× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Where is the difference? Which is what the director of Heechee Bangladesh said
hear-news
player
print-icon

ভিন্নতা কই? যা বললেন হইচই বাংলাদেশের পরিচালক

ভিন্নতা-কই?-যা-বললেন-হইচই-বাংলাদেশের-পরিচালক
হইচইতে মুক্তি পাওয়া কনটেন্টের পোস্টারের কোলাজ (বাঁয়ে), ডানে হইচই বাংলাদেশের পরিচালক সাকিব আর খান। ছবি: সংগৃহীত
গল্পকে গুরুত্ব দিয়ে সাকিব বলেন, ‘আমি তো কাজ করব গল্প আমাকে দেয়া হলে। গল্পের একটা বিশাল গ্যাপ আমাদের এখানে আছে। আমার কাছে তো প্রোপোজাল আসতে হবে। আমাদের প্রোডিউসারের অভাব রয়েছে। আপনি দেখেন, ঘুরেফিরে ওই আশফাক নিপুন, সাওকিদের দিয়ে কাজ করাতে হচ্ছে।’

ভারতীয় ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্ল্যাটফর্ম হইচই বাংলাদেশে কাজ শুরু করার পর বেশ কিছু কনটেন্ট পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা। এর মধ্যে তাকদীর, মহানগর। দুটি ওয়েব সিরিজের গল্পই রহস্য ও থ্রিলার ঘরানার। এগুলো প্রকাশের পর থেকে হইচইতে বাংলাদেশ থেকে শুধু যেন থ্রিলার গল্পই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে বলে মনে করছেন এ দেশের ওটিটি দর্শকরা।

তাদের মতে, এখানে নেই রুদ্রবীণার অভিশাপ-এর মতো কোনো মিউজিক্যাল কনটেন্ট, নেই একেন বাবুর মতো মজার গোয়েন্দা, নেই মুখ্যমন্ত্রীর মতো কোনো তথ্যচিত্র, সেই অর্থে নেই কোনো রোমান্টিক বা সামাজিক গল্পের কনটেন্ট। অর্থাৎ বিভিন্ন ঘরানার গল্প খুঁজে পাচ্ছেন না দর্শকরা।

দর্শকদের এমন অভিযোগ পুরোপুরি মানতে নারাজ হইচই বাংলাদেশের পরিচালক সাকিব আর খান। তিনি নিউজবাংলাকে জানান, কনটেন্টের ভিন্নতা নেই বিষয়টা ঠিক নয়।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় এই ধারণা ঠিক না। বলি টোটালি ডিফরেন্ট ওয়েস্টার্ন কনটেন্ট ছিল। আমরা চেষ্টা করছি। আমরা সাবরিনা করেছি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে। নারীদের কিছু সমস্যা নিয়ে কাজটি হয়েছে। আমরা দৌড় করেছি আরেকটা ভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে। একটা মানুষের একাধিক চেহারা। সে বাসায় এক রকম- স্ত্রী, বাচ্চাকে সে অনেক ভালোবাসে কিন্তু কর্মক্ষেত্রে আরেক রকম। সেখানে তার ভাষা ও চেহারা অন্যরকম। রিফিউজি টোটালি ভিন্ন একটি জনরা থেকে করা হয়েছে। একসময় আমরা কষ্টনীড় করেছি। যারা আমাদের পরিচিত কিন্তু অজানা জীবনধারা। সো আমি বলব আমরা নানা রকম কাজ করার চেষ্টা করছি।’

সাকিব যে কনটেন্টগুলোর কথা বলেছেন, সেগুলোর মধ্যে ওয়েব সিরিজ বলি বাদে সবগুলোতে ইনভেস্টিগেশন ব্যাপারটি ছিল গুরুত্বের সঙ্গে। অধিকাংশ কনটেন্টেই তদন্ত, পুলিশ ইনভেস্টিগেশন বিষয়টি কেন এসেছে জানতে চাইলে সাকিব জানান, এটা করতে হয় ব্যবসার জন্য।

তিনি বলেন, ‘দিন শেষে ওইটা আমাকে বিজনেস দেয়। বিজনেস ইমপরটেন্ট। একটা বড় বিনিয়োগ আছে এখানে। কনটেন্টের নাম বলছি না, কিন্তু যখনই এগুলোর বাইরে কোনো কাজ করেছি তখন দর্শকরা আর সেটা নেয়নি।’

সাকিব জানান, এ দেশের দর্শকরা এখনও স্টার কাস্ট চান। স্টার কাস্ট না হলে দর্শকরা কনটেন্ট দেখতে চান না।

সাকিব বলেন, ‘মোশাররফ করিম বা চঞ্চল চৌধুরীর মতো কাস্ট যখন থাকে, তখন কনটেন্টের ভ্যালু এমনিতেই বেড়ে যায়। কাইজার কনটেন্টে আফরান নিশো আছেন। এই কনটেন্ট নিয়ে দর্শকের যে রেসপন্স, সেটাও তো আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে।’

কিন্তু এখানেও আছে সমস্যা, সব কনটেন্ট তো আর মোশাররফ করিম বা চঞ্চল চৌধুরী বা নিশোকে নিয়ে করা সম্ভব না। আবার চাইলেও অনেক কিছু করা যায় না বলেও জানান সাকিব আর খান।

গল্পকে গুরুত্ব দিয়ে সাকিব বলেন, ‘আমি তো কাজ করব গল্প আমাকে দেয়া হলে। গল্পের একটা বিশাল গ্যাপ আমাদের এখানে আছে। আমার কাছে তো প্রোপোজাল আসতে হবে। আমাদের প্রোডিউসারের অভাব রয়েছে। আপনি দেখেন, ঘুরেফিরে ওই আশফাক নিপুন, সাওকিদের দিয়ে কাজ করাতে হচ্ছে।’

দর্শকদের ফ্রি কনটেন্ট দেখার অভ্যাসটাও রয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দর্শকদের ফ্রি কনটেন্ট দেখে দেখে যে অভ্যাস হয়েছে, সেই অভ্যাসটা সহজে বদলাবে না। আমার তো সাবস্ক্রিপশন মডেল। টাকা দিয়ে কনটেন্ট দেখব, এই চিন্তাটা, ভাবনাটা আসছে না। ভারতে আছে ২০ লাখ সাবস্ক্রাইবার, ওখানে যেটাই দেন, একরকম দর্শক পাওয়া যায়। আমি তো সে পর্যায়ে এখনও যাই নাই।’

হইচই বাংলাদেশের সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন সাকিব আর খান।

তিনি বলেন, ‘৫০০ টাকায় এক বছরের কমিটমেন্টে যাওয়া, এটা আমাদের প্রতিদিনের যুদ্ধ। ধরেন, একজন হইচই সাবস্ক্রাইবার একটি কনটেন্ট দেখছেন, তার সঙ্গে তার আরও দুই-তিনজন বন্ধুও দেখছেন। তাহলে কী হলো, কনটেন্ট দেখলেন চারজন, কিন্তু আমি টাকা পেলাম একজন সাবস্ক্রাইবারের। আমাদের একটি প্রজেক্ট ৮০-৯০ লাখ টাকা, তাহলে হিসাব করে দেখেন কত সাবস্ক্রাইবার লাগবে এই টাকা তুলে আনতে। আরেকটা বিষয়, যিনি আজকে সাবস্ক্রাইব করছেন তার জন্য কিন্তু আগামী ১১ মাসের কনটেন্ট একেবারে ফ্রি। আমি কিন্তু প্রতি কনটেন্টের জন্য টাকা নিচ্ছি না, আমি এক বছরের সাবস্ক্রিপশন ফি নিচ্ছি। এই পেইনগুলো নিয়ে লেখালেখি হয় না।’

সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সাকিব বলেন, ‘আমার পপুলার জনরাতে হিট করতে হয় বারবার। থ্রিলার করা হচ্ছে কারণ ওইটা মানুষ দেখে, ব্যবসার জায়গাটাও দেখতে হবে আমাকে। তা না হলে কতদিন শুধু শুধু কাজ করা যাবে। একসময় দেখা যাবে আগ্রহ হারিয়ে গেছে, বাংলাদেশে বিজনেস বন্ধ।’

ওটিটি নীতিমালাও একটা সমস্যা করতে পারে বলে ধারণা এ পরিচালকের। সাকিব আর খান আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, কনটেন্টের ভিন্নতা নিয়ে দর্শকদের যে অভিযোগ বা কথা, সেটা চলতি বছরে আর থাকবে না। একটু অপেক্ষা করতে হবে সে জন্য।

বেশ ভেবে কাজ করতে হয় উল্লেখ করে সাকিব আর খান বলেন, ‘ভারতে টানা ৫টা কনটেন্ট ফ্লপ করলে অসুবিধা নেই, ৬ নম্বরে টাকা তুলে ফেলতে পারে। কিন্তু আমার পরপর দুটি কনটেন্ট ফ্লপ করলে অসুবিধা আছে।’

আরও পড়ুন:
হইচইয়ের পঞ্চম বছরে দেশের ৫ অরিজিনাল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
There was no fear about the burnt actor Roni

দগ্ধ অভিনেতা রনিকে নিয়ে শঙ্কা কাটেনি

দগ্ধ অভিনেতা রনিকে নিয়ে শঙ্কা কাটেনি পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় টিভি শো মীরাক্কেলখ্যাত বাংলাদেশি কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি। ছবি: সংগৃহীত
‘আবু হেনা রনির শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তার রক্ত পরীক্ষায় কিছু ত্রুটি পাওয়া গেছে। এসব ত্রুটির কারণ নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। সোমবার আরও কিছু পরীক্ষা করা হবে।’

গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধ কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনির চিকিৎসায় বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন হয়েছে। রোববার তার রক্ত পরীক্ষায় বেশ কিছু ত্রুটি পাওয়া গেছে, তিনি এখনও আশঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আবু হেনা রনির শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তার রক্ত পরীক্ষায় কিছু ত্রুটি পাওয়া গেছে। এসব ত্রুটির কারণ নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। সোমবার আরও কিছু পরীক্ষা করা হবে।

‘কী ধরনের গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। জানলে চিকিৎসা কিছুটা সহজ হতো।’

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) চতুর্থ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধ হন কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনিসহ পাঁচজন। শুরুতে তাদের গাজীপুরের তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় সেখান থেকে রাতে ঢাকায় পাঠানো হয় আবু হেনা রনি ছাড়াও জিল্লুর রহমান নামের ব্যক্তিকে।

রনির চিকিৎসায় গঠন করা ১৩ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড রোববার দুপুরে সভা করে।

সভা শেষে ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোগীরা ১৫ শতাংশ দগ্ধ হলে আমরা সিরিয়াস মনে করি। রনি ও জিল্লুর এর চেয়ে বেশি দগ্ধ। সঙ্গে ইনহেলিশন বার্ন আছে। রনির কয়েক প্রকারের রক্ত পরীক্ষা করেছি। তাতে কিছু ত্রুটি আছে। নতুন চিকিৎসা সংযোজন করা হয়েছে।

‘৪৮ ঘণ্টা পার হলেও রনির অবস্থা অপরিবর্তিত। কম বার্ন হলেও ইনহেলিশন থাকলে সে রোগীর ব্যাপারে কিছু বলা মুশকিল। যতক্ষণ পর্যন্ত রোগী হেঁটে বাড়ি না যাবে, ততক্ষণ তাকে সুস্থ বলতে পারব না।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘রোগীর স্বজনরা যদি মনে করেন অন্য কোথাও নিয়ে চিকিৎসা করাবেন, সেটা তাদের ব্যাপার। তবে আমাদের এখানে যথেষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন। চিকিৎসার ঘটতি হবে না।’

মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রবিউল করিম খান বলেন, ‘যখন আমরা এই রোগী হাসপাতালে পেয়েছি, তখন অবস্থা খারাপ ছিল। দগ্ধ হওয়ার পর মাটিতে গড়াগড়ি খেয়েছেন, তাতে ইনফেকশনের ভয় থাকে। তবে বেলুনে কী ধরনের গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটা জানতে পারলে আমাদের চিকিৎসায় সুবিধা হতো।’

আরও পড়ুন:
গাজীপুরে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
বেলুন বিস্ফোরণ: ‘শঙ্কামুক্ত নন’ কৌতুক অভিনেতা রনি
বেলুন বিস্ফোরণে কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি দগ্ধ

মন্তব্য

বিনোদন
Shakib is now a food seller

সাকিব এবার খাবার বিক্রেতা

সাকিব এবার খাবার বিক্রেতা রাস্তার পাশের খাবার বিক্রেতা সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। ছবির ক্যাপশনে কিছু লেখা নেই, শুধু হ্যাসট্যাগ দিয়ে রয়েছে মোবাইল সেবাদাতা এক প্রতিষ্ঠানের নাম।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে কয়েকদিন আগেই পাওয়া গিয়েছিল কোঁকড়া চুল, লম্বা গোঁফ, গায়ে ফ্লোরাল প্রিন্টের শার্টে। ভূমিকা ছিল বাস কন্ডাক্টরের। এবার তিনি ভিন্ন চরিত্রে, মিলবে তাকে রাস্তার পাশে খাবার বিক্রির দোকানে।

মূলত মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অভিনয় করতেই তিনি এর আগে সেজেছিলেন বাস কন্ডাক্টর। এবার সাকিব হাজির হয়েছেন রাস্তার পাশে দোকান দিয়ে বসা খাবারের বিক্রেতারূপে।

রোববার সাকিব আল হাসান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেটি দেখে বোঝার আর বাকি নেই যে সাকিবের চরিত্রটি কেমন।

ছবির ক্যাপশনে কিছু লেখা নেই, শুধু হ্যাসট্যাগ দিয়ে সেই মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম।

বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন আদনান আল রাজিব। বাস কন্ডাক্টরের চরিত্র নিয়ে হওয়া বিজ্ঞাপনটির নির্মাতাও তিনিই।

রাজিবও রোববার সন্ধ্যায় একই ছবি পোস্ট করেছেন তার ফেসবুক একাউন্টে। আর হ্যাসট্যাগ দিয়ে সেই মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম।

রাজিব নিউজবাংলাকে জানান, শিগগিরই এ বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু হবে। সাকিবকে নিয়ে করা তিনটি চরিত্রের বিজ্ঞাপনগুলোর মধ্যে একটি প্রচার হয়েছে। একটি প্রচারের অপেক্ষায়। আরেকটি চরিত্র আছে প্রকাশের অপেক্ষায়।

আরও পড়ুন:
‘বাস কন্ডাক্টর’ হচ্ছেন সাকিব!
জিম্বাবুয়ে সিরিজে ছুটি নিয়ে সিপিএলে সাকিব
নিজের চেয়ে দলের পারফরম্যান্স গুরুত্বপূর্ণ: সাকিব
সাকিবের ‘হেলথ কার্ড’
রিয়েলিটি শোয়ে অন্যরকম সাকিব

মন্তব্য

বিনোদন
Warrant against SI for attempted dowry murder

‘যৌতুকের জন্য হত্যাচেষ্টা’, এসআইর বিরুদ্ধে পরোয়ানা

‘যৌতুকের জন্য হত্যাচেষ্টা’, এসআইর বিরুদ্ধে পরোয়ানা
বাদী পক্ষের আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম জানান, প্রথম স্ত্রীর তথ্য গোপন করে ২০২০ সালের ১২মে ফারজানা বিনতে ফাকের নামের এক কিশোরীকে বিয়ে করেন সোবহান। তখন তিনি খুলনা মহানগর পুলিশের সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন। বিয়ের পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেন তিনি। স্ত্রীকে একাধিকবার মারধর করে তিনি হাসপাতালে ভর্তি করেন।

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা মামলায় খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোবহান মোল্লার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মঙ্গলবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আবদুস ছালাম খান এই আদেশ দেন।

সোবহান মোল্লা বর্তমানে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশে কর্মরত আছেন।

২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সোবহান মোল্লার দ্বিতীয় স্ত্রী ফারজানা বিনতে ফাকের এই মামলা করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম জানান, প্রথম স্ত্রীর তথ্য গোপন করে ২০২০ সালের ১২মে ফারজানা বিনতে ফাকের নামের এক কিশোরীকে বিয়ে করেন সোবহান। তখন তিনি খুলনা মহানগর পুলিশের সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন। বিয়ের পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেন তিনি। স্ত্রীকে একাধিকবার মারধর করে তিনি হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এক পর্যায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ফারজানা। আদালত এই মামলা পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তদন্ত নিয়ে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সোবহান মোল্লার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ফারজানা জানান, সোবহান মোল্লা সোনাডাঙ্গা থানায় এসআই থাকাকালে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০২০ সালের ১২ মে তাকে নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী অফিসে নিয়ে ৩ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ে করেন।

এক পর্যায় ফারজানা জানতে পারেন, সোবহানের স্ত্রী ও দুটি সন্তান রয়েছে। তখন তিনি এমএম সিটি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। সোবহানের প্রতারণার বিষয়টি তিনি ধরতে পারেননি। বিষয়টি জানাজানি হলে তার ওপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

ফারজানা জানান, এসআই সোবহান মোল্লা তাকে কীটনাশক পানে আত্মহত্যায় প্ররোচনা করেন। এ কারণে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ২০২০ সালের ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া তাদের বিয়ের প্রমাণ নষ্ট করতে সোবহান রেজিস্ট্রার দেখার অজুহাতে কাজী অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রারের ৬ নম্ব ভলিয়মের ১৪ নম্বর পাতা ছিঁড়ে ফেলেন। প্রতিবাদ করলে নিকাহ রেজিস্ট্রারকে (কাজী) প্রাণনাশের হুমকি দেন।

এ বিষয়ে কাজীর সহকারী সোনাডাঙ্গা থানায় জিডি করতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি। পরে খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন কাজী। থানার ওসির মধ্যস্থতায় ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর আবারও তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয়।

ফারজানার অভিযোগ, বিয়ের পর তার বাবা-মা ৫ লাখ টাকার মালামাল দেন। এরপরও এসআই সোবহান ইন্সপেক্টর হিসেবে প্রমোশনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার কথা বলে ২০ লাখ টাকা যৌতুক চান। মেয়ের সংসারে সুখের জন্য তার বাবা দুদফায় ১০ লাখ করে তাকে ২০ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন। এরপর আরও ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। পরিবারের পক্ষে আর যৌতুক দেয়া সম্ভব না হওয়ায় শুরু হয় নির্যাতন।

তিনি আরও জানান, শিশুর দুধ কিনে দেয়ার কথা বলে তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় ডেকে নিয়ে পিস্তল দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেন সোবহান । এতে তার মাথায় ১২টি সেলাই দেয়া হয়।

এসব অভিযোগে ফারজানা খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করলে ওই দিনই সোবাহান তাকে অকথ্য গালিগালাজের পর আবারও ১০ লাখ টাকা যৌতুক চেয়ে হুমকি দেন।

এ ঘটনায় ফারজানা ২৭ ডিসেম্বর মহানগর হাকিম (আমলী সোনাডাঙ্গা) আদালতে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীকে পুকুরে চুবিয়ে হত্যায় আমৃত্যু কারাদণ্ড
গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ ঘরে, অভিযোগ হত্যার
গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী-দেবর আটক
যৌতুক না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বাকে ‘নির্যাতন’
গৃহবধূকে হত্যার মামলায় কারাগারে স্বামী

মন্তব্য

বিনোদন
Fans painted Sonu Soods picture with blood

রক্ত দিয়ে সোনু সুদের ছবি আঁকলেন ভক্ত

রক্ত দিয়ে সোনু সুদের ছবি আঁকলেন ভক্ত রক্ত দিয়ে সোনু সুদের ছবি এঁকেছেন এক ভক্ত। ছবি: সংগৃহীত
সোনু সুদ বারবার সেই ভক্তকে বুঝানোর চেষ্টা করছেন- রক্তের বদলে রঙ ব্যবহার করা উচিত ছিল। কিন্তু এর উত্তরে সেই শিল্পী জানান, তার জন্য তিনি প্রাণও দিয়ে দিতে পারেন। সেই ভক্ত বলেন, 'সবাই শুধু নিজের কথা ভাবে, কিন্তু আপনি আলাদা।

পর্দায় ভয়ংকর খলনায়ক হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষের নায়ক বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ।

২০২০ সালে করোনার সময় লকডাউনে তিনি নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়িয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে। বিশেষ করে গাড়ি, বাস ও ট্রেনের ব্যবস্থা করে শ্রমিকদের পৌঁছে দিয়েছেন নিজ নিজ বাড়ি।

সেখানেই শেষ নয়। দেশের যেকোনো প্রান্তে যখনই কেউ বিপদে পড়েছেন, একবার জানালেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এ অভিনেতা। লকডাউনে কর্মহীন হয়েছেন অনেক মানুষ। তাদের সাহায্য করেছেন নতুনভাবে কিছু করতে।

এরপর ২০২১ সালে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে যখন বিপর্যস্ত সারা ভারত, হাসপাতালগুলোতে খালি বেড ও অক্সিজেনের চরম সংকট, তখনও সোনু ও তার টিম ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মানুষের প্রাণ বাঁচাতে।

সেসময় দিয়েছেন বিনা মূল্যে ব্যবস্থা করেছেন অক্সিজেন সিলিন্ডারের, দিয়েছেন জরুরিকালীন চিকিৎসা সেবা।

তার এমন সব কাজের কারণের সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন বাস্তবের নায়ক। তাইতো ভক্ত-অনুরাগীরা ভালোবেসে তাকে নানা রকম উপহার দিয়ে থাকেন।

সম্প্রতি সোনু সুদের ভক্তের কাছ থেকে পাওয়া একটি উপহার ভাইরাল হয়েছে। উপহারটি প্রথমে দেখে খুব সাধারণ মনে হলেও এটি আসলে খুবই একটি অসাধারণ।

এটি হলো সোনু সুদের পোট্রেট। যেটি রঙ নয় রক্ত দিয়ে আঁকা। উপহারটি সোনু হাতে তুলে দেয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সেই ভিডিওটিই রিটুইট করেছেন সোনু। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘রক্ত দান করো ভাই, রক্ত দিয়ে আমার পেইন্টিং তৈরি করে নষ্ট করো না।’ তবে ভক্তকে ধন্যবাদও দিয়েছেন তিনি।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভক্তের দেয়া উপহার হাতে নিয়ে সোনু বলছেন, আমি এখন মধু গুর্জারের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছি। তিনি একজন মহান শিল্পী। আমাকে আমার একটি পেইন্টিং উপহার দিয়েছেন। শুধু একটি ভুল করেছেন, এটি রক্ত দিয়ে এঁকেছেন।

সোনু বারবার বুঝানোর চেষ্টা করছেন- রক্তের বদলে রঙ ব্যবহার করা উচিত ছিল। কিন্তু এর উত্তরে সেই শিল্পী জানান, সোনুর জন্য তিনি প্রাণও দিয়ে দিতে পারেন। সেই ভক্ত বলেন, 'সবাই শুধু নিজের কথা ভাবে, কিন্তু আপনি আলাদা।’

শিল্পীর সঙ্গে ভিডিওতে উপস্থিত বাকিরা একসময় একসঙ্গে বলেন, ‘আপনি আমাদের কাছে ভগবানের মতো।’

সোনু যখন জানান, এভাবে রক্তের অপচয় না করে রক্তদান করা উচিত। তখন অন্য একজন ভক্ত বলেন, ‘কিন্তু তিনি আপনাকে এই রক্ত দান করেছেন।’

এক কথায় ভক্তরা এটিকে ভুল হিসেবে মানতে একদমই নারাজ। সবশেষে দেখা যায়, সেই শিল্পীর জন্য দোয়া করেন সোনু এবং তার দোয়াও চান অভিনেতা।

আরও পড়ুন:
সোনু সুদের ২০ কোটির কর ফাঁকি
কেজরিওয়াল সরকারের শুভেচ্ছাদূত হলেন সোনু সুদ
‘তুমি একজন হিরো’, সারার উদ্যোগে সোনুর প্রশংসা
২২ করোনা রোগীর প্রাণ বাঁচাল সোনুর টিম
ঝড়ের গতিতে মেসেজ ঢুকছে সোনুর ফোনে  

মন্তব্য

বিনোদন
The fairy kingdom went to Nanas house

পরীর রাজ্য ঘুরতে গেল ‘নানা’র বাসায়

পরীর রাজ্য ঘুরতে গেল ‘নানা’র বাসায় ছেলে রাজ্যকে কোলে পরীমনি, সঙ্গে রাজ ও রেদওয়ান রনি। ছবি: সংগৃহীত
সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে পরীমনি লিখেছেন, ‘রাজ্যের প্রথম বেড়াতে যাওয়া তার নানার বাসায়। রেদওয়ান রনি নানা হ্যান্ডসাম।’

অভিনয়শিল্পী দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমনি এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তাদের একমাত্র সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যকে নিয়ে। ১০ আগস্ট জন্ম হয় তার, ১১ আগস্ট শিশু সন্তানের নাম জানান পরী, ২৩ আগস্ট পেসবুক পেজে আকিকার খবর দেন তিনি।

বাসাতেই কাটছিল নতুন বাবা-মা ও সন্তানের দিন। তবে এবার রাজ্যকে দুনিয়া দেখানোর পালা। শিশু সন্তান রাজ্যকে নিয়ে সম্প্রতি বের হয়েছিলেন রাজ-পরী। গিয়েছিলেন নির্মাতা রেদওয়ান রনির বাসায়।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সে কথা জানিয়েছেন পরী; পোস্ট করেছেন আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি।

পরীমনি লিখেছেন, ‘রাজ্যের প্রথম বেড়াতে যাওয়া তার নানার বাসায়। রেদওয়ান রনি নানা হ্যান্ডসাম।’

রাজ্যের বাবা শরিফুল রাজ সিনেমায় অভিষিক্ত হন রেদওয়ান রনির পরিচালিত সিনেমায়। সেই সুবাদেই এখন পারিবারিক সুসম্পর্কও গড়ে উঠেছে তাদের।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর বিয়ে করেন রাজ-পরী। এরপর ১০ জানুয়ারি পরীমনি মা হয়ে যাওয়া ও তাদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে।

এরপর ২২ জানুয়ারি রাতে পরীর বাসায় ১০১ টাকা কাবিনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়। সেই বিয়েতেই উকিল বাবা ছিলেন রেদওয়ান রনি। সে সম্পর্কে পরীর ছেলে রাজ্যের নানা তিনি।

আরও পড়ুন:
ছেলের ছবি পোস্ট করে পরীমনি লিখলেন, ‘আলোর বাহক হও’
দূর থেকে দেখতে হচ্ছে পরী-রাজের ছেলেকে: চয়নিকা
‘রাজ্য’ এলো রাজ-পরীর ঘরে
হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের মানুষকে বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা পরীর
একটা রঙিন প্রজাপতির অপেক্ষায় পরী

মন্তব্য

বিনোদন
Honey Singhs breakup of 20 years of love marriage relationship

প্রেম-বিয়ে মিলে ২০ বছরের সম্পর্কের বিচ্ছেদ হানি সিংয়ের

প্রেম-বিয়ে মিলে ২০ বছরের সম্পর্কের বিচ্ছেদ হানি সিংয়ের হানি সিং ও শালিনী তলওয়ার। ছবি: সংগৃহীত
বিচ্ছেদ নিষ্পত্তির জন্য শালিনীকে ১ কোটি রুপি ভরণপোষণ দিয়েছেন হানি। যৌন হেনস্থা, মানসিক নির্যাতন ও আর্থিক ভাবে নিগ্রহের অভিযোগে গত বছর আগস্টে দিল্লির তিস হাজারি কোর্টে এই গায়কের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্ত্রী।

প্রেম-বিয়ে মিলে ২০ বছরের বেশি সময়ের সম্পর্ক তাদের। অবশেষে অনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হলেন দুজন। দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা শেষে বলিউডের জনপ্রিয় র‍্যাপ গায়ক হানি সিং ও তার স্ত্রী শালিনী তলওয়ারের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছে।

বিচ্ছেদ নিষ্পত্তির জন্য শালিনীকে ১ কোটি রুপি ভরণপোষণ দিয়েছেন হানি। যৌন হেনস্তা, মানসিক নির্যাতন ও আর্থিকভাবে নিগ্রহের অভিযোগে গত বছর আগস্টে দিল্লির তিস হাজারি কোর্টে এই গায়কের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্ত্রী।

অবশেষে বৃহস্পতিবার দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতে হানি সিং এবং শালিনী তলওয়ারের বিয়ে বিচ্ছেদের মীমাংসা হয়।

এ নিয়ে ইন্ডিয়াটুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুনানির সময় বিচারক বিনোদ কুমারের উপস্থিতিতে হারদিশ সিং বা হানি সিং এক কোটি রুপির চেক দেন শালিনীকে।

মামলার পরবর্তী প্রস্তাবের শুনানির দিন ঠিক করে দেয়া হয়েছে আগামী বছরের ২০ মার্চ।

গত বছর শালিনীর করা মামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতি দেন হানি সিং।

তিনি লেখেন, ‘আমার ২০ বছরের সহচর, আমার স্ত্রী শালিনী তালওয়ার আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগটি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ।

‘এর আগে আমি কখনও আমার গানের লিরিক, আমার স্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা কিংবা নেতিবাচক মিডিয়া কাভারেজের বিষয়ে এমন বিবৃতি বা প্রেস নোট দেইনি। যাই হোক, আমি এমন একটা সময় এসে আর নীরব থাকতে পারছি না, কারণ এসব অভিযোগ সরাসরি আমার পরিবারের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। আমার বৃদ্ধ মা-বাবা এবং আমার বোনের বিরুদ্ধে; যারা খুব খারাপ সময়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং আমাকে স্বাভাবিক থাকতে দিয়েছে। অভিযোগগুলো নিন্দনীয় ও মানহানিকর।’

বিবৃতিতে হানি সিং বলেন, গত ১৫ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে দেশের শিল্পী, কলা-কুশলীদের সঙ্গে তিনি কাজ করছেন।

‘সবাই আমার ও আমার স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে জানেন, সে এক দশকের বেশি সময় ধরে আমার দলের একটা অংশ, আমার শুটিং, ইভেন্ট এবং মিটিং সবকিছুতেই যুক্ত ছিল।’

হানি সিং বলেন, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে চাই অভিযোগগুলো অসত্য, এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কারণ, বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীন। এ দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা করছি শিগগির সত্য বেরিয়ে আসবে।’

ফ্যান ও ফলোয়ারদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে এই র‍্যাপ গায়ক বলেন, ‘বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দয়া করে কেউ আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্তে যাবেন না।’

২০১১ সালে শিখ রীতি অনুযায়ী দিল্লির ফার্ম হাউজে বিয়ে করেন তারা। সে বছরই ককটেল সিনেমায় ‘আংরেজি বিট’ শিরোনামের এক গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠে হানি সিং।

এরপর ‘ব্লু আইজ’, ‘হাই হিল’ ও ‘লুঙ্গি ডান্স’-এর মতো একাধিক হিট গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর অভিযোগ অস্বীকার করে হানি সিংয়ের সাফাই
হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে স্ত্রী শালিনীর মামলা

মন্তব্য

বিনোদন
Rani came to the shooting sets of Kamal Haasan

কমল হাসানের শুটিং সেটে এসেছিলেন রানি

কমল হাসানের শুটিং সেটে এসেছিলেন রানি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে কমল হাসান। ছবি: সংগৃহীত
কমল হাসান লেখেন, ‌‘২৫ বছর আগে তিনি আমাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছিলেন এবং মারুধনায়কম-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। এটি সম্ভবত একমাত্র সিনেমার শুট, যাতে তিনি অংশ নিয়েছিলেন।’

যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে বেশি সময় রাজক্ষমতায় থাকা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের পাশাপাশি শোক জানিয়েছেন বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা। তাদের একজন তামিল সুপারস্টার কমল হাসান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে শোকবার্তায় রানিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এ অভিনেতা। তিনি জানান, তাদের আমন্ত্রণে সিনেমার শুটিংয়ের সেটে এসেছিলেন রানি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, রানির মৃত্যুর পরদিন শুক্রবার তামিল ভাষায় টুইটটি করেন কমল। এতে তিনি লেখেন, ‘যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর খবর শুনে আমি শোকাহত। শুধু ব্রিটিশরাই নন; সারা বিশ্বই তাকে ভালোবাসত।

‌‘২৫ বছর আগে তিনি আমাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছিলেন এবং মারুধনায়গম-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। এটি সম্ভবত একমাত্র সিনেমার শুট, যাতে তিনি অংশ নিয়েছিলেন।’

রানি এলিজাবেথের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে কমল হাসান লেখেন, ‘লন্ডনের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পাঁচ বছর আগে প্রাসাদে তার সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতি এখনও সজীব। প্রিয় রানিকে হারানোয় ইংল্যান্ডের জনগণ ও রাজপরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।’

১৯৯৭ সালে কমল হাসানের সিনেমামারুধনায়কম-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রানি এলিজাবেথ। যদিও এ সিনেমাটি অসমাপ্তই রয়ে গেছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বালমোরাল দুর্গে মৃত্যু হয় রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

রানির জ্যেষ্ঠ ছেলে, তার উত্তরসূরি ও নতুন রাজা চার্লস এক বিবৃতিতে মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছেন।

৭৩ বছর বয়সী চার্লস বিবৃতিতে বলেন, ‘আমার মা, মহামান্য রানির মৃত্যু আমি ও আমার পরিবারের সব সদস্যের জন্য কঠিনতম শোকের ক্ষণ।

‘আমি জানি তার শূন্যতা দেশ, রানিকে মান্যকারী রাষ্ট্র ও বিশ্বজুড়ে অগণিত মানুষের মধ্যে গভীরভাবে অনুভূত হবে।’

আরও পড়ুন:
একজন বন্ধু ও অভিভাবক হারালাম: শেখ হাসিনা
রানি এলিজাবেথের মৃত্যুতে ৩ দিনের শোক বাংলাদেশে
পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে চলা এক রানি
রানির শেষকৃত্য দুই সপ্তাহের মধ্যে
চার্লসের মাথায় ব্রিটিশ রাজমুকুট, বদলাচ্ছে জাতীয় সংগীত

মন্তব্য

p
উপরে