× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Beef comment Ranbir Alia face protests
hear-news
player
print-icon

গরুর মাংস নিয়ে মন্তব্য: বিক্ষোভের মুখে রণবীর-আলিয়া

গরুর-মাংস-নিয়ে-মন্তব্য-বিক্ষোভের-মুখে-রণবীর-আলিয়া
পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের (বাঁয়ে) সঙ্গে রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট। ছবি: সংগৃহীত
রণবীর, আলিয়া ও অয়ন তাদের মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ব্রহ্মাস্ত্রর জন্য দেবতা শিবের আশীর্বাদ নিতে উজ্জয়িনে গিয়েছিলেন। মন্দিরে যাওয়ার সময় কট্টর হিন্দুত্ববাদী বজরং দলের সদস্যরা অভিনেতার ১১ বছর আগের মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন। বিক্ষোভের রেশ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।

গরুর মাংস নিয়ে মন্তব্যের জেরে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন বলিউড তারকা দম্পতি রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট এবং তাদের অভিনীত সিনেমার পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনের বিখ্যাত মহাকালেশ্বর মন্দিরে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তারা।

বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১১ সালে গরুর মাংস নিয়ে রণবীর কাপুর যে মন্তব্য করেছিলেন, তার জেরে মঙ্গলবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তিনজনকে। ওই বছর রকস্টার সিনেমার প্রচারের সময় অভিনেতা বলেছিলেন, গরুর মাংস তার পছন্দের।

রণবীর, আলিয়া ও অয়ন তাদের মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ব্রহ্মাস্ত্রর জন্য দেবতা শিবের আশীর্বাদ নিতে উজ্জয়িনে গিয়েছিলেন। মন্দিরে যাওয়ার সময় কট্টর হিন্দুত্ববাদী বজরং দলের সদস্যরা অভিনেতার ১১ বছর আগের মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন। বিক্ষোভের রেশ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ রণবীরের পুরোনো সাক্ষাৎকারের ভিডিও প্রচার করেন। যেখানে অভিনেতাকে একবার বলতে শোনা যায়, তিনি গরুর মাংস খেতে পছন্দ করেন।

কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোপে আছেন রণবীর। ট্রলাররা টুইটারে হ্যাশট্যাগ ‘বয়কট ব্রহ্মাস্ত্র’ ট্রেন্ড চালু করেছেন। সেই সঙ্গে তারা দর্শকদের সিনেমাটি না দেখার অনুরোধ করছেন।

সিনেমাটির প্রতিবাদে বজরং দলের সদস্যরা মহাকালেশ্বর মন্দিরে কালো পতাকা ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়ান।

রণবীর ও আলিয়াকে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। শুধু অয়নই মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছিলেন।

বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে স্থানীয় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ওই সময় নিয়ম ভাঙার কারণে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের মারধরের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

বজরং দলের সমন্বয়ক অঙ্কিত জিন্দাল বলেন, ‘আমরা আলিয়া ও রণবীরকে মন্দিরে প্রবেশ করতে দেব না। তিনি (রণবীর) বলেছিলেন, গরুর মাংস খাওয়া ভালো বিষয়। এই চিন্তা নিয়ে বাবা মহাকাল মন্দিরে কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না বজরং দল।

‘সারা দেশ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। আজ তাকে আমরা মন্দিরে প্রবেশ করতে দিতাম না। আমরা কালো পতাকা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলাম, কিন্তু পুলিশ আমাদের কর্মীদের মারধর শুরু করেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।’

ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা ওপি মিশ্র বলেন, ‘মন্দিরে ভিআইপি মুভমেন্টের কারণে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম এবং বিক্ষোভকারীদের ব্যারিকেডের বাইরে থাকতে বলা হয়েছিল।

‘বজরং দলের এক সদস্য নিরাপত্তাবেষ্টনী ভাঙায় আমাদের বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হয়েছিল।’

আরও পড়ুন:
আমি নারী, পার্সেল নই: আলিয়া
বিয়ের আড়াই মাস পরেই মা হওয়ার খবর দিলেন আলিয়া
‘মন্দিরে জুতা পরা’ বিতর্কে মুখ খুললেন ‘ব্রহ্মাস্ত্র’-এর পরিচালক
ট্রেলার প্রকাশ হতেই বিতর্কে রণবীর-আলিয়ার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’
এলো রণবীর-আলিয়া জুটির প্রথম সিনেমা ‘ব্রহ্মাস্ত্র’র ট্রেইলার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
We Are Distracted What Our National Film Really Is The Sadia Khalid Genre

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত
‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সাদিয়া খালিদ রীতি প্রথম না দ্বিতীয় সেই আলাপে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, ‘আমি দ্বিতীয় বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব।’

হলিউডের প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে হওয়া নামকরা অ্যাওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম গোল্ডেন গ্লোবে ভোটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের এ সাংবাদিক ও ফিল্ম ক্রিটিক।

এটি নিঃসন্দেহে উদযাপনের বিষয় এবং রীতি সেটি করছেনও। তার ভাষ্যে, ‘হ্যাঁ, আমি উদযাপন করছি। এটা এমন না যে হঠাৎ করে পেয়ে গেছি। এটার জন্য অনেক হার্ড ওয়ার্ক করেছি। শ্রম করে পাওয়ার যে আনন্দ সেটা পাচ্ছি।’

আর কেন তিনি দ্বিতীয় সেটি ব্যাখ্যা করতে জানান, ১৯৯৩ সালে ভোটার হিসেবে একজন যুক্ত হয়েছিলেন, তিনি বাংলাদেশি তবে আমেরিকান নাগরিক ছিলেন এবং আমেরিকান জার্নালিস্ট হিসেবেই তিনি ভোটার হয়েছিলেন। মূলত ফটো জার্নালিস্ট ছিলেন তিনি।

কীভাবে এ অর্জন? জানতে চাইলে রীতি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গোল্ডেন গ্লোব এর আগে শুধু আমেরিকানদের ভোটার হিসেবে নিত, এবার ওরা অন্য দেশ থেকেও ভোটার নিচ্ছে, যাদের হাইপ্রোফাইল মনে করছে। আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১০০ জনের মধ্যে, এখন সেটা ডাবলের মতো হয়ে যাচ্ছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি এটার খবর রাখতাম না, কারণ এটা শুধু আমেরিকানদের জন্য ছিল। তো হঠাৎ করে একদিন গোল্ডেন গ্লোবের ভোটিং বডির প্রেসিডেন্ট মেইল করল। আমি ভেবেছিলাম এটা হয়তো প্রি-সিলেকশন, আমি বোধহয় সিলেকশন হয়ে গিয়েছি। পরে দেখলাম, না, ওরা অ্যাপ্লিকেশন চেয়েছে এবং সেগুলো থেকে যাচাই-বাছাই করে তারপর চূড়ান্ত করবে। কয়েকটা মাস টেনশনে ছিলাম, হয় কি না।’

শেষমেশ জয়ের হাসি হেসেছেন রীতি। অনেকগুলো সিনেমা দেখতে হবে তার। নেটফ্লিক্স এবং ডিজনি নাকি এরই মধ্যে স্ক্রিনার (প্রমোশনাল) পাঠানো শুরু করেছ। অনেক বড় কাজ।

রীতি বলেন, ‘কাজটা যেন ঠিকমতো করতে পারি। গোল্ডেন গ্লোব কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে একজনকে নিয়েছে, দেশের সম্মানটা যেন রাখতে পারি।’

রীতি সিনেমাপাগল। স্বপ্নের পেছনেই ছুটছেন এখনও। রীতির বাবা ছিলেন এয়ারফোর্সে। যশোরে জন্ম রীতির, বেড়ে উঠেছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ক্লাস ৪-৫-এ চায়নাতেও ছিলেন তিনি।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে অনার্স করে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুল অফ থিয়েটার, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে লেখাপড়া করেছেন। তার বিষয় ছিল স্ক্রিপ্ট রাইটিং।

রীতি জানান, ২০১৫-১৭তে যখন তিনি লস অ্যাঞ্জেলসে ছিলেন, তখন ওখানে রাইটার হিসেবে কাজ করতে গেলে ওদের গল্পটাই বলতে হতো। কিন্তু রীতি চেয়েছিলেন নিজের দেশের গল্পটা আগে বলতে। হলিউডে রীতি দুটি প্রোডাকশন হাউস ও একটি আর্টিস্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্মে কাজ করেছেন। সাংবাদিক হিসেবেও সেখানকার সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন তিনি।

সিনেমার প্রতি এ ভালোবাসা রীতির টিনএজ বয়স থেকে। তিনি বলেন, ‘মুলান রুজ সিনেমাটা দেখে আমার সিনেমার প্রতি আগ্রহ জন্মে। ইচ্ছা ছিল মিউজিক ভিডিও বানাব।’

পরে রাইটিংয়ে আগ্রহ বাড়ে রীতির। বিদেশে লেখাপড়া ও কাজ শেষে দেশে এসে ফুল টাইম লিখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি।

রীতি বলেন, ‘আমাদের এখানে রাইটারদের মূল্যায়ন করা হয় না। মাসের পর মাস একটা প্রজেক্টে কাজ করেছি কিন্তু কোনো টাকা দেয় নাই; কোনো কনট্রাক্ট সাইন করে নাই। খুবই আনপ্রফেশনাল এই রাইটিংয়ের জায়গাটা। টাকা দিলেও খুব সামান্য টাকা দেয়। আমি বুঝলাম লিখে টিকে থাকা সম্ভব না। আসার পর ছয় মাস রাইটিং করেছি, পরে দেখলাম এভাবে হয় না, পরে আবার সাংবাদিক পেশায় যুক্ত হয়েছি ও রাইটিংয়ের কাজ করছি।’

এর পাশাপাশি রীতি যুক্ত হতে থাকেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে। এরই মধ্যে কান, বার্লিনালের মতো উৎসবের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রীতি।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

ফেস্টিভ্যাল সার্কিটে যুক্ত হওয়ার শুরুর গল্প জানিয়ে রীতি বলেন, ‘আমি ঢাকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সঙ্গে যুক্ত হই ২০১২তে। ২০১৮তে ফেস্টিভ্যালের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পাই। ঢাকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে এখানকার মানুষ বোঝে কি না জানি না, কিন্তু এটা অনেক বড় ফেস্টিভ্যাল। ওই বছরেই আমার অনেকগুলো ফেস্টিভ্যাল থেকে ডাক আসে।’

অনেকে বলবেন, এসব ফেস্টিভ্যালে যুক্ত হয়ে দেশের সিনেমার কী হবে? তার ব্যাখ্যা দিয়ে রীতি বলেন, ‘ফায়দা হলো, আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমাদের অংশগ্রহণ বাড়বে। ওরা কিন্তু আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটাই জানে না। ইউরো সেন্ট্রিক পয়েন্ট অফ ভিউ বা ওয়েস্টার্ন পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে ফিল্ম ক্রিটিসিজমটা চলে আসছে। ফেস্টিভ্যালে যখন কোনো ক্রিটিক সিনেমা দেখছে তার অধিকাংশই ওয়েস্টার্ন। ওরা সিনেমা দেখার পর যখন কথা বলে আমাদের সঙ্গে, তখন আমি বুঝি যে আমাদের কালচার সম্পর্কে ওদের কোনো ধারণাই নাই।

‘এতে করে সমস্যা হলো, আমাদের এখান থেকে সিনেমা নির্মাণ হবে ঠিকই, কিন্তু ওরা বুঝবেই না কিছু এবং এ অঞ্চলের সিনেমা কখনই অ্যাওয়ার্ড পাবে না। ফিল্মের ইকোসিস্টেমের মধ্যে এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা পার্ট, যে ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে বসার মতো ফিল্ম ক্রিটিকও থাকতে হবে।’

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সিনেমা দেখে রীতির পর্যবেক্ষণ হলো- সেসব সিনেমার সঙ্গে দেশের সিনেমার পার্থক্য অনেক।

কারণ ব্যাখ্যা করে রীতি বলেন, ‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সম্প্রতি ঘোষণা এসেছে অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে লড়তে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হাওয়া সিনেমাটি। এর সম্ভাবনা কেমন জানতে চাওয়া হয় রীতির কাছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, ‘অস্কারে লবিং হয়, প্রচুর লবিং হয়। আমি যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে কাজ করতাম তখন দেখতাম আমাদের অফিসে এসে কেক দিয়ে যাচ্ছে, গিফট দিয়ে যাচ্ছে। একবার দেখেছিলাম যে টম হ্যাঙ্কসের কোনো একটি সিনেমা, নাম মনে করতে পারছি না, ওরা এক মাস ধরে প্রতি রাতে পার্টি দিয়েছে।

‘তবে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্মে এই লবিং মনে হয় না প্রযোজ্য। এ ক্ষেত্রে ওরা দেখে ফেস্টিভ্যালে কেমন পারফর্ম করেছে সিনেমাটি। হাওয়া তো সেই অর্থে ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করেনি। তার পরও সিনেমাটি যদি কয়েক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে, সেটাই আমাদের পাওয়া হবে।’

কাজ তো চলছেই, পাশাপাশি একটি টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছেন রীতি। সেটি কেমন?

রীতি বলেন, ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে একটা সেগমেন্ট করি আমরা, যেটার নাম ওয়েস্ট মিট ইস্ট। ওখানে আমরা সাউথ এশিয়ান রিজিয়নের স্ক্রিপ্ট নিয়ে একটা কম্পিটিশন করি। আমার একটা স্বপ্ন হচ্ছে যে, সাউথ এশিয়ান ফিল্মের মধ্যে রিজিয়নাল কো-অপারেশনকে আরও শক্তিশালী করা। আমাদের মধ্যে এই কো-অপারেশনটা খুবই উইক এখন পর্যন্ত।

কো-অপারেশন বাড়লে কী হবে জানতে চাইলে রীতি বলেন, ‘গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মটা যে এত ওয়েস্ট ঘ্যাসা সেটা চেঞ্জ হবে। আমার সংঘবদ্ধ হলে আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটা সবার শুনতেই হবে। ওয়েস্ট মিট ইস্ট প্রোগ্রামটা নিয়ে সাউথ এশিয়ানদের মধ্যে বেশ একটা আগ্রহ আছে। আশা করি বিষয়টা নিয়ে এগোনো যাবে।’

মন্তব্য

বিনোদন
Jacquelines interim bail

জ্যাকলিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন

জ্যাকলিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত
ইডি গত মাসে জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে মামলায় চার্জশিট জমা দিলে অভিনেত্রী অভিযোগ করে বলেন, ইডির তদন্ত পদ্ধতি ভুয়া ও অন্যের মদতপুষ্ট।

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে নাম জড়ানোর পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তলব করেছিল বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে। সুকেশের সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অনেককেই থানায় ডেকেছিল দিল্লির আর্থিক অপরাধ দমন শাখা।

দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ইডি। এর মধ্যেই ৩৭ বছর বয়সী জ্যাকলিন পেলেন অন্তর্বর্তীকালীন জামিন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ইডি গত মাসে জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে মামলায় চার্জশিট জমা দিলে অভিনেত্রী অভিযোগ করে বলেন, ইডির তদন্ত পদ্ধতি ভুয়া ও অন্যের মদতপুষ্ট।

এ অভিযোগ এনে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আপিল করেছিলেন দিল্লির একটি আদালতে। সেই আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার জামিন মঞ্জুর হলো তার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, অস্বীকার করার উপায় নেই যে জ্যাকলিনের ‘স্বপ্নের পুরুষ’ ছিলেন সুকেশ! ২০০ কোটি রুপির অর্থ আত্মসাৎ মামলায় তদন্তে নেমে এমন কথাই জানতে পেরেছে তদন্তকারী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এও জানিয়েছিল, সুকেশকে বিয়েও করতে চেয়েছিলেন এ নায়িকা। সুকেশের অপরাধের কথা জেনেও তাকে ছেড়ে জাননি জ্যাকলিন।

আরও পড়ুন:
২০০ কোটি রুপি পাচার মামলায় জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
জ্যাকলিনকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ ইডির 
জ্যাকলিনের সঙ্গে বলিউডে অভিষেক হচ্ছে মিশেলের
ব্যক্তিগত মুহূর্তের আরেকটি ছবি ভাইরাল, বিশেষ অনুরোধ জ্যাকলিনের
জ্যাকুলিন-নোরাকে দেয়া সুকেশের উপহার বাজেয়াপ্ত

মন্তব্য

বিনোদন
One night at Prosenjits house

এক রাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে

এক রাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে অভিনেতা প্রসেনজিতের বাড়িতে দেশের অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা। ছবি: সংগৃহীত
প্রসেনজিৎ ও চঞ্চলের একটি ছবি রয়েছে পোস্ট করা অ্যালবামে। ছবিটি দেখে মনে হচ্ছে দুই বাংলার দুই জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী একে অন্যকে ধরে গান গাইছেন এবং তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে করছেন অঙ্গভঙ্গি।

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী প্রসেনজিতের বাড়িতে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন এ দেশের কয়েকজন শিল্পী-কলাকুশলী। সেখানে রাতের খাবারের আমন্ত্রণ ছিল তাদের। আড্ডা-গানে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে আমন্ত্রণ পর্বটি।

প্রসেনজিতের আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন চঞ্চল চৌধুরী ও তার স্ত্রী-সন্তান, নাট্যকার-অভিনেত্রী দম্পতি বৃন্দাবন দাস, সাহনাজ খুশি ও তাদের দুই সন্তান, বিজরী বরকতুল্লাহ ও ইন্তেখাব দিনার দম্পতি এবং নির্মাতা শাওকি।

আমন্ত্রণ পর্বের কিছু ছবি রোববার রাতে ফেসবুকে পোস্ট করেন অভিনেত্রী বিজরী বরকতুল্লাহ। সেসব ছবিতে পাওয়া গেছে প্রসেনজিতের বাড়ির বাইরের ও ভেতরের দৃশ্য।

এক রাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে
বাঁ থেকে- বাইরে থেকে প্রসেনজিতের বাড়ি, চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে গান, বাড়ির ভেতরের কিছু অংশ। বিজরী বরকতুল্লাহর ফেসবুক থেকে

প্রসেনজিৎ ও চঞ্চলের একটি ছবি রয়েছে পোস্ট করা অ্যালবামে। ছবিটি দেখে মনে হচ্ছে দুই বাংলার দুই জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী একে অন্যকে ধরে গান গাইছেন এবং তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে করছেন অঙ্গভঙ্গি।

ছবিটি শেয়ার করে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘সবার সঙ্গে ছবি তোলা শেষে আমাকে বললেন, চল বাবু... মনের মানুষ এ আমরা যেমন করে গানের সঙ্গে নাচতাম, সে রকম একটা ছবি তুলি।’

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত মনের মানুষ সিনেমাটি ২০১০ সালে মুক্তি পায়। এতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন চঞ্চল ও প্রসেনজিৎ।

এক রাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে
প্রসেনজিতের বাড়ির দেয়ালে রাখা ক্লাসিক সিনেমার পোস্টার। বিজরী বরকতুল্লাহর ফেসবুক থেকে

ছবির ক্যাপশনে বিজরী লিখেছেন, ‘একজন শিল্পীর বিনয় তাকে মানুষ হিসেবে অনেক উঁচুতে নিয়ে যায়। সেটি প্রমাণ করেছেন কলকাতার প্রথিতযশা জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (বুম্বাদা)। তার সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার ও বিনয়ে আমরা মুগ্ধ হলাম।

এক রাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে
প্রসেনজিতের বাড়ির একটি কক্ষ। ছবি: বিজরী বরকতুল্লাহর ফেসবুক থেকে

‘তিনি রাতের খাবারের আয়োজন করেছিলেন তার বাড়িতে আমাদের জন্য, মানে বাংলাদেশের কিছু শিল্পীর জন্য। চমৎকার সময় আমরা কাটিয়েছি তার বাড়িতে। ভীষণ পরিপাটি এবং শৈল্পিকতার ছোঁয়ায় পরিপূর্ণ এ বাড়িটির রয়েছে ঐতিহাসিক মর্যাদা। দারুণ একটি সময় কাটালাম আমরা।’

লেখার শেষ পর্যায়ে এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেয়ার জন্য চঞ্চল চৌধুরীকে ধন্যবাদ দিয়েছেন বিজরী।

এক রাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে
খাবার টেবিলে প্রসেনজিতের সঙ্গে দেশের অভিনয়শিল্পী ও কুশলীরা। ছবি: বিজরী বরকতুল্লাহর ফেসবুক থেকে

ভারতীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের ষষ্ঠ সিজনের প্রোজেক্ট ঘোষণার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন দেশের কয়েকজন অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা ও কলাকুশলীরা।

আরও পড়ুন:
‘শিখো’তে যুক্ত হলেন চঞ্চল চৌধুরী
এটা স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে: চঞ্চল চৌধুরী
হাওয়ার জন্য বসুন্ধরায় ভিড়, চাপ নেই এসকেএসে
‘চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে বলে খুব সহজে অভিনেতা হওয়া যাবে না’
খারাপ ফলে হতাশদের জন্য চঞ্চল আছেন

মন্তব্য

বিনোদন
Wifes smile with Shahrukhs picture

শাহরুখের ছবি নিয়ে স্ত্রীর মস্করা

শাহরুখের ছবি নিয়ে স্ত্রীর মস্করা ইনস্টাতে শেয়ার করা শাহরুখ খানের ছবি (বাঁয়ে) ও গৌরী খান। ছবি: সংগৃহীত
গৌরীর এমন মস্করায় মজা পেয়েছে নেটিজেনরা। অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা শাহরুখের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, ‘যাদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হতে যাচ্ছে তাদের আরও সাবধান হতে হবে।’

খালি গায়ে পেশিবহুল শরীরের ছবি পোস্ট করেছেন শাহরুখ। রোববার সেই ছবি নিয়ে ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বলিউড বাদশাহ প্রতিনিয়ত আসেন না নেট দুনিয়ায়। কিন্তু যখন আসেন, একদম তোলপাড় করে ফেলেন।

নেটিজেনরা শাহরুখের ছবি শেয়ার করছেন, মন্তব্য করছেন। শাহরুখের স্ত্রী গৌরীও একটু মস্করা করার সুযোগ ছাড়েননি।

শাহরুখ তার সেই ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, “আমি আমার শার্টকে: ‘তুমি থাকলে কেমন হতো? তুমি এ কথায় উদ্বিগ্ন হতে, এ কথায় কতই না হাসতে তুমি, তুমি থাকলে এমনটাই হতো।’ আমিও পাঠানের জন্য অপেক্ষা করে আছি।”

শাহরুখের এই পোস্টটাই নিজের ইনস্টা স্টোরিতে শেয়ার করছেন গৌরী খান। তাতে লিখলেন, ‘হায় সৃষ্টিকর্তা!!! এই মানুষটা এখন নিজের শার্টের সঙ্গেও কথা বলতে শুরু করেছে।’

গৌরীর এমন মস্করায় মজা পেয়েছে নেটিজেনরা। অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা শাহরুখের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, ‘যাদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হতে যাচ্ছে তাদের আরও সাবধান হতে হবে।’ অক্টোবরে রিচা বিয়ে করছেন অভিনেতা আলি ফজলকে।

শাহরুখের ছবিতে দেখা যাচ্ছে কাউচের ওপরে আধশোয়া তিনি। বড় বড় চুল, খালি গা, তাতে সিক্স প্যাক পরিষ্কার।

এটি মূলত শাহরুখ খানের মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা পাঠান এর লুক। ২০২৩ সালের ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাবে সিনেমাটি। সঙ্গে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন, জন আব্রাহামসহ অনেকে।

আটলির পরিচালনায় জাওয়ান আসবে জুন মাসে আর তাপসী পান্নুর সঙ্গে রাজকুমার হিরানির ডংকিতে শাহরুখ আসবেন বছরের শেষে। সব মিলিয়ে শাহরুখ ভক্তদের জন্য জমজমাট হতে চলেছে ২০২৩ সালটা।

আরও পড়ুন:
বাতিল হচ্ছে আমির-অক্ষয়ের সিনেমার হাজার শো
‘ভিক্যাট’কে হত্যার হুমকি
বলিউডের ঈদ
২৭ বছর পর এক সিনেমায় বলিউড ‘বাদশাহ-ভাইজান’!
১৮৭১ সালের প্রেক্ষাপটে বাবা-ছেলে রণবীর

মন্তব্য

বিনোদন
This is Saudi Idol

এবার সৌদি আইডল

এবার সৌদি আইডল  সৌদি আরবে শুরু হতে যাচ্ছে 'সৌদি আইডল' রিয়েলিটি শো
এ বছরের শেষ দিকেই ‘সৌদি আইডল’ নামের নতুন এই সংস্করণের সম্প্রচার শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির (জিইএ) চেয়ারম্যান তুর্কি আল-শেখ। সামনের মাসেই এর শুটিং কার্যক্রম শুরু হবে।

ইন্টারন্যাশনাল ‘আইডল’ টেলিভিশন ফ্র্যাঞ্চাইজি ট্যালেন্ট শোর নতুন সংস্করণ আসতে যাচ্ছে সৌদি আরবে।

এ বছরের শেষ দিকে ‘সৌদি আইডল’ নামের নতুন এই সংস্করণের সম্প্রচার শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির (জিইএ) চেয়ারম্যান তুর্কি আল-শেখ।

শনিবার দেয়া এক ঘোষণায় এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। সামনের মাসেই এর শুটিং কার্যক্রম শুরু হবে। আশা করা হচ্ছে, এই বছরের ডিসেম্বরেই প্রথম পর্বের সম্প্রচার সম্ভব হবে। আরবের জিইএ ও এমবিসি গ্রুপের সহযোগিতায় এই শো চালু হতে যাচ্ছে।

নতুন এই শো-এর মাধ্যমে সৌদি গায়ক-গায়িকা অন্বেষণ করা হবে। আর এর বিচারক হিসেবে থাকছেন সৌদি আরবের গায়ক আসিল আবু বকর, আরব আমিরাতের অভিনেত্রী ও গায়িকা আহলাম, সিরিয়ার গায়িকা আসালা ও সৌদি-ইরাকি সুরকার মাজিদ আল-মোহান্দিস।

অন্যান্য দেশের আইডলের মতো সৌদি আইডলেও থাকছে অডিশন রাউন্ড ও লাইভ পারফরম্যান্স রাউন্ড। প্রাথমিক বাছাইকৃত প্রতিযোগীরা অডিশন রাউন্ডে সুযোগ পাবেন সেখান থেকে বিচারকরা তাদের নির্বাচিত করলে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

বৃটেনে ২০০১ সালে প্রথম শুরু হয় পপ আইডল। সেখান থেকে পুরো বিশ্বের ৫৬টি অঞ্চলে এর ফ্র্যাঞ্চাইজি রয়েছে। ২০১৪ সালে লেবাননে শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম আরব আইডল।

আরও পড়ুন:
মদিনায় স্বর্ণের খনি
‘মেয়ে জীবিত না মরে গেছে জানতাম না’
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাইসহ ৩ বাংলাদেশি নিহত

মন্তব্য

বিনোদন
Show me the worship song mother

পূজার গান ‘দেখা দাও মা’

পূজার গান ‘দেখা দাও মা’ ‘দেখা দাও মা’ গানের শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত
রমনা কালী মন্দিরে নির্মাণ করা হয়েছে মিউজিক ভিডিওটি। এটি নির্মাণ করেছেন শুভব্রত সরকার। পূজার সাজে গানটির ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন গানের শিল্পীরা।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের জনপ্রিয় অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস) প্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘দেখা দাও মা’ শিরোনামে বিশেষ গানচিত্র।

গানটি লিখেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় গীতিকার প্রসেন, সুর এবং সংগীতায়োজন করেছেন কিশোর দাশ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সন্দীপন দাস, ধ্রুব গুহ, কিশোর দাস, কেশব রায় চৌধুরী, প্রিয়াংকা বিশ্বাস, সুকন্যা মজুমদার, অনন্যা আচার্য ও অনিন্দিতা সাহা অথি।

রোববার এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমনা কালী মন্দিরে নির্মাণ করা হয়েছে মিউজিক ভিডিওটি। এটি নির্মাণ করেছেন শুভব্রত সরকার। পূজার সাজে গানটির ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন গানের শিল্পীরা। তাদের সঙ্গে নেচেগেয়ে দুর্গা মায়ের বন্দনা করেছেন একঝাঁক নৃত্যশিল্পী।

গানটি প্রসঙ্গে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার এবং গানটির অন্যতম শিল্পী ধ্রুব গুহ বলেন, ‘এবার দেবীদুর্গার মর্ত্যে আসছেন হাতিতে চড়ে আর কৈলাশে ফিরে যাচ্ছেন নৌকায় করে। এ বিষয়গুলোকে মাথায় রেখেই আমরা এবার দেবীদুর্গার মাহাত্ম্য বন্দনাসহ দুর্গাকে মর্ত্যে এসে চলমান এবং আসন্ন বিপর্যয়গুলো থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য প্রার্থনামূলক একটা গান করেছি।’

গানটির সুরকার এবং সংগীতায়োজক কিশোর দাশ বলেন, ‘গানটির কথার যে গাঁথুনি তার সঙ্গে উৎসব এবং প্রার্থনা দুটো আবহেরই সম্মিলন ঘটিয়ে চেষ্টা করেছি একটি ভিন্নমাত্রার গান উপহার দেয়ার। আশা করি শ্রোতাদের ভালো লাগবে গানটি।’

৩০ সেপ্টেম্বর মহাপঞ্চমীর দিন সন্ধ্যায় ডিএমএসের ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হবে ‘দেখা দাও মা’ গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে দেশি ও আন্তর্জাতিক একাধিক অ্যাপেও।

আরও পড়ুন:
‘আসছে মা দুর্গা’, পূজার গানে স্পর্শিয়া-সুমিত

মন্তব্য

বিনোদন
Samantha preparing for Citadel in the US is not a skin treatment

ত্বকের চিকিৎসা নয়, যুক্তরাষ্ট্রে ‘সিটাডেল’-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন সামান্থা

ত্বকের চিকিৎসা নয়, যুক্তরাষ্ট্রে ‘সিটাডেল’-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন সামান্থা সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত
সামান্থার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ‘সিটাডেল’-এ তার চরিত্রের জন্য কাজ করছেন। সেখানে কঠোর ফিটনেস এবং লাইফস্টাইল অনুসরণ করছেন।

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিয়ে পড়েছেন গুজবের মধ্যে। কিছুদিন আগে খবর ছড়িয়ে পড়ে অভিনেত্রী ‘ত্বকের বিরল রোগে’ আক্রান্ত। আর সেই রোগের চিকিৎসা করাতেই নাকি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন তিনি।

তবে খবরটি যে ভুল তা স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রীর ম্যানেজার মহেন্দ্র। এ নিয়ে তিনি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, এই গুজবের কোনো সত্যতা নেই।

কয়েকদিনের বিরতিহীন গুজবের পর জানা যায়, সামান্থা তার আসন্ন ওয়েব সিরিজ সিটাডেল-এর জন্য প্রশিক্ষণ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন। রুশো ব্রাদার্সের এই সিরিজের ভারতীয় সংস্করণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সিটাডেল-এ তার চরিত্রের জন্য কাজ করছেন। সেখানে কঠোর ফিটনেস এবং লাইফস্টাইল অনুসরণ করছেন।

সিরিজটিতে অ্যাকশনের জন্য সেখানে বিনোদনের জগতে কাজ করা বিখ্যাত বিশেষজ্ঞদের কাছে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তিনি।

সিটাডেল-এর ভারতীয় সংস্করণটি পরিচালনা করবেন দ্য ফ্যামিলি ম্যান খ্যাত নির্মাতা রাজ এবং ডিকে।

ত্বকের চিকিৎসা নয়, যুক্তরাষ্ট্রে ‘সিটাডেল’-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন সামান্থা
সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত

এদিকে শুক্রবার সামান্থা তার আসন্ন সিনেমা শকুন্তলম-এর মুক্তির ঘোষণা করেন। মহাকবি কালিদাসের রচনা ‘অভিজ্ঞানাশকুন্তলম’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।

তেলেগু ছাড়াও হিন্দি, মালায়লাম, তামিল এবং কন্নড় ভাষায় আগামী ৪ নভেম্বর মুক্তি পাবে শকুন্তলম

আরও পড়ুন:
কিছুদিন পর সামান্থার বিয়ে!
নয়নতারার পর সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক সামান্থার
বিচ্ছেদের পর বিয়ের শাড়িও ফেরত দিয়েছেন সামান্থা
এবার বলিউডে আইটেম গানে সামান্থা
সামান্থার কাছে যশরাজের তিন সিনেমা!

মন্তব্য

p
উপরে