× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
The post of Mausumi provoked the past
google_news print-icon

অতীত উসকে দিল মৌসুমীর পোস্ট

অতীত-উসকে-দিল-মৌসুমীর-পোস্ট
মৌসুমী বৃহস্পতিবার রাতে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘কঠিন বাস্তবতা অতিক্রম মানে হচ্ছে স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেওয়া।’ স্ট্যাটাসটি পড়ে ধারণা হতেই পারে যে মৌসুমী কঠিন সময় পার করছেন। তবে ‘স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেওয়া’র মানে কী, সেটা এখনও রহস্য।

‘আমার স্ত্রী অভিনেত্রী মৌসুমীকে ডিসটার্ব করেন অভিনেতা জায়েদ খান। জায়েদ যে মৌসুমীকে ডিসটার্ব করেন তার প্রমাণ আমার সন্তানদের কাছেও আছে।’

অভিনেতা ওমর সানী যখন এমনটা বলছেন তখন মৌসুমীর বক্তব্য পুরো উল্টো। মৌসুমী বলছেন, ‘জায়েদ খান ভালো ছেলে, সে আমাকে সম্মান করে।’

স্বামী-স্ত্রীর কথায় অমিলে অধিকাংশই ধারণা করেন তাদের সংসারে ঝামেলা চলছে। সানী নিজেও জানিয়েছেন তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে না দীর্ঘদিন। যদিও এটিকে দাম্পত্য জীবনের স্বাভাবিক ঘটনা বলে দাবি সানীর।

সংবাদমাধ্যম ১৩ জুন বিষয়টি নিয়ে সরগরম থাকলেও পরে থিতিয়ে আসছিল। সানী, মৌসুমী, জায়েদ এমনকি ফারদিনও বিষয়টি নিয়ে আর কোনো কথা বলছেন না।

এমন সময়ে এসে বৃহস্পতিবার রাতে মৌসুমী তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি যেন আবার উসকে দিলেন।

মৌসুমী তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘কঠিন বাস্তবতা অতিক্রম মানে হচ্ছে স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেওয়া।’

স্ট্যাটাসটি পড়ে সবার ধারণা হতেই পারে যে মৌসুমী কঠিন একটা সময় অতিক্রম করছেন। তবে ‘স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেওয়া’ বিষয়টা কী, সেটা এখনও রহস্য রয়ে আছে।

অতীত উসকে দিল মৌসুমীর পোস্ট

ওমর সানীর পোস্ট

এদিকে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, মৌসুমীসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে খাবার খাচ্ছেন সানী।

ওই ছবির সঙ্গে ক্যাপশনও জুড়ে দেন তিনি। যেখানে লেখা, ‘সবাই ভাল থাকবেন, দোয়া করবেন আমাদের জন্য।’

এই ছবিটি পোস্ট হতেই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সানী-মৌসুমীর অনেক ভক্ত তাদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন।

অনেক দিন ধরেই মৌসুমীর ফোন ও অনলাইন মাধ্যম বন্ধ রয়েছে। তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না।

এর আগে ১২ জুন জায়েদ খানের বিরুদ্ধে শিল্পী সমিতিতে সংসার ভাঙা ও হত্যাচেষ্টার উল্লেখ করে অভিযোগ করেন ওমর সানী।

ওমর সানী অভিযোগের বিষয় হিসেবে লেখেন, ‘জায়েদ খান দ্বারা আমার সংসার ভাঙা এবং আমাকে পিস্তল বের করে মেরে ফেলার হুমকি প্রসঙ্গে।’

১০ জুন রাতে অভিনেতা ডিপজলের ছেলের বিয়েতে অভিনেতা জায়েদ খানকে চড় মারেন বলে দাবি করেন ওমর সানী। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওমর সানীর দিকে জায়েদ খান পিস্তল উঁচিয়ে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন সানী।

আরও পড়ুন:
সানী-মৌসুমীর সংসার কি ভাঙছে?
বাবার ওপর রাগ করেছে মা: সানী-মৌসুমীর ছেলে
জায়েদের পাশে মৌসুমী, ছেলে-মেয়ের দিকে তাকিয়ে সানী
সানী নয়, জায়েদের পাশে দাঁড়ালেন মৌসুমী
জায়েদের বিরুদ্ধে সংসার ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ ওমর সানির

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Hard to find a man like my ex husband Sholanki

আমার সাবেক স্বামীর মতো মানুষ পাওয়া মুশকিল: শোলাঙ্কি

আমার সাবেক স্বামীর মতো মানুষ পাওয়া মুশকিল: শোলাঙ্কি
শোলাঙ্কি বলেন, হ্যাঁ, আমি ডিভোর্সি। এটা আলোচনা করার মতো বিষয় নয়। আমি কোনোদিনই নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলিনি। প্রেম-বিয়ে সবটাই ব্যক্তিগত রাখতেই ভালোবাসি। এটা নিয়ে অনেক প্রশ্ন, অনেক আলোচনা, তাই স্পষ্ট করে বলতে চাই আমার সাবেক স্বামীর থেকে আমি এখন আইনত আলাদা।

অনেক দিন ধরেই ছিল কানাঘুষা, এবার অবশেষে মুখ খুললেন ভারতীয় বাংলা টেলিভিশন জগতের অন্যতম স্টার শোলাঙ্কি রায়। ভালোবেসে যাকে বিয়ে করেছিলেন, তার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে এ অভিনেত্রীর।

এক সাক্ষাৎকারে এই প্রথমবার ডিভোর্স নিয়ে অকপটে জানালেন শোলাঙ্কি। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৩ সালেই আইনি উপায়ে বিচ্ছেদ হয়েছে।

শোলাঙ্কি বলেন, ‘হ্য়াঁ, আমি ডিভোর্সি। এটা আলোচনা করার মতো বিষয় নয়। আমি কোনোদিনই নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলিনি। প্রেম-বিয়ে সবটাই ব্যক্তিগত রাখতেই ভালোবাসি। এটা নিয়ে অনেক প্রশ্ন, অনেক আলোচনা, তাই স্পষ্ট করে বলতে চাই আমার সাবেক স্বামীর থেকে আমি এখন আইনত আলাদা।

‘আর এটা খুব শান্তিপূর্ণ একটা বিচ্ছেদ। এই ঘটনায় আরও একটা মানুষের পরিবার জড়িয়ে, তাই এটা নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে চাই না। কারণ আমার পেশার বোঝাটা আমি ওদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারি না।’

শোলাঙ্কি বলেন, ‘আমার সাবেক স্বামীর মতো মানুষ পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ও একজন অসাধারণ মানুষ। আর এটা আমি বলার জন্য বলছি না। এটা আমি মন থেকে বিশ্বাস করি, মানি।

‘যখন দুটো মানুষ একসঙ্গে থাকবে ভাবে, তারা চায় সেটা সফল হোক। অনেক সময় দুজন মানুষ খুব ভালো হলেও তারা ওই সময় একসঙ্গে থাকার জন্য ঠিক চয়েসটা নয়। সেটাই আমার মনে হয়েছে আমার ক্ষেত্রে হয়েছে। একজন খারাপ মানুষের সঙ্গে না থাকাটা অনেক সহজ। ওই সময় জীবন থেকে চাহিদাগুলো অনেক আলাদা ছিল। ছোট ছিলাম, খুব প্রেমে ছিলাম, মনে হয়েছিল একসঙ্গে থাকতে পারব।’

আমার সাবেক স্বামীর মতো মানুষ পাওয়া মুশকিল: শোলাঙ্কি

‘ইচ্ছেনদী’ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরুর পরই দর্শক ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছিল তাকে। এরপর ‘প্রথমা কাদম্বিনী’, ‘গাঁটছড়া’-র মতো হিট মেগায় দর্শক দেখেছে শোলাঙ্কিকে। কাজ করেছেন বাংলা ওয়েব সিরিজ, বড় পর্দাতেও।

শোলাঙ্কি নিজের ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন। ২০১৮ সালের গোড়ায় স্কুলজীবনের বন্ধু শাক্য বোসকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী। ধুমধাম করে বেঁধেছিলেন গাঁটছড়া।

এরপর বরের হাত ধরে নিউজিল্যান্ড পাড়ি দেন। বছর খানেক পর ফিরে আসেন তিনি, এরপর আস্তে আস্তে কমতে থাকে নিউজিল্যান্ডে যাতায়াত। মাঝে শোনা গিয়েছিল আর একসঙ্গে থাকেন না শোলাঙ্কি-শাক্য। তবে ডিভোর্স নিয়ে এতদিন মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন নায়িকা।

শোলাঙ্কি বলেন, ‘ছোট ছিলাম বলে আবেগের তাড়নায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। হয়ত চাইলেই ওখানে (নিউজিল্যান্ড) গিয়ে কাজ হয়ত করতে পারতাম। কিন্তু আমার ল্যান্ডস্কেপটাই পুরো পালটে যাওয়া। এতদিন কাজ ছাড়া, এটা আমার মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করেছিল। সেই ধাক্কাটা আমি আজ পর্যন্ত সামলে উঠতে পারিনি।’

গত কয়েক বছর ধরেই অভিনেতা সোহম মজুমদারের সঙ্গে শোলাঙ্কির প্রেমের গুঞ্জন তুঙ্গে। তবে নিজেদের ভালো বন্ধু বলেই দাবি করেন তারা। সূত্র: হিন্দুস্তান হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন:
তাপসীর বিয়ে শিগগিরই
‘৩ বছর আগে বন্দি হয়েছিলাম সাধিকার কাছে’, মাহিকে তিরে বিঁধলেন রাকিব
অনুপমকে নিয়ে ট্রলে ক্ষেপেছেন শ্রীময়ী

মন্তব্য

বিনোদন
Taapsees marriage is coming soon

তাপসীর বিয়ে শিগগিরই

তাপসীর বিয়ে শিগগিরই
সবকিছু ঠিক থাকলে ‘ডাঙ্কি’ শাহরুখের মান্নু অর্থাৎ তাপসীর মার্চের শেষ দিকে ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার ম্যাথিয়াস বোয়ের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন।

রাকুলপ্রীত ও জ্যাকির বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বলিউডে বিয়ের সানাই। আসন্ন মার্চেই বিয়ে করছেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু।

সবকিছু ঠিক থাকলে ‘ডাঙ্কি’ শাহরুখের মান্নু অর্থাৎ তাপসীর মার্চের শেষ দিকে ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার ম্যাথিয়াস বোয়ের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন বলে ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রেমের সম্পর্ক তাদের দীর্ঘদিনের। এই জুটির বিয়ে হবে শিখ ও খৃস্টান দুই মতেই। উদয়পুরে হবে এই ‘ফিউশন ওয়েডিং’।

সূত্রের খবর, এটি একটি সম্পূর্ণ পারিবারিক বিয়ে হতে চলেছে। শুধু পরিবারই উপস্থিত থাকবে। আমন্ত্রিতের তালিকায় থাকছেন না বলিউডের প্রথম সারির তারকারা।

জিনিউজ লিখেছে, ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাপসী ও ম্যাথিয়াসের সম্পর্ক। তারা সম্পর্ক গোপন না রাখলেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে চান না তাপসী। বরাবরই তিনি তার জীবন ব্যক্তিগত রাখতেই পছন্দ করেন।

বলিউডে স্পষ্টভাষী হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। কোনো বিতর্ক হোক বা ব্যক্তিগত প্রশ্ন, যেকোনও বিষয়েই কোনও রাখঢাক নয়, সরাসরি নিজের মন্তব্য জানিয়ে দেন তিনি।

যদিও নায়িকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা কথা বলতে শোনা যায় না তাকে। কিছুদিন আগেই বিয়ে প্রসঙ্গে তাপসী বলেন, বিয়ে নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো নেই। তবে সন্তান নেয়ার পরিকল্পনা থেকে আগেই বিয়েটা সারতে চান তারা।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঞ্জাবি পরিবারের মেয়ে তাপসী। আর ম্যাথিয়াস ডেনমার্কের বাসিন্দা। ফলে বিয়েতে পাঞ্জাবি রীতি যেমন মানা হবে, তেমনই থাকবে খ্রিস্টান নিয়মের ছোঁয়া। দুই সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটবে আয়োজনে। সেই কারণেই এই থিমকে বলা হচ্ছে ‘ফিউশন ওয়েডিং’।

খেলা আর বিনোদুনিয়ার তারকাদের ঘর বাঁধার গল্প এখন আর নতুন কিছু নয়। শর্মিলা ঠাকুর-মনসুর আলি খান পতৌদি, যুবরাজ সিং-হেজেল কিচ, বিরাট কোহলি-আনুশকা শর্মা থেকে জাহির খান-সাগরিকা ঘাটগে- উদাহরণ একাধিক। সেই তালিকাতেই হয়তো এবার যুক্ত হতে চলেছে তাপসী আর ম্যাথিয়াসের নাম।

আরও পড়ুন:
‘৩ বছর আগে বন্দি হয়েছিলাম সাধিকার কাছে’, মাহিকে তিরে বিঁধলেন রাকিব
অনুপমকে নিয়ে ট্রলে ক্ষেপেছেন শ্রীময়ী
এক বছর ধরে প্রেম অনুপম-প্রস্মিতার, পরিচয় বহু দিনের

মন্তব্য

বিনোদন
Rakib shot Mahi near Sadhika who was imprisoned 3 years ago

‘৩ বছর আগে বন্দি হয়েছিলাম সাধিকার কাছে’, মাহিকে তিরে বিঁধলেন রাকিব

‘৩ বছর আগে বন্দি হয়েছিলাম সাধিকার কাছে’, মাহিকে তিরে বিঁধলেন রাকিব ফেসবুক থেকে নেয়া ছবি
রাকিব লিখেছেন, ‘এক জ্বীন সাধিকার কাছে প্রায় তিন বছর পূর্বে বন্দি হয়ে তার মন মর্জি মতন চলতে গিয়ে অধিকাংশ সময় নির্ঘুম সারারাত কাটিয়েছি আর নিজের প্রতি কোনো যত্ন নেয়ার সুযোগ না পাওয়ায় নানা অসুখ বিসুখ শরীরে বাসা বেঁধেছে।’

বিচ্ছেদের অনলে পুড়ছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। স্বামী রাকিব সরকারের সঙ্গে ছাড়াছাড়ির ঘোষণা দিয়ে ক্ষণে ক্ষণে যেন জানান দিচ্ছেন, ‘কেউ নেই, কেহ নেই তার’। এবার এই গল্পের পেছনের নায়ক রাকিব এলেন প্রকাশ্যে, মাহিকে বিঁধলেন তীক্ষ্ণ তিরে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে একটি পোস্ট দিয়ে মাহিকে ইঙ্গিত করে তিনি লিখলেন এই বিচ্ছেদের কারণ। পরোক্ষভাবেই আনলেন বেশ কিছু অভিযোগ।

রাকিব লিখেছেন, ‘এক জ্বীন সাধিকার কাছে প্রায় তিন বছর পূর্বে বন্দি হয়ে তার মন মর্জি মতন চলতে গিয়ে অধিকাংশ সময় নির্ঘুম সারারাত কাটিয়েছি আর নিজের প্রতি কোনো যত্ন নেয়ার সুযোগ না পাওয়ায় নানা অসুখ বিসুখ শরীরে বাসা বেঁধেছে।’

এখন ব্যাংককে চিকিৎসা নিচ্ছেন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘তাই ব্যাংককে চিকিৎসার জন্য অবস্থান করছি। এই তিন বছরে অনেকের মনে কষ্ট দিয়েছি, হয়তো ইচ্ছার বিরুদ্ধে। দয়া করে কেউ আমাকে অভিশাপ দিবেন না। দোয়া চাই…(শক্ত দলিল ছাড়া আমি কথা বলি না)।’

আগের দিনও রাকিব লিখেছিলেন কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ কথা। এসব যে মাহিকে নিয়েই লেখা তা স্পষ্ট বোঝা যায় তার কিছু শব্দের ব্যবহারে; যার একটি ‘আস্থ’ মাহিও ব্যবহার করে পোস্ট দেন তার আগের দিন।

ফেসবুকে ঢুঁ মারলেই বোঝা যায়, রাকিব সরকারের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই বড় একা হয়ে গেছেন নায়িকা মাহি। কখনও লিখছেন, ‘একা একা লাগে’, কখনও ছবি দিয়ে বোঝাচ্ছেন তিনি ফের সিঙ্গেল হয়ে গেছেন।

কখনও এরই ধারাবাহিকতায় ‘নিঃসঙ্গতা’ জাপ্টে ধরে মাহি লিখছেন, ‘একটা আস্থার জায়গা হলেই চলবে, একটা মানুষের মতো মানুষ হলেই চলবে, একটুখানি যত্ন নিও ছেলে।’

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাকিব সরকারের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হচ্ছে বলে ঘোষণা দেন তিনি। একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাহি।

মাহি ভিডিওতে বলেন, ‘এ রকম একটা ভিডিও করতে হবে সেটা ভাবিনি। এ রকম আমাদের নিজেদের জন্য এটা বলাটা উচিত। সবার জানা উচিত। আমি আর রকিব আমরা আসলে খুব আন্ডারস্টান্ডিং থেকে বিয়ের সিদ্ধান্তে এসেছিলম। একটা পর্যায়ে মনে হয়েছে দুজন দুজনের জন্য না।’

তিনি বলেন, ‘একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না।’

মাহি বলেন, ‘আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সেপারেশনে যাচ্ছি, সেপারেশনে আছি। সেপারেশন কবে আর কীভাবে হবে সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।’

২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। ২০২১ সালের ২২ মে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিবকে বিয়ে করেন মাহি। তাদের একটি ছেলে রয়েছে। গাজীপুরের ব্যবসায়ী রাকিবেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

আরও পড়ুন:
অনুপমকে নিয়ে ট্রলে ক্ষেপেছেন শ্রীময়ী
এক বছর ধরে প্রেম অনুপম-প্রস্মিতার, পরিচয় বহু দিনের
বিয়ে করছেন শিল্পী অনুপম রায়
একটু আস্থার জায়গা খুঁজছেন মাহি

মন্তব্য

বিনোদন
Srimayi is angry at the trolls about Anupam

অনুপমকে নিয়ে ট্রলে ক্ষেপেছেন শ্রীময়ী

অনুপমকে নিয়ে ট্রলে ক্ষেপেছেন শ্রীময়ী
শ্রীময়ী বলে, এতদিন কাঞ্চনকে বুম্বাদা, শ্রাবন্তীদির সঙ্গে তুলনা করা হত। এবার শুরু হয়েছে অনুপমদাকে নিয়ে। কিন্তু যারা ট্রোল করছেন তাদের এদের জায়গায় পৌঁছনোর মতো যোগ্যতা নেই।

সম্প্রতি বিয়ে নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন ভারতীয় অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজ। তবে ট্রলকে একেবারেই পাত্তা দেননি এই দম্পতি।

নিজেদের বিয়ে নিয়ে ট্রলের জবাব না দিলেও এবার সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায় ও গায়িকা প্রস্মিতা পালের আসন্ন বিয়ে নিয়ে ট্রলকারীদের ওপর ক্ষেপছেন শ্রীময়ী।

এবিপি আনন্দের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

শ্রীময়ী বলেন, ‘এতদিন কাঞ্চনকে বুম্বাদা, শ্রাবন্তীদির সঙ্গে তুলনা করা হতো। এবার শুরু হয়েছে অনুপমদাকে নিয়ে। কিন্তু যারা ট্রল করছেন তাদের এদের জায়গায় পৌঁছানোর মতো যোগ্যতা নেই।

‘ওদের যে জনপ্রিয়তা রয়েছে সেটা ওরা নিজেরা অর্জন করেছেন। ওরা কতবার ভালোবাসবেন, কাকে ভালোবাসবেন, কটা বিয়ে করবেন সেটা নিয়ে এত কথা বলার কী আছে?’

শ্রীময়ী বলেন, ‘ওরা তো মাইক নিয়ে প্রচার করেননি, আবার কাউকে বিরক্তও করেননি। মোবাইলের আড়ালে বসে মন্তব্য করাটা আসলে সোজা। নিজেদের সম্পর্ক, পরিবারে এবার মন দিন।’

ট্রলকারীদের একহাত নিয়ে শ্রীময়ী বলেন, ‘আপনাদের এত আফসোস কেন? আপনি পেলেন না বলে কষ্ট হচ্ছে বুঝি?’

আরও পড়ুন:
এক বছর ধরে প্রেম অনুপম-প্রস্মিতার, পরিচয় বহু দিনের
বিয়ে করছেন শিল্পী অনুপম রায়
আবার বিয়ে করছেন আমির খান?

মন্তব্য

বিনোদন
Legendary musician Pankaj Udas passed away

পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন

পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে সকাল ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি এ সংগীতশিল্পী। ছবি: সংগৃহীত
চলচ্চিত্রের গানে তার অভিষেক হয় ‘হাম তুম অর ও’ ছবির মাধ্যমে। তবে ১৯৮৬ সালে ‘নাম’ ছবিতে তার গাওয়া ‘চিঠঠি আয়ি হ্যায়’ গানটি তাকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়।

ভারতীয় কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৭২ বছর বয়সে সোমবার মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

তার মেয়ে নয়াব উদাস ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে এ খবর জানান।

ওই পোস্টে তিনি বলেন, ‘গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উদাস ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হয়েছেন।’

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে সকাল ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী। তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা ভারতীয় সঙ্গীত জগৎ।

১৯৫১ সালের ১৭ মে গুজরাটের জেটপুরে জন্মগ্রহণ করেন পঙ্কজ উদাস। কেশুভাই উদাস ও জিতুবেন উদাস দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে পঙ্কজ ছিলেন ছোট।

পারিবারিকভাবেই সঙ্গীতে তার হাতেখড়ি হয়। সন্তানের সঙ্গীতের প্রতি উৎসাহ দেখে কেশুভাই তাকে রাজকোটের সংগীত অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দেন।

ছোট্ট পঙ্কজ শুরুতে তবলার প্রশিক্ষণ নিলেও পরবর্তীতে গুলাম কাদির খানের কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নিতে শুরু করেন। এরপর গোয়ালিয়র ঘরানার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নবরং নাগপুরকরের কাছে তালিম নিতে মুম্বাই চলে যান তিনি।

চলচ্চিত্রের গানে তার অভিষেক হয় ‘হাম তুম অর ও’ ছবির মাধ্যমে। তবে ১৯৮৬ সালে ‘নাম’ ছবিতে তার গাওয়া ‘চিঠঠি আয়ি হ্যায়’ গানটি তাকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়। ১৯৯১ সালে ‘সাজন’ ছবির ‘জিয়ে তো জিয়ে’ গানটিও তার কেরিয়ারের অন্যতম হিট।

অনুষ্ঠান, অ্যালবাম, ছবির গানে আশির দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ। তার গাওয়া ‘চান্দি জ্যায়সা রঙ’, ‘না কাজরে কি ধার’, ‘দিওয়ারো সে মিল কর রোনা’, ‘আহিস্তা’, ‘থোড়ি থোড়ি পেয়ার কারো’, নিকলো না বেনকাব’-এর মতো সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। ‘নাশা’, ‘পয়মানা’, ‘হাসরাত’, ‘হামসাফার’-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে।

মন্তব্য

বিনোদন
For a year love Anupam Prasmita has been known for many years

এক বছর ধরে প্রেম অনুপম-প্রস্মিতার, পরিচয় বহু দিনের

এক বছর ধরে প্রেম অনুপম-প্রস্মিতার, পরিচয় বহু দিনের
প্রস্মিতা বললেন, “আমরা দুজনেই গানের জগতের মানুষ। আমরা গানই গাই। তাই পেশাগতভাবে, সহকর্মী হিসেবে আমাদের অনেকদিন ধরেই পরিচয় আছে। কিন্তু সম্পর্ক বলতে এক বছর হয়েছে।”

বসন্তে নতুন প্রেমের ফল্গুধারা। বিয়ে করছেন ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী অনুপম রায়, পাত্রী প্রস্মিতা পাল। তিনিও বাংলা গানের জগতে পরিচিত মুখ।

কীভাবে শুরু প্রেম? পরিচয় কবে থেকে- এসব প্রশ্নের উত্তর প্রস্মিতা সোমবার জানালেন সংবাদ প্রতিদিনকে।

প্রস্মিতা বললেন, “আমরা দুজনেই গানের জগতের মানুষ। আমরা গানই গাই। তাই পেশাগতভাবে, সহকর্মী হিসেবে আমাদের অনেকদিন ধরেই পরিচয় আছে। কিন্তু সম্পর্ক বলতে এক বছর হয়েছে।”

প্রথমবার এক স্টুডিওতেই অনুপমের সঙ্গে দেখা হয়েছিল প্রস্মিতার। সে কথাও জানালেন।

অনুপম এত বড় একজন স্টার। তবে কখনও এই স্টারডম দুজনের সম্পর্ককে প্রভাবিত করেনি বলেই জানালেন প্রস্মিতা।

তার কথায়, “অনুপমকে যে চেনে, সে জানে ও একজন খুব সাধারণ ও ভালো মনের মানুষ। ওর যে এই সেলিব্রিটি সত্ত্বা, স্টারডম সেটা অন্তত ব্যক্তিগত জীবনে নেই। আমার কাছে ও সেই রকম তারকা নয়, আমার কাছে ও সেই মানুষ যাকে আমি বিয়ে করতে চলেছি। খুবই ভালো আর সিম্পল একজন মানুষ। ফলে এটা নিয়ে কখনও সমস্যা হয়নি। আশা করি পরেও হবে না।”

প্রেমের প্রস্তাব কে দিল? আপনি না অনুপম? প্রস্মিতার উত্তর, “সেভাবে প্রেমপ্রস্তাব বলে তেমন কিছু হয়নি। আমরা তো একে অন্যকে অনেকদিন ধরে চিনি। বুঝতে পেরেছিলাম যে একে অপরকে আমরা পছন্দ করছি। কোনো প্রোপোজাল কখনও হয়নি।”

গায়িকা জানান, দুই বাড়ি থেকে এই বিয়েতে কোনো আপত্তিই ছিল না। বরং পরিবারের পক্ষ থেকেই বিয়ের দিন ঠিক করা হয়েছে। আগামী ২ মার্চ রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে সারবেন অনুপম ও প্রস্মিতা।

মন্তব্য

বিনোদন
Mahi is looking for a place of trust

একটু আস্থার জায়গা খুঁজছেন মাহি

একটু আস্থার জায়গা খুঁজছেন মাহি ফেসবুক থেকে নেয়া
ফেসবুকে ঢুঁ মারলেই বোঝা যায়, স্বামী রাকিব সরকারের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই বড় একা হয়ে গেছেন নায়িকা। কখনও লিখছেন, ‘একা একা লাগে’, কখনও ছবি দিয়ে বোঝাচ্ছেন তিনি ফের সিঙ্গেল হয়ে গেছেন।

মৌসুমী ভৌমিক গেয়েছিলেন ‘আস্থা হারানো এই মন নিয়ে আমি আজ তোমাদের কাছে এসে দু হাত পেতেছি’; চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির মনেও কি এখন সেই সুর বেজে চলেছে? অবশ্য তা না হলে কেনই বা আস্থার জায়গা খুঁজে ফিরছেন তিনি!

কদিন ধরেই বিষণ্নতার চাষ করছেন ঢাকাই সিনেমার এই নায়িকা। মনটা ভালো নেই তার। বিচ্ছেদ তো এমনই, তবু কেমন কেমন যেন করে ওঠে বুকের ভেতরটা। হাহাকার জাগে বড্ড বেশি। ক্ষণে ক্ষণে হয়তো ফেসবুকে জানান দিচ্ছেন সে কথাই।

ফেসবুকে ঢুঁ মারলেই বোঝা যায়, স্বামী রাকিব সরকারের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই বড় একা হয়ে গেছেন নায়িকা। কখনও লিখছেন, ‘একা একা লাগে’, কখনও ছবি দিয়ে বোঝাচ্ছেন তিনি ফের সিঙ্গেল হয়ে গেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ছুটির দিনের বিষন্ন দুপুরে ‘নিঃসঙ্গতা’ জাপ্টে ধরে মাহি লিখেছেন, ‘একটা আস্থার জায়গা হলেই চলবে, একটা মানুষের মতো মানুষ হলেই চলবে, একটুখানি যত্ন নিও ছেলে।’

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাকিব সরকারের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হচ্ছে বলে ঘোষণা দেন তিনি। একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাহি।

মাহি ভিডিওতে বলেন, ‘এ রকম একটা ভিডিও করতে হবে সেটা ভাবিনি। এ রকম আমাদের নিজেদের জন্য এটা বলাটা উচিত। সবার জানা উচিত। আমি আর রকিব আমরা আসলে খুব আন্ডারস্টান্ডিং থেকে বিয়ের সিদ্ধান্তে এসেছিলম। একটা পর্যায়ে মনে হয়েছে দুজন দুজনের জন্য না।’

তিনি বলেন, ‘একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না।’

মাহি বলেন, ‘আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সেপারেশনে যাচ্ছি, সেপারেশনে অআছি। সেপারেশন কবে আর কীভাবে হবে সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।’

২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। ২০২১ সালের ২২ মে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিবকে বিয়ে করেন মাহি। তাদের একটি ছেলে রয়েছে। গাজীপুরের ব্যবসায়ী রাকিবেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে কেন ভার্চুয়াল চুমু দিলেন মাহি?
ফেসবুক লাইভে এসে বিজয়ী এমপিকে পরামর্শ দিলেন মাহি
জামানত হারালেন মাহি

মন্তব্য

p
উপরে