জাদুঘরের নিদর্শন সুরক্ষায় বিল

জাদুঘরের নিদর্শন সুরক্ষায় বিল

বিলে জাদুঘরের নিদর্শনের ওপর খোদাই করলে বা লিখলে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বিলে বলা হয়, জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শন কেউ ধ্বংস বা ক্ষতি করলে ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার, ধ্বংস, নষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

জাদুঘরে সংরক্ষিত নিদর্শন ধ্বংস বা ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রেখে ‘জাতীয় জাদুঘর বিল, ২০২১’ নামে সংসদে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনের পঞ্চম দিন বৃহস্পতিবার বিলটি উত্থাপন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

পরে বিলটি পরীক্ষা করে রিপোর্ট দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলে বলা হয়, জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শন কেউ ধ্বংস বা ক্ষতি করলে ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার, ধ্বংস, নষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এ ছাড়া কেউ জাদুঘরের নিদর্শনের ওপর খোদাই করলে বা কিছু লিখলে সর্বোচ্চ এক বছরের জেল ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা হবে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী সামরিক শাসনামলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিলের ধারাবাহিকতায় এই বিলটি আনা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ রহিত করে নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

বিলে বলা আছে, জাদুঘরের পরিচালনায় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী। আর জাদুঘরের মহাপরিচালক সরকার নিয়োগ করবে।

আগের আইনে জাদুঘরের কিউরেটর পদ ছিল না, তবে সংসদে আনা বিলে কিউরেটরের পাশাপাশি সহকারী কিউরেটর পদও রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আর নেই

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আর নেই

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রফিকুল ইসলামকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ২৬ নভেম্বর বিকেলে তাকে হাসপাতালের হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আর নেই। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের সিনিয়র ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রফিকুল ইসলামকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ২৬ নভেম্বর বিকেলে তাকে হাসপাতালের হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

সে সময় চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তিনি ‘ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে’ আছেন। নিউমোনিয়ার সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় তিনি শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন।

পেটের ব্যথা নিয়ে গত ৭ অক্টোবর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি হন ৮৭ বছর বয়সী জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ফুসফুসে পানি ধরা পড়ে। তখন থেকে তিনি সেখানেই বক্ষব্যাধি (রেসপিরেটরি মেডিসিন) বিভাগের অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেনের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যরা রফিকুল ইসলামকে ভারতে নিয়ে যেতে চাইলেও তিনি রাজি হননি।

নজরুল গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম নজরুল অধ্যাপক এবং নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের প্রথম পরিচালক ছিলেন।

৮৭ বছর বয়সী এই ভাষাবিজ্ঞানী, লেখক ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। সেই সময়ের দুর্লভ আলোকচিত্রও ধারণ করেন তিনি।

বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের এই প্রত্যক্ষ সাক্ষী সেই সব ইতিহাস গ্রন্থিত করেছেন তার লেখায়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে প্রথম গ্রন্থ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাসের প্রথম গ্রন্থটিসহ প্রায় ৩০টি বই তার হাত দিয়ে এসেছে।

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের সাবেক উপাচার্য রফিকুল ইসলাম একসময় বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালে সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক করে নেয়।

স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, গবেষক ও লেখক ড. রফিকুল ইসলাম বেশ কয়েকটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২১ সালের ১৮ মে সরকার তাকে তিন বছরের জন্য বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব দেয়।

এই বছর মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন, বিকাশ, চর্চা, প্রচার-প্রসারে অবদান রাখায় তাকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক’ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন

প্রেম ও যৌনতা নিয়ে খোলামেলা বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীর মৃত্যু

প্রেম ও যৌনতা নিয়ে খোলামেলা বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীর মৃত্যু

জাকুশো সেতাওশি। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী হয়েও মদ্যপান এবং মাংস ভক্ষণ করতেন সেতাওশি। আর প্রত্যেক মানুষ বিশেষ করে নারীদের যৌন স্বাধীনতা থাকা উচিত বলে তিনি প্রকাশ্যেই মত দিতেন।

বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী হয়েও প্রেম আর যৌনতা নিয়ে জাকুশো সেতাওশি ছিলেন বেশ খোলামেলা। জীবদ্দশায় তিনি প্রায় চার শ উপন্যাস লিখেছেন। বলা হয়, প্রেম আর যৌনতায় ভরপুর এসব উপন্যাসের বেশিরভাগই ছিল তার নিজ জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে। এ ছাড়া তার অনুবাদ করা একাদশ শতকের একটি জাপানি রোমান্টিক ক্ল্যাসিক কয়েক মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে।

ব্যক্তিগত সহকারীর বরাত দিয়ে শনিবার নিউ ইয়র্ক টাইমস আলোচিত এই লেখিকার মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ করেছে। চলতি মাসেই জাপানের কিটো শহরে ৯৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন সেতাওশি।

যৌনতা নিয়ে বিতর্কিত বিভিন্ন লেখার জন্য সেতাওশির সমালোচকেরও অভাব ছিল না। সমালোচকরা তাকে ‘গদবাঁধা লেখিকা’ হিসেবে আখ্যায়িত করতেন।

তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সমালোচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- এক সন্তানসহ প্রথম স্বামীকে ত্যাগ করে নিজের চেয়ে কম বয়সী আরেকজনের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী হয়েও তিনি মদ্যপান এবং মাংস খেতেন। আর প্রত্যেক মানুষ, বিশেষ করে নারীদের যৌন স্বাধীনতা থাকা উচিত বলে তিনি প্রকাশ্যেই মত দিতেন।

যৌনতা বিষয়ে ১৯৯৯ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি এক্ষেত্রে স্বাধীন থাকাই ভালো। ইচ্ছা হলে, যে কোনো মানুষের সঙ্গেই সঙ্গম করা যেতে পারে।’

বয়স নব্বই হওয়ার পরও তিনি লেখালেখি চালু রেখেছিলেন। আর ওই বয়সে তিনি কিটোর একটি উপাসনালয়ে দর্শনার্থীদের ধর্মীয় উপদেশও দিতেন।

১৯৭৪ সালে উপাসনালয়টি তিনি নিজেই স্থাপন করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী ছিল তিন লাখের বেশি।

নিজের জীবনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপন্যাসে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি ইতিহাসের কুখ্যাত নারীদের জীবন নিয়েও তিনি লিখতেন। এসব কারণে কেউ কেউ তাকে ‘চটি লেখিকা’ হিসেবেও ডাকতেন।

সেতাওশির সবচেয়ে সাড়া জাগানো কাজ ছিল ‘দ্য টেল অব জেনঝি’-এর আধুনিক সংস্করণ বের করা। ২২০০ পৃষ্ঠার সুবিশাল এই উপন্যাসের আগের সংস্করণটি ছিল মূলত একাদশ শতকের একটি রোমান্টিক কাহিনি।

এই কাহিনীকে পৃথিবীর প্রথম উপন্যাস হিসেবে আখ্যায়িত করা ছাড়াও জাপানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাসও বলে থাকেন অনেকে। সেতাওশির অনুবাদ সংখ্যাটি ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত হলে এর ৩৫ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়।

প্রেম ও যৌনতা নিয়ে খোলামেলা বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীর মৃত্যু
১৯৭২ সালে জাকুশো সেতাওশি। পরের বছরই ৫১ বছর বয়সে বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী জীবন বেছে নেন তিনি। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

১৯২২ সালের ১৫ মে জাপানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তকুশিমায় জন্ম নেয়া সেতাওশির বাবা ছিলেন কাঠমিস্ত্রি এবং মা গৃহিনী।

টোকিওতে নারীদের একটি কলেজে জাপানি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করা সেতাওশি ১৯৪৩ সালে নয় বছরের সিনিয়র ইয়াসুশি স্যাকাওকে বিয়ে করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বেযুদ্ধের ডামাডোলে ১৯৪৪ সালে স্বামীকে চীনের বেইজিংয়ে নিযুক্ত করা হলে তিনিও সেখানেই অবস্থান করেন এবং কন্যা মিচিকোর জন্ম দেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগেই জাপানে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় আমেরিকান বোমার আঘাতে মারা যান সেতাওশির মা।

জাপানের একটি পত্রিকায় মায়ের স্মরণে একটি লেখা দিয়েই লেখালেখির জীবন শুরু তার। ১৯৪৬ সালে জাপানে ফিরলেও পরের বছরই তার সংসার ভাঙে। স্বামী ও কন্যাকে রেখে সেসময়ই তিনি কমবয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। পরের দিকে কন্যাকে ছেড়ে যাওয়ার ব্যপারটিকে তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় অনুশোচনার কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।

কম বয়সী প্রেমিকের সঙ্গেও খুব বেশিদিন ছিলেন না সেতাওশি। ১৯৫০ সালে তার প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে তিনি বেশ কয়েকজন বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হন। এসব সম্পর্কের ঘটনাপ্রবাহ ও যৌনতার বিষয়গুলো তার উপন্যাসগুলোতে উঠে এসেছে।

১৯৫৭ সালে একটি উপন্যাসের জন্য সাহিত্য পুরস্কার জিতে নেন সেতাওশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দুই জাপানি নারীর মধ্যে সম্পর্ক নিয়েই মূলত উপন্যাসটি লেখা হয়।

পরের বছর ‘দ্য কোর অফ অ্যা ফ্লাওয়ার’ নামে একটি উপন্যাস প্রকাশিত হলে তা নিয়ে বেশ শোরগোল তৈরি হয়। উপন্যাসের কাহিনিটি ছিল- স্বামীর বসের সঙ্গে এক নারীর সম্পর্ক নিয়ে। পরে উপন্যাসটিকে সমালোচকরা ‘চটি বই’ আখ্যা দিলে তিনিও কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন, ‘যারা এসব বলছে, তারা আসলে পুরুষত্বহীন, আর তাদের স্ত্রীরা নির্জীব।’

প্রেম ও যৌনতা নিয়ে খোলামেলা বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীর মৃত্যু
জীবনের শেষ দিনগুলোতেও নিজের প্রতিষ্ঠিত উপাসনালয়ে দর্শনার্থীদের উপদেশ বাণী শুনিয়ে গেছেন সেতাওশি। ছবি: জাপান টাইমস

এভাবে নানা চড়াই উৎরাই শেষে ১৯৭৩ সালে ৫১ বছর বয়সে পুরোপুরিভাবে বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীর জীবন বেছে নেন সেতাওশি। সন্ন্যাসিনী হলেও মদ কিংবা মাংসের মতো পার্থিব কিছু সুখ তিনি কখনোই ছাড়েননি।

কিটোতে তিনি একটি উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করলে সেখানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় শুরু হয়। তবে এসব দর্শনার্থীর বেশিরভাগই ছিলেন নারী। সম্পর্ক এবং আত্মা নিয়ে সেতাওশির উপদেশ তারা মন দিয়ে শুনতেন।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন

এবার জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে পুরস্কার পাবেন ১৩ শিল্পী

এবার জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে পুরস্কার পাবেন ১৩ শিল্পী

পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী নিয়ে রোববার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

এবার সারাদেশ থেকে ২১ বা তদুর্ধ্ব বয়সী ১৩৫ জন শিল্পীর ২৫৪ টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য জমা পড়ে। এর মধ্য থেকে নির্বাচকমণ্ডলী ১০৭ জন শিল্পীর মোট ১১৪ টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচন করেন। এছাড়া ১৭ জন আমন্ত্রিত এবং প্রয়াত ৫ জন পথিকৃৎ ভাস্করের একটি করে ভাস্কর্যও এই প্রদর্শনীতে স্থান পাবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ‘পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী’। প্রতিবার এ প্রদর্শনীতে ৫জন শিল্পীকে পুরস্কার দেয়া হলেও এবার এ পুরস্কার পাচ্ছেন ১৩ জন শিল্পী।

একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে সোমবার বিকেল ৪টায় এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

প্রদর্শনীর বিস্তারিত তুলে ধরে রোববার জাতীয় চিত্রশালা সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের এ তথ্য জানান একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

এবার সারাদেশ থেকে ২১ বা তদুর্ধ্ব বয়সী ১৩৫ জন শিল্পীর ২৫৪ টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য জমা পড়ে। এর মধ্য থেকে নির্বাচকমণ্ডলী ১০৭ জন শিল্পীর মোট ১১৪ টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচন করেন।

এছাড়া ১৭ জন আমন্ত্রিত এবং প্রয়াত ৫ জন পথিকৃৎ ভাস্করের একটি করে ভাস্কর্যও এই প্রদর্শনীতে স্থান পাবে।

প্রদর্শনীতে ১৭ জন আমন্ত্রিত ভাস্কর হলেন, ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান, অলক রায়, শামীম শিকদার, আইভি জামান, মজিবুর রহমান, রাসা, মাহবুব জামাল শামিম, সাইদুল হক জুইস, শেখ সাদি ভূইয়া, শ্যামল চৌধুরী, চৌধুরী জাহানারা পারভীন, রেজাউজ্জামান রেজা, মোস্তফা শরীফ আনোয়ার তুহিন, মাহবুবুর রহমান, প্রণবমিত্র চৌধুরী, মুকুল কুমার বাড়ৈ ও নাসিমা হক মিতু।

এছাড়াও প্রয়াত যে ৫ জন পথিকৃত ভাস্করের ভাস্কর্য থাকবে প্রদর্শনীতে তারা হলেন, ভাস্কর আব্দুর রাজ্জাক, আনোয়ার জাহান, নিতুন কুণ্ডু, সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ ও ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী।

প্রদর্শনীতে স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ভাস্কর্য কর্ণার থাকবে।

পুরস্কার হিসেবে থাকবে ‘পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য পুরস্কার-২০২১’ শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ১ টি। যার মূল্যমান ২ লাখ টাকা। ২য় পুরস্কারের মূল্যমান ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৩য় পুরস্কারের মূল্যমান ১ লাখ টাকা।

এছাড়াও ১০টি সম্মানসূচক পুরস্কার থাকবে। যার প্রতিটির মূল্যমান ৫০ হাজার টাকা। পুরস্কার প্রাপ্ত প্রত্যেককে একটি ক্রেস্ট ও একটি সনদপত্র প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার গ্যালারিতে ২৯ নভেম্বর থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এ প্রদর্শনী। প্রতিদিন সকাল ১১টা (শুক্রবার বিকাল ৩টা) থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে গ্যালারি।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন

এথনোফেস্টে হাসান কায়েশের ‘হাউস অফ লাইট’

এথনোফেস্টে হাসান কায়েশের ‘হাউস অফ লাইট’

হাউস অফ লাইট তথ্যচিত্রের পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

হাউস অফ লাইট একটি সংবেদনশীল নৃতাত্ত্বিক সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র। করোনা মহামারির সময় একটি পরিবার যখন ঢাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দি হয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, তখন সেই পরিবারের দৈনন্দিন জীবন নিয়েই নির্মিত তথ্যটিত্রটি।

এথেন্স এথনোগ্রাফিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল বা এথনোফেস্টে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র হাউস অব লাইট। এটি পরিচালনা করেছেন নির্মাতা ও সম্পাদক মাহমুদ হাসান কায়েশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হাউস অফ লাইট একটি সংবেদনশীল নৃতাত্ত্বিক সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র। করোনা মহামারির সময় একটি পরিবার যখন ঢাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে একসঙ্গে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, তখন সেই পরিবারের দৈনন্দিন জীবন নিয়েই নির্মিত তথ্যটিত্রটি।

উৎসবের ১২ তম আসর শুরু হয়েছে ২৫ নভেম্বর, চলবে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নৃবিজ্ঞানকে দৃশ্যের মাধ্যমে প্রচার করার জন্য ২০১১ সালে শুরু হয় এথনোফেস্ট। যার মধ‍্যদিয়ে নৃতাত্ত্বিক গবেষণা এবং শিক্ষার নানামাত্রিক দিককে তুলে আনার প্রচেষ্টা আয়োজকদের।

হাউস অব লাইট এর আগে মনোনীত হয়েছিল যুক্তরাজ‍্যের ওয়ান ওয়ার্ল্ড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস এবং নাহেমি ক্যানন শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে।

এথনোফেস্টে হাসান কায়েশের ‘হাউস অফ লাইট’
চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সম্পাদক মাহমুদ হাসান কায়েশ। ছবি: সংগৃহীত

চলচ্চিত্র নির্মাতা মাহমুদ হাসান কায়েশ চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর যুক্তরাজ‍্যের ইউনিভার্সিটি অফ দ‍্যা ওয়েস্ট অফ স্কটল্যান্ড থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন।

সম্প্রতি তার সম্পাদিত শর্ট ফিল্ম ইজ ইট মি? ব্রিটিশ কাউনসিলের ডিরেক্টরিতে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এছাড়া ফিল্মটি পার্সোনাল ন্যারেটিভ এর জন্য স্কটিশ মানসিক স্বাস্থ্য আর্ট ফেস্টিভ্যালে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছে।

মাহমুদ হাসান কায়েশ এখন দেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন

‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার’ পাচ্ছেন আলম খোরশেদ ও রওশন জামিল

‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার’ পাচ্ছেন আলম খোরশেদ ও রওশন জামিল

অনুবাদক আলম খোরশেদ ও রওশন জামিল। ছবি: সংগৃহীত

‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার: আজীবন সম্মাননা-২০২১’ বিভাগে মনোনীত হয়েছেন অনুবাদক আলম খোরশেদ। ‘বর্ষসেরা অনূদিত বই’ বিভাগে মনোনীত হয়েছেন অনুবাদক রওশন জামিল অনূদিত আলেক্সান্ডার দ্যুমার উপন্যাস ‘কালো টিউলিপ’। 

‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার-২০২১’ প্রদান করতে যাচ্ছে বাংলা ট্রান্সলেশন ফাউন্ডেশন।

এ পুরস্কারের জন্য ‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার: আজীবন সম্মাননা-২০২১’ বিভাগে মনোনীত হয়েছেন অনুবাদক আলম খোরশেদ।

‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার: বর্ষসেরা অনূদিত বই-২০২১’ বিভাগে মনোনীত হয়েছেন অনুবাদক রওশন জামিল অনূদিত আলেক্সান্ডার দ্যুমার উপন্যাস ‘কালো টিউলিপ’।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ৩০ নভেম্বর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এ-পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। এতে প্রধান আলোচক থাকবেন কথাসাহিত্যিক, কবি ও অনুবাদক মাসরুর আরেফিন।

অনুবাদক অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা ট্রান্সলেশন ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক অনুবাদক আনিসুজ জামান।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অনুবাদ সাহিত্য পত্রিকা ‘যুক্তস্বর’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

বাংলাদেশের অনুবাদ সাহিত্য নিয়ে কাজ করাই বাংলা ট্রান্সলেশন ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। অনুবাদ পুরস্কার প্রবর্তন ও প্রদান এবং ‘যুক্তস্বর’ নামে অনুবাদ সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে চলতি বছর বাংলা ট্রান্সলেশন ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করেছে।

প্রতিবছর প্রকাশিত অনূদিত বই থেকে একটিকে বর্ষসেরা হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। এর অর্থমূল্য পঞ্চাশ হাজার টাকা। আর একজন অনুবাদককে দেশের অনুবাদ-সাহিত্যে তার সামগ্রিক অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হবে। এর অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন

‘পেন বাংলাদেশ’ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ২০ তরুণ লেখক

‘পেন বাংলাদেশ’ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ২০ তরুণ লেখক

‘পেন বাংলাদেশ’ সাহিত্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ২০ তরুণ লেখক পেলেন পুরস্কার। ছবি: সংগৃহীত

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন বলেন, ‘শুধু লেখক কেন, সবারই কথা বলার স্বাধীনতা থাকা উচিত। ক্ষমতা আজীবন গলা টিপে ধরেছে, আগামীতেও ধরবে। তবু এর মধ্যে বলার চেষ্টার মানসিকতা রাখা জরুরি। সে কাজটাই প্রতিবছর আমাদের পেন বাংলাদেশ মনে করিয়ে দেয়। বিশ্বে এমন অনেক লেখক এখনও কারাবন্দি, আমরা তাদের মুক্তি চাই।’

অনূর্ধ্ব-৩৫ সাহিত্য প্রতিযোগিতা-২০২০-এ অংশগ্রহণকারী দেশের প্রায় ৩০০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২০ জন তরুণ লেখককে পুরস্কৃত করেছে ‘পেন বাংলাদেশ’।

কারাবন্দি লেখক দিবস উপলক্ষে শনিবার ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

এ সাহিত্য প্রতিযোগিতার আয়োজক প্রতিষ্ঠান পেন বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গল্পের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন মনিরা মিতু, আরাফাত শাহীন, নবনীতা প্রামাণিক, আবদুল্লাহ্ আল মাসুম, মৌপিয়া তাজরিন, ওয়াহিদ মোস্তফা, যাহিদ সুবহান, রোমেল রহমান, সুলতান মাহমুদ ও মুহাম্মদ মাসুদ।

কবিতার জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন রনি বর্মণ, ইনজামুল হক, শুভ্র সাকীফ, অনুভব আহমেদ, জসিম উদ্দিন বিজয়, তামান্না পারভেজ, রফিকুজ্জামান রণি, জেলি খাতুন ও অহ নওরোজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গল্প লেখার শুরুর দিক নিয়ে নিজের শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি লেখক হব। শিক্ষক ও মা-বাবার সহযোগিতায় আমি সাহিত্যিক হয়েছি। আমি সাহিত্যিক হব তা ভেবে কখনো গল্প লিখিনি। পড়াশোনা-জীবনে সিলেট এমসি কলেজে চাকরি পাই। তবে সে চাকরি বাদ দিই। তারপর বাংলা একাডেমিতে চাকরির জন্য গেলাম এবং লেখালেখির অভ্যাস থাকায় সেখানে চাকরি হলো। এভাবে সাহিত্য আমাদের দিককে প্রসারিত করতে থাকে।’

কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন বলেন, ‘শুধু লেখক কেন, সবারই কথা বলার স্বাধীনতা থাকা উচিত। ক্ষমতা আজীবন গলা টিপে ধরেছে, আগামীতেও ধরবে। তবু এর মধ্যে বলার চেষ্টার মানসিকতা রাখা জরুরি। সে কাজটাই প্রতিবছর আমাদের পেন বাংলাদেশ মনে করিয়ে দেয়। বিশ্বে এমন অনেক লেখক এখনও কারাবন্দি, আমরা তাদের মুক্তি চাই।’

পেন বাংলাদেশ হচ্ছে ‘পেন ইন্টারন্যাশনাল’-এর ১৪৮টি কেন্দ্রসমূহের একটি শাখা। এটি বাংলাদেশের কবি, সাহিত্যিক, প্রকাশক, সম্পাদক, অনুবাদক, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদদের একটি দ্বিভাষিক সংগঠন, যা বাংলাদেশে সাহিত্যের প্রচার-প্রসার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার্থে কাজ করে।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন

শিল্পী হামিদুজ্জামানের ৪৩তম একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু

শিল্পী হামিদুজ্জামানের ৪৩তম একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু

প্রদর্শনীতে অতিথিদের শিল্পকর্ম দেখাচ্ছেন শিল্পী হামিদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

নানা মাপের ক্যানভাসে সেসব চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্যে কখনও মূর্ত, কখনও বিমূর্ততায় যেন ধরা দিয়েছে শিল্পীর ‘সৃষ্টির অন্বেষণে’ সব শিল্পকর্ম। যেসব শিল্পকর্ম সাম্প্রতিক সময়েই সৃষ্টি করেছেন শিল্পী।

বরেণ্য ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুজ্জামানের শতাধিক শিল্পকর্ম নিয়ে গ্যালারি চিত্রকে শুরু হলো ৪৩তম একক প্রদর্শনী।

‘সৃষ্টির অন্বেষণে’ শিরোনামে এ প্রদর্শনী শুক্রবার বিকেল ৫টায় উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী।

শিল্পী হামিদুজ্জামানের ৪৩তম একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু
শিল্পীর সঙ্গে প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

জলরং, অ্যাক্রিলিক ও কালি-কলমে আঁকা শতাধিক চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে।

নানা মাপের ক্যানভাসে সেসব চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্যে কখনও মূর্ত, কখনও বিমূর্ততায় যেন ধরা দিয়েছে শিল্পীর ‘সৃষ্টির অন্বেষণে’ সব শিল্পকর্ম। যেসব শিল্পকর্ম সাম্প্রতিক সময়েই সৃষ্টি করেছেন শিল্পী।

শিল্পী হামিদুজ্জামানের ৪৩তম একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু
প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

চিত্র সমালোচকের ভাষায় হামিদুজ্জামানের এই প্রদর্শনীটি শিল্পরসিকদের কাছে এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করবে বলে বিশ্বাস, শিল্পীর নিজের অভিমতও তাই।

৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত (গ্যালারি চিত্রক, রোড-৪, বাড়ি-২১/এ, ধানমন্ডি) চলবে এই প্রদর্শনী। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন:
চার নেতার স্মৃতি জাদুঘর খুলবে আগামী বছর
‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টির গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’
ভাঙনের মুখে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর
উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের উদ্বোধন
২২৮ বছরে প্রথম নারী পরিচালক পাচ্ছে ল্যুভ

শেয়ার করুন