× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
How is Hassans business situation?
hear-news
player
print-icon

হাসানের ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ যেভাবে

হাসানের-ব্যবসার-পরিস্থিতি-যেভাবে
শিল্পী আলী হাসান বলেন, ‘দোকানদারি করার সময় কাস্টমারের সঙ্গে কথা বলি। সেগুলোই মিলিয়ে লিখতে শুরু করি- ‘যাই করি তাই করি/ব্যবসা-বাণিজ্য তো গোল/চাকরি-বাকরি সে তো গোল/সে তো গোল।’ হা হা হা…। তারপর ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে এই গান তৈরি করলাম।’

‘মানুষ তো মনে করে হুদাহুদি চেতি/আহেন ভাই বহেন ব্যবসার পরিস্থিতি

ব্যবসার যে পরিস্থিতি/মুরগি খুঁজি টিটি- আয় টিটি

বাপ-দাদার আমলের স্মৃতি ধইরা রাখবার চাই/ম্যাগার ক্যামনে ধরুম ভাই

কন তো টুকুরটাকুর সদাই বেইচা কয় ট্যাকা কামাই

কন তো টুকুরটাকুর সদাই বেইচা কয় ট্যাকা কামাই।’

‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ শিরোনামের গানের প্রথম কয়েকটি লাইন। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল এই গান। ফেসবুকে স্ক্রল করলেই চলে আসছে গানটির ভিডিও।

গানটির শিল্পী আলী হাসান। রোববার নিউজবাংলা কথা বলেছে এই র‍্যাপারের সঙ্গে। সেই আলাপচারিতায় উঠে এসেছে গানটি তৈরির গল্পসহ নানা বিষয়।

আলী হাসান বলেন, ‘দশ-বারো বছর আগে গান শুরু করেছি। তবে মাঝে অন্যান্য কাজকর্মের ব্যস্ততায় সেভাবে আর গান করা হয়নি। এর মধ্যে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটা ছেড়েছিলাম। তবে সাউন্ড ও ভিডিওর মান ভালো না থাকায় হিট হয়নি।’

নতুন গানটিতে শ্রোতা-দর্শকদের সাড়ায় অভিভূত আলী হাসান। জানালেন গানটি তৈরির পেছনের গল্প।

তিনি বলেন, ‘যখন দোকানদারি করতাম তখন কাস্টমারের সঙ্গে দুষ্টুমি করে মিলিয়ে বলতাম- ‘দেখেন তো ভাই, মালটা ঠিক আছে না লিক’। হা হা হা…, আমাদের অভ্যাসটাই এই টাইপের। আমার দাদী ছিলেন আগের যুগের মানুষ। তো উনি আবার কথা বলতেন ছন্দ মিলিয়ে। আমিও দাদীর রোগটা পেয়েছি। যাই বলি কথা বলার সময় ছন্দ মিলিয়ে বলি। ছোটবেলা থেকেই দুষ্টুমি করতাম, ঢোল-টোল নিয়ে গান গাইতাম। আস্তে ধীরে র‍্যাপ-হিপহপ জগতে আসা।’

শিল্পী হাসান বলেন, ‘ধীরে ধীরে ডায়ালগ বানানো শুরু করলাম। এই ডায়ালগ দিয়েই তো আমরা গান তৈরি করি। দোকানদারি করার সময় কাস্টমারের সঙ্গে কথা বলি। সেগুলোই মিলিয়ে লিখতে শুরু করি- ‘যাই করি তাই করি/ব্যবসা-বাণিজ্য তো গোল/চাকরি-বাকরি সে তো গোল/সে তো গোল।’ হা হা হা…। তারপর ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে এই গান তৈরি করলাম। তবে এই গানটা তৈরি করতে অনেকটা সময় লেগেছে।’

দোকানের খবর জানতে চাইলে হাসান বলেন, ‘দোকান তো বিক্রি করে দিয়েছি প্রায় আট মাস হয়েছে। এরপর দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য কাগজপত্র জমা দিলাম। আগে তিন বছর কাতারে ছিলাম। তারপর কিছু ক্যাশট্যাশ নিয়ে দেশে ফিরে বাপের (বাবা) দোকানে ব্যবসা-বাণিজ্যে ইনভেস্ট করলাম। আমার বাপে এই ব্যবসা কইরাই আমাদেরকে বড় করছে। আমাদের হার্ডওয়্যারের দোকান ছিল। বাবার বয়স হয়েছে। এখন ভারী মালপত্র টানতে পারেন না। এইজন্য ব্যবসার হাল আমি ধরেছিলাম।’

র‍্যাপ চর্চার বিষয়ে জানতে চাইলে আলী হাসান বলেন, ‘চর্চা বলতে আমি প্রচুর পরিমানে ডায়ালগ লিখি। আমার দুই-তিনটি ডায়েরি ভরে গেছে। এগুলো থেকে পাঞ্চলাইন নিয়ে সব জোড়া দেই।’

হাসানের ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ যেভাবে

তবে এই গুণ তার দাদীর কাছ থেকেই পেয়েছেন বলে জানালেন আলী হাসান। এ নিয়ে ছন্দ মিলিয়ে বলেন, ‘অনেকে কয় নাহ- জাতের ধারা জীবনের চারা। বংশগত রোগ আরকি হা হা হা…।’

হাসান আলী আরও যোগ করেন, ‘দাদীরে জিজ্ঞাসা করতাম- কী খাইছো? তখন তিনি বলতেন- ভাত আর ডাল, আর তোর বাপের গাল।’

দেশের বাইরে চলে গেলে কীভাবে গান করবেন বা ভবিষ্যতে গান নিয়ে পরিকল্পনা কী জানতে চাইলে এই র‍্যাপার বলেন, ‘গান তো আমার নেশা, পেশা না। আমি যদি এটা করে ফ্যামিলি চালাতে পারতাম তখন না হয় এর ভেতরে থেকে যেতে পারতাম। আগে আমার কর্ম করতে হবে, সংসার চালাতে হবে।’

মা-বাবা, চার বোন ও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার হাসানের। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়। তবে যে দাদীর কাছ থেকে র‍্যাপের অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তিনি দু’বছর হলো মারা গেছেন।

হাসান জানান, ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ গানে তার সঙ্গে যারা কণ্ঠ মিলিয়েছেন তারা সবাই র‍্যাপার। সবাই স্থানীয় এবং নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত।

তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন- মারুফ আকন্দ, সাদি, আমিন আলী, রাকিব হাসান, মিস্টার রিজান, উদয় মাহমুদ ও মানাম হোসাইন।

আরও পড়ুন:
দিল্লিতে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার রাহুল, প্রিয়াঙ্কা
ঢাকা কলেজ: ছয় হাজার টাকা হঠাৎ কোথায় পাবে তারা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আল কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরি নিহত
ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তালেবান নিহত
রাহুল গান্ধী আটক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Show me the worship song mother

পূজার গান ‘দেখা দাও মা’

পূজার গান ‘দেখা দাও মা’ ‘দেখা দাও মা’ গানের শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত
রমনা কালী মন্দিরে নির্মাণ করা হয়েছে মিউজিক ভিডিওটি। এটি নির্মাণ করেছেন শুভব্রত সরকার। পূজার সাজে গানটির ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন গানের শিল্পীরা।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের জনপ্রিয় অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস) প্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘দেখা দাও মা’ শিরোনামে বিশেষ গানচিত্র।

গানটি লিখেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় গীতিকার প্রসেন, সুর এবং সংগীতায়োজন করেছেন কিশোর দাশ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সন্দীপন দাস, ধ্রুব গুহ, কিশোর দাস, কেশব রায় চৌধুরী, প্রিয়াংকা বিশ্বাস, সুকন্যা মজুমদার, অনন্যা আচার্য ও অনিন্দিতা সাহা অথি।

রোববার এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমনা কালী মন্দিরে নির্মাণ করা হয়েছে মিউজিক ভিডিওটি। এটি নির্মাণ করেছেন শুভব্রত সরকার। পূজার সাজে গানটির ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন গানের শিল্পীরা। তাদের সঙ্গে নেচেগেয়ে দুর্গা মায়ের বন্দনা করেছেন একঝাঁক নৃত্যশিল্পী।

গানটি প্রসঙ্গে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার এবং গানটির অন্যতম শিল্পী ধ্রুব গুহ বলেন, ‘এবার দেবীদুর্গার মর্ত্যে আসছেন হাতিতে চড়ে আর কৈলাশে ফিরে যাচ্ছেন নৌকায় করে। এ বিষয়গুলোকে মাথায় রেখেই আমরা এবার দেবীদুর্গার মাহাত্ম্য বন্দনাসহ দুর্গাকে মর্ত্যে এসে চলমান এবং আসন্ন বিপর্যয়গুলো থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য প্রার্থনামূলক একটা গান করেছি।’

গানটির সুরকার এবং সংগীতায়োজক কিশোর দাশ বলেন, ‘গানটির কথার যে গাঁথুনি তার সঙ্গে উৎসব এবং প্রার্থনা দুটো আবহেরই সম্মিলন ঘটিয়ে চেষ্টা করেছি একটি ভিন্নমাত্রার গান উপহার দেয়ার। আশা করি শ্রোতাদের ভালো লাগবে গানটি।’

৩০ সেপ্টেম্বর মহাপঞ্চমীর দিন সন্ধ্যায় ডিএমএসের ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হবে ‘দেখা দাও মা’ গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে দেশি ও আন্তর্জাতিক একাধিক অ্যাপেও।

আরও পড়ুন:
‘আসছে মা দুর্গা’, পূজার গানে স্পর্শিয়া-সুমিত

মন্তব্য

বিনোদন
Vallage songs about the beauty of men are taking the net world by storm

পুরুষের সৌন্দর্য নিয়ে ‘ভাল্লাগে’ গানে নেট দুনিয়ায় ঝড়

পুরুষের সৌন্দর্য নিয়ে ‘ভাল্লাগে’ গানে নেট দুনিয়ায় ঝড় ভাল্লাগে গানের শিল্পী সুমি শবনম (বাঁয়ে) এবং গানটির মডেল নয়ন ও মম। ছবি: সংগৃহীত
‘ভাল্লাগে’ গানটি গত জুলাইয়ে ইউটিউবে প্রকাশের আড়াই মাসে ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে। দেশের দর্শকের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দর্শকরাও মেতেছেন এর সুর-কথায়। এত বিপুল সাড়ায় উচ্ছ্বসিত শিল্পী সুমি শবনম।  

‘ছেলে তোর কোঁকড়া কোঁকড়া চুলে যেন সমুদ্র ঢেউ খেলে/ সেই ঢেউ খেলা দেখিতে আমার ভাল্লাগে’- এই গানে উন্মাতাল ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

সংগীতশিল্পী সুমি শবনমের ‘ভাল্লাগে’ শিরোনামের গানটি গত জুলাইয়ে ইউটিউবে প্রকাশের আড়াই মাসে ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে। টিকটক, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও ভাইরাল গানটির নানান রিল। ফেসবুকে #ভাল্লাগে হ্যাশট্যাগ রীতিমতো ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।

দেশের দর্শকের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দর্শকরাও মেতেছেন গানটিতে। তৈরি করছেন রিল। পশ্চিমবঙ্গের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী অঙ্কিতা বর্মণ ফেসবুকে গানটির একটি রিল পোস্ট করে লিখেছেন, ‘অষ্টমীর দিন পাঞ্জাবিতে ছেলেদের দেখার পর আমরা।’

ফেসবুকে দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরে রায়গঞ্জে এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে গানটির সঙ্গে নাচছেন এক তরুণী।

#vallage দিয়ে গানটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সংগীতশিল্পী আরজীন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘ভাল্লাগে। ‘ছেলে তোর কোঁকড়া কোঁকড়া চুলে যেন সমুদ্র ঢেউ খেলে’ এই গান বাংলাদেশ ইন্ডিয়া কাঁপায় ফেলছে। টিকটকে তো ঝড়, সাথে ইন্সটাগ্রাম ফেইসবুক তো আছেই। ১৯৮৯ সালে শিল্পী ডলি সায়ন্তনি এর ‘হে যুবক/ রঙ চটা জিন্সের প্যান্ট পরা’ গানের পর ছেলেদেকে ভালো লাগা নিয়ে নারী কণ্ঠে এরকম গান বাংলাতে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।’

অভাবনীয় এই সাড়া নিয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন গানটির শিল্পী সুমি শবনম। জানিয়েছেন, গানটি সৃষ্টির পেছনের গল্প।

পুরুষের সৌন্দর্য নিয়ে ‘ভাল্লাগে’ গানে নেট দুনিয়ায় ঝড়
ভাল্লাগে গানের শিল্পী সুমি শবনম। ছবি: সংগৃহীত

সুমি শবনম বলেন, ‘গানের সিলেকশন ওইভাবে হয়নি। গানটি আমার স্বামী আকরাম হোসেনের লেখা। উনি ব্যাংকে চাকরি করেন। মাঝে মধ্যে গান লেখেন। পাঁচ বছর আগে গানটি লিখেছিল।

‘আমি তো তখন ওভাবে গানে সময় দিতে পারিনি, আমার জমজ সন্তান। তাদেরকে দেখেশুনে রেখে গান গাওয়া অনেক ঝামেলা হয়ে গিয়েছিল। এখন তারা বড় হয়েছে।

‘এরই মধ্যে আমার স্বামী বলল এখন তো বাচ্চাদের চাপ নেই, তুমি এখন ফেসবুক পেজ করো, ইউটিউব চ্যানেল করো। আমি তখন বললাম তুমি এ রকম একটা গান লিখেছিলে এবং খুবই হেসেছিলাম গানটা শোনার পরে। তখন আমার হ্যাজবেন্ড বলল, গানটা তাহলে তোমার চ্যানেলে করে ফেল।’

এর পরের ঘটনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি গানটা নিয়ে গেলাম সজীবের কাছে (সংগীত পরিচালক)। তার অফিসে গিয়ে অনেকগুলো গান দেখালাম, সব শেষে এই গান দেখালাম।

‘গানটি দেখেই সজীব বলল, আপা এইরকম গানই তো দরকার। তখন এই গানটি আমাকে রেকর্ড করতে বলল। রেকর্ড শেষে তাকে বললাম, গানটার ভিডিও করব তোমার স্টুডিওতে, অত খরচ করতে পারব না, আমার চ্যানেলে দেব।

‘তখন সজীব বলল, আপা গানটা আপনার চ্যানেলে দেয়া যাবে না। এটা ভালো একটা গান, প্রমিনেন্ট কোনো একটা চ্যানেলে দিলে ভালো হবে।’

এরপর গানের মিউজিক ভিডিও তৈরি ও প্রচারের গল্প শোনান সুমি। বলেন, ‘গানটি আমি হানিফ ভাইকে (হানিফ সংকেত) পাঠালাম। উনি সঙ্গে সঙ্গে লিখে পাঠিয়েছেন এটা অসাধারণ একটা গান। উনি বললেন, কিছু কথা চেঞ্জ করতে, হানিফ ভাইয়ের ওখানে দিতে হলে কিছু কথা চেঞ্জ করে দিতে হবে, আমি বললাম দেব।

‘পরে উনাকে আর কানেক্ট করতে পারছিলাম না, উনি হয়ত দেশের বাইরে ছিলেন। উনাকে আর পেলাম না।

‘পরে আরেকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম, তাকেও আর পরে পেলাম না। এরপর সজীব একদিন নয়ন ভাইকে (সৃষ্টি মাল্টিমিডিয়ার মালিক ও গানের মডেল) গানটি পাঠায়। সজীব জানাল গানটি নয়ন ভাই নেবে। ভিডিওর যত খরচ তিনি দেবেন, আপনি গানটা নয়ন ভাইকে দিয়ে দেন। এরপর চার-পাঁচদিনের মধ্যে ভিডিও সেরে ফেললাম। কোরবানি ঈদের পরদিন গানটি রিলিজ হয়েছে।’

পুরুষের সৌন্দর্য নিয়ে ‘ভাল্লাগে’ গানে নেট দুনিয়ায় ঝড়
ভাল্লাগে গানের মডেল নয়ন ও মম। ছবি: সংগৃহীত

একদম ছোটবেলা থেকে গান করেন বলেন জানালেন সুমি। তিনি বলেন, ‘আমি তো গান করি একদম ছোটবেলা থেকে। আমার পরিবার থেকেই গান গাওয়া শেখা। আমার ভাই-বোন, আমার বাবা-দাদা পুরো পরিবার গানের পরিবার। আমার গানের হাতেখড়িই হয়েছে বড় তিন ভাইয়ের কাছ থেকে।’

মেহেরপুরের গাংনীতে বাড়ি সুমির। স্বামীর চাকরির সুবাদে ঢাকাতেই থাকেন। তিনিও দুই বছর একটা চাকরি করেছেন। তবে গান-বাজনা আর সংসার সামলানোর জন্য সেই চাকরি ছেড়েছেন বলে জানান সুমি।

এ পর্যন্ত তার ৬-৭ টি অ্যালবাম বেড়িয়েছে সুমির। এর মধ্যে দুটি লালনগীতি ও বাকিগুলো মৌলিক গানের। এই অ্যালবামগুলো ২০০০ সাল থেকে ২০০১, ২০০২ ও ২০০৩ সালের দিকে করা। এ ছাড়া সেসময় ইত্যাদিতেও গান করেছেন তিনি।

‘ভাল্লাগে’ গানের মতো সাড়া আর কোনো গানে সাড়া পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে সুমি বলেন, “২০০১ সালে আমার একটা গান এসেছিল ‘আমার মাকে একটা চশমা কিনে দে/ আমার বাপকে একটা চশমা কিনে দে।’ সে সময় প্রচুর সাড়া ফেলেছিল গানটি। যদি সে সময় ইউটিউবের যুগ হতো তাইলে ওটাও ভাইরাল হতো।’’

দীর্ঘদিন ধরে গান করলেও জোরালোভাবে সংগীত জগতে খুব একটা শোনা যায়নি সুমির নাম। তবে ‘ভাল্লাগে’ গানে বিপুল সাড়া তাকে উজ্জীবিত করেছে। ভীষণ খুশি সুমি জানালেন, আগামীতে নিয়মিত হবেন গানের জগতে।

আরও পড়ুন:
‘জয় বাংলা স্লোগান বঙ্গবন্ধু নেন কবি নজরুল থেকে’

মন্তব্য

বিনোদন
The River Rocks concert is coming up on September 23

২৩ সেপ্টেম্বর আসছে ‘নদী রক্স কনসার্ট’

২৩ সেপ্টেম্বর আসছে ‘নদী রক্স কনসার্ট’ ২৩ সেপ্টেম্বর ‘নদী রক্স কনসার্ট’। ছবি: সংগৃহীত
নদী রক্স সিজন-১ এ অংশগ্রহণ করা ৭টি ব্যান্ড পারফর্ম করবে নদী রক্স কনসার্টে, গাইবে নদীর গানসহ নিজেদের জনপ্রিয় সব গান। এছাড়াও থাকছে আরও নানান আয়োজন। কনসার্টের গেট খোলা হবে দুপুর ২টা ৩০মিনিটে।

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরার ইন্টরন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরা (আইসিসিবি) হল-৪ এ আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘নদী রক্স কনসার্ট’। জলবায়ু, নদী, সংগীত ও তারুণ্যকে এক করতে এমন উদ্যোগ।

কনসার্টে অংশ নিচ্ছে ক্রিপটিক ফেইট, চিরকুট, আরবোভাইরাস, অ্যাশেজ, বাংলা ফাইভ, এফ মাইনর ও স্মুচেস। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘দেশের সব নদী নিয়ে একটি করে গান থাকবে’ এমন স্বপ্ন নিয়ে এবং জলবায়ু ও নদী রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে শুরু হয় ‘নদী রক্স’ উদ্যোগটি। পদ্মা, বুড়িগঙ্গা, কুশিয়ারা, পশুর, চিত্রা, ডাহুক ও সাঙ্গু, দেশের এই ৭টি গুরুত্বপূর্ণ নদী নিয়ে নতুন গান তৈরি করেছে দেশের স্বনামধন্য ৭টি ব্যান্ড, যেগুলোর মিউজিক ভিডিও নদীগুলোতেই শুট করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

নদী রক্স সিজন-১ এ অংশগ্রহণ করা ৭টি ব্যান্ড পারফর্ম করবে নদী রক্স কনসার্টে, গাইবে নদীর গানসহ নিজেদের জনপ্রিয় সব গান। এছাড়াও থাকছে আরও নানান আয়োজন। কনসার্টের গেট খোলা হবে দুপুর ২টা ৩০মিনিটে।

‘নদী রক্স’ উদ্যোগটিকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড অ্যাম্বাসি, তত্ত্বাবধানে রয়েছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আছে সল্ট ক্রিয়েটিভস। নদী রক্স কনসার্টের আয়োজক ব্র্যান্ডমিথের সঙ্গে পার্টনার হিসেবে আরও থাকছে সবাই মিলে সবার ঢাকা, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, রিমার্ক এইচবি লিমিটেড, রেডিও টুডে, বাংলাদেশ ব্যান্ড মিউজিক ফ্যান’স কমিউনিটি (বিবিএমএফসি), মেটাল ফ্রিক টিশার্ট, নেসলে ও পোলার।

আরও পড়ুন:
৭ ব্যান্ড নিয়ে শুরু ‘নদী রকস্‌’
যুক্তরাষ্ট্রে কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৮
তরুণ শিল্পীকে বাঁচাতে ঢাবিতে কনসার্ট
দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে অনলাইন কনসার্ট

মন্তব্য

বিনোদন
Seeking release by shouting in song

‘গানে চিৎকার করে মুক্তি খুঁজেছি’

‘গানে চিৎকার করে মুক্তি খুঁজেছি’ সংগীতশিল্পী তৌফিক আহমেদের গানের পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
তিনি আরও বলেন, ‘টাকা কামাতে হবে প্রচুর, কিন্তু সুখ তো শুধু টাকা কামিয়ে আসছে না। আবার টাকার পেছনে ছোটা ছাড়াও উপায় নেই। বিল দেবে কে? পুরো ব্যাপারটাই একটা লুপ-প্যারাডক্স।’

‘আত্মহনন আসলে কোনো ব্যক্তির বা আমার আত্মহত্যা নয়। এই হনন আমার শিল্পসত্তার হনন, মৃত্যু। পচে যাওয়া সিস্টেম, চারপাশ, সমাজ আর ব্যক্তিজীবনের চাপে আমার শিল্পসত্তার ক্ষয় হচ্ছে প্রতিনিয়ত আর সবার মতো! গোলমেলে পৃথিবীর এই র‍্যাট রেইসে আমি ক্লান্ত!’

নিজের সাম্প্রতিক ভাবনা এভাবে নিউজবাংলার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলেন সংগীতশিল্পী তৌফিক আহমেদ।

তিনি আরও বলেন, ‘টাকা কামাতে হবে প্রচুর, কিন্তু সুখ তো শুধু টাকা কামিয়ে আসছে না। আবার টাকার পেছনে ছোটা ছাড়াও উপায় নেই। বিল দেবে কে? পুরো ব্যাপারটাই একটা লুপ-প্যারাডক্স।’

এ ভাবনাগুলো তৌফিক গানে প্রকাশ করেছেন সম্প্রতি। ১৩ সেপ্টেম্বর আত্মহনন নামের গানটি প্রকাশ পেয়েছে ইউটিউবে। গানটির কথা, কণ্ঠ, ফ্লো আর ভিডিও পরিচালনা করেছেন শিল্পী নিজেই। সংগীত প্রযোজনা করেছে টিএইচ প্রোডাকশন এবং ভিডিও নির্মাণ করেছে সার্কেল প্রোডাকশন।

তৌফিক বলেন, ‘আমি গোলাম, আমি গানে চিৎকার করে মুক্তি খুঁজি। আমি বিরক্ত- আমি বন্দি, আমি দাস; এই হনন চলছে প্রতিনিয়ত আমাদের সবারই। আমরা বেঁচেও বেঁচে নেই।’

শিল্পীর মতে, গানটায় মন খুলে অনেক কিছু বলেছেন তিনি। যে বোঝার সে বুঝবে।

আরও পড়ুন:
ক্রিকেটার তাসকিনকে উৎসর্গ করে তৌফিকের গান

মন্তব্য

বিনোদন
Kabir Suman will sing in Dhaka if permission is granted

অনুমতি মিললেই ঢাকায় গাইবেন কবীর সুমন

অনুমতি মিললেই ঢাকায় গাইবেন কবীর সুমন সংগীতজ্ঞ কবীর সুমন। ছবি: সংগৃহীত
টিকেট এখনও ছাড়া হয়নি। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। পিপহোল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের অন্যতম অংশীদার ফুয়াদ বিন ওমর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনুমতির জন্য আবেদন করেছি এবং অপেক্ষা করছি। মন্ত্রণালয় অনুমতি দিয়ে দিলেই আমরা টিকেট ছাড়ব।’

৩০ বছর আগের কথা। ‘তোমাকে চাই’ নামের গানের অ্যালবামের মাধ্যমে বাংলা গানের জগতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন কবীর সুমন।

কিংবদন্তি সেই সংগীতজ্ঞ আসছেন বাংলাদেশে। তিন দিনব্যাপী আয়োজনে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে তার। এ নিয়ে ‘কবীর সুমন লাইভ ইন ঢাকা ২০২২’ নামের একটি ফেসবুক ইভেন্ট খোলা হয়েছে।

সেখানে জানানো হয়েছে, পিপহোল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের আয়োজনে ১৫ অক্টোবর থেকে এক সপ্তাহের উৎসবে সুমন সামিল হবেন। আয়োজনটি হবে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে।

১৫ অক্টোবর সুমন গাইবেন আধুনিক বাংলা গান। ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সুমন গাইবেন তার লেখা আধুনিক বাংলা খেয়াল। আর ২১ অক্টোবর আধুনিক বাংলা গান গাইবেন সুমন। সবগুলো অনুষ্ঠানে যেকেউ ই-টিকেট কেটে আসতে পারবেন।

টিকেট এখনও ছাড়া হয়নি। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। পিপহোল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের অন্যতম অংশীদার ফুয়াদ বিন ওমর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনুমতির জন্য আবেদন করেছি এবং অপেক্ষা করছি। মন্ত্রণালয় অনুমতি দিয়ে দিলেই আমরা টিকেট ছাড়ব।’

অনুষ্ঠানটি লাইভ স্ট্রিমিংও করা হবে বলে জানানো হয়েছে ফেসবুকের ইভেন্টে। স্পনসরশিপের জন্য +880 1817 277048 অথবা +8801615512211 নাম্বারে যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে।

স্পন্সর না পেলে কি অনুষ্ঠান হবে না? জানতে চাইলে ফুয়াদ বলেন, ‘আমাদের স্পন্সর দরকার। তবে সেটা প্রয়োজনের মতো না পেলেও অনুষ্ঠান হবে। সেটা সমস্যা না। আমরা আসলে অনুমতি পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। অনুমতি পেয়ে গেলে সবই হবে।’

ফেসবুকের ইভেন্টে দাবি করা হয়েছে, কবীর সুমন শেষবারেরর মত বাংলাদেশে গান গেয়েছিলেন ২০০৯ সালের ১৬ অক্টোবর। ঠিক ১৩ বছর পর তিনি আবার মঞ্চে উঠতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের মাটিতে।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে বসেই নতুন সুর বাঁধছেন সুমন
করোনা হয়নি কবীর সুমনের
অসুস্থ কবীর সুমন হাসপাতালে
মৃত্যুর পর আমার সৃষ্টি ধ্বংস হোক: কবীর সুমন
সুমনের লেখা গান গাইবেন আসিফ

মন্তব্য

বিনোদন
Nagarbaul will sing meaningless artsel on stage

এক মঞ্চে গাইবে নগরবাউল, অর্থহীন, আর্টসেল

এক মঞ্চে গাইবে নগরবাউল, অর্থহীন, আর্টসেল বাঁ থেকে নগরবাউল জেমস, অর্থহীনের বেজবাবা সুমন ও আর্টসেলের লিংকন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ব্যান্ড মিউজক ভক্তদের জন্য জমকালো এ আয়োজন হতে যাচ্ছে ১৬ সেপ্টেম্বর, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) এর ৪ নম্বর হলে।

দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড নগরবাউলের সঙ্গে এক মঞ্চে পাওয়া যাবে অর্থহীন, আর্টসেলকে। সঙ্গে আরও আছে পাওয়ারসার্জ, মেকানিক্স, ট্রেইনরেক, স্যাভেজারি, প্লাজমিক নক, অনকোর, আরেকটা রক ব্যান্ড।

ব্যান্ড মিউজক ভক্তদের জন্য জমকালো এ আয়োজন হতে যাচ্ছে ১৬ সেপ্টেম্বর, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) এর ৪ নম্বর হলে।

ওরাইমো প্রেজেন্টস হেডব্যঙ্গার্স প্যারাডাইজ ২ পাওয়ার্ড বাই ফুডপ্যান্ডা কনসার্টটির সঙ্গে যুক্ত আছে সিক্স বেইজ কমিউনিকেশন, অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ভ্যান্টেজ ইম্পোর্টস, অন্যান্য পার্টনার বিবিএমএফসি, গেট সেট রক, কোডিক্সেল, হেভি মেটাল টি-শার্ট।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এবারের ইভেন্টে আয়োজকরা দর্শকদের জন্য দুই ধরণের টিকিটের ব্যবস্থা রেখেছে। রেগুলার টিকিটের মূল্য ৫৫০ এবং ভিআইপি টিকিটের মূল্য ১২৫০ টাকা। ভিআইপি টিকিটের ক্রেতাদের জন্য টিকিটের পাশাপাশি থাকছে বিভিন্ন স্যুভেনিউর।

হেডব্যঙ্গার্স প্যারাডাইজ সিজন ২ এর টিকিট পাওয়া যাচ্ছে গেট সেট রকের ওয়েবসাইটে।

আরও পড়ুন:
এ আর রহমানের কনসার্টের টিকিট বিক্রি শুরু সোমবার
এ আর রহমানের সঙ্গে শেরে বাংলা মাতাবেন মমতাজ-মাইলস
‘ছাত্রলীগের মারামারিতে’ বন্ধ কনসার্ট ফর অয়ন
যুক্তরাষ্ট্রে কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৮
তরুণ শিল্পীকে বাঁচাতে ঢাবিতে কনসার্ট

মন্তব্য

বিনোদন
I used to get inspired by listening to Gazi Mazharuls songs during the war

‘যুদ্ধের সময় গাজী মাজহারুলের গান শুনে অনুপ্রাণিত হতাম’

‘যুদ্ধের সময় গাজী মাজহারুলের গান শুনে অনুপ্রাণিত হতাম’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা। ছবি: নিউজবাংলা
কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‘২০ হাজার কেন, গাজী মাজহারুল আনোয়ার যদি জয় বাংলা, বাংলার জয় গানের পর আর কোনো গান নাও লিখতেন, তিনি অনন্য হয়ে থাকতেন।’

কিংবদন্তি গীতিকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ারের গান শুনে মুক্তিযুদ্ধের সময় অনুপ্রাণিত হওয়ার কথা জানালেন সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ।

সোমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গাজী মাজহারুলের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে এ কথা জানান তিনি।

কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‘২০ হাজার কেন, গাজী মাজহারুল আনোয়ার যদি জয় বাংলা, বাংলার জয় গানের পর আর কোনো গান নাও লিখতেন, তিনি অনন্য হয়ে থাকতেন।

‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার যুদ্ধে যাবার বয়স ছিল না, ছোট ছিলাম। তারপরও আমি গানটি শুনে অনুপ্রাণিত হতাম।’

চলচ্চিত্র পরিচালক নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, 'আমরা যখন যুদ্ধ করেছি তখন 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি আমাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব যিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে চলে যেতে পেরেছেন।'

আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন অসীম কুমার উকিল, বিপ্লব বড়ুয়াসহ নেতাকর্মীরা।

এ সময় অসীম কুমার উকিল বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে সম্মান জানালাম। আগামী প্রজন্মের কাছে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে পরিচয় করিয়ে দিতে ও তার কাজ সংরক্ষণ করতে যা করতে হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ তা করবে।’

শিল্পী নকিব খান বলেন, ‘দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি বিরল প্রতিভা।’

গীতিকার শহীদুল্লাহ ফরায়জী বলেন, ‘গাজী ভাইয়ের গান বাংলা সংগীতকে উচ্চতা দিয়েছে, গভীরতা দিয়েছে, বহুমুখী করেছে। আমরা যত মানবিক হতে পারব, আমরা গাজী ভাইয়ের প্রতি তত মর্যাদা প্রদর্শন করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এফডিসিতে সংরক্ষণ হবে গাজী মাজহারুলের সৃষ্টিকর্ম
শহীদ মিনারে গাজী মাজহারুলকে শেষ শ্রদ্ধা
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা, বনানীতে দাফন

মন্তব্য

p
উপরে