× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বিনোদন
Lucky did not reply to Nasir Uddins letter for two months
hear-news
player
print-icon

নাসির উদ্দীনের চিঠির উত্তর ২ মাসেও দিলেন না লাকী

নাসির-উদ্দীনের-চিঠির-উত্তর-২-মাসেও-দিলেন-না-লাকী
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকী। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সৃষ্ট সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ঢাকা থিয়েটারের পক্ষে ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকীকে চিঠি দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ। বৃহস্পতিবার ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি জানান, ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকী সেই চিঠির উত্তর গত মাসে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের (জিটিএফ) টাকা আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামাল বায়েজীদ এবং সম্পাদক (অর্থ) রফিক উল্লাহ সেলিমকে অব্যাহতি দেয়ার খবর জানানো হয়।

যার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কামাল বায়েজীদ ও রফিক উল্লাহ সেলিম।

সৃষ্ট এ সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ঢাকা থিয়েটারের পক্ষে ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকীকে চিঠি দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ।

বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি জানান, ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকী সেই চিঠির উত্তর গত মাসে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

যে চিঠিটি ফেডারেশনের সভাপতিকে দেয়া হয়েছিল, সেই চিঠিটি নাসির উদ্দীন ইউসুফ তার ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন এবং আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘দেশের প্রাণপ্রিয় নাট্যকর্মীবৃন্দ ও নাটকের প্রতি সহানুভূতিশীল নাগরিক বৃন্দ সংযুক্ত পত্র পাঠে দেশের জন্য ও সংস্কৃতির জন্য ফেডারেশনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে সংকট সমাধানে সহযোগিতা করবেন।’

চিঠিতে যা আছে-

প্রিয় সভাপতি জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমের সংবাদ মারফত ঢাকা থিয়েটার অবগত হয় যে বিগত ২২/০১/২০২২ তারিখে কেন্দ্রীয় পরিষদের এক সভায় বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের নির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেল ও বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনে ঢাকা থিয়েটারের প্রতিনিধি সনামধন্য নাট্যসংগঠক ও অভিনেতা কামাল বায়েজীদকে কথিত তহবিল তসরুফ ও অন্যান্য বিধি বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের দায়ে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের জেনারেল সেক্রেটারির পদ থেকে অব্যহতি দিয়েছেন।

ঢাকা থিয়েটারের পর্যবেক্ষণ ও মতামত হচ্ছে যে, কামাল বায়েজীদ একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান নাট্যকর্মী এবং গঠনতান্ত্রিকভাবে তার এই অব্যাহতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।

প্রথমত ঢাকা থিয়েটার বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সদস্য। কামাল বায়েজীদ ঢাকা থিয়েটারের প্রতিনিধিমাত্র। সুতরাং ঢাকা থিয়েটারকে পূর্বেই অবহিত করা সাংগঠনিক পদ্ধতি ও নিয়ম। এবং সেই নিয়ম বা পদ্ধতি মেনে ঢাকা থিয়েটারকে পরামর্শ দেয়া যেত যে আপনাদের প্রতিনিধি ফেডারেশনের বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড করছে এবং তহবিল তসরুফ করেছে সুতরাং তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করুন। ঢাকা থিয়েটার হয়তো ওই অবস্থায় সকল দিক বিবেচনা করে কামাল বায়েজীদকে প্রত্যাহার করত এবং সত্য আবিষ্কারের লক্ষ্যে কামাল বায়েজীদকে তদন্তের মুখোমুখি করত। এখানে উল্লেখ্য যে ঢাকা থিয়েটার বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের অন্যতম উদ্যোক্তা সংগঠন ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। একই সঙ্গে ঢাকা থিয়েটারের প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন ইউসুফ প্রতিষ্ঠাকালীন সেক্রেটারি জেনারেল।

যেহেতু ঢাকা থিয়েটার অর্ধশতাব্দী প্রাচীন নাট্য সংগঠন এবং বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের আঁতুড়ঘরের কর্মী তাই ঢাকা থিয়েটার কখনই ফেডারেশনকে বর্তমানের অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে দিত না।

ফেডারেশনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে ঢাকা থিয়েটার কেন্দ্রীয় পরিষদকে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

১. একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে কামাল বায়েজীদের তহবিল তসরুফের সত্যতা নিরূপণ করুন। দ্রুততম সময়ে কমিটি তদন্তকার্য শেষে রিপোর্ট ও তাদের সুপারিশ কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিত করবে।

২. সাংগঠনিক বিধি লঙ্ঘনসমূহ নির্ণয় করার জন্য আরও একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি (নির্দিষ্ট সময়ের জন্য) গঠন করা। তদন্ত কমিটি সাংগঠনিক ব্যত্যয় সমূহ সুনির্দিষ্ট করবে এবং রিপোর্ট তৈরি করে কেন্দ্রীয় পরিষদে পেশ করবে।

৩. যেহেতু কামাল বায়েজীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণসাপেক্ষ, তাই কামাল বায়েজীদকে তার স্বপদে (সেক্রেটারি জেনারেল) ফেরত নেয়া, তবে তদন্তকালীন কামাল বায়েজীদ কোনো প্রকার নির্বাহী কার্যে অংশ নিতে পারবেন না।

৪. প্রস্তাবিত তদন্ত কমিটিসমূহের রিপোর্ট বা পর্যবেক্ষণগুলো কেন্দ্রীয় কমিটি পর্যালাচনা করে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় সম্মেলন ও কাউন্সিল আহ্বান করে অথবা বিশেষ কাউন্সিল আহ্বান করে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো জাতীয় কাউন্সিলে পেশ করবেন। কাউন্সিলে উপস্থিত সম্মানিত কাউন্সিলরা তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ও সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবেন তাদের নির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেলকে তারা অভিশংসিত করবেন না অব্যাহতি দেবেন।

জনাব সভাপতি, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে এ কথা বলতে পারি যে কামাল বায়েজীদের বিরুদ্ধে কথিত অভিযোগসমূহ যদি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি কর্তৃক প্রমাণিত হয়, তবে ঢাকা থিয়েটার বিনা বাক্যব্যয়ে তদন্ত রিপোর্ট মেনে নেবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাউন্সিল কর্তৃক কামাল বায়েজীদের ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে তা ঢাকা থিয়েটার সানন্দে মেনে নিতে প্রস্তুত থাকবে।

উপরোল্লেখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যাবস্থা নিতে আপনাকে ও ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় পরিষদকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

জয় হোক বাংলা নাটকের।

জয় হোক বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের।

জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

ধন্যবাদান্তে

নাসির উদ্দীন ইউসুফ, ঢাকা থিয়েটার।

আরও পড়ুন:
ঘুষ: নাইকোর সাবেক বাংলাদেশ প্রধানের কারাদণ্ড  
রুবেল-বরকতের জামিন আবেদনে ভুয়া তথ্য দিয়ে গ্রেপ্তার
সেই অধ্যক্ষকে সন্দীপে বদলি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Organized rape of a 9 year old child

৯ বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’

৯ বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’ প্রতীকী ছবি
ওসি আজিজুল হক বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রথমে স্থানীয়ভাবে শালিস হয়। সেখানে তারা নিজেরা মিমাংসার চেষ্টা করেন। মিমাংসা না হলে শিশুর মা থানায় মামলা করেন। এর আগেই আসামিরা পালিয়ে গেছে।’

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ৯ বছরের এক শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার রাত আটটার দিকে দুই জনকে আসামি করে মামলাটি করেন শিশুর মা। শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্রী। আল মাহি নামে এক যুবকের কাছে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ২৯ জুন রাতে শিশুটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, আড়াইহাজার উপজেলার ছনপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে আল মাহি ও আব্দুর রশিদের ছেলে মোহাম্মদ আছলাম।

এজাহারে বলা হয়েছে, শিশুটি ২৯ জুন রাত আটটার দিকে প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল আসামি আল মাহির বাড়িতে। সেখানে অবস্থান করছিল আছলাম নামের এক ছাত্র। পড়ার রুমে শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে মাহি ও আছলাম। পরে তাকে কোরআন শরীফ ছুঁয়ে কসম করানো হয় ঘটনা কাউকে না জানাতে।

শিশুটি রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়িতে ফিরে মাকে ঘটনা জানায়। এরপর বাবাসহ অন্য আত্মীয়রা বিষয়টি জানতে পারেন।

ওসি আজিজুল হক বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রথমে স্থানীয়ভাবে শালিস হয়। সেখানে তারা নিজেরা মিমাংসার চেষ্টা করেন। মিমাংসা না হলে শিশুর মা থানায় মামলা করেন। এর আগেই আসামিরা পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।’

শিশুর মা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনার পরদিন স্থানীয় কয়েকজন আমাদের বাড়িতে মিমাংসা করতে এসেছিলেন। কিন্তু আমি বিচার চাই, তাই মামলা করেছি।’

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
হত্যার পর আবার ধর্ষণ করা হয় শিশুটিকে: যুবকের জবানবন্দি
শিশু ধর্ষণের মামলায় আদালতে কিশোর
নৌকায় ঘুরাতে নিয়ে শিশু ‘ধর্ষণ’

মন্তব্য

বিনোদন
The child was arrested more than once for showing greed for five rupees

পাঁচ টাকার লোভ দেখিয়ে শিশুকে একাধিকবার ‘ধর্ষণ’, আটক

পাঁচ টাকার লোভ দেখিয়ে শিশুকে একাধিকবার ‘ধর্ষণ’, আটক সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক দেলোয়ার। ছবি: সংগৃহীত
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু জানান, শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার সময় দেলোয়ার শিশুটির হাতে পাঁচ টাকার নোট ধরিয়ে দিয়ে বাড়ির পাশে একটি গরুর ফার্মে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে।

ফরিদপুরের সালথায় পাঁচ টাকার লোভ ধরিয়ে সাত বছরের এক শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে মেডিক্যাল পরীক্ষার ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্তের নাম দেলোয়ার হোসেন কুমকুম, বয়স ৫০ বছর।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু জানান, শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার সময় দেলোয়ার শিশুটির হাতে পাঁচ টাকার নোট ধরিয়ে দিয়ে বাড়ির পাশে একটি গরুর ফার্মে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে।

এভাবে গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকবার শিশুটিকে ‘ধর্ষণ’ করা হয়েছে জানিয়ে ওই চেয়ারম্যান বলেন, ‘শিশুটি নিজে আমাকে ঘটনাটি জানায়। বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেলে শুক্রবার রাতে দেলোয়ারকে ধরে মারধর করে ছেড়ে দেয়।’

শিশুটির মা বলেন, ‘স্থানীয় মাতুব্বরেরা ঘটনা মীমাংসা করে দিতে চাইলে তাতে প্রথমে রাজি না হওয়ায় আমার গলায় দেলোয়ার ছুরি ধরে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে ভয়ে আমি মীমাংসা করতে বাধ্য হই, তবে এখন আমি চাই মামলা করতে।’

পরে এ খবরটি স্থানীয় সংবাদকর্মী ও চেয়ারম্যানের মাধ্যমে থানা পুলিশ জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন তারা। পরে শিশুর বয়ান রেকর্ড করে পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত দেলোয়ারকে আটক করে থানায় নেয় পুলিশ।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাদিক বলেন, ‘শিশুকে ধর্ষণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন কুমকুম মিয়াকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুরের বিএসএমএমসি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও মামলা করা হয়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মামলা
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ আটক
মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের পর ‘ধর্ষণ’, যুবক কারাগারে
অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না

মন্তব্য

বিনোদন
Attack on Ratan Siddiquis house 200 300 accused in the case

রতন সিদ্দিকীর বাসায় হামলা: মামলায় আসামি ২০০-৩০০

রতন সিদ্দিকীর বাসায় হামলা: মামলায় আসামি ২০০-৩০০ নাট্যকার-গবেষক ড. রতন সিদ্দিকীর বাসায় হামলার সময় উত্তেজিত লোকজন। ছবি: সংগৃহীত
উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) পার্থ প্রতিম বলেন, ‘অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর উত্তরার বাসায় হামলার অভিযোগে তার স্ত্রী অধ্যাপক ফাহমিদা হক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিনি অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করেছেন।’

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নাট্যকার-গবেষক ও শিক্ষক অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর উত্তরার বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয়ের ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে সে মামলায়।

শুক্রবার উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর স্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদা হক।

মামলার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) পার্থ প্রতিম।

তিনি বলেন, ‘অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর উত্তরার বাসায় হামলার অভিযোগে তার স্ত্রী অধ্যাপক ফাহমিদা হক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিনি অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করেছেন।’

এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় ৫ নম্বর সেক্টরে ৬এ রোডের একটি মসজিদ থেকে শতাধিক মুসল্লি বেরিয়ে রতন সিদ্দিকীর বাসায় হামলা চালায়।

বাসার সামনে মোটরসাইকেল রাখা ও দোকান বসতে না দেয়াকে কেন্দ্র করে হামলা হয় বলে পুলিশ জানায়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রতন সিদ্দিকী জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন।

রতন সিদ্দিকী ২০১৯ সালে বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার বহরে হামলা: এবার আইনজীবীকে হত্যার হুমকি
মসজিদের অর্থের হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব, একজনকে কুপিয়ে হত্যা
দুর্বৃত্তের গুলিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলার সাক্ষ্য শুরু
নৌকার সমর্থকদের বাড়িতে বিজয়ী প্রার্থীর ‘হামলা’

মন্তব্য

বিনোদন
The body of the housewife at the fathers house

বাবার বাড়িতে গৃহবধূর মরদেহ

বাবার বাড়িতে গৃহবধূর মরদেহ প্রতীকী ছবি
দাম্পত্য কলহে বাবার বাড়িতে গলায় ফাঁস নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা পুলিশের। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে চায়না আক্তার নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাবার বাড়িতে গলায় ফাঁস নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা পুলিশের।

শনিবার বেলা ৩টার দিকে সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের বেরুন্ডী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সিংগাইর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোহর আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘চায়না আক্তার সিংগাইর পৌরসভার গোবিন্দল এলাকার জাফর মিয়ার স্ত্রী। শনিবার দুপুরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন চায়না। সেখানে একটি বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় তাকে দেখে থানায় খবর দেন স্বজনরা।

‘তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার জেরে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
তালাবদ্ধ ঘরে গৃহবধূর মরদেহ
নারীকে ‘শ্বাসরোধে’ হত্যা, যুবক আটক
‘তেলাপোকা মারার ওষুধে’ গৃহবধূর মৃত্যু

মন্তব্য

বিনোদন
Money laundering accused Amin Hilali is missing

নর্থ সাউথের অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি ‘নিখোঁজ’

নর্থ সাউথের অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি ‘নিখোঁজ’ আমিন মোহাম্মদ হিলালী। ছবি: সংগৃহীত
পরিবার বলছে, উত্তরার বাসা থেকে শুক্রবার রাতে বের হওয়ার পর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। র‍্যাব, ডিবি, পিবিআই, কয়েকটি থানা ও দুদকে যোগাযোগ করা হলে সবাই জানিয়েছেন যে তাদের হেফাজতে নেই।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি আমিন মোহাম্মদ হিলালীর নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে শুক্রবার রাতে বের হওয়ার পর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা আত্মসাতের মাধ্যমে করা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হিসেবে দুদকের করা মামলার ছয় নম্বর আসামি আমিন মোহাম্মদ হিলালী। তিনি আশালয় হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

আমিন মোহাম্মদ নিখোঁজ হওয়ার কথা উল্লেখ করে তার ভাই রফিকুল ইসলাম হিলালী শুক্রবার রাত ১টায় উত্তরা পশ্চিম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেছেন, ‘আজ (শনিবার) র‍্যাব, ডিবি, পিবিআই, কয়েকটি থানা ও দুদকে যোগাযোগ করা হলে সবাই জানিয়েছেন যে ভাই তাদের হেফাজতে নেই।’

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘১১ নম্বর সেক্টরে আমার বাসা। ভাই আমার বাসাতেই ছিলেন। শুক্রবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে তিনি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। আমার বাসা থেকে অফিস কাছাকাছিই। হেঁটে যেতে ১০ মিনিটের মতো সময় লাগে। কিন্তু তিনি অফিসে যাননি।

‘শুক্রবার রাত ৮টা ২২ মিনিটে ড্রাইভারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ভাই ড্রাইভারকে ১০ মিনিট পর অফিসে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু ড্রাইভার অফিসে গিয়ে দেখেন যে ভাই অফিসে যাননি। তখন ড্রাইভার ফোন দিয়ে দেখেন ভাইয়ের নম্বরটি বন্ধ। ড্রাইভার বিষয়টি আমাকে জানানোর পর থানায় গিয়ে জিডি করলাম।’

রফিকুল ইসলাম জানান, ৮টা ২৯ মিনিটে আমিন মোহাম্মদ হিলালীর শেষ লোকেশন ছিল ১২ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর রোডে। এ জায়গাটির অবস্থান তার অফিস থেকে ২ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে।

আপনারা কাউকে সন্দেহ করছেন কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে সন্দেহ করছি না। কারণ আমাদের জানামতে তার কোনো শত্রু নেই। কারও সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদও হয়নি।’

এ বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াসিন গাজী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমিন হিলালী নিখোঁজ হয়েছেন মর্মে গত রাতে তার ভাই থানায় এসে জিডি করেছেন। এখনও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।’

অর্থ আত্মসাৎ মামলা যেভাবে

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামির তালিকায় আমিন মোহাম্মদ হিলালী ছাড়াও রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদ, বোর্ডের চার সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পাশ কাটিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের কয়েকজন সদস্যের অনুমোদন/সম্মতির মাধ্যমে ক্যাম্পাস উন্নয়নের নামে ৯০৯৬ দশমিক ৮৮ ডেসিমেল জমির দাম ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা বেশি দেখিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে তারা প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা দেন। পরবর্তীতে বিক্রেতার কাছ থেকে নিজেদের লোকের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন এবং পরবর্তীতে নিজেরা ওই এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। অবৈধ ও অপরাধলব্ধ আয়ের অবস্থান গোপনের জন্য ওই অর্থ হস্তান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধও সংঘটন করেন তারা।

আরও পড়ুন:
নর্থ-সাউথের ট্রাস্টি বোর্ডের ৪ সদস্য কারাগারে
নর্থ-সাউথের চার ট্রাস্টিকে পুলিশে দিল হাইকোর্ট
নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ
নর্থ-সাউথে অনিয়ম: রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব
‘দুর্নীতি-জঙ্গিবাদের কবল’ থেকে নর্থ সাউথকে রক্ষার দাবি

মন্তব্য

বিনোদন
Woman beaten in arbitration Accused in jail

সালিশে নারীকে মারধর: কারাগারে আসামি

সালিশে নারীকে মারধর: কারাগারে আসামি গ্রেপ্তার জামাল হোসেন। ছবি: নিউজাবংলা
ওসি আবুল হাশিম বলেন, ‘একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লার মুরাদনগরে নারী মানবাধিকারকর্মীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মুরাদনগর থানায় শনিবার সকালে মামলার পর বিকেলে উপজেলার ত্রিশগ্রাম থেকে জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাশিম জানান, শনিবার সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালতের পরিদর্শক মজিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কুমিল্লার ৮ নম্বর আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মুহাম্মদ ওমর ফারুক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’

গ্রেপ্তার ৩০ বছরের জামাল হোসেনের বাড়ি উপজেলার ত্রিশগ্রামে। মামলার এজাহারভুক্ত ৭ নম্বর আসামি তিনি।

২৮ জুন রাতে নবীপুর (পশ্চিম) ইউনিয়নের কোম্পানীগঞ্জ বাজারে ইউপি চেয়ারম্যানের সালিশে ইন্টারন্যাশনাল লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশনের কর্মী মরিয়ম বেগমকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।

মরিয়ম বলেন, ‘নবীপুর (পশ্চিম) ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি জাকির হোসেনের সামনে তার ভাতিজা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার দেলোয়ার হোসেন দলবল নিয়ে আমার ওপর চড়াও হয়।’

এ ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, দোকানের সামনে কয়েকজন মানুষের জটলা। এর মধ্যে থেকে তিন ব্যক্তি বোরকা পরা এক নারীকে ধরার চেষ্টা করলে তিনি ওই দোকানের ভেতর ঢুকে পড়েন। এ সময় দেলোয়ারের লোকজন তার বোরকা ধরে টানাটানি করতে থাকলে তাদের বাধা দেন জাকির। একপর্যায়ে দেলোয়ার ও তার লোকজন দোকান থেকে ওই নারীকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যান।

শনিবার সকালে মুরাদনগর থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করেছেন মরিয়ম।

আসামিরা হলেন উপজেলার উত্তর ত্রিশগ্রামের মেম্বারের ছেলে ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন, তার ছোট ভাই সুমন সরকার, রাসেল মিয়া, সুধন মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া, হাসু মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়া, তবদল মিয়ার ছেলে রনি মিয়া, লতু মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।

যদিও ঘটনার পর থানায় গেলেও পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা না নেয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।

ওসি আবুল হাশিম বলেন, ‘একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসমিরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পুরুষশূন্য বিয়েবাড়ি
কিশোরীকে উঠিয়ে আনতে গিয়ে পিটুনির শিকার, আহত যুবকের মৃত্যু
পরীক্ষা চলাকালীন ৩ ছাত্রকে ‘পেটালেন’ নিরাপত্তা প্রহরী
ভাই-বোনকে মারধরের ঘটনায় মামলা
বোনকে ‘উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায়’ ভাইকে মারধর, আটক ২

মন্তব্য

বিনোদন
The body was wrapped around the neck of the daughter in law at the councillors house

কাউন্সিলরের বাসায় পুত্রবধূর গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ

কাউন্সিলরের বাসায় পুত্রবধূর গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ
পাহাড়তলী থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা সকালে বাসার খাটে মরদেহটি পেয়েছি। নিহতের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল, তবে শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বশুরবাড়ির লোকের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।’

চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে স্থানীয় এক কাউন্সিলরের বাসা থেকে তার পুত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মধ্যম সরাইপাড়ার আমিন ভবন থেকে শনিবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

২২ বছর বয়সী নিহত রেহনুমা ফেরদৌস সরাইপাড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আমিনের ছেলে নওশাদ আমিনের স্ত্রী। রেহনুমার বাবা তারেক ইমতিয়াজ ইমু আলকরন ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা সকালে বাসার খাটে মরদেহটি পেয়েছি। নিহতের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল, তবে শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বশুরবাড়ির লোকের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

‘এখনও রেহনুমার পরিবার থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি রেহনুমার পরিবারের।

তার বাবা তারেক বলেন, ‘বিয়ের পর থেকে যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে তারা আমার মেয়েকে মানসিক নির্যাতন করত। কয়েকবার পারিবারিকভাবে বৈঠক করে এটা সমাধানের চেষ্টা করেছি আমরা।

‘এমনকি গত ঈদের তিন দিন পর সর্বশেষ বৈঠকটা করেন সাবেক সিটি মেয়র নাছির ভাই। তার পরও ওরা আমার মেয়েকে নির্যাতন করত। এটা পরিকল্পিত হত্যা, আমরা মামলা করব।’

এ বিষয়ে কাউন্সিলর নুরুলকে একাধিকবার ফোন দিয়েও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
নদীতে ভাসছিল যুবলীগ নেতার বস্তাবন্দি মরদেহ
প্রবাসীর বাড়িতে ব্যবসায়ীর মরদেহ
মোবাইল হাতিয়ে নিতে কৌশলে ডেকে বন্ধুকে খুন
মহাসড়কের পাশে তরুণীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মন্তব্য

p
উপরে