× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Paran has not lost its grip on the theaters of Hawar Joa on tickets
hear-news
player
print-icon

টিকিটে ‘হাওয়া’র জোয়ার, প্রেক্ষাগৃহে দাপট হারায়নি ‘পরাণ’

টিকিটে-হাওয়ার-জোয়ার-প্রেক্ষাগৃহে-দাপট-হারায়নি-পরাণ
হাওয়া ও পরাণ সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
৩১ থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত স্টার সিনেপ্লেক্সের সবগুলো শাখায় হাওয়া প্রদর্শিত হবে মোট ২৭টি শো। একই প্রেক্ষাগৃহে ২৯ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত পরাণ চলবে ১৬টি করে শো।

আসছে শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে সিনেমা হাওয়া। সিনেমাটির টিকিট কেনায় যেন ধুম লেগেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকগুলো করে টিকিট কেনার ছবি পোস্ট করছেন দর্শকরা।

প্রেক্ষাগৃহগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের অনেকগুলো প্রেক্ষাগৃহে বিক্রি হচ্ছে হাওয়া সিনেমার অগ্রিম টিকিট। বেশ কটি শো আগে থেকেই হয়ে আছে হাউজফুল।

স্টার সিনেপ্লেক্স ফেসবুক পেজের তথ্য অনুযায়ী ২৯ জুলাই সিনেপ্লেক্সটির ৫টি শাখায় ২৬টি শো প্রদর্শিত হবে। ৩০ জুলাই বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর শাখা বাদে ২৪টি এবং ৩১ থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত সবগুলো শাখায় প্রদর্শিত হবে মোট ২৭টি শো।

স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রে ২৭টি শো এর আগে কখনও চালায়নি স্টার সিনেপ্লেক্স। কিছুদিন আগেই ২১টি শো চলেছিল পরাণ সিনেমার।

তিনি বলেন, ‘ইংরেজি সিনেমার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে বাংলা সিনেমা। বাংলা সিনেমাই এগিয়ে আছে। হাওয়া সিনেমার টিকিট কেনার ব্যাপারে দর্শকদের অনেক আগ্রহ। ভালো সাড়া পাচ্ছি।’

তবে সিনেপ্লেক্সে পরাণ সিনেমার দাপট কমেনি। ২৯ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত সিনেপ্লেক্সের ৪টি শাখায় পরাণ সিনেমার ১৬টি করে শো চলবে।

পরাণ সিনেমা নিয়ে এখনও ভালো সাড়া পাচ্ছেন জানিয়ে মেজবাহ বলেন, ‘সিনেমাটির এখনও অনেক দর্শক। হাওয়া সিনেমাটি আরও কিছুদিন পর মুক্তি পেলে পরাণ সিনেমায় দর্শকরা মজে থাকত বলে আমার ধারণা। হাওয়া মুক্তি পাওয়ায় পরাণ সিনেমার ওপর কিছুটা হলেও প্রভাব পড়তে পারে।’

রাজধানীর ব্লকবাস্টার সিনেমাসে হাওয়া সিনেমার কয়টি শো চলবে তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি হবে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন ব্লকবাস্টার সিনেমাসের অপারেশন ইনচার্জ এ এইচ রাজু।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে পরাণ সিনেমা এখনও ভালো যাচ্ছে। দিন- দ্য ডে সিনেমাও খারাপ না। বৃহস্পতিবারেও পরাণ সিনেমাটির ৬টি শো রয়েছে। নতুন শিডিউল করার পর জানাতে পারব হাওয়া সিনেমার কয়টি শো আর পরাণ সিনেমার কয়টি শো।’

রাজধানীর শ্যামলী সিনেমার ম্যানেজার হাসান নিউজবাংলাকে জানান, শুক্রবারে তাদের চারটি শো। যার মধ্যে শেষের দুটি শো হাউজফুল এবং প্রথম দুটি শোয়ের কয়েকটি করে টিকিটি বিক্রি বাকি আছে।

নারায়ণগঞ্জের সিনেমাস্কোপ সংশ্লিষ্ট মো. রবি জানান, প্রথম সপ্তাহের ৮৫ শতাংশ টিকিট তাদের বিক্রি হয়ে গেছে। প্রথম চার দিনের কোনো টিকিট নেই।

কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাসে বৃহস্পতিবার পরাণের ৪টি শো রয়েছে। আর শুক্রবার থেকে ৪টি করে শো চলবে হাওয়া সিনেমার।

চট্টগ্রামের সুগন্ধা সিনেমা হলে হাওয়া সিনেমা অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। টিকিট কিছু বিক্রিও হচ্ছে, তবে সেটি অনেক না। প্রেক্ষাগৃহটিতে পরাণ সিনেমা চলছিল। সেটি বন্ধ করে হাওয়া সিনেমা প্রদর্শন করবে প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষ।

প্রেক্ষাগৃহের ডিরেক্টর সাইফ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরাণ সিনেমাতেও ভালো সাড়া ছিল। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে পরে আবার পরাণ চালাব।’

চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে হাওয়াপরাণ চলবে সমানে সমানে। অর্থাৎ প্লাটিনাম থিয়েটারে হাওয়া দুটি পরাণের দুটি করে শো প্রতিদিন। আর টিটানিয়াম থিয়েটারে হাওয়াপরাণের একটি করে শো প্রতিদিন।

হাওয়া সিনেমা শুক্রবার থেকে সারা দেশের ২৪টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে। পরাণ সিনেমা ৫৫টি সিনেমা হলে প্রদর্শিত হচ্ছিল ২২ জুলাই থেকে। সিনেমাটি ২৯ জুলাই থেকে প্রায় ৬০টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশক জাহিদ হাসান অভি।

আরও পড়ুন:
চলচ্চিত্রে অনুদানের চেক বিতরণ
মন্তব্যকারী ভেবেছেন চালের গুদাম, আসলে প্রেক্ষাগৃহ
সেপ্টেম্বরে আসছে সৈকত নাসিরের ‘দ্য বর্ডার’
জমজমাট ‘পরান’ সিনেমার ব্যবসা কেমন
৫ চ্যানেলে তাসনুভা তিশার ‘মায়া’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Directors complaints and subsequent statements about The Day

দিন- দ্য ডে’ নিয়ে পরিচালকের অভিযোগ ও অনন্তর বক্তব্য

দিন- দ্য ডে’ নিয়ে পরিচালকের অভিযোগ ও অনন্তর বক্তব্য দিন- দ্য ডে সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
অনন্ত জলিল ‘দিন- দ্য ডে’ সিনেমা নির্মাণ নিয়ে করা চুক্তি ভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইরানি পরিচালক মোর্তেজা অতশ জমজম। এর প্রতিক্রিয়ায় এই অভিনেতা নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

‘দিন- দ্য ডে’ সিনেমা নির্মাণ নিয়ে করা পরিকল্পনা ও চুক্তি অনন্ত জলিল ভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ছবিটির ইরানি পরিচালক মোর্তেজা অতশ জমজম।

বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে এক স্ট্যাটাসে এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেছেন, চুক্তি ভঙ্গ করার দায়ে তিনি অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে ইরান ও বাংলাদেশের আদালতে মামলা করবেন।

অনন্ত জলিল এ নিয়ে প্রথমে কোনো কথা না বললেও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

অনন্ত জলিলের স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হলো-

‘আজ বিকাল থেকে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা আমাকে ফোন দিয়ে জানতে চাইছেন যে, কুরবানির ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত আমার সিনেমা ‘দিন: দ্য ডে’র পরিচালক ইরানী নাগরিক মুর্তজা অতাশ জমজম সিনেমাটি নিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিস্তারিত বিষয় আমি এই পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরছি।

দিন : দ্য ডে’র শুটিং শুরু হয় ২০১৯ সালে ইরান থেকে। শেষ হয় ২০২০ সালে। বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশে আমরা সিনেমাটির শুটিং করি। আমি শুরুতেই বলে এসেছি, সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে ইরান। আমার সঙ্গে চুক্তি আছে যে, সিনেমাটির বাংলাদেশে যেসব কাজ হবে (শুটিং, ডাবিং) সেটার ব্যয়ভার আমি বহন করব। এবং আমি সেটাই করেছি।

চুক্তি অনুযায়ী ইরানসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে শুটিংয়ের খরচ বহন করবে ইরানি প্রযোজক। ইরান যে সিনেমাটির মূল প্রযোজক সেটা পরিচালকই তার স্ট্যাটাসে দেয়া একটি বাক্যের (আমি ছিলাম সিনেমাটির মূল প্রযোজক) মাধ্যমে স্বীকার করেছেন। এর মাধ্যমে একটা বিষয় পরিষ্কার হয় যে, সিনেমাটিতে আমি শুধু বাংলাদেশের খরচ বহন করেছি এবং এটাই ছিল চুক্তি।

২০১৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল, টেলিভিশন চ্যানেল- সব জায়গাতেই সাক্ষাৎকারসহ বিভিন্ন প্রচরণায় আমি বলেছি, ‘দিন: দ্য ডে’ সিনেমার মূল প্রযোজক ইরানি। আমি শুধু বাংলাদেশের শুটিংকৃত অংশটুকুর খরচ বহন করেছি।

সিনেমার নামের ক্ষেত্রে আমি বাংলায় একটি নাম ব্যবহার করেছি। তাও ‘ডে’-এর বাংলা, অর্থাৎ ‘দিন’। ইরানি প্রযোজকের দেয়া নামও (ডে) কিন্তু সিনেমায় রয়ে গেছে। এটাও আমাদের মৌখিক আলোচনায় ছিল। যেহেতু সিনেমাটি বাংলাদেশে মুক্তি দেয়া হবে, তাই বাংলা নাম থাকাটাই যুক্তিযুক্ত। আর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তির জন্য সঙ্গে ইংরেজি নামও রয়েছে। সুতরাং নাম নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা অবান্তর।

তিনি (ইরানি নির্মাতা) যে গল্পের কথা বলেছেন, সেটা আমাদের দু’জনেরই আইডিয়া। সিনেমার গল্প আমি ও মুর্তজা সাহেব আলোচনা করে ঠিক করেছি। ইরানে শুটিং শুরুর পর ইরানি প্রযোজক আমাদেরকে সম্মানের সঙ্গে পাঁচতারকা হোটেলে রেখেছেন। আমরাও বাংলাদেশে শুটিংয়ের সময় ইরানি ইউনিটকে ঢাকার সোনারগাঁ হোটেলে রেখেছিলাম। সম্মান এবং আতিথেয়তায় কোনো ঘাটতি রাখিনি।

এ সিনেমার পরিচালক যেহেতু মুস্তফা অতাশ জমজম, তাই শুটিংয়ের যাবতীয় ইকুইপমেন্ট, অর্থাৎ এইট-কে রেজুলেশনের ক্যামেরা তিনি ইরান থেকেই সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন; যেহেতু এইট-কে রেজুলেশনের ক্যামেরা বাংলাদেশে নেই। ইরানসহ অন্যান্য দেশের শুটিংয়ের ফুটেজ, এমনকি বাংলাদেশে শুটিংয়ের ফুটেজও তিনি শুটিং শেষে ইরানে নিয়ে গেছেন, লাইনআপ করার জন্য।

২০২০ সালে শুটিং শেষে তিনি আমাকে এডিট করা একটা লাইনআপ পাঠালেন। আমি সেটা দেখে গল্পে বেশকিছু জায়গায় অসামঞ্জস্যতা দেখে বলেছি, আমাকে একটা কপি দেন। আমি সেটা ঠিক করে দিচ্ছি।

যেহেতু ইরানে গিয়ে এডিটিং করা সম্ভব নয়, তাই আমি ঠিক করি ভারতের হায়দ্রাবাদের অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে কাজটি করব। সেই ফুটেজের কপি তিনি নিজেই সঙ্গে করে অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে নিয়ে আসেন। আমাদের সঙ্গে ৪/৫ দিন হায়দ্রাবাদে অবস্থান করে তিনি নিজ দেশ ইরানে ফিরেও যান।

আমরা সিনেমাটিতে ডলবি সাউন্ড ব্যবহার করতে চাইলাম। যেহেতু ডলবি সাউন্ড ব্যবহার করলে তাদের (ডলবি কোম্পানির) লাইসেন্স লাগে, আর ডলবি আমেরিকান কোম্পানি, ইরান সেটা ব্যবহার করতে পারবে না। তাই আমি বলেছি, আমার দেশে (বাংলাদেশ) ডলবি সাউন্ড ব্যবহার করব। বিষয়টিতে তিনি রাজি হয়েই স্বশরীরে ভারতের হায়দ্রাবাদের অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে সিনেমাটির ফুটেজ নিয়ে আসেন।

যদি কোনো অর্থ পাওনা থাকত তাহলে তিনি কি ফুটেজ নিয়ে আসতেন? এছাড়া সিনেমাটির সম্পূর্ণ ফুটেজ এখনও তার কাছেই রয়ে গেছে। যেহেতু তিনি সিনেমাটির মূল প্রযোজক ও পরিচালক, তাই তার কাছে সেটা থাকাটাই স্বাভাবিক।

আমি একটা কথা স্পষ্ট বলতে চাই, চুক্তিতে যেভাবে যা কিছু উল্লেখ ছিল সে অনুযায়ীই আমি কাজ করেছি। যদি আমার কাছে তার ১০০ টাকাও অর্থাৎ কোনো অর্থ পাওনা থাকত তাহলে তিনি কি আমাকে সিনেমার সম্পূর্ণ ফুটেজ দিতেন? কিংবা ফুটেজ না পেলে আমি কি মুক্তি দিতে পারতাম? যেহেতু তার কাছেই শুটিংয়ের পর সম্পূর্ণ ফুটেজ ছিল এবং এখনও রয়েছে! নিশ্চয়ই তার অনুমতি এবং সম্পূর্ণ সম্মতিতেই আমি সিনেমাটি মুক্তি দিয়েছি। এখন তার অবান্তর অভিযোগ মূলত আমাকে ও আমার দেশ অর্থাৎ বাংলাদেশকে ছোট করার অপপ্রয়াস বলে আমি মনে করি।

আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, ২০২১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা যখন বাংলাদেশে হোটেল লি মেরিডিয়ানে এ সিনেমার গান ও প্রাথমিক ট্রেইলর উদ্বোধন করি তখনও তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং সিনেমাটি যে আমরা বাংলাদেশে মুক্তি দেব, সে ব্যাপারে কোনো আপত্তি জানাননি।

আমি এটাও বলেছি যে, ইরান যদি সময়মতো মুক্তি দিতে না পারে তাহলে আমি বাংলাদেশে মুক্তি দেব। এসব নিয়েও তখন কোনো আপত্তি করেননি তিনি। ইরান সময়মতো মুক্তি দিতে পারছে না বলে তিনবার আমরা মুক্তির তারিখ ঘোষণা দিয়েও সেটা পরিবর্তন করি। বাংলাদেশে মুক্তির সময় পরিবর্তনের কারণে আমার ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে জেনেও শুধু তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি সেটা মেনে নিয়েছি। শুরু থেকেই সবসময় আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল এবং সেটা এখনও আছে বলে আমি মনে করি।

আপনারা দেখেছেন, গত কুরবানির ঈদে ‘দিন: দ্য ডে’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হচ্ছি আমরা এবং সেটা দেশ থেকেই। আমি মনে করি, এটাও তেমনই একটি ষড়যন্ত্র। এরপরও মুর্তজা সাহেবের যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে সেটা আমরা নিজেরাই বসে সমাধান করতে পারি (যদিও আমি চুক্তির বাইরে কিছু করিনি সেটা আগেই বলেছি)।

তিনি বাংলাদেশি কারও পরামর্শে কিংবা নিজের প্রচারের স্বার্থে যদি ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন তাহলে সেটা হবে খুবই দুঃখজনক। যদি এরকম কিছু ঘটে থাকে তাহলে আমিও দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি ব্যবস্থা নেব। কারণ, একই চুক্তিপত্র আমার কাছেও রয়েছে।

আমি সাংবাদিক ভাই ও বোনদের প্রতি অনুরোধ করব, সত্যটা জেনে আপনারা খবর প্রকাশ করবেন। আমি চেষ্টা করব আমার পেজ থেকে বিস্তারিত তথ্য আপনাদের জানানোর জন্য। এমনিতেই আমাদের বাংলাদেশি সিনেমার দুর্দিন চলছে। এর মধ্যে গত ঈদে আমার ‘দিন : দ্য ডে’সহ আরও দুটি সিনেমা দেশের সিনেমা অঙ্গনে আশার আলো দেখিয়েছে। দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে ফিরছেন। দেশি সিনেমা অঙ্গন চাঙা হয়ে উঠছে। তাই একটি চক্র উঠেপড়ে লেগেছে কীভাবে বাংলাদেশের এই বাজারটি নষ্ট করা যায়। এবং তারা আমাদেরই সিনেমার লোক বলে আমি মনে করি।

সিনেমা নিয়ে আমি বিশেষ কিছু কাজ করার পরিকল্পনা করছি। সেটা যাতে থামিয়ে দেয়া যায়, এমনকি ঈদের সিনেমার জোয়ার দেখে যারা নতুন করে প্রযোজনার প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তাদেরকেও দূরে সরিয়ে রাখা যায়, এজন্য বিভিন্নভাবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে ছোট করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একটি অসাধু চক্র। এই ঘটনা তারই একটা অংশ বলে আমি মনে করি।

আমার যদি কোনো ভুল-ত্রুটি থাকে সেটা ভবিষ্যতে শুধরে নেয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু আপনাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে চাঙা করার জন্য, আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেয়ার জন্য নেগেটিভ খবর প্রচার করা থেকে আপাতত বিরত থাকবেন। যাতে আমরা (বাংলাদেশি সিনেমা) আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারি।

আপনাদের ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা আছে। সবসময় আপনারা আমার পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন এটা আশা করি।

আরও পড়ুন:
মুখে বলি চলচ্চিত্র পরিবার, কাজে দেখি না: অনন্ত
সিনেপ্লেক্সে ‘পরান’র শো বেড়েছে, ‘দিন- দ্য ডে’ আগের মতোই
৮ বছর পর সিনেপ্লেক্সে অনন্ত, নার্ভাস বর্ষা
দিন- দ্য ডে: সিনেপ্লেক্সে ১২টি, ব্লকবাস্টারে শো ৮টি
বর্ষাকে খুব আদরে রাখার প্রতিশ্রুতি অনন্তর

মন্তব্য

বিনোদন
The director of Hawa explained the caged Shalik

‘খাঁচাবন্দি’ শালিকের ব্যাখ্যা দিলেন হাওয়ার পরিচালক

‘খাঁচাবন্দি’ শালিকের ব্যাখ্যা দিলেন হাওয়ার পরিচালক
শুরুতে বিষয়টি নিয়ে কথা না বললেও মামলার এক দিন পর ১৮ আগস্ট রাত ১০টার দিকে এ নিয়ে কথা বলেন সুমন। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে খাঁচায় পাখি বন্দি করে রাখা, ছেড়ে দেয়া ও পাখি খাওয়ার ব্যাখ্যা দেন নির্মাতা।

সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত সিনেমা হাওয়ার পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করা হয়। এতে ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।

শুরুতে বিষয়টি নিয়ে কথা না বললেও মামলার এক দিন পর ১৮ আগস্ট রাত ১০টার দিকে এ নিয়ে কথা বলেন সুমন। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে খাঁচায় পাখি বন্দি করে রাখা, ছেড়ে দেয়া ও পাখি খাওয়ার ব্যাখ্যা দেন নির্মাতা।

সুমন লেখেন, ‘নির্মাতা হিসেবে আমি এটুকুই বলতে চাই, হাওয়ার পাখিটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে আর এই নির্মাণের জন্য যে সিনেমাটিক রিয়্যালিটি তৈরি করতে হয়েছে, সেটা সত্য নয়। ছবির শুরুতে ডিসক্লেইমারে আমরা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছি। পাখির দৃশ্য ধারণের পর আমরা তাকে প্রকৃতিতে মুক্ত করে দিয়েছিলাম।

‘আর নৌকায় যে উড়িয়ে দেয়ার দৃশ্য দেখিয়েছি সেটা কম্পিউটার গ্রাফিক্সের মাধ্যমে নির্মাণ করা। চানমাঝি যে তার প্রিয় পাখিটিকে খেয়ে ফেলে সেটা কি শুধু ভোগ!!? নাকি সমাজের ভেতর জমতে থাকা হিংস্রতা? আমি শুধু ওই বোধটাকেই ইঙ্গিত করেছি আর সেটা নির্মাণ করেছি সিনেমার ভাষার ভেতর দিয়ে।’

আদালত মামলাটি আমলে নিলেও তদন্তের জন্য কোনো আদেশ দেয়নি। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আদেশ আসতে পারে বলে জানা গেছে।

মামলায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২-এর ধারা ৩৮ (১-২), ৪১ ও ৪৬ লঙ্ঘন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে তিনজনকে। তারা হলেন তদন্ত কমিটিতে থাকা আব্দুল্লাহ আস সাদিক, অসীম মল্লিক ও রথিন্দ্র কুমার বিশ্বাস।

হাওয়া সিনেমাটি মুক্তি পায় গত ২৯ জুলাই। মুক্তির পর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত রিভিউতে জানা যায়, সিনেমায় একটি পাখিকে হত্যা করে চিবিয়ে খেয়েছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

রিভিউ প্রকাশের পর বন্যপ্রাণী আইন লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন অনেকে। তারপর দেশে পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করা ৩৩টি সংগঠনের সমন্বিত প্রয়াস ‘বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট (বিএনসিএ)’ গত ১০ আগস্ট এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দেয়।

পরদিন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমাটি দেখে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে বলে জানান বন অধিদপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা।

হাওয়া সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, সোহেল মণ্ডল, নাসির উদ্দিন খান, রিজভী রিজুসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
সপ্তাহজুড়ে হাউসফুল ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’
এবার বর্ষায় অস্বাভাবিক কম বৃষ্টি
হাশিম দেখলেন ‘হাওয়া’, ঘুরলেন চারুকলা
‘হাওয়া’ এক নতুন সাহস, দ্বিতীয় সিনেমায় ব্যস্ত হবেন সুমন
বিদেশেও হাউসফুল হতে শুরু করেছে ‘হাওয়া’

মন্তব্য

বিনোদন
Anant broke the contract claims the makers of The Day

অনন্ত চুক্তি ভেঙেছেন, দাবি ‘দিন-দ্য ডে’ নির্মাতার

অনন্ত চুক্তি ভেঙেছেন, দাবি ‘দিন-দ্য ডে’ নির্মাতার মোর্তেজা অতশ জমজম ও অনন্ত জলিল। ছবি: সংগৃহীত
জমজম লিখেছেন, ‘মামলা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই তার। আমি ইরানের তেহরানের আদালতে এবং আন্তর্জাতিক আইনজীবীর মাধ্যমে বাংলাদেশের আদালতে আমার অভিযোগ নথিভুক্ত করব।’

দিন- দ্যা ডে সিনেমা নির্মাণ করতে অনন্ত জলিল এবং মোর্তেজা অতশ জমজম যে পরিকল্পনা এবং চুক্তি করেছিলেন, অনন্ত জলিল তা ভেঙেছেন বলে দাবি করেছেন মোর্তেজা অতশ জমজম।

বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানান দিন-দ্য ডে সিনেমার পরিচালক মোর্তেজা অতশ জমজম।

তিনি আরও লেখেন, ‘ডে (রোজ) হলো সিনেমার নাম এবং অনন্ত জলিলের সঙ্গে আমরা পরিকল্পনা ও সম্মতি অনুযায়ী কিছুই ঘটেনি, তিনি আমাদের চুক্তি ভেঙেছেন, তিনি তার দায়িত্ব এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি, যেটা আমরা করতে একমত হয়েছিলাম।’

স্ট্যাটাসে অতশ নিজেকে সিনেমাটির প্রধান প্রযোজক হিসেবে দাবি করেছেন এবং অনন্তর বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, ‘মামলা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই তার। আমি ইরানের তেহরানের আদালতে এবং আন্তর্জাতিক আইনজীবীর মাধ্যমে বাংলাদেশের আদালতে আমার অভিযোগ নথিভুক্ত করব।’

বাংলাদেশ-ইরানের যৌথ প্রযোজনার এ সিনেমাটি কেন করতে চাইলেন অতশ, সেটিও জানিয়েছেন এ পরিচালক। তিনি লিখেছেন, ‘আমি বাংলাদেশের সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়ার একমাত্র কারণ ছিল, ইরানী এবং বাঙালি জনগণের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করা, বিভিন্ন দিক দিয়ে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি বিনিময় করা এবং একে অপরকে আরও ভালভাবে জানা। কারণ আমি বিশ্বাস করি শিল্পই একমাত্র সর্বজনীন ভাষা যা সীমানা ভেঙ্গে দেয়।’

শিগগিরই অতশ মূল চুক্তি এবং মূল পরিকল্পিত বাজেট প্রকাশ করবেন বলে স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটি জনসাধারণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার, বিশেষ করে মিডিয়ার জন্য সত্য জানাটা খুব জরুরি। গত চার বছরে আমি অনন্তকে অনেকবার বলেছি যে ইরানি দলের কাছে তার ঋণ শোধ করার সময় এসেছে। কিন্তু তিনি তা করেননি, এটা লজ্জাজনক। আইনি বিচারই সত্য প্রকাশের একমাত্র উপায়।’

অতশের এসব বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অনন্তর প্রতিক্রিয়া জানতে কয়েকবার ফোন করা হলে তিনি সাড়া দেননি। তাকে হোয়াটস অ্যাপে বার্তা পাঠালেও কোনো উত্তর দেননি।

অনন্ত জলিলের দুই সহযোগী, যারা অনন্তর বিভিন্ন খবর সংবাদমাধ্যমকর্মীদের জানাত, তাদের একজনকে ফোন করলে তিনি কেটে দেন। অপরজন জানান, তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না।

আরও পড়ুন:
‘নেত্রী- দ্য লিডার’ হতে পারে শেষ সিনেমা: কাঁদতে কাঁদতে বর্ষা
৮ বছর পর সিনেপ্লেক্সে অনন্ত, নার্ভাস বর্ষা
দিন- দ্য ডে: সিনেপ্লেক্সে ১২টি, ব্লকবাস্টারে শো ৮টি
ঢাবি টিএসসিতে ভক্তদের মাঝে অনন্ত-বর্ষা
অভি-অ্যাশের সঙ্গে অনন্ত-বর্ষা, কান শহরে হবে সিনেমার প্রচার

মন্তব্য

বিনোদন
Janhvi was the directors first choice not Ananya opposite Vijay

বিজয়ের বিপরীতে অনন্যা নয়, পরিচালকের প্রথম পছন্দ ছিলেন জাহ্নবী

বিজয়ের বিপরীতে অনন্যা নয়, পরিচালকের প্রথম পছন্দ ছিলেন জাহ্নবী বিজয় দেবেরাকোন্ডা-অনন্যা পান্ডে (বাঁয়ে) ও জাহ্নবী কাপুর। ছবি: সংগৃহীত
তামিল হিটমেকার পুরী জগন্নাথ পরিচালক জানান, বিজয়ের বিপরীতে জাহ্নবীর কথা ভেবেছিলেন, কিন্তু তার তারিখ ফাঁকা না থাকায় অনন্যার নাম প্রস্তাব করেন সিনেমাটির প্রযোজক করণ জোহর। সেই সঙ্গে অনন্যাকে নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতাও জানিয়েছেন পরিচালক। অভিনেত্রীকে ‘আশ্চর্যজনক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

সর্বভারতীয় সিনেমা লাইগার-এর নাম ঘোষণার পর থেকেই আলোচনায় আছেন তেলেগু সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও বলিউড নায়িকা অনন্যা পান্ডে।

প্রায় ১ মাস আগে মুক্তি পেয়েছে এর ট্রেইলার। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে এর একটি গানও। ট্রেইলার-গান দুটিই বেশ সাড়া ফেলেছে। বিজয়-অনন্যা জুটিকেও পছন্দ করেছেন দর্শকরা।

সিনেমাটির প্রচার শুরু করেছেন প্রধান দুই তারকা। এরই মাঝে নতুন এক তথ্য জানালেন পরিচালক। এ সিনেমায় বিজয়ের বিপরীতে অনন্যা নয়, তার প্রথম পছন্দ ছিলেন শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী কাপুর।

সম্প্রতি এ কথা নিজেই জানিয়েছেন লাইগার-এর পরিচালক পুরী জগন্নাথ। তামিল হিটমেকার এই পরিচালক জানান, বিজয়ের বিপরীতে জাহ্নবীর কথা ভেবেছিলেন, কিন্তু তার তারিখ ফাঁকা না থাকায় অনন্যার নাম প্রস্তাব করেন সিনেমাটির প্রযোজক করণ জোহর।

এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় পরিচালক বলেন, ‘আমি শ্রীদেবী জির একজন বড় ভক্ত, তাই আমি জাহ্নবীকে কাস্ট করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তার তারিখ পাওয়া যায়নি।’

জাহ্নবীর তারিখ ফাঁকা না পাওয়া বিষয়টি করণ জোহরকে জানান পুরী জগন্নাথ। তখন তিনি তাকে অনন্যাকে নেয়ার পরামর্শ দেন।

পরিচালক বলেন, ‘গল্প শোনার পর তিনি (করণ) অনন্যা পান্ডেকে নেয়ার পরামর্শ দেন।’

অনন্যাকে নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতাও জানিয়েছেন পুরী জগন্নাথ। অভিনেত্রীকে ‘আশ্চর্যজনক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

পরিচালক বলেন, ‘তিনি একজন ফায়ারব্র্যান্ড, খুব সক্রিয় এবং নায়কের সঙ্গে সংঘর্ষের দৃশ্যে ভালো। আমরা গত দুই আড়াই বছর ধরে এই সিনেমায় কাজ করছি, সে অনেক বদলে গেছে। প্রতি তিন-চার মাস পর পর আমি আলাদা অনন্যাকে দেখি। শেষ গান আমি তার সঙ্গে শুট করেছি, সে এখন নিখুঁত।’

বিজয়-অনন্যা ছাড়াও লাইগার-এ অভিনয় করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বক্সিং লিজেন্ড মাইক টাইসন। রয়েছেন রাম্যা কৃষ্ণান, রনিত রায়, বিষু রেড্ডি, আলি, মকরন্দ দেশপান্ডে ও গেটআপ শ্রীনুর মতো জাঁদরেল সব অভিনেতা।

হিন্দি, তেলেগু, তামিল, কন্নড় ও মালয়ালাম ভাষায় আগামী ২৫ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে লাইগার

আরও পড়ুন:
‘সিনেমার জন্য লাইনে দাঁড়াইনি, কঠিন সময় আমারও আছে’
রণবীরের শরীরী স্বাধীনতায় জাহ্নবী ও চিত্রাঙ্গদার সমর্থন
ট্রেইলারেই অপ্রতিরোধ্য ‘লাইগার’
নয়নতারা বললেন ‘গুডলাক জাহ্নবী’
‘আমাকে গুডলাক বলবেন না?’

মন্তব্য

বিনোদন
Sansara Unlimited in everyday stories

প্রতিদিনের দেখা গল্পে ‘সংসার আনলিমিটেড’

প্রতিদিনের দেখা গল্পে ‘সংসার আনলিমিটেড’ ‘সংসার আনলিমিটেড’ এর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
সংসার সামলানোর দায়িত্ব বাবা এবং মা দুজনেরই। তার জন্য প্রয়োজন বাচ্চাদের সময় দেয়া। তাদেরকে বোঝা। বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে সংসারে প্রতিদিনের ঝুটঝামেলা নিয়ে নির্মিত চরকি ফ্লিক সংসার আনলিমিটেড।

হাসিব এমন একজন মানুষ যে অফিসের কাজ ছাড়া বাকি সবকিছুকে সময় নষ্ট মনে করে। সংসার সামলানো তার কাছে আহামরি কোনো বিষয় না।

এই হাসিবই একদিন গিয়ে পৌঁছায় তার কলিগের বাসায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের সন্ধানে। কিন্তু সেখানে সে খুঁজে পায় এমন একদল বিচ্ছু যারা তাকে শিখিয়ে দেয় সংসার সামলানো ঠিক কতটা কঠিন। এই শিক্ষাই পালটে দেয় হাসিবের চিন্তা-ধারণা।

সংসার সামলানোর দায়িত্ব বাবা এবং মা দুজনেরই। তার জন্য প্রয়োজন বাচ্চাদের সময় দেয়া। তাদের বোঝা। বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে সংসারে প্রতিদিনের ঝুট-ঝামেলা নিয়ে নির্মিত চরকি ফ্লিক সংসার আনলিমিটেড

বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে আরও জানানো হয় এর পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত কনটেন্টটি ১৮ আগস্ট রাত ৮টায় মুক্তি পাবে চরকিতে।

কমেডি জনরার এই গল্পে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের। রয়েছে মৌসুমি হামিদ, সায়রা জাহান, মীর রাব্বিসহ কয়েকটি শিশুশিল্পী।

বিজ্ঞপ্তিতে অভিনেতা ইরেশ যাকের বলেন, ‘এই গল্পের বিষয়টা খুব মজার ছিল। একটা ঘটনা বলতেই হয়- এই কাজটা করার সময় আমার মেয়ে হসপিটালে ছিল। তো সে সময় অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করছিল। আর সেটে আমার সঙ্গে তিনটি বাচ্চা অভিনয় করেছে।

‘তাদের মধ্যে মুমতাহিনাকে দেখলাম প্রথম দিকে কোনো কথাই বলছে না। একটি দৃশ্যে ওকে অনেক কান্না করতে হবে। কিন্তু সে একদম নির্লিপ্ত, কারো কোনো কথা সে শুনতে পাচ্ছে কি না সেটাও বোঝা যাচ্ছিল না। তবে পরিচালক যেই অ্যাকশন বলল আর ও এত ভালো, এত প্রাণবন্ত অভিনয় করল যে আমরা সবাই অবাক হয়ে দেখলাম।’

আরও পড়ুন:
স্বাধীনতা দিবসে চরকিতে দেখতে পারেন যে সিনেমাগুলো
বিনা মূল্যে চরকিতে মিনি সিরিজ ‘সুগার ফ্রি’
বন্ধু দিবসে চরকিতে এলো বন্ধুত্বের গান
রাতে আসছে চরকি, থাকছে জয়ার চমক
ঈদে আসছে আদনানের ‘ইউটিউমার’

মন্তব্য

বিনোদন
Adventure of Sundarbans will come next year

‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ আসবে আগামী বছর

‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ আসবে আগামী বছর অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন সিনেমার শুটিংয়ের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
বাচ্চাদের এসএসসি ও ফাইনাল পরীক্ষা ছাড়াও নির্মাতা রায়হান জুয়েল আরও একটি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক কারণ বলে মনে করেন সিনেমাটি আগামী বছর মুক্তি দেয়ার।

পরীমনি ও সিয়াম জুটির নতুন সিনেমা অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে। নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিনেমার পরিচালক রায়হান জুয়েল।

তিনি জানান, ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি সিনেমাটি সারা দেশে মুক্তি দেবেন তারা।

সিনেমাটি পেয়ে গেছে সেন্সর ছাড়পত্র। তারপরও এত দেরি করে মুক্তি দেয়ার কারণও জানিয়েছেন এ পরিচালক।

তিনি বলেন, ‘সবকিছু রেডি হওয়ার পরও এ বছর আমার প্রথম সিনেমা অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন রিলিজ দিতে পারছি না। কারণ বাচ্চাদের এসএসসি ও ফাইনাল পরীক্ষা সামনে।’

‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ আসবে আগামী বছর
অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন সিনেমার শুটিংয়ের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

জুয়েল আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, এই সিনেমাটি শিশুদের জন্য নির্মিত। তারাই যদি সিনেমাটি না দেখার সময় ও সুযোগ পায় তাহলে আমার দুই বছরের পরিশ্রম সার্থক হবে না।’

মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন’ অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মিত। এর চিত্রনাট্য করেছেন জাকারিয়া সৌখিন।

বাচ্চাদের এসএসসি ও ফাইনাল পরীক্ষা ছাড়াও নির্মাতা রায়হান জুয়েল আরও একটি বিষয়কে প্রসঙ্গিক কারণ বলে মনে করেন সিনেমাটি আগামী বছর মুক্তি দেয়ার।

‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ আসবে আগামী বছর
অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন সিনেমার শুটিংয়ের ফাঁকে ক্ল্যাপস্টিক নিয়ে সিনেমা সংশ্লিষ্টরা। ছবি: সংগৃহীত

প্রাসঙ্গিক সে বিষয়টি জানিয়ে জুয়েল বলেন, ‘প্রাসঙ্গিকভাবে একটা বিষয় আলোচনা করতে চাই। সেটি হলো সুন্দরবন নিয়ে আরও একটি সিনেমা মুক্তির পথে আছে৷ সেই সিনেমাতেও নায়ক আমার সিনেমার নায়ক সিয়াম আহমেদ। তার ওই সিনেমা এ বছরই মহাসমারোহে মুক্তি পাবে। তাই আমার সিনেমার সংবাদে সিয়ামকে হাইলাইট করলে দুটি সিনেমার প্রচারে কনফিউশন দেখা দিতে পারে।’

সিনেমায় সিয়াম ছাড়াও অভিনয় করেছেন পরীমনি, শহীদুল আলম সাচ্চু, আজাদ আবুল কালাম ও আশীষ খন্দকার। শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছে প্রায় ২০ শিশু।

মন্তব্য

বিনোদন
Case against director Mejbauer of Hawa

হাওয়া’র পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা

হাওয়া’র পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা হাওয়া সিনেমার দৃশ্যে একটি শালিক পাখি খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়। ছবি: সংগৃহীত
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ লংঘনের অভিযোগে বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করা হয়।

সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত তুমুল জনপ্রিয় সিনেমা হাওয়া’র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ লংঘনের অভিযোগে বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করা হয়।

সংস্থাটির বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নারগিস সুলতানা মামলার বাদী হয়েছেন।

মামলায় ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে বলে জানান, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের ওয়াইল্ডলাইফ পরিদর্শক অসীম মল্লিক।

আদালত মামলাটি আমলে নিলেও তদন্তের জন্য কোনো আদেশ দেয়নি। এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আদেশ হতে পারে বলে জানা গেছে।

মামলায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ এর ধারা ৩৮ (১-২), ৪১ ও ৪৬ লংঘন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় তিনজনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এরা হলেন তদন্ত কমিটিতে কাজ করা আব্দুল্লাহ আস সাদিক, অসীম মল্লিক ও রথিন্দ্র কুমার বিশ্বাস।

হাওয়া সিনেমাটি মুক্তি পায় গত ২৯ জুলাই। মুক্তির পর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত চলচ্চিত্রটির রিভিউতে জানা যায়, চলচ্চিত্রটিতে একটি পাখিকে হত্যা করে চিবিয়ে খেয়েছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

রিভিউ প্রকাশের পর বন্যপ্রাণী আইন লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন অনেকে। তারপর দেশে পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করা ৩৩টি সংগঠনের সমন্বিত প্রয়াস ‘বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট (বিএনসিএ)’ গত ১০ আগস্ট এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়।

তার পরদিন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে চলচ্চিত্রটি দেখে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে বলে জানান বন অধিদপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা।

হাওয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, সোহেল মণ্ডল, নাসির উদ্দিন খান ও রিজভী রিজুসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
এবার বর্ষায় অস্বাভাবিক কম বৃষ্টি
হাশিম দেখলেন ‘হাওয়া’, ঘুরলেন চারুকলা
‘হাওয়া’ এক নতুন সাহস, দ্বিতীয় সিনেমায় ব্যস্ত হবেন সুমন
বিদেশেও হাউসফুল হতে শুরু করেছে ‘হাওয়া’
‘হাওয়া’ আর সিনেপ্লেক্সে মুগ্ধ সিলেটের দর্শক

মন্তব্য

p
উপরে