× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Produced by Leesa the play directed by Naila is coming to the stage
hear-news
player
print-icon

লীসা প্রযোজিত, নায়লা পরিচালিত নাটক আসছে মঞ্চে

লীসা-প্রযোজিত-নায়লা-পরিচালিত-নাটক-আসছে-মঞ্চে
লীসা গাজী (বাঁয়ে) ও নায়লা আজাদ নূপুর (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত
এতে অভিনয় করেছেন কাজী নওশাবা আহমেদ, সোহেল রানা, শরিফ সিরাজ, সাইদুর রহমান লিপন, মামদুদুর রহমান মুক্ত, মিতালী দাশ, সাদমান সাঈদ, শিপ্রা দাশ ও শিশির রহমান।

মঞ্চে আসছে লীসা গাজী অনূদিত ও প্রযোজিত এবং নায়লা আজাদ নূপুর পরিচালিত নাটক নীল ছায়া। বেন মাসগ্ৰেভের লেখা থেকে অনুবাদ করে নাটকটি মঞ্চে আনছে কমলা কালেক্টিভ এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর মহিলা সমিতির মঞ্চে ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে, ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে মঞ্চস্থ হবে নাটকটি।

টিকিটের মূল্য ৩০০, ২০০ ও ১০০ টাকা। শোয়ের দিন বিকেল ৫টা থেকে ভেন্যুতে টিকিট পাওয়া যাবে। অগ্রিম টিকিটও যাওয়া যাবে ০১৭১৭-০০৯৬৫৩ (বিকাশ) যোগাযোগ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে গল্প সংক্ষেপে বলা হয়েছে, ব্রিটিশরাজের আমলে নীলের জন্য বিশ্বের অতৃপ্ত চাহিদা মেটাতে বাংলার গ্রামাঞ্চলের বিস্তীর্ণ অংশ নীল চাষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। ব্রিটিশ নীলকরদের সৃষ্ট প্রায় দাসসম পরিবেশেই শুধুমাত্র এই নীল চাষ করা সম্ভবপর ছিল। নীলকরদের চালানো নৃশংসতা একটি অসাধারণ বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল যা বাংলাকে চিরতরে বদলে দেয়।

নীল ছায়া দীনবন্ধু মিত্রের প্রথাভাঙা নাটক নীল দর্পণ থেকে প্রাণিত, যার গল্প ঔপনিবেশিক ভারতকে তীব্রভাবে নাড়া দিয়েছিল। নীল ছায়া ব্রিটিশ ইতিহাসের একটি বিস্মৃত মুহূর্ত আর বাংলার ইতিহাসের এমন একটি মুহূর্ত যা কখনও বিস্মৃত হবে না, এই দুই সময়কে পুনর্বিবেচনা করে। ব্রিটিশ এবং বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে চলমান কথোপকথনের নির্যাসে নাটকটি তৈরি হয়েছে।

এতে অভিনয় করেছেন কাজী নওশাবা আহমেদ, সোহেল রানা, শরিফ সিরাজ, সাইদুর রহমান লিপন, মামদুদুর রহমান মুক্ত, মিতালী দাশ, সাদমান সাঈদ, শিপ্রা দাশ ও শিশির রহমান।

নাটকের সহযোগী প্রযোজক তানিয়া রহমান, শিল্প পরিকল্পক মোহসিনা আক্তার, আলোক পরিকল্পক নাসিরুল হক খোকন, সংগীত শিশির রহমান ও সোহিনী আলম, প্রচারমূলক আর্টওয়ার্ক ক্যাটলিন আবোট।

নীল ছায়া নাটকে সহযোগী হিসেবে আরও আছে জিসিআরএফ কিউআর রেসপন্স স্কিম, ইউনিভার্সিটি অফ ইস্ট অ্যাংলিয়া, দা চার্লস ওয়ালেস বাংলাদেশ ট্রাস্ট, লিভিং ব্লু।

নাটকটির আয়োজক প্রতিষ্ঠান কমলা কালেক্টিভ মূলত একটি আর্ট কোম্পানি। এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন চারজন নারী থিয়েটারকর্মী এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে গল্প বলাই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠিত বয়ান।

প্রতিষ্ঠানটির কাজ নারীদের অবস্থান, ভূমিকা এবং সমাজে তাদের অবদানের বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি অনুসন্ধান করার জন্য ইতিহাসকে পুনর্বিবেচনা করে। প্ল্যাটফর্মটির কাজের উদ্দেশ সামাজিক নিষেধাজ্ঞার দিকে চোখ তোলা এবং আলাপের সূত্রপাত ঘটানো।

কমলা কালেক্টিভ লীসা গাজী নির্মিত বাড়ির নাম শাহানা কাহিনিচিত্রটির সহ-প্রযোজক হিসেবে কাজ করছে। চলচ্চিত্রটি ৯০ দশকের বাংলাদেশের একজন তালাকপ্রাপ্ত নারীর গল্প। যে কিনা সামাজিক কলঙ্ক এবং পারিবারিক সম্মানের বোঝাকে অস্বীকার করে নিজের মতো করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে।

আরও পড়ুন:
৭ বছর পর থিয়েটারের নতুন নাটক ‘পোহালে শর্বরী’
শিল্পকলায় মঞ্চস্থ হবে ‘কহে ফেসবুক’

মন্তব্য

বিনোদন
After 15 years in acting Dodul

১৫ বছর পর অভিনয়ে দোদুল

১৫ বছর পর অভিনয়ে দোদুল নির্মাতা, লেখক ও অভিনেতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। ছবি: সংগৃহীত
অভিনয়ে ফেরা প্রসঙ্গে দোদুল বলেন, ‘নিজের আগ্রহতেই এবার অভিনয়ে ফিরেছি। অভিনয়কে ভালোবেসেই মিডিয়ায় নাম লিখিয়েছিলাম, কিন্তু বিভিন্ন কারণে স্থায়ী হতে পারিনি। এরপর নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে যাই। মাঝেমধ্যে অনুরোধে কাজ করলেও এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এখন থেকে নিয়মিত কাজ করব।’

দীর্ঘ ১৫ বছরের বিরতি শেষে আবারও অভিনয়ে ফিরলেন নির্মাতা, লেখক ও অভিনেতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। এই দীর্ঘ বিরতিতে তিনি ব্যস্ত ছিলেন নির্মাণে।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৫ বছর পর নিজের পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক দিয়ে অভিনয়ে ফিরলেন দোদুল। নতুন এই ধারাবাহিকের নাম মুসা। ২ আগস্ট থেকে ধারাবাহিক নাটকটি প্রচার শুরু হয়েছে বৈশাখী টিভিতে। প্রতি মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে।

অভিনয়ে ফেরা প্রসঙ্গে দোদুল বলেন, ‘নিজের আগ্রহতেই এবার অভিনয়ে ফিরেছি। অভিনয়কে ভালোবেসেই মিডিয়ায় নাম লিখিয়েছিলাম, কিন্তু বিভিন্ন কারণে স্থায়ী হতে পারিনি। এরপর নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে যাই। মাঝেমধ্যে অনুরোধে কাজ করলেও এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এখন থেকে নিয়মিত কাজ করব।’

মুসা ধারাবাহিকে রঘু চরিত্রে অভিনয় করেছেন দোদুল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ধারাবাহিকের গল্পটি অপরাধ জগতের। নাটকটি লিখতে গিয়ে অনেক কিছু সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে হয়েছিল। তবে এই গল্পে একেবারে সত্য ঘটনা উঠে না এলেও এক রকম তার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। রাজধানী শহর রঘুর কথায় চলে। এমনই একটি চ্যালেঞ্জিং চরিত্র দিয়ে অভিনয়ে ফিরলাম। আশা করছি, দর্শকদের ধারাবাহিক নাটকটি ও রঘু চরিত্র পছন্দ হবে।’

ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের গল্প নিয়ে নির্মিত দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটকে আরও অভিনয় করেছেন শিল্পী সরকার অপু, শম্পা রেজা, শামীমা নাজনীন, সুব্রত, মিলন ভট্টাচার্য, ইমতু রাতিশ, সাব্বির আহমেদ, নাইরুজ সিফাত, জেবা জান্নাত।

আরও পড়ুন:
৭ বছর পর থিয়েটারের নতুন নাটক ‘পোহালে শর্বরী’
আতাউর রহমানের জন্মদিন: প্রদর্শিত হলো ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’
উগ্রবাদ প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নাটক ‘মুখোশ’
ঈদে জোভান-সাফার ‘শেষ বিকেল’
গেরিলা যোদ্ধা শহীদ আজাদের চরিত্রে অপূর্ব

মন্তব্য

বিনোদন
Actor Sagar Hooda passed away

অভিনেতা সাগর হুদা মারা গেছেন

অভিনেতা সাগর হুদা মারা গেছেন অভিনেতা সাগর হুদা। ছবি: সংগৃহীত
ধানমন্ডি ৭ নম্বর মসজিদে আসর নামাজের পর তার জানাজা হবে বলে জানান নাসিম। 

অভিনেতা সাগর হুদা আর নেই। মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়াতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পীসংঘের সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসান।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, মঙ্গলবার রাতে তিনি স্ট্রোক করেন। সেখানে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সকালে তার মরদেহ ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। সাগর হুদা ব্যবসার কাজে কুষ্টিয়াতে অবস্থান করছিলেন।

এ নিয়ে অভিনয় শিল্পীসংঘের সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম বলেন, ‘সাগর হুদা নব্বইয়ের দশকে থিয়েটার করতেন। সুবচন নাট্যদলে যুক্ত ছিলেন তিনি। এর পর আর থিয়েটার করেননি। ধীরে ধীরে ব্যবসায় মনোযোগী হন। তার মৃত্যু খুবই শকিং।’

ধানমন্ডি ৭ নম্বর মসজিদে আসর নামাজের পর তার জানাজা হবে বলে জানান নাসিম।

সাগর হুদার মৃত্যুতে নাটক সংশ্লিষ্টরা শোক জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কিছু কথা লিখেছেন।

মিলন লেখেন, ‘আমার জন্ম বেড়ে ওঠা যে এলাকায় সেখানে সাগর ভাইয়েরও জন্ম। কলাবাগান ঢাকা, আমরা স্থানীয়। আমার ছোটবেলা থেকে সাগর ভাইকে দেখে আসছি বড়ভাই হিসেবে, আমাদের অনেক স্নেহ করতেন। অভিনয় করতে এসে একদিন সাগর ভাইয়ের সঙ্গে একটা কাজ পরে গেল, সে কি আনন্দ আমাদের। পুরো কাজ শেষ করলাম আনন্দ নিয়ে। আর এক সঙ্গে কাজ হয়নি, হবেও না আর।’

মন্তব্য

বিনোদন
Kachi does not want to talk after removing the status

স্ট্যাটাস সরিয়ে ফেলে ‘কথা বলতে চাচ্ছেন না’ কচি

স্ট্যাটাস সরিয়ে ফেলে ‘কথা বলতে চাচ্ছেন না’ কচি মোস্তফা সরয়ার ফারুকী (বাঁয়ে) ও কচি খন্দকার। ছবি: সংগৃহীত
ফারুকীর পোস্টের কয়েক ঘণ্টা পরে কচি খন্দকারও তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘মিথ্যা ক্রেডিট নিয়ে মরতে চাই না- প্রসঙ্গ ক্যারাম। আজ মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর স্ট্যাটাস পড়ে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে ছিলাম।’

মোশাররফ করিম অভিনীত মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত টেলিফিল্ম ক্যারাম-এর ‘স্ক্রিপ্ট রাইটার’ ক্রেডিট নিয়ে ফারুকী ও অভিনেতা-পরিচালক কচি খন্দকারের মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হতে গিয়েও যেন হলো না।

কচি খন্দকার তার স্ট্যাটাস ফেসবুক থেকে সরিয়ে ফেলেছেন। কেন সরিয়ে ফেলেছেন, জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না।’

স্ট্যাটাস সরিয়ে ফেললেও কচি তার স্ট্যাটাসের বক্তব্যে অটল কি না জানতে চাইলে তিনি আবার বলেন, ‘এটা নিয়ে এখন কথা বলতে চাচ্ছি না।’

সোমবার অভিনেতা মোশাররফ করিমের জন্মদিনে অভিনেতাকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন ফারুকী। পরিচালক তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ক্যারাম নাটক নির্মাণের পেছনের গল্প লেখেন এবং মোশাররফকে শুভেচ্ছা জানান।

সেই পোস্টের এক জায়গায় ফারুকী লিখেছেন, ‘আমি আর আমরা সব ভাই-বেরাদর একসাথে থাকতাম সেখানে- এটা সবাই জানেন। সেই আবাসিক ক্যাম্পে আমরা আবিষ্কার করি কচি খন্দকার মোটামুটি আমার ছোটবেলার বুড়ো ভার্সন। তখন আমরা প্রতি খেলায় হারার পর কচিকে অত্যাচার করার নানা সৃজনশীল উপায় আবিষ্কার করি। এবং কচি খেপেখুপে প্রায় প্রতিদিনই আমাদের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়। আমি ঠিক করলাম এই সব নিয়েই ক্যারাম নামে একটা টেলিফিল্ম বানাব। এবং কচি খন্দকারের প্রতি অত্যাচারের প্রতিদান হিসাবে তাকে স্ক্রিপ্ট রাইটার ক্রেডিট দেই। যদিও স্ক্রিপ্ট লেখা সেশনের সাথে তার আদতে কোনো সংস্পর্শ ছিল না।’

এমন পোস্টের কয়েক ঘণ্টা পরে কচি খন্দকারও তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘মিথ্যা ক্রেডিট নিয়ে মরতে চাই না- প্রসঙ্গ ক্যারাম। আজ মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর স্ট্যাটাস পড়ে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে ছিলাম। আমার সাথে ক্যারাম খেলতে যেয়ে জয় পরাজয় নিয়ে আমাকে অনেক অত্যাচার করার জন্য পুরস্কার স্বরুপ ক্যারাম টেলিফিল্মে রচনাকারী হিসাবে আমাকে ক্রেডিট দিয়েছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এই ক্যারাম লেখায় আমার নাকি কোনো ভুমিকাই নাই। কিন্তু ঘটনা হাজার বছর আগের না এই মাত্র সেদিনের কথা। ভাইব্রাদার সবাই জীবিত প্রায় সবাই জানে তাদের সামনেই আমি আমার ক্যারামের স্ক্রিপ্ট পড়ি। এটাই সত্য ইতিহাস এর মধ্যে কোনো মিথ্যাচার নাই। ঘটনা অনেক কিছু উল্লেখ করা যায়। কিন্তু আমি ইতিহাসের দীর্ঘসূত্রতা টানলাম না এই ভেবে সত্য সুন্দর। আর সত্য প্রকাশের দায় সমস্ত শিল্পীর। সত্যের জয় হোক। শিল্পীর জয় হোক।’

এখন আর স্ট্যাটাসটি পাওয়া যাচ্ছে না। ইউটিউবে ক্যারাম টেলিফিল্মটি পাওয়া যায়। সেখানে ক্যারাম নাটকটির মূল রচনায় আছে কচি খন্দকারের নাম। আর মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নাম রয়েছে রূপান্তর, চিত্রনাট্য ও পরিচালক হিসেবে।

আরও পড়ুন:
উগ্রবাদ প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নাটক ‘মুখোশ’
ঈদে জোভান-সাফার ‘শেষ বিকেল’
গেরিলা যোদ্ধা শহীদ আজাদের চরিত্রে অপূর্ব
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ নিয়ে ধারাবাহিক নাটক
ভালোবাসা দিবসে আসছেন অপূর্ব-কেয়া পায়েল

মন্তব্য

বিনোদন
Group Theater Federation is not in theater but in politics
নাট্যকর্মীদের মত

গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নাট্যচর্চায় নেই, আছে রাজনীতিতে

গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নাট্যচর্চায় নেই, আছে রাজনীতিতে গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নিয়ে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে শনিবার বিকেলে মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা
সাধারণ নাট্যকর্মীদের নিবন্ধে বলা হয়, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নাট্যচর্চার দিকে না এগিয়ে ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে ভোটের রাজনীতির দিকে।

বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নাট্যচর্চার দিকে না এগিয়ে ক্রমশ ভোটের রাজনীতিতে ঝুঁকছে বলে মনে করছেন সাধারণ নাট্যকর্মীরা।

বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে শনিবার বিকেলে মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় এ মত তুলে ধরা হয়।

সাধারণ নাট্যকর্মীদের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাট্যদলগুলোর মহড়া কক্ষের সংকট, হল ব্যবস্থাপনায় অনিয়মসহ বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ডে থিয়েটার অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা রকম সংকট ও স্থবিরতা। উদ্ভূত সংকটগুলো নিরসন এবং থিয়েটার তথা সংস্কৃতিচর্চাকে গতিশীল করতে মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়।

তরুণ নাট্যকর্মীদের এ আয়োজনে আলোচক ছিলেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, আসাদুজ্জামান নূর, মামুনুর রশীদ, মফিদুল হক, নাসির উদ্দীন ইউসুফসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে সাধারণ নাট্যকর্মীদের পক্ষে সুনির্দিষ্ট নিবন্ধ পাঠ করেন নাট্যজন অলোক বসু। সে নিবন্ধে সাধারণ নাট্যকর্মীদের মধ্য থেকে অনেকে অনেক প্রস্তাব দেন। তাদের কেউ কেউ মনে করেন, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নাট্যচর্চার দিকে না এগিয়ে ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে ভোটের রাজনীতির দিকে।

মতবিনিময়ে নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দার বলেন, ‘গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনকে আমরা নিষ্ক্রিয় করতে চাই না। আমরা কাউকে বাদ দিয়ে কিছু করতে চাই না। প্রয়োজনে আমরা তাদের বাধ্য করব, যাতে তারা নাটকের স্বার্থে ভালো কাজ করে।’

মফিদুল হক বলেন, ‘বর্তমান নাট্যচর্চা গভীর সংকটে পড়ে আছে। সেটা নিয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনকে একটি জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।’

নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু মনে করেন, সৃষ্টিশীলতা বনাম কাঠামোর দ্বন্দ্ব যেমন, ফেডারেশনে যারা নেতৃত্ব দেন, তাদের সঙ্গে অন্যদেরও দ্বন্দ্ব চলতে থাকে।

মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমি ফেডারেশনকে অভিন্ন এবং শক্তিশালী দেখতে চাই। সংকট সবসময় আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করতে হয়। তা না হলে মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়ে যায়।’

কামাল বায়েজিদ বলেন, ‘জনাব লিয়াকত আলী লাকী, ১৯৯৯ সাল থেকে ফেডারেশনের বিভিন্ন পদে আছেন, কিন্তু কোনো সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে উনি যুক্ত হন না।’

মন্তব্য

বিনোদন
The audience calls her like a flower

দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’

দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’ অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। ছবি: সংগৃহীত
তিনি বলেন, ‘অনেকে হাসির প্রশংসা করছেন। অভিনয়ের প্রশংসা করছেন অনেকে। আমার কাছে অভিনয়ের প্রশংসা বেশি ভালো লাগে। যতবারই অভিনয়ের প্রশংসা পাই, ততবারই কাজটি দেখি।’

তার সৌন্দর্যের উপমা দিতে গিয়ে ফুলের কথাই মনে পড়ছে দর্শকদের। দর্শকরা স্নিগ্ধ, মিষ্টি, মনোরম নামের বিশেষণগুলোর মিল খুঁজে পাচ্ছেন তার সঙ্গে। পর্দায় তার উপস্থিতিতে দর্শকের মন ভরে যাচ্ছে ফুলের মতো সৌরভে।

ফুলকে যার উপমা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তার নাম সাদিয়া আয়মান। ঈদে প্রকাশ পাওয়া ‘ফুলের নামে নাম’ নাটকে অভিনয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে চর্চা হচ্ছে ফুলের সঙ্গে তুলনা দিয়ে।

যারা সাদিয়া আয়মানকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চেনেন বা ফলো করেন, তারা জানেন সাদিয়া আয়মান নামটির মধ্যে ইংরেজি বর্ণ এস (S) রয়েছে। সাদিয়া নিউজবাংলাকে জানান, এই এস (S) তার নামের অংশ নয়। অর্থাৎ এস (S) এর কোনো মানে নেই।

সাদিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফেসবুকে একটু সমস্যা হচ্ছিল, একটা ভিন্ন নাম চাচ্ছিল, তাই এস (S) টা যুক্ত করা।’

অনেকে সাদিয়াকে নতুন মনে করছেন। হ্যাঁ, তিনিই নতুনই বটে, তবে প্রথম না। কাজ শুরু করেছেন ২০১৯ সালে। নাটকের মাধ্যমে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো। এরপর নামকরা সব ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন।

দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’
অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাতেও দেখা যাবে তাকে। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত কাজলরেখা সিনেমাটি মুক্তি পেলে বড় পর্দাতেও দেখা যাবে সাদিয়াকে। এর মধ্যে সিনেমায় কিছু অংশের শুটিংও করে ফেলেছেন তিনি।

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে আইন বিষয়ে তৃতীয় বর্ষে (৮ম সেমিস্টার) লেখাপড়া করছেন সাদিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেই ঢাকা আসা তার। জন্ম, বেড়ে ওঠা বরিশালে। সেখানেই করেছেন মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক। পরিবারে বাবা-মা আছেন, দুই ভাইয়ের এক বোন সাদিয়ার অবস্থান মেজো। এখন সবাই ঢাকাতেই থাকছেন বলে জানান সাদিয়া।

নিউজবাংলাকে সাদিয়া বলেন, ‘আমার কখনই অভিনয় করার ইচ্ছা ছিল না। এমনকি আমি নাটক-সিনেমা ফ্রিকও ছিলাম না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর নির্মাতা ইমরাউল রাফাতের পোস্ট দেখে ওনাকে ফোন করেছিলাম।

দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’
অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। ছবি: সংগৃহীত

“আমাকে বলা হয়েছিল সহশিল্পী হিসেবে কাজ করতে। এমন যে, গায়েহলুদের অনুষ্ঠান, সেখানে তো কিছু মানুষ লাগবে, আমি তারই অংশ হিসেবে কাজ করব। আমি আর কাজটি করিনি। তার কয়েক মাস পর রাফাত ভাই আমাকে ডাকেন ‘টু বি ওয়াইফ’ নামের একটি নাটকে কাজ করার জন্য। সেখানে আমার মূল চরিত্র ছিল।”

এভাবে শুরু। তারপর শুরু হলো বিজ্ঞাপনের কাজ। করোনার মধ্যে বাবা দিবসকে কেন্দ্র করে ফুডপান্ডার একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার পর অভিনয় করার আকাঙ্ক্ষা তীব্র হয় সাদিয়ার। বলেন, ‘কাজটি খুব প্রশংসিত হয়। তখন আমার ইচ্ছে হতে থাকে, ভালো গল্পে কাজ করতে পারলে আরও কাজ করার।’

সাদিয়ার যে অনেক কাজের চাপ, তা না। অল্প অল্প করেই কাজ করতে চান তিনি। তার ওপর আবার ক্লাসের চাপ রয়েছে। কাজের কারণে ক্লাস নিয়েও মাঝে মাঝে বিপাকে পরতে হয়। ক্লাস ও কাজ একসঙ্গে পড়ে যায় মাঝে মাঝে। তখন ক্লাসটাকেই বিসর্জন দিতে হয়।

তবে পরিবারের সমর্থন থাকায় কিছুটা সুবিধা হয়েছে সাদিয়ার। তিনি বলেন, ‘পরিবার থেকে বরাবরই সমর্থন রয়েছে। বাবা মাঝে মাঝে বলেন, আমার অনেক প্রেশার বা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কাজ কমিয়ে দাও। তারপরও তারা খুশি।’

দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’
অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। ছবি: সংগৃহীত

কাজ করতে এসে সবার ভালোবাসা পেয়ে সাদিয়াও এখন এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমি অভিনয় করতে চাই। ভালো ভালো কাজ করতে চাই। তবে অভিনয়কেই পেশা হিসেবে নেব কি না, তা নিয়ে এখনও চিন্তা করিনি। আমি আইন বিষয়ে লেখাপড়া করছি, এ বিষয়টি নিয়েও কাজ করার সুযোগ ও ইচ্ছা আমার আছে। আমার ইচ্ছা করপোরেট ল নিয়ে কাজ করার। কিন্তু সব নির্ভর করছে আগামীর পরিস্থিতির ওপর।’

‘ফুলের নামে নাম’ নাটকের পর অনেকেই সাদিয়াকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে তার ছবি দিয়ে প্রশংসা করা হচ্ছে। বিষয়গুলো নজরে এসেছে সাদিয়ার।

দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’
অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, ‘অনেকে হাসির প্রশংসা করছেন। অভিনয়ের প্রশংসা করছেন অনেকে। আমার কাছে অভিনয়ের প্রশংসা বেশি ভালো লাগে। যতবারই অভিনয়ের প্রশংসা পাই, ততবারই কাজটি দেখি।’

পরিশ্রম করেই এতদূর এসেছেন সাদিয়া, পরিশ্রম করে আরও এগিয়ে যেতে যান সাদিয়া আয়মান। রুবেল আনুশ পরিচালিত নরসুন্দর নামের একটি কাজ শেষ করেছেন তিনি। জানালেন, শিগগিরই প্রকাশ পাবে ফিকশনটি।

মন্তব্য

বিনোদন
Veteran actress Sharmili Ahmed passed away

বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদের প্রয়াণ

বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদের প্রয়াণ ফাইল ছবি
শর্মিলী আহমেদ ১৯৬২ সালে রেডিওতে এবং ১৯৬৪ সালে চলচ্চিত্রে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। বিটিভির প্রথম নাটক ‘দম্পতি’তে অভিনয় করেন তিনি। ১৯৭৬ সালে মোহাম্মদ মহসিন পরিচালিত ‘আগুন’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন এই গুণী অভিনেত্রী।

সিনেমা ও টেলিভিশনের প্রিয়মুখ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ আর নেই।

শুক্রবার সকালে মারা গেছেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা গেছেন শর্মিলী আহমেদ। এখন মরদেহ তার বাসা উত্তরায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘শর্মিলী আহমেদ ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। তার জানাজা-দাফন বিষয়ে এখনও কিছু জানাতে পারছি না। কখন কোথায় হবে হয়তো একটু পরে জানাতে পারব।’

অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা নিউজবাংলাকে শর্মিলী আহমেদের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘উত্তরার বাসা থেকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, চিকিৎসক হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।’

তিনি জানান, ‘মরদেহ হাসপাতাল থেকে উত্তরা ১১ নম্বরের মসজিদে নেয়া হবে গোসল করানোর জন্য। তারপর বাকি সিদ্ধান্ত।’

শর্মিলী আহমেদ ১৯৬২ সালে রেডিওতে এবং ১৯৬৪ সালে চলচ্চিত্রে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। বিটিভির প্রথম নাটক ‘দম্পতি’তে অভিনয় করেন তিনি।

১৯৭৬ সালে মোহাম্মদ মহসিন পরিচালিত ‘আগুন’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন এই গুণী অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন:
স্বরাকে হত্যার হুমকি
কপালে আঘাত পেয়েছেন মালাইকা
শাবানা আজমির করোনা

মন্তব্য

p
উপরে