× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Nuhashs work in US OTT
hear-news
player
print-icon

যুক্তরাষ্ট্রের ওটিটিতে নুহাশের কাজ

যুক্তরাষ্ট্রের-ওটিটিতে-নুহাশের-কাজ
নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। ছবি: সংগৃহীত
জানা যায়, এটি কোনো ওয়েব সিরিজ না, এক পর্বের একটি কাজ। ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি খুব শিগগিরই এই কাজটির নাম প্রকাশ করবে। ইতোমধ্যে এর চূড়ান্ত সম্পাদিত অংশ হুলুতে পাঠানো হয়েছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করছেন নির্মাতা।

প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘হুলু’তে প্রচার হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের কাজ। যেটি নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের পরিচালক নুহাশ হুমায়ূন।

এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন নুহাশ।

তার শেয়ার করা সেই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘নুহাশ হুমায়ুন প্রথম ব্যক্তি যিনি সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হুলুতে একটি বাংলাদেশি প্রকল্প পেয়েছেন। এই প্রথম বাংলাদেশি কন্টেন্ট যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রচার করা হয়েছে।’

এখনও নাম ঠিক না হওয়া কাজটির চিত্রনাট্যও লিখেছেন নুহাশ। কাজটি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই করা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি শিল্পীরা।

কাজটি নিয়ে নুহাশ লিখেছেন, ‘আমি হলফ করে বলছি- এটি আমার তৈরি করা সবচেয়ে অদ্ভুত কাজ।’

নুহাশের শেয়ার করা সেই পোস্ট থেকে আরও জানা যায়, এটি কোনো ওয়েব সিরিজ না, এক পর্বের একটি কাজ। ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি খুব শিগগিরই কাজটির নাম প্রকাশ করবে।

ইতোমধ্যে কাজটির চূড়ান্ত সম্পাদিত অংশ হুলুতে পাঠানো হয়েছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করছেন নির্মাতা।

বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে নিউজবাংলা হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠিয়েছে নুহাশকে। তবে তিনি এখনও কোনো উত্তর দেননি।

আরও পড়ুন:
ভয়টা মাথায় ঘুরঘুর করে, এমন গল্প বলতে চেয়েছি: নুহাশ
‘মিষ্টি কিছু কিন্তু মোটেও মিষ্টি নয়’
আসছে নুহাশের ‘ষ’ সিরিজের ‘এই বিল্ডিং-এ মেয়ে নিষেধ’
নুহাশের পরিচালনায় ভূতের সিরিজ
আমেরিকায় পুরস্কৃত নুহাসের সিনেমা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
There is definitely something bubbly

সবকিছু সুন্দর-শালীনভাবেই হয়েছে: বুবলী

সবকিছু সুন্দর-শালীনভাবেই হয়েছে: বুবলী অভিনেত্রী বুবলী (বাঁয়ে) ও মঙ্গলবার পোস্ট করা তার ছবি। ছবি: সংগৃহীত
কয়েকদিনের মধ্যেই সাংবাদিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলে জানান তিনি এবং ঘটনাটিকে সেনসেটিভ ও ইমোশনাল ইস্যু বলে জানান বুবলী।

ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী শবনম বুবলী মঙ্গলবার দুপুরে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুটি ছবি পোস্ট করেছেন। যার একটি দেখে নেটিজেনরা মনে করছেন তিনি অন্তঃস্বত্বা।

ছবিটি কবেকার সে বিষয়ে পোস্টে কিছু জানাননি বুবলী। তবে ধারণা করা হচ্ছে ছবিগুলো আগের। কারণ, বুবলী এখন অভিনয় করছেন জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত চাদর সিনেমায়। সিনেমার শুটিংয়ে তাকে স্বাভাবিক দেখা গেছে।

স্ট্যাটাসটি দেয়ার পরপরই বুবলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন না ধরলেও সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সেসময় তিনি ছিলেন চাদর সিনেমার শুটিংয়ে।

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি কখনই আমার ব্যক্তিগত বিষয় সামনে আনতে চাই না। আপনারা অনেকবার অনেককিছু জানতে চেয়ছেন, কিন্তু আমি বরাবরই বলেছি যে, আমি আমার প্রফেশনাল লাইফটা নিয়ে ফোকাসে থাকতে চাই।’

স্ট্যাটাস ও ছবি নিয়ে বুবলী বলেন, ‘ডেফিনেটলি কিছু ব্যাপার তো আছেই। আমি এর আগেও বলেছি যে এগুলো নিয়ে পরে কথা বলব। কোনো ঘটনার পেছনে আরও অনেক ঘটনা থাকে।’

কয়েকদিনের মধ্যেই সাংবাদিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলে জানান তিনি এবং ঘটনাটিকে সেনসেটিভ ও ইমোশনাল ইস্যু বলে জানান বুবলী।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেহেতু মুসলিম, আমি একজন মুসলিম মানুষ, সবকিছুর পেছনে অবশ্যই ব্যাখ্যা আছে। সবকিছু সুন্দর, শালীনভাবেই হয়েছে।’

মঙ্গলবার দুপরে দেয়া পোস্টের ক্যাপশনে বুবলী লিখেছেন, ‘আমার জীবনের সঙ্গে আমি’। এর নিচে হ্যাসট্যাগ দিয়ে লিখেছেন ‘থ্রোব্যাক আমেরিকা’। এই ‘থ্রোব্যাক আমেরিকা’ শব্দ দুটির কারণে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সালে বুবলী যখন আমেরিকাতে ছিলেন, ছবিদুটি সেই সময়ের।

বুবলীর মা হওয়ার গুঞ্জন উঠেছিল ২০২০ সালে। বুবলী যখন শাকিব খান প্রযোজিত ও কাজী হায়াৎ পরিচালিত বীর সিনেমায় অভিনয় করছিলেন, তখন তার মা হওয়ার গুঞ্জন ওঠে।

সিনেমাটির শুটিং শেষ করেই বুবলী পাড়ি জমান আমেরিকা। করোনা মহামারির সময় যখন দেশে লকডাউন চলছিল, তখন তিনি আমেরিকাতে ছিলেন। গুঞ্জন আছে, আমেরিকাতে সন্তান প্রসব করেছেন এ অভিনেত্রী। সন্তানের বাবার পরিচয় হিসেবে শাকিব খানের নাম শোনা গিয়েছিল সেসময়।

তবে পরবর্তীতে দেশে ফিরে এসবকে গুঞ্জন বলেই জানিয়েছেন বুবলী। নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জনটিও স্বীকার করেননি তিনি।

আরও পড়ুন:
২৭ জানুয়ারি আসছে সিয়াম-বুবলীর ‘টান’
এলো সিয়াম-বুবলীর ‘টান’-এর ঝলক
অবনী-রাশেদের প্রেম ও এক বীভৎস ঘটনা
জুটি বাঁধলেন সিয়াম-বুবলী
‘কয়লা’য় জুটি নিরব-বুবলী

মন্তব্য

বিনোদন
Nuhashs Hulu project Foreigners Only

নুহাশের হুলু প্রজেক্ট ‘ফরেনার্স অনলি’

নুহাশের হুলু প্রজেক্ট ‘ফরেনার্স অনলি’ ফরেনার্স অনলি কনটেন্টের পোস্টার (বাঁয়ে), নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। ছবি: সংগৃহীত
নুহাশ নিউজবাংলাকে জানান, হরর-থ্রিলার ঘরানার কনটেন্ট এটি। যার শুটিং হয়েছে জুন-জুলাইয়ের দিকে। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এটি কোনো ওয়েব সিরিজ না, এক পর্বের একটি কাজ। 

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘হুলু’তে প্রচার হতে যাচ্ছে দেশের নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূনের নির্মিত কনটেন্ট। কনটেন্টটির নাম ফরেনার্স অনলি। নুহাশ নিউজবাংলাকে জানান, ১ অক্টোবর কনটেন্টটি প্রকাশ পাবে হুলুতে।

নুহাশ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কনটেন্টের পোস্টার শেয়ার করেছেন। এর মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের, মোস্তফা মনোয়ার। আরও আছেন রেবেকা নুসরাত আলী, সুভাশীষ ভৌমিক, কাজী তৌফিকুল ইসলাম ইমন, সৈয়দ তসলিমা হোসেন নদী ও জেমি প্যাটিনসন।

নুহাশ নিউজবাংলাকে জানান, হরর-থ্রিলার ঘরানার কনটেন্ট এটি। যার শুটিং হয়েছে জুন-জুলাইয়ের দিকে। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এটি কোনো ওয়েব সিরিজ না, এক পর্বের একটি কাজ।

নুহাশ বলেন, ‘কাজ করে খুবই ভালো লেগেছে। হুলুও কাজটি পছন্দ করেছে। যখন আমি কাজটি পিচ করেছিলাম, তখন থেকেই তারা কাজটি করার জন্য উৎসাহি ছিল। পিচ করার পরদিনই আমি গল্পটি নিয়ে কাজ করার অনুমতি পেয়ে যাই। কাজটি করে মনে হয়েছে, আমরা গুড এনাফ।’

নুহাশ এও জানান কনটেন্টে চরিত্রের মুখে বাংলা ও ইংরেজি ভাষা শোনা যাবে। ১ অক্টোবর হুলুতে প্রকাশ পেলেও দেশের দর্শকরা এটা দেখতে পাবেন পরে। ভিপিএন ব্যাবহার করে দেখা যেতে পারে বলে জানান নুহাশ।

ফেসবুকে নুহাশ পোস্টার শেয়ার করার পাশাপাশি কিছু কথাও লিখেছেন। যেখানে তিনি আরও অনেক কথার সঙ্গে জানিয়েছেন, কেন এটা এত গুরুত্বপূর্ণ, কেন আমরা নিজেদের চেয়েও বিদেশিদের বেশি গুরুত্ব দেই, ফরেনার্স অনলি এ প্রশ্নসহ আরও কিছু প্রশ্ন তুলবে। এর উত্তর আমরা পছন্দ নাও করতে পারি।’

আরও পড়ুন:
দেশের শিল্পীদের নিয়ে দেশেই হয়েছে নুহাশের হুলু প্রজেক্টের শুটিং
অস্কার মনোনয়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগী হয়ে উঠছে নুহাশের ‘মশারী’
নুহাশের খবরটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? রেজার ব্যাখ্যা
হলিউড সংস্থার সঙ্গে নুহাশের চুক্তি, প্রথম কাজ ওটিটিতে
সাক্ষাৎকারের প্রশ্নে বিরক্ত নুহাশ

মন্তব্য

বিনোদন
The glimpse of motherhood in Bublis film

বুবলীর ছবিতে মাতৃত্বের আভাস!

বুবলীর ছবিতে মাতৃত্বের আভাস! বুবলীর পোস্ট এর স্ক্রিন শট (বাঁয়ে) ও মাতৃত্বের আভাস দেয়া ছবি (ডানে)। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ছবি দুটি পোস্ট করে বুবলী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার জীবনের সঙ্গে আমি’। এর নিচে হ্যাসট্যাগ দিয়ে লিখেছেন ‘থ্রোব্যাক আমেরিকা’।

ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী শবনম বুবলী মঙ্গলবার দুপুরে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুটি ছবি পোস্ট করেছেন। যার একটি দেখে নেটিজেনরা মনে করছেন তিনি অন্তঃস্বত্বা।

ছবিটি কবেকার সে বিষয়ে পোস্টে কোনো ধারণা দেননি বুবলী। তবে ধারণা করা হচ্ছে ছবিগুলো আগেকার। কারণ, বুবলী এখন অভিনয় করছেন জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত চাদর সিনেমায়। সিনেমার শুটিংয়ে তাকে স্বাভাবিক দেখা গিয়েছে।

তাছাড়া ছবি দুটি পোস্ট করে বুবলী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার জীবনের সঙ্গে আমি’। এর নিচে হ্যাসট্যাগ দিয়ে লিখেছেন ‘থ্রোব্যাক আমেরিকা’। এই ‘থ্রোব্যাক আমেরিকা’ শব্দ দুটির কারণে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সালে বুবলী যখন আমেরিকাতে ছিলেন, ছবিদুটি সেই সময়ের।

ছবিটিতে মাতৃত্বের যে ইঙ্গিত খুঁজছেন নেটিজেনরা, সে বিষয়ে জানতে বুবলীকে অসংখ্যবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘১০০% প্রেগনেন্ট’। আরেকজন লিখেছেন, ‘মা হবার সম্ভাবনা বেশি মনে হচ্ছে।’

বুবলীর মা হওয়ার গুঞ্জন উঠেছিল ২০২০ সালে। বুবলী যখন শাকিব খান প্রযোজিত ও কাজী হায়াৎ পরিচালিত বীর সিনেমায় অভিনয় তখন তার মা হওয়ার গুঞ্জন ওঠে।

সিনেমাটির শুটিং শেষ করেই বুবলী পাড়ি জমান আমেরিকা। করোনা মহামারির সময় যখন দেশে লকডাউন চলছিল, তখন তিনি আমেরিকাতে ছিলেন। গুঞ্জন আছে, আমেরিকাতে সন্তান প্রসব করেছেন এ অভিনেত্রী। সন্তানের বাবার পরিচয় হিসেবে শাকিব খানের নাম শোনা গিয়েছিল সেসময়।

তবে পরবর্তীতে দেশে ফিরে এসবকে গুঞ্জন বলেই জানিয়েছেন বুবলী। নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জনটিও স্বীকার করেননি তিনি।

মঙ্গলবারের স্ট্যাটাসে বুবলীর ছবি এবং ‘#থ্রোব্যাক আমেরিকা’ লেখা দেখে দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে চাইছেন অনেকে।

আরও পড়ুন:
এলো সিয়াম-বুবলীর ‘টান’-এর ঝলক
অবনী-রাশেদের প্রেম ও এক বীভৎস ঘটনা
জুটি বাঁধলেন সিয়াম-বুবলী
‘কয়লা’য় জুটি নিরব-বুবলী
‘কয়লা’ সিনেমায় বুবলী

মন্তব্য

বিনোদন
We Are Distracted What Our National Film Really Is The Sadia Khalid Genre

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত
‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সাদিয়া খালিদ রীতি প্রথম না দ্বিতীয় সেই আলাপে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, ‘আমি দ্বিতীয় বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব।’

হলিউডের প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে হওয়া নামকরা অ্যাওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম গোল্ডেন গ্লোবে ভোটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের এ সাংবাদিক ও ফিল্ম ক্রিটিক।

এটি নিঃসন্দেহে উদযাপনের বিষয় এবং রীতি সেটি করছেনও। তার ভাষ্যে, ‘হ্যাঁ, আমি উদযাপন করছি। এটা এমন না যে হঠাৎ করে পেয়ে গেছি। এটার জন্য অনেক হার্ড ওয়ার্ক করেছি। শ্রম করে পাওয়ার যে আনন্দ সেটা পাচ্ছি।’

আর কেন তিনি দ্বিতীয় সেটি ব্যাখ্যা করতে জানান, ১৯৯৩ সালে ভোটার হিসেবে একজন যুক্ত হয়েছিলেন, তিনি বাংলাদেশি তবে আমেরিকান নাগরিক ছিলেন এবং আমেরিকান জার্নালিস্ট হিসেবেই তিনি ভোটার হয়েছিলেন। মূলত ফটো জার্নালিস্ট ছিলেন তিনি।

কীভাবে এ অর্জন? জানতে চাইলে রীতি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গোল্ডেন গ্লোব এর আগে শুধু আমেরিকার নাগরিকদের মধ্যে থেকে ভোটার হিসেবে নিত, এবার ওরা অন্য দেশ থেকেও ভোটার নিচ্ছে, যাদের হাইপ্রোফাইল মনে করছে। আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১০০ জনের মধ্যে, এখন সেটা ডাবলের মতো হয়ে যাচ্ছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি এটার খবর রাখতাম না, কারণ এটা শুধু আমেরিকার নাগরিকদের জন্য ছিল। তো হঠাৎ করে একদিন গোল্ডেন গ্লোবের ভোটিং বডির প্রেসিডেন্ট মেইল করল। আমি ভেবেছিলাম এটা হয়তো প্রি-সিলেকশন, আমি বোধহয় সিলেকশন হয়ে গিয়েছি। পরে দেখলাম, না, ওরা অ্যাপ্লিকেশন চেয়েছে এবং সেগুলো থেকে যাচাই-বাছাই করে তারপর চূড়ান্ত করবে। কয়েকটা মাস টেনশনে ছিলাম, হয় কি না।’

শেষমেশ জয়ের হাসি হেসেছেন রীতি। অনেকগুলো সিনেমা দেখতে হবে তার। নেটফ্লিক্স এবং ডিজনি নাকি এরই মধ্যে স্ক্রিনার (প্রমোশনাল) পাঠানো শুরু করেছ। অনেক বড় কাজ।

রীতি বলেন, ‘কাজটা যেন ঠিকমতো করতে পারি। গোল্ডেন গ্লোব কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে একজনকে নিয়েছে, দেশের সম্মানটা যেন রাখতে পারি।’

রীতি সিনেমাপাগল। স্বপ্নের পেছনেই ছুটছেন এখনও। রীতির বাবা ছিলেন এয়ারফোর্সে। যশোরে জন্ম রীতির, বেড়ে উঠেছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ক্লাস ৪-৫-এ চায়নাতেও ছিলেন তিনি।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে অনার্স করে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুল অফ থিয়েটার, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে লেখাপড়া করেছেন। তার বিষয় ছিল স্ক্রিপ্ট রাইটিং।

রীতি জানান, ২০১৫-১৭তে যখন তিনি লস অ্যাঞ্জেলসে ছিলেন, তখন ওখানে রাইটার হিসেবে কাজ করতে গেলে ওদের গল্পটাই বলতে হতো। কিন্তু রীতি চেয়েছিলেন নিজের দেশের গল্পটা আগে বলতে। হলিউডে রীতি দুটি প্রোডাকশন হাউস ও একটি আর্টিস্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্মে কাজ করেছেন। সাংবাদিক হিসেবেও সেখানকার সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন তিনি।

সিনেমার প্রতি এ ভালোবাসা রীতির টিনএজ বয়স থেকে। তিনি বলেন, ‘মুলান রুজ সিনেমাটা দেখে আমার সিনেমার প্রতি আগ্রহ জন্মে। ইচ্ছা ছিল মিউজিক ভিডিও বানাব।’

পরে রাইটিংয়ে আগ্রহ বাড়ে রীতির। বিদেশে লেখাপড়া ও কাজ শেষে দেশে এসে ফুল টাইম লিখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি।

রীতি বলেন, ‘আমাদের এখানে রাইটারদের মূল্যায়ন করা হয় না। মাসের পর মাস একটা প্রজেক্টে কাজ করেছি কিন্তু কোনো টাকা দেয় নাই; কোনো কনট্রাক্ট সাইন করে নাই। খুবই আনপ্রফেশনাল এই রাইটিংয়ের জায়গাটা। টাকা দিলেও খুব সামান্য টাকা দেয়। আমি বুঝলাম লিখে টিকে থাকা সম্ভব না। আসার পর ছয় মাস রাইটিং করেছি, পরে দেখলাম এভাবে হয় না, পরে আবার সাংবাদিক পেশায় যুক্ত হয়েছি ও রাইটিংয়ের কাজ করছি।’

এর পাশাপাশি রীতি যুক্ত হতে থাকেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে। এরই মধ্যে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জুরির দায়িত্ব পালন করেছেন, ছিলেন বার্লিনালে ট্যালেন্টসে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

ফেস্টিভ্যাল সার্কিটে যুক্ত হওয়ার শুরুর গল্প জানিয়ে রীতি বলেন, ‘আমি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের (ডিআইএফএফ) সঙ্গে যুক্ত হই ২০১২তে। ২০১৮তে ফেস্টিভ্যালের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পাই। ঢাকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে এখানকার মানুষ বোঝে কি না জানি না, কিন্তু এটা অনেক বড় ফেস্টিভ্যাল। ওই বছরেই আমার অনেকগুলো ফেস্টিভ্যাল থেকে ডাক আসে।’

অনেকে বলবেন, এসব ফেস্টিভ্যালে যুক্ত হয়ে দেশের সিনেমার কী হবে? তার ব্যাখ্যা দিয়ে রীতি বলেন, ‘ফায়দা হলো, আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমাদের অংশগ্রহণ বাড়বে। ওরা কিন্তু আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটাই জানে না। ইউরো সেন্ট্রিক পয়েন্ট অফ ভিউ বা ওয়েস্টার্ন পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে ফিল্ম ক্রিটিসিজমটা চলে আসছে। ফেস্টিভ্যালে যখন কোনো ক্রিটিক সিনেমা দেখছে তার অধিকাংশই ওয়েস্টার্ন। ওরা সিনেমা দেখার পর যখন কথা বলে আমাদের সঙ্গে, তখন আমি বুঝি যে আমাদের কালচার সম্পর্কে ওদের কোনো ধারণাই নাই।

‘এতে করে সমস্যা হলো, আমাদের এখান থেকে সিনেমা নির্মাণ হবে ঠিকই, কিন্তু ওরা বুঝবেই না কিছু এবং এ অঞ্চলের সিনেমার যথার্থ মূল্যায়ন হবে না। ফিল্মের ইকোসিস্টেমের মধ্যে এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা পার্ট, যে ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে বসার মতো ফিল্ম ক্রিটিকও থাকতে হবে।’

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সিনেমা দেখে রীতির পর্যবেক্ষণ হলো- সেসব সিনেমার সঙ্গে দেশের সিনেমার পার্থক্য অনেক।

কারণ ব্যাখ্যা করে রীতি বলেন, ‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সম্প্রতি ঘোষণা এসেছে অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে লড়তে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হাওয়া সিনেমাটি। এর সম্ভাবনা কেমন জানতে চাওয়া হয় রীতির কাছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, ‘অস্কারে লবিং হয়, প্রচুর লবিং হয়। আমি যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে কাজ করতাম তখন দেখতাম আমাদের অফিসে এসে কেক দিয়ে যাচ্ছে, গিফট দিয়ে যাচ্ছে। একবার দেখেছিলাম যে টম হ্যাঙ্কসের কোনো একটি সিনেমা, নাম মনে করতে পারছি না, ওরা এক মাস ধরে প্রতি রাতে পার্টি দিয়েছে।

‘তবে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্মে এই লবিং মনে হয় না প্রযোজ্য। এ ক্ষেত্রে ওরা দেখে ফেস্টিভ্যালে কেমন পারফর্ম করেছে সিনেমাটি। হাওয়া তো সেই অর্থে ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করেনি। তার পরও সিনেমাটি যদি কয়েক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে, সেটাই আমাদের পাওয়া হবে।’

কাজ তো চলছেই, পাশাপাশি একটি টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছেন রীতি। সেটি কেমন?

রীতি বলেন, ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে একটা সেগমেন্ট করি আমরা, যেটার নাম ওয়েস্ট মিট ইস্ট। ওখানে আমরা সাউথ এশিয়ান রিজিয়নের স্ক্রিপ্ট নিয়ে একটা কম্পিটিশন করি। আমার একটা স্বপ্ন হচ্ছে যে, সাউথ এশিয়ান ফিল্মের মধ্যে রিজিয়নাল কো-অপারেশনকে আরও শক্তিশালী করা। আমাদের মধ্যে এই কো-অপারেশনটা খুবই উইক এখন পর্যন্ত।

কো-অপারেশন বাড়লে কী হবে জানতে চাইলে রীতি বলেন, ‘গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মটা যে এত ওয়েস্ট ঘ্যাসা সেটা চেঞ্জ হবে। আমার সংঘবদ্ধ হলে আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটা সবার শুনতেই হবে। ওয়েস্ট মিট ইস্ট প্রোগ্রামটা নিয়ে সাউথ এশিয়ানদের মধ্যে বেশ একটা আগ্রহ আছে। আশা করি বিষয়টা নিয়ে এগোনো যাবে।’

মন্তব্য

বিনোদন
In the teaser Tisha appeared as heroine Pritilata

টিজারে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ রূপে দেখা দিলেন তিশা

টিজারে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ রূপে দেখা দিলেন তিশা প্রীতিলতা চরিত্রে নুসরাত ইমরোজ তিশা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা, ছবি: টিজার থেকে নেয়া
উপন্যাস থেকে একই নামে সিনেমা নির্মাণ করেছেন প্রদীপ ঘোষ। রোববার প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির টিজার। সিনেমায় প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। টিজারে বিভিন্ন লুকে দেখা গেছে তাকে।

প্রীতিলতা ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের বিপ্লবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

ক্রেইগ হত্যা মামলায় আরেক বিপ্লবী রামকৃষ্ণ বিশ্বাস আলীপুর জেলে আটক ছিলেন। জেলেই তার সঙ্গে প্রীতিলতা দেখা করেছিলেন ৪০ বার।

সূর্যসেনের নির্দেশ ছিল একজন বিপ্লবী আরেকজন বিপ্লবীর সঙ্গে দেখা করতে পারবে না। কিন্তু প্রীতিলতা সেই নির্দেশ অমান্য করেছিলেন। কিন্তু কেন? কী এমন টান ছিল প্রীতিলতার?

হয়তো রামকৃষ্ণকে পছন্দ করতেন, ভালোবাসতেন প্রীতিলতা! এর উত্তর কি পাওয়া সম্ভব? কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ লেখার আগে এসবের উত্তর খুঁজেছেন।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের পর প্রীতিলতা বিষপান করে জীবন উৎসর্গ করেন। তার পোশাকের পকেটে পাওয়া যায় রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ছবি।

এ থেকে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের বিশ্বাস দৃঢ় হয়। আর সেই বিশ্বাস থেকে প্রীতিলতার মনে গোপন করে রাখা ভালোবাসা নিয়ে সেলিনা হোসেন লিখেছেন ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ উপন্যাস।

সেই উপন্যাস থেকে একই নামে সিনেমা নির্মাণ করেছেন প্রদীপ ঘোষ। রোববার প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির টিজার। সিনেমায় প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। টিজারে বিভিন্ন লুকে দেখা গেছে তাকে।

বিপ্লবী রামকৃষ্ণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মনোজ প্রামাণিক। টিজারে আছেন তিনিও। টিজারের শেষ অংশে তিশাকে দেখা গেছে সেই সময়ের পুলিশি পোশাকে; আর মাথায় পাগড়ি। গুলিবিদ্ধ তিশাকে কাতরাতে দেখা গেছে টিজারের শেষ অংশে।

সিনেমাটি কবে মুক্তি পাবে, তা এখনও জানানো হয়নি। ২০১৯-২০ অর্থবছরের সরকারি অনুদান পায় সিনেমাটি।

মন্তব্য

বিনোদন
The story of the weaving industry in Apu Productions is the story of the red saree

অপুর প্রযোজনায় তাঁতশিল্পের গল্পে ‘লাল শাড়ি’র মহরত

অপুর প্রযোজনায় তাঁতশিল্পের গল্পে ‘লাল শাড়ি’র মহরত সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস প্রযোজিত লাল শাড়ি সিনেমার মহরত। ছবি: নিউজবাংলা
অপু বিশ্বাস আয়োজনে বলেন, ‘অপু-জয় চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা আমার মা। তিনি আমাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি এও চেয়েছিলেন যে, সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র দিয়ে যেন আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শুরু হয়। সেটা করতে পেরেছি, ভালো লাগছে। সবাই আমার বাবা-মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’

শাড়ির সঙ্গে মিশে থাকে নারীর আবেগ, ভালোবাসার স্মৃতি। আর তা যদি হয় লাল শাড়ি তাহলে তো সেই স্মৃতির গভীরতা হয় আরও বেশি। কারণ লাল শাড়ির সঙ্গে মিশে থাকে বিয়ের আনন্দঘন মুহূর্ত। শাড়ির সঙ্গে শুধু নারীর নয়, পুরুষেরও জড়িয়ে থাকে নানা আবেগ।

এমন নানা আবেগেই কি না, অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসও লাল শাড়িতে সেজেছিলেন শনিবার রাতে। শাড়ির সঙ্গে তার আবেগ নিশ্চিত জড়িয়ে থাকলেও তার লাল শাড়িতে সেজে আসার কারণ ভিন্ন।

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস প্রযোজিত লাল শাড়ি সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানের কারণেই তিনি সেজেছিলেন লাল শাড়িতে।

অপু বিশ্বাসের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম ‘অপু-জয় চলচ্চিত্র’। প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হলো শনিবার রাত থেকে। অপুর বাবা-মা এর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে শুরু হয় আয়োজন। প্রয়াত বাবা-মা এর ছবির সামনে প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে তিনি এ শ্রদ্ধা জানান।

অপু বিশ্বাস আয়োজনে বলেন, ‘অপু-জয় চলচ্চিত্র' প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা আমার মা। তিনি আমাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি এও চেয়েছিলেন যে, সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র দিয়ে যেন আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শুরু হয়। সেটা করতে পেরেছি, ভালো লাগছে। সবাই আমার বাবা-মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’

অপু আরও বলেন, ‘অনুদান পেয়ে প্রথম যাকে ফোন করেছিলাম তিনি বিপ্লব দা (বিপ্লব সাহা)। সে বলেছিল মাসী মা নেই তো কী হয়েছে, আমি আছি তোর পাশে।’

সিনেমার পরিচালক বন্ধন বিশ্বাস জানান, নভেম্বরে শুরু হবে সিনেমার শুটিং। টানাই শুটিং করতে চান তিনি। আর আগামী বছর পহেলা বৈশাখে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা আছে তাদের।

বন্ধন বিশ্বাস বলেন, ‘লাল শাড়ি একটা স্বপ্ন, মুক্তি সংগ্রামের প্রতীক। এমন একটি গল্প বলার জন্য অপু বিশ্বাস আমার ওপর আস্থা রেখেছেন- এ জন্য ধন্যবাদ। তিনি আমাকে স্বাধীনতা দিয়েছেন কাজ করার। সব মিলিয়ে এক রকম চাপই অনুভব করছি।’

সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সাইমন সাদিক। তিনি বলেন, ‘লাল শাড়ি সিনেমাটি তাতশিল্প নিয়ে। এ শিল্পটা এখন ব্যাকফুটে। সিনেমাটির মাধ্যমে একটি ঐতিহ্য সবার সামনে উঠে আসবে। এটি গ্রামীণ প্রেক্ষাপটের সিনেমা।’

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মুশফিকুর রহমান গুলজার। তিনি বলেন, ‘অনেকে অনেক কথা বলতে পারে, তবে সিনেমাটি এর চিত্রনাট্যের যোগ্যতার বলেই অনুদান পেয়েছে। আমি কমিটিতে ছিলাম, আমি জানি।’

সবার আলোচনা শেষে সুতার চরকি ঘুরিয়ে লাল শাড়ি সিনেমার মহরত ঘোষণা করেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান। আরও ছিলেন অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার।

আরও পড়ুন:
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে না হলেই খুশি হতাম: অপু
অপুর কলকাতার সিনেমার পোস্টার প্রকাশ, সেপ্টেম্বরে মুক্তি
কেন অনুদান নিলাম, তার ব্যাখ্যা দেব: অপু বিশ্বাস

মন্তব্য

বিনোদন
IGP praised Operation Sundarban

‘অপারেশন সুন্দরবন’ দেখে প্রশংসা করলেন আইজিপি

‘অপারেশন সুন্দরবন’ দেখে প্রশংসা করলেন আইজিপি অপারেশন সুন্দরবন সিনেমা দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
অপারেশন সুন্দরবন নির্মাণের গল্প উল্লেখ করে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘জলদস্যুদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত সুন্দরবনের শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অপারেশন শুরু করে র‍্যাব। অফিসার ও ট্রুপসদের দক্ষতা ও চৌকস অপারেশনের মাধ্যমে সুন্দরবনকে জলদস্যু মুক্ত করা হয়। আর সেই সাফল্যগাথা ফ্রেমে ফ্রেমে জাতির সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যেই অপারেশন সুন্দরবন বানানোর পরিকল্পনা করি।’

দর্শকদের ভালোবাসা জয় করতে পেরেছে বলে অপারেশন সুন্দরবন মুক্তির পর থেকে দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছে। ২ ঘণ্টা ২১ মিনিট দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখাটাও সিনেমাটির একটা সাফল্য। সিনেমাটি ঝুলে যায়নি। টানটান উত্তেজনা ও সাসপেন্সে ভরপুর ছিল বলে সিনেমাটি দর্শকরা গ্রহণ করেছের।

ভিএফএক্স, সাউন্ড কোয়ালিটি, শিল্পীদের অভিনয়, কলাকুশলীদের মুনশিয়ানায় অপারেশন সুন্দরবন ছবিটি একটি ভিন্নধর্মী ও মানসম্পন্ন চলচ্চিত্রের কাতারে স্থান পেয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্সে অপারেশন সুন্দরবন দেখার পর এসব কথা বলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের র‍্যাব ট্রুপস ও অফিসাররাও দুর্দান্ত কাজ করেছে। নানা মাত্রিকতায় অপারেশনের দৃশ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটি না দেখলে বোঝা যাবে না আমাদের অফিসাররা কত চৌকস ও তারা কত পরিশ্রম করতে পারে। দর্শকরা সিনেমাটি গ্রহণ করেছেন এটাই আমাদের বড় সাফল্য।’

অপারেশন সুন্দরবন নির্মাণের গল্প উল্লেখ করে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘জলদস্যুদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত সুন্দরবনের শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অপারেশন শুরু করে র‍্যাব। অফিসার ও ট্রুপসদের দক্ষতা ও চৌকস অপারেশনের মাধ্যমে সুন্দরবনকে জলদস্যু মুক্ত করা হয়। আর সেই সাফল্যগাথা ফ্রেমে ফ্রেমে জাতির সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যেই অপারেশন সুন্দরবন বানানোর পরিকল্পনা করি।

‘তবে মাত্র একটি সিনেমায় র‍্যাবের সাফল্য তুলে ধরা সম্ভব না। আমি মনে করি, এই সিনেমাটি র‍্যাবের বহু সাফল্যের একটি অংশ। সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনার পর দীপনকে বললাম তুমি সুন্দরবনে যাও, সেখানে থাকো, সেখানকার ভাওয়ালি, মধু সংগ্রহকারী, জেলেসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলো এবং সেসব নিয়ে স্ক্রিপ্ট করো। দীপন তাই করল।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক মেজর রইসুল আযম, নির্মাতা অরুণ চৌধুরী, চয়নিকা চৌধুরী, অভিনেত্রী তানজিকা, এস এ হক অলিক, অভিনেত্রী ও নির্দেশক হৃদি হক, রায়হান রাফি ও অপারেশন সুন্দরবন সিনেমার শিল্পী ও কলাকুশলীরা।

আরও পড়ুন:
জবিতে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ টিম
এলো ‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর প্রথম গান ‘এ মন ভিজে যায়’
সেপ্টেম্বরে আসছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’
‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর ট্রেইলার প্রকাশ হবে সমুদ্রসৈকতে
পার্থর প্রথম, পার্থ-বাপ্পা-পান্থও এক সঙ্গে প্রথমবার

মন্তব্য

p
উপরে