‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি’ সম্মাননা পেলেন হেমা মালিনী

‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি’ সম্মাননা পেলেন হেমা মালিনী

ভারতের ৫২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি’ সম্মাননা পেলেন হেমা মালিনী। ছবি: সংগৃহীত

শনিবার গোয়ায় শুরু হওয়া ভারতের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৫২তম আসরে হেমা মালিনী পেলেন বিশেষ সম্মাননা ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি অফ দ্য ইয়ার-২০২১’।

গোয়ায় শুরু হয়েছে ভারতের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (আইএফএফআই)। শনিবার শুরু হওয়া ৫২তম এই আসরে বলিউডের ড্রিম গার্ল হেমা মালিনী পেলেন বিশেষ সম্মাননা ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি অফ দ্য ইয়ার-২০২১’।

বিশেষ এ সম্মাননা পেয়ে ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে আমার করা পরিশ্রমের ফসল এটি। সাংসদ হিসেবেও আমি মথুরার অনেক কাজ করি। প্রথমে একজন নৃত্যশিল্পী, তারপর অভিনেত্রী এবং এখন সাংসদ, সব মিলিয়েই দর্শকদের কাছে একটা প্রভাব তৈরি করতে পেরেছি।’

‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি’ সম্মাননা পেলেন হেমা মালিনী
ভারতের ৫২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পারফর্ম করেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। ছবি: সংগৃহীত

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্মও করেন সালমান খান, রণবীর সিং, রিতেশ দেশমুখ, জেনেলিয়া দেশমুখ, শ্রদ্ধা কাপুরসহ অনেক বলিউড তারকা।

‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি’ সম্মাননা পেলেন হেমা মালিনী
৫২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পারফর্ম করেন বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া দেশমুখ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সর্ববৃহৎ এ চলচ্চিত্র উৎসব থেকে এ বছর আমেরিকান পরিচালক ও অভিনেতা মার্টিন স্করসিস এবং বিখ্যাত হাঙ্গেরিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা ইস্তেভান সাজাবোকে ‘সত্যজিৎ রায় লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’-এ সম্মানিত করা হবে।

‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম পার্সোনালিটি’ সম্মাননা পেলেন হেমা মালিনী
ভারতের ৫২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পারফর্ম করেন বলিউড তারকা শ্রদ্ধা কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

নানা আয়োজনে সাজানো ৯ দিনব্যাপী এই উৎসব চলবে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নাটকটির জন্য তিন দিন পুরো ট্রেন ভাড়া করা হয়েছিল

নাটকটির জন্য তিন দিন পুরো ট্রেন ভাড়া করা হয়েছিল

‘শ্বাপদ’ নাটকের দৃশ্যে তারিক আনাম খান ও শতাব্দী ওয়াদুদ। ছবি: সংগৃহীত

নাটকটির জন্য শিল্পী-কলাকুশলীরা যে পরিশ্রম করেছেন, সে কথা উল্লেখ করতে গিয়ে পিকলু চৌধুরী বলেন, ‘একদিন এমন হয়েছে, বিকেল ৪টা থেকে পরের দিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত একটানা শুটিং করেছেন তারিক আনাম খান ও শতাব্দী ওয়াদুদ।’

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে লুকিয়ে আছে অসংখ্য ছোট ছোট ঘটনা। পাকবাহিনীর অত্যাচারের কোনো কোনো ঘটনা এতটাই নৃশংস ছিল যে, সেসব গল্প শুনলে বুক কেঁপে ওঠে।

এমনই এক সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণার নির্মিত হয়েছে নাটক ‘শ্বাপদ’। এর দৃশ্য ধারণ করতে তিন দিনের জন্য ভাড়া করা হয়েছিল পুরো একটা ট্রেন।

এমনটাই জানালেন নাটকটির প্রযোজক পিকলু চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের পুরো নাটকটি চিত্রায়িত হয়েছে সৈয়দপুর ও পার্বতীপুরে। দৃশ্য ধারণের সুবিধার্থে তিন দিনের জন্য একটি ট্রেন ভাড়া করেছিলাম আমরা। ৬-৭টা মালবাহী বগিযুক্ত এই ট্রেন ভাড়া মেটাতেই ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।’

মাসুম শাহরীয়ারের চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন গোলাম মুক্তাদির।

এতে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, শম্পা রেজা, শতাব্দী ওয়াদুদ, এফ এস নাঈম, শবনম ফারিয়া, আবুল কালাম আজাদ সেতু ও রউনক রিপনসহ অনেকে।

নাটকটির জন্য তিন দিন পুরো ট্রেন ভাড়া করা হয়েছিল
‘শ্বাপদ’ নাটকের দৃশ্যে শবনম ফারিয়া, এফ এস নাঈম ও তারিক আনাম খান। ছবি: সংগৃহীত

নাটকটির জন্য শিল্পী-কলাকুশলীরা যে পরিশ্রম করেছেন, সে কথা উল্লেখ করতে গিয়ে পিকলু চৌধুরী বলেন, ‘একদিন এমন হয়েছে, বিকেল ৪টা থেকে পরের দিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত একটানা শুটিং করেছেন তারিক আনাম খান ও শতাব্দী ওয়াদুদ।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যেই নাটকটির দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর নাটকটি প্রচার হবে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে।

পিকলু জানান, নাটকের এই গল্প তারা শুনেছেন ঘটনার সাক্ষী ওয়াজিউল্লাহর মেয়ে লুৎফুন্নেসা এবং নাতি রাশেদুল আউয়ালের কাছে।

ওয়াজিউল্লাহ চৌধুরী ১৯৭১ সালে পাকিস্তান রেলওয়েতে বিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্ত্রী, দুই ছেলে, মেয়ে এবং মাকে নিয়ে ছিল তার পরিবার।

শেয়ার করুন

দুই দিনে ১০ কোটি রুপি ব্যবসা করল সালমানের ‘অন্তিম’

দুই দিনে ১০ কোটি রুপি ব্যবসা করল সালমানের ‘অন্তিম’

‘অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ’ সিনেমার পোস্টারে সালমান খান। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবারের চেয়ে শনিবার সামান্য পরিমাণ আয় বেড়েছে সিনেমাটির। আর রোববারও যদি সিনেমাটি একইরকম আয় করতে পারে তাহলে ব্যবসার দিক দিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে 'অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ’।

চলচ্চিত্র সমালোচক থেকে দর্শক, সবার মন জয় করে নিয়েছে সালমান খান ও তার ভগ্নিপতি আয়ুশ শর্মার নতুন সিনেমা অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ। দুই দিনেই সিনেমাটি প্রায় ১০ কোটি রুপির ব্যবসা করেছে।

মুক্তির দিন শুক্রবার থেকে শনিবার ছুটির দিন সামান্য বেশি দর্শক সমাগম হয়েছিল প্রেক্ষাগৃহে।

মনে করা হচ্ছে, রোববার এই আয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে। মুক্তির দিনে ৪ দশমিক ২৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ কোটি রুপির ব্যবসা করে সিনেমাটি।

আর শনিবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫ দশমিক ২৫ কোটি থেকে ৫ দশমিক ৫ কোটি রুপি। অর্থাৎ দুই দিনে প্রায় ১০ কোটি রুপি আয় করেছে সিনেমাটি। মনে করা হচ্ছে, রোববার ৬ কোটির কাছাকাছি আয় করবে অন্তিম

বক্সঅফিসইন্ডিয়া ডটকমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘শুক্রবারের চেয়ে শনিবার ব্যবসার পরিমাণ সামান্য বেড়েছে। যা থেকে বোঝা যায়, শুধু স্টার ভ্যালু নয়, গল্পের জন্যও দর্শক প্রেক্ষাগৃহে আসছেন। আর রোববারও যদি সিনেমাটি একইরকম আয় করতে পারে তাহলে ব্যবসার দিক দিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ।’

দীর্ঘদিন পর সালমানের সিনেমা মুক্তি পাওয়াতে উৎসবে মেতেছেন তার ভক্তরা। শনিবার এক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা চলাকালীন আতশবাজি ফাটান অভিনেতার ভক্তরা। যা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সালমান। হাত জোড় করে সাবধান হতে বলেন ভক্ত ও হল মালিকদের।

শেয়ার করুন

র-এর এজেন্ট হচ্ছেন মিম

র-এর এজেন্ট হচ্ছেন মিম

চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ছবি: সংগৃহীত

মিম বলেন, ‘আমি খুব এক্সাইটেড। কারণ সিনেমাটি নিয়ে সবার মতো আমারও উত্তেজনা আছে। চরিত্রটিও অনেক চ্যালেঞ্জিং। দেশের বাইরে অধিকাংশ শুটিং হবে। আর এটা একটা আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট। সব মিলিয়ে ভালোলাগাটা বেশি।’

দেশের তুমুল জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র মাসুদ রানা। উপন্যাসে মাসুদ রানার প্রমিকা সোহানার উল্লেখ নেই। তবে যে নারীর প্রতি মাসুদ রানা দুর্বল হয়ে পড়েন, তার নাম সুলতা এবং তিনি র-এর এজেন্ট।

এ চরিত্রটির জন্য শোনা গেছে বলিউডের শ্রদ্ধা কাপুর ও ইসাবেলা কাইফের নাম। শেষমেশ সবাইকে উড়িয়ে দিয়ে চরিত্রটি নিয়ে নিলেন দেশের অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। এম আর নাইন সিনেমায় সুলতা চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।

১৩ নভেম্বরের দিকে সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মিম।

মিম বলেন, ‘আমি খুব এক্সাইটেড। কারণ সিনেমাটি নিয়ে সবার মতো আমারও উত্তেজনা আছে। চরিত্রটিও অনেক চ্যালেঞ্জিং। দেশের বাইরে অধিকাংশ শুটিং হবে। আর এটা একটা আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট। সব মিলিয়ে ভালোলাগাটা বেশি।’

মিম জানান, ফেব্রুয়ারি থেকে সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার কথা। সেই সময় নাকি তার আরেক সিনেমা পথে হলো দেখার শুটিং থাকবে। তাই শুটিং শিডিউল মিলিয়ে নিতে হবে তার।

মিম আরও বলেন, ‘আমাকে কিছু ফাইট শিখতে বলা হয়েছে, সেগুলো শুরু করে দেব শিগগিরই।’

মাসুদ রানা উপন্যাস সিরিজের ‘ধ্বংস পাহাড়’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এম আর নাইন। এটি পরিচালনা করবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হলিউডের পরিচালক আসিফ ইকবাল।

সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত আছেন বিদেশের অনেক নামকরা কলাকুশলী। সিনেমাটি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হবে। মাসুদ রানা চরিত্রে অভিনয় করবেন এবিএম সুমন।

মাসুদ রানা উপন্যাস সিরিজের ‘ধ্বংস পাহাড়’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে আরও একটি সিনেমা। যেটাকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশি সংস্করণ। অন্য শিল্পীদের নিয়ে সেটি পরিচালনা করছেন সৈকত নাসির।

শেয়ার করুন

বিয়ে করছেন সোনাক্ষী, পাত্র কে

বিয়ে করছেন সোনাক্ষী, পাত্র কে

বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। ছবি: সংগৃহীত

২০১২ সাল থেকে বান্টির সঙ্গে সম্পর্কে সোনাক্ষী। নিজেদের মুখে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি কেউই, তবে বলিউডের বিভিন্ন পার্টিতে একসঙ্গে হাজির হন তারা।

বলিউডজুড়ে যেন বিয়ের মৌসুম। কয়েক দিন আগেই বিয়ে করেন রাজকুমার রাও-পত্রলেখা।

ক্যাটরিনা-ভিকির বিয়ের খবরে সরগরম ইন্ডাস্ট্রি । শোনা যাচ্ছে, ডিসেম্বরে প্রথম সপ্তাহেই বিয়ে সারবেন এ তারকা জুটি। আর রণবীর-আলিয়ার গাঁটছড়া বাঁধার গুঞ্জন এখনও চলছে।

এবার শোনা যাচ্ছে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন সোনাক্ষী সিনহা। পুরোনো প্রেমিকের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়তে রাজি হয়েছেন দাবাং অভিনেত্রী।

সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, তার বয়ফ্রেন্ড সেলিব্রেটি ম্যানেজার বান্টি সাজদেহকে বিয়ে করতে মত দিয়েছেন অভিনেত্রী।

২০১২ সাল থেকে বান্টির সঙ্গে সম্পর্ক সোনাক্ষীর। নিজেদের মুখে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি কেউই, তবে বলিউডের বিভিন্ন পার্টিতে একসঙ্গে হাজির হন তারা।

খবরে বলা হয়েছে, সোনাক্ষীর পরিবারও মেয়ের জন্য আদর্শ পাত্র হিসেবে বান্টিকে বেশ পছন্দ করে।

বিয়ে করছেন সোনাক্ষী, পাত্র কে
সোনাক্ষী সিনহা ও বান্টি সাজদেহ। ছবি: সংগৃহীত

বান্টি সালমান খানের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। খান পরিবারের সূত্রেই সোনাক্ষীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। সালমানের ছোট ভাই সোহেল খানের স্ত্রী সীমা খানের ভাই বান্টি।

একই সঙ্গে বিরাট কোহলি ও যুবরাজ সিংয়ের বন্ধুও বান্টি। প্রায়ই একসঙ্গে পার্টি করতে দেখা যায় তাদের।

দাবাং সিনেমার শুটিং চলাকালেই সোনাক্ষী ও বান্টির সম্পর্ক গড়ে উঠে। মাঝে ২০১৬ সালে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, ফাটল ধরা সম্পর্ককে জোড়া লাগিয়েছেন তারা।

সোনাক্ষীর ঘনিষ্ঠ সূত্রটি বলছে, বিয়ের এখনও ঢের দেরি। আগামী বছর তো নয়ই, বরং ২০২৩ কিংবা ২০২৪ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন তারা।

শেয়ার করুন

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী

বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি ওমর সানী ও মৌসুমী। ছবি: সংগৃহীত

সানী বলেন, ‘একটা জিনিস খুবই শুনছি, এ ওর সঙ্গে কাজ করবে না, এ থাকলে ও কাজ করবে না। আমি সুপারস্টার, আমি মেগাস্টার, আমি অমুক-তমুক। এই মনোভাব খুব খারাপ।’

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভনেতা ওমর সানি। সম্প্রতি একাই দিন কাটাচ্ছেন এ মহানগরে। তার স্ত্রী দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী দেশে নেই। তাদের মেয়ে ফাইজা রয়েছে তার মায়ের সঙ্গে।

কিছুটা সময় পেয়েই সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডা দেন এ অভিনেতা। ২৩ নভেম্বর ওমর সানি কথা বলেন নিউজবাংলার সঙ্গে।

হঠাৎ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার কারণ জানিয়ে সানী বলেন, ‘আমার আর মৌসুমীর এ জিনিসটা মিলে গেছে। আমরা সব সময় ফিল করি আমাদের কাছের মানুষদের। অনেক দিন ধরেই আমাদের অনেক শিল্পীর সঙ্গে দেখা হয় না, অনেক টেকনিশিয়ানের সঙ্গে দেখা হয় না, অনেক সাংবাদিকের সঙ্গে দেখা হয় না। এ থেকে মনে হলো একটা ব্যবস্থা করেই ফেলি। সব সময় যে এজেন্ডা থাকতে হবে, তা নয়।’

অভিনেত্রী মৌসুমী এখন আছেন আমেরিকার আটলান্টায়, সঙ্গে রয়েছেন তাদের মেয়ে। সানী জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই মৌসুমী দেশে ফিরবেন।

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী
স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে ওমর সানী। ছবি: সংগৃহীত

কিছুদিন আগে মৌসুমীর জন্মদিন গেছে। সে সময় মৌসুমী ও সানী ছিলেন দুই দেশে। সানী বলেন, ‘মৌসুমীর বিশেষ দিনে আমরা একসঙ্গে থাকতে পারিনি। তাই বলতে চাই, তার জন্য একটি সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে।’

মৌসুমী এবং তার মেয়ের আমেরিকা সফরের কারণে অনেকেরই মনে হচ্ছে যে মৌসুমী-ওমর সানী হয়তো ধীরে ধীরে দেশের বাইরে চলে যাবেন। সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন সানী।

তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, আমার মেয়ে আমেরিকান পাসপোর্ট হোল্ডার। আমাদের মাল্টিপল আছে। আমার শাশুড়ি থাকে আমেরিকাতে, দুই শ্যালিকা আমেরিকায় থাকে। আমার ছেলের স্ত্রী, ওর নাম আয়েশা, সে কানাডিয়ান সিটিজেন।

‘একটা হাসির ঘটনা বলি। আমি আমার ছেলের স্ত্রীর পরিবারকে বলেছি, আমার ছেলেকে বিয়ে করতে হলে কিন্তু এখানে (দেশে) সেটেল হতে হবে। তারা রাজি হয়েছে। আয়েশা কানাডাতে বড় হয়েছে, বাট এই কয়েক দিন আগে সে কানাডা থেকে ফিরেছে। আবার কানাডা কবে যাবে, সেই সুযোগ কবে পাবে জানে না।’

দেশে থাকা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়ে সানী বলেন, ‘এই দেশটি হচ্ছে আমার। এই দেশ ওমর সানীকে অনেক কিছু দিয়েছে। আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। এই দেশ আমাদের যশ-খ্যাতি, এক নম্বর, সুপারস্টার, সুপার সুপার বাম্পার হিট সিনেমার হিরো বানিয়েছে। এই দেশ থেকে আমি কোথাও যাব না। আমি আজকেই ওয়াদা করতে চাই, এই দেশের নাগরিক হিসেবে আমি আমেরিকান পাসপোর্ট কখনোই নেব না, কানাডার পাসপোর্ট কখনোই নেব না। আমি বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে মরে যাব এবং আমি চাইব, শেষ আয়োজন যেন এই বাংলার মাটিতেই হয়।’

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী
ছেলে ফারদিন ও তার স্ত্রী আয়েশার সঙ্গে ওমর সানী। ছবি: সংগৃহীত

আলোচনায় একমাত্র ছেলে ফারদিনকে নিয়েও কথা বলেন এ অভিনেতা। তিনি জানান, ফারদিন লেখাপড়া করেছে ফিল্ম অফ টেকনোলজিতে; কিন্তু আপাতত ব্যবসাতে মনোযোগ তার।

সানী বলেন, ‘আমার ছেলে ফারদিন হলিউডের দু-একটি ছবিতে পাঁচ নম্বর চার নম্বর অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছে। এখনকার চলচ্চিত্রের অবস্থার কথা চিন্তা করে এ মুহূর্তে নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে না সে। আমি সব সময় চাইব আমার ছেলে কোনো একটি সিনেমা বানাক। সেই সিনেমায় অবশ্যই আমি আমার ছেলেকে কাঙালের মতো বলব, তুই আমাকে রাখিস তোর মাকে রাখিস।’

ওমর সানী আজ যা কিছু তা সবই চলচ্চিত্রের জন্য। তাই তিনি চান চলচ্চিত্রের সম্মান, মর্যাদা যেন রক্ষা করতে পারেন তিনি। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু শিল্পী ও কলাকুশলীর জন্য হেয় হতে হয় চলচ্চিত্রের মানুষদের। সবাইকে এক রকম না ভাবার অনুরোধ করেন সানী।

চলচ্চিত্রে নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়। সানী চান সেই নেতৃত্বে যেতে। এর চেয়েও বেশি চান মৌসুমীকে শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে দেখতে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ফিল্ম ক্লাবের এখন রানিং প্রেসিডেন্ট, আরও একটা টার্ম নির্বাচন করতে চাই। বড় পরিসরেও আমি আমাকে দেখতে চাই। আমি মৌসুমীকে দেখতে চাই, মৌসুমী যেন শিল্পী সমিতির কোনো একবার প্রেসিডেন্ট হোক।’

আসছে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না জানিয়ে সানী বলেন, ‘আমি অকপটেই বলতে চাই, এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আমি কোনো প্রার্থী না। মৌসুমীরও আহামরি কোনো কিছুর ইচ্ছা নাই, আবার ইচ্ছা আছে। ইচ্ছা হলে প্রার্থী হবে। আর তা না হলে আমি আর মৌসুমী গিয়ে শুধু ভোট দিয়ে চলে আসব।’

সংগঠন আর নির্বাচন নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, ঝগড়া-বিবাদ না করে সিনেমা বানাতে হবে বলে মনে করেন এ অভিনেতা। সিনেমা বানিয়ে প্রডিউসার বাঁচাতে হবে, প্রডিউসার বাঁচলে শিল্পীরা বাঁচবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ মুহূর্তে কোনো সুপারস্টার নেই উল্লেখ করে সানী বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবাই মিলে একটা সুপারস্টার তৈরি করতে হবে। একা কাউকে আমি স্টার, সুপারস্টার বলি না, এই মুহূর্তে না। এই মুহূর্তে কেউ যদি নিজেকে সুপারস্টার দাবি করে, একমাত্র আমি প্রতিবাদ করছি, সবাই মিলে আমরা স্টার, সবাই মিলে আমরা সুপারস্টার।’

সিনেমায় নতুন এক সংকটের কথা উল্লেখ করে সানী বলেন, ‘একটা জিনিস খুবই শুনছি, এ ওর সঙ্গে কাজ করবে না, এ থাকলে ও কাজ করবে না। আমি সুপারস্টার, আমি মেগাস্টার, আমি অমুক-তমুক। এই মনোভাব খুব খারাপ।’

ওমর সানী সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন যেন মানুষের সুপিরিয়র ভাবটা চলে যায়। সবার মানসিকতা যেন খুব কাছাকাছি হয়।

শেয়ার করুন

‘মাইলস’র কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে ব্যান্ড ছাড়লেন শাফিন

‘মাইলস’র কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে ব্যান্ড ছাড়লেন শাফিন

ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

নিজের প্রত্যাশা জানিয়ে শাফিন বলেন, ‘মাইলস এর যে পজিশন এখন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করতে না পারি তাহলে মাইলস এর কার্যক্রম এখানেই স্থগিত করা উচিত এবং এটাই আমি মনে করি বেস্ট ডিসিশন।’

দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল মাইলস থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন দলটির ভোকাল এবং বেজ গিটারিস্ট শাফিন আহমেদ। শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

ভিডিও বার্তায় শাফিন বলেন, ‘আমি শাফিন আহমেদ আজকে আপনাদের সামনে কিছু কথা বলতে এসেছি। মাইলস এর সঙ্গে আমার পথ চলা সেই ১৯৭৯ সাল থেকে। বহু বছর পার হয়ে গেছে, অনেক বছর সময় দিয়েছি, শ্রম দিয়েছি এবং অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ হয়েছে।

‘মাইলস এর যে অবস্থান আজকে, এটার পেছনে আমার কতটুকু অবদান সেটা আপনাদের অনেকেই জানেন। তবে একটা সিদ্ধান্ত নিতে আমি বাধ্য হয়েছি সম্প্রতি। সেটা হচ্ছে, এ বছরের শুরুতে আমি সিদ্ধান্ত নেই যে, মাইলস এর বর্তমান লাইন-আপের সঙ্গে মিউজিকের কোনো কার্যক্রম করা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না।

‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি এই লাইন-আপের সঙ্গে মিউজিক করা থেকে বিরত থাকব। তবে সংগীতজগতে আমার পথ চলা খুব স্বাভাবিক এবং আগের মতোই থাকবে। আমাকে স্টেজেও পাওয়া যাবে, রেকর্ডিংয়েও পাওয়া যাবে।’

নিজেরর প্রত্যাশা জানিয়ে শাফিন বলেন, ‘আমার একটা প্রত্যাশা থাকবে, সেটা হচ্ছে যে মাইলস নামটার কোনো অপব্যবহার যেন না হয়। মাইলস কে নিয়ে আমরা ৪০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছি খুব গ্লোরিয়াসভাবে, খুব রেসপেক্টফুলি। মাইলস এর যে পজিশন এখন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করতে না পারি তাহলে মাইলস এর কার্যক্রম এখানেই স্থগিত করা উচিত এবং এটাই আমি মনে করি বেস্ট ডিসিশন।

‘সুতরাং আমার প্রত্যাশা থাকবে অন্য কেউ যেন মাইলস নামটা ব্যবহার না করে। এটুকুই আমার বলার ছিল ভাল থাকবেন সবাই।’

শাফিন আহমেদ ছাড়া মাইলস ব্যান্ডের লাইন-আপ- হামিন আহমেদ (ভোকাল ও গিটার), মানাম আহমেদ (ভোকাল ও কি-বোর্ড), ইকবাল আসিফ জুয়েল (ভোকাল ও গিটার), সৈয়দ জিয়াউর রহমান তূর্য (ড্রামস)।

শেয়ার করুন

করোনা: হাসপাতালে ভর্তি রহমত আলী ও জলি

করোনা: হাসপাতালে ভর্তি রহমত আলী ও জলি

নাট্যব্যক্তিত্ব রহমত আলী ও ওয়াহিদা মল্লিকা জলি। ছবি: সংগৃহীত

অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম বলেন, ‘রহমত ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা এখন ভালো, তিনি কথাবার্তা বলছেন। জলি আপার অবস্থা একটু খারাপ, তিনি তেমনভাবে কথাবার্তাও বলতে পারছেন না। তবে সব মিলিয়ে তারা দুজনই আগের চেয়ে ভালো আছেন।’

বর্ষীয়ান অভিনয়শিল্পী দম্পতি রহমত আলী ও ওয়াহিদা মল্লিকা জলি করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন।

খবরটি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম।

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ নভেম্বর তাদের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। বাসা থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তারা, কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপের দিকে গেলে গত ২২ তারিখ তাদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।’

তাদের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে নাসিম বলেন, ‘রহমত ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা এখন ভালো, তিনি কথাবার্তা বলছেন। জলি আপার অবস্থা একটু খারাপ, তিনি তেমনভাবে কথাবার্তাও বলতে পারছেন না। তবে সব মিলিয়ে তারা দুজনই আগের চেয়ে ভালো আছেন।’

নাট্যব্যক্তিত্ব রহমত আলী ও জলি দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক।

শেয়ার করুন