মৃধা বনাম মৃধা: আঁধারে সবাই চোখ মুছছিলেন

player
মৃধা বনাম মৃধা: আঁধারে সবাই চোখ মুছছিলেন

তারিক আনাম খানকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন সিয়াম আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

প্রদর্শনীর আগে যে অভিনয়শিল্পীরা উচ্ছ্বসিত ছিলেন, প্রদর্শনী শেষে তাদের চোখেই ছিল অশ্রু। সিয়াম তার পর্দার বাবা তারিক আনাম খানকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলেন। নোভার চোখেও ছিল আনন্দ অশ্রু।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ব্লকবাস্টার সিনেমা হলে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করে মৃধা বনাম মৃধা সিনেমা কর্তৃপক্ষ। সিনেমাটি সবার জন্য প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ২৪ ডিসেম্বর।

সিনেমা শুরুর আগে স্বাভাবিকভাবেই সবাই ছিলেন আনন্দের মুডে। বিশেষ করে অভিনেত্রী নোভা ফিরোজ। তিনি ছোট পর্দায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, কিন্তু বড় পর্দার জন্য অভিনয় করা হয়নি। এ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিষেক হচ্ছে সিনেমায়।

প্রিমিয়ারের আগে নোভা বলছিলেন, ‘অনেক ভয় লাগছে। কিছুক্ষণ পরেই সিনেমাটি দেখবেন অতিথিরা। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তারপরও কেমন লাগবে সবার সেটা বুঝতে পারছি না।’

অভিনেতা তারিক আনাম খান বললেন, ‘পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখার অভ্যাস তো আমাদের চলে গেছে। এ সিনেমাটি পরিবার নিয়ে দেখার মতো। পরিবারের সবাই মিলে সিনেমাটি দেখবেন।’

মৃধা বনাম মৃধা: আঁধারে সবাই চোখ মুছছিলেন
মৃধা বনাম মৃধা সিনেমার প্রিমিয়ারে আমন্ত্রিত অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

মৃধা বনাম মৃধা সিনেমাটি নামকরণের বিষয়ে তারিক আনাম খান বলেন, ‘আমরা আবাহনী-মোহামেডান শুনলেই যেমন একটু উত্তেজনা ফিল করি, তেমন একটা ফিল রাখার জন্যই হয়তো মৃধা বনাম মৃধা নামটি রাখা হয়েছে। আর মৃধা টাইটেলটি হয়তো কিছু আনকমন।’

সিনেমার প্রিমিয়ারের আগে সিয়াম তেমন একটা কথা বলেননি। অল্প কথায় বললেন, ‘এটা নতুন ভাষার বাণিজ্যিক সিনেমা। অনেকে অভিযোগ করেন পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে পারেন না; এই সিনেমাটি আমরা পরিবারের গল্প নিয়েই বানিয়েছি।’

সিয়াম প্রিমিয়ারে তার বাবাকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। এ অভিনেতা সবাইকে অনুরোধ করে বলেন, ‘দর্শকরা যার যার বাবাকে নিয়ে সিনেমাটি দেখবেন এবং সিনেমাটি শেষে বাবার দিকে একবার তাকাবেন। সিনেমাটি দেখার পর যদি এর রেশ থেকে যায়, তাহলেই আমাদের সার্থকতা।’

আয়োজনে সবচেয়ে চুপ ছিলেন পরিচালক রনি ভৌমিক। এ সিনেমার মাধ্যমে তিনিও আত্মপ্রকাশ করছেন পরিচালক হিসেবে।

তিনি বলেন, ‘সিনেমায় সব রকম এলিমেন্ট রেখে আমরা সিনেমাটি নির্মাণ করার চেষ্টা করেছি। সবাই যদি হলে এসে সিনেমাটি দেখেন, তাহলেই আমাদের কাজ সার্থক।

সবার কথা শেষে শুরু হয় সিনেমা প্রদর্শনী। যারা এতক্ষণ বলছিলেন সিনেমাটি নিয়ে, তারাই পর্দায় এলেন বিভিন্ন চরিত্রে।

সিনেমায় বাবার চরিত্রে তারিক আনাম খান, তার ছেলের চরিত্রে সিয়াম এবং সিয়ামের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন নোভা। সিনেমার প্রায় শুরু থেকেই প্রেক্ষাগৃহে পাওয়া গেছে হাসির আওয়াজ। আবার শেষের দিকে নিস্তব্ধ নীরবতা ছিল পুরো প্রেক্ষাগৃহে।

প্রিমিয়ারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৌকীর আহমেদ, মোশাররফ করিম, সিয়াম আহমেদসহ অনেকে। সিনেমা দেখে মোশাররফ বলেন, ‘আমি হ্যাপি, আমার ধারণা দর্শকদের ভালো লাগবে। নানান রকম রস থাকে তো, অনেকগুলো রসই এখানে পাবেন। পরিবার, সম্পর্ক, সম্পর্কের টানাপোড়েন সবকিছুই দারুণভাবে পাবেন দর্শকরা।

মৃধা বনাম মৃধা: আঁধারে সবাই চোখ মুছছিলেন
অভিনেত্রী নোভা ফিরোজ ও অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

প্রদর্শনীর আগে যে অভিনয়শিল্পীরা উচ্ছ্বসিত ছিলেন, প্রদর্শনী শেষে তাদের চোখেই ছিল অশ্রু। সিয়াম তার পর্দার বাবা তারিক আনাম খানকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলেন। নোভার চোখেও ছিল আনন্দ অশ্রু।

দর্শকরা সিনেমা হল থেকে বের হওয়ার সময় পরিচালক রনি ভৌমিককে জড়িয়ে ধরে সাধুবাদ জানিয়েছেন। দর্শকরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেছেন পর্দার দৃশ্য তাদের কাঁদিয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মুখোশ সিনেমার আনকাট সেন্সর

মুখোশ সিনেমার আনকাট সেন্সর

মুখোশ সিনেমার শিরোনাম সংগীতের পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

কিছুদিন আগে পরিচালক জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি যদি বেশি খারাপ না হয় তাহলে ফেব্রুয়ারিতে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে মুক্তি দেবেন সিনেমাটি।

কোনো কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে মুখোশ সিনেমা। ইফতেখার শুভ পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন পরীমনি, রোশান, মোশাররফ করিমসহ অনেকে।

সেন্সর পাওয়ার খবরটি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পরিচালক ইফতেখার শুভ। সিনেমাটি মুক্তির কথা ছিল ২১ জানুয়ারি, কিন্তু করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়।

সেন্সর পাওয়া এবং মুক্তি নিয়ে শুভ বলেন, ‘আনকাট সেন্সর পেয়েছে মুখোশ সিনেমাটি। দেশ ও দেশের বাইরে অমিক্রন করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে সিনেপ্লেক্স/হলে মুক্তি পাবে।’

সেন্সরের খবর পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পরীমনিও। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘আনকাট সেন্সর #মুখোশ।

কিছুদিন আগে পরিচালক জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি যদি বেশি খারাপ না হয় তাহলে ফেব্রুয়ারিতে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে মুক্তি দেবেন সিনেমাটি।

এর আগে মুক্তি উপলক্ষে ও প্রচারণার অংশ হিসেবে ২ জানুয়ারি এক আয়োজনের মাধ্যমের প্রকাশ করা হয় সিনেমাটির টাইটেল সং।

ইফতেখার শুভর লেখা ‘পেজ নাম্বার 44’ উপন্যাস অবলম্বনে মুখোশ সিনেমাটি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সরকারি অনুদানে নির্মিত। আর এর পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে কপ ক্রিয়েশন।

সিনেমাটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, ইরেশ যাকের, প্রাণ রায়, রাশেদ মামুন অপু, ফারুক আহমেদ, তারিক স্বপন, ইলিনা শাম্মি, অলংকার চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন

সামান্থার কাছে যশরাজের তিন সিনেমা!

সামান্থার কাছে যশরাজের তিন সিনেমা!

ভারতীয় অভনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সামান্থার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছে প্রযোজনা বেশ কটি প্রতিষ্ঠান। যশরাজ ফিল্মস নাকি একসঙ্গে তিনটি সিনেমায় কাজের প্রস্তাব দিয়েছে সামান্থাকে।

ভারতের দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। দ্য ফ্যামিলি ম্যান সিরিজের দ্বিতীয় সিজনে অভিনয় করে নিজের আগের সব কাজকে ছাড়িয়ে গেছেন সামান্থা। আর বিয়েবিচ্ছেদের পরে যেন আরও দুর্ধর্ষ হয়ে উঠেছেন এ অভিনেত্রী।

দক্ষিণী সিনেমায় তো রাজত্ব আছেই, এবার বলিউডের দিকেও সামান্থা পা বাড়াচ্ছেন ধীরে ধীরে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, বলিউডের প্রথম সারির প্রযোজনা সংস্থা যশরাজ ফিল্মসের সঙ্গে হতে পারে তার পরবর্তী কাজ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সামান্থার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছে প্রযোজনা বেশ কটি প্রতিষ্ঠান। যশরাজ ফিল্মস নাকি একসঙ্গে তিনটি সিনেমায় কাজের প্রস্তাব দিয়েছে সামান্থাকে।

রাজি হয়ে গেলে বিশাল টাকার পারিশ্রমিক পাবেন, কিন্তু প্রস্তাবটি নিয়ে আপাতত চিন্তাভাবনা করছেন অভিনেত্রী। বিষয়টি নিয়ে অবশ্য প্রযোজনা সংস্থা বা অভিনেত্রী, কেউই কিছু জানাননি।

দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর পরিচালকদ্বয় রাজ ও ডিকের সঙ্গে নতুন একটি ওয়েব সিরিজের কাজ শুরু করেছেন সামান্থা। এ ছাড়া দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে আরও কিছু সিনেমা নিয়ে ব্যস্তই আছেন সামান্থা।

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন

নতুন বাংলা হিপ হপ ‘আলাদা’

নতুন বাংলা হিপ হপ ‘আলাদা’

‘আলাদা’ হিপ হপ গানের পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

একই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ড্রিল মিউজিকও নিয়ে আসা হয়েছে এই গানে। ‘আলাদা’ নামের গানটি গ্লোবাল মিউজিক প্ল্যাটফর্মে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও প্রকাশ করা হয়েছে।

দেশের হিপ হপ সংগীত জগতের শিল্পী দর্পণ আরভিএস ও আয়ানের যৌথ প্রযোজনায় প্রকাশ পেল নতুন বাংলা র‌্যাপ গান ‘আলাদা’। সম্প্রতি দর্পণের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে এই গানটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আন্ডার কনস্ট্রাকশন প্রোডাকশন ও বাংলা হাইপ এন্টারটেনমেন্টের সহযোগিতায় গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন ন্যাফবুম। নতুন গানটিতে মানুষের লাইফ স্টাইলের পাশাপাশি র‌্যাপারদের বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

একই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ড্রিল মিউজিকও নিয়ে আসা হয়েছে এই গানে। ‘আলাদা’ নামের গানটি গ্লোবাল মিউজিক প্ল্যাটফর্মে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই ভিডিও গানটির মিডিয়া পার্টনার মিডিয়া কোয়েস্ট বাংলাদেশ।

নতুন গান নিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দর্পণ বলেন, ‘যৌথ প্রযোজনায় এই প্রথম আমরা নতুন র‌্যাপ গান নিয়ে এসেছি। আশা করি, ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারব। নতুন গানটি গ্লোবাল মিউজিক প্ল্যাটফর্ম এবং ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা বেশ সাড়াও পাচ্ছি।’

নতুন র‌্যাপ গানের ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে আয়ান বলেন, ‘এর আগে আমরা ভিন্ন ভিন্নভাবে অনেক শো এবং কনসার্ট করেছি। এই প্রথম আমরা একসঙ্গে গান নিয়ে এসেছি।’

হিপ হপের র‌্যাপিং নিয়ে ১২ বছর ধরে বাংলাদেশে কাজ করছেন দর্পণ ও আয়ান। দেশের বিভিন্ন জায়গায় শো করেছেন তারা।

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন

নিখোঁজের আগের ঘটনা জানালেন শিমুর বোন

নিখোঁজের আগের ঘটনা জানালেন শিমুর বোন

রাইমা ইসলাম শিমু (বাঁয়ে) ও তার ছোট বোন ফাতেমা (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

রোববার থেকে নিখোঁজ ছিলেন অভিনেত্রী শিমু। সোমবার পাওয়া যায় তার মরদেহ। এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলছে পুলিশ। শিমুর নিখোঁজ হওয়ার পরের সময়ের বর্ণনা দিলেন তার বোন ফাতেমা।

রোববার থেকে হঠাৎ করেই পাওয়া যাচ্ছিল না অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমুকে। খোঁজ না পেয়ে তার ছোট বোন ফাতেমাসহ পরিবারের সদস্যরা কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সোমবার দুপুরে কেরানীগঞ্জ থেকে শিমুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহটি প্রথমে অজ্ঞাত হিসেবেই ধরা হচ্ছিল। পরে আঙুলের ছাপ ও পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে জানা যায় বস্তাবন্দি মরদেহটি শিমু।

নিখোঁজের আগে কী হয়েছিল তা নিউজবাংলাকে জানালেন শিমুর বোন ফাতেমা। বললেন, ‘আমরা জানতে পারি রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে, ওর (শিমু) খুব কাছের একজন বন্ধু কল করে আমাকে জানায়, শিমুকে অনেকক্ষণ ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। সে আমার কাছে জানতে চায়, আমার সঙ্গে শিমুর কথা হয়েছে কি না। আমি বলি, না, আমার সঙ্গে কথা হয় নাই। মেসেঞ্জারে কল করেছিলাম, কিন্তু ধরেনি।

‘এরপর আমি আমার বোনের মেয়েকে, মানে শিমুর মেয়েকে কল দিলাম। সে বলল, আম্মু (শিমু) সকালে বের হয়েছে। আমি বললাম, সকালে বের হওয়ার পরে তোমাদের সঙ্গে কি আর কোনো কথা হয়েছে। সে বলে যে না, কথা হয় নাই।’

ফাতেমা জানান, এরপর থেকে শিমুর ফোনে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না।

তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে আমি, আমার ভাই, তার স্ত্রীকে নিয়ে বের হয়ে গেছি। অনেক জায়গায় ফোন করেছি, কারও সঙ্গেই কথা হয় নাই। ওর ক্লোজ একটা বান্ধবী আছে, যার নাম আনমন, ওনাকে কল দিলাম, বললাম বিষয়টা।’

আনমন ফাতেমাকে জানান, তিনি রোববার সকালে ১০টা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে শিমুকে কল করেছিলেন। ফোন খোলাও পাওয়া গেছে, কিন্তু রিসিভ করেননি।

এর মধ্যে রাত ১১টার দিকে কলাবাগান থানায় চলে যান ফাতেমা। বোন শিমু নিখোঁজ জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর ঢাকা মেডিক্যাল, মিটফোর্ড হাসাপাতালে খবর নেন তারা। কিন্তু কোনো হদিস মেলেনি।

রোববার শেষ হয়ে সোমবার

শিমুর বোন ফাতেমা বলেন, ‘আমরা ভোর থেকেই আবার বোনকে খোঁজা শুরু করি। একসময় পুলিশের এসআই আমাদের জানান, শিমুর ফোন বন্ধ হয়েছে রোববার সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে।’

ফাতেমার ধারণার সঙ্গে মিলে যায় ফোন বন্ধের হিসাবটা। তিনি জানান, রোববার শিমু বাসা থেকে বের হয়েছেন সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে। ফোনটাও অফ হয়েছে ওই টাইমে।

ফাতেমা বলেন, ‘পুলিশ শিমুর শেষ অবস্থান জানাতে পারেনি। এর মধ্যে আমি র‌্যাবে, ডিবি ও সন্ধ্যায় সিআইডিতে কথা বলি। সন্ধ্যায় আমাদের একজন ফোন করে বলেন লাশ পাওয়া গেছে।’

কোথায় যাচ্ছিলেন শিমু

ফাতেমা বলেন, ‘আমার বোনজামাই (শিমুর স্বামী নোবেল) যেটা বলল, রোববার সকালে তাকে শিমু ডাক দিয়ে বলেছে, তুমি ওঠো বাজারে যাব। বুয়া আসলে তুমি বলবা যে আধাঘণ্টা পরে আসতে। কিন্তু শিমু আর বাজারে যায়নি। কিছুক্ষণ পরে তার স্বামীকে বলে, আমি একটু মাওয়া যাব, দেরি হইতে পারে। এটা বলে বের হয়ে গেছে।’

কোনো দ্বন্দ্ব?

ফাতেমা জানান, তার সঙ্গে প্রতিদিনই কথা হতো শিমুর। কিন্তু তাদের পরিবারে কোনো দ্বন্দ্ব-কলহ আছে কি না সে ব্যাপারে কখনও কথা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আমাকে এভাবে কিছু বলে নাই যে কারও সঙ্গে দ্বন্দ্ব আছে কি না। সে তো মিডিয়াকর্মী। আমার সঙ্গে প্রতিদিনই কথা হতো, কিন্তু থাকে না যে হার্ড দ্বন্দ্ব এ রকম কোনো কিছু কখনও বলেনি।

‘কাজের ক্ষেত্রে অনেকের সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। সেটা অন্য ইস্যু, ওদের এফডিসিতে যেটা চলে, সেটা অন্যরকম। কিন্তু আমার বোনকে মার্ডার করে ফেলতে পারে, এ রকম কোনো দ্বন্দ্বের কথা আমার জানা নাই।’

পুলিশ যা বলছে

ঘটনার রাতেই শিমুর স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু এসএমওয়াই আব্দুল্লাহ ফরহাদকে আটক করে পুলিশ। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাহিনীটি জানতে পেরেছে, পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের কারণে জীবন দিতে হয়েছে শিমুকে।

আর এই হত্যার কথা স্বীকার করেছেন নোবেল। বন্ধুকে নিয়ে মরদেহটি গুম করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

এ বিষয়ে ব্রিফিংয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে যে গাড়ি ব্যবহার করে লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে সেই গাড়িটি জব্দ করে থানায় নিয়েছি এবং অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করেছি। মডেল শিমুর স্বামী নোবেল এবং তার বাল্যবন্ধু ফরহাদ বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।’

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন

শিমুর সঙ্গে ২ বছরেও কথা হয়নি: জায়েদ

শিমুর সঙ্গে ২ বছরেও কথা হয়নি: জায়েদ

রাইমা ইসলাম শিমু (বাঁয়ে) ও জায়েদ খান। ছবি: সংগৃহীত

শিমুর মৃত্যুর খবর শুনে তার একাধিক সহকর্মী সংবাদমাধ্যমে বলেন, জায়েদ খানের সঙ্গে নাকি ঝগড়া হয়েছে, বাক-বিতণ্ডা হয়েছে, তুই-তুকারি পর্যন্ত হয়েছে।

রাইমা ইসলাম শিমু সিনেমায় আসেন ১৯৯৮ সালে। বর্তমান নামের সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিষেক হয়। বছর খানেক আগে দেয়া একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে শিমু জানান, তার অভীনিত শেষ সিনেমা মুক্তি পায় ২০০৪ সালে।

সেই সাক্ষাৎকারে শিমু দাবি করেছিলেন, ২২ থেকে ২৩টি সিনেমার নায়িকা তিনি। অভিনয় করেছেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, কাজী হায়াৎ, চাষী নজরুল ইসলাম, এজে রানা, স্বপন চৌধুরী, শবনম পারভীনসহ আরও অনেকের পরিচালনায়।

এই অভিনেত্রীকে পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে রোববার কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার পরিবার। সোমবার দুপুরে কেরানীগঞ্জ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে অজ্ঞাত থাকলেও হাতের আঙুলের ছাপ ও পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে শিমুর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড। এ জন্য প্রাথমিকভাবে তার স্বামীকে দোষারূপ করা হচ্ছে। তবে শিমুর হত্যার পেছনে অনেকে টানছেন চলচ্চিত্র সমিতির নানা প্রসঙ্গও। এর মধ্যে শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকেও ইস্যু হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ।

শিমুর সহকর্মীদের অনেকের দাবি, আরও অনেকের মতো শিমু শিল্পী সমিতির সদস্যপদ হারান ২০১৮ সালে। সেবার মিশা-জায়েদ প্যানেল ছিল সমিতির নেতৃত্বে। সদস্যপদ ফিরে পাওয়ার আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন তিনি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এসব ঘটনার যোগাযোগ থাকতে পারে বলেও অনেকের ধারণা।

শিমুর মৃত্যুর খবর শুনে তার একাধিক সহকর্মী সংবাদমাধ্যমে বলেন, জায়েদ খানের সঙ্গে নাকি শিমুর ঝগড়া হয়েছে, বাক-বিতণ্ডা হয়েছে, তুই-তুকারি পর্যন্ত হয়েছে।

এসব কথায় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এবং জায়েদ খানের নাম বার বার আসায় প্রশ্ন ও সন্দেহের তীর ছিল তার দিকে।

তবে, এসব অভিযোগ মোটেও গায়ে মাখছেন না শিল্পী সমিতির টানা দুইবারের সাধারণ সম্পাদক জায়েদ। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১২ জানুয়ারি আমার সঙ্গে নাকি শিমুর ঝগড়া হয়েছে উল্লেখ করেছেন ফিরোজ শাহী, সাদিয়া মির্জা। এ বিষয়ে বলতে চাই, শিমুর সঙ্গে গত দুই বছরে তো সামনা-সামনি তো দূরের কথা ফোনেও কথা হয়নি।’

তিরি আরও বলেন, ‘শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে নোংরামি শুরু হয়েছে। এদের কয়েকজনকে কেউ বাসায় গিয়ে বলেছে, আপনারা জায়েদের নাম বলেন। আমার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা আছেন, তারাই এদেরকে পুঁজি করে এফডিসিতে অরাজকতা করছে।’

২০১৮ সালে মিশা-জায়েদ প্যানেল নেতৃত্বে থাকার সময় ১৮৪ জনের সমিতি সদস্যপদ বাতিল করা হয়। শিমুসহ অনেকের অভিযোগ ছিল, ব্যক্তি আক্রোশের কারণেই তাদের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জায়েদ খান বলেন, ‘প্রথমত তথ্যটাই ভুল। ১৮৪ জন তো না, এটা হবে ১৩০ থেকে ১৩৫ জন। এটা ২০১৮ সালে করা, উপদেষ্টা কমিটি ও কার্যকরী পরিষদ মিলে করেছিল, তারপর জেনারেল মিটিংয়ে পাস হয়েছে, তারপর আবার নির্বাচন হয়েছে। এখানে অযাচিতভাবে কাউকে বাদ দেয়া হয়নি।’

জায়েদ জানান, যাচাই-বাছাই কমিটিতে ছিলেন সোহেল রানা, ফারুক, আলমগীর, উজ্জ্বল, ইলিয়াস কাঞ্চন, রিয়াজ, নিপুণ, রোজিনা, আমি, আমরা সবাই ছিলাম। সবাই বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সিগনেচার করে সম্মতি জানিয়েছেন।

শিমু হত্যায় নিজের নাম আসাকে প্রতিপক্ষের নির্বাচনি কৌশল বলে মনে করছেন জায়েদ।

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন

১৮ বছরের সংসার ভাঙল ধানুসের

১৮ বছরের সংসার ভাঙল ধানুসের

১৮ বছরের সংসারে ইতি টেনেছেন ঐশ্বর্যা ও ধানুস। ছবি: সংগৃহীত

‘কোলাভেরি ডি’ খ্যাত অভিনেতা ধানুস টুইটারে লিখেছেন, ‘একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী, বাবা-মা হিসেবে বন্ধু ও জুটি হিসেবে ১৮ বছরের একাত্মতা৷ এই যাত্রা বৃদ্ধির, উপলব্ধির, মানিয়ে নেয়ার ও আত্তীকরণের৷ আমরা আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে আমাদের দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।’

ভারতীয় সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় রজনীকান্তর মেয়ে ঐশ্বর্যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুসের। দেড় যুগের সংসার তাদের। সেই দাম্পত্যে ইতি টানলেন ধানুস।

ধানুস-ঐশ্বর্যা যৌথভাবে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ বিষয়টি নিয়ে সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন দুজনই।

‘কোলাভেরি ডি’ খ্যাত অভিনেতা ধানুস টুইটারে লিখেছেন, ‘একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী, বাবা-মা হিসেবে বন্ধু ও জুটি হিসেবে ১৮ বছরের একাত্মতা৷ এই যাত্রা বৃদ্ধির, উপলব্ধির, মানিয়ে নেয়ার ও আত্তীকরণের৷

‘আমরা আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে আমাদের দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে৷ ঐশ্বর্যা ও আমি জুটি হিসেবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷ ভালোর জন্য দুজনকে পৃথক ব্যক্তি হিসেবে উপলব্ধি করব।’

এই সিদ্ধান্তে যেতে সবাই শ্রদ্ধার চোখে দেখেন, সেই অনুরোধও রেখেছেন এই অভিনেতা।

একই বিবৃতি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন ঐশ্বর্যা৷ কোনো ক্যাপশন না দিয়ে তারও আবেদন, অন্যদের উপলব্ধি ও ভালবাসা৷

পোস্টের শেষে নিজের নাম লিখেছেন ‘ঐশ্বর্যা রজনীকান্ত’ হিসেবে৷

২০০৪ সালের ১৮ নভেম্বর বিয়ে করেন ধানুস-ঐশ্বর্যা৷ তাদের দুই ছেলে যাত্রা ও লিঙ্গা৷ বড় ছেলের জন্ম হয় ২০০৬ সালে৷ বড় ছেলের চার বছর পর জন্ম হয় লিঙ্গার।

ধানুসকে শেষবার দেখা যায় ‘আতরাঙ্গি রে’ সিনেমায়৷

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন

অপর্ণা সেনের নামে এফআইআর বিজেপির

অপর্ণা সেনের নামে এফআইআর বিজেপির

অপর্ণা সেন। ছবি: সংগৃহীত

বিজেপির অভিযোগ, অপর্ণা সংবাদ সম্মেলনে বিএসএফকে খুনি, ধর্ষক বলে অপমান করেছেন। এ জন্য তাকে ক্ষমা চাইতে হবে।

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও চিত্র পরিচালক অপর্ণা সেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ (এফআইআর) দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার উল্টোডাঙ্গা থানায় এই অভিযোগ করেন বিজেপির উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি কল্যাণ চৌবে। শুধু তাই নয়, পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

গত নভেম্বরে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৫ কিলোমিটারের পরিবর্তে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সীমানা থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে বিএসএফের কাজের দায়িত্ব বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্ধিত এলাকায় বিএসএফের জওয়ানরা প্রবেশ করে কাউকে তল্লাশি, গ্রেপ্তার বা কোন কিছু বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে আসাম ও পাঞ্জাবেও বিএসএফের কাজের পরিধি বাড়ানো হয়।

কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য চিঠি লেখেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ হয়। বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজপথে নামেন অনেকে।

অভিনেত্রী অপর্ণা সেনও প্রতিবাদে সরব হন। কলকাতা প্রেসক্লাবে নভেম্বরের সংবাদ সম্মেলনে বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন বিএসএফের কাজের পদ্ধতি নিয়েও।

বিজেপির অভিযোগ, অপর্ণা সংবাদ সম্মেলনে বিএসএফকে খুনি, ধর্ষক বলে অপমান করেছেন। এ জন্য তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে অসম্মান করার জন্য সাত দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলে অপর্ণাকে আইনজীবীর নোটিশ পাঠায় বিজেপি। দুমাস হয়ে গেলেও চিঠির কোনো জবাব দেননি অপর্ণা।

বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবে বলেন, ‘বিএসএফ নিয়ে তার মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত অপর্ণা সেন তার মন্তব্য প্রত্যাহার করেননি, ক্ষমা চাননি, চিঠির কোনো জবাব দেননি। সেজন্য তার বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বাবা-ছেলের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের গল্প ‘মৃধা বনাম মৃধা’
‘মৃধা বনাম মৃধা’র মুক্তি চূড়ান্ত

শেয়ার করুন