× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
We Are Distracted What Our National Film Really Is The Sadia Khalid Genre
hear-news
player
google_news print-icon

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি

আমরা-বিক্ষিপ্ত-আমাদের-ন্যাশনাল-ফিল্ম-আসলে-কী-সাদিয়া-খালিদ-রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত
‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সাদিয়া খালিদ রীতি প্রথম না দ্বিতীয় সেই আলাপে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, ‘আমি দ্বিতীয় বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব।’

হলিউডের প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে হওয়া নামকরা অ্যাওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম গোল্ডেন গ্লোবে ভোটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের এ সাংবাদিক ও ফিল্ম ক্রিটিক।

এটি নিঃসন্দেহে উদযাপনের বিষয় এবং রীতি সেটি করছেনও। তার ভাষ্যে, ‘হ্যাঁ, আমি উদযাপন করছি। এটা এমন না যে হঠাৎ করে পেয়ে গেছি। এটার জন্য অনেক হার্ড ওয়ার্ক করেছি। শ্রম করে পাওয়ার যে আনন্দ সেটা পাচ্ছি।’

আর কেন তিনি দ্বিতীয় সেটি ব্যাখ্যা করতে জানান, ১৯৯৩ সালে ভোটার হিসেবে একজন যুক্ত হয়েছিলেন, তিনি বাংলাদেশি তবে আমেরিকান নাগরিক ছিলেন এবং আমেরিকান জার্নালিস্ট হিসেবেই তিনি ভোটার হয়েছিলেন। মূলত ফটো জার্নালিস্ট ছিলেন তিনি।

কীভাবে এ অর্জন? জানতে চাইলে রীতি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গোল্ডেন গ্লোব এর আগে শুধু আমেরিকার নাগরিকদের মধ্যে থেকে ভোটার হিসেবে নিত, এবার ওরা অন্য দেশ থেকেও ভোটার নিচ্ছে, যাদের হাইপ্রোফাইল মনে করছে। আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১০০ জনের মধ্যে, এখন সেটা ডাবলের মতো হয়ে যাচ্ছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি এটার খবর রাখতাম না, কারণ এটা শুধু আমেরিকার নাগরিকদের জন্য ছিল। তো হঠাৎ করে একদিন গোল্ডেন গ্লোবের ভোটিং বডির প্রেসিডেন্ট মেইল করল। আমি ভেবেছিলাম এটা হয়তো প্রি-সিলেকশন, আমি বোধহয় সিলেকশন হয়ে গিয়েছি। পরে দেখলাম, না, ওরা অ্যাপ্লিকেশন চেয়েছে এবং সেগুলো থেকে যাচাই-বাছাই করে তারপর চূড়ান্ত করবে। কয়েকটা মাস টেনশনে ছিলাম, হয় কি না।’

শেষমেশ জয়ের হাসি হেসেছেন রীতি। অনেকগুলো সিনেমা দেখতে হবে তার। নেটফ্লিক্স এবং ডিজনি নাকি এরই মধ্যে স্ক্রিনার (প্রমোশনাল) পাঠানো শুরু করেছ। অনেক বড় কাজ।

রীতি বলেন, ‘কাজটা যেন ঠিকমতো করতে পারি। গোল্ডেন গ্লোব কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে একজনকে নিয়েছে, দেশের সম্মানটা যেন রাখতে পারি।’

রীতি সিনেমাপাগল। স্বপ্নের পেছনেই ছুটছেন এখনও। রীতির বাবা ছিলেন এয়ারফোর্সে। যশোরে জন্ম রীতির, বেড়ে উঠেছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ক্লাস ৪-৫-এ চায়নাতেও ছিলেন তিনি।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে অনার্স করে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুল অফ থিয়েটার, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে লেখাপড়া করেছেন। তার বিষয় ছিল স্ক্রিপ্ট রাইটিং।

রীতি জানান, ২০১৫-১৭তে যখন তিনি লস অ্যাঞ্জেলসে ছিলেন, তখন ওখানে রাইটার হিসেবে কাজ করতে গেলে ওদের গল্পটাই বলতে হতো। কিন্তু রীতি চেয়েছিলেন নিজের দেশের গল্পটা আগে বলতে। হলিউডে রীতি দুটি প্রোডাকশন হাউস ও একটি আর্টিস্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্মে কাজ করেছেন। সাংবাদিক হিসেবেও সেখানকার সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন তিনি।

সিনেমার প্রতি এ ভালোবাসা রীতির টিনএজ বয়স থেকে। তিনি বলেন, ‘মুলান রুজ সিনেমাটা দেখে আমার সিনেমার প্রতি আগ্রহ জন্মে। ইচ্ছা ছিল মিউজিক ভিডিও বানাব।’

পরে রাইটিংয়ে আগ্রহ বাড়ে রীতির। বিদেশে লেখাপড়া ও কাজ শেষে দেশে এসে ফুল টাইম লিখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি।

রীতি বলেন, ‘আমাদের এখানে রাইটারদের মূল্যায়ন করা হয় না। মাসের পর মাস একটা প্রজেক্টে কাজ করেছি কিন্তু কোনো টাকা দেয় নাই; কোনো কনট্রাক্ট সাইন করে নাই। খুবই আনপ্রফেশনাল এই রাইটিংয়ের জায়গাটা। টাকা দিলেও খুব সামান্য টাকা দেয়। আমি বুঝলাম লিখে টিকে থাকা সম্ভব না। আসার পর ছয় মাস রাইটিং করেছি, পরে দেখলাম এভাবে হয় না, পরে আবার সাংবাদিক পেশায় যুক্ত হয়েছি ও রাইটিংয়ের কাজ করছি।’

এর পাশাপাশি রীতি যুক্ত হতে থাকেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে। এরই মধ্যে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জুরির দায়িত্ব পালন করেছেন, ছিলেন বার্লিনালে ট্যালেন্টসে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

ফেস্টিভ্যাল সার্কিটে যুক্ত হওয়ার শুরুর গল্প জানিয়ে রীতি বলেন, ‘আমি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের (ডিআইএফএফ) সঙ্গে যুক্ত হই ২০১২তে। ২০১৮তে ফেস্টিভ্যালের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পাই। ঢাকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে এখানকার মানুষ বোঝে কি না জানি না, কিন্তু এটা অনেক বড় ফেস্টিভ্যাল। ওই বছরেই আমার অনেকগুলো ফেস্টিভ্যাল থেকে ডাক আসে।’

অনেকে বলবেন, এসব ফেস্টিভ্যালে যুক্ত হয়ে দেশের সিনেমার কী হবে? তার ব্যাখ্যা দিয়ে রীতি বলেন, ‘ফায়দা হলো, আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমাদের অংশগ্রহণ বাড়বে। ওরা কিন্তু আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটাই জানে না। ইউরো সেন্ট্রিক পয়েন্ট অফ ভিউ বা ওয়েস্টার্ন পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে ফিল্ম ক্রিটিসিজমটা চলে আসছে। ফেস্টিভ্যালে যখন কোনো ক্রিটিক সিনেমা দেখছে তার অধিকাংশই ওয়েস্টার্ন। ওরা সিনেমা দেখার পর যখন কথা বলে আমাদের সঙ্গে, তখন আমি বুঝি যে আমাদের কালচার সম্পর্কে ওদের কোনো ধারণাই নাই।

‘এতে করে সমস্যা হলো, আমাদের এখান থেকে সিনেমা নির্মাণ হবে ঠিকই, কিন্তু ওরা বুঝবেই না কিছু এবং এ অঞ্চলের সিনেমার যথার্থ মূল্যায়ন হবে না। ফিল্মের ইকোসিস্টেমের মধ্যে এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা পার্ট, যে ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে বসার মতো ফিল্ম ক্রিটিকও থাকতে হবে।’

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সিনেমা দেখে রীতির পর্যবেক্ষণ হলো- সেসব সিনেমার সঙ্গে দেশের সিনেমার পার্থক্য অনেক।

কারণ ব্যাখ্যা করে রীতি বলেন, ‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সম্প্রতি ঘোষণা এসেছে অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে লড়তে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হাওয়া সিনেমাটি। এর সম্ভাবনা কেমন জানতে চাওয়া হয় রীতির কাছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, ‘অস্কারে লবিং হয়, প্রচুর লবিং হয়। আমি যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে কাজ করতাম তখন দেখতাম আমাদের অফিসে এসে কেক দিয়ে যাচ্ছে, গিফট দিয়ে যাচ্ছে। একবার দেখেছিলাম যে টম হ্যাঙ্কসের কোনো একটি সিনেমা, নাম মনে করতে পারছি না, ওরা এক মাস ধরে প্রতি রাতে পার্টি দিয়েছে।

‘তবে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্মে এই লবিং মনে হয় না প্রযোজ্য। এ ক্ষেত্রে ওরা দেখে ফেস্টিভ্যালে কেমন পারফর্ম করেছে সিনেমাটি। হাওয়া তো সেই অর্থে ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করেনি। তার পরও সিনেমাটি যদি কয়েক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে, সেটাই আমাদের পাওয়া হবে।’

কাজ তো চলছেই, পাশাপাশি একটি টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছেন রীতি। সেটি কেমন?

রীতি বলেন, ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে একটা সেগমেন্ট করি আমরা, যেটার নাম ওয়েস্ট মিট ইস্ট। ওখানে আমরা সাউথ এশিয়ান রিজিয়নের স্ক্রিপ্ট নিয়ে একটা কম্পিটিশন করি। আমার একটা স্বপ্ন হচ্ছে যে, সাউথ এশিয়ান ফিল্মের মধ্যে রিজিয়নাল কো-অপারেশনকে আরও শক্তিশালী করা। আমাদের মধ্যে এই কো-অপারেশনটা খুবই উইক এখন পর্যন্ত।

কো-অপারেশন বাড়লে কী হবে জানতে চাইলে রীতি বলেন, ‘গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মটা যে এত ওয়েস্ট ঘ্যাসা সেটা চেঞ্জ হবে। আমার সংঘবদ্ধ হলে আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটা সবার শুনতেই হবে। ওয়েস্ট মিট ইস্ট প্রোগ্রামটা নিয়ে সাউথ এশিয়ানদের মধ্যে বেশ একটা আগ্রহ আছে। আশা করি বিষয়টা নিয়ে এগোনো যাবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Bangladesh has influenced Goa festival and market

গোয়া উৎসব ও বাজারে প্রভাব ফেলেছে বাংলাদেশ

গোয়া উৎসব ও বাজারে প্রভাব ফেলেছে বাংলাদেশ আইএফএফআই-তে অংশ নেয়া বাংলাদেশের শিল্পী, কলাকুশলীদের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত
ফিল্ম বাজার থেকে এইড অক্স সিনেমাস দ্যু মুন্দ (ফ্রান্সের ন্যাশনাল ফিল্ম বোর্ড থেকে পরিচালিত) ফান্ড পাওয়া একা সিনেমায় প্রযোজক হিসেবে সম্পৃক্ত আছেন বাংলাদেশের বিজন ইমতিয়াজ।   

ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় মার্কেট হিসেবে পরিচিত ফিল্ম বাজারে বাংলাদেশের সিনেমা বেশ ভালো প্রভাব ফেলেছে।

রোববার এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে আমেরিকান মিডিয়া কোম্পানি ভ্যারাইটি

দেশের পরিচালক বিপ্লব সরকারের ফিচার ফিল্ম আগন্তুক-এর প্রাসাদ ডিআই পুরস্কার পাওয়া, নন-কম্পিটিশন বিভাগে বাংলাদেশের সাঁতাও, পাপ পুণ্য,পাতালঘর সিনেমার প্রদর্শনী এবং আইসিএফটি-ইউনেস্কো গান্ধী মেডেল অ্যাওয়ার্ড বিভাগে নকশিকাঁথার জমিন সিনেমার প্রতিযোগিতা করাকে বিশেষভাবে দেখছে ভ্যারাইটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন দেশের প্রযোজক পরিচালক আবু শাহেদ ইমন, চরকির প্রধান পরিচালক কর্মকর্তা রেদোয়ান রনি, জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানসহ বাংলাদেশের সিনেমাসংশ্লিষ্ট বড় একটি দল।

এ ছাড়া ফিল্ম বাজার থেকে এইড অক্স সিনেমাস দ্যু মুন্দ (ফ্রান্সের ন্যাশনাল ফিল্ম বোর্ড থেকে পরিচালিত) ফান্ড পাওয়া একা সিনেমায় প্রযোজক হিসেবে সম্পৃক্ত আছেন বাংলাদেশের বিজন ইমতিয়াজ।

গোয়া উৎসব এবং ফিল্ম বাজারে দেশের সিনেমা ও সিনেমাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি-সম্পৃক্ততা নিয়ে ভ্যারাইটিকে আবু শাহেদ ইমন বলেন, ‘এ বছর বাংলাদেশের চারটি ফিচার ফিল্ম এসেছে উৎসবে। এটা চমৎকার একটা ব্যাপার। এর অর্থ বাংলাদেশে ভালো মানের সিনেমা নির্মাণ হচ্ছে। ওটিটির অগ্রসরতা এবং সিনেমার উত্থানকে আমি অনুমান করে বলতে পারি বাংলাদেশ সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম সেরা সময়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোভিডের পরে সবাই নতুন সুযোগ খুঁজছে এবং তারা ফিল্ম বাজারের মতো বিভিন্ন ফিল্ম ল্যাব, ওয়ার্কশপ এবং নেটওয়ার্কিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করছে। আমি মনে করি আসছে বছরগুলোতে এই অংশগ্রহণ আরও বাড়বে। কারণ দেশে আরও অনেক আকর্ষণীয় সিনেমা/প্রকল্প আসছে’।

আরও পড়ুন:
দৃশ্য কাটার শর্তে ‘জয়ল্যান্ড’-এর নিষেধাজ্ঞা তুলল পাকিস্তান
রাহেলা-সালেহা চরিত্র যুদ্ধে নারীদের ওপর নৃশংসতার প্রতিফলন
আইএফএফআই’র প্রতিযোগিতায় দেশের একটিসহ তিন সিনেমা
‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ সিনেমাটির হল নিয়ে হতাশা কাটছে
যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ শহরে মুক্তি পাচ্ছে ‘দামাল’

মন্তব্য

বিনোদন
Kajol in Ibrahims debut movie

ইব্রাহিমের ডেবিউ সিনেমায় কাজল

ইব্রাহিমের ডেবিউ সিনেমায় কাজল ইব্রাহিম আলি খান ও কাজল। ছবি: সংগৃহীত
ইমোশনাল থ্রিলার এ সিনেমার গল্প গড়ে উঠেছে কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদকে ঘিরে। সিনেমার গল্প আবর্তিত হবে ইব্রাহিম ও কাজলকে কেন্দ্র করে।

বলিউডের ছোট নবাব সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের ছোট ছেলে ইব্রাহিম আলী খানের বলিউড অভিষেকের কথা চলছে অনেক দিন ধরেই। এর আগে জানা গিয়েছিল, করণ জোহরের হাত ধরে হতে যাচ্ছে ইব্রাহিমের অভিষেক।

এবার জানা গেল সেই সিনেমায় ইব্রাহিমের সঙ্গে আরও থাকবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে সোমবার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, নাম প্রকাশ না হওয়া এ সিনেমার মাধ্যমে ১২ বছর পরে করণের প্রযোজনায় কাজ করতে যাচ্ছেন কাজল। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন বোমান ইরানির ছেলে কায়োজ ইরানি।

ইমোশনাল থ্রিলার এ সিনেমার গল্প গড়ে উঠেছে কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদকে ঘিরে। সিনেমার গল্প আবর্তিত হবে ইব্রাহিম ও কাজলকে কেন্দ্র করে।

বি-টাউনের নানা সূত্র বলছে, আগামী বছরের প্রথম দিকেই শুরু হবে সিনেমার দৃশ্যধারণ।

মাই নেম ইজ খান সিনেমার পর আর করণের ধর্মা প্রোডাকশনের কাজ করেননি কাজল। অন্যদিকে করণের পরিচালনায় রকি অউর রানি কী প্রেম কহানি সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন ইব্রাহিম।

আরও পড়ুন:
দুই রণবীর সিং এক ফ্রেমে
বলিউড অভিনেতা বিক্রম গোখলে মারা গেছেন
কাজলের নতুন সিনেমায় অতিথি আমির
মা হলেন বিপাশা বসু
সালমানকে মাদকাসক্ত বললেন রামদেব

মন্তব্য

বিনোদন
Star Cineplex is opening in Chittagong in December

ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স

ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম শহরের চকবাজার এলাকায় (নবাব সিরাজ উদ্দিন রোড) বালি আর্কেড শপিং কমপ্লেক্সে নির্মাণ করা হয়েছে নতুন এ প্রেক্ষাগৃহ। সেখানে থাকছে তিনটি প্রেক্ষাগৃহ। আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৮৬ (হল-১), ১৯৬ (হল-২) এবং ১২৫ (হল-৩)।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সের নতুন শাখা। ২ ডিসেম্বর এই শাখার উদ্বোধন করা হবে। ৩ ডিসেম্বর থেকে দর্শক সেখানে দেখতে পারবেন সিনেমা।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এবং বিনোদন জগতের তারকারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।

চট্টগ্রাম শহরের চকবাজার এলাকায় (নবাব সিরাজ উদ্দিন রোড) বালি আর্কেড শপিং কমপ্লেক্সে নির্মাণ করা হয়েছে নতুন এ প্রেক্ষাগৃহ।

সেখানে থাকছে তিনটি প্রেক্ষাগৃহ। আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৮৬ (হল-১), ১৯৬ (হল-২) এবং ১২৫ (হল-৩)। নান্দনিক পরিবেশ, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা থাকছে বলে জানিয়েছেন স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘দেশব্যাপী অনেক সিনেমা হল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা আগেই জানিয়েছিলাম আমরা। ধারাবাহিকভাবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। চট্টগ্রামে প্রচুর সিনেমাপ্রেমী দর্শক রয়েছেন, যারা স্টার সিনেপ্লেক্সের মতো একটি মাল্টিপ্লেক্স প্রত্যাশা করেন।

‘আমি নিজে চট্টগ্রামের মানুষ। অনেকেই আমাকে তাদের চাওয়ার কথা বলেছেন। বলা চলে, চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এটি। এই দাবি পূরণের কাজটি আরও আগেই করতে চেয়েছিলাম। নানা কারণে হয়ে ওঠেনি। এবার কাজটি করতে পেরে আমি আনন্দিত।’

মাহবুব রহমান রুহেল আরও বলেন, ‘দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির প্রসারে আমাদের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলা সিনেমার সুদিন আবার ফিরে আসবে। পরিবার-পরিজন নিয়ে হলে গিয়ে সিনেমা দেখার সংস্কৃতি আবার চালু হবে। এর জন্য যে পরিবেশ প্রয়োজন সেটা তৈরির চেষ্টা করছি আমরা।’

২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল স্টার সিনেপ্লেক্স। বর্তমানে ঢাকায় ৫টি শাখা রয়েছে এর। ঢাকার বাইরে বগুড়া ও রাজশাহীতে নতুন শাখার নির্মাণকাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
অগ্রিম বিক্রির প্রথম দিনেই প্রায় শেষ ৬ মের টিকিট
বঙ্গবন্ধু মিলিটারি মিউজিয়ামে সিনেপ্লেক্স
কিংসম্যান আসছে ঢাকায়!
স্টার সিনেপ্লেক্স এবার চট্টগ্রামে
ঢাকার প্রেক্ষাগৃহে জাপানের অ্যানিমেশন সিনেমা

মন্তব্য

বিনোদন
Two Ranbir Singhs in one frame

দুই রণবীর সিং এক ফ্রেমে

দুই রণবীর সিং এক ফ্রেমে সার্কাস সিনেমায় রণবীর সিংয়ের দুই চরিত্র। ছবি: টিজার থেকে নেয়া
টিজারে পাওয়া গেছে রণবীরের দুটি চরিত্র। পাশাপাশি দেখা গেছে পুরো সার্কাস টিমকে। টিজারে ব্যবহার করা সংলাপে উঠে এসেছে ৬০ বছর আগের জমানার গল্প।

আবারও পরিচালক ও অভিনেতা জুটি। সিম্বা সিনেমার পর বড় পর্দায় একসঙ্গে ফিরছেন পরিচালক রোহিত শেট্টি ও অভিনেতা রণবীর সিং।

তাদের নতুন সিনেমার নাম সার্কাস। সিনেমায় প্রথমবারের মতো দ্বৈত চরিত্রে দেখা যাবে রণবীরকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শেকসপিয়ারের নাটক ‘কমেডি অফ এররস’ এর অনুপ্রেরণায় লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। সোমবার প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির টিজার।

টিজারে পাওয়া গেছে রণবীরের দুটি চরিত্র। পাশাপাশি দেখা গেছে পুরো সার্কাস টিমকে। টিজারে ব্যবহার করা সংলাপে উঠে এসেছে ৬০ বছর আগের জমানার গল্প।

সার্কাস দলের সেই চরিত্রগুলোর কণ্ঠে শোনা যায় গুগল নয়, ছোটদের প্রশ্নের উত্তর দিত দাদা-দাদিরা। সোশ্যাল মিডিয়া না থাকায় লাইক পাওয়ার বিষয়ও ছিল না। মা-বাবা সন্তানের কাছে বেশি গুরুত্ব পেত।

সিনেমায় রণবীরের দুই নায়িকা জ্যাকলিন ও পূজা হেগড়ে। শুধু রণবীরই নন, সিনেমায় দ্বৈত চরিত্রে আরও দেখা যাবে বরুণ শর্মাকেও। সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২৩ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন:
সারোগেসির তদন্তে বেরিয়ে এলো বিয়ের নতুন তথ্য
বিয়ের পর ক্যাটরিনার প্রথম ট্রেইলার
প্রভাসের ‘আদিপুরুষ’ নিষিদ্ধের দাবি রাম মন্দিরের পুরোহিতের
৫০টিরও বেশি স্ক্রিপ্ট ফিরিয়ে ‘তিউয়ারি’ সিরিজে ফিরছেন উর্মিলা
রাম-রাবনের গল্পে ‘আদিপুরুষ’, টিজারের ভিএফএক্সে অসোন্তষ

মন্তব্য

বিনোদন
Rubaiyats movie got World Cinema Fund

ওয়ার্ল্ড সিনেমা ফান্ড পেল রুবাইয়াতের সিনেমা

ওয়ার্ল্ড সিনেমা ফান্ড পেল রুবাইয়াতের সিনেমা নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেন (বাঁয়ে) ও তার নতুন সিনেমার কনসেপ্ট পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
৫১টি দেশ থেকে জমা পড়া ১৭৬টি প্রকল্পের ৬টি বিভাগে অনেকগুলো প্রকল্পকে চূড়ান্ত করেছেন জুরিরা। সবগুলো প্রকল্প মিলে পাওয়া ফান্ডের পরিমাণ ৪ লাখ ৪০ হাজার ইউরো।

আন্ডারকনস্ট্রাকশন, শিমু খ্যাত পরিচালক রুবাইয়াত হোসেনের নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড পেয়েছে বার্লিনাল ওয়ার্ল্ড সিনেমা ফান্ড (ডব্লিউসিএফ)।

প্রোডাকশন ফান্ডিং ডব্লিউসিএফ হিসেবে সিনেমাটি পাচ্ছে ৫০ হাজার ইউরো। ইন্টারন্যাশনাল ফিল্মফেস্ট বার্লিনাল-এর ওয়েবসাইটে ২৫ নভেম্বর এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

রোববার দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান খনা টকিজ-এর ফেসবুক পেজ থেকেও তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রোডাকশন ফান্ডিং পেয়েছে আরও চারটি প্রোজেক্ট। ৫১টি দেশ থেকে জমা পড়া ১৭৬টি প্রকল্প থেকে ৬টি বিভাগে অনেকগুলো প্রকল্পকে চূড়ান্ত করেছেন জুরিরা। সবগুলো প্রকল্প মিলে পাওয়া ফান্ডের পরিমাণ ৪ লাখ ৪০ হাজার ইউরো।

দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড চলতি বছরের বার্লিনাল কো-প্রোডাকশন মার্কেটে অংশ নিয়েছিল। আর পরিচালক রুবাইয়াত অংশ নিয়েছিলেন ২০১৭ সালের বার্লিনাল ট্যালেন্টসে।

বার্লিনাল কো-প্রোডাকশন মার্কেটে ফান্ড পাওয়ার পর ভ্যারাইটি জানিয়েছিল, সিনেমাটির বাজেট ৮ লাখ ৭৬ হাজার মার্কিন ডলার; যা বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে ৭ কোটি টাকারও বেশি। বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান থেকে তোলা হয়েছে বলে জানানো হয় সেই প্রতিবেদনে।

সেই সময় দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড সম্পর্কে ভ্যারাইটি জানিয়েছিল, নভেরা বর্তমান ঢাকার একজন কনে, যিনি তার হবু বরের সঙ্গে প্রেম করছেন এবং রূপকথার মতো একটি বিয়ের আয়োজনের স্বপ্ন দেখছেন।

একই সঙ্গে নভেরা গোপনে তার শারীরিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছেন। বিয়ের আচার-অনুষ্ঠানে সমস্যাটি আরও বেড়ে যায় নভেরারা।

নভেরা নিয়মিত বিউটি সেলুনে যায় এবং তার শরীরকে ‘নিরাময়’ করতে ঘরোয়া চিকিৎসা নেন।

মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং মানসিক যন্ত্রণা যখন তার মধ্যে শিকড় গজাতে থাকে তখন সে লম্বা চুলের এক রহস্যময় নারীকে তার কল্পনায় দেখতে শুরু করে।

আরও পড়ুন:
‘শিমু’র উদ্বোধনী প্রদর্শনী ও দর্শক প্রতিক্রিয়া
ডালিয়ার জীবনের গল্প থেকে ‘শিমু’ সিনেমা
‘শিমু’ একটা স্পিরিট, কখনোই নিরাশ হয় না: রুবাইয়াত
রুবাইয়াতের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ বার্লিনালে
নাম পাল্টে গেছে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সিনেমার

মন্তব্য

বিনোদন
Avatar ready to open 150 175 million

১৫০-১৭৫ মিলিয়নের ওপেনিং করতে প্রস্তুত অ্যাভাটার!

১৫০-১৭৫ মিলিয়নের ওপেনিং করতে প্রস্তুত অ্যাভাটার! অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার সিনেমার টিজারের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
যদি সিনেমাটি সিনেমা ইতিহাসের তৃতীয় বা চতুর্থ সর্বোচ্চ ইনকাম করা সিনেমার তালিকায় ওঠে, তাহলে বুঝতে হবে সিনেমাটি তার খরচ তুলে আনতে পেরেছে।’

জেমস ক্যামেরন পরিচালিত অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার মুক্তি পেতে যাচ্ছে ডিসেম্বরের ১৬ তে। এরইমধ্যে সিনেমাটির ব্যবসা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে নানা হিসাব-কিনাশ।

ভ্যারাইটি জানাচ্ছে, সিনেমাটি নিয়ে নানা রকম ট্র্যাকিংয়ে ধারণা করা হচ্ছে অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহে শুধু নর্থ আমেরিকা থেকে তুলে নেবে কমপক্ষে ১৫০ মিলিয়ন ডলার। এমনকি এটা বেড়ে হতে পারে ১৭৫ মিলিয়ন ডলার।

অ্যাভাটারের প্রথম কিস্তি, যেটা মুক্তি পেয়েছিল ২০০৯ সালে, সেটি প্রথম সপ্তাহে ডমিস্টিক্যালি আয় করে ৭৭ মিলিয়ন। সিনেমাটি শেষ পর্যন্ত ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন আয় করে বিশ্বব্যাপী।

ভ্যারাইটি বলছে, ২০০৯ সালের পরিসংখ্যানটি কোভিড-পরবর্তী বক্স অফিসের সঙ্গে মেলানো কঠিন হবে। এর কারণ শুধু ১৩ বছরের পার্থক্য নয়। এর আরও কারণের মধ্যে রয়েছে, কোভিডের পরে বক্স অফিস এখনও স্বাভাবিক হয়নি এবং রাশিয়ার মতো বড় বাজার হলিউডের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে।

রাশিয়া বন্ধ হলেও চীনের বাজারে ঢোকার অনুমতি পেয়েছে অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় চীনের বাজার পাওয়া খুব কঠিন ছিল অ্যাভাটারের জন্য।

জিকিউ-কে দেয়া এক স্বাক্ষাৎকারে ক্যামেরন স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার সিনেমা নির্মাণে অনেক খরচ হয়েছে। ভালো ব্যবসার জন্য সিনেমাটিকে সব মার্কেটে ঢোকা প্রয়োজন। না হলে এটি সিনেমা ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ ব্যবসার উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে। যদি সিনেমাটি সিনেমা ইতিহাসের তৃতীয় বা চতুর্থ সর্বোচ্চ ইনকাম করা সিনেমার তালিকায় ওঠে, তাহলে বুঝতে হবে সিনেমাটি তার খরচ তুলে আনতে পেরেছে।’

আরও পড়ুন:
উত্তেজনা বাড়িয়ে দিল ‘অ্যাভাটার ২’ এর ট্রেইলার
১৩ বছর পর নতুন অ্যাভাটারের টিজার, মুক্তি বছর শেষে
অ্যাভাটারের নতুন পর্বের নাম প্রকাশ
অ্যাভাটার নির্মাণ স্টুডিও বেচলেন অস্কারজয়ী জ্যাকসন

মন্তব্য

বিনোদন
There is only Messi in the fairys eyes

পরীর দু চোখে শুধুই মেসি

পরীর দু চোখে শুধুই মেসি টেলিভিশন পর্দায় মেসির সামনে পরীমনির উল্লাস। ছবি: সংগৃহীত
জয়ের উল্লাসে শামিল হয়েছেন পরীমনি। তাই তো রোববার ভোরে তিনি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘আল্লাহ রে আমার ঘুম আসতেছে না! মেসি গো মেসি! আমার দুই চোক্ষে শুধুই মেসিইইইইইইই…’

ঘুম আসছে না পরীমনির। অভিনেত্রী মনে করছেন, তার চোখে ফুটবল লেজেন্ড মেসি এসে বসে আছে। বোঝাই যাচ্ছে আর্জেন্টিনার এ সমর্থক কতটা আনন্দে আছেন।

শনিবার রাতে মেক্সিকোকে হারিয়ে ফিফা বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। আর এই উল্লাস শুরু হয় মেসির দেয়া গোলের মাধ্যমে।

জয়ের উল্লাসে শামিল হয়েছেন পরীমনি। তাই তো রোববার ভোরে তিনি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘আল্লাহ রে আমার ঘুম আসতেছে না! মেসি গো মেসি! আমার দুই চোক্ষে শুধুই মেসিইইইইইইই…’

শুধু এটাই না, আর্জেন্টিনা-মেক্সিকো খেলা শেষেও ফেসবুকে পোস্ট করে উল্লাস করেছেন এই অভিনেত্রী। একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘মেসি একটা ভালোবাসা।’

এক ভিডিওতে দেখা যায়, খেলা শেষে মেসি ক্যামেরার সামনে এসে অনুভূতি জানাচ্ছেন, আর পরী টিভিস্ক্রিনের সামনে গিয়ে মেসিকে দিচ্ছেন উরন্ত চুমু।

খেলার ৬৩ মিনিটের দিকে মেসি প্রথম গোল করলে ফেসবুকে পোস্ট করেন পরী। টিভির পর্দা থেকে তোলা একটি ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ওহ মেসি, আই লাভ ইউ।’

আরও পড়ুন:
পরীর জন্য রাজের ‘জার্সি বদল’
আবারও রাজকে নিয়ে মিমকে খোঁচা পরীমনির
পরীর সমর্থন আর্জেন্টিনায়, রাজের ব্রাজিলে

মন্তব্য

p
উপরে