থাইল্যান্ডের অনুমতি পেলেই শুটিং শুরু হবে: মিতু

থাইল্যান্ডের অনুমতি পেলেই শুটিং শুরু হবে: মিতু

কমান্ডো সিনেমায় জুটি বেঁধে কাজ করছেন জাহারা মিতু ও দেব। ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে অনুমতির জটিলতা নিয়ে জাহারা মিতু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেব শুধু একজন জনপ্রিয় চিত্রনায়কই নন, তিনি একটি দেশের সংসদ সদস্য, সুতরাং শুটিংয়ে নিরাপত্তাসহ আরও অনেক ব্যাপার যুক্ত আছে। অনুমতি কনফার্ম হলেই আবারও শুটিং শুরু হবে।’

শামীম আহমেদ রনীর পরিচালনায় ২০২০ সালের মার্চে শুটিং শুরু হয়েছিল শাপলা মিডিয়ার প্রযোজিত সিনেমা কমান্ডোর। এতে অভিনয় করছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দেব ও ঢাকাই চলচ্চিত্রের নবাগত চিত্রনায়িকা জাহারা মিতু।

বেশ কিছুদিন কলকাতায় সিনেমাটির শুটিং হওয়ার পরে করোনাভাইরাসের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর নতুন করে আর শুরু হয়নি শুটিং।

তবে ডিসেম্বরে থাইল্যান্ডে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে কমান্ডোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু নিউজ পোর্টালের মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদে বিব্রত সিনেমাটি নায়িকা।

তা নিয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা বলেন জাহারা মিতু।

তিনি বলেন, ‘কমান্ডোর প্রায় ৪০ শতাংশ শুটিং শেষ হয়েছে। বাকি অংশের শুটিং ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে থাইল্যান্ডে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, কিন্তু সে দেশে শুটিংয়ের অনুমতি নিয়ে এখনও জটিলতা রয়েছে।’

থাইল্যান্ডে অনুমতির জটিলতা নিয়ে মিতু বলেন, ‘দেব শুধু একজন জনপ্রিয় চিত্রনায়কই নন, তিনি একটি দেশের সংসদ সদস্য, সুতরাং শুটিংয়ে নিরাপত্তাসহ আরও অনেক ব্যাপার যুক্ত আছে। অনুমতি কনফার্ম হলেই আবারও শুটিং শুরু হবে।’

এর আগে কমান্ডো নিয়ে দীর্ঘ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের অংশ বিশেষে মিতু লেখেন, ‘কমান্ডো শাপলা মিডিয়ার একটি স্বপ্নের প্রজেক্ট, সুপারস্টার দেব এর বাংলাদেশের প্রথম প্রজেক্ট, আর আমার জন্য অবশ্যই স্বপ্নের চেয়ে বেশি। তাই কমান্ডো নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট এবং বিভ্রান্তিমূলক নিউজ না ছড়াতে অনুরোধ করছি।’

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টেনশনে আছি, মানুষ যেন ট্রল না করে: অনন্ত

টেনশনে আছি, মানুষ যেন ট্রল না করে: অনন্ত

পরিচালক, প্রযোজক এবং অভিনেতা অনন্ত জলিল। ছবি: নিউজবাংলা

এটা আমি রাতেও চিন্তা করি। ধরেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বডিগার্ড আছে, তাদের কী এক্টিভিটিস থাকে, তারা কীভাবে কাজ করে, আমি কী সেভাবে করতে পারতেছি কি না। এগুলো নিয়ে চিন্তা করি। তারা কীভাবে দাঁড়ায়। তাকে কোথাও যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করলে কীভাবে হাতটা দেখায়। এগুলো নিয়ে আমি খুব টেনশনে আছি, মানুষ যেন আবার ট্রল না করে যে এগুলো হচ্ছে না।

শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-তুরস্কের যৌথ প্রযোজনার নেত্রী- দ্য লিডার সিনেমার দ্বিতীয় লটের শুটিং। সাভারে চলছে এর দৃশ্যধারণ। এতে অংশ নিয়েছেন অনন্ত জলিল, বর্ষা, ভারতের প্রদীপ রাওয়াত, তরুণ আরোরাসহ অনেকে।

২৪ নভেম্বর সিনেমাটি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অনন্ত বর্ষা। সেখানে তুলে ধরেন সিনেমা নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা এবং পরিকল্পনার কথা।

সিনেমায় নেত্রী চরিত্রে অভিনয় করছেন বর্ষা এবং তার বডিগার্ডের চরিত্রে অনন্ত জলিল।

বর্ষা-

বেশি কিছু বলতে চাই না কারণ আমি যেটা বিশ্বাস করি, আমার কাছে যেটা মনে হয় যে, মানুষকে কাঁদানো খুব সহজ কিন্তু হাসানো অনেক কঠিন। মানুষকে খুশি করা খুব কষ্টের একটা কাজ। মানুষকে অল্প কিছু বললেই কষ্ট পায় কেঁদে দেয়।

নেত্রী- দ্য লিডার সিনেমার দ্বিতীয় ধাপের শুটিং শুরু করে যেটা মনে হচ্ছে, এত কষ্ট এত যন্ত্রণা এত চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার আমার। খুব বেশি কষ্টে থাকলে মানুষ যেমন সবকিছু ছেড়ে দিয়ে বসে যায়, একা হয়ে যায়। আমার কাছে তেমনটাই মনে হচ্ছে।

ইয়াং একজন লিডার। সে কীভাবে তার জীবন, তার ফ্যামিলি, তার স্বামী, তার সংসার, তার সবকিছুকে ব্যালেন্স করে মানুষের জন্য কাজ করা, দেশের জন্য কাজ করা। ভীষণ ভালো লাগছে। বিদেশি আর্টিস্টের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, এবার অন্য রকম অভিজ্ঞতা অবশ্যই।

প্রদীপ রাওয়াত স্যার, আপনার সবাই চেনেন, বাংলাদেশেও তিনি অনেক পরিচিত। তরুণ আরোরাও ঢাকাতে আছেন। তারা এত বেশি হেল্পফুল! কোনো সমস্যা হলে বুঝিয়ে দেবে, ম্যাডাম জি এ রকম করে করেন। খুব ভালো লাগছে।

আরেকটা জিনিস বলতে চাই, হায়দরাবাদে আমার এমন মনে হয় নাই কিন্তু দেশে শুটিং শুরু করার সময় এটা আমি মনে বসিয়ে নিয়েছি যে, এই ধরনের চরিত্র আমি আর কখনোই করতে পারব না এবং এই চরিত্র বাস্তব জীবনেও আমি কখনও পাব না বা হওয়ার ইচ্ছাও নাই।

তাই এই সিনেমায় আমি এমন কিছু করতে চাই, এমন অভিনয় করতে চাই যেন মানুষ বলে যে করছে, বর্ষা তার জীবনের সেরা অভিনয়টা করেছে। এর পরেও যদি আমি সিনেমায় অভিনয় করি, তারপরও যেন মানুষ এটাই মনে রাখে।

এই চরিত্রের জন্য কাউকে না কাউতে ফলো করতে হবে। আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমি সব সময় পছন্দ করি। এত সুন্দর হাসি, এত সুন্দর করে শাড়ি পরেন, এত সুন্দর করে ম্যাচিক করে অলংকার পরেন। এত সফট, পোলাইট, এত সুন্দর করে কথা বলেন।

আমি যদি তাকে আমার রোল মডেল মনে করি তাতে তো দোষের কিছু দেখি না।

অনন্ত জলিল-

নেত্রীকে প্রোটেকশন দেয়া আমার কাজ। আমি বডিগার্ড। (প্রদীপ রাওয়াত পাশ থেকে- খুব হ্যান্ডসাম বডিগার্ড)।

এটা আমি রাতেও চিন্তা করি। ধরেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বডিগার্ড আছে, তাদের কী এক্টিভিটিস থাকে, তারা কীভাবে কাজ করে, আমি কী সেভাবে করতে পারতেছি কি না। এগুলো নিয়ে চিন্তা করি। তারা কীভাবে দাঁড়ায়। তাকে কোথাও যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করলে কীভাবে হাতটা দেখায়। এগুলো নিয়ে আমি খুব টেনশনে আছি, মানুষ যেন আবার ট্রল না করে যে এগুলো হচ্ছে না।

এটা সত্যি খুব চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার। নেত্রীকে সব সময় প্রোটেকশন দেয়া, নেত্রীকে সব সময় রেসপেক্ট করা আমার দ্বারা হচ্ছে কি না, এগুলো ভাবছি আর করে যাচ্ছি।

সঙ্গে আমার মাথায় তো ধরেন অনেক কিছু কাজ করে, শট দেয়ার সময় থাকে না। সিনেমার স্ক্রিপ্ট আমার লেখা, ৯৯ দশমিক ৯৯ ভাগ না, একদম শতভাগ আমার অ্যারেঞ্জমেন্ট করা।

২০ নভেম্বর এখানে পুরোটা সেট ছিল। আপনারা ইউটিউবে দেখে থাকবেন। ওগুলো পুরো ডিজাইন আমার করা। নেত্রীর অফিস রুম, কনফারেন্স রুম- সব ডিজাইন আমার করা।

নেত্রীর বাবা একজন লিডার ছিলেন, তার মেয়ে হচ্ছে এখন নেত্রী, তিনি সৎ, জনগণের টাকা তিনি খরচ করতে চান না, তাহলে তার লাইফস্টাইল কেমন হওয়া উচিত। ওই লাইফস্টাইলের সঙ্গে ম্যাচ করে তার কস্টিউম ডিজাইন করা, তার গাড়ি, তার সহশিল্পীদের পোশাক কেমন হবে- সবকিছুর কাজ আমি করেছি।

তিনি (প্রদীপ রাওয়াতকে দেখিয়ে) সিনেমায় একজন পলিটিশিয়ান। দলে থেকে তিনি চাচ্ছেন লিডার হতে। তার চরিত্রের সঙ্গে কস্টিউম ডিজাইন করা, তরুণ অরোরার ক্যারেক্টারের সঙ্গে ম্যাচ করে পোশাক ডিজাইন করা, পুরো বিষয়টা আমি পরিকল্পনা করছি।

দেশের বাইরে মানে তুর্কিতে যে শুটিং হবে, সেখানকার লোকেশন, আমাদের গল্প তাদের বোঝানো, এমন কোনো কাজ নেই যে আমি করি না।

এই এক মাস ধরে আমি তিন ঘণ্টা সাড়ে তিন ঘণ্টা করে ঘুমাই কি না, সন্দেহ আছে। আমি শট দেব কী, সারাক্ষণ এসব নিয়েই কাজ করি।

আমার টিম আছে, তারা তো করছেই কিন্তু আমার পক্ষ থেকে আমিও করছি। তারা বাংলাদেশে এসেছে, তাদের অবশ্যই খুশি থাকতে হবে। যখন তারা ফেরত যাবে, অনেকেই তাদের জিজ্ঞেস করবে যে, বাংলাদেশ কেমন লাগল? বাংলাদেশকে তো আমরা ছোট করতে পারব না।

তারা কোথায় থাকবে, কী খাবে, প্রতিটা জিনিস আমার মাথায়। তারপর শট দেয়ার সময় আমি শট দিয়ে যাচ্ছি।

যা বললাম, সব দর্শককে দেখায় দেন, তাহলে বুঝবে, যারা এই লাইনে আছে, তারা বুঝবে এত বড় একটা সিনেমা করতে, ইন্টারন্যাশনাল সিনেমা করতে কী অ্যারেঞ্জমেন্ট করতে হয় আর কী অনন্ত জলিল করেছে, তাহলে ওরা বুঝবে।

আমার হায়দরাবাদে বেটার অ্যাকশনের জন্য বাংলাদেশের কিছু শুটিং করেছি এবং বাংলাদেশেও করছি। দুই জায়গা মিলিয়ে পঞ্চাশ থেকে পঞ্চান্ন ভাগ হবে। বাকি কাজ হবে তুর্কিতে।

সিনেমার বাংলাদেশের অংশের খরচ আমার এবং তুর্কির অংশের খরচ তাদের। এখানে ভারতীয় শিল্পী ও কলাকুশলী আছেন, তাদের সম্মানী বেশি এবং এই খবর আমার। তবে ভারতীয় শিল্পী ও কলাকুশলীদের সম্মানীর একটা অংশ তুর্কি প্রযোজকও দেবেন। মোট কত টাকা খরচ হবে, সেটা এখনই বলতে পারছি না। সঙ্গে তো আছেন, জানাব।

এই যেমন সামনের শুটিংয়ে পরিচালক পাঁচ ক্যামেরা চেয়েছেন। শুটিং হবে দুই জায়গায়। তখন খরচ এমনিতেই বেড়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন

ফ্রান্সে দুটি শাখায় পুরস্কার জিতল ‘শব্দের ভেতর ঘর’

ফ্রান্সে দুটি শাখায় পুরস্কার জিতল ‘শব্দের ভেতর ঘর’

শব্দের ভেতর ঘর স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

বেস্ট ফরেন ফিল্ম ও বেস্ট ইয়াং ফিল্মমেকার বিভাগে বিজয়ী হয়েছে সিনেমাটি। প্রতি মাসের সেরা সিনেমা নিয়ে বছর শেষে হবে আরও একটি উৎসব। সেখানেও নির্বাচন করা হবে বিভিন্ন বিভাগের সেরাদের।

কান ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের দুটি শাখায় পুরস্কার জিতল দেশের সিনেমা শব্দের ভেতর ঘর (দ্য হোম ইন সাউন্ড) সিনেমা। স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ফুয়াদুজ্জামান ফুয়াদ। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পরিচালক।

এছাড়া শুক্রবার উৎসব কর্তৃপক্ষ ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছে বিজয়ী সিনেমাগুলোর নাম।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার এ আসরে প্রতি মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে জমা পড়ে বহু চলচ্চিত্র। সেসবের মধ্যে শব্দের ভেতর ঘর মনোনয়ন পায় বেস্ট ফরেন ফিল্ম, বেস্ট এশিয়ান ফিল্ম ও বেস্ট ইয়াং ফিল্মমেকার শাখায়।

এর মধে থেকে বেস্ট ফরেন ফিল্ম ও বেস্ট ইয়াং ফিল্মমেকার বিভাগে বিজয়ী হয়েছে সিনেমাটি। প্রতি মাসের সেরা সিনেমা নিয়ে বছর শেষে হবে আরও একটি উৎসব। সেখানেও নির্বাচন করা হবে বিভিন্ন বিভাগের সেরাদের।

গল্পে দেখা যায়, সাগরপারের এক তরুণের স্বপ্ন একদিন সে নিজে ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে যাবে মাছ ধরতে। কিন্তু জীবনসংগ্রামে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো দুলতে থাকা তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয় কি না তা আর জানা যায় না।

ফ্রান্সে দুটি শাখায় পুরস্কার জিতল ‘শব্দের ভেতর ঘর’
শব্দের ভেতর ঘর স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

১৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের এ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাক্ষ্য শহীদ। এর কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন মাসুম শহরিয়ার।

তরুণ চলচ্চিত্রকার ফুয়াদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের অনেক সীমাবদ্ধাতার মধ্যে কাজ করতে হয়। যার কারণে ফাইনাল আউটপুটটা ভালো হয় না। তারপরও যে সিনেমাটি দুটি বিভাগে পুরস্কার জিতবে, তা ধারণাই করিনি কখনও। আজ (শুক্রবার) সকালেই বিষয়টি জানতে পেরেছি। খুব ভালো লাগছে।’

এর আগে রাজশাহী ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ও হিল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার জিতেছে ফুয়াদের এ সিনেমা। এছাড়া গোয়া, পুনে ও কেরালার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের আমন্ত্রণ পেয়েছিল শব্দের ভেতর ঘর

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন

কপিলের বিশ্বকাপ জেতানো ক্যাচ নিয়ে ‘৮৩’র টিজার

কপিলের বিশ্বকাপ জেতানো ক্যাচ নিয়ে ‘৮৩’র টিজার

‘৮৩’ সিনেমার দৃশ্যে লর্ডসে খেলার মাঠ ও কপিল দেবের ভূমিকায় অভিনয় করা রণবীর সিং। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমায় কপিলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রণবীর সিং। ছবির সাদাকালো টিজার শেয়ার করে রণবীর সিং লেখেন, ‘ভারতের সেরা জয়ের নেপথ্যের কাহিনি, সেরা গল্প, সেরা গৌরব। ৮৩ মুক্তি পাচ্ছে বড় পর্দায় আগামী ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১’।

১৯৮৩-এর ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল। লর্ডসের মাঠ। ভারতের বিরুদ্ধে ১৮৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমেছে দুবারের বিশ্বকাপ জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সহজেই ম্যাচ জিতবে তেমনটাই ভেবেছিল সবাই কিন্তু সব সমীকরণ পাল্টে দেয় কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। ১৯৮৩ সালের ২৫ জুন লর্ডসের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস লেখে টিম ইন্ডিয়া।

পরিচালক কবীর খানের ৮৩ সিনেমায় উঠে আসবে সেই বাস্তব কাহিনি। করোনায় দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা সিনেমাটির টিজার মুক্তি পেল শুক্রবার।

টিজারে দেখা গেছে লর্ডসের মাঠ। সেখানে ব্যাটিং করছেন ভিভ রিচার্ডস। তার ক্যাচ ধরতে প্রাণপণে দৌড়াচ্ছেন কপিল দেব। কপিলের সেই দুর্ধর্ষ ক্যাচটি ছিল ভারতের বিশ্বকাপ জেতানোর অন্যতম প্রধান কারণ। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দিয়েই সাজানো হয়ছে সিনেমাটির প্রথম টিজার।

সিনেমায় কপিলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রণবীর সিং। ছবির সাদাকালো টিজার শেয়ার করে রণবীর সিং লেখেন, ‘ভারতের সেরা জয়ের নেপথ্যের কাহিনি, সেরা গল্প, সেরা গৌরব। ৮৩ মুক্তি পাচ্ছে বড় পর্দায় আগামী ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১’।

সিনেমায় কপিলের স্ত্রী রোমি দেবের ভূমিকায় অভিনয় করছেন পর্দার কপিলের স্ত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। সিনেমায় ভারতীয় টিমের ম্যানেজার মান সিংয়ের চরিত্রে থাকছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি, অ্যামি ভিরকের ভূমিকায় দেখা যাবে বলবিন্দর সিং সান্ধুকে। ভারতীয় উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান সৈয়দ কিরমানির চরিত্রে সাহিল খট্টর আর তাহির ভাসিনকে দেখা যাবে সুনীল গাভাস্করের চরিত্রে।

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন

একদিনে ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’র দর্শক সত্তর হাজার

একদিনে ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’র দর্শক সত্তর হাজার

নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প সিনেমার দৃশ্য ও পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রুবেল আনুশ পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তির ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ৬৫ হাজার ভিউ হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন ৪৮ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ১ লাখ ভিউ হবে সিনেমাটির।

সেন্সর বোর্ড থেকে ‘প্রদর্শনযোগ্য নয়’ জানানোর পর দৃশ্য বা সংলাপ কেটে আবার সেন্সর বোর্ডে জমা না দিয়ে বা আপিলের সুযোগ না নিয়ে ইউটিউবে মুক্তি পায় সিনেমা নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প।

সিনেমা হলে মুক্তি পেলে কত দর্শক সিনেমাটি দেখলেন তার হিসাব না পাওয়া গেলে অনলাইনে সব কিছুই জানা যায়।

বৃহস্পতিবার লাইভ রেডিও নামের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাওয়ার এক দিন পর দেখা যাচ্ছে সিনেমাটির ভিউ ৭০ হাজারেরও বেশি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রুবেল আনুশ পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তির ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ৬৫ হাজার ভিউ হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন ৪৮ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ১ লাখ ভিউ হবে সিনেমাটির।

পরিচালক আনুশ বলেন, ‘আশা তো ছিল সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে দেখাব কিন্তু হলো না ইউটিউবে মুক্তি দিলাম। এখানে যেভাবে দর্শকদের সাড়া পেয়েছি, তা আমরা কেউই আশা করিনি। আমরা দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ।’

ইউটিউব চ্যানেলে সিনেমাটির কমেন্ট বক্সে ইতিবাচক মন্তব্যের পাশাপাশি নেতিবাচক মন্তব্যও রয়েছে।

এক দর্শক লিখেছেন, ‘অসাধারণ লেগেছে মুভিটা, আমাদের দেশে এত সুন্দর মুভি হবে ভাবতেই পারিনি। আগামীতে এরকম আরও হবে এই আশা করছি শুভকামনা রইল। পরিচালক এবং এর সঙ্গে জড়িত সবার জন্যে।’

আরেক দর্শক লিখেছেন, ‘আমি যখন ক্লাস সেভেনে পড়তাম, মানে ২০১৪ সাল থেকে এই নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প সিনেমাটি দেখতে উৎসুক ছিলাম। অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ হলো। ভালোবাসা ও অভিনন্দন টিমের জন্য।’

কিছুটা সমালোচনার সুরে এক দর্শক লেখেন, ‘গল্প খুবই ভাল। এক গল্প থেকে আরেক গল্পে সুইচ করাটা খুবই স্মার্ট ছিল। সেন্সরবোর্ড বোল্ড দৃশ্যগুলো কেটে দেয়ার কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না। বেশ কিছু জায়গায় ক্যামেরার কাজ ভাল ছিল। কিছু জায়গায় মনে হয়েছে নাটকের ফ্রেমিং। কিন্তু ক্লোজ ট্রিটমেন্ট মূলত না থাকাটা অস্বস্তিকর ছিল। পারফরমারদের ইমোশন, এক্সপ্রেশন কিছুই বোঝা যায়নি। শুভকামনা নবীন এই নির্মাতাকে। আশা করছি আগামীতে আরও ভাল কাজ হবে।’

দর্শকদের এ আলোচনা-সমালোচনাকে ভালো দৃষ্টিতে দেখছেন আনুশ। তিনি বলেন, ‘দর্শকরা ভালো মন্দ সমালোচনা করছেন তার মানে তারা দেখছেন। তাদের সমালোচনাগুলো আমাদের সামনে পথ চলায় সহায়ক হবে।’

রুবেল আনুশ ২০১৪ সালের আগস্টে শুরু করেছিলেন ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’। ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিমলা, মামুন, মনিরা মিঠু, সোহেল খান, মোহাম্মদ সালমান, নোভাই নোভিয়া, মুনমুন আহমেদ মুন, আকাশ মেহেদি, একে আজাদ সেতু, শিমুল খান। এটি প্রযোজনা করেছে আনুশ ফিল্মস। সহ-প্রযোজক রেড পিকচার্স।

সিনেমার লিংক:

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন

আগে কোর্ট ম্যারেজ সারবেন ভিকি-ক্যাটরিনা

আগে কোর্ট ম্যারেজ সারবেন ভিকি-ক্যাটরিনা

বলিউড তারকা ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আগে আদালতে বিয়ে করবেন তারকা জুটি। পরে ধর্মীয় রীতিতে হবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

বলিউড তারকা ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফের বিয়ে নিয়ে মাসখানেক ধরে তুমুল আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ নিয়ে খবরও প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। যদিও বিয়ে নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি ভিকি কিংবা ক্যাটরিনা।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তারকা যুগলের বিয়ের তারিখ, ভেন্যু উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক এক খবরে জানা যায়, রাজস্থানের ৭০০ বছরের পুরোনো দুর্গে বসবে ভিকি-ক্যাটের রাজকীয় বিয়ের আসর।

এতে বলা হয়েছে, আগামী ৭ থেকে ৯ ডিসেম্বর রাজস্থানের সওয়াই মাধোপুরের সিক্স সেনসেস ফোর্ট বারওয়ারা রিসোর্টে সাত পাকে বাঁধা পড়বেন এ জুটি।

এসব খবরে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে চমকপ্রদ একটি তথ্য। সেটি হলো আগে আদালতে বিয়ে করবেন তারকা জুটি। পরে ধর্মীয় রীতিতে হবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

একাধিক সংবাদমাধ্যম জানায়, বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান শুরুর জন্য রাজস্থানে উড়ে যাওয়ার আগে আগামী সপ্তাহে মুম্বাইতে আইনি বিয়ের পর্ব সেরে ফেলবেন তারকা জুটি।

এ কথা অনেকেরই জানা, ভারতের নাগরিক নন ক্যাটরিনা। তার ব্রিটিশ পাসপোর্ট আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ভিকি-ক্যাটরিনার আইনি বিয়ের প্রক্রিয়া একটু আলাদা হবে।

সেসব প্রক্রিয়া শেষ করেই রাজস্থানের উদ্দেশে রওনা দেবেন দুজন।

বিয়ে নিয়ে এখন রহস্য বজায় রাখছেন ভিকি-ক্যাটরিনা। বিশেষ দিনের সমস্ত মুহূর্ত যাতে ইন্টারনেটে ফাঁস না হয়ে যায়, সে জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন দুজন।

দুজনের ঘনিষ্ঠ মহল জানিয়েছে, ছবি ফাঁস হওয়া আটকাতে বিয়ের কার্ডেই বিশেষ শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।

দুই পরিবার ও কাছের মানুষদের উপস্থিতিতেই বিয়ে করবেন ক্যাটরিনা-ভিকি। তাদের কাছে বর-কনের অনুরোধ, বিয়ের অনুষ্ঠানে যেন মোবাইল ব্যবহার না করেন।

যে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিয়ের দায়িত্ব নিয়েছে, তাদেরও কড়া বার্তা দিয়েছেন দুজন। এমনকি যারা বিয়ের ছবি তুলবেন, তারাও ক্যাটরিনা ও ভিকির অনুমতি ছাড়া স্থিরচিত্র প্রকাশ বা হস্তান্তর করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন

প্রতিশোধ নিতে ফিরছে ‘আরিয়া’

প্রতিশোধ নিতে ফিরছে ‘আরিয়া’

আরিয়া টু তে সুস্মিতা সেন হাজির হয়েছেন অ্যাকশন মুডে। ছবি: সংগৃহীত

প্রথম সিজনে বুদ্ধির জোরে সমস্যার মোকাবিলা করেছিলেন আরিয়া, কিন্তু এবার সন্তানদের রক্ষা করতে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে তাকে। আরিয়া এবার পুরো অ্যাকশন মুডে।

আবারও পর্দায় ফিরছেন আরিয়া সারিন। ২০২০ সালের ১৯ জুন আরিয়া হিসেবে ওয়েবে এসেছিলেন সুস্মিতা সেন। সেই চরিত্র নিয়ে আবারও ফিরছেন তিনি। ডিজনি হটস্টারে তাকে দেখা যাবে দ্বিতীয় সিজন আরিয়া-২ তে।

এবার যেন আরিয়া হিংস্র বাঘিনী। নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে মরিয়া আরিয়া। একেবারেই ভিন্ন অবতারে আসছেন সুস্মিতা। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে কনটেন্টটির ট্রেলার।

আরিয়া এবার আরও কড়া, লাস্যময়ী ভাবটা ট্রেলারে অনুপস্থিত। পরতে পরতে রহস্য।

প্রথম সিজনে দেখা গিয়েছিল আরিয়ার স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও জটিল সমীকরণ। একদিকে আরিয়ার টিনএজার মেয়ে; তার বয়সন্ধিকালে নানা রকম সমস্যা। অন্যদিকে স্বামীর হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে আরিয়ার লড়াই।

প্রতিশোধ নিতে ফিরছে ‘আরিয়া’
আরিয়া-২ ওয়েব কনটেন্টের একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয় সিজনের ট্রেলারে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে দেখা গেছে আরিয়াকে। মৃত স্বামীর একটি ভিডিও নতুন করে আবিষ্কার করেন তিনি। ভিডিওতে লুকিয়ে আছে কোনো গোপন তথ্য, যা হয়তো বিপজ্জনক ও রহস্যময়।

প্রথম সিজনে বুদ্ধির জোরে সমস্যার মোকাবিলা করেছিলেন আরিয়া, কিন্তু এবার সন্তানদের রক্ষা করতে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে তাকে। আরিয়া এবার পুরো অ্যাকশন মুডে।

গত ১৯ নভেম্বর ছিল সুস্মিতার ৪৬তম জন্মদিন। সেদিনই জানান, শারীরিক সমস্যার জন্য অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে তাকে। তবে সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

জনপ্রিয় ডাচ ক্রাইম-ড্রামা সিরিজ পেনোজা এর রিমেকে ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য লিখেছেন সন্দীপ শ্রীবাস্তব ও অনু সিং চৌধুরী।

রাম মাধবনি পরিচালিত এই ক্রাইম-ড্রামাটি ১০ ডিসেম্বর আসছে ডিজনি প্লাস হটস্টারে।

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন

একই মঞ্চে সালমানের প্রাক্তন ও ‘বর্তমান’   

একই মঞ্চে সালমানের প্রাক্তন ও ‘বর্তমান’   

‘অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ’-এর স্ক্রিনিংয়ে সালমান খানের প্রাক্তন প্রেমিকা সঙ্গীতা বিজলানি (বামে) ও ইউলিয়া ভান্তুর। ছবি: সংগৃহীত

নব্বইয়ের দশকে বলিউডে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সালমান-সঙ্গীতার প্রেম। হয়েছিল বাগদানও; ঠিক ছিল বিয়ের তারিখ, তবে বিয়ের ঠিক পাঁচ দিন আগে আলাদা হয়ে যান সালমান-সঙ্গীতা। অথচ তিন দশক পরও অটুট তাদের বন্ধুত্ব।

মুক্তি পেয়েছে সালমান খান অভিনীত অ্যাকশন সিনেমা অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ। বৃহস্পতিবার এ সিনেমার স্ক্রিনিংয়ে হাজির ছিলেন বলিউডের একঝাঁক তারকা।

ওই দিন সবাইকে চমকে দিয়ে একই মঞ্চে হাজির হন সঙ্গীতা বিজলানি ও ইউলিয়া ভান্তুর। তাদের মধ্যে প্রথমজন সালমানের একসময়ের বাগদত্তা। আর ইউলিয়ার সঙ্গে সালমানের প্রেম নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই বলিউডে।

সালমানের ছবি মুক্তির দিনে গ্ল্যামারাস লুকে দেখা যায় বিজলানিকে। রুপালি গ্লিটারি শর্ট স্কার্ট, ডিপ নেকলাইনের কালো টপ আর পায়ে স্নিকার্স ছিল সালমানের প্রাক্তন প্রেমিকার। দেখে বোঝার উপায় ছিল না, বয়স হয়েছে তার ৬১।

নব্বইয়ের দশকে বলিউডে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সালমান-সঙ্গীতার প্রেম। হয়েছিল বাগদানও; ঠিক ছিল বিয়ের তারিখ।

তবে বিয়ের ঠিক পাঁচ দিন আগে আলাদা হয়ে যান সালমান-সঙ্গীতা, কিন্তু তিন দশক পরও অটুট তাদের বন্ধুত্ব।

একই মঞ্চে সালমানের প্রাক্তন ও ‘বর্তমান’
‘অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ’-এর স্ক্রিনিংয়ে হাজির হয়েছিলেন সঙ্গীতা বিজলানি (বামে) ও ইউলিয়া ভান্তুর। ছবি: সংগৃহীত

কমলা রঙের ফুলস্লিভস ড্রেসে হাজির হয়েছিলেন সালমানের কথিত বান্ধবী ইউলিয়া।

অন্তিমে প্রথমবার ভগ্নিপতি আয়ুশ শর্মার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন সালমান। এর প্রযোজকও তিনি। সিনেমার পরিচালক মহেশ মাঞ্জরেকর।

২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া মারাঠি সিনেমা মুলশি প্যাটার্ন থেকে অনুপ্রাণিত অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ

আরও পড়ুন:
বলা হয়নি ‘শুধু তুমি’ আমার ‘স্বপ্নের নায়ক’: জাহারা মিতু
‘যন্ত্রণা’সহ মিতুর তিন সিনেমা, থাকবেন বিদেশি নায়ক

শেয়ার করুন