× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
I have done 6 7 thousand songs of Gazi Bhai Sabina Yasmin
hear-news
player
print-icon

‘গাজী ভাইয়ের ৬-৭ হাজার গান করেছি’

গাজী-ভাইয়ের-৬-৭-হাজার-গান-করেছি
খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। ছবি: সংগৃহীত
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন দেশের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মেয়ে দিঠিকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন তিনি।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন দেশের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনও।

শ্রদ্ধা জানাতে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মেয়ে দিঠিকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে খবরটি শুনে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না, মেনে নিতে পারছিলাম না। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্ক আমাদের ওনার পরিবারের সঙ্গে।

‘কোনটা ছেড়ে কোনটা বলব, কত স্মৃতি, কত কথা গাজী ভাইয়ের সঙ্গে।’

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ২০ হাজারেরও বেশি গান উল্লেখ করে সাবিনা বলেন, ‘গাজী ভাই ২০ হাজারের বেশি গান করেছেন, তার ছয়-সাত হাজার গান মনে হয় আমিই করেছি।’

সাবিনা বলেন, ‘গাজী ভাই, আমি, সত্যদা একটা টিমের মতো ছিলাম। অসংখ্য গান করেছি আমরা, কত কথা। এখন এত কথা বলাও সম্ভব না।’

দুপুর ১২টায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হয়। সেখান থেকে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে এফডিসিতে। বাদ আসর গুলশানের আজাদ মসজিদে হবে জানাজা। বনানীতে হবে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের দাফন।

আরও পড়ুন:
গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক
কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার আর নেই

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
We Are Distracted What Our National Film Really Is The Sadia Khalid Genre

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত
‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সাদিয়া খালিদ রীতি প্রথম না দ্বিতীয় সেই আলাপে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, ‘আমি দ্বিতীয় বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব।’

হলিউডের প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে হওয়া নামকরা অ্যাওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম গোল্ডেন গ্লোবে ভোটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের এ সাংবাদিক ও ফিল্ম ক্রিটিক।

এটি নিঃসন্দেহে উদযাপনের বিষয় এবং রীতি সেটি করছেনও। তার ভাষ্যে, ‘হ্যাঁ, আমি উদযাপন করছি। এটা এমন না যে হঠাৎ করে পেয়ে গেছি। এটার জন্য অনেক হার্ড ওয়ার্ক করেছি। শ্রম করে পাওয়ার যে আনন্দ সেটা পাচ্ছি।’

আর কেন তিনি দ্বিতীয় সেটি ব্যাখ্যা করতে জানান, ১৯৯৩ সালে ভোটার হিসেবে একজন যুক্ত হয়েছিলেন, তিনি বাংলাদেশি তবে আমেরিকান নাগরিক ছিলেন এবং আমেরিকান জার্নালিস্ট হিসেবেই তিনি ভোটার হয়েছিলেন। মূলত ফটো জার্নালিস্ট ছিলেন তিনি।

কীভাবে এ অর্জন? জানতে চাইলে রীতি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গোল্ডেন গ্লোব এর আগে শুধু আমেরিকানদের ভোটার হিসেবে নিত, এবার ওরা অন্য দেশ থেকেও ভোটার নিচ্ছে, যাদের হাইপ্রোফাইল মনে করছে। আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১০০ জনের মধ্যে, এখন সেটা ডাবলের মতো হয়ে যাচ্ছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি এটার খবর রাখতাম না, কারণ এটা শুধু আমেরিকানদের জন্য ছিল। তো হঠাৎ করে একদিন গোল্ডেন গ্লোবের ভোটিং বডির প্রেসিডেন্ট মেইল করল। আমি ভেবেছিলাম এটা হয়তো প্রি-সিলেকশন, আমি বোধহয় সিলেকশন হয়ে গিয়েছি। পরে দেখলাম, না, ওরা অ্যাপ্লিকেশন চেয়েছে এবং সেগুলো থেকে যাচাই-বাছাই করে তারপর চূড়ান্ত করবে। কয়েকটা মাস টেনশনে ছিলাম, হয় কি না।’

শেষমেশ জয়ের হাসি হেসেছেন রীতি। অনেকগুলো সিনেমা দেখতে হবে তার। নেটফ্লিক্স এবং ডিজনি নাকি এরই মধ্যে স্ক্রিনার (প্রমোশনাল) পাঠানো শুরু করেছ। অনেক বড় কাজ।

রীতি বলেন, ‘কাজটা যেন ঠিকমতো করতে পারি। গোল্ডেন গ্লোব কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে একজনকে নিয়েছে, দেশের সম্মানটা যেন রাখতে পারি।’

রীতি সিনেমাপাগল। স্বপ্নের পেছনেই ছুটছেন এখনও। রীতির বাবা ছিলেন এয়ারফোর্সে। যশোরে জন্ম রীতির, বেড়ে উঠেছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ক্লাস ৪-৫-এ চায়নাতেও ছিলেন তিনি।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে অনার্স করে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুল অফ থিয়েটার, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে লেখাপড়া করেছেন। তার বিষয় ছিল স্ক্রিপ্ট রাইটিং।

রীতি জানান, ২০১৫-১৭তে যখন তিনি লস অ্যাঞ্জেলসে ছিলেন, তখন ওখানে রাইটার হিসেবে কাজ করতে গেলে ওদের গল্পটাই বলতে হতো। কিন্তু রীতি চেয়েছিলেন নিজের দেশের গল্পটা আগে বলতে। হলিউডে রীতি দুটি প্রোডাকশন হাউস ও একটি আর্টিস্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্মে কাজ করেছেন। সাংবাদিক হিসেবেও সেখানকার সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন তিনি।

সিনেমার প্রতি এ ভালোবাসা রীতির টিনএজ বয়স থেকে। তিনি বলেন, ‘মুলান রুজ সিনেমাটা দেখে আমার সিনেমার প্রতি আগ্রহ জন্মে। ইচ্ছা ছিল মিউজিক ভিডিও বানাব।’

পরে রাইটিংয়ে আগ্রহ বাড়ে রীতির। বিদেশে লেখাপড়া ও কাজ শেষে দেশে এসে ফুল টাইম লিখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি।

রীতি বলেন, ‘আমাদের এখানে রাইটারদের মূল্যায়ন করা হয় না। মাসের পর মাস একটা প্রজেক্টে কাজ করেছি কিন্তু কোনো টাকা দেয় নাই; কোনো কনট্রাক্ট সাইন করে নাই। খুবই আনপ্রফেশনাল এই রাইটিংয়ের জায়গাটা। টাকা দিলেও খুব সামান্য টাকা দেয়। আমি বুঝলাম লিখে টিকে থাকা সম্ভব না। আসার পর ছয় মাস রাইটিং করেছি, পরে দেখলাম এভাবে হয় না, পরে আবার সাংবাদিক পেশায় যুক্ত হয়েছি ও রাইটিংয়ের কাজ করছি।’

এর পাশাপাশি রীতি যুক্ত হতে থাকেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে। এরই মধ্যে কান, বার্লিনালের মতো উৎসবের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রীতি।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

ফেস্টিভ্যাল সার্কিটে যুক্ত হওয়ার শুরুর গল্প জানিয়ে রীতি বলেন, ‘আমি ঢাকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সঙ্গে যুক্ত হই ২০১২তে। ২০১৮তে ফেস্টিভ্যালের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পাই। ঢাকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে এখানকার মানুষ বোঝে কি না জানি না, কিন্তু এটা অনেক বড় ফেস্টিভ্যাল। ওই বছরেই আমার অনেকগুলো ফেস্টিভ্যাল থেকে ডাক আসে।’

অনেকে বলবেন, এসব ফেস্টিভ্যালে যুক্ত হয়ে দেশের সিনেমার কী হবে? তার ব্যাখ্যা দিয়ে রীতি বলেন, ‘ফায়দা হলো, আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমাদের অংশগ্রহণ বাড়বে। ওরা কিন্তু আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটাই জানে না। ইউরো সেন্ট্রিক পয়েন্ট অফ ভিউ বা ওয়েস্টার্ন পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে ফিল্ম ক্রিটিসিজমটা চলে আসছে। ফেস্টিভ্যালে যখন কোনো ক্রিটিক সিনেমা দেখছে তার অধিকাংশই ওয়েস্টার্ন। ওরা সিনেমা দেখার পর যখন কথা বলে আমাদের সঙ্গে, তখন আমি বুঝি যে আমাদের কালচার সম্পর্কে ওদের কোনো ধারণাই নাই।

‘এতে করে সমস্যা হলো, আমাদের এখান থেকে সিনেমা নির্মাণ হবে ঠিকই, কিন্তু ওরা বুঝবেই না কিছু এবং এ অঞ্চলের সিনেমা কখনই অ্যাওয়ার্ড পাবে না। ফিল্মের ইকোসিস্টেমের মধ্যে এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা পার্ট, যে ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে বসার মতো ফিল্ম ক্রিটিকও থাকতে হবে।’

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সিনেমা দেখে রীতির পর্যবেক্ষণ হলো- সেসব সিনেমার সঙ্গে দেশের সিনেমার পার্থক্য অনেক।

কারণ ব্যাখ্যা করে রীতি বলেন, ‘আর্ট হাউস সিনেমাগুলো তো ইউরোপের ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আমাদের আর্ট হাউস করতে গিয়ে ওদের অনেক ক্ষেত্রে কপি করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের মানুষ, দর্শক ও দর্শনকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা কিন্তু এখনও স্ক্যাটার্ড, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী? কেউ ইউরোপকে ফলো করছে, কেউ বলিউডকে ফলো করছে।’

সম্প্রতি ঘোষণা এসেছে অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে লড়তে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হাওয়া সিনেমাটি। এর সম্ভাবনা কেমন জানতে চাওয়া হয় রীতির কাছে।

আমরা বিক্ষিপ্ত, আমাদের ন্যাশনাল ফিল্ম আসলে কী: সাদিয়া খালিদ রীতি
চলচ্চিত্র সমালোচক, সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি। ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, ‘অস্কারে লবিং হয়, প্রচুর লবিং হয়। আমি যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে কাজ করতাম তখন দেখতাম আমাদের অফিসে এসে কেক দিয়ে যাচ্ছে, গিফট দিয়ে যাচ্ছে। একবার দেখেছিলাম যে টম হ্যাঙ্কসের কোনো একটি সিনেমা, নাম মনে করতে পারছি না, ওরা এক মাস ধরে প্রতি রাতে পার্টি দিয়েছে।

‘তবে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্মে এই লবিং মনে হয় না প্রযোজ্য। এ ক্ষেত্রে ওরা দেখে ফেস্টিভ্যালে কেমন পারফর্ম করেছে সিনেমাটি। হাওয়া তো সেই অর্থে ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করেনি। তার পরও সিনেমাটি যদি কয়েক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে, সেটাই আমাদের পাওয়া হবে।’

কাজ তো চলছেই, পাশাপাশি একটি টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছেন রীতি। সেটি কেমন?

রীতি বলেন, ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে একটা সেগমেন্ট করি আমরা, যেটার নাম ওয়েস্ট মিট ইস্ট। ওখানে আমরা সাউথ এশিয়ান রিজিয়নের স্ক্রিপ্ট নিয়ে একটা কম্পিটিশন করি। আমার একটা স্বপ্ন হচ্ছে যে, সাউথ এশিয়ান ফিল্মের মধ্যে রিজিয়নাল কো-অপারেশনকে আরও শক্তিশালী করা। আমাদের মধ্যে এই কো-অপারেশনটা খুবই উইক এখন পর্যন্ত।

কো-অপারেশন বাড়লে কী হবে জানতে চাইলে রীতি বলেন, ‘গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মটা যে এত ওয়েস্ট ঘ্যাসা সেটা চেঞ্জ হবে। আমার সংঘবদ্ধ হলে আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউটা সবার শুনতেই হবে। ওয়েস্ট মিট ইস্ট প্রোগ্রামটা নিয়ে সাউথ এশিয়ানদের মধ্যে বেশ একটা আগ্রহ আছে। আশা করি বিষয়টা নিয়ে এগোনো যাবে।’

মন্তব্য

বিনোদন
In the teaser Tisha appeared as heroine Pritilata

টিজারে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ রূপে দেখা দিলেন তিশা

টিজারে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ রূপে দেখা দিলেন তিশা প্রীতিলতা চরিত্রে নুসরাত ইমরোজ তিশা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা, ছবি: টিজার থেকে নেয়া
উপন্যাস থেকে একই নামে সিনেমা নির্মাণ করেছেন প্রদীপ ঘোষ। রোববার প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির টিজার। সিনেমায় প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। টিজারে বিভিন্ন লুকে দেখা গেছে তাকে।

প্রীতিলতা ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের বিপ্লবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

ক্রেইগ হত্যা মামলায় আরেক বিপ্লবী রামকৃষ্ণ বিশ্বাস আলীপুর জেলে আটক ছিলেন। জেলেই তার সঙ্গে প্রীতিলতা দেখা করেছিলেন ৪০ বার।

সূর্যসেনের নির্দেশ ছিল একজন বিপ্লবী আরেকজন বিপ্লবীর সঙ্গে দেখা করতে পারবে না। কিন্তু প্রীতিলতা সেই নির্দেশ অমান্য করেছিলেন। কিন্তু কেন? কী এমন টান ছিল প্রীতিলতার?

হয়তো রামকৃষ্ণকে পছন্দ করতেন, ভালোবাসতেন প্রীতিলতা! এর উত্তর কি পাওয়া সম্ভব? কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ লেখার আগে এসবের উত্তর খুঁজেছেন।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের পর প্রীতিলতা বিষপান করে জীবন উৎসর্গ করেন। তার পোশাকের পকেটে পাওয়া যায় রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ছবি।

এ থেকে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের বিশ্বাস দৃঢ় হয়। আর সেই বিশ্বাস থেকে প্রীতিলতার মনে গোপন করে রাখা ভালোবাসা নিয়ে সেলিনা হোসেন লিখেছেন ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ উপন্যাস।

সেই উপন্যাস থেকে একই নামে সিনেমা নির্মাণ করেছেন প্রদীপ ঘোষ। রোববার প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির টিজার। সিনেমায় প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। টিজারে বিভিন্ন লুকে দেখা গেছে তাকে।

বিপ্লবী রামকৃষ্ণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মনোজ প্রামাণিক। টিজারে আছেন তিনিও। টিজারের শেষ অংশে তিশাকে দেখা গেছে সেই সময়ের পুলিশি পোশাকে; আর মাথায় পাগড়ি। গুলিবিদ্ধ তিশাকে কাতরাতে দেখা গেছে টিজারের শেষ অংশে।

সিনেমাটি কবে মুক্তি পাবে, তা এখনও জানানো হয়নি। ২০১৯-২০ অর্থবছরের সরকারি অনুদান পায় সিনেমাটি।

মন্তব্য

বিনোদন
The story of the weaving industry in Apu Productions is the story of the red saree

অপুর প্রযোজনায় তাঁতশিল্পের গল্পে ‘লাল শাড়ি’র মহরত

অপুর প্রযোজনায় তাঁতশিল্পের গল্পে ‘লাল শাড়ি’র মহরত সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস প্রযোজিত লাল শাড়ি সিনেমার মহরত। ছবি: নিউজবাংলা
অপু বিশ্বাস আয়োজনে বলেন, ‘অপু-জয় চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা আমার মা। তিনি আমাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি এও চেয়েছিলেন যে, সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র দিয়ে যেন আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শুরু হয়। সেটা করতে পেরেছি, ভালো লাগছে। সবাই আমার বাবা-মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’

শাড়ির সঙ্গে মিশে থাকে নারীর আবেগ, ভালোবাসার স্মৃতি। আর তা যদি হয় লাল শাড়ি তাহলে তো সেই স্মৃতির গভীরতা হয় আরও বেশি। কারণ লাল শাড়ির সঙ্গে মিশে থাকে বিয়ের আনন্দঘন মুহূর্ত। শাড়ির সঙ্গে শুধু নারীর নয়, পুরুষেরও জড়িয়ে থাকে নানা আবেগ।

এমন নানা আবেগেই কি না, অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসও লাল শাড়িতে সেজেছিলেন শনিবার রাতে। শাড়ির সঙ্গে তার আবেগ নিশ্চিত জড়িয়ে থাকলেও তার লাল শাড়িতে সেজে আসার কারণ ভিন্ন।

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস প্রযোজিত লাল শাড়ি সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানের কারণেই তিনি সেজেছিলেন লাল শাড়িতে।

অপু বিশ্বাসের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম ‘অপু-জয় চলচ্চিত্র’। প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হলো শনিবার রাত থেকে। অপুর বাবা-মা এর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে শুরু হয় আয়োজন। প্রয়াত বাবা-মা এর ছবির সামনে প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে তিনি এ শ্রদ্ধা জানান।

অপু বিশ্বাস আয়োজনে বলেন, ‘অপু-জয় চলচ্চিত্র' প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা আমার মা। তিনি আমাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি এও চেয়েছিলেন যে, সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র দিয়ে যেন আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শুরু হয়। সেটা করতে পেরেছি, ভালো লাগছে। সবাই আমার বাবা-মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’

অপু আরও বলেন, ‘অনুদান পেয়ে প্রথম যাকে ফোন করেছিলাম তিনি বিপ্লব দা (বিপ্লব সাহা)। সে বলেছিল মাসী মা নেই তো কী হয়েছে, আমি আছি তোর পাশে।’

সিনেমার পরিচালক বন্ধন বিশ্বাস জানান, নভেম্বরে শুরু হবে সিনেমার শুটিং। টানাই শুটিং করতে চান তিনি। আর আগামী বছর পহেলা বৈশাখে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা আছে তাদের।

বন্ধন বিশ্বাস বলেন, ‘লাল শাড়ি একটা স্বপ্ন, মুক্তি সংগ্রামের প্রতীক। এমন একটি গল্প বলার জন্য অপু বিশ্বাস আমার ওপর আস্থা রেখেছেন- এ জন্য ধন্যবাদ। তিনি আমাকে স্বাধীনতা দিয়েছেন কাজ করার। সব মিলিয়ে এক রকম চাপই অনুভব করছি।’

সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সাইমন সাদিক। তিনি বলেন, ‘লাল শাড়ি সিনেমাটি তাতশিল্প নিয়ে। এ শিল্পটা এখন ব্যাকফুটে। সিনেমাটির মাধ্যমে একটি ঐতিহ্য সবার সামনে উঠে আসবে। এটি গ্রামীণ প্রেক্ষাপটের সিনেমা।’

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মুশফিকুর রহমান গুলজার। তিনি বলেন, ‘অনেকে অনেক কথা বলতে পারে, তবে সিনেমাটি এর চিত্রনাট্যের যোগ্যতার বলেই অনুদান পেয়েছে। আমি কমিটিতে ছিলাম, আমি জানি।’

সবার আলোচনা শেষে সুতার চরকি ঘুরিয়ে লাল শাড়ি সিনেমার মহরত ঘোষণা করেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান। আরও ছিলেন অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার।

আরও পড়ুন:
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে না হলেই খুশি হতাম: অপু
অপুর কলকাতার সিনেমার পোস্টার প্রকাশ, সেপ্টেম্বরে মুক্তি
কেন অনুদান নিলাম, তার ব্যাখ্যা দেব: অপু বিশ্বাস

মন্তব্য

বিনোদন
IGP praised Operation Sundarban

‘অপারেশন সুন্দরবন’ দেখে প্রশংসা করলেন আইজিপি

‘অপারেশন সুন্দরবন’ দেখে প্রশংসা করলেন আইজিপি অপারেশন সুন্দরবন সিনেমা দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
অপারেশন সুন্দরবন নির্মাণের গল্প উল্লেখ করে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘জলদস্যুদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত সুন্দরবনের শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অপারেশন শুরু করে র‍্যাব। অফিসার ও ট্রুপসদের দক্ষতা ও চৌকস অপারেশনের মাধ্যমে সুন্দরবনকে জলদস্যু মুক্ত করা হয়। আর সেই সাফল্যগাথা ফ্রেমে ফ্রেমে জাতির সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যেই অপারেশন সুন্দরবন বানানোর পরিকল্পনা করি।’

দর্শকদের ভালোবাসা জয় করতে পেরেছে বলে অপারেশন সুন্দরবন মুক্তির পর থেকে দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছে। ২ ঘণ্টা ২১ মিনিট দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখাটাও সিনেমাটির একটা সাফল্য। সিনেমাটি ঝুলে যায়নি। টানটান উত্তেজনা ও সাসপেন্সে ভরপুর ছিল বলে সিনেমাটি দর্শকরা গ্রহণ করেছের।

ভিএফএক্স, সাউন্ড কোয়ালিটি, শিল্পীদের অভিনয়, কলাকুশলীদের মুনশিয়ানায় অপারেশন সুন্দরবন ছবিটি একটি ভিন্নধর্মী ও মানসম্পন্ন চলচ্চিত্রের কাতারে স্থান পেয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্সে অপারেশন সুন্দরবন দেখার পর এসব কথা বলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের র‍্যাব ট্রুপস ও অফিসাররাও দুর্দান্ত কাজ করেছে। নানা মাত্রিকতায় অপারেশনের দৃশ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটি না দেখলে বোঝা যাবে না আমাদের অফিসাররা কত চৌকস ও তারা কত পরিশ্রম করতে পারে। দর্শকরা সিনেমাটি গ্রহণ করেছেন এটাই আমাদের বড় সাফল্য।’

অপারেশন সুন্দরবন নির্মাণের গল্প উল্লেখ করে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘জলদস্যুদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত সুন্দরবনের শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অপারেশন শুরু করে র‍্যাব। অফিসার ও ট্রুপসদের দক্ষতা ও চৌকস অপারেশনের মাধ্যমে সুন্দরবনকে জলদস্যু মুক্ত করা হয়। আর সেই সাফল্যগাথা ফ্রেমে ফ্রেমে জাতির সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যেই অপারেশন সুন্দরবন বানানোর পরিকল্পনা করি।

‘তবে মাত্র একটি সিনেমায় র‍্যাবের সাফল্য তুলে ধরা সম্ভব না। আমি মনে করি, এই সিনেমাটি র‍্যাবের বহু সাফল্যের একটি অংশ। সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনার পর দীপনকে বললাম তুমি সুন্দরবনে যাও, সেখানে থাকো, সেখানকার ভাওয়ালি, মধু সংগ্রহকারী, জেলেসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলো এবং সেসব নিয়ে স্ক্রিপ্ট করো। দীপন তাই করল।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক মেজর রইসুল আযম, নির্মাতা অরুণ চৌধুরী, চয়নিকা চৌধুরী, অভিনেত্রী তানজিকা, এস এ হক অলিক, অভিনেত্রী ও নির্দেশক হৃদি হক, রায়হান রাফি ও অপারেশন সুন্দরবন সিনেমার শিল্পী ও কলাকুশলীরা।

আরও পড়ুন:
জবিতে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ টিম
এলো ‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর প্রথম গান ‘এ মন ভিজে যায়’
সেপ্টেম্বরে আসছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’
‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর ট্রেইলার প্রকাশ হবে সমুদ্রসৈকতে
পার্থর প্রথম, পার্থ-বাপ্পা-পান্থও এক সঙ্গে প্রথমবার

মন্তব্য

বিনোদন
Cineplexs explanation on Jayas objection to show time

শো টাইম নিয়ে জয়ার আপত্তিতে সিনেপ্লেক্সের ব্যাখ্যা

শো টাইম নিয়ে জয়ার আপত্তিতে সিনেপ্লেক্সের ব্যাখ্যা সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে ঢুকছেন দর্শক (বাঁয়ে) ও অভিনেত্রী জয়া আহসান (ডানে)। ছবি: নিউজবাংলা
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘শো টাইম নির্ধারণে নিজস্ব পলিসি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগালেও দর্শকদের চাহিদার ওপর আর কিছু নেই। যখন যে সিনেমা দেখতে দর্শকদের চাহিদা থাকে, আমরা সেই সিনেমার শো বাড়াই। এমন উদাহরণ অনেক আছে সিনেপ্লেক্সের।’

শুক্রবার দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে অপারেশন সুন্দরবনবিউটি সার্কাস। মুক্তির দিন সকালে স্টার সিনেপ্লেক্সের পান্থপথ শাখায় গিয়েছিলেন বিউটি সার্কাস সিনেমার মূল চরিত্রের অভিনেত্রী জয়া আহসান।

সেখানে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, কাজ শেষ করে সাধারণত যখন দর্শকরা সিনেমা দেখতে আসতে পছন্দ করেন অর্থাৎ সন্ধ্যায় বিউটি সার্কাসের কোনো শো নেই। অনেকেই নাকি বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ বা আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন জয়ার কাছে।

স্টার সিনেপ্লেক্সের ফেসবুক পেজে শো টাইমের যে তথ্য দেয়া হয়েছে, তা যাচাই করে জয়ার আক্ষেপের সত্যতা পাওয়া যায়।

সিনেপ্লেক্সের ফেসবুক পেজে দেয়া তথ্য অনুযায়ী অপারেশন সুন্দরবন পান্থপথ শাখায় ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরে ১ থেকে ৩ নম্বর হলে শো রয়েছে ১টা ৫০, ৭টা ১৫ মিনিটে। আর ভিআইপি হলের শো টাইম ১০টা ৪৫, ১টা ৪০, ৪টা ৩৫, ৭টা ৩০ মিনিট।

আর সিনেপ্লেক্সের পান্থপথ শাখায় ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর বিউটি সার্কাস সিনেমার শো টাইম ১১টা ১৫, ৪টা ৫০ মিনিট।

অপারেশন সুন্দরবন (বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর) ২৪ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ১১টা, ৪টা ১৫, ৭টা ১৫ মিনিট।

এস কে এস টাওয়ার শাখায় অপারেশন সুন্দরবন ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর (স্টার প্রিমিয়াম) ১০টা ৪৫, ১টা ৪০, ৪টা ৩৫, ৭টা ৩০ মিনিট।

সনি স্কয়ারে (হল ১ থেকে ৩) ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর অপারেশন সুন্দরবন চলবে ১১টা, ১টা ৪০, ৪টা ৪০, ৭টা ৪৫ মিনিটে।

সীমান্ত সম্ভারে (স্টার প্রিমিয়াম) ১০টা ৫০, ১টা ৪৫, ৪টা ৪০, ৭টা ৩৫ মিনিটে দেখা যাবে সিনেমা অপারেশন সুন্দরবন

বিউটি সার্কাস এস কে এস টাওয়ারে (২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর) ১১টা, ৪টা ২০, সনি স্কয়ারে (হল ১ থেকে ৩) ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ১১টা ১০, ৫টায়, বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরে ২৪ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ১টা ৫০ মিনিটে দেখা যাবে। আর সীমান্ত সম্ভারে সিনেমাটির কোনো শো রাখা হয়নি।

যাচাই করে দেখা যায়, সিনেপ্লেক্সের পাঁচটি শাখার কোনোটিতেই সন্ধ্যায় অর্থাৎ সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে-পরে কোনো শো নেই বিউটি সার্কাসের

বিষয়টি নিয়ে শনিবার বিকেলে নিউজবাংলা কথা বলে স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘শো টাইম নির্ধারণ করে সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। নিজস্ব পলিসি এবং পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শো টাইম নির্ধারণ করা হয়।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘শো টাইম নির্ধারণে নিজস্ব পলিসি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগালেও দর্শকদের চাহিদার ওপর আর কিছু নেই। যখন যে সিনেমা দেখতে দর্শকদের চাহিদা থাকে, আমরা সেই সিনেমার শো বাড়াই। এমন উদাহরণ অনেক আছে সিনেপ্লেক্সের।’

শুক্রবার জয়া আহসানের দেয়া বক্তব্য শুনেছেন বলে উল্লেখ করে মেজবাহ জানান, শো টাইমন এখন এমন আছে, এটা পরিবর্তনও হয়ে যেতে পারে। সবই দর্শকদের ওপর নির্ভর করছে।

পরাণদিন- দ্য ডে সিনেমার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘পরাণ সিনেমার শো প্রথম সপ্তাহে ছিল ৮টি আর দিন- দ্য ডে সিনেমার শো ছিল ১৯টি। পরে এ চিত্র কেমন হয়েছে, সেটি দর্শকদের সবার জানা।’

সন্ধ্যা ৭টার আগে-পরে কোনো শো কেন রাখা হয়নি জানতে চাইলে মেজবাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউড সিনেমার শো ড্রপ করে দিয়ে আমরা বাংলা সিনেমা চালিয়েছি। দর্শকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলা সিনেমার শো বাড়িয়েছি আমরা। সে রকম পরিবেশ তৈরি হলে সিনেপ্লেক্স শো বাড়াতে বাধ্য।’

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, শুক্র ও শনিবার স্টার সিনেপ্লেক্সের পান্থপথ শাখায় দুটি সিনেমারই একটি-দুটি শোতে দর্শক সমাগম একটু বেশি। অধিকাংশ শোতেই নেই আশানুরূপ দর্শক।

আরও পড়ুন:
প্রথম সিনেমা প্রথম প্রেমের মতো: সালওয়া
সোহেল আরমান-অপু বিশ্বাসের সিনেমা করার কথা চলছে
সফলতার দাবি নেই, ‘লাইভ’ সিনেমায় আছে সবার চেষ্টা
বাণিজ্যিক সিনেমায় অনুদান অব্যাহত রাখার ঘোষণা মন্ত্রীর
‘অপারেশন সুন্দরবন’-এর পোস্টার প্রকাশ

মন্তব্য

বিনোদন
Khufis Teaser Depicts Octopus Tying

‘অক্টোপাস’ বাঁধনের বর্ণনায় ‘খুফিয়া’র টিজার

‘অক্টোপাস’ বাঁধনের বর্ণনায় ‘খুফিয়া’র টিজার খুফিয়া এর টিজারে আজমেরী হক বাঁধন। ছবি: টিজার থেকে নেয়া
সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন আলী ফজল, ওয়ামিকা গাব্বিসহ অনেকে। খুফিয়ায় বাঁধনের অভিনয় করার মধ্য দিয়ে প্রথমবার বাংলাদেশের কোনো অভিনয়শিল্পী কাজ করলেন নেটফ্লিক্সের কোনো প্রোজেক্টে।

খুবই অদ্ভুত ছিল মেয়েটি! গুনাহ এর মতো চুপ চুপ ভাব; আবার মৃত্যুর মতো স্পষ্ট। কখনও আবার ভাগ্যের মতো; অযৌক্তিক।

এই স্বভাবগুলো অক্টোপাসের। এ অক্টোপাস সমুদ্রের নয়; এটি একটি চরিত্রের নাম। বলিউড সিনেমা খুফিয়ায় এ নামে অভিনয় করবেন দেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী।

শনিবার প্রকাশ পেয়েছে নেটফ্লিক্সের ভারতীয় সিনেমা খুফিয়া এর টিজার। সেখানে প্রায় পুরো অংশে অক্টোপাস তথা বাঁধনের স্বভাবের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।

বর্ণনাটি দিয়েছেন সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের অভিনেত্রী বলিউডের টাবু। বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, ‘হাতের আঙুলের কাছে এসে থাকা কাপর টেনে আঙুলগুলো ঢেকে রাখার স্বভাব ছিল অক্টোপাসের। হাছি দিলে একসঙ্গে তিনটা দিত। আর গলার কাছে যেখানে গর্তের মতো আছে, সেখানে ওর একটা তিল ছিল, আঁচিলের মতো।’

বর্ণার একপর্যায়ে টাবু বলেন, ‘আরেকটা আঁচিল ছিল আমাদের জীবনে। সেটা নিয়ে অক্টোপাসের না কোনো ধারণা ছিল, না আমার।’

বাঁধন নিউজবাংলাকে জানান, সিনেমায় টাবুর নাম কৃষ্ণা মেহরা (কে এম)। তার মুখে অক্টোপাস বা নিজের চরিত্রের বর্ণনায় টিজার প্রকাশে উচ্ছ্বসিত বাঁধন।

তিনি বলেন, ‘টিজারে সে বর্ণনা শোনা যাচ্ছে, সেটা অক্টোপাসের। এ চরিত্রটিতে আমি অভিনয় করেছি। যদিও আমার স্ক্রিন টাইম খুবই কম, তারপরও আমি আমার চরিত্রটিকে খুবই পছন্দে করেছি।

‘আমিই সারপ্রাইজড। কারণ আমি তো জানি না ওরা কখন কোন টিজার করবে বা ছাড়বে। আমি যখন দেখলাম যে, অক্টোপাসকে বর্ণনা করে টিজার প্রকাশ করা হয়েছে, আমার খুবই ভালো লাগছে।’

বিশাল ভারদ্বাজ পরিচালিত সিনেমাটি কবে মুক্তিপাবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে সিনেমার প্রচার শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে সিনেমাটির চরিত্রগুলোর লুকের একটি টিজার প্রকাশ পায়। এবার প্রকাশ পেল টিজার।

সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন আলী ফজল, ওয়ামিকা গাব্বিসহ অনেকে। খুফিয়ায় বাঁধনের অভিনয় করার মধ্য দিয়ে প্রথমবার বাংলাদেশের কোনো অভিনয়শিল্পী কাজ করলেন নেটফ্লিক্সের কোনো প্রোজেক্টে।

আরও পড়ুন:
‘শুভ জন্মদিন আজমেরী’
বিশাল ভরদ্বাজ জানেন কীভাবে সম্মান করতে হয়: বাঁধন
বলিউডের ‘খুফিয়া’য় বাঁধন
পরীমনিকে নিয়ে আমি চিন্তিত: বাঁধন
মুসকান জুবেরী হয়ে ওঠার গল্প শোনালেন বাঁধন

মন্তব্য

বিনোদন
Adar Azad is in a romance with Mahi

মাহির সঙ্গে রোমান্সে মেতেছেন আদর আজাদ

মাহির সঙ্গে রোমান্সে মেতেছেন আদর আজাদ পর্দায় একটি দৃশ্যে আদর-মাহি
মুক্তি সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাইগার মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটির টাইটেল গান। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন বেলাল খান ও সায়েরা রেজা। সুদীপ কুমার দীপের লেখা গানটির সংগীতায়োজন করেছেন জেকে মজলিশ।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক নির্মাণ করেছেন সিনেমা ‘যাও পাখি বলো তারে’। আগামী ৭ অক্টোবর দেশজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে নির্মিত এ সিনেমাটি।

মুক্তি সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাইগার মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটির টাইটেল গান। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন বেলাল খান ও সায়েরা রেজা। সুদীপ কুমার দীপের লেখা গানটির সংগীতায়োজন করেছেন জেকে মজলিশ।

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘যাও পাখি বলো তারে, সে যেন ভোলে না মোরে, তার বিহনে আমি যাবো গো মরে’- এমন কথায় ঠোঁট মিলিয়েছেন চিত্রনায়ক আদর আজাদ ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। দুজনের সাবলীল রসায়ন দেখে ভালো লাগা প্রকাশ করছেন দর্শক। গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন হাবিবুর রহমান। গানের দৃশ্যায়ন হয়েছে পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবানে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয় সিনেমাটির ট্রেলার। তাতে আভাস পাওয়া যায়, ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে নির্মিত হয়েছে এই সিনেমা। যেটার মুখ্য চরিত্রগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন আদর, মাহি ও শিপন মিত্র।

ক্লিওপেট্রা ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত এই সিনেমায় আদর-মাহি ছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন অভিনেতা রাশেদ মামুন অপু, সুব্রত, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু (বড়দা মিঠু), মাসুম বাশার, অভিনেত্রী রেবেকা, মিলি বাশার, লাবণ্য প্রমুখ। সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক তমালিকা আকরাম।

জাহিদ হাসান অভির দ্য অভি কথা চিত্র পরিবেশিত ‘যাও পাখি বলো তারে’ সিনেমার কাহিনি, সংলাপ ও চিত্রনাট্য লিখেছেন আসাদ জামান। এর গান লিখেছেন সুদীপ কুমার দীপ, এ মিজান ও সঞ্জীবন চক্রবর্তী। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করেছেন ইমন সাহা। গানের সংগীত করেছেন জেকে মজলিশ, বেলাল খান ও রেজওয়ান শেখ এবং গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বেলাল খান, কোনাল, ইলিয়াস হোসাইন, সায়েরা রেজা, মোহাম্মদ জসিউর রহমান সেতু ও বিন্দিয়া খান।

আরও পড়ুন:
আমার মেয়েই হবে ইনশাআল্লাহ: মাহি
মা হচ্ছেন মাহি
শুক্রবার সিনেমা মুক্তি, তবু মন ভালো নেই সাইমন-মাহির

মন্তব্য

p
উপরে