× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Team Hawa increased the excitement in Jabi
hear-news
player
print-icon

জাবিতে উত্তেজনা বাড়াল টিম ‘হাওয়া’

জাবিতে-উত্তেজনা-বাড়াল-টিম-হাওয়া
সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে টিম ‘হাওয়া’।
সিনেমার নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, ‘এ কালের রূপকথার গল্প হলো- হাওয়া। যে রূপকথার গল্প আমরা শুনে আসছি, হাওয়া তেমন নয়। এটি মাটির গল্প নয়, বরং পানির গল্প। গভীর সমুদ্রের গল্প।’

ইতোমধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে যাওয়া ‘সাদা-সাদা কালা-কালা’ গানের সিনেমা ‘হাওয়া’ এখনও মুক্তি পায়নি। আগামী ২৯ জুলাই মুক্তিকে সামনে রেখে প্রচারণার উদ্দেশ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হন সিনেমাটির পরিচালকসহ কলাকুশলীরা।

শনিবার রাত ৮টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে জমকালো আয়োজনে টিম ‘হাওয়া’কে বরণ করে নেন ক্যাম্পাসের সিনেমাপ্রেমীরা।

টিম হাওয়া জানায়, বঙ্গোপসাগরের বুকে নির্মিত হওয়া চলচ্চিত্রটিতে রয়েছে রহস্য উন্মোচনের উত্তেজনা। চমৎকার সিনেমাটোগ্রাফি, দৃশ্যায়ন, চরিত্রগুলোর অভিব্যক্তি, মোহময় উপস্থাপনা বারবার দর্শকদের দেখার আগ্রহ জাগাবে।

সিনেমার নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, ‘এ কালের রূপকথার গল্প হলো- হাওয়া। যে রূপকথার গল্প আমরা শুনে আসছি, হাওয়া তেমন নয়। এটি মাটির গল্প নয়, বরং পানির গল্প। গভীর সমুদ্রের গল্প। গভীর সমুদ্রের একদল মাঝির জীবনের রূপকথার গল্প।’

সিনেমাটি নিয়ে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘এ রকম গল্প নিয়ে এর আগে, এ দেশে আর কোনো সিনেমা নির্মাণ হয়নি। হয়তো কেউ সাহসও করেননি। আমরা এত কষ্ট করতে পেরেছি সিনেমাকে ভালোবাসি সেই জন্য। দর্শকও ভালো সিনেমা দেখতে চান। আমার বিশ্বাস- যদি ভালো কিছু হয়, দর্শক এর মূল্য দেবেন।’

সিনেমার রহস্যময়ী তরুণী নাজিফা তুষি বলেন, ‘হাওয়া একটি মৌলিক সিনেমা। আমি এই সিনেমা নিয়ে খুবই এক্সাইটেড। আশা করি, আপনারা সবাই হলে গিয়ে সিনেমাটি উপভোগ করবেন।’

এর আগে মুক্তমঞ্চে দেখানো হয় সিনেমাটির ট্রেলার। এতে দেখা যায়- ট্রলারের পাটাতনে উৎসুক কয়েকটি মুখ। ওরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে এসেছে। প্রত্যেকের চেহারায় কৌতূহল, আতঙ্ক ও রহস্যের ছাপ। ট্রলারের ভেতরে হঠাৎ পাওয়া গেছে এক জীবন্ত নারীকে। টর্চ জ্বেলে চঞ্চল চৌধুরী মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করেন, ‘কোন বোটেত্থে আইছো? সত্যি করে কও।’

মেয়েটি কোনো উত্তর দেয় না। চারপাশে রহস্যের জাল বিছিয়ে বসে থাকে নির্বিকার। এই তরুণীকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে রহস্য। সে দেবী নাকি ভূত! তার আবির্ভাবের পর মাছ কমে গেছে সমুদ্রে, মাঝিদের মাঝে শুরু হয় কোন্দল।

ট্রলারের উত্তেজনা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়, যা থেকে ঘটে রক্তারক্তি। টিকে থাকার এ লড়াইয়ে কেউ বাঁচে, কেউ মরে। আর এ লড়াই তাদের কাছে নতুন নয়, পুরোনো। তাই তো একজনের কণ্ঠে শোনা যায়, ‘এই দুনিয়ায় আমিও দুইবার মইরা গ্যাছিলাম। আমরা লগের গুলা মইরা ভূত হইয়া গ্যাছে। আমি শুধু বাঁইচা গ্যাছি।’

ট্রেইলারের শেষ দৃশ্যে ‘ভয় পাইছিস?’ সংলাপ এবং চান মাঝি চরিত্রে চঞ্চল চৌধুরীর এক্সপ্রেশন ছবির রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণে।

এ সিনেমায় সম্পূর্ণ নতুন রূপে ধরা দিয়েছেন অভিনয়শিল্পীরা। চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল মণ্ডল সবাই হয়ে উঠেছেন যেন রূপকথার একেকটি চরিত্র।

সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন সুকর্ন সাহেদ ধীমান, জাহিন ফারুক আমিন এবং পরিচালক নিজেও।

আরও পড়ুন:
জমজমাট ‘পরান’ সিনেমার ব্যবসা কেমন
৫ চ্যানেলে তাসনুভা তিশার ‘মায়া’
চাপ দ্য প্রেশার বাড়বে: রাফি, ইমম্যাচিউর আচরণ: পরী
‘আরও বেটার করা উচিত’, ‘সাইকো’ দেখে পূজা
‘সাদা সাদা কালা কালা’: কে এই হাশিম মাহমুদ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
There is still a crowd to watch Paran Hawa

পরাণ, হাওয়া দেখতে এখনও ভিড়

পরাণ, হাওয়া দেখতে এখনও ভিড় পরাণ ও হাওয়া সিনেমা দেখতে দর্শকদের দীর্ঘ লাইন। ছবি: নিউজবাংলা
আজমপুর থেকে ভাই এবং চাচাকে নিয়ে এসেছেন একজন। জানান, অনিয়মিত দর্শক হলেও হাওয়া সিনেমার গান ভাইরাল হওয়ায় এটি দেখতে আগ্রহী তিনি।

মঙ্গলবার সরকারি ছুটির দিনে জমজমাট হয়ে উঠেছে রাজধানীর আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ স্টার সিনেপ্লেক্স। প্রেক্ষাগৃহটির পান্থপথ শাখায় সন্ধ্যা ৭টায় দেখা যায় দর্শকদের দীর্ঘ লাইন। পরাণ ও হাওয়া সিনেমা দেখতেই দর্শকদের এ ভিড়।

রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে একজন এসেছেন হাওয়া দেখতে। তিনি বলেন, ‘নিয়মিত সিনেমা দেখি না, তবে সিনেমাটি নিয়ে সবার আগ্রহ দেখে এসেছি।

ধানমন্ডি থেকে পরিবার নিয়ে পরাণ দেখতে এসেছেন এক চাকুরিজীবী। সরকারি ছুটির দিন বলে মঙ্গলবার সিনেমা দেখতে এসেছেন তিনি।

পরাণ দেখতে এসেছিলেন আরও এক পরিবার। ছোট বাচ্চাকে নিয়ে তারা এসেছিলেন সেগুনবাগিচা থেকে। টিকিট কেটে রেখেছিলেন আগে থেকেই।

আজমপুর থেকে ভাই এবং চাচাকে নিয়ে এসেছেন একজন। জানান, অনিয়মিত দর্শক হলেও হাওয়া সিনেমার গান ভাইরাল হওয়ায় এটি দেখতে আগ্রহী তিনি।

শাহজাহানপুর থেকে দুজন নারী এসেছিলেন পরাণ সিনেমা দেখতে। তারা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভালো সিনেমার কথা শুনলে আমরা দেখতে আসি। পরাণ ভালো হয়েছে শুনে দেখতে এসেছি।’

সিনেপ্লেক্স প্রাঙ্গণে থাকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুধু সন্ধ্যা না, মঙ্গলবার সারা দিনই দর্শকদের ভিড় ছিল সিনেপ্লেক্সে।

সিনেপ্লেক্সের ৫টি শাখায় দ্বিতীয় সপ্তাহে হাওয়া সিনেমার ২৬টি শো, আর ৫ম সপ্তাহে পরাণের চলছে ১৪টি শো।
১০ জুলাই মুক্তি পেয়ে পরাণ চলছে ৪৮ প্রেক্ষাগৃহে, ২৯ জুলাই মুক্তি পাওয়া হাওয়া চলছে ৪১ প্রেক্ষাগৃহে।

আরও পড়ুন:
সিনেমা হলে ভাঙ্গারির ব্যবসা
সপ্তাহজুড়ে হাউসফুল ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’
হাশিম দেখলেন ‘হাওয়া’, ঘুরলেন চারুকলা
‘হাওয়া’ এক নতুন সাহস, দ্বিতীয় সিনেমায় ব্যস্ত হবেন সুমন
‘প্রত্যাশিত সেল হলে পরাণের মুনাফায় ৫টি সিনেমা নির্মাণ সম্ভব’

মন্তব্য

বিনোদন
Popstar actress Olivia Newton John has died

গ্র্যামিজয়ী পপস্টার অলিভিয়া নিউটন-জনের প্রয়াণ

গ্র্যামিজয়ী পপস্টার অলিভিয়া নিউটন-জনের প্রয়াণ অলিভিয়া নিউটন-জন। ছবি: সংগৃহীত
অলিভিয়ার ক্যানসার ধরা পড়ে ১৯৯২ সালে। পরে তিনি ক্যানসার গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার দাতব্য প্রতিষ্ঠান অলিভিয়া নিউটন জন ফাউন্ডেশন, ক্যানসার গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য লাখ লাখ পাউন্ড সংগ্রহ করে।

আশির দশকের তুমুল জনপ্রিয় পপস্টার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী অলিভিয়া নিউটন-জন মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে অবশেষে হার মারলেন ১৯৭০-এর দশকের তুমুল জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী।

যুক্তরাষ্ট্রের সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় খামার বাড়িতে স্থানীয় সময় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

অলিভিয়ার স্বামী জন ইস্টারলিং ফেসবুকে অলিভিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে লিখেছেন, ‘এই কঠিন সময়ে পরিবারের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান বজায় রাখতে সবাইকে অনুরোধ করছি।’

১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের একজন ছিলেন অলিভিয়া। এ সময়ে তিনি চারটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন। জন ট্র্যাভোল্টার সঙ্গে তার ডুয়েট ‘ইউ আর দ্য ওয়ান দ্যাট আই ওয়ান্ট’ ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়। অলিভিয়ার কণ্ঠে ‘ফিজিকাল’ গানটিও পায় আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা।

গ্র্যামিজয়ী পপস্টার অলিভিয়া নিউটন-জনের প্রয়াণ

ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান এ গায়িকা-অভিনেত্রী ‘গ্রিজ’ নামের মিউজিক্যাল সিনেমায় স্যান্ডি চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা পান।

অলিভিয়ার স্তন ক্যানসার ধরা পরে ১৯৯২ সালে। পরে তিনি ক্যানসার গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার দাতব্য প্রতিষ্ঠান, অলিভিয়া নিউটন জন ফাউন্ডেশন, ক্যানসার গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য লাখ লাখ পাউন্ড সংগ্রহ করে।

মন্তব্য

বিনোদন
Amirs family was struggling to pay the schools salary of Rs6

স্কুলে ৬ রুপি বেতন দিতে কষ্ট হতো আমিরের পরিবারের

স্কুলে ৬ রুপি বেতন দিতে কষ্ট হতো আমিরের পরিবারের বলিউড সুপারস্টার আমির খান। ছবি: সংগৃহীত
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আমির বলেন, ‘আমরা সব সময় দেরিতে বেতন দিতাম। সবার সামনে নাম ধরে ধরে ডাকা হত আমাদের’। এ কথা বলতে গিয়ে থেমে যান আমির, চোখ ভিজে যায় তার।

আমিরের চার ভাই-বোনে স্কুলের বেতন দিতে কষ্ট হতো আমির খানের বাবা-মা’র। তারা চিলেন ঋণগ্রস্ত। ভাই-বোনদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আমির খান।

এখন আমিরকে বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ বলা হলেও অভাব-অনটনে কেটেছে তার ছোটবেলা। সেসব কথা চাইলেই ভোলা যায় না, ভোলেননি আমিরও।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় ফিরে গিয়েছিলেন ছোটবেলার দিনগুলোতে। সেই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, স্কুলে যেতেই ভয় পেতেন আমির। স্কুলের অধ্যক্ষ সবার সামনে তার নাম ধরে ডাকতেন আর মনে করিয়ে দিতেন যে, তার স্কুলের ফি বাকি রয়েছে।

এখন স্কুলের বেতনের অর্থকে সামা সামান্য মনে হয় আমিরের। কিন্তু তখন এটুকু জোগাড় করতেই ঘাম ছুটে যেত আমিরের বাবা-মা’র।

আমির জানান, ৮ বছর আমির ও তার পরিবার নানা রকমের আর্থিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেছেন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় আমিরের স্কুলের বেতন ছিল ৬ রুপি। সপ্তম শ্রেণিতে ছিল ৭ রুপি। সেটাই দিতে পারতেন না আমির ও তার ভাই-বোনেরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আমির বলেন, ‘আমরা সব সময় দেরিতে বেতন দিতাম। সবার সামনে নাম ধরে ধরে ডাকা হত আমাদের’। এ কথা বলতে গিয়ে থেমে যান আমির, চোখ ভিজে যায় তার।

ইয়াদো কি বরাত (১৯৭৩) সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন আমির। নায়ক হিসেবে তার প্রথম সিনেমা কেয়ামত সে কেয়ামত তাক (১৯৮৮)। প্রথম সিনেমাতেই সাড়া ফেলে সিনেমাটি। তার পর আর পিছে তাকাতে হয়নি আমিরের।

আরও পড়ুন:
কঙ্গনার নিশানায় এবার আমির
আসামের বন্যাদুর্গতদের জন্য ২৫ লাখ রুপি দিলেন আমির খান
আইপিএলের মাঝেই এলো ‘লাল সিং চাড্ডা’র ট্রেলার
কবে আসছে আমিরের ‘লাল সিং চাড্ডা’র ট্রেলার
‘আইপিএলে চান্স হবে’, ব্যাট হাতে প্রশ্ন আমিরের

মন্তব্য

বিনোদন
In the video Masu draws the lively Masuda Khan outside

ভিডিওতে ‘মাসু আঁকে’, বাইরে প্রাণবন্ত মাসুদা খান

ভিডিওতে ‘মাসু আঁকে’, বাইরে প্রাণবন্ত মাসুদা খান মাসুদা খান। ছবি: সংগৃহীত
আর্টের মধ্যে সব সময় থাকতে চান মাসুদা। আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি একদিন বইও লিখতে চাই এবং সব সময় পড়াশোনা করে যেতে চাই। এটাই আমার ক্যারিয়ার চয়েস। জানি একটু এলোমেলো।’

মঞ্চে বসেই কণ্ঠশিল্পী তপু এক ঘোষণা দিলেন। বললেন, ‘দর্শক সারিতে যারা আছেন, তাদের মধ্য থেকে কেউ যদি গান গাইতে চান, তারা মঞ্চে চলে আসুন, আপনাদের গান শুনব আমরা সবাই।’

ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে একজন ছেলে ওঠেন মঞ্চে; নিজের লেখা, সুর করা গান করেন। পরে আরেকজন নারী কণ্ঠশিল্পী যান; তিনি শোনান লালনের গান।

দ্বিতীয় জন যখন মঞ্চে উঠে গেছেন, তখন মঞ্চের নিচে আরেকজন অপেক্ষা করছিলেন। মূলত তিনিই দ্বিতীয় শিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠতে চেয়েছিলেন; কিন্তু মঞ্চের কাছে আসতে দেরি হওয়ায় তৃতীয় হতে হয় তার।

দ্বিতীয় শিল্পী নামার সঙ্গে সঙ্গে প্রবল আগ্রহ নিয়ে মঞ্চে উঠলেন তৃতীয় জন। গাইলেন ‘তোমাকে চাই আমি আরও কাছে’ গানটির প্রথম কয়েক লাইন। গান গাওয়ার পাশাপাশি তার হাসির ফোয়ারা আর অভিব্যক্তির কারণে সবাই তাকে বাহবা দিলেন।

ভিডিওতে ‘মাসু আঁকে’, বাইরে প্রাণবন্ত মাসুদা খান
চিত্রশিল্পী, অভিনেত্রী মাসুদা খান। ছবি: সংগৃহীত

মঞ্চ থেকে তিনি নেমে আসার পর গানটি বেজে ওঠে সাউন্ড বক্সে। গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচে ওঠেন তিনি।

তার এই প্রাণবন্ত ভাবটাকে আগত অতিথিরা হাত তালি ও চিৎকারে স্বাগত জানান। গত জুলাইয়ের ২৮ তারিখে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের ঘটনা এটি।

প্রাণবন্ত এ মেয়েটির নাম মাসুদা খান। অনেকে তাকে চিনবেন ‘মাসু আঁকে’ শব্দটি বললে। কারণ এই শব্দে তিনি পরিচিত ফেসবুক ইনস্টাগ্রামে। মাসুদা ছবি আঁকেন, ছবি আঁকা শেখান।

ফেসবুক, ইনস্টায় তার পেজ ও অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেখানে পোস্ট করা ভিডিওগুলো মাসুদাকে ‘মাসু আঁকে’ বলে ভিডিও শুরু করতে দেখা যায়। আঁকার ভিডিও বানানো ছাড়াও ইদানীং তিনি অভিনয় করেন, ফটোশুটে অংশ নেন, কমিক বুক লেখেন।

ভিডিওতে ‘মাসু আঁকে’, বাইরে প্রাণবন্ত মাসুদা খান
চিত্রশিল্পী, অভিনেত্রী মাসুদা খান। ছবি: সংগৃহীত

মাসুদা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার এখন ২৪ বছর বয়স। আমি একটু এক্সপ্লোর করছি কী কী করতে পারি। অভিনয় করলাম কিছুদিন আগে। ইউএনডিপির সঙ্গে একটা কমিক বুক লিখেছে ও এঁকেছি। মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশেও অংশ নিয়েছিলাম। আমি আসলে অনেক কিছুই ট্রাই করে দেখছি, কোনটা করতে ভালো লাগে।’

মাসুদ লেখাপড়া করছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে, অ্যাপ্লাইড লিঙ্গুইস্টিকস বিষয়ে চতুর্থ বর্ষে। তিনি মনে করছেন, ইংরেজি সাবজেক্টটি তাকে অনেক কিছু করতে সাহায্য করছে।

মাসুদা বলেন, ‘যেহেতু আমার টেকনিক্যাল সাবজেক্ট না, তাই আমার অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। যদি আমি ডক্টর বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য পড়তাম, তাহলে সাবজেক্টে ফোকাস বেশি করতে হতো।’

আর্টের মধ্যে সব সময় থাকতে চান মাসুদা। আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি একদিন বইও লিখতে চাই এবং সব সময় পড়াশোনা করে যেতে চাই। এটাই আমার ক্যারিয়ার চয়েস। জানি একটু এলোমেলো।’

ভিডিওতে ‘মাসু আঁকে’, বাইরে প্রাণবন্ত মাসুদা খান
চিত্রশিল্পী, অভিনেত্রী মাসুদা খান। ছবি: সংগৃহীত

মাসুদা নিজেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবেও দাবি করেন। ফেসবুকে তার পেজের নাম ‘জলতরঙ্গ: মাসু.আকে’স আর্ট জার্নাল উপ’, ইনস্টাগ্রামে তার অ্যাকাউন্টের নাম ‘মাসু.আঁকে’।

ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাসুদার ভিডিও ও নানা ছবি। ২০১৮ থেকে আঁকা নিয়ে তার ভিডিও বানানো শুরু, করোনার সময় সেটি বেড়ে যায়। মাসুদা জানান, শখ থেকেই ভিডিও বানানো শুরু তার।

মাসুদা বলেন, ‘আমার তো আঁকতে ভালো লাগে। প্রথম দিকে সিলি সিলি ভিডিও বানিয়ে বন্ধুদের পাঠাতাম। অনলাইনে আপলোড করার পর অনেকে বললেন যে, ভিডিওগুলো লম্বা করার জন্য। তারপর নিজের পছন্দের পাশাপাশি দর্শকের পছন্দকেও প্রাধান্য দেয়া শুরু করলাম।’

নিজের ফোনেই কনটেন্ট তৈরির সব কাজ করেন মাসুদা। তার ভিডিওতে একটি ইমপারফেকশন থাকবে, সেটাই মাসুদার পছন্দ। মাঝে মাঝে মনে হয় কেউ সাহায্য করলে ভালো হতো, কিন্তু সেটাও তার কাছে তেমন সমস্যার কিছু না।

নিজের প্ল্যাটফর্মটাকে আরও অনেক বড় করতে চান। কিন্তু এ মুহূর্তে সাবস্ক্রাইবাররা যেভাবে ভালোবাসা দিচ্ছে সেটা তার কাছে পারফেক্ট মনে হচ্ছে। যদি সপ্তাহে দুটি করে কনটেন্ট দিতে পারতেন, তাহলে হয়তো ফলোয়ার আরও বাড়ত বলে মনে করেন মাসুদা। কিন্তু যা হচ্ছে বা যেভাবে এগোচ্ছে সেটাও তার কাছে ঠিকই মনে হচ্ছে।

ভিডিওতে ‘মাসু আঁকে’, বাইরে প্রাণবন্ত মাসুদা খান
চিত্রশিল্পী, অভিনেত্রী মাসুদা খান। ছবি: সংগৃহীত

মাসুদা বলেন, ‘ছবি আঁকা আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু আমার কিছু এক্সট্রা কারিকুলারও আছে। আমি সব কিছুর একটা ব্যালান্স রাখতে চাই জীবনে।’

কনটেন্ট ক্রিয়েশনের কারণেই চমৎকার, ফাটাফাটি, জোস জোস জায়গায় কোলাবোরেশন করতে পেরেছেন বলে জানান মাসুদা। বলেন, ‘এটা আমার জন্য একটা ক্যারিয়ার চয়েস এবং এটা আমি কনসিডার করছি।’

মাসুদা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ পরিচিত। তার করা ভিডিও কিংবা নানা আয়োজনে তাকে যে প্রাণবন্ত মুডে অন্য মানুষরা আবিষ্কার করেন, তাতে তিনি আরও পছন্দের হয়ে ওঠেন সবার কাছে।

নুহাশ হুমায়ূনের পরিচালনায় একটি কনটেন্টে কাজ করে তার পরিচিতি বেড়েছে আরও কিছুটা। এই পরিচিতি পাওয়ার বিষয়টায় বেশ মজা পাচ্ছেন মাসুদা। কী করবেন তিনি, কী হবে, তা নিয়ে এত ভাবছেন না। সময়টা উপভোগ করছেন আর যে কাজটি করতে ইচ্ছে করছে সেখানে নিজের শতভাগ দিয়ে যুক্ত হচ্ছেন মাসুদা খান।

মন্তব্য

বিনোদন
The history of band music of the country came in the book

বইতে এলো দেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাস

বইতে এলো দেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাস বাংলা রক মেটাল বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে লেখক, প্রকাশক ও অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
অনুভূতি প্রকাশে বইয়ের লেখক মিলু আমান বলেন, ‘বাংলার রক মেটাল বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে আমাদের গর্বের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাস সঠিকভাবে লিখিত হলো। এটি আমাদের ব্যান্ড সংগীতের পূর্ণাঙ্গ এনসাইক্লোপিডিয়া হিসেবে কাজ করবে।’

বই আকারে প্রকাশ পেল বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাস ও ১৮০টি ব্যান্ডের বায়োগ্রাফি। বইটির নাম ‘বাংলার রক মেটাল’; লিখেছেন মিলু আমান ও হক ফারুক।

এতে স্থান পেয়েছে পূর্ব পাকিস্তান সময়ে ষাটের দশক থেকে ছয়টি দশকে দেশের ব্যান্ড সংগীতের পথচলার ইতিহাস এবং মহান স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সব দেশি ব্যান্ডের বায়োগ্রাফি।

শুক্রবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর বাংলামোটরস্থ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পাওয় ‘বাংলার রক মেটাল’ বইটি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্পন্দন ব্যান্ডের কাজী হাবলু, রেনেসাঁর নকীব খান, গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, ফিডব্যাকের ফোয়াদ নাসের বাবু ও লাবু রহমান, মাকসুদ ও ঢাকার মাকসুদুল হক, মাইলসের হামিন আহমেদ, ওয়ারফেজের ইব্রাহিম আহমেদ কমল ও শেখ মনিরুল আহমেদ টিপু, রকস্ট্রাটার আরশাদ আমীন।

এ ছাড়া দেশের নবীব-প্রবীণ সব ব্যান্ডের মিউজিশিয়ান, পাঠক ও ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। প্রকাশনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার।

অনুভূতি প্রকাশে বইয়ের লেখক মিলু আমান বলেন, ‘বাংলার রক মেটাল বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে আমাদের গর্বের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাস সঠিকভাবে লিখিত হলো। এটি আমাদের ব্যান্ড সংগীতের পূর্ণাঙ্গ এনসাইক্লোপিডিয়া হিসেবে কাজ করবে।’

বইটির আরেক লেখক হক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘গত ২০টি বছরের সাধনায় লেখা বাংলার রক মেটাল। আমাদের ব্যান্ড সংগীত নিয়ে নানা তথ্যের বিভ্রান্তি দূর করবে এ বই। প্রজন্মের পর প্রজন্মে ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাস চর্চায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনটি ভাগে সাজানো হয়েছে এ বই। প্রথমাংশে ষাটের দশক থেকে শুরু করে আজকের সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের পটভূমি, ইতিহাস, পথচলা ও নানা পরিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় অংশে ১৮০টি ব্যান্ডের বায়োগ্রাফি ও প্রোফাইল।

প্রোফাইলগুলো সাজানো হয়েছে ব্যান্ডগুলোর জন্মসাল ক্রমান্বয়ে, পুরোনো ব্যান্ড থেকে নতুন ব্যান্ড হিসেবে। দেশের সব প্রখ্যাত ব্যান্ডের পাশাপাশি কিছু সম্ভাবনাময় নতুন ব্যান্ডের প্রোফাইল রাখা হয়েছে। প্রতিটি ব্যান্ডের অ্যালবাম ও গানের তালিকা ডিস্কোগ্রাফি আকারে সন্নিবেশ করা হয়েছে।

আর তৃতীয় অংশে রয়েছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের (বামবা) সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং আরও কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যান্ডের তালিকা।

‘বাংলার রক মেটাল’ প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা আজব প্রকাশ। প্রচ্ছদ এঁকেছেন নিয়াজ আহমেদ অংশু এবং নামলিপিতে মোস্তাফিজ কারিগর। গ্রাফিক্স ডিজাইন করেছেন কৌশিক জামান। ৪৬৪ পৃষ্ঠার এ বইটির মূল্য ১ হাজার টাকা।

মন্তব্য

বিনোদন
Saman Ali watched the movie at Cineplex after Lungi

লুঙ্গি পরেই সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখলেন সামান আলী

লুঙ্গি পরেই সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখলেন সামান আলী সামান আলী সরকার (বাঁয়ে), পরিবারের সদস্য, স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সামান আলী সরকার। ছবি: সংগৃহীত
সেই ব্যক্তির নাম সামান আলী সরকার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার শো তে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা পরাণ সিনেমাটি দেখেছে। সিনেমা দেখার সময় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের অনেকে এসেছিলেন লুঙ্গি পরেই।

লুঙ্গি পরে স্টার সিনেপ্লেক্সে আসায় টিকিট না পওয়া সেই ব্যক্তি বৃহস্পতিবার রাতে সিনেমা দেখলেন স্টার সিনেপ্লেক্সের সনি স্কয়ারে। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।

সেই ব্যক্তির নাম সামান আলী সরকার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার শো তে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা পরাণ সিনেমাটি দেখেছে। সিনেমা দেখার সময় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের অনেকে এসেছিলেন লুঙ্গি পরেই।

মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে সামান আলী সরকারের খোঁজ পাই আমরা। তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানিয়ে আমরা সিনেমা দেখিয়েছি।’

স্টার সিনেপ্লেক্স তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সামান আলী সরকার ও তার পরিবারের সদস্যদের ছবি শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছে, ‘সম্পূর্ণ স্টার সিনেপ্লেক্স পরিবারের পক্ষ থেকে সামান আলি সরকার এবং তার পরিবারকে আমাদের শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা। আপনাকে খুশি করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

বুধবার সন্ধ্যায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পরে ফেসবুকে। সেখানে লুঙ্গি পরে থাকা সামান আলীকে বলতে শোনা যায়, ‘লুঙ্গি পরে আছি বলে আমার কাছে টিকিট বিক্রি করেনি।’

বৃহস্পতিবার সকালে স্টার সিনেপ্লেক্স তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুকে বিবৃতি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে। জানায়, ‘স্টার সিনেপ্লেক্স পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা জানাতে চাই, আমরা গ্রাহকদের সঙ্গে কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে বৈষম্য করি না। আমাদের সংস্থায় এমন কোনো নিয়ম বা নীতি নেই যা একজন ব্যক্তিকে লুঙ্গি পরার কারণে টিকিট কেনার অধিকারকে অস্বীকার করবে। আমরা জানাতে চাই, আমাদের সিনেমা হলে সবাই নিজেদের পছন্দের সিনেমা দেখার জন্য সব সময় স্বাগতম।’

এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে সনি স্কয়ারে লুঙ্গি পরে গিয়েছিলেন কার্টুনিস্ট, অভিনেতা মোরশেদ মিশুসহ কয়েকজন। সেখানে তারা টিকিট কাটেন।

আরও পড়ুন:
লুঙ্গি পরে সিনেপ্লেক্সে মোরশেদ মিশু
লুঙ্গি পরা ব্যক্তিকে টিকিট দেয়নি সিনেপ্লেক্স, কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ

মন্তব্য

বিনোদন
Cineplex authorities expressed regret for not giving ticket to the person wearing lungi

লুঙ্গি পরা ব্যক্তিকে টিকিট দেয়নি সিনেপ্লেক্স, কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ

লুঙ্গি পরা ব্যক্তিকে টিকিট দেয়নি সিনেপ্লেক্স, কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ মিরপুরের স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রবেশ পথ (বাঁয়ে), লুঙ্গি পরে যাওয়া সেই ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত
রোহান বলেন, ‘কাউন্টারের ওই লোককে আমি জিজ্ঞেস করলাম যে, এতে সমস্যা কী, লুঙ্গি তো কোনো খারাপ পোশাক না। তখন কাউন্টারের লোকটি বললেন যে, এটা তাদের রুলস-এ নেই। আর আমাকে উদ্দেশ করে তিনি বললেন যে, আমি যেন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলি।’

বুধবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। পোস্টটির বিষয়, রাজধানীর মিরপুরের সনি স্কয়ারে যে স্টার সিনেপ্লেক্স রয়েছে, সেখানে এক ব্যক্তি লুঙ্গি পরে গিয়েছিলেন টিকিট কাটতে। কিন্তু লুঙ্গি পরে থাকায় তার কাছে টিকিট বিক্রি করেনি কাউন্টারে থাকা সিনেপ্লেক্সের একজন।

পোস্টটির সঙ্গে লুঙ্গি পরা সেই ব্যক্তির ছবি ও ভিডিও শেয়ার হয়েছে। ফেসবুকের গ্রুপগুলোতে এ নিয়ে চলছে সমালোচনার ঝড়।

বাংলা চলচ্চিত্র নামের গ্রুপে ভিডিওটি পোস্ট করেন কাওসার আহমেদ রোহান নামের একজন। তার সঙ্গে মেসেঞ্জারে কথা হয় নিউজবাংলার। বুধবার রাতে তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ফেসবুকে যে ছবি ও ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে সেটি তারই করা এবং তিনি ছিলেন সেখানে।

বিস্তারিত জানিয়ে রোহান বলেন, ‘ঘটনাটা ৩ জুলাই বিকেল ৪টার পরের। সনি স্কয়ারে আমি কাউন্টারে ছিলাম, লোকটি আমার সামনেই ছিল। ঘটনাটা যখন ঘটে সেটা আমি নিজ চোখে দেখি এবং প্রতিবাদও করি। তারপর ছবি এবং একটা ভিডিও ক্লিপ নেই। সিনেমার সময় হয়ে যাচ্ছিল, তাই আমি নিজেই ওপরে উঠে যাই। আর তিনি একাই ছিলেন, একটি টিকিটের জন্যই তিনি টাকা দিয়েছিলেন।’

এদিকে বুধবার রাতে স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, স্টার সিনেপ্লেক্সের আইনে লুঙ্গি পরে কেউ টিকিট কাটতে আসলে বা সিনেমা দেখতে চাইলে কোনো সমস্যা নেই। লুঙ্গি একটি আইনসিদ্ধ পোশাক।

তিনি বলেন, ‘স্টার সিনেপ্লেক্সে অনেকে হাফ প্যান্ট পরে আসেন, তারা যেমন ঢুকতে পারেন; কেউ যদি লুঙ্গি পরে আসেন, তিনিও ঢুকতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ার কথা না।’

তবে সমস্যাটা তৈরি হয়েছে লুঙ্গি নিয়েই। প্রত্যক্ষদর্শী কাওসার আহমেদ রোহান নিউজবাংলাকে জানান, টিকিট কাউন্টারে থাকা বিক্রেতা বলছিলেন লুঙ্গি পরে সিনেপ্লেক্সে থাকার নিয়ম নেই।

রোহান বলেন, ‘কাউন্টারের ওই লোককে আমি জিজ্ঞেস করলাম যে, এতে সমস্যা কী, লুঙ্গি তো কোনো খারাপ পোশাক না। তখন কাউন্টারের লোকটি বললেন যে, এটা তাদের রুলস-এ নেই। আর আমাকে উদ্দেশ করে তিনি বললেন যে, আমি যেন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলি।’

রোহানের করা সেই ভিডিওতে লুঙ্গি পরে থাকা বয়স্ক সেই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘লুঙ্গি পরে আছে বলে আমার কাছে টিকিট বিক্রি করেনি।’

রোহান তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গিয়েছিলেন পরাণ সিনেমা দেখতে। সিনেমার শো এর সময় হয়ে যাচ্ছিল, তাই আর তিনি দেরি করেননি। লুঙ্গি পরা লোকটির ফোন নম্বরও রাখেননি তিনি। রোহান জানান, বিষয়টি এমন ভাইরাল হবে তিনি বুঝতে পারেননি।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা শুরু হয় বুধবার রাত থেকেই। পরাণ সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফি ও অভিনেতা শুরিফুল রাজ সেই লোকটির সন্ধান চেয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে জানিয়েছেন যে, তারা একসঙ্গে পরাণ সিনেমা দেখতে চান।

সাধারণ দর্শকও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, তারা লুঙ্গি পরে সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে যাবেন। এ নিয়ে একটি ইভেন্টও খোলা হয়েছে ফেসবুকে। ইভেন্টটির নাম ‘লুঙ্গি পরে মিরপুরের স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে যাবওওওও’।

বৃহস্পতিবার সকালে স্টার সিনেপ্লেক্সের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সেই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘স্টার সিনেপ্লেক্স পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা জানাতে চাই, আমরা গ্রাহকদের সঙ্গে কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে বৈষম্য করি না। আমাদের সংস্থায় এমন কোনো নিয়ম বা নীতি নেই যা একজন ব্যক্তিকে লুঙ্গি পরার কারণে টিকিট কেনার অধিকারকে অস্বীকার করবে। আমরা জানাতে চাই, আমাদের সিনেমা হলে সবাই নিজেদের পছন্দের সিনেমা দেখার জন্য সব সময় স্বাগতম।’

ঘটনাটি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে উল্লেখ করে সেখানে বলা হয়, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ঘটনাটি সম্ভবত একটি দুর্ভাগ্যজনক ভুল-বোঝাবুঝির ফলাফল। আমরা এই ঘটনাটি ঘটতে দেখে গভীরভাবে দুঃখিত এবং আমাদের নজরে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

সেই ব্যক্তিকে সপরিবারে আমন্ত্রণ জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা, স্টার সিনেপ্লেক্স পরিবার, আমাদের গ্রাহকদের সেরা সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা এই ভদ্রলোককে তার পরিবারের সঙ্গে আমাদের সনি স্কয়ার শাখায় ‘পরাণ’ দেখার জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাই।’

একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তদন্ত করেছে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘এই ঘটনা ছাড়াও আমরা সব বিষয়ে তদন্ত করছি, যেন ভবিষ্যতে এই ধরনের ভুল-বোঝাবুঝি না হয়। আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’

আরও পড়ুন:
‘ঘোস্টবাস্টার্স: আফটারলাইফ’ এখন বাংলাদেশে
হলিউডের সিনেমা ‘ডিউন’ চলছে ঢাকায়
সিনেমা আমদানি খুলে না দিলে আগাতে পারব না: মাহবুব
এশিয়ান সুপার হিরো ‘শ্যাং-চি’ আসছে ঢাকায়
ঢাকায় হলিউডের তিন সিনেমা

মন্তব্য

p
উপরে