× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বিনোদন
Rozina got 10 rupees for her first performance in the movie
hear-news
player

সিনেমায় প্রথম অভিনয়ে পেয়েছিলাম ১০ টাকা: রোজিনা

সিনেমায়-প্রথম-অভিনয়ে-পেয়েছিলাম-১০-টাকা-রোজিনা অভিনেত্রী রোজিনার বিভিন্ন সময়ের সিনেমা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
‘আমরা দাঁড়িয়ে আছি। একজন লোক আমাকে ডাকলেন। পরে বুঝেছি উনি সহকারী পরিচালক। তিনি এসে বললেন, এই মেয়ে এদিকে আস। সবাই তো হতভম্ব। কেন ডাকছে। পরে সেই সহকারী পরিচালক বুঝিয়ে দিলেন যে, তাদের একটি দৃশ্যের জন্য একজন মেয়ে দরকার।’

শুটিং দেখতে এসে অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন রেনু নামে মফস্বল শহর থেকে ঢাকায় আসা একটি মেয়ে। দৃশ্য ছিল ট্রেতে করে কিছু জিনিস নিয়ে এসে টেবিলে রাখার। এই ছোট্ট দৃশ্যের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ১০ টাকা। অভিনয়ের পেশায় সেটি তার প্রথম আয়।

সেই রেনু পরে হয়ে ওঠেন চিত্রনায়িকা রোজিনা। ওই প্রথম অভিনয়ের কয়েক বছরের মাথায় তিনি গাড়ি কেনেন ৭০ হাজার টাকায়। ব্যস্ত হয়ে যান সিনেমায়। এক দিনে তিন-চারটি সিনেমার শুটিং করেছেন এ অভিনেত্রী। জিতেছেন দর্শকের হৃদয়।

কসাই সিনেমার জন্য ১৯৮০ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী ও ১৯৮৮ সালে জীবনধারা সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

বর্তমানে লন্ডন প্রবাসী রোজিনা মাঝে মাঝেই দেশে আসেন। ফিরে দেখা নামে সম্প্রতি একটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন। সেটা মুক্তি দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আরেকটি সিনেমা করার ইচ্ছা আছে তার।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ে আসা, শৈশব, বেড়ে ওঠাসহ নানা বিষয় নিয়ে রোজিনা কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে।

সিনেমায় প্রথম অভিনয়ে পেয়েছিলাম ১০ টাকা: রোজিনা
সাদাকালো সিনেমার আমলে তরুণ বয়সী অভিনেত্রী রোজিনা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

রোজিনার নিজের ভাষ্যে:

‘জন্ম আমার গোয়ালন্দে, নানির বাড়িতে। রাজবাড়ি আমার বাবার বাড়ি।

‘আমরা চার বোন, দুই ভাই। শৈশবের অনেকটা সময় আমার গোয়ালন্দে কেটেছে। স্কুলজীবনটা আমার ছিল রাজবাড়িতেই।

‘রাজবাড়িতে চিত্রা হল ছিল (এখন যেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, মার্কেট করা হচ্ছে)। আমাদের বাড়ি থেকে সিনেমা হলের দূরত্ব ত্রিশ মিনিটের। বাড়ির পাশেই ছিল মসজিদ। মাগরিবের আজানের পরপর শুরু হতো সন্ধ্যার শো।

‘আমার মা সিনেমা দেখা পছন্দ করতেন না। তিনি চাইতেন না আমি সিনেমা দেখি। সিনেমায় অভিনয়টাও পছন্দ করতেন না।

‘আমরা পাঁচ-ছয় বান্ধবী ছিলাম, একসঙ্গে স্কুলে যেতাম। বাড়ির পাশ দিয়ে সিনেমার বিজ্ঞাপনের মাইকিং হতো রিকশায়। সেই বিজ্ঞাপন দেখার পর বান্ধবীদের মধ্যে আলোচনা চলত, যে-সিনেমা আসছে, সেটা দেখতেই হবে। কিন্তু আমাদের বাসা থেকে তো অনুমতি পাওয়া যাবে না।

‘তখন আমরা বুদ্ধি করতাম। সবাই মিলে বাসায় বলতাম, আমরা আমাদের এক বান্ধবীর বাড়িতে ঘুমাব। এভাবে আমরা এসব বলে সিনেমা দেখতে যেতাম।

‘মাগরিবের আজান দেয়ার পর সিনেমা দেখতে চলে যেতাম। স্কুলের টাকা বাঁচিয়ে রাখতাম সিনেমার টিকিট কেনার জন্য। যেদিন সিনেমা দেখতাম, তার পরদিন স্কুলে যেতাম না।

‘যখন কোনো বিয়েবাড়িতে বা অনুষ্ঠানে মাইকে গান বাজত, তখন পাশেই কোথাও বসে থাকতাম, গান শুনতাম।

‘বেড়ে ওঠার সময় থেকে সিনেমা আমার মাথায় গেঁথে গিয়েছিল।

‘বিকেলবেলা আমাদের বাড়িতে পণ্ডিত আসতেন, আমরা পড়তে বসতাম। আমি পড়া দিতে না পারলে তিনি আমার মাকে ডাকতেন। বলতেন, “রেনুর মা, তোমার মেয়ে আজ স্কুলে যায়নি।” মা বলতেন, “পিটান ধইরা।” আর বেতের বাড়ি দিতেন পণ্ডিত।

‘আমি একটু চঞ্চল ছিলাম। বান্ধবীদের সঙ্গে আম পেড়ে খাওয়া, কাঁঠাল পেড়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখা– এগুলো করার জন্য বকাঝকাও খেতাম। আশপাশের অনেকে জানত যে ওরা কয়েকজন আছে, একটু দুষ্টু।

‘যেদিন আমার মা মারতেন, সেদিন আমি পালিয়ে নানাবাড়ি চলে যেতাম। ট্রেনে চলে যেতাম, বেশিক্ষণ লাগত না। এভাবে যাওয়া-আসার মধ্যেই থাকতাম। এভাবে বেড়ে ওঠা।

সিনেমায় প্রথম অভিনয়ে পেয়েছিলাম ১০ টাকা: রোজিনা
রোজিনা অভিনীত হিট সিনেমা ’রাজমহল’ এর পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

যেভাবে ঢাকায় আসা

‘শাবানা ম্যাডাম, কবরী ম্যাডামদের দেখে ভাবতাম, এভাবে নাচব, গাইব, অভিনয় করব। আমার বাবার সঙ্গে ব্যবসা করতেন আলীজান ভাই। তিনি আমাদের বাড়িতে আসতেন, আমরা কখনও ঢাকা গেলে তার ওখানে যেতাম। পুরান ঢাকায় থাকতেন তিনি। তারা এলাকায় বাৎসরিক নাটকের অনুষ্ঠান করতেন। বাবার কাছে এলে অনেক সময় এসব নিয়ে গল্প করতেন। ওনার আবার চলচ্চিত্রের কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় ছিল। আমি তাকে মাঝে মাঝে বলতাম, “আমি অভিনয় করব, আমাকে নিয়ে যান।” তিনি বলতেন যে “না, খালাম্মা তোকে যেতে দেবে না।”

‘একদিন আমার মা খুব মেরেছিল। আমি রাগ করে চলে গিয়েছিলাম আলী ভাইদের বাড়িতে। এভাবে আমার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য পা বাড়ানো।

‘সিনেমায় অভিনয় করে যে টাকা পাওয়া যায়, আমি জানতাম না। এটা ১৯৭৭ সালের মাঝামাঝি সময়ের কথা বলছি।

‘আমার মা ভেবেছিলেন, আমি গোয়ালন্দে গিয়েছি। এক দিন পর খবর নিয়ে দেখেন যে আমি নানাবাড়ি যাইনি। মা তো খুব চিন্তায় পড়ে গেলেন। তখন নানা-মামা বেঁচে ছিলেন। পরে আমার চাচা দুই দিন পর ঢাকা গেলেন ছবি নিয়ে। পরে তিনি দেখলেন, আমি আলীজানদের বাড়িতে।

‘পরে আমার মা চলে এলেন ঢাকায়। যখনই শুনলাম মা আসছেন, আমি তো এই বাড়ি পালাই, সেই বাড়ি পালাই, চৌকির নিচে লুকাই। আমার মা দৌড়াচ্ছেন আমার পিছে পিছে। আমার মা দুই দিন থেকে আবার চলে গেলেন।'

প্রথম অভিনয়

‘আলী ভাইরা একটা নাটকের মহড়া দিচ্ছিলেন, বাৎসরিক নাটক। আমি সেই মহড়া গিয়ে দেখতাম। যেদিন নাটকটি মঞ্চস্থ হবে, তার দুই দিন আগে হিরোইন অসুস্থ হয়ে গেল। পরে আমাকে বলা হলো অভিনয় করতে।

‘রিহার্সেল না করে কীভাবে অভিনয় করব, আমি তো না না করছিলাম, কিন্তু তাতে কাজ হলো না। আমাকে কাজটা করতেই হলো। দুই দিন রিহার্সেল করেছি। লালবাগের শায়েস্তা খান হলে সেই নাটক মঞ্চস্থ হয়।

‘আলী ভাইয়ের পরিচিত চলচ্চিত্রের কিছু মানুষ এসেছিলেন সেই নাটকের শো-তে। ওখান থেকে আমি একটি বিজ্ঞাপনের অফার পাই। বিজ্ঞাপনটি ছিল মায়া বড়ির (জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল)।

সিনেমায় প্রথম অভিনয়ে পেয়েছিলাম ১০ টাকা: রোজিনা
উপমহাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে রোজিনা (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ক্যামেরার সামনে প্রথম

‘খেজুর বাগানে বেরাতে গিয়েছিলাম। তখনও সংসদ ভবন উদ্বোধন হয়নি। আলী ভাই আর তার ভাগনিদের সঙ্গে গিয়েছিলাম। দেখি শুটিং হচ্ছে। সিনেমাটির নাম ছিল জানোয়ার। কালীদাশ বাবু ছিলেন পরিচালক আর ওয়াসিম ভাই ছিলেন হিরো, হিরোইন ছিলেন সুচরিতা ম্যাডাম।

‘শুটিংটা ছিল এমন যে, একটা মঞ্চ। সেখানে নাচ হবে। সামনে টেবিল, তার ওপর বিভিন্ন রকম বোতল।

‘আমরা দাঁড়িয়ে আছি। একজন লোক আমাকে ডাকলেন। পরে বুঝেছি উনি সহকারী পরিচালক। তিনি এসে বললেন, এই মেয়ে এদিকে আস। সবাই তো হতভম্ব। কেন ডাকছে। পরে সেই সহকারী পরিচালক বুঝিয়ে দিলেন যে, তাদের একটি দৃশ্যের জন্য একজন মেয়ে দরকার।

‘দৃশ্যটি এমন: একটা মেয়ে ট্রে-তে করে বোতল-গ্লাস নিয়ে গিয়ে টেবিলে রাখবে। এটাই তার কাজ এবং এটাই হলো দৃশ্য।

‘আমি গেলাম। আমাকে মেকআপ রুমে নিয়ে যাওয়া হলো। প্যান্ট-শার্ট পরানো হলো। গায়ে লাগছিল না। তারপরও জোর করে পরানো হলো। পরে ফ্লোরে এসে রিহার্সেল দিলাম। দারাশিকো ছিলেন, শর্বরী ম্যাডাম ছিলেন নৃত্যে।

‘আমার শুটিং হয়ে গেল। মেকআপ রুমে গিয়ে আবার সব খুলে রেখে আসলাম। বের হওয়ার পর আমাকে ১০ টাকা দেয়া হলো। সেটাই বলতে গেলে আমার সিনেমায় অভিনয়ের প্রথম ইনকাম।

প্রথম ফটোশুট

‘এর মধ্যে বলে রাখি, সিনেমার যে মুভি ক্যামেরাম্যান ছিলেন, তিনি স্টিল ফটোগ্রাফারকে বললেন, মেয়েটার চেহারা তো খুব শার্প, ওর কিছু ছবি তুলে রাখ। আমি তো ছবি তুলে চলে আসলাম। কিন্তু সেই ছবিগুলো ছড়িয়ে গিয়েছিল।

সিনেমার জন্য ইন্টারভিউ

‘চঞ্চল মাহমুদের (অভিনেতা) সঙ্গে একটি কাজ করার কথা চলছিল। পরিচালক কে ছিলেন মনে নেই, আফজাল সাহেব ছিলেন প্রযোজক, তিনি মারা গেছেন। আমাকে সঞ্চিতা দিলেন পড়ার জন্য। বললেন জোরে জোরে পড়।

‘পড়লাম। ওনারা আমাকে সিলেক্ট করলেন। বললেন, নাচ এবং অভিনয় শিখতে হবে। তখনও আমি আলী ভাইয়ের বাসাতেই থাকছি এবং কাজগুলো অনেক কম সময়ের মধ্যে হয়ে যাচ্ছে। অনেক দিন ধরে থাকছি, কষ্ট করছি, এমন না।

‘সেই সিনেমার শুটিং শুরু হলো। এর মধ্যে আমি মহড়া শেষ করেছি। শুটিং করছি বলধা গার্ডেনে। এর মধ্যে আমার পক্স (জলবসন্ত) হয়েছিল। সব ঠিক হয়ে গেলেও মুখের একটি পক্সের দাগ শুকাচ্ছিল না। ওটার দাগ এখনও রয়ে গেছে। সেটা শুটিংয়ের সময় মেকআপ দিয়ে কাভার করতে অনেক সময় লাগছিল। শেষ করে বাগানের মধ্যে গেলাম, গিয়ে দেখি ম্যাডাম কবরী বসে আছেন। আমার একটু অবাক লাগল। কারণ সিনেমায় তো আমার একক নায়িকা হবার কথা। একদিন শুটিং করলাম। বাসায় ফিরে আলী ভাই আর মাকে বললাম, এখানে তো আমার একক নায়িকা হবার কথা। এরপর আমি আর শুটিংয়ে যাইনি।

‘সিনেমায় আমার কোনো গডফাদার নেই বা এমন কোনো গার্জিয়ান ছিল না যে আমার সঙ্গে সব সময় থাকে। তখন গুলিস্তানে ছিল প্রযোজকদের অফিস। সেখানে গিয়ে আমি কিন্তু বসে থাকিনি।

সিনেমায় প্রথম অভিনয়ে পেয়েছিলাম ১০ টাকা: রোজিনা
অভিনেত্রী রোজিনা। ছবি: সংগৃহীত

রেনু থেকে রোজিনা

‘এর মধ্যে মিন্টু আমার নাম সিনেমার প্রস্তাব এলো। ওই সিনেমা থেকে আমার নাম হলো রোজিনা। আমি তো নতুন। মহিউদ্দিন স্যার ছিলেন, সবাই তাকে “স্যার” বলে ডাকত। তিনি অনেক যোগবিয়োগ করে আমার এ নাম দিয়েছিলেন। সিনেমাটির প্রেস কনফারেন্স হয়েছিল। সিনেমার চরিত্রের নামও রাখা হয়েছিল রোজিনা, যেন নামটি পপুলার হয়।

‘এর মধ্যে আরেকটি সিনেমা করেছিলাম। ওটার নাম ছিল আয়না। সেখানে আমার নাম দেয়া হয়েছিল শায়লা। এসব কিন্তু খুব দ্রুত হয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রিয়তা পাওয়া

‘১৯৭৮ এ রাজমহল সিনেমা রিলিজ হলো। তখন আমি বেশ হিট। সবাই ভালোবাসে। তখন অনেক কাভার স্টোরি হয়েছে আমাকে নিয়ে। চিত্রালীতে বেশি হয়েছে।

‘নারায়ণগঞ্জে শুটিং হচ্ছিল। একটা ছেলে দাঁড়িয়ে থাকত। ফারুক ভাই (নায়ক ফারুক) ওই ছেলেকে গিয়ে একদিন বলল যে আমি নাকি তাকে বলেছি টাক হয়ে যেতে। সেই ছেলে পরদিন টাক হয়ে এসেছে।

‘আরেকবার মহেশখালী গিয়েছি শুটিং করতে। সেখানে এক পাগলা ভক্ত এলো। আমার জন্য পাগল। পারভেজ ভাই ছিলেন হিরো। ভক্তকে পারভেজ ভাই বললেন যে একদিন খাসির রোস্ট করে খাওয়াও, তাহলে রোজিনার সঙ্গে কথা বলতে দেব। সেই ভক্ত তো তাই করে নিয়ে এসেছে।

‘এমন অনেক ঘটনা আছে।

‘নিজ এলাকায় গেলে তখন লোকেলোকারণ্য। দেয়াল টপকে আমাকে দেখতে আসত। আমি তাদের সঙ্গে সব সময় কথা বলতাম, অবহেলা করতাম না। আমি তো সেখানকারই মেয়ে।

সিনেমায় প্রথম অভিনয়ে পেয়েছিলাম ১০ টাকা: রোজিনা
অভিনেত্রী রোজিনা। ছবি: সংগৃহীত

ব্যস্ততা ও অ্যাওয়ার্ড

‘পাঁচ-ছয় বছরের বেশি সময় ধরে আমি সবচেয়ে বেশি শুটিং করেছি। আমার অভিনীত সবচেয়ে বেশি সিনেমা রিলিজ হয়েছে। এফডিসিতে আমি ৩ থেকে ৪টি সিনেমার শুটিং করতাম।

‘আমি কিন্তু যৌথ প্রযোজনার সিনেমাও অনেক করেছি। আমি পাকিস্তানি সিনেমা করে নিগার অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছি।

আরও পড়ুন:
ছিল প্রেমের গুঞ্জন, রোজিনার উল্টোপথে হাঁটতেন কাঞ্চন
যে কারণে পদত্যাগ করলেন রোজিনা
পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে রোজিনার আবেদন খারিজ
পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে সাংবাদিক রোজিনার আবেদন
সাংবাদিক রোজিনার ব্যাংক হিসাব তলব

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Pallavis live in partner Sagnik arrested

পল্লবীর লিভ-ইন সঙ্গী সাগ্নিক গ্রেপ্তার

পল্লবীর লিভ-ইন সঙ্গী সাগ্নিক গ্রেপ্তার পল্লবী ও সাগ্নিক। ছবি: সংগৃহীত
তদন্তে জানা গেছে পল্লবী ও সাগ্নিক কিছু সম্পত্তি কিনেছিলেন। সোমবার গভীর রাতের জেরায় সেই সম্পর্কে সাগ্নিকের কাছে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়। তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল কি না তাও জানতে চেয়েছিল পুলিশ।

অভিনেত্রী পল্লবী দে মৃত্যু মামলায় তার লিভ-ইন সঙ্গী সাগ্নিক চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার পল্লবীর বাবা নীলু দে পুলিশে অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে সাগ্নিক, তার বান্ধবী ঐন্দ্রিলা সরকারসহ কয়েকজনের নাম রয়েছে। এরপর সাগ্নিককে রাতভর জেরা করা হয়।

সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গরফা থানায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাগ্নিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পল্লবীর বাবার দাবি, ঐন্দ্রিলা নামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেই মেয়েকে খুন করেছেন সাগ্নিক। অভিযোগের ভিত্তিতে খুন এবং সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার মামলা দায়ের হয় সাগ্নিকের বিরুদ্ধে।

তদন্তে জানা গেছে পল্লবী ও সাগ্নিক কিছু সম্পত্তি কিনেছিলেন। সোমবার গভীর রাতের জেরায় সেই সম্পর্কে সাগ্নিকের কাছে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়। তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল কি না তাও জানতে চেয়েছিল পুলিশ।

রোববার পল্লবীর গরফার ফ্ল্যাটে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
সাহিনুদ্দিন হত্যা মামলায় সর্বশেষ ২ আসামি গ্রেপ্তার
ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা: আরও দুই আসামির দোষ স্বীকার
পল্লবী হত্যাকাণ্ড: সাবেক এমপি আউয়াল কারাগারে
পল্লবীতে সাহিনুদ্দীন হত্যা: গ্রেপ্তার ১০, বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২
আউয়ালকে ফোনে বলা হয় ‘স্যার, ফিনিশ’

মন্তব্য

বিনোদন
Missing Trinamool poster to find Nusrat

নুসরাতকে খুঁজতে তৃণমূলের ‘নিখোঁজ’ পোস্টার

নুসরাতকে খুঁজতে তৃণমূলের ‘নিখোঁজ’ পোস্টার নুসরাতকে খুঁজতে তৃণমূলের ‘নিখোঁজ’ পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
পোস্টারে লেখা, ‘‌বসিরহাটের এমপি নুসরত জাহান নিখোঁজ, সন্ধান চাই। প্রতারিত জনগণ। প্রচারে তৃণমূল কর্মীবৃন্দ।’‌

মা হওয়ার পর বসিরহাটে ছুটে গিয়েছিলেন নুসরাত জাহান। এতে করে সবাই মনে করেছিলেন, যাই হয়ে যাক তৃণমূলের এ সাংসদ তাদের পাশেই আছেন, থাকবেন।

এমন পরিস্থিতির কয়েক মাস পর ভিন্ন চিত্র চোখে পড়ল। সাংসদকে কাছে বা পাশে পাচ্ছেন না এলাকাবাসী ও দলীয় নেতা-কর্মীরা। সাংসদকে খুঁজতে রীতিমতো ‘নিখোঁজ’ পোস্টার ছাপিয়ে তা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে দেয়ালে দেয়ালে।

এ নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, এখন এমন পোস্টারেই সয়লাব হাড়োয়া বিধানসভার চাঁপাতলা পঞ্চায়েত এলাকা।

পোস্টারে লেখা, ‘‌বসিরহাটের এমপি নুসরাত জাহান নিখোঁজ, সন্ধান চাই। প্রতারিত জনগণ। প্রচারে তৃণমূল কর্মীবৃন্দ।’‌ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের নামে এমন পোস্টার দেখে দলের অন্যরা তা দ্রুত সরিয়ে ফেলে।

কেন এমন পোস্টার?‌ এ বিষয়ে দেগঙ্গার চাঁপাতলা পঞ্চায়েতের প্রধান হুমায়ুন রেজা চৌধুরী ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‌গত ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন হাজি নুরুল ইসলাম। এলাকার উন্নয়নসহ সব কাজে সাধারণ মানুষ থেকে তৃণমূল কর্মীরা তাকে পেয়েছেন। কিন্তু এখন তৃণমূল সাংসদকে পাওয়াই যায় না। তাই এলাকার মানুষ এই ধরনের পোস্টার দিয়েছে।’‌

স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগানো হয়েছে। সাংসদের এলাকায় না আসা নিয়ে দলের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।

এটা বিরোধীদের কাজ বলেও মনে করছেন অনেকে। কোনো ইস্যু না থাকায় বিরোধীরা এই ধরনের কুৎসা রটাচ্ছে। সাংসদ নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন বলে তৃণমূলের দাবি।

আরও পড়ুন:
জন্মসনদে পাওয়া গেল নুসরাতের ছেলের বাবার নাম
নুসরাতের ছেলের জন্মসনদে থাকছে না বাবার নাম!
বাবা প্রসঙ্গ উঠতেই যশের কথা বললেন নুসরাত
যশকে বাবা বললেও কিছু মনে করছেন না নুসরাত
নুসরাতের ছবির ক্যাপশনের ‘ড্যাডি’ কে

মন্তব্য

বিনোদন
Bharti Singh apologizes for insulting Sikhs

শিখ ধর্মাবলম্বীদের অবমাননা বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন ভারতী সিং

শিখ ধর্মাবলম্বীদের অবমাননা বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন ভারতী সিং কমেডিয়ান ভারতী সিং। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
ভারতী লিখেছেন, ‘আমি কমেডি করি মানুষকে হাসানোর জন্য, কাউকে কষ্ট দেয়ার জন্য নয়। আমার কথায় কেউ যদি আঘাত পান, তাহলে ক্ষমাপ্রার্থী। নিজের বোন মনে করে ক্ষমা করে দেবেন।’

শিখ ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতের কৌতুক অভিনেত্রী ভারতী সিং। একটি পুরোনো ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ভারতী গোঁফ ও দাড়ি নিয়ে মজা করেছেন। আর তা দেখে নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন শিখ সম্প্রদায়ের প্রতি অসম্মান করছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ভারতী কা শো’য়ে ওই ভিডিওতে কমেডিয়ানকে জেসমিন ভাসিনের সঙ্গে রসিকতা করতে দেখা যায় ভারতীকে।

তিনি বলেন, ‘দাড়ি-গোঁফ চাই না কেন তোমার, জানো দাড়ি-গোঁফের কত সুবিধা। দুধ খাওয়ার সময় মুখে দাড়ি ঢুকিয়ে দিলে দেখ কেমন সেমাইয়ের মতো স্বাদ লাগে। আমার অনেক বন্ধু লম্বা লম্বা দাড়িওয়ালা পুরুষদের বিয়ে করেছে। সারা দিন দাঁড়ি থেকে উকুন বাছতেই সময় কাটিয়ে দেয়।’

শোয়ের সেই অংশের ভিডিও ভাইরাল হতেই বিতর্কের মুখে পড়েন ভারতী। এরপরই এ নিয়ে ক্ষমা চেয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি।

এতে ভারতী বলেন, ‘গত এক-দুই দিন ধরে একটি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। লোকজন আমাকে মেসেজ পাঠিয়েছেন যে, আমি দাড়ি-গোঁফ নিয়ে মজা করেছি। অনুগ্রহ করে ভিডিওটি দেখুন, আমি এতে কোনো ধর্ম বা কোনো বর্ণ উল্লেখ করিনি বা এই ধর্মের লোকেরা দাড়ি রাখে এবং এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনি সেই ভিডিওটি দেখতে পারেন, আমি কখনই বলিনি যে পাঞ্জাবি লোকেরা দাড়ি রাখে। আমি আমার বন্ধুর সঙ্গে কমেডি করছিলাম। আজকাল অনেকেই দাড়ি-গোঁফ রাখেন, তবে আমার মন্তব্যে যদি কোনো ধর্ম বা বর্ণের মানুষ আঘাত পেয়ে থাকেন, আমি তাদের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি নিজে একজন পাঞ্জাবি, অমৃতসরে জন্মেছি, আমি সর্বদা পাঞ্জাবের সম্মান বজায় রাখব এবং একজন পাঞ্জাবি হিসেবে আমি গর্বিত।’

সেই সঙ্গে ভিডিওটির ক্যাপশনে ভারতী লিখেছেন, ‘আমি কমেডি করি মানুষকে হাসানোর জন্য, কাউকে কষ্ট দেয়ার জন্য নয়। আমার কথায় কেউ যদি আঘাত পান, তাহলে ক্ষমাপ্রার্থী। নিজের বোন মনে করে ক্ষমা করে দেবেন।’

মন্তব্য

বিনোদন
Fans are shivering after seeing the pictures of Bandhan

বাঁধনের ছবি দেখে ভক্তের আসছে ‘কাঁপুনি জ্বর’

বাঁধনের ছবি দেখে ভক্তের আসছে ‘কাঁপুনি জ্বর’ নানা ঢংয়ে অভিনেত্রী বাঁধন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
বাধনের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ভক্তরা লিখেছেন, ‘ড্রিম গার্ল অফ মি (আমার স্বপ্নকন্যা)’, ‘কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে’, ‘তুমি অনিন্দ্য সুন্দর’

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন যখনই ক্যামেরার সামনে আসছেন তখনই যেন সোরগোল বেধে যাচ্ছে। অভিনয়ের জন্য ক্যামেরারা সমানে আসলেই তাকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। আবার স্থিরচিত্রের জন্য ক্যামেরার সমানে আসলেও তিনি উঠে যান আলোচনার তুঙ্গে।

সোমবার ফেসবুকে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন বাঁধন। ১৭ ঘণ্টাতে সেই অ্যালবামে রিয়্যাকশন ৭ দশমিক ৩ কে, ৩৮৫ কমেন্ট। মন্তব্যে সবাই জানাচ্ছেন মুগ্ধতার কথা।

বাঁধনের ছবি দেখে ভক্তের আসছে ‘কাঁপুনি জ্বর’
অভিনেত্রী বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ড নিতে কলকাতায় গিয়ে ছবিগুলো তুলেছেন অভিনেত্রী। ছবিগুলো তুলে দিয়েছেন সামি নামের এক আলোকচিত্রী। ফেসবুকে তাকে ক্রেডিট দিয়েছেন বাঁধন। ছবিতে অভিনেত্রীকে অলংকৃত করেছে যেসব অলংকার সেগুলো সিক্স ইয়ার্ড স্টোরি প্রতিষ্ঠানের।

মন্তব্যকারীদের মতে অলংকারের পাশাপাশি বাঁধনকে আরও মোহনীয় করে তুলেছে কালো রংয়ের শারীটি। এ শারীটি করুতন্ত্র প্রতিষ্ঠানের।

মন্তব্যকারীরা নানা শব্দ ও অভিব্যক্তিতে নিজেদের ভালোলাগার কথা জানিয়েছেন বাঁধনকে।

বাঁধনের ছবি দেখে ভক্তের আসছে ‘কাঁপুনি জ্বর’
অভিনেত্রী বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

মডেল, উপস্থাপিকা, অভিনেত্রী সামিয়া আফরীন লিখেছেন, ‘গরজিয়াস’, পরিচালক গৌতম কৈরী লিখেছেন, ‘সেরা’। অভিনেত্রী শ্রাবিন্তী লিখেছেন, ‘ওরে আল্লাহ এত কেন সুন্দর’। অভিনেত্রী ফারজানা ছবি বলেছেন, ‘দারুণ বাঁধন’।

বাঁধনের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ভক্তরা লিখেছেন, ‘ড্রিম গার্ল অফ মি (আমার স্বপ্নকন্যা)’, ‘কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে’, ‘তুমি অনিন্দ্য সুন্দর’, ‘বোল্ড শুট, সো প্রাউড অফ ইউ বাঁধন (সাহসী শুট, তোমাকে নিয়ে গর্বিত)’।

আরও পড়ুন:
বলিউডের ‘খুফিয়া’য় বাঁধন
পরীমনিকে নিয়ে আমি চিন্তিত: বাঁধন
মুসকান জুবেরী হয়ে ওঠার গল্প শোনালেন বাঁধন
পিলে চমকানো সত্য জানাবেন বাঁধন!
‘মুসকানের মতো বাঁধনের প্রেমে পড়াও কঠিন’

মন্তব্য

বিনোদন
Riaz has become crooked with the weight of fish

মাছের ওজনে বাঁকা হয়ে গেছেন রিয়াজ

মাছের ওজনে বাঁকা হয়ে গেছেন রিয়াজ মাছ হাতে রিয়াজ ও পেছনে তার স্ত্রী-কন্যা। ছবি: সংগৃহীত
পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে রিয়াজ লিখেছেন, ‘আমাদের এবারের ছুটির বাড়তি পাওয়া এই বিশাল মনস্টার কার্প (কাতল), এই সাইজের মাছ এখন বেশ বিরল। মাছটি ল্যান্ডিং করানো কঠিন ছিল।

মাছ ধরে রাখতে গিয়ে বাঁকা হয়ে গেছেন অভিনেতা রিয়াজ। মাছের ওজন ঠিক কত, তা জানাননি তিনি। তবে ধরে রাখতে গিয়ে যে বাঁকা হয়ে যাচ্ছেন তা জানিয়েছেন নিজেই।

সোমবার নিজের ফেসবুকে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন এ অভিনেতা। সেখান থেকেই জানা গেল তিনি মাছ শিকার করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি অনেক বড় একটি মাছ ধরেন।

পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে রিয়াজ লিখেছেন, ‘আমাদের এবারের ছুটির বাড়তি পাওয়া এই বিশাল মনস্টার কার্প (কাতল), এই সাইজের মাছ এখন বেশ বিরল। মাছটি ল্যান্ডিং করানো কঠিন ছিল।

‘কারণ আমার মাছ তোলার নেটের থেকে এটার আকার বড়। শেষে পানিতে নেমে মিনার ভাই এটাকে অনেক কসরত করে ডাঙায় তোলেন।’

রিয়াজের মাছ শিকারে সঙ্গী হয়েছিলেন স্ত্রী-কন্যা। রিয়াজ আরও লেখেন, ‘প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি ছুটে গেল। ধন্যবাদ তিনা ও আমিরা, রোদে পুড়ে আমাকে সময় দেয়ার জন্য। আর ওজন? আমি নিজেই বাঁকা হয়ে আছি।’

আরও পড়ুন:
সাফল্য-ব্যর্থতার মাপকাঠি কী?
শ্বশুরের জন্য দোয়া চাইলেন রিয়াজ
করোনায় চলে গেলেন সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন
সিলেট সিটি করপোরেশনের টাকায় চামড়া প্রক্রিয়াজাত
‘ছোট্ট মেয়েটা বুকে আসতে না পেরে সারাক্ষণ দোয়া করেছে’

মন্তব্য

বিনোদন
Chriss joke doesnt make the bedfucker believe

শয্যায় মলত্যাগকারীকে বিশ্বাস নেই, ক্রিসের কৌতুক

শয্যায় মলত্যাগকারীকে বিশ্বাস নেই, ক্রিসের কৌতুক বাঁ থেকে- ক্রিস রক, জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড। ছবি: সংগৃহীত
লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানে ক্রিস বলেন, ‘পৃথিবীর সব নারীকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু অ্যাম্বার হার্ডকে? অসম্ভব।’

অস্কার মঞ্চে অভিনেতা উইল স্মিথের হাতে চড় খাওয়ার পর বেশ কিছু দিন চুপচাপ ছিলেন কৌতুকশিল্পী ক্রিস রক। আবার সরব হয়েছেন তিনি।

উইল স্মিথের স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করে চড় খেয়েছিলেন। এবার যাকে নিয়ে কথা বলেছেন তিনিও এক অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী।

ক্রিস এবার মজা করেছেন ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারাবিয়ান’ খ্যাত অভিনেতা জনি ডেপের প্রাক্তন স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডকে নিয়ে। এবার অবশ্য চড় খাওয়ার ভয় নেই!

ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানে ক্রিস বলেন, ‘পৃথিবীর সব নারীকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু অ্যাম্বার হার্ডকে? অসম্ভব।’ সেই শুনে বেদম হাসতে থাকেন উপস্থিত সকলে।

ক্রিস আরও বলেন, ‘যে নারী তার স্বামীর সঙ্গে ভাগ করা বিছানায় মলত্যাগ করতে পারেন, তাকে বিশ্বাস নেই! তিনি সব পারেন। আমি ভাবতে পারছি না, এর পরও ওরা কীভাবে সম্পর্কে ছিল!’

মন্তব্য

বিনোদন
Shakib Khan won two awards for best actor in Kolkata

কলকাতায় সেরা অভিনেতার দুটি পুরস্কার পেলেন শাকিব খান

কলকাতায় সেরা অভিনেতার দুটি পুরস্কার পেলেন শাকিব খান কলকাতার টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন শাকিব খান। ছবি: নিউজবাংলা কোলাজ
টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড দুটির ছবি পোস্ট করে শাকিব লেখেন, ‘পাসওয়ার্ড (২০১৯) এবং বীর (২০২০)-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসাবে দুটি পুরস্কার দিয়ে আমাকে সম্মানিত করায় টেলিসিনেকে ধন্যবাদ। যেটা আমাকে বেশি খুশি করেছে সেটা হল দুটো সিনেমায় এসকে ফিল্মসের প্রযোজনায়।’

শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার রবীন্দ্র সরোবরে নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ১৯তম টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড। এতে পাসওয়ার্ডবীর সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার দুটি পুরস্কার পেয়েছেন ঢাকায় চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান।

রোববার বিকেলে নিজের ভেড়িফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছেন শাকিব।

টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড দুটির ছবি পোস্ট করে শাকিব লেখেন, ‘পাসওয়ার্ড (২০১৯) এবং বীর (২০২০)-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসাবে দুটি পুরস্কার দিয়ে আমাকে সম্মানিত করায় টেলিসিনেকে ধন্যবাদ। যেটা আমাকে বেশি খুশি করেছে সেটা হল দুটো সিনেমায় এসকে ফিল্মসের প্রযোজনায়।’

সেই সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘আমার দর্শক এবং পাসওয়ার্ড ও বীরের পুরো টিমকে ধন্যবাদ।’

এবার টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ডের ১৯তম এই আয়োজনে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ এই তিন সালের সম্মাননা দেয়া হয়েছে। এর আগে করোনার কারণে পরপর দুইবার ‘টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠিত হয়নি।

আরও পড়ুন:
শুধু গ্রিন কার্ড নিতে নয়, দেশ-চলচ্চিত্র নিয়ে এসেছি: শাকিব
শাকিবের নায়িকা কোর্টনি কফি
শাকিবের জন্মদিন ও মহরত একসঙ্গেই
বাংলাদেশের মতো স্বাধীন ও ঐক্যবদ্ধ দেশে জন্মে আমি গর্বিত: শাকিব
ভোটাধিকার হারিয়েছেন শাকিব খান

মন্তব্য

উপরে