রীতি ভেঙে মুক্তি পাচ্ছে আমিরের সিনেমা

রীতি ভেঙে মুক্তি পাচ্ছে আমিরের সিনেমা

লাল সিং চাড্ডা সিনেমার নতুন পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

আমির খান প্রোডাকশন নামের ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সঙ্গে পোস্ট করা হয়েছে নতুন একটি পোস্টার। যেখানে আমিরের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে কারিনা কাপুরকে।

আমির খান হলেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট। তার সিনেমা মানেই বলিউড ধামাকা। বলিউডের বাইরেও আমিরের সিনেমার জনপ্রিয়তা প্রচুর।

আমির খানের সিনেমা মুক্তির একটি রীতি রয়েছে। সেটি হলো, প্রতি বছর খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘বড় দিন’ (ক্রিসমাস) উপলক্ষ্যে সিনেমা মুক্তি দেন আমির। বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের ২৫ তারিখে উদযাপিত হয় বড় দিন; আমিরের সিনেমা সেই দিন বা আগে পরে মুক্তি পায়।

কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম হচ্ছে। করোনার কারণে কয়েক দফা পরিবর্তন হয়েছে আমিরের লাল সিং চাড্ডা সিনেমার শুটিং। এর মধ্যে সিনেমার অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান মা হয়েছেন; তার জন্যও সময় লেগেছে। কাজ শেষ না হওয়ায় ডিসেম্বরে মুক্তি দেয়া যাচ্ছে না সিনেমাটি।

তাই ভক্ত-দর্শকদের তিনি মানা করেছেন সিনেমাটি ডিসেম্বরে মুক্তির আশা না করে থাকতে। সঙ্গে দিয়েছেন আনন্দের সংবাদও।

সেটি হলো, ক্রিসমাসে না এলেও লাল সিং চাড্ডা আসছে বৈশাখে। সিনেমাটির মুক্তির নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ এপ্রিল। রীতি ভেঙে এই প্রথম বৈশাখে আসছে আমির খানের সিনেমা।

আমির খান প্রোডাকশন নামের ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সঙ্গে পোস্ট করা হয়েছে নতুন একটি পোস্টার। যেখানে আমিরের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে কারিনা কাপুরকে।

মুক্তির তারিখ জানিয়ে সিনেমার পোস্টারে লেখা আছে, বৈশাখী ২০২২, এপ্রিল ১৪।

লাল সিং চাড্ডা সিনেমাটি ইংরেজি ভাষার বিখ্যাত সিনেমা ফরেস্ট গাম্প এর বলিউড রিমেক। ফরেস্ট গাম্প সিনেমায় অভিনয় করেন খ্যাতনামা অভিনেতা টম হ্যাঙ্কস।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মুক্তিযুদ্ধে নারীর সংগ্রামের সিনেমা ‘কালবেলা’

মুক্তিযুদ্ধে নারীর সংগ্রামের সিনেমা ‘কালবেলা’

‘কালবেলা’ সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা। ছবি: নিউজবাংলা

কালবেলা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে একজন নারীর সংগ্রামের কাহিনি নিয়ে নির্মিত। পাশাপাশি চলচ্চিত্রে ফুটে উঠেছে যুদ্ধকালীন সাধারণ মানুষের আশ্রয়ের সন্ধানে অনিশ্চিত যাত্রা, পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসরদের নির্মমতা এবং যুদ্ধকালীন সামাজিক অস্থিরতা।

মুক্তিযোদ্ধা, বরেণ্য চলচ্চিত্রকার এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইদুল আনাম টুটুলের সর্বশেষ নির্মাণ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কালবেলা

চলচ্চিত্রটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এবং প্রযোজনা সংস্থা ‘আকার’-এর ব্যানারে নির্মিত।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং প্রযোজনা সংস্থার আয়োজনে বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কালবেলা চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী।

চলচ্চিত্রটি ১০ ডিসেম্বর ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার সিনেমা এবং চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

কালবেলা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে একজন নারীর সংগ্রামের কাহিনি নিয়ে নির্মিত। পাশাপাশি চলচ্চিত্রে ফুটে উঠেছে যুদ্ধকালীন সাধারণ মানুষের আশ্রয়ের সন্ধানে অনিশ্চিত যাত্রা, পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসরদের নির্মমতা এবং যুদ্ধকালীন সামাজিক অস্থিরতা।

চলচ্চিত্রটির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাহমিনা অথৈ এবং শিশির আহমেদ। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাসুম বাশার, মিলি বাশার, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, লুৎফর রহমান জর্জ, শেখ মাহবুবুর রহমান, সায়কা আহমেদ, জুলফিকার চঞ্চল, কোহিনুর আলম তানভীরসহ অনেকে।

মুক্তিযুদ্ধে নারীর সংগ্রামের সিনেমা ‘কালবেলা’
কালবেলা সিনেমার পোস্টার। ছবি: নিউজবাংলা

চলচ্চিত্রটির শুটিং শেষ হওয়ার পরপরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর মারা যান নির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুল। তার মৃত্যুর ৩ বছর পর মুক্তি পেতে যাচ্ছে কালবেলা

সাইদুল আনাম টুটুলের জন্ম ১৯৫১ সালের ১ এপ্রিল একটি উদার প্রগতিশীল পরিবারে। শৈশব থেকে তিনি রেডিও এবং টেলিভিশনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং শরণার্থী শিবিরে সাংস্কৃতিক দলের কর্মী ছিলেন।

১৯৭৬ সালে পুনা ফিল্ম ইনস্টিটিউট থেকে চলচ্চিত্র সম্পাদনায় ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন। সূর্য দীঘল বাড়ি চলচ্চিত্র সম্পাদনার জন্য ১৯৭৯ সালে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ঘুড্ডি, দহন, দুখাই, দীপু নাম্বার টুসহ বেশ কিছু সিনেমা সম্পাদনা করেন তিনি।

এ ছাড়া তিনি বেশ কিছু টেলিভিশন নাটক নির্মাণ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাল পিরান, সুখের নোঙর, গল্পের শেষ আছে, দক্ষিণের ঘর

মুক্তিযুদ্ধে নারীর সংগ্রামের সিনেমা ‘কালবেলা’
ছবিতে নির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুল। ছবি: নিউজবাংলা

১৯৮২ সাল থেকে বিভিন্ন জাতীয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চলচ্চিত্র বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন।

২০০০ সালে মুক্তি পায় তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা আধিয়ার। তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত সিনেমাটি সব মহলে প্রশংসিত হয়।

শেয়ার করুন

সাকিব-রাকিবুলকে নিয়ে সিনেমা না হওয়ায় অবাক সৃজিত

সাকিব-রাকিবুলকে নিয়ে সিনেমা না হওয়ায় অবাক সৃজিত

ক্রিকেটার রাকিবুল হাসান (বাঁয়ে), পরিচালক সৃজিত মুখার্জি (মাঝে) ও সাকিব আল হাসান। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

সৃজিত বলেন, ‘সাকিবকে নিয়ে এখনও কোনো সিনেমা হয়নি কেন সেটা নিয়েই আমি আশ্চর্য। এ রকম একজন অলরাউন্ডারকে নিয়ে সিনেমা বানানোর জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যাবে ভেবেছিলাম কিন্তু এখনও বানানো হয়নি। আমার অবশ্যই আগ্রহ থাকবে তাকে নিয়ে কাজ করার জন্য।’

উন্নয়নকর্মী, অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও তার স্বামী কলকাতার জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি এখন ঢাকায়। তারা বুধবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দেখতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচ।

সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থান, সাকিব আল হাসান ও রাকিবুল হাসানকে নিয়ে কেন এখনও সিনেমা নির্মিত হয়নি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

সৃজিত বলেন, ‘সাকিবকে নিয়ে এখনও কোনো সিনেমা হয়নি কেন সেটা নিয়েই আমি আশ্চর্য। এ রকম একজন অলরাউন্ডারকে নিয়ে সিনেমা বানানোর জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যাবে ভেবেছিলাম কিন্তু এখনও বানানো হয়নি। আমার অবশ্যই আগ্রহ থাকবে তাকে নিয়ে কাজ করার জন্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু সাকিবই নয়, রাকিবুল হাসানের যে ঘটনা, ব্যাটে জয় বাংলা লিখে প্রতিবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্রিকেট নিয়ে যে ঘটনা, সেটা নিয়েও কাজ করার ইচ্ছা আছে আমার।’

সাকিব-রাকিবুলকে নিয়ে সিনেমা না হওয়ায় অবাক সৃজিত
স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টেস্ট খেলা দেখতে মিথিলা-সৃজিত। ছবি: সংগৃহীত

তবে এ নিয়ে কারও সঙ্গে কোনো প্রকার কথা হয়নি সৃজিতের। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশে ক্রিকেটের যে উত্থান সেটাও রূপকথার চেয়ে কম নয় বলে মনে করেন সৃজিত।

ক্রিকেটপাগল সৃজিত সব সময় খেলা দেখেন। কীভাবে যেন সিনেমায় চলে এসেছেন, ক্রিকেটে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল পরিচালকের। তার প্রথম ১০টি পছন্দের মধ্যে সিনেমা থাকবে না বলেও জানান তিনি।

নিজের দেখা অলরাউন্ডারদের মধ্যে সাউথ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস ও বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানকে এগিয়ে রাখতে চান সৃজিত মুখার্জি।

সৃজিত খেলা পছন্দ করলেও মিথিলা বেশি একটা খেলা পছন্দ করেন না। বাংলাদেশের খেলা হলে কিছু সময় হয়তো সেটা দেখেন কিন্তু নিজেকে ক্রিকেট ভক্ত বলতে নারাজ এ অভিনেত্রী।

শেয়ার করুন

‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমার সেন্সর আলাপ নিয়ে কনটেন্ট

‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমার সেন্সর আলাপ নিয়ে কনটেন্ট

মোস্তফা মনোয়ার ও জহির রায়হান। ছবি: সংগৃহীত

অনীম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা নিয়ে আমাদের চিত্রনাট্যকারের নিজস্ব গবেষণা রয়েছে। তবে আমরা সিনেমায় যেটা দেখিয়েছি তা পুরোটা কিন্তু অ্যাকচুয়াল ঘটনা না। কিছু ফিকশনও রয়েছে।’

জহির রায়হান নির্মিত সিনেমা জীবন থেকে নেয়া মুক্তি পায় ১৯৭০ সালে। সিনেমাটি মুক্তির এক দিন পরেই সিনেমা হলে প্রদর্শন বন্ধের আদেশ দেয় পশ্চিম পাকিস্তান সরকার।

সিনেমাটি প্রদর্শনের জন্য অনেকবার তৎকালিন সরকারের সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে অনেকবার বসতে হয়েছে কিংবদন্তি এ পরিচালককে।

কেমন ছিল সেসব কথা। তা নিয়ে নির্মিত হয়ে কনটেন্ট, নাম লাইট, ক্যামেরা, অবজেকশন। এটি নির্মাণ করেছেন সালেহ সোবহান অনীম। আর এতে জহির রায়হান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনোয়ার।

ওয়েব প্ল্যাটফর্ম চরকি এর জাগো বাহে নামের অ্যন্থোলজি ফিল্মের তিনটি সিনেমার একটি লাইট, ক্যামেরা, অবজেকশন। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

পরিচালক বলেন, ‘সিনেমাটি সংলাপ নির্ভর। যা বলতে চেয়েছি তা সিনেমাতে করে রেখেছি। এখন দর্শকরা দেখার পর বাকিটা বোঝা যাবে।’

কিংবদন্তি পরিচালক জহির রায়হানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনোয়ার। তিনি বলেন, ‘এ মহান মানুষটি কীভাবে বসতেন, কথা বলতেন, আমি সেগুলো যে অনেক ফলো করেছি তা নয়। আমি তার ফিলসফিটা বা আদর্শটা বোঝার চেষ্টা করে অভিনয় করেছি।’

কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো, সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে জহির রায়হানের যে আলাপচারিতা, সেগুলোর রেফারেন্স কোথা থেকে পেলেন নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা।

এর জবাবে সালেহ সোবহান অনীম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা অনলাইনে কিছু পাওয়া যায়। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে আমাদের চিত্রনাট্যকারের নিজস্ব গবেষণা রয়েছে। তবে আমরা সিনেমায় যেটা দেখিয়েছি তা পুরোটা কিন্তু অ্যাকচুয়াল ঘটনা না। কিছু ফিকশনও রয়েছে।’

বাকি দুটি সিনেমা হলো শব্দের খোয়াববাংকার বয়। ৯ ডিসেম্বরে একটি কনটেন্ট মুক্তি পাবে। বাকি দুটি মুক্তি পাবে পরের দুই সপ্তাহে।

শেয়ার করুন

জন্মদিনে ‘ময়না’ চরিত্র পেলেন রাজ রিপা

জন্মদিনে ‘ময়না’ চরিত্র পেলেন রাজ রিপা

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী রাজ রিপা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

রাজ রিপা যে স্বপ্ন নিয়ে সিনেমা জগতে এসেছেন, তা যেন পূরণ হয়, সেই জন্য সবার কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন এ অভিনেত্রী।

নবীন অভিনেত্রী রাজ রিপা। দহন সিনেমায় অভিনয়ের পর মূল চরিত্রের অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করেছেন মুক্তি সিনেমায়। ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত সিনেমাটি এখনও মুক্তি পায়নি।

তাই বলে থেমে নেই রাজ রিপার নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়া। সম্প্রতি তিনি যুক্ত হয়েছেন নাম চূড়ান্ত না হওয়া একটি সিনেমায়। এটি নির্মাণ করছেন সোহেল রানা বয়াতি।

কবি, ঔপন্যাসিক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক, গবেষক এবং অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের উপন্যাস ‘১০,০০০, এবং আরো ১টি ধর্ষণ’ অবলম্বনে নির্মিত হবে সিনেমাটি। সাহিত্যিকের পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অনুমতিও নিয়েছেন নির্মাণসংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার ছিল অভিনেত্রী রাজ রিপার জন্মদিন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক জানান সিনেমায় ‘ময়না’ চরিত্রে অভিনয় করবেন রাজ রিপা।

পরিচালক সোহেল রানা বয়াতি বলেন, ‘এটি কোনো নায়ক-নায়িকানির্ভর সিনেমা নয় বা নায়ক-নায়িকাকে আমরা যেভাবে দেখি, এখানে সেভাবে তাদের দেখা যাবে না। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সমাজের প্রতি আমার যে দায়বদ্ধতা, সেখান থেকেই কাজটি করা। আগামীতে আমরা সিনেমাটি নিয়ে আরও বিস্তারিত জানাব।’

রাজ রিপার জন্মদিন বলেই হয়তো তার চরিত্রটির নাম ঘোষণা করা হয়েছে অনুষ্ঠানে। সিনেমার অন্য বিষয়গুলো আরও বড় আয়োজন করে জানানোর কথা বলেন পরিচালক-প্রযোজক।

রাজ রিপা বলেন, ‘আমার মুক্তি সিনেমার ঘোষণা এসেছিল বিগত বছরের ৭ ডিসেম্বর। আরও একটি নতুন সিনেমা ও নতুন চরিত্রের কথা আপনাদের সামনে বলতে পারছি এ বছরের ৭ ডিসেম্বর। দোয়া করবেন, আমি যেন আমার প্রতি জন্মদিনেই এভাবে নতুন সিনেমার ঘোষণায় থাকতে পারি।’

রাজ রিপা যে স্বপ্ন নিয়ে সিনেমা জগতে এসেছেন, তা যেন পূরণ হয়, সেই জন্য সবার কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন এ অভিনেত্রী।

শেয়ার করুন

ঢাকার প্রেক্ষাগৃহে জাপানের অ্যানিমেশন সিনেমা

ঢাকার প্রেক্ষাগৃহে জাপানের অ্যানিমেশন সিনেমা

‘মাই হিরো একাডেমিয়া: ওয়ার্ল্ড হিরোস মিশন’ সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে এ সিনেমা। ৯ ডিসেম্বর স্টার সিনেপ্লেক্সের মহাখালী এসকেএস টাওয়ারে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে।

জাপানিজ অ্যানিমকে অনেকেই কার্টুন ভেবে ভুল করেন। আসলে এটি জাপানের বড় একটি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি উপহার দিয়েছে মনমাতানো সব অ্যানিম সিরিজ।

অনেকে এই অ্যানিমগুলোকে শিশুদের জন্য বানানো ভেবেও ভুল করে থাকেন। আসলে জাপানি অ্যানিমেশন এখন বয়স, লিঙ্গ, জাতির সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে সবার বিনোদনের উৎস হিসেবে।

প্রতিটি চলচ্চিত্রের সাধারণ সব কথোপকথনে লুকিয়ে আছে গোপন আর গভীর বার্তা। এই যে মোমোতারোস ডিভাইন সি ওয়ারিয়র্স চলচ্চিত্রের কথাই ধরা যাক। পরিচালক ওসামু তেজুকা জাপানি রূপকথা মোমোতারোকে সিনেমার পর্দায় তুলে আনলেন।

ছোট্ট মোমোতারো দৈত্যদের সঙ্গে লড়াই করতে যায়। আসলে এটি ছিল বিশ্বযুদ্ধে জাপানের তরুণ প্রজন্মকে অংশ নেয়ার আহ্বান। এমন আরও অনেক সিনেমা এবং পরিচালক আছেন, যারা এসব সিনেমাকে পরিচিত করেছেন বিশ্বব্যাপী।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে মাই হিরো একাডেমিয়া: ওয়ার্ল্ড হিরোস মিশন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জাপানের জনপ্রিয় নির্মাতা কেনিজ নাগাসাকি। যথারীতি এ ছবিটিও বেশ ভালোভাবে গ্রহণ করেছেন দর্শকরা।

জাপানের পর গেল অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। সেখানেও আশানুরূপ সাফল্য পাওয়া গেছে বলে বক্স অফিস রিপোর্টে জানা যায়।

এবার বাংলাদেশে আসছে মাই হিরো একাডেমিয়া: ওয়ার্ল্ড হিরোস মিশন। ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে এ সিনেমা।

৯ ডিসেম্বর স্টার সিনেপ্লেক্সের মহাখালী এসকেএস টাওয়ারে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন

এখন নিজেকে দেখেই অবাক লাগে সামান্থার

এখন নিজেকে দেখেই অবাক লাগে সামান্থার

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত

সামান্থা জানান, নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর ভেবেছিলেন তিনি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবেন, কিন্তু এখন তিনি নিজেকে যথেষ্ট শক্তিশালী নারী মনে করেন। আর সে জন্য তিনি গর্ব বোধ করেন।

দুই মাস আগেই ভারতের দক্ষিণী সিনেমার তারকা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিবাহিত জীবনের ইতি টানেন দ্য ফ্যামিলি ম্যান-টু অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু।

বিচ্ছেদের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা জানান দিলেও এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কখনো মুখ খুলতে দেখা যায়নি সামান্থা রুথ প্রভু কিংবা নাগা চৈতন্যকে।

ব্যক্তিগত সম্পর্কের মর্যাদা বজায় রাখতে দুজনকেই নীরব থাকতে দেখা গেছে, তবে অনেকেই এর জন্য সামান্থাকে দায়ী করতে শুরু করেন।

আঙুল ওঠে অভিনেত্রীর চরিত্রের ওপর। গুজব রটে, সামান্থা নাকি অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। তিনি গর্ভপাত করিয়েছেন বলেও গুঞ্জন রটে।

এসব নিয়ে দীর্ঘ জল্পনার জবাবে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি বার্তা পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী।

সেখানে সেসব গুঞ্জন অস্বীকার করে কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে ফেরার জন্য নিজের মতো সময় চেয়ে নেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে বিচ্ছেদ নিয়ে প্রথমবার মুখ খোলেন অভিনেত্রী।

এখন নিজেকে দেখেই অবাক লাগে সামান্থার
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত

সামান্থা জানান, নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর ভেবেছিলেন তিনি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবেন, কিন্তু এখন তিনি নিজেকে যথেষ্ট শক্তিশালী নারী মনে করেন। আর সে জন্য তিনি গর্ব বোধ করেন।

তিনি বলেন, ‘অনেক চিন্তা-ভাবনার পরই আমরা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিই।’

এখন নিজেকে দেখেই অবাক লাগে সামান্থার
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘এটা ঠিক যে, একটা খারাপ সময় চলছে। এটা বুঝতে হবে। মেনে নিতে হবে। কথাও বলতে হবে। আমাকে আমার জীবনটায় এখনও বাঁচতে হবে। আর এই বেঁচে থাকার মধ্যে এ সমস্ত ঘটনার প্রসঙ্গও আসবে। ব্যক্তিগত জীবনে কোন কোন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে, সেগুলো যেমন মনে রাখতে হবে, তেমনি আগামী দিনের ব্যক্তিগত জীবনটাও বাঁচাতে হবে।

‘আমার তো এখন নিজেকে দেখেই অবাক লাগে, এত শক্তিশালী আমি! আলাদা হয়ে যাওয়ার সময় ভেবেছিলাম আমি টুকরো টুকরো হয়ে মারা যাব। এমন একটা কঠিন সময় কাটানোর জন্য যতটা শক্তি দরকার, আমার মধ্যে ছিল না। আজ সত্যিই নিজের জন্য গর্ববোধ হয় যে, ওই কঠিন পরিস্থিতি আমি কীভাবে পেরিয়ে এসেছি তা ভেবে।’

এখন নিজেকে দেখেই অবাক লাগে সামান্থার
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত

২০১৭ সালের অক্টোবরে বিয়ে হয়েছিল সামান্থা রুথ প্রভু ও নাগা চৈতন্য আক্কিনেনির। অনেক দিন ধরেই তাদের দাম্পত্য কলহ নিয়ে বেজায় গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।

তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন এ দুই সুপারস্টার। গত ২ অক্টোবর বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন তারা।

জনপ্রিয় দুই অভিনেতার বিবাহিত জীবনে ইতি টানার ঘটনায় দুঃখ পেয়েছেন তাদের অগণিত ভক্ত-অনুরাগী।

শেয়ার করুন

মানুষ যা বলছে তা করি না, প্রমাণ হবে: ইমন

মানুষ যা বলছে তা করি না, প্রমাণ হবে: ইমন

চিত্রনায়ক ইমন। ফাইল ছবি

ইমন বলেন, ‘র‍্যাবের অফিসে গিয়েছিলাম। উনারা বলেছেন, ইস্যুটা তো অনেক বড়, একজন প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। সরকারের এত বড় একটা জায়গা থেকে তথ্য ফাঁস হয়ে গেল। আপনি কি ছাড়ছেন? উনারা এসব নিয়ে আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলেছেন। তারা বলেছেন, আপনার ওপর আমরা হ্যাপি। আপনি সত্যি কথা বলেছেন।’

প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটে র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে বের হয়েছেন চিত্রনায়ক ইমন। এর আগে বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়, অডিও ফাঁসসংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে ইমন র‍্যাব সদর দপ্তরে রয়েছেন।

সেখান থেকে বের হয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইমন কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে।

ইমন বলেন, ‘র‍্যাবের অফিসে গিয়েছিলাম। উনারা আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। উনারা বলেছেন, ইস্যুটা তো অনেক বড়, একজন প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। সরকারের এত বড় একটা জায়গা থেকে তথ্য ফাঁস হয়ে গেল। আপনি কি ছাড়ছেন?

‘এসব নিয়ে আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলছে। আমার ফোন তিন-চার ঘণ্টা তাদের কাছে ছিল। আমি যখন বের হইছি, তারা বলেছেন, আপনার ওপর আমরা হ্যাপি। আপনি সত্যি কথা বলেছেন।

‘সব চেক করে তারা বলেছেন, আপনি রাইট। আপনি ক্লিন। আর উনারা নিশ্চয়ই অন্য তথ্যগুলো জানেন। কোথায় কেমনে কী হইছে, সবই তো উনারা জানেন। তো সবকিছু মিলে তারা ভেরি হ্যাপি।’

ইমন বলেন, ‘বের হওয়ার পর আমি ফেসবুকে আলহামদুলিল্লাহ লিখেছি। মানুষজন যেগুলো বলতেছে, আমি এটা করি ওটা করি; তো সেটা যে আমি করি না, তা প্রমাণ হবে ইনশাআল্লাহ।’

শেয়ার করুন