× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Gunin Parimans cinematic life from Rana Plaza
google_news print-icon

রানা প্লাজা থেকে গুণিন, পরীমনির সিনেমাটিক জীবন

রানা-প্লাজা-থেকে-গুণিন-পরীমনির-সিনেমাটিক-জীবন
পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত
বাস্তব জীবনের যে গল্প এরই মধ্যে বলা হয়ে গেছে, সেই গল্প পর্দার কাহিনি থেকে কোনো অংশে কম না। পরীমনি সিনেমার, তার জীবনটাও যেন সিনেমার মতোই। যার শুরু আছে, গল্পে কিছুটা এগিয়ে হোঁচট খাওয়া আছে, আছে টুইস্ট, আছে বিরতি, আছে নতুন করে শুরু।

গল্পের শুরু আছে, আছে শেষ। পরীর গল্প অবশ্য এখন মাঝামাঝি পৃষ্ঠায়। কেবল মা হয়েছেন। স্বামী-সংসার নিয়ে আরও অনেকখানি গল্প তার বাকি। সে গল্প জানতে করতে হবে অপেক্ষা।

বাস্তব জীবনের যে গল্প এরই মধ্যে বলা হয়ে গেছে, সেই গল্প পর্দার কাহিনি থেকে কোনো অংশে কম না। পরীমনি সিনেমার, তার জীবনটাও যেন সিনেমার মতোই।

যার শুরু আছে, গল্পে কিছুটা এগিয়ে হোঁচট খাওয়া আছে, আছে টুইস্ট, আছে বিরতি, আছে নতুন করে শুরু।

শামসুন্নাহার স্মৃতি নামটি পরে জানা যায়। প্রথমে পরীমনি নামে তিনি পরিচিত হন ২০১৫ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ সিনেমার মাধ্যমে। তাকে বেশি পরিচিতি দেয় একই বছরের ‘রানা প্লাজা’ সিনেমা। নানা কারণে রানা প্লাজা মুক্তি না পাওয়ার কারণেই মূলত তিনি আসেন আলোচনায়।

২০১৫-২০১৭ এর মধ্যে ২০টিরও বেশি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন এবং এর অনেকটি মুক্তিও পায়। এ সিনেমাগুলো তার ক্যারিয়ারে তেমন কোনো প্রভাব রাখেনি বলে পরে অনুধাবন করেন পরীমনি। নানা সাক্ষাৎকারে সে কথা বলেছেনও এ অভিনেত্রী।

এই অভিনেত্রীকে পরিবর্তন করে দেয় গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমার শুভ্রা চরিত্র। ২০১৮ সালে সিনেমাটিতে কাজ করার পর বেছে কাজ করা শুরু করেন পরী।

এরপর তিনি খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে বিজ্ঞাপন করেছেন, সিনেমা করেছেন অভিনেতা তৌকীর আহমেদের পরিচালনায়। চয়নিকা চৌধুরী তাকে নিয়ে সিনেমা বানিয়েছেন।

বিপ্লবী প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ হয়েছে এ অভিনেত্রীর। এখন পর্যন্ত পরী অভিনীত শেষ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে ‘গুণিন’। এটিরও পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে পরীমনি জায়গা করে ব্যবসা সমায়িকী ফোর্বসে। ডিজিটাল মাধ্যমে এশিয়ার সেরা এক শ’ তারকার তালিকায় আসে তার নাম।

এর মধ্যে তিনি টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হন। সেটা অবশ্য সিনেমায় অভিনয়ের জন্য নয়। গত বছরের জুন মাসে পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আগস্ট মাসে পরীর বাসায় র‌্যাবের অভিযান এবং একই মাসে কারাবাস তাকে নিয়ে যায় আলোচনার তুঙ্গে।

তবে সব ধকল কাটিয়ে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন করেন পরী। আগস্টে কারাবাস শেষ করে সেপ্টেম্বরে তিনি শুটিংয়ে ফেরেন। আর এ শুটিংয়েই তিনি খুঁজে পান তার ভালোবাসা।

দেরি করে হলেও জানা যায় বিয়ে করেছেন অভিনেতা শরিফুল রাজ ও পরীমনি। চলতি বছরের ১০ আগস্ট জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার পান রাজ-পরী। তাদের ঘরে আসে প্রথম সন্তান রাজ্য। আর এভাবে যেন নতুনভাবে জীবন শুরু করেন পরীমনি।

সোমবার এ অভিনেত্রীর জন্মদিন। এর আগে জমকালো আয়োজনে হয়েছে পরীমনির জন্মদিন। এবারও আয়োজন রাখা হয়েছে। পরী জানিয়েছেন, ছেলে রাজ্যর সঙ্গে কেক কাটবেন তিনি।

আরও পড়ুন:
পরীর রাজ্য ঘুরতে গেল ‘নানা’র বাসায়
পরীমনিকে আদালতে চায় রাষ্ট্রপক্ষ
মাদক মামলায় পরীমনির সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল
পরী-রাজের ঘরে রাজ্যের অধিষ্ঠান
পরী হবে সেরা মা: রাজ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Alka Yagnik is losing her hearing

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন অলকা ইয়াগনিক

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন অলকা ইয়াগনিক জনপ্রিয় প্লেব্যাকশিল্পী অলকা ইয়াগনিক। ফাইল ছবি
ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে অলকা ইয়াগনিক জানান, কয়েক সপ্তাহ আগে বিমানবন্দর থেকে বেরুনোর সময় হঠাৎ করেই কোনো কিছু শুনতে পাচ্ছিলেন না তিনি। সেই থেকেই সমস্যার শুরু। তবে চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

বিরল এক স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় প্লেব্যাক শিল্পী অলকা ইয়াগনিক। এর ফলে ধীরে ধীরে তিনি শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলছেন।

ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে অলকা ইয়াগনিক জানান, কয়েক সপ্তাহ আগে বিমানবন্দর থেকে বেরুনোর সময় হঠাৎ করেই কোনো কিছু শুনতে পাচ্ছিলেন না তিনি। সেই থেকেই সমস্যার শুরু। তবে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এরপরই ভক্ত ও সহকর্মীদের কাছে উচ্চমাত্রার শব্দ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকার অনুরোধ করেছেন তিনি। আর অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে হেডফোন ব্যবহার করতে বলেছেন।

অলকা ইয়াগনিকের এই পোস্টে অনুরাগীদের পাশাপাশি উদ্বিগ্ন সনু নিগম, ইলা অরুণের মতো শিল্পীরা। সনু নিগম লিখেছেন, ‘আমার মনেই হয়েছিল, সব ঠিক নেই। ফিরেই তোমার সঙ্গে দেখা করব। দ্রুত সেরে ওঠো।’

ছয় বছর বয়সে কলকাতায় আকাশবাণী রেডিওতে গান করেন অলকা ইয়াগনিক। এরপর মাত্র ১০ বছর বয়সে চলে যান মুম্বাইয়ে।

১৯৮০ সালে ‘পায়েল কি ঝংকার’ ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন অলকা। ১৯৮৮ সালে ‘তেজাব’ ছবির ‘এক দো তিন’ গানে প্লেব্যাক করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এরপর একে একে তিন দশকের বেশি সময় অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন অলকা ইয়াগনিক।

চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এক হাজারের বেশি ছবিতে গান গেয়েছেন অলকা ইয়াগনিক। ২৫টি আলাদা আলাদা ভাষায় তার মোট গানের সংখ্যা ২১ হাজারের বেশি।

বিবিসির করা সেরা ৪০টি হিন্দি গানের তালিকায় অলকা ইয়াগনিকের গানই আছে ২০টি।

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ইউটিউব মিউজিক চার্টস অ্যান্ড ইনসাইটস লিস্টের শীর্ষ গায়িকা হন অলকা।

মন্তব্য

বিনোদন
This time again Mim offered the sacrifice and wished Eid

এবারও কোরবানি দিলেন মিম, জানালেন ঈদের শুভেচ্ছা

এবারও কোরবানি দিলেন মিম, জানালেন ঈদের শুভেচ্ছা স্বামী সনি পোদ্দারের সঙ্গে কিছু ছবি শেয়ার করেন বিদ্যা সিনহা মিম। কোলাজ: নিউজবাংলা
মিম বলনে, ‘ঈদ মানে আনন্দ। আর কোরবানি ঈদ হলো ত্যাগের মাধ্যমে সেই আনন্দের ভাগাভাগি। প্রতিবারের মত এবারও আমার পরিবারে যারা আমার কাজে সহায়তা করে, আমার জন্য কষ্ট করে তাদের জন্য এবারও থাকছে ঈদের আয়োজন। ঈদের আনন্দ মিস করেছি এমনটা কখনও হয়নি, এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সবাইকে ঈদ মোবারক।’

সনাতন ধর্মের অনুসারী চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম বরাবরের মতো এবারের ঈদুল আজহায়ও পশু কোরবানি দিয়েছেন। সেইসঙ্গে ঈদের দিন সকালে সামাজিক মাধ্যমে ঈদ শুভেচ্ছা জানান তিনি।

সোমবার সকালে ফেসবুকে স্বামী সনি পোদ্দারের সঙ্গে কিছু ছবি শেয়ার করেন বিদ্যা সিনহা। ছবিতে হালকা বেগুনি রঙের পোশাকে দেখা যায় এ জুটিকে। ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে মিম লেখেন ‘ঈদ মুবারক’।

এদিকে ঈদের আগের দিন রাতে এক ফেসবুক পোস্টে হাতে মেহেদি দিয়ে ছবি দেন মিম। এ ছাড়াও তিনি এবার একটি ছাগল কোরবানি দিয়েছেন বলেও জানান।

তিনি বলনে, ‘ঈদ মানে আনন্দ। আর কোরবানি ঈদ হলো ত্যাগের মাধ্যমে সেই আনন্দের ভাগাভাগি। প্রতিবারের মত এবারও আমার পরিবারে যারা আমার কাজে সহায়তা করে, আমার জন্য কষ্ট করে তাদের জন্য এবারও থাকছে ঈদের আয়োজন। ঈদের আনন্দ মিস করেছি এমনটা কখনও হয়নি, এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সবাইকে ঈদ মোবারক।’

বেশ কয়েক বছর ধরেই কোরবানি দিচ্ছেন বলে জানান মিম।

আরও পড়ুন:
তামিমের সঙ্গে সাকিব কথা বললেই বিষয়টি চাপা পড়ে যেত
পাঁচ ম্যাচ খেলব বলিনি: তামিম
‘তামিম পাঁচটির বেশি ম্যাচ খেলবেন না’ ছড়িয়েছে কারা, তদন্ত চান পাইলট
তামিমকে মিডল অর্ডারে খেলার প্রস্তাবে কি দোষের কিছু আছে: সাকিব
কোনো সময় বলিনি ৫ ম্যাচের বেশি খেলতে পারব না: তামিম

মন্তব্য

বিনোদন
Finally Mehzabeen in Eid drama

অবশেষে ঈদের নাটকে মেহজাবীন

অবশেষে ঈদের নাটকে মেহজাবীন মেহজাবীন। ছবি: সংগৃহীত
দুই বছর ধরে টিভি নাটকে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেহজাবিন। এক প্রকার ঘোষণা দিয়েই এই লাক্সকন্যা বলেছিলেন, ‘টিভি নাটকের গল্প ও চরিত্র প্রায় একই ধরনের। এ কারণে টিভি নাটকে কাজ করতে একঘেয়েমি চলে এসেছে।’

তারকা মডেল-অভিনেত্রী মেহজাবীনের পক্ষ থেকে ভক্ত-দর্শকদের জন্য সুখবর! জানিয়েছেন, এবারের ঈদে তাকে চ্যানেল আইতে একটি নাটকে অভিনয়ে দেখা যাবে। নাটকের নাম ‘তিথিডোর’। নাটকটি রচনা করেছেন জাহান সুলতানা এবং পরিচালনা করেছেন ভিকি জাহেদ।

দুই বছর ধরে টিভি নাটকে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেহজাবিন। এক প্রকার ঘোষণা দিয়েই এই লাক্সকন্যা বলেছিলেন, ‘টিভি নাটকের গল্প ও চরিত্র প্রায় একই ধরনের। এ কারণে টিভি নাটকে কাজ করতে এক ধরনের একঘেয়েমি চলে এসেছে। বরং এখন ওটিটিতে ভালো ভালো কন্টেন্ট ও ব্যতিক্রমী চরিত্র থাকছে। সেগুলোতে কাজ করার যেমন অবাধ সুযোগ থাকছে, তেমনি এসব চরিত্রে কাজ করতেও ভালো লাগছে। দর্শকও এসব সিরিজগুলো বেশ সানন্দে উপভোগ করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওটিটিতে কাজ করছি বলে টিভি নাটকে কাজ করব না, এমন নয়। ছোটপর্দাই আমাকে আজকের এ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমাকে মেহজাবীন বানিয়েছে। ভালো কিছু ও মনের মতো কোনো গল্প, চরিত্র ও নির্মাতা পেলে অবশ্যই কাজ করব।’

অবশেষে ঈদের নাটকে অভিনয় করা প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন, ‘তিথিডোর নাটকটি মূলত একটি চরিত্রকে ঘিরে। আত্মহত্যার প্রবণতায় ভুগছেন এমন একজন মানুষ নিশাতকে ঘিরেই এই নাটকের গল্প। গল্পটা এ সময়ের জন্য উপযোগী একটি গল্প।

‘দেখা যায় যে আমাদের সমাজে এমন অনেক মেয়েই আছে দেখতে বেশ হাসি-খুশি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে যে কী এক যন্ত্রণায় সময় পার করছে তা বাইরে থেকে কেউই অনুধাবন করতে পারবে না।

‘আমার কাছে মনে হয়েছে এ ধরনের গল্প এই সময়েই বলা উচিত। আমি নাটক এখন খুবই কম করি। কিন্তু তারপরও এ ধরনের গল্প সমাজের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য শিল্পী হিসেবে আমার দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এ নাটকে অভিনয় করা।’

আরও পড়ুন:
ঈদুল আজহায় জারসনের ‘তবুও জীবন’
ইশরাত নিশাত ‘বিশেষ স্বীকৃতি’ পেল এক্টোম্যানিয়া
আইইউবিতে পালা নাটক ‘দেওয়ানা মদিনা’ মঞ্চস্থ
শিল্পকলার মঞ্চে আসছে ‘দ্য মাউসট্র‍্যাপ’
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক ‘স্বপ্নবাসবদত্তা’ মঞ্চস্থ

মন্তব্য

বিনোদন
Actress Sunetra passed away

মারা গেছেন চিত্রনায়িকা সুনেত্রা

মারা গেছেন চিত্রনায়িকা সুনেত্রা চিত্রনায়িকা সুনেত্রা
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আশি-নব্বইয়ের দশকে বড় পর্দার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সুনেত্রা আর নেই।

গত ২৩ এপ্রিল ভারতের কলকাতায় ৫৩ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি লিখেছেন, ‘একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা, শৈশবের আমার পছন্দের একজন নায়িকা, চোখের প্রেমে পড়ত যে কেউ, তিনি সুনেত্রা। অনেক দিন আগেই বাংলাদেশ ছেড়ে কলকাতায় গিয়েছেন।

‘আমি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকা কালীন বেশ কয়েকবার ফোনে কথা বলেছিলাম। আজকে হঠাৎ শুনলাম তিনি আর নেই, মৃত্যুবরণ করেছেন। নিরবে নিভৃত্বে চলে গেলেন। এভাবেই হারিয়ে যায় মানুষ, চলে যায়। আপনি ভালো থাকবেন ওপারে। অনেক চলচ্চিত্র দেখব, আর আপনাকে মিস করব।’

১৯৭০ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন সুনেত্রা। তার মূল নাম রীনা সুনেত্রা কুমার। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বহু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

তার অভিনীতি অসংখ্য সিনেমার মধ্যে আছে ‘বোনের মতো বোন’, ‘যোগাযোগ’, ‘ভুল বিচার’, ‘সাজানো বাগান’, ‘রাজামিস্ত্রি’, ‘ঘর ভাঙ্গা ঘর’, ‘উসিলা’, ‘লায়লা আমার লায়লা’, ‘আলাল দুলাল’ ।

মন্তব্য

বিনোদন
Sanjay said that he is still in great financial trouble

এখনও অর্থকষ্টে আছেন, জানালেন সঞ্জয়

এখনও অর্থকষ্টে আছেন, জানালেন সঞ্জয় সঞ্জয় গান্ধী
সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, অতিমারির সময় থেকে তার আর্থিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে বাড়িভাড়া মেটানোর সামর্থ্য পর্যন্ত তার নেই। এমনকি মরিয়া হয়ে তিনি তার মিরা রোডের একটি ফ্ল্যাট বন্ধক রাখার কথাও ভেবেছেন।

রুপালি পর্দার মানুষগুলোর জীবন যতখানি রঙিন, বোধ হয় তার উল্টো দিকে অপেক্ষা করে থাকে ততখানিই অন্ধকার। গত কয়েক বছরের অতিমারি পরিস্থিতি সেই দিকটি আরও বেশি করে তুলে ধরেছে।

সম্প্রতি অভিনেতা সঞ্জয় গান্ধী তার জীবনের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন। হিনা খানের ‘ইয়ে রিশ্তা ক্যা কহলাতা হ্যায়’ ধারাবাহিকে দাদাজির ভূমিকায় অভিনয় করে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী।

সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, অতিমারির সময় থেকে তার আর্থিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে বাড়িভাড়া মেটানোর সামর্থ্য পর্যন্ত তার নেই। এমনকি মরিয়া হয়ে তিনি তার মিরা রোডের একটি ফ্ল্যাট বন্ধক রাখার কথাও ভেবেছেন।

আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, আসলে অতিমারি পরিস্থিতি সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছে বাস্তবটা ঠিক কতটা কঠিন। যারা পরিস্থিতিটা বুঝতে পারেন না, তাদের জানানোর জন্যই সঞ্জয় তুলে ধরেছেন তার ২০২১ সালের জুন মাসের অভিজ্ঞতা। প্রবীণ এই অভিনেতা জানিয়েছেন, সেই সময় হাতে কাজ ছিল না। রোজের খরচ চালানোও মুশকিল হয়ে গিয়েছিল।

একটি সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, এমনিতে অভিনেতাদের জীবন রঙিন, যত ক্ষণ তারা কাজ করেন। এক বার হাতে কাজের অভাব হলেই মুশকিল, যে কোনও সময় পতন হতে পারে।

তবে তিনি জানিয়েছেন, ‘ঝনক’ শুরু হওয়ার পর তার জীবন খানিকটা স্বাভাবিক খাতে বইছে। তিনি জানান, অভিনয় করার জন্য মুম্বাইতে থাকা প্রয়োজন, আর সেটা খুবই খরচসাপেক্ষ। এ দিকে অভিনয় করা ছাড়া অন্য কোনও আয়ের উৎসও থাকে না। ফলে সমস্যায় পড়েন অভিনেতারা।

তিনি আরও বলেন, অনেক অভিনেতা অতিমারির সময় কষ্টে ছিলেন। আমারও সমস্ত সঞ্চয় শেষ হয়ে যায় ওই সময়। আন্ধেরিতে বাড়ি ভাড়া করে থাকি। ভাড়া মেটানোর জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে টাকা ধার করতে হয়েছে। সেই সব মেটাতে আমাকে আমার বাড়ি বন্ধক রাখতে হবে। কারণ এখনও দারুণ অর্থকষ্টে আছি। নতুন কিছু কাজের কথাও ভাবতে হচ্ছে।

সঞ্জয়কে দেখা গিয়েছে ‘নাগিন’ এবং ‘ইয়ে রিশ্তা ক্যা কহলাতা হ্যায়’-সহ বেশ কয়েকটি ধারাবাহিকে।

মন্তব্য

বিনোদন
Surprising love beyond 30

৩০ পেরিয়ে ‘অবাক ভালোবাসা’

৩০ পেরিয়ে ‘অবাক ভালোবাসা’ ‘অবাক ভালোবাসা’ গানে অংশ নেয়া ওয়ারফেজ ব্যান্ডের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
কয়েক প্রজন্ম ধরে অবাক ভালোবাসা শ্রোতাদের খুব প্রিয় একটি গান। এটি ভালোবাসা আর সুরের শক্তিতে অনেক মানুষকে কাছে এনেছে।

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ ৪০ বছরে পা দিয়েছে ৬ জুন।

বেশ কিছু অ্যালবাম, পুরস্কার, অসাধারণ ও হিট গানের সঙ্গে বাংলাদেশের সংগীত জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে ব্যান্ডটি। তা ছাড়া গানের কথা ও সুরের মধ্য দিয়ে কয়েক প্রজন্ম ধরে সারা বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে তারা।

গত সপ্তাহে কোক স্টুডিও বাংলায় নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ হয়েছে ওয়ারফেজের বিখ্যাত গান ‘অবাক ভালোবাসা’। গানটি নতুন করে প্রমাণ করল কিছু গান, কিছু সুর কখনও পুরোনো হয় না। কয়েক প্রজন্ম পরও এসব গান আবার নতুন করে ফিরে আসে।

গানটির নতুন সংস্করণ ইউটিউবে ৭০ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। এমন সময়ে এর আদি সংস্করণের কথাও আমাদের মনে পড়ে যায়।

আজ থেকে ৩০ বছর আগে ‘অবাক ভালোবাসা’ নামের অ্যালবামে মুক্তি পায় এ গান। অ্যালবামটি তো হিট হয়েছিলই, সেই সঙ্গে অবাক ভালোবাসা গানটিও।

বেশ কিছু চমৎকার উপাদান এতে যুক্ত করা হয়েছিল। শুরুতেই কয়েক মিনিটের সেই গিটার সলো, পাথরে ধাক্কা খাওয়া ঢেউয়ের শব্দ, আকাশে উড়তে থাকা গাঙচিলের ডাক, আর তারপর অসাধারণ কথা ও সুরের সমন্বয়। তখনকার তরুণরা গানটিকে লুফে নিয়েছিল।

প্রায় তিন দশক পর প্রকাশিত অবাক ভালোবাসা গানের নতুন সংস্করণটি বর্তমান সময়ের তরুণদের ভালোবাসা পাচ্ছে। গানটিতে অংশ নিয়েছেন ওয়ারফেজের বর্তমান সদস্যরা শেখ মনিরুল আলম টিপু, ইব্রাহিম আহমেদ কমল (লিড গিটার), পলাশ নূর (ভোকাল), সামির হাফিজ (লিড গিটার), নাইম হক রজার (বেইজ গিটার) ও শামস মনসুর গণি (কিবোর্ড)। এতে পারফর্ম করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে এসেছিলেন ব্যান্ডটির সাবেক ভোকাল ও এই গানের স্রষ্টা বাবনা করিম। আরও ছিলেন একঝাঁক শিল্পী, যারা গানের সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়েছেন ও ভোকালাইজ করেছেন।

টিপু বলেন, ‘গত নভেম্বরে অর্ণব কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের ব্যাপারে আমার সাথে যোগাযোগ করে। তারা একটা এপিসোডে ওয়ারফেজকে ফিচার করতে চাইছিল। বিভিন্ন শর্ত, নানা বিষয়ে একমত হওয়ার পরে আমরা এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করলাম।’

টিপু জানান, তারা প্রথমে তাদের অন্য একটি হিট গান ‘একটি ছেলে’ নতুনভাবে করতে চাইছিলেন।

তিনি বলেন, “আমাদের বর্তমান ভোকাল পলাশ এই গানটা চমৎকার গায়। আমরা সবাই ভাবছিলাম এই গানটা দারুণ হবে, কিন্তু কোক স্টুডিও টিমের পছন্দ ছিল ‘অবাক ভালোবাসা’। অনেক চিন্তাভাবনার পর আমরা কোকের সিদ্ধান্তই মেনে নিলাম। সাথে সাথেই আমরা গানটি যার লেখা ও সুর করা, সেই বাবনা করিমের সাথে যোগাযোগ করলাম।”

টিপুর মতে, পুরো ব্যাপারটাই ছিল একটি দলীয় প্রচেষ্টা। নতুন সংস্করণটির প্রযোজনায় অর্ণব আর সামিরের সঙ্গে তিনি নিজেও কাজ করেছেন।

অবাক ভালোবাসা গানের ভিজ্যুয়াল পরিচালনায় ছিলেন ডোপ প্রোডাকশনের কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়। এর সেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় অন্তত ৩০০ কেজি বালি।

আর্ট ডিরেক্টর শিহাব নূর এবং কস্টিউম ডিজাইনার নিশাত দিশার সঙ্গে মিলে কৃষ্ণেন্দু আর তার টিম একটি চমৎকার ডিজাইন তৈরি করেছেন। এখানে ছিল কক্সবাজারের সমুদ্র, ‘অ্যাঞ্জেল ড্রপ’ নামের একটি ক্যাফে এবং নীলচে আভার সন্ধ্যাবেলা।

বেড়ে ওঠার সময়ে গানটি কৃষ্ণেন্দুর ভীষণ প্রিয় ছিল। তিনি বলেন, ‘অবাক ভালোবাসা শুনে আমার সবসময়ই শান্ত সমুদ্র আর রাতের তারাভরা আকাশের কথা মনে পড়ে। সেই কারণে ভিজ্যুয়ালের ক্ষেত্রে আমরা নীল আর সাদা টোন নিয়ে কাজ করেছি।’

পরিচালক আরও জানান, লাইভ শ্যুট করা সবসময়ই বেশ ঝামেলার। সেটে কাজ করার সময় প্রযুক্তিগত নানা সমস্যা মোকাবিলা করতে গিয়ে অডিও ও ভিডিও দুটি টিম মিলে একটি টিম হয়েই কাজ করেছিল।

অবাক ভালোবাসা গানের গীতিকার ও সুরকার বাবনা করিম জানান, গানটি মুক্তি পাওয়ার বছর দুয়েক আগে ১৯৯২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তিনি গানটি লিখেছিলেন। তার ভাষায়, ‘আমার মাথায় প্রথমে সুরটা এসেছিল। গানের কথা এসেছে আরও পরে।’

১৯৯৪ সালে ‘অবাক ভালোবাসা’ নামের অ্যালবামটি মুক্তি পাওয়ার পর ব্যান্ডটি ‘কোকা-কোলা ব্যান্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’-এর খোঁজ পায়।

প্রতিযোগিতায় এই গান জমা দেয়ার জন্য খুবই আগ্রহী ছিল ব্যান্ডটি, কিন্তু তাদের সাড়ে তিন হাজার টাকার মতো ঘাটতি ছিল।

এ নিয়ে টিপু বলেন, ‘প্রতিযোগিতার বিচারকরা আমাদের কাছে পাঁচটি ক্রোম ক্যাসেটে গানটির রেকর্ড, গানের কথা এবং গঠন (কনস্ট্রাক্ট) চেয়েছিলেন। বাবনা বা আমার কারও কাছেই ওই টাকা ছিল না। তাই আমি রেইনবোর কবির ভাইয়ের কাছে গেলাম। তিনি সাথে সাথেই আমাকে টাকাটা দিলেন এবং নিজেই ক্রোম ক্যাসেটগুলোও রেকর্ড করে দিলেন।’

অনুমিতভাবেই প্রতিযোগিতায় তারা প্রথম স্থান লাভ করে ৫০ হাজার টাকা জিতে নেন। এর ফলে নিঃসন্দেহে ব্যান্ডটি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছে; সংগীত জগতে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।

এখন তিন দশক পরে এসে ভাগ্যই যেন ওয়ারফেজ আর কোকা-কোলাকে আবার এক মঞ্চে নিয়ে এলো। কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনে যুক্ত হলো জনপ্রিয় ব্যান্ডটি।

কোক স্টুডিও বাংলার নতুন সংস্করণের প্রযোজনা ও সেট নিয়ে বাবনা করিম বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমার চমৎকার লেগেছে। আর দুটো ভিন্ন স্কেলকেও বেশ ভালোভাবেই মেলানো হয়েছে।’

আদি সংস্করণ ও নতুন সংস্করণের উল্লেখযোগ্য পার্থক্যটির দিকে নির্দেশ করে বাবনা বলেন, ‘এটা করার কারণ হলো পলাশ আর আমি দুই ধরনের স্কেলে গান করি।’

বাবনা করিম যে স্কেলের পরিবর্তনের কথা বলছেন, তা হলো সেটে নতুন সংস্করণটি লাইভ গাওয়ার সময় ই মাইনর থেকে সি মাইনরে চলে যাওয়া। অনেক সময় পারফরম্যান্সকে আরও শৈল্পিক করে তোলার জন্য একাধিক স্কেল ব্যবহার করা হয়। এ রকম ক্ষেত্রে গানের গতিতেও আসে পরিবর্তন।

দুই বা ততধিক ভোকাল একই গান গাওয়ার সময়ও স্কেলের এই পরিবর্তন দেখা যায়। অবাক ভালোবাসার ক্ষেত্রে এ কারণেই পরিবর্তনটি করা হয়।

পলাশ বলেন, ‘এই গানে আমরা সি মাইনর থেকে ই মাইনরে গিয়েছি। অর্থাৎ মোট চারবার স্কেল পাল্টেছে!’ দুজন ভোকালিস্টের স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফর্মের সুবিধার্থে এটা করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘ঠিক কীভাবে এই ট্রানজিশনটা আনা হবে, সে ব্যাপারে ওয়ারফেজ আর অর্ণবের মাঝে দীর্ঘ আলোচনা হয়। একসময় একটা পয়েন্ট ঠিক করা হয়, যেখানে ভোকাল আর বাদ্যযন্ত্রের এই ট্রানজিশনটা সুন্দরভাবে হয়। সেদিন আমি নতুন কিছু জিনিস শিখতে পেরেছিলাম!’

নব্বই দশকের সংগীতপ্রেমী আর ওয়ারফেজের ভক্তদের স্মৃতিকাতর করে তুলেছে গানটির এ নতুন সংস্করণ, তবে নতুন আইডিয়া ও কয়্যার, বাঁশি ও পারকাশনসহ নতুন একটি সেটআপে গানটি করতে রাজি হওয়ার সাহস দেখানোর জন্য ওয়ারফেজকে ধন্যবাদ দিতেই হয়।

এ থেকে স্পষ্ট যে, সংগীতের বিবর্তন কখনও থেমে থাকে না এবং কিংবদন্তি ব্যান্ড ওয়ারফেজের অবাক ভালোবাসা সব মিলিয়ে ছিল অসাধারণ।

কয়েক প্রজন্ম ধরে অবাক ভালোবাসা শ্রোতাদের খুব প্রিয় একটি গান। এটি ভালোবাসা আর সুরের শক্তিতে অনেক মানুষকে কাছে এনেছে।

এখন সময় তরুণ শিল্পীদের এগিয়ে আসার, নতুন কিছু করার। সেটা তখনই সম্ভব হবে, যখন কিংবদন্তি শিল্পীরা নতুন ধরনের জিনিসগুলো গ্রহণ করার মানসিকতা দেখান, তাদের এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা করে দেন।

লেখক: সংগীতশিল্পী

আরও পড়ুন:
‘কে প্রথম কাছে এসেছি, কে প্রথম ভালোবেসেছি’
এতিম শিশুদের নিয়ে ‘রূপসী নওগাঁর’ ভালোবাসা দিবস
ছুঁয়ে যায় বসন্ত ভালোবাসা
মায়ের পা ধুয়ে শিশুদের ভালোবাসা দিবস পালন
শিক্ষক সামিউলের অন্যরকম ভালোবাসা বিনিময়

মন্তব্য

বিনোদন
The beauty pageant Beauty Queen Bangladesh has started

শুরু হলো সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘বিউটি কুইন বাংলাদেশ’

শুরু হলো সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘বিউটি কুইন বাংলাদেশ’ অতিথিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশে এই প্রথম ১৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সের যেকোনো নারী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারছেন।

‘আমি নারী আমি পারি’ এমন চিন্তাকে ধারণ করে শুরু হলো বিউটি কুইন বাংলাদেশ-২০২৪ প্রতিযোগিতা।

শুধু সুন্দর মুখ নয়, একটি মেয়ে আরো অনেক কিছু। তার প্রতিভা আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা, পরিশ্রম ও প্রত্যয় সবকিছু নিয়েই একটি মেয়ে। দেখা-অদেখা সবটা মিলেই সে হয়ে ওঠে অনন্য। আর বিউটি কুইন বাংলাদেশের এবারের আয়োজন এই অদেখা সৌন্দর্যের খোঁজেই।

লুকায়িত সৌন্দর্যকে খুঁজে বের করতে রোববার সকাল ৯টার দিকে রাজানীর সেগুনবাগিচার কচি কাঁচার মেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।

এর মাধ্যমে আজ থেকে শুরু হলো বিউটি কুইন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার প্রথম ঢাকা বিভাগের অডিশন কার্যক্রম। বাংলাদেশে এই প্রথম ১৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সের যেকোনো নারী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারছেন।

এ প্রসঙ্গে লাবণ্য মিডিয়া হাউজের কর্ণধার ও প্রযোজক মো. হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী বলেন, আমাদের এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যারা বের হয়ে আসবে তারাও একদিন শীর্ষস্থানে পৌঁছে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা চাই নারী যেন কোনো বয়সে আটকে না যায়।

তিনি বলেন, নারী সবসময় সুন্দরের প্রতীক। সে নারী হোক ১৬ কিংবা ৬১ বছরের। যে নারীরা টিনেজ বয়সে কোনো ধরনের প্রতিয়োগিতায় নানা কারণে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়নি তারা এখন এই বিউটি কুইন বাংলাদেশ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্ফটিত করে তুলতে পারবে।

স্কাই লাইন বিডি এন্টারটেইনমেন্টের স্বত্বাধিকারী আকাশ কুমার সাহা বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য সমাজে নারীরা যেন পিছিয়ে না থাকে। নারীরা যেন সমাজের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। এ বছর যিনি ‘বিউটি কুইন বাংলাদেশ’ জয়ী হবেন তিনি পাবেন পাঁচ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের মুকুট পুরস্কার, আরও পাবেন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা সুযোগ সুবিধা। এছাড়াও শীর্ষ দশ প্রতিযোগির জন্য থাকছে স্বর্ণের মুকুট, কিন্তু সেটা পরিমাণে কম। অংশগ্রহণকারী প্রদিযোগীদের রয়েছে নাটক, সিনেমা এবং বিজ্ঞাপনে কাজ করার সুযোগ।

রিয়েলিটি শো’র অন্যতম সমন্বয়ক স্নিগ্ধা হোসাইন প্রিয়া বলেন, সব বয়সের নারীদের সাড়া পাচ্ছি। পিছিয়ে পরা নারীরা প্রচণ্ড আগ্রহ নিয়ে বিউটি কুইন বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান, ১৬ থেকে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত যে কোন নারী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিউটি কুইন হওয়ার জন্য এর রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। ওযেবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে www.beautyqueenbangladesh.com এছাড়া রয়েছে Beauty Queen Bangladesh নামে একটি ফেসবুক পেইজ। এই পেইজে গিয়েও তাদের সকল তথ্য পাওয়া যাবে।

এবারের আসরের বিচারক হিসেবে ছিলেন চিত্র পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক সিদ্দিকী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ফ্লিম ক্লাবের সভাপতি শামসুল আলম, চিত্র নায়িকা এবং বিউটি এক্সপার্ট নাহিদা আশরাফ আন্না, অভিনেতা আশরাফ কবির, সমাজ সেবক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বেবি নাজনীন, অ্যালায়েন্স হসপিটালের পরিচালক মো. বায়েজিদ হোসেন, এসএ প্লাইউড কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ঝন্টু।

এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার।

মন্তব্য

p
উপরে