× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Being the son of Chanchal Chowdhury it is not easy to become an actor
hear-news
player
google_news print-icon

‘চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে বলে খুব সহজে অভিনেতা হওয়া যাবে না’

চঞ্চল-চৌধুরীর-ছেলে-বলে-খুব-সহজে-অভিনেতা-হওয়া-যাবে-না
চঞ্চল চৌধুরী, দিব্য-সৌম্যর সঙ্গে শুদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত
চঞ্চল আরও লেখেন, ‘শুদ্ধর যথেষ্ট ইচ্ছা আছে অভিনয়ের। শুধু ইচ্ছায় তো আর কাজ হবে না। আগে তো শুটিং দেখতে হবে, এরপর অভিনয়টা শিখতে হবে, তারপর তো অভিনয়।’

দেশের অভিনয় জগতে অন্যতম ভরসার নাম চঞ্চল চৌধুরী। নাটক, সিনেমা বা ওয়েব কনটেন্টের ভিন্ন রকম চরিত্র হলেই চঞ্চলের কথা ভাবেন পরিচালক-প্রযোজকরা। চঞ্চলের করা চরিত্রগুলো তারই প্রমাণ দেয়।

এমন একজন অভিনেতার সন্তান অভিনয় করতে চাইলে হয়তো অনেকেই কাজে নেবেন, কিন্তু চঞ্চল তা চান না। তিনি মনে করেন, চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে বলেই যে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েই খুব সহজে অভিনেতা হয়ে যাবে, ব্যাপারটা এ রকম নয়।

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর একমাত্র ছেলেসন্তান শুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই বাবা-ছেলেকে দেখা যায় একসঙ্গে।

শুদ্ধর অভিনয়ে অভিষেক হয়েছে সম্প্রতি। নাটকে অভিনয় করতে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিল সে।

শুটিংয়ে শুদ্ধ ও তার সহশিল্পীদের একটি ছবি পোস্ট করে চঞ্চল কিছু কথা লিখেছেন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে।

চঞ্চল লেখেন, ‘শুদ্ধর জাস্ট প্রথম টিভি ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো। ব্যাপারটা আহামরি কিছু না। গিয়েছিল পুবাইলে এবারের ঈদের নাটকের শুটিং দেখতে। সঙ্গে ওর মাও ছিল।’

‘চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে বলে খুব সহজে অভিনেতা হওয়া যাবে না’
চঞ্চল চৌধুরী ও তার ছেলে শুদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত

শুদ্ধ শুটিংয়ে অংশ করা একদমই অপরিকল্পিত বলে জানান চঞ্চল। ছোট চার-পাঁচটি সংলাপের ছোট্ট একটা সিকোয়েন্স করেছে সে। দৃশ্যটিতে শুদ্ধর সহশিল্পী দিব্য-সৌম্য।

চঞ্চল আরও লেখেন, ‘শুদ্ধর যথেষ্ট ইচ্ছা আছে অভিনয়ের। শুধু ইচ্ছায় তো আর কাজ হবে না। আগে তো শুটিং দেখতে হবে, এরপর অভিনয়টা শিখতে হবে, তারপর তো অভিনয়।’

চঞ্চল খুব জোর দিয়ে লেখেন, ‘চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে বলেই যে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েই খুব সহজে অভিনেতা হয়ে যাবে, ব্যাপারটা এ রকম নয়। তবে ওর দেখাটা শুরু হলো।’

শুদ্ধর বয়স এখন ১২ বছর, বাংলা মাধ্যমে ক্লাস সিক্সে পড়ে। যদি শুদ্ধর যোগ্যতা ও নিয়তি তাকে ক্যামেরার সামনে নিয়ে আসে, তখন হয়তো এই ছবিগুলোই ইতিহাস হয়ে যাবে বলে মনে করেন চঞ্চল।

শুদ্ধকে সবাই আশীর্বাদ করলেই খুশি চঞ্চল। শুদ্ধ যে নাটকটিতে অভিনয় করেছে তার সুশীল ফেমেলি; লিখেছেন বৃন্দাবন দাস, পরিচালক দীপু হাজরা। নাটকটি প্রচার হবে গাজী টিভিতে।

আরও পড়ুন:
খারাপ ফলে হতাশদের জন্য চঞ্চল আছেন
নকশালবাড়ি নিয়ে সিরিজে জয়ার পাশাপাশি চঞ্চল
চোখ ছোট চঞ্চল
‘বলি’র জন্য ন্যাড়া হলেন চঞ্চল!
হইচইতে চঞ্চলের নতুন কনটেন্ট ‘বলি’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Chanchal is returning to the stage after 2 years

২ বছর পর মঞ্চে ফিরছেন চঞ্চল

২ বছর পর মঞ্চে ফিরছেন চঞ্চল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী (বাঁয়ে) ও রাঢ়াঙ নাটকের দৃশ্যে চঞ্চল ও সহশিল্পী আ খ ম হাসান (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত
চঞ্চল বলেন, ‘আরণ্যকের পাদপ্রদীপে আমার ঠাঁই হয়েছিল বলেই, আজ এত মানুষের ভালোবাসায় ঋদ্ধ হয়েছি। দীর্ঘায়ু লাভ করুক আমার দল আরণ্যক। জয় হোক বাংলা নাটকের।’

সিনেমা, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট ও নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ২ বছর পর ফিরছেন মঞ্চে। আরণ্যক নাট্যদলের জনপ্রিয় মঞ্চ নাটক রাঢ়াঙ এর নিয়মিত অভিনেতা তিনি। সেই নাটকের ১৯৯ এবং ২০০তম মঞ্চায়নে দেখা যাবে এ অভিনেতাকে।

চঞ্চল চৌধুরী বুধবার তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘১৭ ও ১৮ নভেম্বর রাঢ়াঙ নাটকের মঞ্চায়ন হবে শিল্পকলা একাডেমিতে। প্রায় ২ বছর পর আবার মঞ্চে দাঁড়াব রাঢ়াঙ নাটকে অভিনয়ের জন্য।’

নাটকের দল আরণ্যক থেকেই অভিনয়ের যাত্রা শুরু চঞ্চলের। স্মৃতিচারণ করে এ অভিনেতা বলেন, ‘আরণ্যক নাট্যদলে আমার ২৫ বছর পার হয়ে গেছে। সেই কালো দৈত্য মঞ্চ নাটক দিয়ে শুরু। তারপর ওরা কদম আলী, ইবলিশ, প্রাকৃতজনকথা, জয়জয়ন্তী, ময়ূর সিংহাসন, সঙক্রান্তি, রাঢ়াঙ, চে’র সাইকেল, ঘুমের মানুষ, ঋণের সঙ, শত্রুগন, ঐ আসে

‘কত কত মঞ্চ নাটক, পথ নাটকের কত শত প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। বিগত ২৫ বছরে কখনও মঞ্চের পেছনে কাজ করা, কখনও অভিনয়ের জন্য মঞ্চে দাঁড়ানো।’

অভিনেতা জানান, নাট্যগুরু মামুনুর রশীদের কাছে অভিনয়ের হাতে খড়ি তার। পরে আরণ্যকের মূল মন্ত্র ‘নাটক শুধু বিনোদন নয়, শ্রেণী সংগ্রামের সুতীক্ষ্ণ হাতিয়ার’ স্লোগানটি বুকে নিয়েই অভিনয়ের পথ চলা চঞ্চলের।

জনপ্রিয় এ অভিনেতার মতে, আরণ্যক থেকে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেছেন এবং যেখানে এসে পৌঁছেছেন, সেটাও আরণ্যকের কারণেই।

চঞ্চল বলেন, ‘আরণ্যকের পাদপ্রদীপে আমার ঠাঁই হয়েছিল বলেই, আজ এত মানুষের ভালোবাসায় ঋদ্ধ হয়েছি। দীর্ঘায়ু লাভ করুক আমার দল আরণ্যক। জয় হোক বাংলা নাটকের।’

আগ্রহীরা নাটকের টিকিব আগেই সংগ্রহ করে রাখতে পারবেন। সেজন্য চঞ্চল ০১৭১৮-৭৫৯৭৫৪ নম্বরটি দিয়ে জানিয়েছেন, আসন সংখ্যা সীমিত। অগ্রিম টিকিটের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

আরও পড়ুন:
‘হাওয়া’ দেখতে দীর্ঘ লাইন কলকাতায়  
আসছে চঞ্চল-বাবুর ‘দুই দিনের দুনিয়া’ 
এক রাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে
অস্কারে লড়বে ‘হাওয়া’
একে অপরকে কী নামে ডাকেন চঞ্চল-অনির্বাণ

মন্তব্য

বিনোদন
Modern Heeraman is returning to BTV due to the crisis of good dramas

ভালো নাটকের সংকট, বিটিভিতে ফিরছে আধুনিক ‘হীরামন’

ভালো নাটকের সংকট, বিটিভিতে ফিরছে আধুনিক ‘হীরামন’ হীরামনের দৃশ্য। ছবি: বিটিভির সৌজন্যে
প্রথম ২৬ পর্বে  থাকছে ‘রূপবান’ ও ‘ডালিম কুমার’- এর গল্প। শুরুতে প্রচারিত হবে ‘রূপবান’।

চার দশক আগে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হতো আলেখ্য অনুষ্ঠান হীরামন। লোককাহিনি ও লোকগাথা অবলম্বনে নির্মিত এ অনুষ্ঠানটি সে সময় জনপ্রিয়তা পায়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা লোকগাথা অবলম্বনে নির্মিত হতো এর প্রতিটি পর্ব। বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) আবার ফিরছে হীরামন।

শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিটিভি জানায়, রোববার থেকে প্রচার শুরু হচ্ছে হীরামন। সপ্তাহের প্রতি রোব, সোম ও মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিটিভিতে দেখা যাবে এটি।

প্রথম ২৬ পর্বে থাকছে ‘রূপবান’ ও ‘ডালিম কুমার’- এর গল্প। শুরুতে প্রচারিত হবে ‘রূপবান’। নাট্যরূপ দিয়েছেন ফজলুল করিম, এস এম সালাহউদ্দিন, বেলাল হোসেন ও শুভাশীষ দত্ত। জগদীশ এষের পরিকল্পনায় এটি প্রযোজনা করেছেন শাহজালাল সরদার শিমুল। ক্রিয়েটিভ ডিরেকশনে আছেন এস এম সালাহ উদ্দিন।

‘রূপবান’ গল্পে অভিনয় করছেন নাইরুজ সিফাত, ইমতু রাতিশ, টুটুল চৌধুরী, কবির টুটুল, ফারজানা মিহি, তুষ্টি ও তপন হাফিজ। অন্যদিকে ‘ডালিম কুমার’ গল্পে অভিনয় করছেন এন কে মাসুক, সায়েম সামাদ, সামলি আরা সাইকা, শিশির আহমেদ, মীর আহসান, এস ডি তন্ময়, তাসনিম নিশাত ও শীলা।

লোককাহিনি ও লোকগাথা অবলম্বনে গল্পকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। ভিএফএক্স প্রযুক্তির পাশাপাশি থাকছে অটো কন্ট্রোল মোশন ট্র্যাকিং, মোশন ক্যাপচার, থ্রিডি ফেস ক্লোনিং ও কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কাজ।

বিটিভির পরিচালক (অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনা) জগদীশ এষ বলেন, ‘আধুনিক ভার্চুয়াল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে হীরামন। রূপকথার অন্যান্য গল্পগুলোও নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বিটিভির। টেলিভিশনে ভালো নাটকের যে সংকট আছে সেটা বিবেচনায় রেখেই বিটিভি এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

আরও পড়ুন:
দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় বাপ্পি-অপু
বিটিভিতে তারকাবহুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান
স্বাধীনতা দিবসে বিটিভির আয়োজন
একাই চার চরিত্রে
রোববার থেকে বিটিভিতে ‘জিন্দাবাহার’

মন্তব্য

বিনোদন
In Taukeers discussion the description of the performance is looking for a solution

তৌকীরের আলোচনায় অভিনয়াঙ্গন নষ্টের বর্ণনা, খুঁজছেন সমাধান

তৌকীরের আলোচনায় অভিনয়াঙ্গন নষ্টের বর্ণনা, খুঁজছেন সমাধান সেমিনারে নিজের আলোচনা তুলে ধরছেন তৌকীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
তৌকীরের মতে, ভবিষ্যতে যদি সিনেপ্লেক্সের সংখ্যা বাড়ে, চলচ্চিত্র ব্যবসা লাভজনক হয়ে ওঠে, তাহলে তরুণ নির্মাতাদের নতুন ধারার চলচ্চিত্রও হয়তো হতে পারে অভিনয়শিল্পীদের পেশার জায়গা। বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর আগমন শিল্পীদের আশাবাদী করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দেশের টিভি নাটকের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘের আয়োজনে শনিবার জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় ‘সাম্প্রতিক কাহিনিচিত্র ও অভিনয় বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনার।

সেখানে অভিনয়াঙ্গনের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন দেশের বরেণ্য, গুণী ও জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পীরা। সেমিনারে আলোচনার শুরু করেন অভিনেতা-পরিচালক তৌকীর আহমেদ।

তৌকীর তার আলোচনায় নাটক, ওটিটি, সিনেমার নানা সংকট এবং তাতে অভিনয়শিল্পীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

তৌকীরের লেখা ৬ পৃষ্ঠার আলোচনায় প্রথম পৃষ্ঠায় তিনি কিছু ইতিহাস টেনে কথা বলেন। সমস্যার কথা তিনি উল্লেখ করেন দ্বিতীয় পৃষ্ঠা থেকে।

তৌকীর বলেন, ‘১৯৯৪ সালে বেসরকারি খাতে নাটক ও অনুষ্ঠান নির্মাণ এর সিদ্ধান্ত আমাদের আকাশ সংস্কৃতির দ্বারে নিয়ে যায়। আড়াই তিন লাখ টাকার প্রডাকশন নিয়ে পাল্লা দিতে হয় কোটি কোটি টাকার প্রডাকশনের সঙ্গে। প্রতিযোগিতার মধ্যেও অনেক প্রশংসনীয় নির্মাণ ও অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে। কারণ, মানুষ তার নিজের ভাষায়, নিজের সংস্কৃতির গল্প দেখতে সব সময়ই পছন্দ করে। চলচ্চিত্রের অশ্লীলতা, সাধারণ মধ্যবিত্তকে হলবিমুখ করেছে ইতিমধ্যে, বেসরকারি টেলিভিশনগুলো খুঁজে চলেছে মুনাফার রাস্তা। মূল্যবোধ আর নীতিবোধ তখন নির্বাসনে।’

তৌকীরের মতে, এরপর নাটকে নতুন একদল নির্মাতার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। যারা থিয়েটার বা বিটিভির উত্তরসূরি নন। এতে ভালো-খারাপ দুটিই হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তৌকীর।

তৌকীর বলেন, ‘বিষয়বস্তু বা প্রযোজনায় কিছু নতুনত্ব হাজির হলেও, অনেক সস্তা বিনোদন, অরুচিকর বিষয়বস্তু, ভাষার বিকৃতি, অশ্লীল ইংগিতময় দৃশ্যের আগমন ঘটে।’

যখন দর্শকের কথা বিবেচনা করে হাস্যরসাত্মক বিষয়বস্তু প্রাধান্য পেতে শুরু করে, তখন পরিমিত কমেডির পাশাপাশি ভাঁড়ামোর অনুপ্রবেশ ঘটে বলে উল্লেখ করেছেন তৌকীর।

তৌকীরের আলোচনায় অভিনয়াঙ্গন নষ্টের বর্ণনা, খুঁজছেন সমাধান
সেমিনারে উপস্থিত অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

এই অভিনেতা-পরিচালক বলেন, ‘বেসরকারি টেলিভিশনগুলো টিআরপি নামের একটি প্রহসন হাজির করে। চ্যানেলের অনুষ্ঠানগুলোর কর্তৃত্ব ক্রমাগত অনুষ্ঠান বিভাগের হাত গলে বিপণন বিভাগের সিদ্ধান্তের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। অভিনেতা-অভিনেত্রীর নিয়োগও তারা করতে শুরু করে। মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিলুপ্ত হতে থাকে, সঙ্গে আবার হাজির হয় এজেন্সির পুঁজি।

‘একসময় নাটকে কমতে থাকে চরিত্র, মূল চরিত্রের পর বাবা-মা বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র অদৃশ্য হতে থাকে, কাহিনিচিত্রের পারিবারিক চেহারাটি হারাতে থাকে, গুটিকয় অভিনেতা বাদে বাদবাকি চরিত্রাভিনেতারা বেকার হতে থাকেন।’

বেসরকারি চ্যানেলগুলোর সংখ্যা, অনিয়ম, দুর্বলতা, দুর্নীতি চ্যানেলগুলোর সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনাশ করে বলে মনে করেন তৌকীর। তিনি আরও জানান, মাত্রাতিরিক্ত বিজ্ঞাপন বিরতি দর্শকদের টেলিভিশনবিমুখ করে। বাস্তবতা হলো টেলিভিশন নাটক তার দশর্ক হারিয়েছে, চ্যানেলগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে। টেলিভিশন কাহিনিচিত্র এখন আর অভিনয়শিল্পীদের জন্য আকর্ষণীয় পেশা নয়। শুধু টিকে থাকা।

চলচ্চিত্রের কথা উল্লেখ করে তৌকীর বলেন, ‘এফডিসিকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র দর্শকদের আস্থা হারিয়েছে আগেই। '৭০, '৮০-এর দশকের সিনেমা হলগুলোর অবস্থা সঙ্গিন, হয়নি কোনো রেনোভেশন, হাতে গোনা কয়েকটি সিনেপ্লেক্সে সিনেমার লগ্নীকৃত টাকা ওঠাতেই হিমশিম খাচ্ছেন প্রযোজক-নির্মাতারা। আমাদের টেলিভিশন ও মঞ্চের শিল্পীরা কখনোই এফডিসিকেন্দ্রিক চলচ্চিত্রে পেশা তৈরি করতে পারেননি বা করতে চাননি। মূলত রুচি, শিক্ষা বা বিশ্বাসের যোজন যোজন পার্থক্যের কারণে।

‘গোলাম মুস্তাফা, শর্মিলী আহমেদ, ডলি জহুর, আবুল হায়াত, হুমায়ুন ফরিদী বা রাইসুল ইসলাম আসাদ কিছু নাম যারা বাণিজ্যিক ধারায় ব্যস্ত ও সফল হয়েছিলেন। কিন্তু এ কথা অনস্বীকার্য যে সেটা তাদের শৈল্পিক বিশ্বাসের সঙ্গে আপস করেই।’

স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয়শিল্পীরা নিঃস্বার্থভাবে, কখনও বিনা পারিশ্রমিক বা নামমাত্র পারিশ্রমিকে কাজ করেছেন বলে জানান তৌকীর। বলেন, ‘সেটা শিল্পীদের কখনও কখনও তৃপ্তি দিয়েছে। স্বল্প বাজেটের এই সিনেমাগুলো শিল্পীরা কখনোই পেশা হিসেবে নিতে পারেননি।’

তৌকীরের মতে, ভবিষ্যতে যদি সিনেপ্লেক্সের সংখ্যা বাড়ে, চলচ্চিত্র ব্যবসা লাভজনক হয়ে ওঠে, তাহলে তরুণ নির্মাতাদের নতুন ধারার চলচ্চিত্রও হয়তো হতে পারে অভিনয়শিল্পীদের পেশার জায়গা। বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর আগমন শিল্পীদের আশাবাদী করেছে বলে উল্লেখ করেন তৌকীর।

তৌকীর বলেন, ‘ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো বাণিজ্যের লক্ষ্যে তাদের কনটেন্ট বানাচ্ছে। সামাজিক, রাষ্টীয়, জনতার জীবনমান বা চিন্তা-চেতনা নিয়ে তারা ভাববে না, তাদের সেই দায় নেই। তাদের আছে বিভিন্ন হিসাব, সাবস্ক্রিপশনের হিসাব, ভিউয়ের হিসাব, লাইকের হিসাব, আয়, ব্যয় লাভের হিসাব। ফলে কী দেখা যাচ্ছে। ওটিটির বেশির ভাগ কাহিনিচিত্রের বিষয়বস্তু ক্রাইম বা ডিটেকটিভ অ্যাকশন। ফলে অভিনয়ের সুযোগও কমে আসছে অভিনেতার।’

কতজন দেখছে এই পেইড প্ল্যাটফর্মগুলো? এর সঠিক পরিসংখ্যান এখনও নেই বলে মন্তব্য তৌকীরের। সচ্ছল ব্যক্তিরা নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, হইচই, চরকি দেখলেও নিম্নবিত্তের ভরসা ফ্রি ইউটিউব। সেখানে অনেক কিছুই পেয়ে যাচ্ছেন দর্শক।

তৌকীর বলেন, ‘ইউটিউব যেহেতু ভিউয়ের সংখ্যার ওপর নির্ভরশীল সুতরাং ভিউ হতে পারে এমন কিছুই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। কুরুচিপূর্ণ, স্কিড, নাটক, চলচ্চিত্র এখানে জনপ্রিয়। একই সঙ্গে আবির্ভাব হচ্ছে কিছু নির্মাতার, যাদের কাছে অর্থ উপার্জনই প্রধান, জনরুচি বা সামাজিক দায়বদ্ধতার কোনো বিষয় তাদের নেই। অশ্লীল ভাষা, কুরুচিপূর্ণ বিষয়বস্তু উপস্থাপন এখানে সবচেয়ে সফল।’

তৌকীর তার আলোচনায় বলেন, ‘কোয়ালিটি সিটিজেন তৈরি করার দায় কার, রাষ্ট্রের তথা সমাজের। আমরা সবাই তার অংশ। ক্রমাগত করপোরেট কালচারের অংশ হতে হতে শিল্পীরাও হয়তো হয়ে উঠবেন ওই করপোরেট মেশিনের নাট-বল্টু।’

আলোচনার শেষে তৌকীর বলেন, ‘অভিনেতার কাজটি তো সৃষ্টির, সৃষ্টির এই প্রক্রিয়া তো সহজ নয়, কখনোই সহজ ছিল না। সৃষ্টির এই কঠিন পথে তার শক্তি তো সত্য, জীবনের সেই সত্যকেই তো তিনি পুনর্নির্মাণ করেন প্রতিনিয়ত, ফুটিয়ে তোলেন প্রতিটি চরিত্রের অন্তর আত্মা। সমাজ ও মানুষের প্রতি সংবেদনশীলতাই তো তার শক্তি। সেই প্রকৃত শিল্পীদের পদচারণে মুখর হোক আমাদের অভিনয়াঙ্গন।’

তৌকীরের আলোচনায় অভিনয়াঙ্গন নষ্টের বর্ণনা, খুঁজছেন সমাধান
সেমিনারে উপস্থিত অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

সেমিনারের এ আলোচনা মূলত একটি ধারণাপত্র বলে নিউজবাংলাকে জানান অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসান। তিনি বলেন, ‘আলোচনা শুরু করা হলো। এরপর সবার মতামত, সবার বক্তব্য নিয়ে আমরা মূল প্রবন্ধ তৈরি করব। যা হয়তো আমাদের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই আলোচনা শুধু অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে নয় বরং অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা, প্রযোজক, টিভি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম নিয়ে।’

রওনক উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘আমরা ৫ বছর আগে অভিনয়কে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাব করেছিলাম, সেটা হয়তো শিগগিরই বাস্তবায়ন হবে। সেমিনারের আলোচনাও একটা উদ্যোগ, যেটার ফল হয়তো আমরা অনেক দেরিতে পাব, কিন্তু এর উদ্যোগটা তো নিতে হবে। সুন্দর একটি সাংস্কৃতিক আবহ তৈরির লক্ষ্যেই আমাদের এই কর্মসূচি।’

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন মামুনুর রশিদ, জাহিদ হাসান, তারিন, জয়া আহসান, চঞ্চল চৌধুরী, বৃন্দাবন দাস, সালাউদ্দিন লাভলু, অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিমসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
শেষ বেলায় ভিড়, বাড়ল অভিনয় শিল্পী সংঘের ভোটের সময়
ভোট জিনিসটা পছন্দ করি: আবুল হায়াত
টিভি অভিনয়শিল্পী সংঘের ভোট চলছে
পিয়াসা-মৌকে ‘স্বীকার করে না’ অভিনয়শিল্পী সংঘ
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

মন্তব্য

বিনোদন
Nisho Tushi Thinking Training in Method Acting

মেথড অ্যাক্টিংয়ে নিশো, তুষি, ভাবনার প্রশিক্ষণ

মেথড অ্যাক্টিংয়ে নিশো, তুষি, ভাবনার প্রশিক্ষণ উপরে বাঁ থেকে প্রথম জন এবং মাঝে বসা সৈয়দ জামিল ও মহসিনা আক্তার বাদে সবাই প্রশিক্ষণার্থী। ছবি: সংগৃহীত
মহসিনা জানান, এ প্রশিক্ষণে আলোচনা হয়েছে, শারীরিক চর্চা হয়েছে, অভিনয়ও হয়েছে। ১২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন মোট ২১৫ ঘণ্টার কর্মশালায়।

মেথড অ্যাক্টিং, অনেকে বলেন তাত্ত্বিক অভিনয়। এ পদ্ধতিতে নিজেদের আরও ঝালিয়ে নিতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী আফরান নিশো, নাজিফা তুষি, ভাবনাসহ ১২ জন প্রশিক্ষণার্থী।

অন্যরা হলেন, সিফাত নওরিন বহ্নি, জোপারী লুসাই, আইশা খান, মারশিয়া মেহনাজ শাওন, শারমিন আক্তার শর্মী, তানভীর আহমেদ, ইশতিয়াক নাসির, সরওয়ার জাহান উপল ও আয়শা মারজানা।

“স্তানিস্লাভস্কি’র পদ্ধতির আলোকে অগ্রবর্তী নাট্য প্রশিক্ষণ” শীর্ষক প্রশিক্ষণটি আয়োজন করে ‘স্পর্ধা: ইনডিপেনডেন্ট থিয়েটার কালেক্টিভ। এর প্রধান সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন সৈয়দ জামিল আহমেদ এবং মূল প্রশিক্ষক ছিলেন মহসিনা আক্তার।

মহসিনা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেথড অ্যাক্টিংয়ের দুটি ভাগ রয়েছে। যার একটি ইনার ফিলিং এবং অন্যটি শারীরিক। আমরা এবার ইনার ফিলিং নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আগামীতে আমরা শরীরের বিষয়টি নিয়ে কাজ করব।’

মহসিনা জানান, এ প্রশিক্ষণে আলোচনা হয়েছে, শারীরিক চর্চা হয়েছে, অভিনয়ও হয়েছে। ১২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন মোট ২১৫ ঘণ্টার কর্মশালায়।

মেথড অ্যাক্টিংয়ে নিশো, তুষি, ভাবনার প্রশিক্ষণ
প্রশিক্ষণে নিশো ও তুষি। ছবি: সংগৃহীত

মহসিনা বলেন, ‘অ্যান অ্যাক্টর্স ওয়ার্ক (ইয়ার ওয়ান: এক্সপেরিয়েন্সিং) বইটির লাইন বাই লাইন আমরা এ প্রশিক্ষণে প্রয়োগ করেছি। জেমস থমাসের স্ক্রিপ্ট অ্যানালাইসিসও আমার প্রশিক্ষণে রেখেছিলাম।’

দুই মাস ধরে চলা প্রশিক্ষণটি শেষ হয়েছে সম্প্রতি। আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে ২টি নাটকের অংশ, ১ টি পূর্ণ নাটক ও ১টি নাটকের সংক্ষিপত অংশ মঞ্চস্থ হওয়ার মাধ্যমে প্রশিক্ষণটি শেষ হয়েছে বলে জানান মহসিনা।

স্পর্ধা প্ল্যাটফর্মটি বর্তমান সময়ে নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত সংকটগুলো চিহ্নিত করে খুঁজে চলেছে এর উত্তরণের পথ। তারা মনে করছে, অনেক সংকটের মধ্যে একটা বড় সংকট পেশাগত দক্ষতার অভাব।

প্ল্যাটফর্মটি বলছে, “অভিনয়ের ক্ষেত্রে হরহামেশাই আমাদের দেশে (এমনকি বিদেশেও) শোনা যায় কিছু অস্পষ্ট ধারণা, যা স্তানিস্লাভস্কি প্রস্তাবিত ‘মেথড অ্যাক্টিং’ নামে চালিয়ে দেয়া হয়! এসকল ‘চালিয়ে দেয়া’ পদ্ধতিতে ‘চরিত্রে ডুব দেয়া’, ‘চরিত্রের ভেতর প্রবেশ করা’, ‘চরিত্র ধারণ করা’, ‘চরিত্রের সাথে মিশে যাওয়া’ ইত্যাদি ধারণার কথা শোনা যায়, যার কোনটাই স্তানিস্লাভস্কি প্রস্তাবিত অভিনয় পদ্ধতিতে উল্লেখ নাই।’

মেথড অ্যাক্টিংয়ে নিশো, তুষি, ভাবনার প্রশিক্ষণ
প্রশিক্ষণের ফাঁকে ভাবনা, নিশো, তুষি। ছবি: সংগৃহীত

স্পর্ধা আরও বলছে, ‘আমেরিকানরা যাকে মেথড অ্যাক্টিং বলে আর স্তানিস্লাভস্কি যাকে অভিনয় পদ্ধতি বা সিস্টেম বলেন, সেই ধারণা প্রায়োগিক অনুশীলনের মাধ্যমে পরিষ্কার করাই আমাদের লক্ষ্য! আমাদের এবারের উদ্দেশ স্তানিস্লাভস্কির অভিনয় পদ্ধতির প্রথম পর্ব এক্সপেরিয়েন্সিং বিষয়ে অভিনেতাকে দক্ষ হতে সাহায্য করা।’

প্রশিক্ষণ থেকে একটি স্ট্যাটাসে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন অভিনেত্রী ভাবনা। রোববার দেয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘প্রথমবারের মতো মঞ্চে দাঁড়ালাম অভিনেতা হিসেবে। সত্যি এক অসাধারণ অনুভূতি। আমি সবসময় চাই ভালো অভিনেতা হতে, আর এই যাত্রায় আমি কখনোই কোনো ছাড় দিতে চাই না। আর অভিনেতা হওয়ার জন্যে পথ খুঁজি প্রতিনিয়ত, আর সেই পথ দেখান আমাকে সৈয়দ জামিল আহমেদ এবং মহসিনা আক্তার। যাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

আরও পড়ুন:
‘নৈঃশব্দে ৭১’ নাটকে বাংলাদেশের অভ্যুদয়
৭ বছর পর থিয়েটারের নতুন নাটক ‘পোহালে শর্বরী’
আতাউর রহমানের জন্মদিন: প্রদর্শিত হলো ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’
উগ্রবাদ প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নাটক ‘মুখোশ’
ঈদে জোভান-সাফার ‘শেষ বিকেল’

মন্তব্য

বিনোদন
Masum Aziz is on life support

লাইফ সাপোর্টে অভিনেতা মাসুম আজিজ

লাইফ সাপোর্টে অভিনেতা মাসুম আজিজ অভিনেতা মাসুম আজিজ। ছবি: সংগৃহীত
মাসুম আজিজের ছেলে উৎস জামান নিউজবাংলাকে জানান, গত ৮ অক্টোবর তার বাবাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অক্সিজেন লেভেল কমে যাওয়ায় আজ সকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা মাসুম আজিজ।

তার ছেলে উৎস জামান বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৮ অক্টোবর তার বাবাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অক্সিজেন লেভেল কমে যাওয়ায় আজ সকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে।

উৎস আরও জানান, চলতি বছরের শুরুর দিকে তার বাবার ফুসফুসে ক্যানসার ধরা পড়ে। ১০ মাস ধরে চিকিৎসা চলছে। এরই মাঝে কয়েক দফায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রও পেয়েছিলেন। পরে ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে চলতি মাসের শুরুতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ক্যানসারের পাশাপাশি হৃদরোগও রয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেতা মাসুম আজিজের। ২০১৭ সালে তার বাইপাস সার্জারি হয়েছিল।

শুধু অভিনেতা নন, মাসুম আজিজ চিত্রনাট্যকার হিসেবেও সুপরিচিত। তিনি একাধারে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

১৯৮৫ সালে প্রথম টিভি নাটকে অভিনয় করেন মাসুম আজিজ। দীর্ঘ কর্মজীবনে চার শতাধিক নাটকে অভিনয় করেন তিনি।

ঘানি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০০৬ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে রাইসুল ইসলাম আসাদের সঙ্গে যৌথভাবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান মাসুম আজিজ।

অভিনয়ে অবদানের জন্য এ বছর একুশে পদক পান তিনি।

মন্তব্য

বিনোদন
Bappi Apu presenting Durga Puja programme

দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় বাপ্পি-অপু

দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় বাপ্পি-অপু উপস্থাপনায় অপু বিশ্বাস ও বাপ্পী চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
পূজার আরেকটি বিশেষ আয়োজন আবীর খেলা। অনুষ্ঠানে আবীর খেলা নিয়ে আসবেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী ভাবনা। দলীয় এ নৃত্যটির নৃত্য পরিচালনা করেছেন অনিক বোস।

প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) আয়োজন করেছে দুর্গাপূজার বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘শারদ আনন্দ’। সংগীত, নৃত্য, সেলিব্রেটি আড্ডা, ফ্যাশন শো ও তথ্যচিত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটিই জানিয়েছেন অনুষ্ঠানটির প্রযোজক এল রুমা আকতার। জগদীশ এষের পরিকল্পনায় এটি গ্রন্থনা করেছেন সুমন সাহা।

এবারের ‘শারদ আনন্দ’ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় চমক থাকছে উপস্থাপনায়। প্রথমবারের মতো কোনো অনুষ্ঠান একসঙ্গে উপস্থাপনা করেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী।

অনুষ্ঠানটির প্রযোজক আরও জানান, পূজা উপলক্ষ্যে একটি নতুন গান তৈরি করা হয়েছে। যেটি লিখেছেন কনিষ্ক শাসমল। গোলাম সারোয়ারের সুর ও সংগীতে গেয়েছেন সন্দীপন দাস, সুস্মিতা সাহা, সপ্নীল রাজীব ও অনন্যা আচার্য্য। এছাড়াও দ্বৈত গান গাইবেন প্রিয়াংকা গোপ ও সমরজিৎ।

আরতী নৃত্য পরিবেশন করবেন প্রান্তিক দেব ও তার দল। থাকছে বিশেষ আয়োজন শীবের গাজন। শীবের গাজন পরিবেশন করেছেন প্রিয়াংকা সরকার ও তার দল।

পূজার আরেকটি বিশেষ আয়োজন আবীর খেলা। অনুষ্ঠানে আবীর খেলা নিয়ে আসবেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী ভাবনা। দলীয় এ নৃত্যটির নৃত্য পরিচালনা করেছেন অনিক বোস।

রয়েছে সেলিব্রেটি আড্ডা। যেখানে অংশ নিয়েছেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, সাংবাদিক মুন্নী সাহা, অডিশনাল এসপি (সিআইডি) মৃণাল কান্তি সাহা ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দুর্বা হালদার। সবশেষে থাকছে বাউলা ব্যান্ডের পরিবেশনায় একটি জীবনমুখি গান।

‘শারদ আনন্দ’ প্রচারিত হবে বুধবার বিজয়া দশমীতে রাত ১০টার ইংরেজি সংবাদের পর।

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
অলিম্পিক গেমস সরাসরি বিটিভিতে
ঈদ আয়োজনে ১৫ ব্যান্ডের পরিবেশনা
নাচে গানে ‘আনন্দমেলা’র জমজমাট আয়োজন
মোবাইলে দেখা যাবে বিটিভি

মন্তব্য

বিনোদন
1 on trending a reincarnation after 3 months and four final episode

‘১ অন টেন্ডিংয়’-এ ‘পুনর্জন্ম ৩’, মাস চারেক পরেই অন্তিম পর্ব

‘১ অন টেন্ডিংয়’-এ ‘পুনর্জন্ম ৩’, মাস চারেক পরেই অন্তিম পর্ব পুনর্জন্ম নাটকের পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
এই সাফল্য ভালোই উদযাপন করছেন বলে জানান ভিকি। বলেন, ‘বাংলাদেশ তো বটেই, কলকাতা থেকেও পুনর্জন্ম নিয়ে সাড়া পাচ্ছি। দর্শকদের মন্তব্য আমাদের সবাইকে খুবই অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।’

নির্মতা ভিকি জাহেদের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত পুনর্জন্ম ৩ এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইউটিউব ট্রেন্ডিং ১ এ অবস্থান করছে। ২২ ঘণ্টায় দেখা হয়েছে ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন বার।

চ্যানেল আই প্রাইম নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করায় নাটকটি দেখে দর্শকরা তাদের মন্তব্য জানাতে পারছেন মন্তব্যের ঘরে। যেখানে অধিকাংশ দর্শকই তাদের মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন।

দর্শকদের কিছু মন্তব্য এমন-

‘ভিকি জাহেদ ভাই দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে অশ্লীলতা ছাড়াও মানুষের মন জয় করা যায়, ভাই আপনি আসলেই ট্যালেন্টেড নির্মাতা’

‘একমিনিটও নাটকটা থেকে বের হতে পারিনি, সারাদিন শুধু মাথায় এটাই ঘোরে, সত্যি এক কথায় অসাধারণ’

‘বাংলা নাটকের ইতিহাস হয়ে থাকবে পুনর্জন্ম’

‘এই নাটকটা ইংরেজিতে ডাবিং করা উচিত! বাঙালিদের সঙ্গে পুরো পৃথিবী এই লিজেন্ডারি নাটকের সাক্ষী হয়ে থাকবে’

‘এক বছর অপেক্ষা করা সার্থক... ইতিহাস হয়ে থাকবে এ নাটক দর্শকদের হৃদয়ে’

সত্যিই মুগ্ধ আমি, একটা নাটক কীভাবে এত সুন্দর হতে পারে। পরবর্তি পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম’

‘পুর্নজন্ম শুধুই মারাত্মক নাটক নয় এটা আন্তর্জাতিক মানের নাটক’

‘এই নাটক বিভিন্ন ভাষায় ডাবিং করা উচিত, যাতে অন্যরাও বুঝতে পারে বাংলাদেশও চাইলে এমন কিছু বানাতে পারে’

পুনর্জন্ম প্রথম ৩ কিস্তির পর এখন সবার অপেক্ষা পরের বা অম্তিম পর্বের জন্য। সে নিয়ে ভিকি জাহেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তৃতীয় কিস্তি আসতে সময় লেগেছে ১ বছর। তবে অন্তিম পর্ব আনতে এতটা দেরি করব না। গল্প, স্ক্রিপ্ট রেডি আছে। আশা করছি চার মাসের মতো লাগবে অন্তিম পর্ব আনতে।’

এই সাফল্য ভালোই উদযাপন করছেন বলে জানান ভিকি। বলেন, ‘বাংলাদেশ তো বটেই, কলকাতা থেকেও পুনর্জন্ম নিয়ে সাড়া পাচ্ছি। দর্শকদের মন্তব্য আমাদের সবাইকে খুবই অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।’

থ্রিলার ঘরানার এ কনেটেন্ট অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, মেহজাবিন চৌধুরী, খায়রুল বাসার, কাজী নওশাবা আহমেদ, শাহেদ আলী, মুকুল সিরাজ, শরীফ সিরাজ, আব্দুল্লাহ আল সেন্টু, মঞ্জুর মিন্টু, সালাম খান তরুণ।

মন্তব্য

p
উপরে