রাখার মতো সিনেমা কোথায়
চট্টগ্রামে স্টার সিনেপ্লেক্সের ভেতরের সজ্জা। ছবি: নিউজবাংলা

মাহবুব আরও বলেন, ‘মানুষ বিনোদনটা চায়। সিনেমা দেখা, এটা এত ব্যয়বহুল কিছু না। সময় কাটানোর জন্য এটা কস্ট ইফেকটিভ একটা সল্যুশন। আমার ধারণা যে মানুষ তাদের দুঃখ-ব্যথাগুলো ভুলে যাওয়ার জন্য সিনেমা দেখবে এবং এন্টারটেইনমেন্ট কিন্তু সব সময় আমাদের দরকার যতই সমস্যা থাকুক না কেন।’

২০২৩ সাল খারাপ যেতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকেই। সারা বিশ্বেই হতে পারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। সে সময়ও বিনোদনটা ধরে রাখা উচিত বলে মনে করেন মাহবুব। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘মানুষকে আশা দেয়ার জন্য হলেও বিনোদনটা রাখা উচিত। আমরা একটা ভালো সময় ফিরব।’

আরও পড়ুন:
লুঙ্গি পরা ব্যক্তিকে টিকিট দেয়নি সিনেপ্লেক্স, কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ
অগ্রিম বিক্রির প্রথম দিনেই প্রায় শেষ ৬ মের টিকিট
বঙ্গবন্ধু মিলিটারি মিউজিয়ামে সিনেপ্লেক্স
কিংসম্যান আসছে ঢাকায়!
স্টার সিনেপ্লেক্স এবার চট্টগ্রামে

মন্তব্য

বিনোদন
Husband children Khunsuti and Raj Pari

সংসার-সন্তান, খুনসুটি ও রাজ-পরী

সংসার-সন্তান, খুনসুটি ও রাজ-পরী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন পরীমনি ও রাজ। ছবি: নিউজবাংলা
নেটিজেনদের এমন খোঁচাখুঁচি দেখলে রাজ-পরী সেটা কীভাবে সামাল দেয়, জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, ‘পোক তো করেই। কাছে করে, দূরে করে। পোক করে কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না, আমার থেকে অন্তত।’

ঢাকাই সিনেমায় এখন আলোচনার শীর্ষে অভিনেতা শরিফুল রাজ। পরপর পরাণ, হাওয়া, দামাল সিনেমার সাফল্যে একরকম উড়ছেন তিনি। শোনা গেছে, ২০-৩০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক চাইছেন এই অভিনেতা।

বিষয়টি এড়িয়ে যাননি রাজ। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বলেছেন, ‘আমার একটা সিনেমা করতে টাইম লাগে। কাজলরেখা সিনেমা করতে সময় লেগেছে ৯ মাস। এই ৯ মাস তো আমার সার্ভাইভ করতে হবে। এটার জন্য যেটা দরকার সেটার তো আমি প্রাপ্য।’

অভিনেতা রাজের ক্যারিয়ার যখন বৃহস্পতিতে, তখন তুমুল আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি অনেকটা আড়ালেই পড়ে গেছেন। সময় কেটে যাচ্ছে সন্তান আর সংসার সামলাতেই।

সংসার-সন্তান, খুনসুটি ও রাজ-পরী

এতে করে পরীমনি যে হতাশ বা তার আক্ষেপ তৈরি হচ্ছে এমন না। পরী বলেন, ‘জীবনের সুন্দর কয়েকটা পার্টের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর পার্টটা হয়তো এটা, এখন অবধি আমার জীবনে। আমার সবকিছু এখন ও (পরী-রাজের ছেলে রাজ্য) কেন্দ্রিক হয়ে গেছে। আমার বলতে এ মুহূর্তে আমার কিছু নাই। ও কখন খাবে, কখন ঘুমাবে, কখন উঠবে এগুলো নিয়েই থাকি সারা দিন।’

রাজের কাছে ২০২২ সালটা ‘বিউটিফুল ইয়ার’। তার ভাষ্যে, সিনেমা, বিয়ে, সন্তান সব মিলিয়ে ভালো বছর কেটেছে ২০২২।

অন্যদিকে পরীমনির আড়ালে চলে যাওয়ার সালটাও এই ২০২২। পরী ও রাজ দুজনই অভিনয়শিল্পী এবং দম্পতি। পরীর আড়ালে পড়ে যাওয়াটা ‘সফল’ রাজের কেমন লাগে?

সংসার-সন্তান, খুনসুটি ও রাজ-পরী

‘এটা খারাপ লাগার বিষয় না। আমি ওকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করি খুব দ্রুত কামব্যাক করার জন্য। মাদারহুড একটা অন্যরকম বিষয়। পরী মাদারহুডটা অনেক এনজয় করে। তারপরও ও দ্রুতই ফিরবে।’

রাজের বক্তব্য ধরে পরীমনি বলেন, ‘মাতৃত্ব সুন্দর, কিন্তু সহজ না। আমি পুরোটা এখন রাজ্যকেন্দ্রিক হয়ে গেছি। এটা আমি মেইনটেইন করতে চাই, ও মাকে ঠিকমতো পাক, আমি আমার বাচ্চাটাকে কাছাকাছি রাখতে চাই। রাজ এবং আমার যারা কাছের, তারা সবাই চায় যে আমি তাড়াতাড়ি ক্যামেরার সামনে যাই। কিন্তু, এর থেকে আমার মনে হচ্ছে যে, এই টাইমটা হার্ড টাইম আমার জন্য। মা হয়ে যাওয়ার পর জার্নিটা আরও বেশি কঠিন। মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তন হয়, এটা রিকভার করে ফিরে আসা তুড়ির মতো সহজ নয়। আমার আসলে টাইম লাগবে। আমাকে সহযোগিতা করলে কামব্যাক করাটা সুন্দর হবে।’

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘটে যাওয়া নানা বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলে এলে এবং নেটিজেনরা সেটা নিয়ে খোঁচাখুঁচি করে থাকে। রাজ-পরীর বেলাতেও সে রকম কিছু ঘটনা আছে।

সংসার-সন্তান, খুনসুটি ও রাজ-পরী

নেটিজেনদের এমন খোঁচাখুঁচি দেখলে রাজ-পরী সেটা কীভাবে সামাল দেয়, জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, ‘পোক তো করেই। কাছে করে, দূরে করে। পোক করে কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না, আমার থেকে অন্তত।’

সংসারের কিছু গল্প করেন রাজ। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো স্টার পরীমনিকে বিয়ে করিনি, আমি এখন মানুষ পরীমনিকে বিয়ে করেছি। আমি যখন ঘরে ফিরি, তখন কিন্তু আমি কোনো আর্টিস্ট না। আমি আমার বেবিকে আর্টিস্টের মতো টেক কেয়ার করি না। পপুলারিটি, ফ্যান এগুলো কিন্তু ঘরের বাইরে। ঘরে আমরা কোনো অদ্ভুত আচরণ করি না যে আমি স্টার, আমি সুপারস্টার এ রকম না কিন্তু।’

কিছুদিন আগেই পরীমনি ও অভিনেত্রী মিম অল্প সময়ের জন্য হলেও স্ট্যাটাস-যুদ্ধে নেমেছিলেন। রাজ ও মিমের মধ্যে নতুন রসায়নের সন্দেহ করেছিলেন পরী।

সংসার-সন্তান, খুনসুটি ও রাজ-পরী

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কথা বলেননি রাজ-পরী। পরী শুধু হাসতে হাসতে ও আড় চোখে বলে গেলেন, ‘পোক করা জার্নালিস্ট’।

২ ডিসেম্বর রাজ-পরী দম্পতি তাদের সন্তান রাজ্যকে নিয়ে গিয়েছিলেন চট্টগ্রাম। সেখানে সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।

আরও পড়ুন:
আবারও রাজকে নিয়ে মিমকে খোঁচা পরীমনির
পরীর সমর্থন আর্জেন্টিনায়, রাজের ব্রাজিলে
পরীমনির মাদক মামলার সাক্ষ্য পিছিয়ে ১৫ ডিসেম্বর
পরীমনিকেই কি খোঁচা দিলেন মিম?
ছেলেকে নিয়ে এক ফ্রেমে রাজ-পরী

মন্তব্য

বিনোদন
The shooting of Salmans Kisi Ka Bhai Kisi Ki Jaan is over

সালমানের ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’-এর শুটিং শেষ

সালমানের ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’-এর শুটিং শেষ ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’ সিনেমার শুটিং সেটের ছবিতে সালমান খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
ফরহাদ সামজি পরিচালিত একটি অ্যাকশন-প্যাকড বিনোদনমূলক সিনেমা ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’। এতে সালমানের বিপরীতে রয়েছেন পূজা হেগড়ে।

দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় আছে বলিউড ভাইজান সালমান খানের আসন্ন সিনেমা কিসি কা ভাই কিসি কি জান। ঘোষণার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের সিনেমাটি নিয়ে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই এর কোনো আপডেট পাওয়া যাচ্ছিল না।

এবার সেই সেই আপডেট নিজেই জানালেন সালমান খান। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ার শুটিং সেটের নতুন একটি ছবি পোস্ট করেছেন ভাইজান।

ছবিতে সালমানকে দেখা যায়, কালো প্যান্ট-কালো শার্ট ও লাল-সাদা-কালোর কম্বিনেশনে একটি জ্যাকেট পরিহিত, আর লম্বা চুল ও মুখভর্তি দাড়ি।

বলিউডের বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পিঙ্কভিলা বলছে, সালমানের এই অবতার ইতোমধ্যে ট্রেন্ড হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ছবিটি পোস্ট করে সালমান লেখেন, ‘শুটিং শেষ। কিসি কা ভাই কিসি কি জান ২০২৩ সালে ঈদে আসছে।’

ফরহাদ সামজি পরিচালিত একটি অ্যাকশন-প্যাকড বিনোদনমূলক সিনেমা কিসি কা ভাই কিসি কি জান। এতে সালমানের বিপরীতে রয়েছেন পূজা হেগড়ে।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় সালমান খানের ফ্যাশন ব্র্যান্ড
সালমানের ‘বিয়িং হিউম্যান ক্লোদিং’ এখন ঢাকায়
‘সালমানকে হত্যার ছক চূড়ান্ত ছিল’
গণেশ পূজায় শাহরুখ, আরতি করলেন সালমান
বলিউডে ‘ভাইজান’র ৩৪ বছর, নতুন লুকে সিনেমার ঘোষণা

মন্তব্য

বিনোদন
Happy with Bindu in acting after 8 years

৮ বছর পর অভিনয়ে বিন্দু, সঙ্গে শুভ

৮ বছর পর অভিনয়ে বিন্দু, সঙ্গে শুভ বিন্দু-শুভ। ছবি: সংগৃহীত
কাজটি নিয়ে বিন্দু নিজেও ভীষণ এক্সসাইটেড বিন্দু বলেন, ‘কাজটি ভালোভাবে শুরু করতে চাই। অনেকদিন পর কাজে ফিরছি, দর্শকের মাঝে কাজ দিয়ে পৌঁছাতে পারব ভেবে আবেগটাও অনেক বেশি কাজ করছে। এখন শুধু অপেক্ষা দর্শকের কাছে কাজটি পৌঁছানোর।’

দীর্ঘদিন পর অভিনয়ে ফিরছেন আফসান আরা বিন্দু। তা-ও আবার সিনেমায়। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির ওয়েব সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি।

প্রায় আট বছর পর এ কাজের মধ্য দিয়ে তাকে স্ক্রিনে দেখবে দর্শক। ২০১৪ সালে বিয়ের পর অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিন্দু। পরিবারকে সময় দেয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে অভিনয়জগৎ থেকে সরে যান তিনি।

বিন্দুর বিপরীতে দেখা যাবে আরিফিন শুভকে। ওয়েব সিনেমাটি পরিচালনা করবেন মিজানুর রহমান আরিয়ান।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। আগামী বছর ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে সিনেমাটির চিত্রধারণ। তবে সিনেমাটির নাম জানানো হয়নি এখনও।

ওটিটিতে নিজের কাজ নিয়ে আরিফিন শুভ বলেন, ‘সবাই মিলে ভালো একটা কাজ শুরু করছি। কনটেন্টের গল্প নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টা করব আমাদের দিক থেকে শতভাগ ভালো একটা কাজ দর্শককে উপহার দেয়ার। বাকিটা সময়, দর্শক ও সৃষ্টিকর্তার ওপর নির্ভর করবে।’

কাজটি নিয়ে বিন্দু নিজেও ভীষণ সিরিয়াস ও এক্সসাইটেড। তিনি বলেন, ‘কাজটি ভালোভাবে শুরু করতে চাই। অনেকদিন পর কাজে ফিরছি, দর্শকের মাঝে কাজ দিয়ে পৌঁছাতে পারব ভেবে আবেগটাও অনেক বেশি কাজ করছে। এখন শুধু অপেক্ষা দর্শকের কাছে কাজটি পৌঁছানোর।’

পরিচালক মিজানুর রহমান আরিয়ান বলেন, ‘ফিলগুড লাভ স্টোরি জনরার হবে সিনেমাটি। ৯০ মিনিটের একটা ভালো লাগার জার্নি হবে। যাদের জীবনে এমন ভালো লাগার মুহূর্ত ঘটেছে তারা নিজের জীবনকে রিলেট করতে পারবে এই গল্পের বিভিন্ন মোমেন্টের মাধ্যমে। আবার যাদের জীবনে এমন ভালো লাগার মুহূর্ত ঘটেনি তারাও চাইবে এমন ভালো লাগার মুহূর্তগুলো তার জীবনেও ঘটুক।’

মন্তব্য

বিনোদন
Nakshikanthas performance at the Barcelona Human Rights Film Festival this time

এবার বার্সেলোনা হিউম্যান রাইটস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘নকশিকাঁথার জমিন’

এবার বার্সেলোনা হিউম্যান রাইটস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘নকশিকাঁথার জমিন’ নকশিকাঁথার জমিনের শুটিংয়ের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
উৎসবটির তাৎপর্য তুলে ধরে জয়া লেখেন, ‘উৎসবটি মানবাধিকারভিত্তিক সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে ঘটমান চলচ্চিত্র উৎসবের একটি। এই উৎসবটি শুধু স্পেনেই নয়, বরং সারা বিশ্বের মধ্যে মানবাধিকারের ওপর হওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব।’

সম্প্রতি ৫৩তম ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া (আইএফএফআই) চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতার পর এবার ১৯তম বার্সেলোনা হিউম্যান রাইটস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতা বিভাগে মনোনীত হয়েছে জয়া আহসান অভিনীত চলচ্চিত্র নকশিকাঁথার জমিন

সারা বিশ্বে মানবাধিকারের ওপর অনুষ্ঠিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই উৎসবে নকশিকাঁথার জমিন-এর প্রতিযোগিতার বিষয়টি শনিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজেই নিশ্চিত করেছেন জয়া আহসান।

তিনি লেখেন, ‘আমাদের সিনেমা নকশিকাঁথার জমিন (A tale of two sisters) ৫৩তম ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়ার (আইএফএফআই) পর এবার মনোনীত হয়েছে ১৯তম বার্সেলোনা হিউম্যান রাইটস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতা বিভাগে।’

উৎসবটির তাৎপর্য তুলে ধরে জয়া লেখেন, ‘উৎসবটি মানবাধিকারভিত্তিক সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে ঘটমান চলচ্চিত্র উৎসবের একটি। এই উৎসবটি শুধুমাত্র স্পেনেই নয়, বরং সারা বিশ্বের মধ্যে মানবাধিকারের ওপর হওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব।’

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের ‘বিধবাদের কথা’ গল্পটির ওপর নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আকরাম খান।

৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় সেখানে সিনেমাটি দেখানো হবে বলেও জানান জয়া।

এবার বার্সেলোনা হিউম্যান রাইটস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘নকশিকাঁথার জমিন’
নকশিকাঁথার জমিন সিনেমার দৃশ্য। ছবি: পরিচালকের সৌজন্যে

নকশিকাঁথার জমিন ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত। সিনেমাটিতে রাহেলা চরিত্রে জয়া আহসান এবং সালেহা চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারিয়া শামস সেওতি।

আরও আছেন ইরেশ যাকের, রওনক হাসান, দিব্য জ্যোতি, সৌম্য জ্যোতি, লাবণ্য চৌধুরী, আদ্রিতা ইবনাত খানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
মেয়েরা সুপ্ত নারীবিদ্বেষী দানবদের বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে: জয়া
আপাতত নতুন কাজে যুক্ত হচ্ছেন না জয়া
রক্তের ইতিহাসের সাক্ষ্য ‘বিউটি সার্কাস’
জয়া চরিত্রে জয়া
চেতনা, বিপ্লব, অনুপ্রেরণা, স্বপ্নে অমলিন বঙ্গবন্ধু: জয়া

মন্তব্য

বিনোদন
One week after release from prison

‘কারাগার টু’ মুক্তি পেছাল এক সপ্তাহ

‘কারাগার টু’ মুক্তি পেছাল এক সপ্তাহ অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
এক সপ্তাহ পেছানোটা স্বস্তি দিচ্ছে না চঞ্চল চৌধুরীকে। তিনি লেখেন, ‘এক সপ্তাহ পেছানোর কারণে আমারও মেজাজ একটু খারাপ।’

তুমুল আলোচিত ওয়েব সিরিজ কারাগার-এর দ্বিতীয় পার্ট মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ১৫ ডিসেম্বর। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই।

কারাগার পার্ট টু ওয়েব সিরিজটি মুক্তি পিছিয়েছে এক সপ্তাহ। অর্থাৎ এটি মুক্তি পাবে ২২ ডিসেম্বর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরিজের মূল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

অভিনেতা তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিষয়টি জানিয়েছেন। মুক্তি পেছানোর কারণ জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবলের কারণে কারাগার পার্ট টু আসছে এক সপ্তাহ পর, ২২ ডিসেম্বর, শুধুমাত্র হইচইতে।’

এক সপ্তাহ পেছানোটা স্বস্তি দিচ্ছে না চঞ্চল চৌধুরীকে। তিনি লেখেন, ‘এক সপ্তাহ পেছানোর কারণে আমারও মেজাজ একটু খারাপ।’

সৈয়দ আহমেদ শাওকী পরিচালিত কারাগার-এ অভিনয় করেছেন আফজাল হোসেন, ইন্তেখাব দিনার, ফারিণ, নাঈম, বিজরী বরকতুল্লাহসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
‘কারাগার পার্ট টু’ আসছে বছর শেষে

মন্তব্য

বিনোদন
Sanjay Samaders Kolkata Cinema Maharat held

সঞ্জয় সমাদ্দারের কলকাতার সিনেমার মহরত অনুষ্ঠিত

সঞ্জয় সমাদ্দারের কলকাতার সিনেমার মহরত অনুষ্ঠিত সঞ্জয় সমাদ্দারের কলকাতার সিনেমা মানুষের মহরত অনুষ্ঠিত। ছবি: সংগৃহীত
সিনেমাটির গল্পও সঞ্জয় সমাদ্দারের লেখা। এর আগে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মানুষ মূলত মানুষেরই গল্প। অন্যভাবে বলা যায় এটা ফেট অ্যান্ড ফাইটের গল্প।’

দুদিন আগেই জানা যায়, কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎকে নিয়ে সিনেমা পরিচালনা করতে যাচ্ছেন দেশের নামকরা নবীন নির্মাতা সঞ্জয় সমাদ্দার। সিনেমাটির নাম মানুষ

শুক্রবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল সিনেমাটির মহরত পূজা। বিষয়টি হোয়াটসঅ্যাপে নিউজবাংলাকে নিজেই জানিয়েছেন নির্মাতা।

এ ছাড়া মহরতের বেশ কিছু ছবি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করে জিৎ লেখেন, ‘মানুষ-এর শুভ মহরত।’

মানুষ-এর শুটিং কবে নাগাদ শুরু হবে জানতে চাইলে সঞ্জয় বলেন, ‘চলতি মাসেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

সিনেমাটি ঘোষণার সময় নারী প্রধান চরিত্রের নাম না জানালেও এদিন নির্মাতা বলেন, ‘নায়িকা হিসেবে রয়েছেন সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। আজ মহরতেও তিনি ছিলেন।’

সিনেমাটির গল্পও সঞ্জয় সমাদ্দারের লেখা। তা নিয়ে এর আগে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মানুষ মূলত মানুষেরই গল্প। অন্যভাবে বলা যায়, এটা ফেট অ্যান্ড ফাইটের গল্প।’

সঞ্জয় সমাদ্দারের কলকাতার সিনেমার মহরত অনুষ্ঠিত
সঞ্জয় সমাদ্দারের কলকাতার সিনেমা ‘মানুষ’-এর মহরত পূজা অনুষ্ঠিত। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে সঞ্জয় জানান, এটি সম্পূর্ণ কলকাতার প্রোডাকশনের সিনেমা। জিৎ, গোপাল মান্দানি এবং অমিত জুমরানির প্রযোজনায় এটি নির্মিত হবে। সিনেমাটিতে বাংলাদেশের কোনো অভিনয়শিল্পীকে দেখা যাবে না।

আরও পড়ুন:
জীৎকে নিয়ে সঞ্জয় সমাদ্দারের সিনেমা ‘মানুষ’

মন্তব্য

p
উপরে