× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Salman will keep Katrinas husband under surveillance
hear-news
player
google_news print-icon

ক্যাটরিনার স্বামীকে নজরদারিতে রাখবেন সালমান

ক্যাটরিনার-স্বামীকে-নজরদারিতে-রাখবেন-সালমান
ক্যাটরিনা-সালমান। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি নিজের আসন্ন সিনেমা ‘ফোন ভূত’-এর প্রোমোশনে বিগ বসে হাজির হয়েছিলেন ক্যাটরিনা। সেই শোয়ের একটি প্রমো প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায় হোস্ট সালমানের সঙ্গে খুনসুটিতে মেতেছেন অভিনেত্রী।

একসময় বলিউডে সবচেয়ে আলোচিত জুটিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। বিভিন্ন সময় তাদের প্রেম ছিল নেটিজেন ও দর্শকের আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দুতে।

তাদের সেই প্রেম ভেঙেছে, বিয়েও করেছেন অভিনেত্রী, কিন্তু রয়ে গেছে তাদের বন্ধুত্ব। এখনও নানা অনুষ্ঠানে সালমানের তরফ থেকে যেন অবলীলায় প্রকাশ পায় ক্যাটরিনার প্রতি সেই প্রেম। এমনই এক ঘটনা দেখা গেল বিস বসের মঞ্চে।

সম্প্রতি নিজের আসন্ন সিনেমা ফোন ভূত-এর প্রোমোশনে বিগ বসে হাজির হয়েছিলেন ক্যাটরিনা। সেই শোয়ের একটি প্রমো প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায় হোস্ট সালমানের সঙ্গে খুনসুটিতে মেতেছেন অভিনেত্রী।

শো চলাকালীন মজা করেই সালমানকে ক্যাটরিনা প্রশ্ন করেন, ভূত হওয়ার সুযোগ পেলে কাকে নজরদারি করবেন?

অভিনেত্রীর এমন প্রশ্নে সালমান বলেন, ‘এক ব্যক্তি আছেন, ওর নাম ভিকি কৌশল।’

প্রাক্তন প্রেমিকের মুখে নিজের স্বামীর নাম শুনে হেসে ফেলেন ক্যাটরিনা। পরক্ষণেই পাল্টা প্রশ্ন ক্যাটরিনার, কেন?

জবাবে সালমান বলেন, ‘সে প্রেমময়, যত্নশীল এবং সাহসী। আমি ওকে নিয়ে কথা বলতে লাগলে তুমি লাজুক হয়ে ওঠো।’

সালমানের এমন জবাবে লজ্জামুখে চওড়া হাসিতে সবটা মেনে নেন ক্যাটরিনা। এখনও দুজনের এমন বন্ধুত আর খুনসুটি দেখে মুগ্ধ তাদের ভক্তরা।

এদিকে আগামী ৪ নভেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে ফোন ভূত। এতে ক্যাটরিনার সঙ্গে দেখা যাবে সিদ্ধান্ত চতুর্বেদি ও ইশান খট্টরকে। এ ছাড়া বড়দিনে মুক্তি পেতে চলেছে সালমান ও ক্যাটরিনার টাইগার থ্রি

আরও পড়ুন:
বলিউডে ‘ভাইজান’র ৩৪ বছর, নতুন লুকে সিনেমার ঘোষণা
সালমানকে নারী পেটানো লোক বললেন সাবেক প্রেমিকা সোমি
সালমানের বুলেটপ্রুফ গাড়ির দাম কত
হুমকির পর অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়েছেন সালমান
জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এলো সালমানকে হত্যার পরিকল্পনা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Canadian ambassador will perform dance under the direction of Puja

পূজার নির্দেশনায় নৃত্য পরিবেশন করবেন কানাডার রাষ্ট্রদূত

পূজার নির্দেশনায় নৃত্য পরিবেশন করবেন কানাডার রাষ্ট্রদূত নৃত্যশিল্পী ও নির্দেশক পূজা সেনগুপ্তের সঙ্গে (বাঁয়ে) বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত ড. লিলি নিকোলস। ছবি: সংগৃহীত
নির্দেশক বলেন, ‘দূর্গা পূজার সময় যে আরতিটা হয়, আমাদের পরিবেশনাটি হুবহু সেরকম না। এই নৃত্য ঢংটির মাধ্যমে আমরা মূলত দেশের আরতি করব।’

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের নৃত্যশিল্পকে নিয়ে যাচ্ছেন যে কজন তরুণ নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি নিজে নৃত্যশিল্পী এবং তুরঙ্গমী রেপার্টরি ডান্স থিয়েটারের সৃজনশীল পরিচালক; তুরঙ্গমী স্কুল অফ ডান্স এর প্রধান নির্দেশক।

নৃত্যের এ তরুণ শিক্ষকের শিক্ষার্থী বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত ড. লিলি নিকোলস। ৫ মাস ধরে সপ্তাহে এক দিন করে নাচের তালিম নিচ্ছেন তিনি।

এবার ড. লিলি নিকোলস পরিবেশনা করতে যাচ্ছেন মঞ্চে। কানাডা দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তুরঙ্গমী প্রযোজিত ‘নন্দিনী’ শিরোনামের একটি পরিবেশনা, সেখানে আরও অনেক শিল্পীর সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন তিনিও।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ‘নন্দিনী’ প্রযোজনাটির নির্দেশক পূজা সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, ‘ড. লিলি নিকোলস আমার ছাত্রী। সপ্তাহে একদিন করে তিনি আমার ক্লাস করেন। বাংলাদেশের নৃত্য আর সংস্কৃতির প্রতি লিলির আগ্রহ ও শ্রদ্ধা আমাকে মুগ্ধ করে।’

পূজা জানান, রবীন্দ্রনাথের ‘বাংলাদেশের হৃদয় হতে’ গানটির সঙ্গে একটি পরিবেশনা হবে। সেখানে নৃত্যটি হবে আরতি ঢংয়ে।

নির্দেশক বলেন, ‘দূর্গা পূজার সময় যে আরতিটা হয়, আমাদের পরিবেশনাটি হুবহু সেরকম না। এই নৃত্য ঢংটির মাধ্যমে আমরা মূলত দেশের আরতি করব।’

পরিবেশনাটি হবে ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়, কানাডা দূতাবাসে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য। পূজা বলেন, ‘শিল্পকলা একাডেমি যদি আমাদের সহযোগিতা করে, তাহলে আমরা পরিবেশনাটি নাট্যশালায় করতে চাই। এতে করে অন্য দর্শকরাও পরিবেশনাটি উপভোগ করতে পারবে।’

দেশের আরও অনেক নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে পরিবেশনাটিতে থাকবেন কানাডিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী রিটা হোকায়েম। তিনিও পূজার শিক্ষার্থী। পূজা জানান, মহড়া শেষের দিকে।

এর আগে ‘নন্দিনী’ দেশের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিনস ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও পরিবেশিত হয়েছে। দেশের বাইরের নৃত্যশিল্পীরাও অংশ নিয়েছেন এ প্রযোজনায়।

আরও পড়ুন:
মঞ্চে আসছে তুরঙ্গমীর ‘অদম্য’

মন্তব্য

বিনোদন
Quiet Shakib Khan

নিশ্চুপ শাকিব খান

নিশ্চুপ শাকিব খান শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত
গত ৩০ সেপ্টেম্বর শাকিব-বুবলী একসঙ্গে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিয়ে ও সন্তানের খবর জনান। সেই পোস্টের পর শাকিব খানকে আর বুবলী ও শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে কোনো পোস্ট দিতে দেখা যায়নি।

রোববার সন্ধ্যায় ৪১ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তায় নানা বিষয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী শবনম বুবলী। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নয় বরং দর্শকদের মনে শাকিব-বুবলী ইস্যুতে যে প্রশ্নের উদয় হয়েছে, ভিডিও বার্তায় সেগুলোরই উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছেন অভিনেত্রী।

বুবলীর কথায় উঠে এসেছে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিলের আগে শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের সম্পর্কের বিষয়টি না জানা, শাকিব-অপুর সন্তান জয়ের জন্মদিনে বুবলীর বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করার বিষয়, শাকিব খানের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নেন কি না, বুবলীর জন্মদিনে শাকিব নাকফুল দিয়েছেন কি না, তাজমহলে শাকিব-বুবলীর ছবি দেয়ার কারণ।

ভিডিওর শেষে বুবলী তার সন্তান শেহজাদকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমি এই কথাগুলো বলছি, না হলে ও হয়তো কখনও কোনো সময় ও (শেহজাদ খার বীর) প্রশ্ন করবে, মা তুমি তো কোনো কথা বলোনি কখনও।’

নিজের জায়গা থেকে আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে বুবলী তার অবস্থান পরিষ্কার করার চেষ্টা করলেও শাকিব খান নিশ্চুপ। তাকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। নানাভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও ধরা দিচ্ছেন না তিনি।

নিউজবাংলা পক্ষ থেকে অনেকবার ফোন ও এসএমএস করে কথা বলতে চাওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া দেননি তিনি।

বুবলীর ভেরিফায়েড পেজে সোমবার পোস্ট করা ভিডিও বার্তায় একরকম স্পষ্ট হয়ে ওঠে বাচ্চাকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য প্রায় তিন বছর অপেক্ষা করেও তা না পারার আক্ষেপ।

বুবলী বলেন, ‘ওর তো তিন বছর প্রায়। আমরা চেয়েছিলাম যে, আমরা একসঙ্গে খুব সুন্দরভাবে ওকে সামনে আনার, হয়তো হচ্ছিল না কোনোভাবে। আমি তো অলরেডি তিন বছর ওয়েট করেছি।’

কোনোভাবে কেন হচ্ছিল না? কেন বুবলীকে প্রথমে বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ করতে হলো? এই ছবিটি কি শাকিব খানকে চাপে ফেলার জন্য? কেনই বা শাকিব খানকে চাপ দিতে হবে? দম্পতি হওয়ার পরও শাকিব-বুবলীকে একসঙ্গে কেন দেখা যায় না?

এমন নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে দর্শক-ভক্তদের মনে। রোববার দেয়া ভিডিও বার্তায় বুবলী কিছু প্রশ্নের উত্তর দিলেও, এসব আলোচনা এখনও অন্ধকারেই রয়ে গেছে।

শুধু তা-ই নয়, বুবলীর জন্মদিনে শাকিব খান উপহার হিসেবে নাকফুল দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন বুবলী। পরে শাকিব খান গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি কোনো নাকফুল দেননি।

এ নিয়ে বুবলী সোমবারের ভিডিওতে বলেন, ‘স্বামী যদি স্ত্রীকে কোনো কিছু উপহার দেন এবং সেটি যদি প্রমাণ করতে হয়... এ নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তার যেটা ভালো মনে হয়েছে, তিনি সেটা বলেছেন। এটা যদি আমি প্রমাণ করতে যাই, তাহলে তাকে অসম্মান করা হয়।’

স্বামী-স্ত্রীর কথার মধ্যে এত অমিল! কে সত্য বলছেন, তা এখনও অজানা। দর্শকদের প্রশ্ন, কেন তারা এমন করছেন?

শাকিব খান সব প্রশ্ন থেকে নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন সন্তান ও বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শাকিব-বুবলী একসঙ্গে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিয়ে ও সন্তানের খবর জনান। সেই পোস্টের পর শাকিব খানকে আর বুবলী ও শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে কোনো পোস্ট দিতে দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন:
কাজের বাইরে পূজার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্কই নেই: শাকিব
শাকিবের সঙ্গে আরও মিটিং প্রয়োজন: সানী সানোয়ার
শাকিবকে নিয়ে সিনেমা বানাবেন আরিয়ান, তপু করবেন আরেকটি
এবার ‘প্রেমিক’ হয়ে আসছেন শাকিব খান
শাকিব-রাফির সঙ্গে কাজ করেননি, এমন একজন হচ্ছেন নায়িকা

মন্তব্য

বিনোদন
Bubli answered various questions including Shakib Apu and children

শাকিব-অপু এবং সন্তানসহ নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেন বুবলী

শাকিব-অপু এবং সন্তানসহ নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেন বুবলী অভিনেত্রী বুবলী। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
ভিডিওর একদম শেষের অংশে বুবলী বলেন, ‘কিছু জিনিস শেয়ার করেছি আমার সন্তানের জন্য। ও তো বড় হচ্ছে এবং আপনারা অনেক সময় ওকেও বিভিন্ন বিষয়ে ইনভলব করে ফেলেন। ওর কোনো দোষ নেই, ও তো ছোট মানুষ।’

বেবি বাম্প দিয়ে শুরু, পরে শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ের খবর, সন্তান শেহজাদ খান বীরকে সামনে আনা, বিয়ের তারিখ জানানো, সন্তানের জন্মতারিখ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী বুবলী।

কিন্তু আরও অনেক প্রশ্ন পিছু ছাড়ছিল না বুবলীর। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছিল সমালোচনা।

এমন নানা বিষয় নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ৪১ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী বুবলী।

সেখানে তিনি শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের সম্পর্ক ভাঙার কারণ যে তিনি নন, সেটি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন।

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সম্পর্কের কথা জানতেন না দাবি করে বলেন, ‘২০১৭ তে শাকিব-অপুর বিয়ের বিষয়টি জানার কিছু আগে তিনি (শাকিব খান) আমাকে বলতেন যে, কিছু বিষয় তিনি আমার সঙ্গে শেয়ার করবেন। ওই সময় আমরা সিঙ্গেল ছিলাম, ওই ভাবেই তিনি প্রেজেন্ট করেছেন বা তিনি হয়তো ভেবেছেন বিষয়টি পরে বলবেন। একটা ভালো লাগার বিষয় তো ছিলই, সেটা যে প্রথম সিনেমা থেকেই, তা না। খুব প্রেম, বন্ধুত্ব যে প্রথম থেকেই ছিল তা না। তবে তিনি চাচ্ছিলেন সেটেল হতে।

‘২০১৭ তে যখন বিষয়টি সবার সামনে আসলো এবং আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তখন তিনিও অবাক হয়েছেন যে সেসব ভিডিওতে আমার প্রসঙ্গটা কেন আসল।’

বুবলী বলেন, ‘২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল লাইভ অনুষ্ঠানে আসার আগে আমাকে অপু বিশ্বাস ফোন করেছিলেন এবং অনেক বাজে ব্যবহার করেছিলেন, আমি বুঝতে পারিনি কেন এমন বাজে ব্যবহার করছেন। সেই কষ্ট থেকেই কিন্তু তিনি লাইভে আসার পর আমি স্ট্যাটাসটা দিয়েছিলাম। আমার কষ্টের জায়গাটা হলো, আমি তো এসবের (শাকিব খান, অপু বিশ্বাসের সম্পর্ক) কিছুই জানিনা। যেভাবে আমাকে প্রেজেন্ট করা হয়েছে, সেখানে তো আমি নেই।’

বিচ্ছেদের পর কেউ যদি অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান, তাহলে কি সেটা সেই নতুন মানুষটির দোষ? প্রশ্ন রেখে বুবলী বলেন, ‘তাদের ডিভোর্স হয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা। তারা তো ম্যাচিওর। শাকিব খান নিজেই আমাকে বলেছেন যে তিনি অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সুখী নন। তিনি তার জায়গা থেকে আমাকে অনেক কিছুই বলেছেন। যেটা আমি তার সম্মানার্থে আগেও বলিনি, আজও বলবো না। এটুকু বলি, আমি তো অনেক পরে এসেছি, তাদের সমস্যাগুলো তো অনেক আগে থেকেই।’

অপু বিশ্বাসকে চারবার গর্ভপাত করাতে হয়েছে উল্লেখ করে বুবলী বলেন, ‘কোনো হ্যাপি ফ্যামিলিতে কেউ কখনও বাচ্চা চাই অথবা সংসার চাই ধরনের কথা বলে কি না আমার জানা নেই। এসব ঘটনা যখন ঘটে তখন তো আমি ছিলাম না, তাহলে আমাকে কেন জড়ানো হলো। কেন বলা হলো আমার কারণে কারও সংসার ভেঙেছে, আমার কারণে কারও সম্পর্ক ভেঙেছে, কারও সুখের জায়গায় সমস্যা হয়েছে। আমি দর্শকদের স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, এ সময়ে আমি ছিলাম না। আমার কারণে কোনো সংসার ভাঙেনি।’

ভিডিওতে তিনি আরও কথা বলেছেন নিজের জন্মদিনে শাকিব খানের দেয়া নাকফুল, তাজমহলে শাকিব খানের সঙ্গে ছবি, শাকিব খানের অর্থ সহায়তা দেয়ার গুঞ্জন, ভুল তথ্য দেয়া, শাকিবের বড় ছেলে জয়ের জন্মদিনে তার বেবি বাম্পের ছবি দেয়ার মতো নানা বিষয় নিয়ে।

শাকিবের বড় ছেলে আব্রাম খান জয়ের জন্মদিনে বুবলী তার বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ নিয়ে বলেন, ‘জয়ের ব্যাপারে আমি শাকিব খানকে সবসময় পজিটিভলি দেখতে বলি। জয়কে কতটা সাপোর্ট করি সেটা শাকিব খান ভালো জানেন। ছোট বেলা থেকেই, যখন থেকে আমি জেনেছি, জয় কোন স্কুলে পড়বে, কি করলে ওর ভবিষ্যৎ ভালো হবে সব কিছু নিয়েই আমি পরামর্শ দিয়েছি শাকিব খানকে। জয় এবার সম্ভবত ৬ বছরে পরলো। কই আগের বছরগুলোতে তো আমি কিছু করিনি। গত বছরেও তো কিছু করিনি। গত বছর বা তার আগের বছরেও তো আমার নিজের সন্তানও ছিল।’

বুবলী জানান, তিনিও তো মানুষ, তার কষ্ট, ইমোশন থাকতে পারে। বুবলী তার ইমোশনের জায়গা থেকে বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করেছিলেন বলে দাবি তার।

অনেকে বলেন বুবলী নাকি শাকিব খানের কাছ থেকে অর্থিক সহায়তা নেন। বিষয়টিকে ‘ভুল’ বলে দাবি করেন বুবলী। বলেন, ‘আমার বিয়ের পর থেকে এবং আমাদের সন্তান পৃথিবীতে আসার পর থেকে কোনো আর্থিক সাপোর্ট তার কাছ থেকে নেইনি। তিনি স্বামী হিসেবে, বাবা হিসেবে যতটুকু করেন, সেটাই। এটা তার ওপর। আমেরিকাতে যখন আমার বেবিকে নিয়ে ছিলাম। এক বছরে অনেক খরচ হয়েছে। সেখানে ১৫ হাজার ডলার তিনি দিয়েছিলেন এবং আমি প্রায় ৩০ হাজার ডলার আমি খরচ করেছি।’

বুবলীর জন্মদিনে শাকিব খান উপহার হিসেবে নাকফুল দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন বুবলী। পরে শাকিব খান গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি কোনো নাকফুল দেননি। এ দিয়ে বুবলী ভিডিওতে বলেন, ‘স্বামী যদি স্ত্রীকে কোনো কিছু উপহার দেন এবং সেটি যদি প্রমাণ করতে হয়... এ নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তার যেটা ভালো মনে হয়েছে, তিনি সেটা বলেছেন। এটা যদি আমি প্রমাণ করতে যাই, তাহলে তাকে অসম্মান করা হয়।’

বুবলী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২১ নভেম্বর একটি ছবি পোস্ট করেন। বুবলী জানান, শাকিব খান ও তিনি তাজমহলে ঘুরতে গিয়েছিলেন, ছবিটি সেই সময়ের। এটি নিয়েও কেন জবাবদিহি করতে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বুবলী। তিনি বলেন, ‘ছবিটি যখন তোলা হয়, তখন তো সবাই বিষয়টা জানতেন না। তাই ছবিটি তখন প্রকাশ করা যায়নি। এখন আমার মনে হয়েছে যে সুন্দর এ স্মৃতিগুলো সবার সঙ্গে শেয়ার করি, তাই পোস্ট করেছি।’

অনেকেই নাকি বলছেন যে আমেরিকা থেকে ফেরার পর অনেক কথা অন্যরকমভাবে বলেছেন বুবলী। তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমেরিকা থেকে ফেরার পর আপনাদের ভুল স্টেটমেন্ট আমি দেয়নি। প্রশ্ন করলে আমি বলেছি যে, ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে আমি বাইরে ছিলাম, সময় হলে সব জানাব। মা হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে আমি বিষয়টি আমি অন্যভাবে উত্তর দিয়েছি। কারণ সেই সময়টা ভালো সময় ছিল না উত্তর দেয়ার জন্য। আমি বলেছিলাম নিউ ইয়র্ক ফিল্ম অ্যাকাডেমিতে কোর্স করেছি এবং সেটা আসলেই করেছি, আমার কাছে তার সার্টিফিকেট আছে।’

ভিডিওর একদম শেষের অংশে বুবলী বলেন, ‘কিছু জিনিস শেয়ার করেছি আমার সন্তানের জন্য। ও তো বড় হচ্ছে এবং আপনারা অনেক সময় ওকেও বিভিন্ন বিষয়ে ইনভলব করে ফেলেন। ওর কোনো দোষ নেই, ও তো ছোট মানুষ।’

বুবলীর কথায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে বাচ্চাকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য প্রায় তিন বছর অপেক্ষা করেও তা না পারার আক্ষেপ।

বুবলী বলেন, ‘ওর তো তিন বছর প্রায়। আমরা চেয়েছিলাম যে, আমরা একসঙ্গে খুব সুন্দরভাবে ওকে সামনে আনার, হয়তো হচ্ছিল না কোনোভাবে। আমি তো অলরেডি তিন বছর ওয়েট করেছি। ওর বিষয়টা সামনে আনার পরেও কিন্তু আমি কারও বিষয়ে কোনো অভিযোগ করিনি, আজকেও করছি না।’

শেহজাদের জন্যই আসলে বুবলীর এ কথা বলা বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘না হলে ও হয়তো কখনও কোনো সময় প্রশ্ন করবে, মা তুমি তো কোনো কথা বলোনি কখনও।’

সন্তান সেহজাদের উদ্দেশে বুবলী বলেন, ‘বাবা শেহজাদ, মা হয়ে তোমার পাশে সারা জীবন থাকব না বাবা। কিন্তু অন্যান্য মায়ের মতো তোমার জন্য অনেক কষ্ট করেছি এবং করছি। তোমাকে পৃথিবীতে আনা, তোমাকে বড় করা।

’আমি সব সময় তোমার পাশে ছিলাম, আছি থাকব। তুমি মানুষের মতো মানুষ হও বাবা এবং একটি কথা মনে রেখো, তোমার মা-বাবা তোমাকে অনেক ভালোবাসে। আমি হয়তো আমার জায়গা থেকে সব সময় তোমাকে সেরাটা দিতে পারি না। তোমাকে অনেক ভালোবাসি।’

আরও পড়ুন:
শুটিংয়ে শাকিব-বুবলী
ছেলের জন্য ফেসবুক পেজ খুলেছেন বুবলী
অপুর মাতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন বুবলী
শাকিব-বুবলী একসঙ্গে শুটিংয়ে ফিরছেন শনিবার
শেহজাদ খান আমাদের সন্তান, বললেন বুবলী-শাকিব

মন্তব্য

বিনোদন
Sharon Stone is surprised to see Shah Rukh

হঠাৎ শাহরুখকে দেখে বিস্মিত শ্যারন স্টোন

হঠাৎ শাহরুখকে দেখে বিস্মিত শ্যারন স্টোন সৌদি আরবের জেদ্দায় রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে শাহরুখ খান ও শ্যারন স্টোনের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি সৌদি আরবের জেদ্দায় রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়েছিলেন কিং খান। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বখ্যাত হলিউড তারকা শ্যারন স্টোন।

এ নতুন খবর নয় যে, সারাবিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের লাখো ভক্ত-অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষী। সাধারণ থেকে তারকা, কে নেই সেই তালিকায়। তাদের-ই যে কেউ হঠাৎ শাহরুখকে সামনাসামনি দেখে বিস্মিত হননি এমন ঘটনা দেখতে পাওয়া হয়তো মুশকিল।

এবার ঘটলো আরেক বিস্ময়কর ঘটনা। হঠাৎ শাহরুখকে দেখে বিস্মিত হয়েছেন বিশ্বখ্যাত হলিউড তারকা শ্যারন স্টোন। কিং খানকে দেখে বিস্ময়ে তিনি বলে উঠলেন, ‘ওহ মাই গড’।

ঘটনা খুলে বলা যাক। এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের জেদ্দায় রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়েছিলেন কিং খান। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্যারন স্টোনও।

অনুষ্ঠান চলাকালীন শাহরুখ এবং শ্যারন পাশাপাশি বসেছিলেন। যদিও মঞ্চের পারফরম্যান্সের কারণে দর্শকদের ওপর আলো ক্ষীণ ছিল। কিছুক্ষণ পর শাহরুখকে দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন উপস্থাপক।

যখন শাহরুখকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছিল, তখন তাকে দেখে শ্যারন নিজের বুকে হাত রেখে উচ্ছ্বসিত চোখে এবং বিস্ময়ে বলে উঠেন, ‘ওহ মাই গড!’

অনুষ্ঠানের সেই মুহূর্তের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে শ্যারনকে দেখা যায়, বেইজ রঙের পোশাক পড়ে আছেন আর হাতে কালো গ্লাভস পড়া।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক যখন শাহরুখকে দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন তখন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তিনি হেসে মাথা নীচু করে পাশের সিটে বসা শ্যারনের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আর সে সময় শ্যারনের সেই অভিব্যক্তি চোখ এড়ায়নি কারও।

আরও পড়ুন:
এবারও বুর্জ খলিফায় ভেসে উঠলেন শাহরুখ  
ভালোবাসার সমুদ্রে বেঁচে থাকাটা সুন্দর: শাহরুখ
জন্মদিনে এলো শাহরুখের ‘পাঠান’ ঝড়
জন্মদিনে বিশেষ উপহার পাচ্ছেন কিং খান
শাহরুখের সঙ্গে ভিকির ছবিটির গল্প বললেন তার বাবা

মন্তব্য

বিনোদন
Farins expression of grief by understanding the status

স্ট্যাটাস মুছে ফেলে ফারিণের দুঃখ প্রকাশ

স্ট্যাটাস মুছে ফেলে ফারিণের দুঃখ প্রকাশ অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ছবি: সংগৃহীত
‘গত রাতে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্তদের সঙ্গে কথা বলে আমার ভালো লেগেছে। একজন কর্মকর্তার জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করাটা ঠিক না এবং এ ব্যাপারে হয়তো আমার আরেকটু বোঝার প্রয়োজন ছিল।’

শুক্রবার রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়ে আহত হন ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ।

শনিবার সন্ধ্যায় দিকে সেই ঘটনার বিস্তর বর্ণনা দিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে জানান, অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচেছেন। আর এটিকে কোনোভাবেই দুর্ঘটনা বলতে নারাজ এই অভিনেত্রী। তার মতে, সেটি যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষের গাফিলতি।

রোববার দুপুরে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আরেকটি স্ট্যাটাসে সেই ফারিণ জানিয়েছেন, একজন কর্মকর্তার জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করাটা ঠিক না এবং এ ব্যাপারে হয়তো তার আরেকটু বোঝার প্রয়োজন ছিল।

ফারিণ লেখেন, ‘সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’ লেখায় তিনি এ-ও জানিয়েছেন, শনিবার দেয়া সেই স্ট্যাটাস পেজ থেকে মুছে ফেলেছেন অভিনেত্রী।

রোববার লেখা স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে দেয়া হলো-

একটা ঘটনা ঘটলে সে ঘটনার পেছনেও অনেক ঘটনা ও কারণ থাকে। তাৎক্ষনিকভাবে হয়তো সবটা উপলব্ধি করা সম্ভব হয় না, তবে পরবর্তীতে অনেক কিছু খোলাসা হয়।

আমার পূর্ববর্তী স্ট্যাটাস আমি ডিলিট করে দিয়েছি, কারণ সেটা শুধুমাত্র গতকাল (শনিবার) পর্যন্ত হয়ে যাওয়া ঘটনা নিয়ে আমার ভাষ্য ছিল এবং দূর্ঘটনা হওয়ার পরবর্তী ঘটনাগুলোর আরেকটা দিক আমার স্ট্যাটাসের পর সামনে এসেছে।

ঘটনা পরবর্তী যেসব কার্যক্রম নিয়ে আমার অভিযোগ ছিল তার বেশিরভাগই তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সংগটিত। মধ্যম ব্যক্তি আমাদেরকে এসে একটা কথা বলেছেন এবং ম্যানেজমেন্টকে আমাদের নামে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলেছেন।

শুক্রবার হওয়ার কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সবাই ছুটিতে ছিলেন এবং সদ্য চলতি মাসে জয়েন করা সে কর্মচারীর কারণে এ বিস্তর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয় যা ঐ কর্মকর্তার পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজগুলো দেখে আরও পরিষ্কার বুঝতে পারি।

গত রাতে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্তদের সঙ্গে কথা বলে আমার ভালো লেগেছে। একজন কর্মকর্তার জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করাটা ঠিক না এবং এ ব্যাপারে হয়তো আমার আরেকটু বোঝার প্রয়োজন ছিল। সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

ধন্যবাদ যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি এত গুরুত্ব সহকারে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। ধন্যবাদ আমার বাসায় এসে সে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানোর জন্য। আসলে আমার জন্য ব্যক্তিগত সম্মানের জায়গাটা অনেক বড়। সেটা নিশ্চিত করতে আপনারা যা করেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। যমুনা ফিউচার পার্কে আমি সহ অনেকেই নিয়মিত শপিং করতে যাই।

আশা রাখছি যেসব জায়গায় কমতি রয়েছে সেগুলোর সমাধান করে ক্রেতাদের একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
এই ঘটনাকে আমি দুর্ঘটনা মানতে নারাজ: ফারিণ
যেভাবে কলকাতার সিনেমায় যুক্ত হলেন ফারিণ
কলকাতার সিনেমায় ফারিণ
‘মনে হয়েছিল ফারুকী ভাই আমাকে বাদ দিয়ে দেবেন’

মন্তব্য

বিনোদন
I refuse to accept this incident as an accident Farin

এই ঘটনাকে আমি দুর্ঘটনা মানতে নারাজ: ফারিণ

এই ঘটনাকে আমি দুর্ঘটনা মানতে নারাজ: ফারিণ অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ছবি: সংগৃহীত
ফারিণ লেখেন, ‘আজকে আমার বা অন্য কারো প্রাণ গেলেও তাদের কিছুই আশা যেত না। আমার সারা রাত ঘুম হয়নি। মেন্টালি ট্রমাটাইজড। আমার ভাই যদি আমার পেছনে আজকে না থাকত বা আমাকে ধরতে যদি একটু দেরি করে ফেলত তার পর কি হত আমি চিন্তাও করতে চাই না। আল্লাহ যাতে কাউকে জীবনে এই পরিস্থিতিতে না ফেলে।’

ভাই-বোন ও বাবার সঙ্গে শুক্রবার রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়েছিলেন ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। শপিং মলটির চলন্ত সিঁড়িতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি।

সেই ঘটনার বিস্তর বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচেছেন। আর এটিকে কোনোভাবেই দুর্ঘটনা বলতে নারাজ এই অভিনেত্রী। তার মতে, এটি যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষের গাফিলতি।

এ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ফারিণ।

‘যমুনা ফিউচার পার্কে চলন্ত সিঁড়িতে দুর্ঘটনা’ শিরোনামে অভিনেত্রীর লেখা সেই স্ট্যাটাসটি নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য হুবহু (বানান অপরিবর্তিত) তুলে ধরা হলো-

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার আশে পাশে যমুনা ফিউচার পার্কের 1st floor থেকে ground floor এ নামার সময় গেট দিয়ে ঢুকেই যে মেইন escalator টা সেটায় আমার দুর্ঘটনা ঘটে। সিঁড়ির নিচে যে এলুমিনিয়ামের নাকি স্টিলের সেটা জানি না, সে পাত খুলে বের হয়ে ধারালো কোনা আমার পায়ে আঘাত করে। আমি সিঁড়ির ডান পাশে ছিলাম। আর ওইটা ছিল ঊর্ধমুখী। কলিসন হয় আমার পরনের প্যান্ট ছিঁড়ে যায় অনেকটুকু আর পায়ের বিভিন্ন স্থানে ছিলে যায় ও ডিপ কাট হয় যেটা পরবর্তীতে টের পাই। কিন্তু ঐ মুহূর্তের শুধু একটা ইমেজ আমার মাথায় ঘুরে ফিরে বারবার আসছে তা হল কিছু বোঝার আগে সবাই গগনবিদারী চিৎকার করে উঠল আর আমি দেখলাম ডান পা স্ক্র্যাচ করে পায়ের পাশ দিয়ে মাঝখান হয়ে বাম পায়ের উপরের দিকে একটা পাত ঢুকে যাচ্ছে আর চলন্ত সিঁড়িটিও আমাকে আরো সেদিকেই ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।

যদি গতকাল fraction of second এর মধ্যে আমাকে আমার ভাই পেছন থেকে টান দিয়ে না সরাত বা আমার বাবা যদি আমাদের দুই জনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে না দিত আমি জানি না আজকে এই status লেখার জন্য আমি বেঁচে থাকতাম কিনা। হয়ত থাকতাম তবে আমার পা থাকত না বা আমি কখনো মা হতে পারতাম না। সে পরিস্থিতির ভয়াবহতা হয়ত লিখে বা বলে বোঝানো সম্ভব না। আমি নিচে নেমে দাঁড়ানোর কয়েক সেকেন্ডের কিছুই আমার মনে নেই। সমব্বেত ফেরার পর দেখি আমার হাঁটুর উপর থেকে প্যান্ট ছেড়া এবং পুরো পা ঝা ঝা করছে। ততক্ষনে অনেক লোক জড়ো হয়ে গেছে।

মজার ব্যাপার হল আমার এই ঘটনাকে আমি এক্সিডেন্ট মানতে নারাজ। কারন আমার এই ঘটনা ঘটার কমপক্ষে পনের মিনিট আগে আরেক ব্যক্তির সাথে একই ঘটনা ঘটে। তার পায়ের মাংস ভেদ করে ওই পাতের কোনা ঢুকে যায়। উনি নিজে অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে লোকজন নাকি সাবধান করছিলেন এবং দায়িত্ববান কাউকে খুঁজছিলেন। শেষে কাউকে না পেয়ে help desk এ যান এবং এরমধ্যে আমার এই ঘটনা ঘটে সাথে আরো একজন ভুক্তোভুগীকে খুঁজে পাই। আমার চিৎকার চেঁচামেচিতে ফাইনালি একজন স্টাফ আসে এবং অনেকবার বলার পর ম্যানেজার কল করে। ততক্ষণে প্রচুর মানুষ জড়ো হয়ে যাচ্ছে আর ব্যথার চেয়ে বেশি ফিল হচ্ছিল হিউমিলিয়েশন। ওখানে কোনো scene create করার চেয়ে আমার মনে হয়েছে ঠান্ডা মাথায় এটার solution করা দরকার। তাই আমি বলার পর দুই জন কর্মচারী আমাদের তিন জন আহত ব্যক্তি ও তাদের সাথে যারা ছিল সবাইকে বেসমেন্ট ১ এ নিয়ে যায়। আমাদের ধারনা ছিল নিশ্চয়ই দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

আশ্চর্য বিষয় হল এতবড় মলে কোনো এম্বুলেন্স অথবা first responder তো দুরে থাক একটা first aid box নেই!! একটা first aid box! পনের বিশ মিনিট তারা শুধু এই ফার্মেসি সেই ফার্মেসি ফোন করল। কেউ নাকি দোকান ছেড়ে আসতে পারবে না। অবশেষে আধা ঘন্টা পর একজন আসে আর ওই দুই ব্যক্তির চিকিৎসা করে। কিন্তু ফিমেল ডক্টর ছাড়া আমার চিকিৎসা সম্ভব ছিল না। এর মধ্যে আমার ভাই কে পাঠালাম একটা ট্রাউসার কিনে আনার জন্য। যমুনা ফিউচার পার্কের কৃতপক্ষের মতে এই দূর্ঘটনা নাকি বেশি লোক ওঠার কারনে হয়েছে! তার মানে কি আপনারা আগে থেকেই জানতেন? নাকি ধারন ক্ষমতার বেশি লোড নিয়ে আগে থেকেই এই অবস্থায় ছিল তা আপনারা টেরই পান নি? আর একজনের সাথে এটা হওয়ার পরও কেনো কোনো একশন নেন নি আপনারা? এস্কেলেটর এর দায়িত্বে থাকা কাউকে ডাকতে বললে বলে সে আসেনি। আর আমার এই পরিস্থিতিতে তারা আমাকে চা কফি অফার করে যেখানে আমার বসার মত পরিস্থিতিতে নেই।

যা হোক কাপড় বদলে আমাদের গাড়ি করে এভারকেয়ারের ইমার্জেন্সিতে যাই। ড্রেসিং, স্টিচিং, এক্সরে, ইন্জেকসনের পর রাত ১২ টায় ছাড়া পাই। তাদের একজন কর্মকর্তা হসপিটাল পর্যন্ত আসে আমরা বলার কারনে এবং বিলের প্রসঙ্গ উঠতে বলে “আমি কেন দিব?” আপনাদের দুই চার টাকার আমার দরকারও নাই বাট মানবিকতাও নাই?! যেখানে আপনারা নিজে দোষ স্বীকার করেছেন এবং আপনার কাছে কোনো ক্ষতিপূরণ পর্যন্ত আমি চাই নি। একটা সামান্য ইমার্জেনসির বিল দেয়ার মানসিকতা আপনাদের নেই? উনাদের মতে এটার বিচার হচ্ছে তারা অভ্যন্তরীনভাবে সুষ্ঠ (!) তদন্ত করবেন।

আজকে আমার বা অন্য কারো প্রাণ গেলেও তাদের কিছুই আশা যেত না। আমার সারা রাত ঘুম হয়নি। মেন্টালি ট্রমাটাইজড। আমার ভাই যদি আমার পেছনে আজকে না থাকত বা আমাকে ধরতে যদি একটু দেরি করে ফেলত তার পর কি হত আমি চিন্তাও করতে চাই না। আল্লাহ যাতে কাউকে জীবনে এই পরিস্থিতিতে না ফেলে। আর আপনারা লিফট বা এসকেলেটর যাই ব্যবহার করেন না কেন নিজের সাবধানতা অবলম্বন করবেন।

আমি শারীরিকভাবে সুস্থ আছি। ডক্টর পাঁচ দিন বেড রেস্ট আর এন্টি বায়োটিক দিয়েছে। বোন ইনজুরি হয়নি। বসতে পারছি না আর ডান দিকে কাত হয়ে শুতে হচ্ছে। তবে মানসিক এই ট্রমা কি আদৌ কোনদিন কাটবে কিনা জানি না। সবচেয়ে বেশি ফিল হচ্ছে হতাশা। মরে গেলেই মানুষ কোনো বিচার পায় না। আমি তো বেঁচে আছি আমার আর কি বিচার হবে।

আরও পড়ুন:
যেভাবে কলকাতার সিনেমায় যুক্ত হলেন ফারিণ
কলকাতার সিনেমায় ফারিণ
‘মনে হয়েছিল ফারুকী ভাই আমাকে বাদ দিয়ে দেবেন’

মন্তব্য

বিনোদন
Nora Fatehi in the face of EDs interrogation again

আবারও ইডির জেরার মুখে নোরা ফাতেহি

আবারও ইডির জেরার মুখে নোরা ফাতেহি বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। ছবি: সংগৃহীত
গত ১৫ সেপ্টেম্বর নোরাকে দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ (ইওডব্লিউ) শাখা চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ ছাড়াও গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর ও ১৪ অক্টোবর প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের (পিএমএলএ) ধারা ৫০-এর অধীনে নোরার বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছিল।

বহুল আলোচিত ২০০ কোটি রুপির একটি অর্থ পাচার মামলার বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে শুক্রবার আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ভারতের অর্থনৈতিক গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

এ নিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এদিন দিল্লিতে ইডির কার্যালয়ে হাজির হয়েছিলেন নোরা।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর নোরাকে দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ (ইওডব্লিউ) শাখা চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে।

এ ছাড়াও গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর ও ১৪ অক্টোবর প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের (পিএমএলএ) ধারা ৫০-এর অধীনে নোরার বক্তব্য রেকর্ড করেছিল ইডি।

সে সময় তিনি বলেছিলেন, লীনা পাওলোস (মামলার মূল হোতা সুকেশের স্ত্রী) তাকে গুচির একটি ব্যাগ এবং একটি আইফোন উপহার দিয়েছিলেন।

নোরা আরও জানিয়েছিলেন, লীনার ফোনে লাউড স্পিকারে সুকেশ তাকে বলেছিলেন, তারা তার ভক্ত এবং ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে তাকে একটি বিএমডাব্লিউ গাড়ি উপহার দিতে চান।

এই অর্থ পাচার মামলার মূল হোতা সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে অভিযুক্ত করে গত ১৭ আগস্ট আদালতে চার্জশিট জমা দেয় ইডি।

এদিকে গত ১৫ নভেম্বর জ্যাকলিনকে দুই লাখ রুপির ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেয় দিল্লির পাটিয়ালা আদালত।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় অনুষ্ঠান আয়োজনে নোরা-বিপত্তি
ঢাকায় এসে যা করবেন নোরা ফাতেহি
এবারও ঢাকায় আসার অনুমতি পেলেন না নোরা
ফিফা বিশ্বকাপ মাতাবেন নোরা ফাতেহি
নোরাকে ৭ ঘণ্টা জেরা

মন্তব্য

p
উপরে