× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বিনোদন
Shakib Khan was shocked and shocked
hear-news
player

ব্যথিত, বিস্মিত ও হতবাক শাকিব খান

ব্যথিত-বিস্মিত-ও-হতবাক-শাকিব-খান গলুই সিনেমার দৃশ্যে শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত
“অতীতে বিকল্পব্যবস্থায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী হয়েছে! সেই সব চলচ্চিত্র প্রদর্শনে প্রশাসন সহায়তা করেছে। তাহলে ‘গলুই’ বিকল্পব্যবস্থায় প্রদর্শন হতে সমস্যা কোথায়?”

জামালপুরে প্রেক্ষাগৃহ না থাকায় বিকল্প পদ্ধতি অর্থাৎ অডিটরিয়ামে গলুই সিনেমা প্রদর্শন শুরু করেন সিনেমাটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সরকারি অনুদান পাওয়া এস এ হক অলিক পরিচালিত সিনেমাটি অডিটরিয়ামে প্রদর্শন করতে নিষেধ করেছে জেলা প্রশাসন।

প্রশাসন বলছে, বাণিজ্যিকভাবে সিনেমা প্রদর্শন করতে হলে লাইসেন্স করা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শন করতে হবে। যেহেতু অডিটরিয়াম বাণিজ্যিকভাবে সিনেমা প্রদর্শনের লাইসেন্স করা কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, তাই সেখানে সিনেমা প্রদর্শন করা যাবে না।

এ নিয়ে গত পরশুদিন থেকে আলোচনা-সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সংবাদমাধ্যমগুলোও সরগরম বিষয়টি নিয়ে।

এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকা থেকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন শাকিব খান। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন শাকিব খান।

তার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হলো-

করোনায় গত দুই বছর দেশের চলচ্চিত্র অনেকটাই থমকে ছিল। এবারের ঈদে ভালোমানের চলচ্চিত্রের মুক্তিতে গতি আসা শুরু করছিল। সবাই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও দেখছিলেন। প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী কলাকুশলী থেকে শুরু করে সিনেমা হল মালিক- প্রত্যেকের তাই দৃষ্টিই ছিল ঈদের চলচ্চিত্রের দিকে।

মুক্তির প্রথমদিন থেকেই আমার অভিনীত দুটি চলচ্চিত্র ‘গলুই’ ও ‘বিদ্রোহী’র হল রিপোর্টও দারুণ পাচ্ছিলাম। বিশেষ করে ‘গলুই’-এর দর্শকপ্রিয়তা শুরু থেকেই ছিল অন্য রকম ভালো লাগার।

সুস্থ ধারার এই চলচ্চিত্র দেখতে মানুষ পরিবার নিয়ে আবার সিনেমাহল মুখী হয়েছেন; সংশ্লিষ্ট সবাইও তেমনটাই বলছিলেন। সব শ্রেণির দর্শক থেকে ইতিবাচক সব প্রতিক্রিয়া পাচ্ছিলাম। এমনকি দেশের প্রতিষ্ঠিত সব গণমাধ্যমেও সেই খবর উঠে আসছিল।

নতুন প্রজন্ম সরকারি অনুদানে তৈরি ‘গলুই’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নতুন করে আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারছিল; যা আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছিল।

কারও হয়তো অজানা নয় যে, ‘গলুই’ এর বেশির ভাগ শুটিং জামালপুর জেলায় হয়েছে। ফলে অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে ‘গলুই’ নিয়ে সেখানকার মানুষের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি থাকবে- এটাই স্বাভাবিক। অথচ এই জেলা শহরে নেই কোনো সিনেমা হল! বাধ্য হয়ে ‘গলুই’-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জেলা শিল্পকলাসহ তিনটি মিলনায়তনে ঈদের দিন থেকে চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেন। এসব মিলনায়তনে দর্শকেরও উপস্থিতি ছিল উপচে পড়া।

একের পর এক সিঙ্গেল স্ক্রিন বন্ধ হওয়ার এই সংকটকালে জামালপুরে বিকল্পব্যবস্থায় ‘গলুই’ মুক্তির বিষয়টি সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে, যা হতে পারত সিনেমাহল হীন অন্য জেলা কিংবা উপজেলা শহরগুলোর জন্য দৃষ্টান্ত। বাস্তবে ঘটল উল্টোটা! বাধ সাদল জামালপুর জেলা প্রশাসন! সিনেমাপ্রেমীদেরও মন ভেঙে গেল।

নানা মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, শত বছর আগের তৈরি ‘সিনেমাটোগ্রাফ অ্যাক্ট’-এর দোহাই দিয়ে মিলনায়তনগুলোতে ‘গলুই’-এর প্রদর্শনী বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যা শুধু আমাকে ব্যথিত করেনি, বরং বিস্মিত ও হতবাক করেছে। ‘গলুই’ চলচ্চিত্রটি যখন সাধারণ মানুষ সানন্দে গ্রহণ করেছেন, পরিবার নিয়ে দেখছেন; তখন এর প্রদর্শনী বন্ধের খবরে চলচ্চিত্রের প্রত্যেকটি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষেরাও প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছেন।

অতীতে বিকল্পব্যবস্থায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী হয়েছে! সেই সব চলচ্চিত্র প্রদর্শনে প্রশাসন সহায়তা করেছে। তাহলে ‘গলুই’ বিকল্পব্যবস্থায় প্রদর্শন হতে সমস্যা কোথায়?

চলচ্চিত্রের সোনালি অতীত ফিরিয়ে আনতে সরকারের নানামুখী পরিকল্পনার কথা শুনে আসছি। সিনেমা হল মালিকদের স্বল্পসুদে ঋণ দেয়া, সুস্থ ধারার চলচ্চিত্রের সঠিক প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা, সিনেমা নির্মাণে বড় অনুদানসহ সরকারের বেশকিছু পরিকল্পনা হয়তো এখন বাস্তবায়নের পথে। একই সঙ্গে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও চলচ্চিত্র উন্নয়নের আশ্বাস সব সময়ই দিয়ে থাকেন। আর সেই সময় যখন ব্রিটিশ আমলে তৈরি চলচ্চিত্র স্বার্থবিরোধী আইন দিয়ে পথ রোধ করা হয়, তখন বিষয়টি হয়ে ওঠে সাংঘর্ষিক। এমন অবস্থা বিরাজমান থাকলে বাংলা চলচ্চিত্র দিয়ে বিশ্বজয় করা তো দূরে থাক, এগিয়ে যাওয়াই অসম্ভব!

আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতায় শিগগির জামালপুরসহ যেসব জেলায় সিনেমা হল নেই, সেখানকার মিলনায়তনগুলোতে সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘গলুই’ এর মতো সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র দেশের মানুষকে উপভোগ করার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
মে দিবসে শুটিংকর্মীদের শাকিবের শ্রদ্ধা
ঈদ হোক মুক্তি প্রতীক্ষিত সকল সিনেমাময়: শাকিব
নববর্ষের রং লাগুক সবার মনে: শাকিব খান
ইন্ডাস্ট্রির প্রয়োজনে সব ধরনের কাজই করতে হয়: শাকিব খান
শুধু গ্রিন কার্ড নিতে নয়, দেশ-চলচ্চিত্র নিয়ে এসেছি: শাকিব

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Riaz has become crooked with the weight of fish

মাছের ওজনে বাঁকা হয়ে গেছেন রিয়াজ

মাছের ওজনে বাঁকা হয়ে গেছেন রিয়াজ মাছ হাতে রিয়াজ ও পেছনে তার স্ত্রী-কন্যা। ছবি: সংগৃহীত
পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে রিয়াজ লিখেছেন, ‘আমাদের এবারের ছুটির বাড়তি পাওয়া এই বিশাল মনস্টার কার্প (কাতল), এই সাইজের মাছ এখন বেশ বিরল। মাছটি ল্যান্ডিং করানো কঠিন ছিল।

মাছ ধরে রাখতে গিয়ে বাঁকা হয়ে গেছেন অভিনেতা রিয়াজ। মাছের ওজন ঠিক কত, তা জানাননি তিনি। তবে ধরে রাখতে গিয়ে যে বাঁকা হয়ে যাচ্ছেন তা জানিয়েছেন নিজেই।

সোমবার নিজের ফেসবুকে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন এ অভিনেতা। সেখান থেকেই জানা গেল তিনি মাছ শিকার করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি অনেক বড় একটি মাছ ধরেন।

পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে রিয়াজ লিখেছেন, ‘আমাদের এবারের ছুটির বাড়তি পাওয়া এই বিশাল মনস্টার কার্প (কাতল), এই সাইজের মাছ এখন বেশ বিরল। মাছটি ল্যান্ডিং করানো কঠিন ছিল।

‘কারণ আমার মাছ তোলার নেটের থেকে এটার আকার বড়। শেষে পানিতে নেমে মিনার ভাই এটাকে অনেক কসরত করে ডাঙায় তোলেন।’

রিয়াজের মাছ শিকারে সঙ্গী হয়েছিলেন স্ত্রী-কন্যা। রিয়াজ আরও লেখেন, ‘প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি ছুটে গেল। ধন্যবাদ তিনা ও আমিরা, রোদে পুড়ে আমাকে সময় দেয়ার জন্য। আর ওজন? আমি নিজেই বাঁকা হয়ে আছি।’

আরও পড়ুন:
সাফল্য-ব্যর্থতার মাপকাঠি কী?
শ্বশুরের জন্য দোয়া চাইলেন রিয়াজ
করোনায় চলে গেলেন সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন
সিলেট সিটি করপোরেশনের টাকায় চামড়া প্রক্রিয়াজাত
‘ছোট্ট মেয়েটা বুকে আসতে না পেরে সারাক্ষণ দোয়া করেছে’

মন্তব্য

বিনোদন
KGF famous Yashs father still runs the bus

এখনও বাস চালান ‘কেজিএফ’ খ্যাত যশের বাবা

এখনও বাস চালান ‘কেজিএফ’ খ্যাত যশের বাবা অভিনেতা যশ ও তার পরিবার। ছবি: সংগৃহীত
পরিচালকের মতে, ছেলে সুপারস্টার হওয়ার পরেও বাবা যে নিজের পরিচয় ভোলেননি, এটা অনেক অনুপ্রেরণার।

এক মাস পার হয়ে গেছে কেজিএফ চ্যাপ্টার টু এর মুক্তির, এরই মধ্যে বক্স অফিসে হাজার কোটির ব্যবসা করে ফেলেছে সিনেমাটি। দক্ষিণী অভিনেতা যশ রীতিমতো আইকন হয়ে উঠেছেন সিনেমায় অভিনয় করে।

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে যশ। সাফল্য যা এসেছে তার দীর্ঘ পরিশ্রমের ফলেই। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, তার বাবা পেশায় বাস ড্রাইভার ছিলেন।

কিন্তু সম্প্রতি জানা গেছে, ছেলে সুপারস্টার হওয়া সত্ত্বেও চাকরি ছাড়েননি যশের বাবা অরুণ কুমার। এখনও বাস ড্রাইভার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছেন পরিচালক এস এস রাজামৌলি।

রাজমৌলির বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘শুনেছি, যশের বাবা নাকি বাসচালক। আজও নাকি তিনি চাকরি ছাড়েননি। আমার মতে, তিনিই আসল স্টার। যশের চেয়েও তার কৃতিত্ব বেশি।’

পরিচালকের মতে, ছেলে সুপারস্টার হওয়ার পরেও বাবা যে নিজের পরিচয় ভোলেননি, এটা অনেক অনুপ্রেরণার।

১৯৮৬ সালের ৮ জানুয়ারি কর্নাটকের মাইসুরে জন্ম নবীন কুমার গৌঢ়া ওরফে যশের। তার বাবা অরুণ কুমার পেশায় বাসচালক; আর মা পুষ্পা রানী গৃহবধূ। সিনেমায় সুযোগ পাওয়ার জন্য মাত্র ৩০০ রুপি পকেটে নিয়ে ঘর ছেড়েছিলেন যশ।

আরও পড়ুন:
অডিটোরিয়ামে ‘গলুই’ প্রদর্শনের মৌখিক অনুমতি মিলেছে
বিদেশের ১১২ হলে ‘পাপ পুণ্য’
সর্বোচ্চ আয়ে তৃতীয় ‘কেজিএফ টু’
বক্সঅফিস দাপিয়ে ওটিটিতে আসছে ‘কেজিএফ টু’
হাজার কোটি ক্লাবের চতুর্থ ভারতীয় সিনেমা ‘কেজিএফ টু’

মন্তব্য

বিনোদন
The race broke all previous streaming records

আগের সব স্ট্রিমিং রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ‘দৌড়’

আগের সব স্ট্রিমিং রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ‘দৌড়’ দৌড় ওয়েব সিরিজের দৃশ্যে ইন্তেখাব দিনার (বাঁয়ে) ও মোশাররফ করিম। ছবি: সংগৃহীত
দৌড় এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসায় ভাসছেন মোশাররফ করিম। দৌড়ের রেকর্ড সংখ্যক ভিউয়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিরিজের পরিচালক রায়হান খান, দৌড় এর পুরো টিম আর হইচই-কে আমার কৃতজ্ঞতা। দর্শকদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ।’

রোজার ঈদে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই-তে মুক্তি পায় মোশাররফ করিম অভিনীত ওয়েব সিরিজ দৌড়। বাংলাদেশ থেকে প্রকাশ করা কনটেন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বার স্ট্রিমিং করা হয়েছে সিরিজটি।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে হইচই জানায়, দৌড় হইচই বাংলাদেশের রিলিজ করা সিরিজ গুলোর মধ্যে প্রথম সাত দিনের আগের সব স্ট্রিমিং রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে।

দৌড় এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসায় ভাসছেন মোশাররফ করিম। দৌড়ের রেকর্ড সংখ্যক ভিউয়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঈদ আমাদের কাছে সব সময়েই বিশেষ। দৌড় এর রেকর্ড ভিউ উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সিরিজের পরিচালক রায়হান খান, দৌড় এর পুরো টিম আর হইচই-কে আমার কৃতজ্ঞতা। দর্শকদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ।’

দৌড় সিরিজে রুহুল আমিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। আরও আছেন তারিক আনাম খান, ইন্তেখাব দিনার, শাহেদ আলী সুজন, ইরফান সাজ্জাদ, তাসনুভা তিশা, স্বগত এবং উজ্জ্বল মাহমুদ।

দৌড় এর গল্পে দেখা যায়, সকাল বেলা জরুরি কাজে বের হতে গিয়ে রুহুল আমিন জানতে পারে তার গাড়িটি চুরি হয়েছে। সে কাছর থানায় যোগাযোগ করে। এদিকে তার ম্যানেজার তাকে জানায় যে গাড়িতে কিছু বেআইনি এবং গোপন কাগজ আছে।

রুহুল আমিন তার একজন নিজস্ব লোককে গাড়িটি পুলিশের হাতে পড়ার আগেই পুড়িয়ে দিয়ে সব প্রমাণ নষ্ট করার নির্দেশ দেয়।

এরই মধ্যে রুহুল আমিনের স্ত্রী অহনা জানায় তাদের ছেলে সায়ানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং সায়ান সম্ভবত খেলতে খেলতে গাড়ির ট্র্যাঙ্কে আটকা পড়েছে।

এদিকে রুহুল আমিন যাদের বলেছিল গাড়ি পুড়িয়ে দিতে, তাদের আর ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। এখন ছেলেকে বাঁচাতে হলে রুহুল আমিনকে নিজের লোক আর পুলিশের আগে গাড়িটি খুঁজে বের করার দৌড়ে নামতে হবে।

আরও পড়ুন:
মোশাররফ করিমের বিরুদ্ধে মামলা
‘মহানগর’-এর ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রসেনজিৎ
ঢাকায় এক রাতের সাত ঘণ্টার গল্প ‘মহানগর’
মোশাররফ কবে আসছেন হইচইতে, জানা যাবে ১৯ জুন
কলকাতার নতুন সিনেমায় গ্যাংস্টার মোশাররফ

মন্তব্য

বিনোদন
Selim chanchal name sold out after hearing Siam

সেলিম-চঞ্চল নাম শুনেই বিক্রি হয়ে গেছি: সিয়াম

সেলিম-চঞ্চল নাম শুনেই বিক্রি হয়ে গেছি: সিয়াম সংবাদ সম্মেলনে সিয়াম আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
সিয়াম আরও বলেন, ‘মনপুরা সিনেমাটি আমি আমার বাবা-মাকে নিয়ে দেখেছিলাম। সেই সিনেমার অভিনয়শিল্পী, সেই সিনেমার পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা যে কত স্পেশাল, সেটা বোঝানো যাবে না।’

“গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত এবং চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত, এতটুকু শুনেই পাপ পুণ্য সিনেমার জন্য নিজেকে বিক্রি করে দিয়েছি। পরে যুক্ত হলেন আফসানা মিমি। আমরা যারা ‘নাইন্টিজ কিডস’ তাদের কাছে মিমি আপা মানে অন্যরকম কিছু, বিশেষ করে তার হাসি।”

পাপ পুণ্য সিনেমায় যুক্ত হওয়ার কারণ হিসেবে এসব কথা বলেন অভিনেতা সিয়াম। ২০ মে সিনেমাটি দেশ ও দেশের বাইরে মুক্তি পাচ্ছে। সে উপলক্ষে সোমবার দুপুরে চ্যানেল আই ভবনে ছিল সংবাদ সম্মেলন।

আয়োজনে সিয়াম আরও বলেন, ‘মনপুরা সিনেমাটি আমি আমার বাবা-মাকে নিয়ে দেখেছিলাম। সেই সিনেমার অভিনয়শিল্পী, সেই সিনেমার পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা যে কত স্পেশাল, সেটা বোঝানো যাবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মামুনুর রশীদ, আফসানা মিমি, শাহনাজ সুমি, চঞ্চল চৌধুরী এবং সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন।

সেলিম-চঞ্চল নাম শুনেই বিক্রি হয়ে গেছি: সিয়াম
পাপ পুণ্য সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমায় মামুনুর রশীদ অভিনয় করেছেন জনপ্রতিনিধির চরিত্রে। তিনি বলেন, ‘গিয়াস উদ্দিন সেলিমের মনপুরা সিনেমায় কাজ করেছিলাম। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছি। তাই সেলিমের সিনেমা শুনে আর না করিনি। কাজ তো করে ফেলেছি, এখন দর্শকদের দেখার পালা।’

পাপ পুন্য সিনেমার মাধ্যমে অনেক দিন পর অভিনয়ে এবং বড় পর্দায় ফিরলেন অভিনেত্রী আফসানা মিমি। তিনি বলেন, ‘সিনেমাটি আমার ফেরার জন্য ভালো একটি সুযোগ বলে মনে করেছি। সিনেমাটির পরিচালক আমার বন্ধু। তার প্রথম লেখায় কাজ করেছি, তার প্রথম পরিচালনাতেও কাজ করেছি। চঞ্চল যখন কাজ শুরু করেছে তখন আমি কিছুটা আড়ালে চলে গেছি। তার সঙ্গেও কাজ করার সুযোগ পাওয়া গেল এ সিনেমার মাধ্যমে। সিনেমায় চঞ্চল ও আমার সম্পর্কটা অনেক জটিল, তাই আমাদের অনেক ভালো ভালো দৃশ্য রয়েছে। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে।’

সেলিম-চঞ্চল নাম শুনেই বিক্রি হয়ে গেছি: সিয়াম
পাপ পুণ্য সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রের লুক। ছবি: সংগৃহীত

অভিনেত্রী শাহনাজ সুমি জানান, শুটিং সেটে সবাই তাকে অনেক সাহায্য করেছেন, তাই সেখানে কোনো অসুবিধাই হয়নি। তবে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার আগে তাকে কেউ সাহায্য না করায় তিনি অনেক নার্ভাস। তাই বেশি কথা বাড়াননি তিনি।

চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘সেলিম ভাই এবং আমি অনেক কাজ করেছি। তার সঙ্গে আমার রসায়নটাই অন্যরকম। পাপ পুণ্য সিনেমার গল্পটা অসাধারণ। আমি তো সেলিম ভাইকে শুটিং সেটে বলেছিলাম, মনপুরার পরপরই এ সিনেমাটি করে ফেলা দরকার ছিল।’

সেলিম-চঞ্চল নাম শুনেই বিক্রি হয়ে গেছি: সিয়াম
পাপ পুণ্য সিনেমার সিয়াম ও সুমি। ছবি: সংগৃহীত

নিজের চরিত্র নিয়ে চঞ্চল বলেন, ‘আমার করা চরিত্রটি বেশ বয়সী। এটাই আমার চ্যালেঞ্জ। আমি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে কাজ করতেও পছন্দ করি।’

দর্শকদের উদ্দেশ করে চঞ্চল জানান, দর্শকরা সিনেমা দেখলেই সিনেমাশিল্প এগিয়ে যাবে। আর চঞ্চল তার অভিনীত কোনো সিনেমাতেই দর্শকদের নিরাশ করেননি। এ সিনেমায়ও নিরাশ করবেন না বলে আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুন:
বিদেশের ১১২ হলে ‘পাপ পুণ্য’
‘মুজিব’-এর পোস্টার প্রকাশ
ওয়েব সিনেমায় আহমেদ রুবেল
ওয়েব সিনেমায় পুলিশকন্যা সুপ্রভাত
ঈদুল ফিতরে আসছে দুই সিনেমা

মন্তব্য

বিনোদন
Why investors are leaning towards multiplexes

বিনিয়োগকারীরা কেন মাল্টিপ্লেক্সে ঝুঁকছেন

বিনিয়োগকারীরা কেন মাল্টিপ্লেক্সে ঝুঁকছেন সনি সিনেমা হলের আগের ছবি (বায়ে), সিনেপ্লেক্স হওয়ার পরের ছবি (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত
সিঙ্গেল স্ক্রিনে বড় ভবন প্রয়োজন হয়, অথচ সিনেমা দেখা ছাড়া তাতে আর কোনো কর্মকাণ্ড থাকে না। তাই এখন মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ করতে বিনিয়োগকারী বা হল মালিকদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। এতে একই হলে অনেকগুলো ছবি প্রদর্শন করা যায়। ফুডকোর্ট ও শপিংমল থেকেও বাড়তি আয় হয়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেমন সিনেমা বদলেছে, তেমন বদলাচ্ছে সিনেমা প্রদর্শন ব্যবস্থা। ৩৫ মিলিমিটারের ফিল্মের দিন শেষ হয়েছে; এখন সিনেমা নির্মিত হয় ডিজিটাল ফরম্যাটে। স্বাভাবিকভাবেই এখন আর কোনো কাজেই লাগছে না ৩৫ মিলিমিটার ফিল্মের প্রজেক্টর। ডিজিটাল প্রজেক্টরেই সিনেমা দেখানো হচ্ছে সবখানে। একই সঙ্গে সাউন্ড মেশিনেও এসেছে আমূল পরিবর্তন।

প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সিঙ্গেল স্ক্রিন বা এক-পর্দার প্রেক্ষাগৃহের কদর কমেছে। এক-পর্দার সিনেমা হলের চেয়ে বহু পর্দাবিশিষ্ট মাল্টিপ্লেক্সের দিকে ঝুঁকছেন প্রদর্শকরা। তারা বলছেন, এতে মুনাফা বেশি।

বৃহস্পতিবার সিনেমা হল সংস্কার ও নতুন হল নির্মাণে ঋণ সুবিধাপ্রাপ্তি নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ৫০টি মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছে। রাজধানীতে ইতোমধ্যে তাদের পাঁচটি শাখা চালু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘মুনাফা না হলে তো স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ এতগুলো শাখা খোলার পরিকল্পনা করত না।’

সিঙ্গেল স্ক্রিনের মতো বড় স্থাপনায় একজন হল মালিককে শুধু সিনেমা প্রদর্শনের আয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু মাল্টিপ্লেক্স সংস্কৃতিতে আয় হয় নানামুখী। পাঁচ তলা একটি ভবনে নানা রকম বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকে, সেখান থেকে আয় হয় মালিকের। পাশাপাশি সিনেমা হল থাকলে সেটিও একটি আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করে।

সিঙ্গেল স্ক্রিন থেকে সিনেপ্লেক্স করার পর মুনাফা বেড়েছে বগুড়া মধুবন সিনেমা হল মালিকের। এটির মালিক আর এস ইউনুস বলেন, ‘আমি এখন শুধু সিনেমা হলের আয়ের ওপর নির্ভর করি না। আমার বাণিজ্যিক ভবনে অনেকগুলো দোকান আছে, সেখান থেকে ভাড়া পাই। সেখানে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রচারণার জন্য আসে, সেখান থেকে একটা আয় আছে। সিনেমা হলের পাশাপাশি ফুডকোর্ট আছে, সেখান থেকেও ইনকাম হয়। আর সিনেমা হল তো আছেই।’

সিঙ্গেল স্ক্রিনে বড় ভবন প্রয়োজন হয়, অথচ সিনেমা দেখা ছাড়া তাতে আর কোনো কর্মকাণ্ড থাকে না। তাই এখন মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ করতে বিনিয়োগকারী বা হল মালিকদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।

সিঙ্গেল স্ক্রিনে সাধারণত আসনসংখ্যা অনেক বেশি থাকে। বলাকা, মধুমিতার মতো বড় সিনেমা হলগুলোয় ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ আসন পর্যন্ত রয়েছে। কিন্তু এখন প্রেক্ষাপট পাল্টে গেছে। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকসংখ্যা কমেছে। তাই অধিকাংশ আসন ফাঁকা পড়ে থাকে।

সিরাজগঞ্জের রুটস সিনেক্লাবের চেয়ারম্যান সামিনা ইসলাম নীলা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার প্রেক্ষাগৃহে ২২টি সিট। এখানে ১০-১২ জন দর্শক হলেই আমার হয়ে যায়। কিন্তু যাদের ৭০০ বা ৮০০ সিটের প্রেক্ষাগৃহ, তাদের ১০০ দর্শক হলেও কাজ হয় না। এখন অল্প সিটের প্রেক্ষাগৃহই বেশি কার্যকর।’

সিনেপ্লেক্সের আকার ও আয়তন একটু ছোট হওয়ায় একটি সিঙ্গেল স্ক্রিনের জায়গায় সর্বোচ্চ তিনটি স্ক্রিন নির্মাণ করা যায়। একেকটি স্ক্রিনে একেক ধরনের সিনেমা প্রদর্শন করা সম্ভব। এতে করে দর্শকও ভিন্ন ভিন্ন সিনেমা দেখার সুযোগ পান এবং বিভিন্ন ধরনের দর্শক বিভিন্ন রকম সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে আসতে আগ্রহী হন। এতে দর্শক সমাগম বাড়ে।

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে ব্লকবাস্টার সিনেমাসের জাহিদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘যে যেখানেই সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করুক না কেন, আমার পরামর্শ থাকবে, একসঙ্গে তিনটি স্ক্রিন করার জন্য। এতে করে একসঙ্গে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন সিনেমা প্রদর্শন করা সম্ভব এবং দর্শক সমাগমও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসনসংখ্যা ১০০ থেকে ২৫০ বা ৩০০-এর মধ্যে রাখতে হবে। একটি প্রেক্ষাগৃহে সর্বোচ্চ ৩০০ থাকল, আরেকটিতে রাখতে হবে সর্বনিম্ন ১০০। এতে করে যখন কোনো সিনেমায় দর্শকচাপ বেশি থাকবে, তখন ৩০০ সিটের প্রেক্ষাগৃহে দেখানো যাবে। আবার যখন দর্শকের চাপ কমে আসবে, তখন ১০০ সিটের প্রেক্ষাগৃহে সেটি দেখানো যাবে।’

সিনেমা হলে ভালো পরিবেশ চান দর্শকরা। ফ্যানের বদলে এখন সবাই এসি রুমে বসে সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন। প্রযুক্তির কারণে সিনেমায় রং বিন্যাস ও শব্দের ব্যবহারে এসেছে আমূল পরিবর্তন। আগেকার সিঙ্গেল স্ক্রিনের প্রেক্ষাগৃহের অধিকাংশতেই নেই এসি, ভালো প্রজেক্টর ও পর্দা এবং সময়োপযোগী সাউন্ড সিস্টেম।

দর্শককে সময়োপযোগী সিনেমার আসল আনন্দ দিতে চান হল মালিকরাও। তাই তারা সিনেমা প্রদর্শনের পুরোনো সিঙ্গেল স্ক্রিনের ধারণা থেকে বের হয়ে এসে নির্মাণ করতে চাইছেন মাল্টিপ্লেক্স।

এর সঙ্গে আরও একটি বড় কারণ যুক্ত হয়েছে সম্প্রতি। সেটি হলো বিদেশি সিনেমা প্রদর্শনের সুযোগ।

পরিচালক, প্রযোজক ও হল মালিক গোলাম কীবরিয়া লিপু বলেন, ‘দেশের যেকোনো সিনেমা হল ২৫ শতাংশ ইংরেজি সিনেমা প্রদর্শন করার অধিকার রাখে। কিন্তু সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলোয় বিদেশি সিনেমা যে ফরম্যাটে প্রদর্শন করতে হয়, সেই ফরম্যাটের প্রজেক্টর ও সাউন্ড সিস্টেম নেই। সিনেমা হল বাঁচানোর জন্য ইংরেজি সিনেমার পাশাপাশি ভারতীয় সিনেমাও প্রয়োজন। সেই সিনেমা প্রদর্শন করতে গেলেও আধুনিক সিনেমা প্রদর্শন ব্যবস্থা প্রয়োজন। তাই সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা জরুরি। এতে করে সিনেমা হল টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে এবং প্রধানমন্ত্রী যে ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল দিয়েছেন, সেখান থেকেও ঋণ নিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারব।’

প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাশ জানান, ১৯৯৯ সালে দেশে প্রেক্ষাগৃহের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৩৫টি, আর এখন সেটি ৫০ থেকে ৬০টি। যদি সরকার উপমহাদেশের সিনেমা দেখানোর সুযোগ দেয়, তাহলে হল মালিকরা ঋণ নিয়ে মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ করতে আগ্রহী হবেন।

এর মধ্যে বেশ কিছু নতুন মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ হয়েছে। স্টার সিনেপ্লেক্স ঢাকাসহ ঢাকার বাইরে মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ করছে। সনি সিনেমা হল পরিণত হয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্সে। লায়ন গ্রুপের মালিকানাধীন কেরানীগঞ্জে নতুন চারটি মাল্টিপ্লেক্স চালু হয়েছে। ব্যক্তিগত পর্যায়েও অনেকে ৩৫, ২২, ৬০ সিটের আধুনিক সিনেমা হল নির্মাণ করছেন।

অভিনেতা ডি এ তায়েব টাঙ্গাইলে মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এ ছাড়া সিঙ্গেল স্ক্রিনের প্রেক্ষাগৃহ আছে এমন হল মালিকদের অনেকেই নিজ উদ্যোগে নির্মাণ করেছেন আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ বা নির্মাণ করতে চাইছেন মাল্টিপ্লেক্স।

আরও পড়ুন:
অগ্রিম বিক্রির প্রথম দিনেই প্রায় শেষ ৬ মের টিকিট
বঙ্গবন্ধু মিলিটারি মিউজিয়ামে সিনেপ্লেক্স
‘মুজিব’-এর পোস্টার প্রকাশ
কিংসম্যান আসছে ঢাকায়!
স্টার সিনেপ্লেক্স এবার চট্টগ্রামে

মন্তব্য

বিনোদন
Fans surprised by Salmans look

সালমানের লুকে অবাক ভক্তরা

সালমানের লুকে অবাক ভক্তরা কাভি ঈদ কাভি দিউয়ালি সিনেমার সেট থেকে এ ছবিটি শেয়ার করেছেন সালমান। ছবি: সংগৃহীত
সালমানের এমন লুকে নেটিজেনের মন্তব্য, ‘অপেক্ষার অবসান, ফিরে এসেছে ভাইজান!’

বলিউড ভাইজান সালমান খানের নতুন সিনেমা কাভি ঈদ কাভি দিওয়ালি। আগামী বছর ঈদে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। এখন চলছে এর দৃশ্যধারণ। সেট থেকে নিজের লুক প্রকাশ করেছেন সালমান।

সিনেমায় আরও আছেন পূজা হেগড়ে, সালমানের ভগ্নিপতি আয়ুশ শর্মা।

পোস্ট করা ছবিতে সালমানের বড় চুল, চোখে সানগ্লাস, রড হাতে নিয়ে একদম অপ্রত্যাশিত লুকে ধরা দিয়েছেন ভাইজান। সালমানের মুখ পুরোপুরি দেখা না গেলেও কারও বুঝতে বাকি নেই এটা সালমান খান।

সালমানের এমন লুকে নেটিজেনের মন্তব্য, ‘অপেক্ষার অবসান, ফিরে এসেছে ভাইজান!’ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ২০১৪ সালে সাজিদ নাদিয়াওয়ালা-সালমান জুটির শেষ সিনেমা কিক-এর বাজেটের থেকেও বেশি এ সিনেমার বাজেট।

কাভি ঈদ কাভি দিওয়ালি সিনেমায় সালমানের বিপরীতে অভিনয় করছেন ২৭ বছরের ছোট পূজা হেগড়ে। প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধলেন তারা।

সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সিনেমার অংশ হতে যাচ্ছেন ‘পঞ্জাবের ক্যাটরিনা কাইফ’খ্যাত শেহনাজ গিল। সিনেমায় আয়ুশ শর্মার বিপরীতে দেখা যাবে তাকে।

আরও পড়ুন:
আসছে ‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’ এর সিক্যুয়াল
দুই দিনে ১০ কোটি রুপি ব্যবসা করল সালমানের ‘অন্তিম’
একই মঞ্চে সালমানের প্রাক্তন ও ‘বর্তমান’   
মফস্বল-গ্রামে প্রেক্ষাগৃহ খুলছেন সালমান খান
সালমানের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ রাখেন সঙ্গীতা

মন্তব্য

বিনোদন
There will be two movies with Mrinal

মৃণালকে নিয়ে সিরিজ, হবে দুই সিনেমা

মৃণালকে নিয়ে সিরিজ, হবে দুই সিনেমা মৃণালকে নিয়ে সৃজিতের সিরিজের পোস্টর (বাঁয়ে), কৌশিক গাঙ্গুলি, অঞ্জন দত্ত ও সৃজিত মুখার্জি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে কুণাল জানান, তার বাবার জীবন ও সিনেমার ওপর নির্ভর করে টলিউডে তিনটি সিনেমা নির্মিত হচ্ছে।

ভাষার চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রাণপুরুষ মৃণাল সেন বেঁচে থাকলে তার বয়স হতো ৯৯ বছর। শনিবার তার জন্মবার্ষিকী। বিশেষ এই দিনে প্রয়াত পরিচালককে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অনেকেই।

কলকাতার নামকরা পরিচালক সৃজিত মুখার্জি মৃণালের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ঘোষণা করেছেন একটি সিরিজ নির্মাণের। সিরিজটির নাম ‘পদাতিক’।

সিরিজটির মাধ্যমে মৃণাল সেনের জীবন এবং সেই সময়কে তুলে ধরবেন সৃজিত। শনিবার সকালে সৃজিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘পদাতিক’-এর পোস্টার শেয়ার করেছেন।

ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সেই লকডাউনের সময় থেকেই আজকের দিনটার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। সেই দিনটা এলো। বিশ্ব সিনেমার বরেণ্য পরিচালকের জন্মশতবার্ষিকীতে তার প্রতি আমার বিশেষ শ্রদ্ধা।’

আগামী বছর ‘কলকাতা ট্রিলজি’র স্রষ্টার জন্মশতবার্ষিকী। বিশেষ মুহূর্তকে ঘিরে আরও দুটি সিনেমার নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে টালিউড। মৃণাল সেনের ছেলে কুণাল সেনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কৌশিক গাঙ্গুলি ও অঞ্জন দত্ত নির্মাণ করবেন সিনেমা দুটি।

ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে কুণাল জানান, তার বাবার জীবন ও সিনেমার ওপর নির্ভর করে টলিউডে তিনটি সিনেমা নির্মিত হচ্ছে। যার একটি কৌশিকের পালান। কৌশিকের সিনেমায় মৃণালের খারিজ সিনেমার চরিত্রদের ৪০ বছর এগিয়ে দিয়ে গল্প লেখা হয়েছে।

সৃজিত তৈরি করছেন তার বাবার জীবনের ওপর নির্ভর করা এক কাল্পনিক বায়োপিক। আর অঞ্জন দত্ত নির্মাণ করছেন একটি পার্সোনাল ফিচার ফিল্ম।

মৃণাল ও অঞ্জন দত্তর ব্যক্তিগত কথোপকথনের ওপর নির্ভর করে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।

এখন সবার প্রশ্ন, মৃণাল সেনের ভূমিকায় কে বা কারা অভিনয় করবেন? এসব নিয়ে এখনও কিছুই জানাননি সৃজিত, কৌশিক ও অঞ্জন।

আরও পড়ুন:
মৃণাল সেনের স্মৃতি থাকবে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে

মন্তব্য

উপরে