× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Anant Varsha promises treatment to physically challenged devotees in Bogra
hear-news
player
print-icon

বগুড়ায় অনন্ত-বর্ষা, শারীরিক প্রতিবন্ধী ভক্তকে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি

বগুড়ায়-অনন্ত-বর্ষা-শারীরিক-প্রতিবন্ধী-ভক্তকে-চিকিৎসার-প্রতিশ্রুতি
ভক্ত রানার সঙ্গে অনন্ত-বর্ষা। ছবি: নিউজবাংলা
পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রানাকে নিয়ে দুপুরের খাবার খান অনন্ত-বর্ষা। এরপর তারা তিনজন হেলিকপ্টারে করে যাত্রা করেন বগুড়া সদরে। সেখানে মধুবন সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে দেখেন দিন- দ্য ডে সিনেমা।

চলচ্চিত্রে আসার পর বগুড়ায় এক ভক্তের খোঁজ পেয়েছিলেন চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী অনন্ত জলিল-বর্ষা। সময় যত গড়িয়েছে, তারকার সঙ্গে ভক্তের সম্পর্ক তত গভীর হয়েছে। অনন্ত-বর্ষা কথা দিয়েছিলেন কোনো এক চলচ্চিত্র মুক্তি উপলক্ষে বগুড়ায় আসবেন। সেই কথা রাখলেন অনন্ত-বর্ষা।

এ তারকা দম্পতি বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ার কাহালুর জামগ্রামের কালিপাড়ায় উপস্থিত হন। অনন্ত-বর্ষার সেই ভক্তের নাম মোহাম্মদ রানা আহমেদ। ৩৫ বছরের যুবক রানার দুই পা অচল।

নায়ক-নায়িকা আসা উপলক্ষে কালিপাড়া ইসমাইল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টেজ সাজানো হয়। সেখানেই ভক্ত রানাকে নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন অনন্ত-বর্ষা।

কলাপাতা রঙের সালোয়ারে সাধারণ বেশে ছিলেন বর্ষা। তিনি বলেন, ‘আমি গ্রামের মেয়ে। গ্রামে বড় হয়েছি। রানার জন্য অনেক দিন পর আবার গ্রামে আসতে পারলাম। এ জন্য খুব ভালো লাগছে।’

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রানাকে নিয়ে দুপুরের খাবার খান অনন্ত-বর্ষা। এরপর তারা তিনজন হেলিকপ্টারে করে যাত্রা করেন বগুড়া সদরে। সেখানে মধুবন সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে দেখেন দিন- দ্য ডে সিনেমা।

বগুড়ায় অনন্ত-বর্ষা, শারীরিক প্রতিবন্ধী ভক্তকে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি
মধুবন সিনেপ্লেক্সে অনন্ত-বর্ষা। ছবি: নিউজবাংলা

ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। অনন্তর দাবি, সিনেমাটির বাজেট ১০০ কোটি টাকা। এরই মধ্যে সিনেমাটি নিয়ে অনেক কথা ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

দিন- দ্য ডে সিনেমা সম্পর্কে বর্ষা বলেন, ‘দেশে চলচ্চিত্রের ধারায় পরিবর্তন আসছে। হলিউড, বলিউডের ধাঁচেও আমরা সিনেমা করতে পারি। এমনই একটি চলচ্চিত্র দিন- দ্য ডে। এর অ্যাকশন, গল্প সবকিছু দর্শকদের ভালো লাগবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক প্রেক্ষাগৃহে দেখেছি সন্তান কোলে নিয়ে মা এসেছেন সিনেমা দেখতে। মানুষের ভালো সিনেমা দেখার এই আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’

অনন্ত জলিল বলেন, ‘যত সচিব, আমলা, ব্যবসায়ী আছেন, তাদের অধিকাংশই উঠে এসেছে গ্রাম থেকে। এ জন্য গ্রামকে কখনও ছোট করা যাবে না। আজকে বগুড়া আসার একটি বড় কারণ রানা। রানাকে দেখার পাশাপাশি আপনাদের কাছেও আসতে পেরেছি। ওর বাবা-মাকে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ দিতে চাই। ওর মন আপনার-আমার চেয়ে অনেক বড়।’

এ সময় রানার চিকিৎসা করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনন্ত বলেন, ‘আমি রানাকে ঢাকা নিয়ে যাব। ওর পাসপোর্ট করব, ওকে থাইল্যান্ড নিয়ে যাব চিকিৎসার জন্য। আমি চেষ্টা করব। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।’ এ সময় রানাকে নগদ দুই লাখ টাকা উপহারও দেন অনন্ত জলিল।

এরপর অনন্ত জলিল সবার কাছে দোয়া চান এবং সবাইকে দিন- দ্য ডে সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। রানার জন্য দোয়া করবেন।’

পছন্দের শিল্পীকে কাছে পেয়ে উৎফুল্ল রানা আহমেদ। তিনি বলেন, ‘অনন্ত জলিলের মতো বড় মাপের মানুষকে যখনই ফোন দিয়েছি, তখনই তিনি কথা বলেছেন। আজ তিনি শুধু আমার কথা রাখতে বগুড়া এসেছেন। এ আনন্দ আমি বলে বোঝাতে পারব না। তিনি আমাকে অনেক ভালোবাসেন, আমিও চেষ্টা করি তাকে আরও বেশি ভালোবাসার।’

দেশের ১১৫টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘দিন-দ্য ডে’ মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ইরানি নির্মাতা মুর্তজা অতাশ জমজম।

আরও পড়ুন:
অভি-অ্যাশের সঙ্গে অনন্ত-বর্ষা, কান শহরে হবে সিনেমার প্রচার
বর্ষাকে খুব আদরে রাখার প্রতিশ্রুতি অনন্তর
টেনশনে আছি, মানুষ যেন ট্রল না করে: অনন্ত
অনন্ত-বর্ষার শুটিং স্পটে
দ্বিতীয় ধাপে শুরু ‘নেত্রী: দ্য লিডার’ সিনেমার শুটিং

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Directors complaints and subsequent statements about The Day

দিন- দ্য ডে’ নিয়ে পরিচালকের অভিযোগ ও অনন্তর বক্তব্য

দিন- দ্য ডে’ নিয়ে পরিচালকের অভিযোগ ও অনন্তর বক্তব্য দিন- দ্য ডে সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
অনন্ত জলিল ‘দিন- দ্য ডে’ সিনেমা নির্মাণ নিয়ে করা চুক্তি ভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইরানি পরিচালক মোর্তেজা অতশ জমজম। এর প্রতিক্রিয়ায় এই অভিনেতা নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

‘দিন- দ্য ডে’ সিনেমা নির্মাণ নিয়ে করা পরিকল্পনা ও চুক্তি অনন্ত জলিল ভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ছবিটির ইরানি পরিচালক মোর্তেজা অতশ জমজম।

বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে এক স্ট্যাটাসে এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেছেন, চুক্তি ভঙ্গ করার দায়ে তিনি অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে ইরান ও বাংলাদেশের আদালতে মামলা করবেন।

অনন্ত জলিল এ নিয়ে প্রথমে কোনো কথা না বললেও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

অনন্ত জলিলের স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হলো-

‘আজ বিকাল থেকে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা আমাকে ফোন দিয়ে জানতে চাইছেন যে, কুরবানির ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত আমার সিনেমা ‘দিন: দ্য ডে’র পরিচালক ইরানী নাগরিক মুর্তজা অতাশ জমজম সিনেমাটি নিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিস্তারিত বিষয় আমি এই পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরছি।

দিন : দ্য ডে’র শুটিং শুরু হয় ২০১৯ সালে ইরান থেকে। শেষ হয় ২০২০ সালে। বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশে আমরা সিনেমাটির শুটিং করি। আমি শুরুতেই বলে এসেছি, সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে ইরান। আমার সঙ্গে চুক্তি আছে যে, সিনেমাটির বাংলাদেশে যেসব কাজ হবে (শুটিং, ডাবিং) সেটার ব্যয়ভার আমি বহন করব। এবং আমি সেটাই করেছি।

চুক্তি অনুযায়ী ইরানসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে শুটিংয়ের খরচ বহন করবে ইরানি প্রযোজক। ইরান যে সিনেমাটির মূল প্রযোজক সেটা পরিচালকই তার স্ট্যাটাসে দেয়া একটি বাক্যের (আমি ছিলাম সিনেমাটির মূল প্রযোজক) মাধ্যমে স্বীকার করেছেন। এর মাধ্যমে একটা বিষয় পরিষ্কার হয় যে, সিনেমাটিতে আমি শুধু বাংলাদেশের খরচ বহন করেছি এবং এটাই ছিল চুক্তি।

২০১৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল, টেলিভিশন চ্যানেল- সব জায়গাতেই সাক্ষাৎকারসহ বিভিন্ন প্রচরণায় আমি বলেছি, ‘দিন: দ্য ডে’ সিনেমার মূল প্রযোজক ইরানি। আমি শুধু বাংলাদেশের শুটিংকৃত অংশটুকুর খরচ বহন করেছি।

সিনেমার নামের ক্ষেত্রে আমি বাংলায় একটি নাম ব্যবহার করেছি। তাও ‘ডে’-এর বাংলা, অর্থাৎ ‘দিন’। ইরানি প্রযোজকের দেয়া নামও (ডে) কিন্তু সিনেমায় রয়ে গেছে। এটাও আমাদের মৌখিক আলোচনায় ছিল। যেহেতু সিনেমাটি বাংলাদেশে মুক্তি দেয়া হবে, তাই বাংলা নাম থাকাটাই যুক্তিযুক্ত। আর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তির জন্য সঙ্গে ইংরেজি নামও রয়েছে। সুতরাং নাম নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা অবান্তর।

তিনি (ইরানি নির্মাতা) যে গল্পের কথা বলেছেন, সেটা আমাদের দু’জনেরই আইডিয়া। সিনেমার গল্প আমি ও মুর্তজা সাহেব আলোচনা করে ঠিক করেছি। ইরানে শুটিং শুরুর পর ইরানি প্রযোজক আমাদেরকে সম্মানের সঙ্গে পাঁচতারকা হোটেলে রেখেছেন। আমরাও বাংলাদেশে শুটিংয়ের সময় ইরানি ইউনিটকে ঢাকার সোনারগাঁ হোটেলে রেখেছিলাম। সম্মান এবং আতিথেয়তায় কোনো ঘাটতি রাখিনি।

এ সিনেমার পরিচালক যেহেতু মুস্তফা অতাশ জমজম, তাই শুটিংয়ের যাবতীয় ইকুইপমেন্ট, অর্থাৎ এইট-কে রেজুলেশনের ক্যামেরা তিনি ইরান থেকেই সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন; যেহেতু এইট-কে রেজুলেশনের ক্যামেরা বাংলাদেশে নেই। ইরানসহ অন্যান্য দেশের শুটিংয়ের ফুটেজ, এমনকি বাংলাদেশে শুটিংয়ের ফুটেজও তিনি শুটিং শেষে ইরানে নিয়ে গেছেন, লাইনআপ করার জন্য।

২০২০ সালে শুটিং শেষে তিনি আমাকে এডিট করা একটা লাইনআপ পাঠালেন। আমি সেটা দেখে গল্পে বেশকিছু জায়গায় অসামঞ্জস্যতা দেখে বলেছি, আমাকে একটা কপি দেন। আমি সেটা ঠিক করে দিচ্ছি।

যেহেতু ইরানে গিয়ে এডিটিং করা সম্ভব নয়, তাই আমি ঠিক করি ভারতের হায়দ্রাবাদের অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে কাজটি করব। সেই ফুটেজের কপি তিনি নিজেই সঙ্গে করে অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে নিয়ে আসেন। আমাদের সঙ্গে ৪/৫ দিন হায়দ্রাবাদে অবস্থান করে তিনি নিজ দেশ ইরানে ফিরেও যান।

আমরা সিনেমাটিতে ডলবি সাউন্ড ব্যবহার করতে চাইলাম। যেহেতু ডলবি সাউন্ড ব্যবহার করলে তাদের (ডলবি কোম্পানির) লাইসেন্স লাগে, আর ডলবি আমেরিকান কোম্পানি, ইরান সেটা ব্যবহার করতে পারবে না। তাই আমি বলেছি, আমার দেশে (বাংলাদেশ) ডলবি সাউন্ড ব্যবহার করব। বিষয়টিতে তিনি রাজি হয়েই স্বশরীরে ভারতের হায়দ্রাবাদের অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে সিনেমাটির ফুটেজ নিয়ে আসেন।

যদি কোনো অর্থ পাওনা থাকত তাহলে তিনি কি ফুটেজ নিয়ে আসতেন? এছাড়া সিনেমাটির সম্পূর্ণ ফুটেজ এখনও তার কাছেই রয়ে গেছে। যেহেতু তিনি সিনেমাটির মূল প্রযোজক ও পরিচালক, তাই তার কাছে সেটা থাকাটাই স্বাভাবিক।

আমি একটা কথা স্পষ্ট বলতে চাই, চুক্তিতে যেভাবে যা কিছু উল্লেখ ছিল সে অনুযায়ীই আমি কাজ করেছি। যদি আমার কাছে তার ১০০ টাকাও অর্থাৎ কোনো অর্থ পাওনা থাকত তাহলে তিনি কি আমাকে সিনেমার সম্পূর্ণ ফুটেজ দিতেন? কিংবা ফুটেজ না পেলে আমি কি মুক্তি দিতে পারতাম? যেহেতু তার কাছেই শুটিংয়ের পর সম্পূর্ণ ফুটেজ ছিল এবং এখনও রয়েছে! নিশ্চয়ই তার অনুমতি এবং সম্পূর্ণ সম্মতিতেই আমি সিনেমাটি মুক্তি দিয়েছি। এখন তার অবান্তর অভিযোগ মূলত আমাকে ও আমার দেশ অর্থাৎ বাংলাদেশকে ছোট করার অপপ্রয়াস বলে আমি মনে করি।

আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, ২০২১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা যখন বাংলাদেশে হোটেল লি মেরিডিয়ানে এ সিনেমার গান ও প্রাথমিক ট্রেইলর উদ্বোধন করি তখনও তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং সিনেমাটি যে আমরা বাংলাদেশে মুক্তি দেব, সে ব্যাপারে কোনো আপত্তি জানাননি।

আমি এটাও বলেছি যে, ইরান যদি সময়মতো মুক্তি দিতে না পারে তাহলে আমি বাংলাদেশে মুক্তি দেব। এসব নিয়েও তখন কোনো আপত্তি করেননি তিনি। ইরান সময়মতো মুক্তি দিতে পারছে না বলে তিনবার আমরা মুক্তির তারিখ ঘোষণা দিয়েও সেটা পরিবর্তন করি। বাংলাদেশে মুক্তির সময় পরিবর্তনের কারণে আমার ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে জেনেও শুধু তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি সেটা মেনে নিয়েছি। শুরু থেকেই সবসময় আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল এবং সেটা এখনও আছে বলে আমি মনে করি।

আপনারা দেখেছেন, গত কুরবানির ঈদে ‘দিন: দ্য ডে’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হচ্ছি আমরা এবং সেটা দেশ থেকেই। আমি মনে করি, এটাও তেমনই একটি ষড়যন্ত্র। এরপরও মুর্তজা সাহেবের যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে সেটা আমরা নিজেরাই বসে সমাধান করতে পারি (যদিও আমি চুক্তির বাইরে কিছু করিনি সেটা আগেই বলেছি)।

তিনি বাংলাদেশি কারও পরামর্শে কিংবা নিজের প্রচারের স্বার্থে যদি ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন তাহলে সেটা হবে খুবই দুঃখজনক। যদি এরকম কিছু ঘটে থাকে তাহলে আমিও দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি ব্যবস্থা নেব। কারণ, একই চুক্তিপত্র আমার কাছেও রয়েছে।

আমি সাংবাদিক ভাই ও বোনদের প্রতি অনুরোধ করব, সত্যটা জেনে আপনারা খবর প্রকাশ করবেন। আমি চেষ্টা করব আমার পেজ থেকে বিস্তারিত তথ্য আপনাদের জানানোর জন্য। এমনিতেই আমাদের বাংলাদেশি সিনেমার দুর্দিন চলছে। এর মধ্যে গত ঈদে আমার ‘দিন : দ্য ডে’সহ আরও দুটি সিনেমা দেশের সিনেমা অঙ্গনে আশার আলো দেখিয়েছে। দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে ফিরছেন। দেশি সিনেমা অঙ্গন চাঙা হয়ে উঠছে। তাই একটি চক্র উঠেপড়ে লেগেছে কীভাবে বাংলাদেশের এই বাজারটি নষ্ট করা যায়। এবং তারা আমাদেরই সিনেমার লোক বলে আমি মনে করি।

সিনেমা নিয়ে আমি বিশেষ কিছু কাজ করার পরিকল্পনা করছি। সেটা যাতে থামিয়ে দেয়া যায়, এমনকি ঈদের সিনেমার জোয়ার দেখে যারা নতুন করে প্রযোজনার প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তাদেরকেও দূরে সরিয়ে রাখা যায়, এজন্য বিভিন্নভাবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে ছোট করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একটি অসাধু চক্র। এই ঘটনা তারই একটা অংশ বলে আমি মনে করি।

আমার যদি কোনো ভুল-ত্রুটি থাকে সেটা ভবিষ্যতে শুধরে নেয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু আপনাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে চাঙা করার জন্য, আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেয়ার জন্য নেগেটিভ খবর প্রচার করা থেকে আপাতত বিরত থাকবেন। যাতে আমরা (বাংলাদেশি সিনেমা) আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারি।

আপনাদের ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা আছে। সবসময় আপনারা আমার পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন এটা আশা করি।

আরও পড়ুন:
মুখে বলি চলচ্চিত্র পরিবার, কাজে দেখি না: অনন্ত
সিনেপ্লেক্সে ‘পরান’র শো বেড়েছে, ‘দিন- দ্য ডে’ আগের মতোই
৮ বছর পর সিনেপ্লেক্সে অনন্ত, নার্ভাস বর্ষা
দিন- দ্য ডে: সিনেপ্লেক্সে ১২টি, ব্লকবাস্টারে শো ৮টি
বর্ষাকে খুব আদরে রাখার প্রতিশ্রুতি অনন্তর

মন্তব্য

বিনোদন
Shakib called his relationship with Bobby positive

ববির সঙ্গে সম্পর্কটাকে ‘পজিটিভ’ বললেন সাকিব

ববির সঙ্গে সম্পর্কটাকে ‘পজিটিভ’ বললেন সাকিব ইয়ামিন হক ববি ও সাকিব সনেট (টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের সময় কলকাতায় তোলা ছবি)। ছবি: সংগৃহীত
প্রযোজক সাকিব সনেট অবশ্য তাদের পারস্পরিক সম্পর্কটাকে ‘পজিটিভ’-এর খোলস থেকে বের করেননি। তিনি নিউজবাংলাকে জানান, তাদের পারস্পরিক সম্পর্কটা পজিটিভ।

বৃহস্পতিবার অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববির জন্মদিন। বিশেষ দিনটি উপলক্ষে অনেকেই ববিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এর মধ্যে একটি শুভেচ্ছা বার্তা বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো।

ববি অভিনীত নোলক সিনেমার প্রযোজক সাকিব সনেট তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ববির জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তাটি দিয়েছেন।

সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) তোমার জন্মদিন, কিন্তু আমি সেই ব্যক্তি যার সবচেয়ে বেশি উদযাপন করা উচিত। এ দিনে আমার প্রিয় মানুষটির জন্ম। তোমার হাসি এ উদযাপনের কারণ। তোমার ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান উপহার।

‘আমি খুব খুশি যে তুমি পৃথিবীতে এসেছ এবং আমি আরও বেশি খুশি যে তুমি আমার জগতে এসেছ। শুভ জন্মদিন আমিন হক ববি।’

এমন শুভেচ্ছা বার্তায় সাকিব ও ববির মধ্যে প্রেমের মতো মধুর সম্পর্কের আভাস খুঁজছেন কেউ কেউ। সাকিবের শুভেচ্ছা বার্তার মন্তব্যের ঘরে অধিকাংশই অভিনেত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জুটি ভেবে তাদের দুজনকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দুই-তিনজন।

প্রযোজক সাকিব সনেট অবশ্য ববির সঙ্গে তার সম্পর্কটাকে ‘পজিটিভ’-এর খোলস থেকে বের করেননি। তিনি নিউজবাংলাকে জানান, তাদের পারস্পরিক সম্পর্কটা পজিটিভ।

তিনি বলেন, ‘প্রিয় মানুষের জন্মদিন উপলক্ষে ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করেছি। আমাদের তো প্রায় ৫-৬ বছরের পরিচয়; নোলকের প্রি-প্রোডাকশন থেকেই। এরপর একসঙ্গে নোলকের যুদ্ধ জয় করা। তারপর একসঙ্গে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুরু করা। পাশাপাশি একসঙ্গে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যাল, অ্যাওয়ার্ডে অ্যাটেন্ড করা। একসঙ্গে নতুন কিছু প্রজেক্ট করা। বিজ্ঞাপন, ইভেন্টস, সিনেমা সবই করা হয়েছে আরও হচ্ছে। আসলে পারস্পরিক সম্পর্কটা আমাদের বেশ পজিটিভ পরস্পরের প্রতি, এই তো।’

ববির সঙ্গে সাকিবের সম্পর্ক নিয়ে মিডিয়াপাড়ায় কানাঘুষা আছে। সাকিব তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল পিকচারে ববির সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে রেখেছেন।

মন্তব্য

বিনোদন
Pari raj returned home with the kingdom

পরী-রাজের ঘরে রাজ্যের অধিষ্ঠান

পরী-রাজের ঘরে রাজ্যের অধিষ্ঠান ছেলেকে নিয়ে বাসায় ফিরেছেন তারকা দম্পতি পরীমনি ও শরিফুল রাজ। ছবি: সংগৃহীত
পরীমনির ঘনিষ্ঠজন ও নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, ছেলেকে নিয়ে ঘরে ফিরে বুধবার সকালেই দুটি খাসি জবাই করে আকিকা দিয়েছেন পরীমনি ও শরিফুল রাজ। কাছাকাছি সময়ে মিলাদ মাহফিলের আয়োজনও করা হয়।

নিজেদের প্রথম সন্তান রাজ্যকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন অভিনয়শিল্পী দম্পতি পরীমনি ও শরিফুল রাজ।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বুধবার সকালে নীড়ে ফেরেন এ দম্পতি।

পরীমনির ঘনিষ্ঠজন ও নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, ছেলেকে নিয়ে ঘরে ফিরে বুধবার সকালেই দুটি খাসি জবাই করে তার আকিকা দিয়েছেন পরী-রাজ। কাছাকাছি সময়ে মিলাদ মাহফিলের আয়োজনও করা হয়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, রেদওয়ান রনি, রায়হান রাফি, অভিনেত্রী তমা মির্জাসহ অনেকে।

চয়নিকা তার স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘অনেক অনেক আশীর্বাদ রাজ্য তোমার জন্যে। মায়ের মতো সাহসী আর সুন্দর মনের মানুষ হও, নিরাপদে থেকো। আর বাবার মতো সাহসী প্রেমিক আর কেয়ারিং হও। এই প্রার্থনা। আর নানিমাকে কিন্তু ভুলে যেও না!! হুম।’

গত ১০ আগস্ট সন্তানের জন্ম দেন পরীমনি। ইচ্ছা অনুযায়ী রাজ-পরী তাদের ছেলের নাম রাখেন শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বিয়ে করেন শরিফুল রাজ ও পরীমনি। দীর্ঘদিন গোপনেই ছিল তাদের বিয়ের খবর।

চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। পরীমনির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটিই প্রথমে জানা যায়। পরে তাদের বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হয়।

আরও পড়ুন:
হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের মানুষকে বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা পরীর
একটা রঙিন প্রজাপতির অপেক্ষায় পরী
‘আমাদের ভালোবাসা ক্রমাগত গভীর হয়েছে-বেড়ে চলেছে’
রাজ-পরীর ঘরে নতুন অতিথি আসার আয়োজন
নাসিরের বিরুদ্ধে পরীমনির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

মন্তব্য

বিনোদন
Bipasha told about the new time in the film

ছবিতে ‘নতুন সময়’-এর কথা জানালেন বিপাশা

ছবিতে ‘নতুন সময়’-এর কথা জানালেন বিপাশা বলিউড অভিনয়শিল্পী দম্পতি বিপাশা ও করণ মা-বাবা হতে যাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ঢালা সাদা শার্টে বিপাশা এবং তার স্বামী করণ। বিপাশার শরীরে মাতৃত্বের ছাপ।

শুরু হয়ে গেছে জীবনের নতুন সময়, নতুন অধ্যায়। মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী বিপাশা বসু। ইনস্টায় নিজেই আনন্দের এ খবর দিয়েছেন তিনি।

লেখা ছাড়াও দুটি ছবি পোস্ট করেছেন বিপাশা। যেখানে দেখা যাচ্ছে তার বেবি বাম্প এবং সঙ্গে রয়েছে অনাগত সন্তানের বাবা করণ সিং গ্রোভার।

মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ঢালা সাদা শার্টে বিপাশা এবং তার স্বামী করণ। বিপাশার শরীরে মাতৃত্বের ছাপ। হাস্যোজ্জ্বল বিপাশা দু’হাতে আগলে রেখেছেন বেবিবাম্প আদতে অনাগত সন্তানকে। করণও ছুঁয়ে রয়েছেন বেবিবাম্প, আবার চুমু এঁকে দিচ্ছেন সেখানে।

ছবি দিয়ে ক্যাপশনে বিপাশা লিখেছেন, ‘একটা নতুন সময়, একটা নতুন অধ্যায়, নতুন আলো আমাদের জীবনে নতুন রং যোগ করল। আমাদের যেন আরও একটু পূর্ণতা দিল। আমরা স্বতন্ত্রভাবে নিজেদের জীবন শুরু করেছিলাম। শিগগিরই আমরা দুই থেকে তিন হব।’

২০১৬ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেন বিপাশা-করণ। বাঙালি নিয়েমে সাত পাক ঘোরেন তারা। ব্যক্তিজীবনকে কিছুটা আড়াল করেই রেখেছেন এ তারকা দম্পতি।

আরও পড়ুন:
১৮৭১ সালের প্রেক্ষাপটে বাবা-ছেলে রণবীর
ডাকাত হয়ে চার বছর পর ফিরছেন রণবীর
‘শাবাশ মিঠু’: মিতালির সঙ্গে ভারতের নারী ক্রিকেটের গল্প
‘চুরা কে দিল মেরা’
মহিমার স্তন ক্যানসারের কথা জানতেন না মা-বাবাও

মন্তব্য

বিনোদন
Supermodel Bella Hadid is now in NFT

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ। ছবি: সংগৃহীত
২৫ বছর বয়সী আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

আমেরিকার সুপার মডেল বেলা হাদিদের পা এবার ক্যাটওয়াক থেকে মেটাভার্সে এসে পড়েছে। সেখানে নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্বের জন্য তার দরকার ছিল এনএফটি অ্যাভাটার।

বেলার মুখ ও শরীরের থ্রিডি স্ক্যানের ওপর ভিত্তি করে CY-B3LLA নামে মেটাভার্স উপযোগী নন ফাঞ্জিবল টোকেনের সিরিজ করা হয়েছে।

২৫ বছর বয়সী বেলা নিউ ইয়র্ক থেকে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি ভার্চুয়াল দুনিয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং কোভিড লকডাউনে তিনি ভিডিও গেমগুলোতে আসক্ত হয়ে পড়েন। সে সময় তিনি নিজের ভিডিও গেমের চরিত্রের মতো কুল সংস্করণ (অ্যাভাটার) তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
বেলা হাদিদের এনএফটি তৈরিতে থ্রিডি স্ক্যানার ব্যবহার হয়েছে

বেলা হাদিদের সিরিজ এনএফটি-গুলো তৈরি করেছে ১০টি দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা।

তবে এই এনএফটিগুলো ঠিক কবে নাগাদ নিলামে তোলা হবে কিংবা আদৌ হবে কি না তা জানাননি বেলা।

মেটাভার্স নিয়ে আশাবাদী বেলা বলেন, ‘আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।’

এনএফটি কী?

এনএফটির পূর্ণরূপ ‘নন ফাঞ্জিবল টোকেন’। ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইমিউটেবল লেজারে যুক্ত হওয়ায় এনএফটি যেকোনো ডিজিটাল অ্যাসেটের ওপর একজন ব্যক্তির নিরঙ্কুশ মালিকানা দেয়।

ইমিউটেবল লেজার বলতে বোঝায় অপরিবর্তনীয় লেজার। এতে কোনো ধরনের পরিবর্তন ঘটানো প্রায় অসম্ভব। এই পদ্ধতিতে ডিজিটাল আর্টকে কপি করা অসম্ভব হয়ে যায়। আপনি অবশ্যই কোনো কিছু নকল করতে পারেন, তবে সেটি আর যাই হোক, পুরোপুরি আগেরটির মতো হবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
১০ দেশের ডিজিটাল আর্টিস্টরা বেলার এনএফটি তৈরি করেছেন

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির দ্য লাস্ট সাপারের হুবহু নকল একটি ছবি কেনা যেতে পারে। তবে তা আর যাই হোক, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা মূল ছবিটি হবে না। সত্যিকার দ্য লাস্ট সাপারের দামও নকলের সমান হবে না।

আসছে মাসগুলোতে আমরা একটি নতুন মেটা নেশন তৈরি করব, যেখানে থাকবে সত্যিকার স্থাপনা, হবে অনুষ্ঠানের আয়োজন। যেখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করতে পারব।

ঠিক তেমনি যখন একটি ডিজিটাল আর্টকে এনএফটি করা হয়, তখন সেটি একটি টোকেনে কনভার্ট হয়ে যায়। এরপর সেই ডিজিটাল আর্টে যদি এক মেগাপিক্সেলও পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, সেটির টোকেন বদলে যাবে। কখনোই তা আগেরটির সঙ্গে মিলবে না।

সুপার মডেল বেলা হাদিদ এবার এনএফটিতে
লকডাউনে গেম খেলে এনএফটিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বেলা হাদিদ

এনএফটি হচ্ছে একটি দলিলের মতো। এটি ডিজিটাল দুনিয়ার যেকোনো কনটেন্টের ওপর ব্যক্তির মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করে। ভিঞ্চির আঁকা ছবি নিয়ে কেউ জালিয়াতি করতে পারে, কিন্তু এনএফটি নিয়ে জালিয়াতি অসম্ভব।

এক কথায় এনএফটি হলো এমন একটি সম্পদ, যা ডিজিটাল দুনিয়ায় একটিই আছে। এটি অন্যান্য সম্পদের মতোই কেনাবেচা করা সম্ভব।

আরও পড়ুন:
২৫ কোটির এনএফটি কিনে মাথায় হাত
ক্রিপ্টোকারেন্সি ও এনএফটির আলোচিত যত ঘটনা
মেলানিয়া ট্রাম্পের চোখের ছবি নিলামে

মন্তব্য

বিনোদন
Consciousness Revolution Inspiration Dreams Amlin Bangabandhu Joya

চেতনা, বিপ্লব, অনুপ্রেরণা, স্বপ্নে অমলিন বঙ্গবন্ধু: জয়া

চেতনা, বিপ্লব, অনুপ্রেরণা, স্বপ্নে অমলিন বঙ্গবন্ধু: জয়া বাঁয়ের ছবিটি পোস্ট করে জয়া বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ফেসবুকে। ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে জয়া লেখেন, ‘শোক নয়, শক্তি হয়ে রয়ে যায় জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান। জাতীয় শোক দিবসে চির অম্লান বঙ্গবন্ধু জানাই আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি।’

জাতীয় শোক দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করছে পুরো দেশ।

সোমবার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও লেখা ও ছবি পোস্ট করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ও জানাচ্ছেন অনেকে।

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং অনুভূতির কথা জানান।

তিনি লেখেন, ‘আমার অন্তরের মধ্যে যে বাংলাদেশ সব সময় জেগে থাকে, তার দেহ, মন জুড়ে সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে প্রতিধ্বনিত বঙ্গবন্ধুর নাম।’

বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে জয়া লেখেন, ‘শোক নয়, শক্তি হয়ে রয়ে যায় জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান। জাতীয় শোক দিবসে চির অম্লান বঙ্গবন্ধু জানাই আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি। চেতনায়, বিপ্লবে, অনুপ্রেরণায়, দিন বদলের স্বপ্নে আপনি অমলিন বঙ্গবন্ধু।’

আরও পড়ুন:
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জয়ার
শোক প্রকাশের সাধ্য আমার নেই: জয়া
গাফ্‌ফার চৌধুরী চিরকাল অমলিন: জয়া
মিষ্টি পোলাও-মাটন ও বাসি পরেজ খেয়ে ঈদে কেঁদেছিলেন জয়া
সিনেমাটি আমার প্রোফাইলে কিছু অ্যাড করবে: জয়া

মন্তব্য

বিনোদন
May he grow like a star and be brave like his parents Raj

সে যেন তারার মতো বেড়ে ওঠে, বাবা-মার মতো সাহসী হয়: রাজ

সে যেন তারার মতো বেড়ে ওঠে, বাবা-মার মতো সাহসী হয়: রাজ নবজাতক রাজ্য এর পায়ের ছাপ (বাঁয়ে), রাজ্যকে নিয়ে প্রথমবার পরীর কাছে রাজ (ভিডিও থেকে নেয়া)। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ছোট রাজ্য যেন তারকার মতো বড় হয়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে রাজ লেখেন, ‘ওই ছোট পা আমাদের হৃদয়ে সবচেয়ে বড় পায়ের ছাপ তৈরি করেছে। তোমরা দুজনেই (পরী ও রাজ্য) আমার জীবনে অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছ।

অভিনয়শিল্পী দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমনির ঘর আলো করে এসেছে তাদের সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। বুধবার বিকেলে পৃথিবীর আলো দেখে নবজাতক।

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ায় বিকেল থেকেই অপারেশন থিয়েটারে থাকতে হয়েছে রাজকে। নিজের অনুভূতির কথা বলতেই পারেননি ঠিকমতো।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে নিজের ফেসবুকে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, আলহামদুলিল্লাহ, অভিনন্দন আমার প্রিয় স্ত্রী পরীমনি। ছেলেসন্তান হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের অনুভূতির কিছু কথা শরিফুল রাজ লিখেছেন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, প্রথমবার বাবা হওয়াটা জীবনের সেরা মুহূর্ত তার কাছে।

তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ, তুমি এটা করেছ আমার প্রিয় সঙ্গী, আমি সততার সঙ্গে বলতে পারি যে, এটি আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত।’

ছোট রাজ্য যেন তারকার মতো বড় হয়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে রাজ লেখেন, ‘ওই ছোট পা আমাদের হৃদয়ে সবচেয়ে বড় পায়ের ছাপ তৈরি করেছে। তোমরা দুজনেই (পরী ও রাজ্য) আমার জীবনে অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছ।

‘সে (রাজ্য) যেন তারার মতো বেড়ে ওঠে এবং তাদের বাবা-মা এর মতো সাহসী হয়। অনেক অনেক অভিনন্দন আমার রকস্টার।’

লেখার সঙ্গে রাজ একটি ছবি ও একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নবজাতক রাজ্যর পায়ের ছাপ এবং ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নবজাতক রাজ্যকে প্রথমবার পরীকে দেখানোর মুহূর্ত। সে সময় রাজ্য ছিল রাজের হাতে।

বৃহস্পতিবার সকালে পরী তার সন্তানের ছবি প্রকাশ করেন ফেসবুকে। সেখানে তিনি তার সন্তানের নাম প্রকাশ করেন এবং ছেলেকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তুমি পৃথিবীর জন্যে আলোর বাহক হও। অভিনন্দন তোমাকে।’

আরও পড়ুন:
হাওয়ার জন্য বসুন্ধরায় ভিড়, চাপ নেই এসকেএসে
এই উদযাপনটা আমার নয়, দর্শকদের: রাজ
হাসান-রাজের প্রথম দেখা

মন্তব্য

p
উপরে