আপনারা আমার লুঙ্গিতেই আটকে: পরীমনির উপহাস

আপনারা আমার লুঙ্গিতেই আটকে: পরীমনির উপহাস

জন্মদিনে অতিথিদের সামনে বিমানবালা সাজে উপস্থিত হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

পরীমনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই যে আমি গুণিন এর শুটিং থেকে একটু ছুটি নিয়ে এসে বার্থডে সেলিব্রেশন, সারা দিন বাচ্চাদের নিয়ে হই-হুল্লোড়, সন্ধ্যা থেকে লেটনাইট পার্টি, পরদিন আর্লি মর্নিং আদালত শেষ করে আবার শুটিংয়ে জয়েন করলাম। দারুণ একটি সিনেমার কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে দেখি আপনারা আমার সেই লুঙ্গিতেই আটকা পড়ে রইলেন! আহারে, আপনাদের দিকে তাকালে নিজেকে সত্যিই বড় সুখী মনে হয়।’

নিজের জন্মদিনের পার্টিতে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির লুঙ্গি পরা নাচ নিয়ে সমালোচনা থামছেই না।সমালোচকদের একহাত নিয়ে পরীমনি বলেছেন, এরই মধ্যে তিনি দারুণ একটি সিনেমার কাজ করে ফেললেও অনেকেই মজে আছেন তার লুঙ্গিতেই।

বরাবরের মতো পরীমনি এবারও ২৪ অক্টোবর জন্মদিন পালন করেছেন ঘটা করে। সেদিন দুপুরে তিনি সময় কাটান অনাথ শিশুদের সঙ্গে। আর মিডিয়ার ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে নিয়ে রাতে পাঁচ তারকা হোটেলে করেন বিশাল আয়োজন।

পরীর এবারের জন্মদিনের থিম কালার ছিল সাদা-লাল। তাই এ দুই রঙের মিশেলে ডিজাইন করা হয়েছিল অভিনেত্রীর পোশাক। বিমানবালা বেশে মাথায় ছিল সাদা-লাল টুপি, গায়ে ছিল লাল শার্ট। সঙ্গে কাছা দেয়ার ভঙ্গিতে পরেন সাদা লুঙ্গি।

আয়োজনে সবার সঙ্গে নেচে-গেয়ে, কেক কেটে আনন্দ করেন পরীমনি। তার ভিডিও প্রকাশ পায় অনলাইনে। সাধুবাদের পাশাপাশি পরীর নাচ ও পোশাক নিয়ে বিশেষ করে লুঙ্গির মতো পোশাকটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করছেন অনেকে।

বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকার পর এবার মুখ খুলেছেন পরীমনি। সমালোচকদের উদ্দেশে রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেছেন তিনি।

সমালোচকদের উপহাস করে পরীমনি লিখেছেন, ‘এই যে আমি গুণিন এর শুটিং থেকে একটু ছুটি নিয়ে এসে বার্থডে সেলিব্রেশন, সারা দিন বাচ্চাদের নিয়ে হই-হুল্লোড়, সন্ধ্যা থেকে লেটনাইট পার্টি, পরদিন আর্লি মর্নিং আদালত শেষ করে আবার শুটিয়ে জয়েন করলাম। দারুণ একটি সিনেমার কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে দেখি আপনারা আমার সেই লুঙ্গিতেই আটকা পড়ে রইলেন! আহারে, আপনাদের দিকে তাকালে নিজেকে সত্যিই বড় সুখী মনে হয়।’

মনপুরা খ্যাত পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালনা করছেন গুণিন সিনেমাটি। সম্প্রতি শেষ হয়েছে সিনেমার শুটিং।

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী

বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি ওমর সানী ও মৌসুমী। ছবি: সংগৃহীত

সানী বলেন, ‘একটা জিনিস খুবই শুনছি, এ ওর সঙ্গে কাজ করবে না, এ থাকলে ও কাজ করবে না। আমি সুপারস্টার, আমি মেগাস্টার, আমি অমুক-তমুক। এই মনোভাব খুব খারাপ।’

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভনেতা ওমর সানি। সম্প্রতি একাই দিন কাটাচ্ছেন এ মহানগরে। তার স্ত্রী দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী দেশে নেই। তাদের মেয়ে ফাইজা রয়েছে তার মায়ের সঙ্গে।

কিছুটা সময় পেয়েই সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডা দেন এ অভিনেতা। ২৩ নভেম্বর ওমর সানি কথা বলেন নিউজবাংলার সঙ্গে।

হঠাৎ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার কারণ জানিয়ে সানী বলেন, ‘আমার আর মৌসুমীর এ জিনিসটা মিলে গেছে। আমরা সব সময় ফিল করি আমাদের কাছের মানুষদের। অনেক দিন ধরেই আমাদের অনেক শিল্পীর সঙ্গে দেখা হয় না, অনেক টেকনিশিয়ানের সঙ্গে দেখা হয় না, অনেক সাংবাদিকের সঙ্গে দেখা হয় না। এ থেকে মনে হলো একটা ব্যবস্থা করেই ফেলি। সব সময় যে এজেন্ডা থাকতে হবে, তা নয়।’

অভিনেত্রী মৌসুমী এখন আছেন আমেরিকার আটলান্টায়, সঙ্গে রয়েছেন তাদের মেয়ে। সানী জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই মৌসুমী দেশে ফিরবেন।

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী
স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর সঙ্গে ওমর সানী। ছবি: সংগৃহীত

কিছুদিন আগে মৌসুমীর জন্মদিন গেছে। সে সময় মৌসুমী ও সানী ছিলেন দুই দেশে। সানী বলেন, ‘মৌসুমীর বিশেষ দিনে আমরা একসঙ্গে থাকতে পারিনি। তাই বলতে চাই, তার জন্য একটি সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে।’

মৌসুমী এবং তার মেয়ের আমেরিকা সফরের কারণে অনেকেরই মনে হচ্ছে যে মৌসুমী-ওমর সানী হয়তো ধীরে ধীরে দেশের বাইরে চলে যাবেন। সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন সানী।

তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, আমার মেয়ে আমেরিকান পাসপোর্ট হোল্ডার। আমাদের মাল্টিপল আছে। আমার শাশুড়ি থাকে আমেরিকাতে, দুই শ্যালিকা আমেরিকায় থাকে। আমার ছেলের স্ত্রী, ওর নাম আয়েশা, সে কানাডিয়ান সিটিজেন।

‘একটা হাসির ঘটনা বলি। আমি আমার ছেলের স্ত্রীর পরিবারকে বলেছি, আমার ছেলেকে বিয়ে করতে হলে কিন্তু এখানে (দেশে) সেটেল হতে হবে। তারা রাজি হয়েছে। আয়েশা কানাডাতে বড় হয়েছে, বাট এই কয়েক দিন আগে সে কানাডা থেকে ফিরেছে। আবার কানাডা কবে যাবে, সেই সুযোগ কবে পাবে জানে না।’

দেশে থাকা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়ে সানী বলেন, ‘এই দেশটি হচ্ছে আমার। এই দেশ ওমর সানীকে অনেক কিছু দিয়েছে। আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। এই দেশ আমাদের যশ-খ্যাতি, এক নম্বর, সুপারস্টার, সুপার সুপার বাম্পার হিট সিনেমার হিরো বানিয়েছে। এই দেশ থেকে আমি কোথাও যাব না। আমি আজকেই ওয়াদা করতে চাই, এই দেশের নাগরিক হিসেবে আমি আমেরিকান পাসপোর্ট কখনোই নেব না, কানাডার পাসপোর্ট কখনোই নেব না। আমি বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে মরে যাব এবং আমি চাইব, শেষ আয়োজন যেন এই বাংলার মাটিতেই হয়।’

চলচ্চিত্রে এখন কোনো সুপারস্টার নেই: ওমর সানী
ছেলে ফারদিন ও তার স্ত্রী আয়েশার সঙ্গে ওমর সানী। ছবি: সংগৃহীত

আলোচনায় একমাত্র ছেলে ফারদিনকে নিয়েও কথা বলেন এ অভিনেতা। তিনি জানান, ফারদিন লেখাপড়া করেছে ফিল্ম অফ টেকনোলজিতে; কিন্তু আপাতত ব্যবসাতে মনোযোগ তার।

সানী বলেন, ‘আমার ছেলে ফারদিন হলিউডের দু-একটি ছবিতে পাঁচ নম্বর চার নম্বর অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছে। এখনকার চলচ্চিত্রের অবস্থার কথা চিন্তা করে এ মুহূর্তে নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে না সে। আমি সব সময় চাইব আমার ছেলে কোনো একটি সিনেমা বানাক। সেই সিনেমায় অবশ্যই আমি আমার ছেলেকে কাঙালের মতো বলব, তুই আমাকে রাখিস তোর মাকে রাখিস।’

ওমর সানী আজ যা কিছু তা সবই চলচ্চিত্রের জন্য। তাই তিনি চান চলচ্চিত্রের সম্মান, মর্যাদা যেন রক্ষা করতে পারেন তিনি। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু শিল্পী ও কলাকুশলীর জন্য হেয় হতে হয় চলচ্চিত্রের মানুষদের। সবাইকে এক রকম না ভাবার অনুরোধ করেন সানী।

চলচ্চিত্রে নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়। সানী চান সেই নেতৃত্বে যেতে। এর চেয়েও বেশি চান মৌসুমীকে শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে দেখতে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ফিল্ম ক্লাবের এখন রানিং প্রেসিডেন্ট, আরও একটা টার্ম নির্বাচন করতে চাই। বড় পরিসরেও আমি আমাকে দেখতে চাই। আমি মৌসুমীকে দেখতে চাই, মৌসুমী যেন শিল্পী সমিতির কোনো একবার প্রেসিডেন্ট হোক।’

আসছে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না জানিয়ে সানী বলেন, ‘আমি অকপটেই বলতে চাই, এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আমি কোনো প্রার্থী না। মৌসুমীরও আহামরি কোনো কিছুর ইচ্ছা নাই, আবার ইচ্ছা আছে। ইচ্ছা হলে প্রার্থী হবে। আর তা না হলে আমি আর মৌসুমী গিয়ে শুধু ভোট দিয়ে চলে আসব।’

সংগঠন আর নির্বাচন নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, ঝগড়া-বিবাদ না করে সিনেমা বানাতে হবে বলে মনে করেন এ অভিনেতা। সিনেমা বানিয়ে প্রডিউসার বাঁচাতে হবে, প্রডিউসার বাঁচলে শিল্পীরা বাঁচবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ মুহূর্তে কোনো সুপারস্টার নেই উল্লেখ করে সানী বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবাই মিলে একটা সুপারস্টার তৈরি করতে হবে। একা কাউকে আমি স্টার, সুপারস্টার বলি না, এই মুহূর্তে না। এই মুহূর্তে কেউ যদি নিজেকে সুপারস্টার দাবি করে, একমাত্র আমি প্রতিবাদ করছি, সবাই মিলে আমরা স্টার, সবাই মিলে আমরা সুপারস্টার।’

সিনেমায় নতুন এক সংকটের কথা উল্লেখ করে সানী বলেন, ‘একটা জিনিস খুবই শুনছি, এ ওর সঙ্গে কাজ করবে না, এ থাকলে ও কাজ করবে না। আমি সুপারস্টার, আমি মেগাস্টার, আমি অমুক-তমুক। এই মনোভাব খুব খারাপ।’

ওমর সানী সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন যেন মানুষের সুপিরিয়র ভাবটা চলে যায়। সবার মানসিকতা যেন খুব কাছাকাছি হয়।

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন

‘মাইলস’র কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে ব্যান্ড ছাড়লেন শাফিন

‘মাইলস’র কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে ব্যান্ড ছাড়লেন শাফিন

ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

নিজের প্রত্যাশা জানিয়ে শাফিন বলেন, ‘মাইলস এর যে পজিশন এখন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করতে না পারি তাহলে মাইলস এর কার্যক্রম এখানেই স্থগিত করা উচিত এবং এটাই আমি মনে করি বেস্ট ডিসিশন।’

দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল মাইলস থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন দলটির ভোকাল এবং বেজ গিটারিস্ট শাফিন আহমেদ। শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

ভিডিও বার্তায় শাফিন বলেন, ‘আমি শাফিন আহমেদ আজকে আপনাদের সামনে কিছু কথা বলতে এসেছি। মাইলস এর সঙ্গে আমার পথ চলা সেই ১৯৭৯ সাল থেকে। বহু বছর পার হয়ে গেছে, অনেক বছর সময় দিয়েছি, শ্রম দিয়েছি এবং অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ হয়েছে।

‘মাইলস এর যে অবস্থান আজকে, এটার পেছনে আমার কতটুকু অবদান সেটা আপনাদের অনেকেই জানেন। তবে একটা সিদ্ধান্ত নিতে আমি বাধ্য হয়েছি সম্প্রতি। সেটা হচ্ছে, এ বছরের শুরুতে আমি সিদ্ধান্ত নেই যে, মাইলস এর বর্তমান লাইন-আপের সঙ্গে মিউজিকের কোনো কার্যক্রম করা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না।

‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি এই লাইন-আপের সঙ্গে মিউজিক করা থেকে বিরত থাকব। তবে সংগীতজগতে আমার পথ চলা খুব স্বাভাবিক এবং আগের মতোই থাকবে। আমাকে স্টেজেও পাওয়া যাবে, রেকর্ডিংয়েও পাওয়া যাবে।’

নিজেরর প্রত্যাশা জানিয়ে শাফিন বলেন, ‘আমার একটা প্রত্যাশা থাকবে, সেটা হচ্ছে যে মাইলস নামটার কোনো অপব্যবহার যেন না হয়। মাইলস কে নিয়ে আমরা ৪০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছি খুব গ্লোরিয়াসভাবে, খুব রেসপেক্টফুলি। মাইলস এর যে পজিশন এখন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করতে না পারি তাহলে মাইলস এর কার্যক্রম এখানেই স্থগিত করা উচিত এবং এটাই আমি মনে করি বেস্ট ডিসিশন।

‘সুতরাং আমার প্রত্যাশা থাকবে অন্য কেউ যেন মাইলস নামটা ব্যবহার না করে। এটুকুই আমার বলার ছিল ভাল থাকবেন সবাই।’

শাফিন আহমেদ ছাড়া মাইলস ব্যান্ডের লাইন-আপ- হামিন আহমেদ (ভোকাল ও গিটার), মানাম আহমেদ (ভোকাল ও কি-বোর্ড), ইকবাল আসিফ জুয়েল (ভোকাল ও গিটার), সৈয়দ জিয়াউর রহমান তূর্য (ড্রামস)।

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন

করোনা: হাসপাতালে ভর্তি রহমত আলী ও জলি

করোনা: হাসপাতালে ভর্তি রহমত আলী ও জলি

নাট্যব্যক্তিত্ব রহমত আলী ও ওয়াহিদা মল্লিকা জলি। ছবি: সংগৃহীত

অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম বলেন, ‘রহমত ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা এখন ভালো, তিনি কথাবার্তা বলছেন। জলি আপার অবস্থা একটু খারাপ, তিনি তেমনভাবে কথাবার্তাও বলতে পারছেন না। তবে সব মিলিয়ে তারা দুজনই আগের চেয়ে ভালো আছেন।’

বর্ষীয়ান অভিনয়শিল্পী দম্পতি রহমত আলী ও ওয়াহিদা মল্লিকা জলি করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন।

খবরটি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম।

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ নভেম্বর তাদের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। বাসা থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তারা, কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপের দিকে গেলে গত ২২ তারিখ তাদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।’

তাদের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে নাসিম বলেন, ‘রহমত ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা এখন ভালো, তিনি কথাবার্তা বলছেন। জলি আপার অবস্থা একটু খারাপ, তিনি তেমনভাবে কথাবার্তাও বলতে পারছেন না। তবে সব মিলিয়ে তারা দুজনই আগের চেয়ে ভালো আছেন।’

নাট্যব্যক্তিত্ব রহমত আলী ও জলি দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক।

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন

টিজারে এলো ব্ল্যাক জ্যাংয়ের ‘বাংলা হাইপ’

টিজারে এলো ব্ল্যাক জ্যাংয়ের ‘বাংলা হাইপ’

বাংলা হাইপ গানের পোস্টারে ব্ল্যাক জ্যাং। ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাপ গানের টিজার নিয়ে আসিফুল ইসলাম সোহান (ব্ল্যাক জ্যাং) বলেন, ‘বিশ্বের যেসব দেশে থার্ড জেনারেশনের বাঙালি রয়েছে, তাদের উৎসর্গ করে গানটি করা হয়েছে। ইয়াং জেনারেশনই আমাদেরকে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।’

বাংলা র‌্যাপ গান এবং হিপ হপ জগতে জনপ্রিয় শিল্পী ব্ল্যাক জ্যাং। সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া মিশন এক্সট্রিম সিনেমার কইরা দেখা গানটি তারই লেখা।

এই শিল্পীর গান ‘বাংলা হাইপ’-এর মিউজিক ভিডিও আসছে শিগগিরই। বাংলা হাইম এন্টারটেইনমেন্টের ফেসবুক পেজে প্রকাশ পেয়েছে গানটির টিজার।

শিগগিরই ব্ল্যাক জ্যাংয়ের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যাবে গানটির পুরো ভিডিও। নিজস্ব প্রোডাকশনের গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন শাহান এ এইচ এম।

হিপ হপের র‌্যাপিং নিয়ে ১৩ বছর কাজ করছেন আসিফুল ইসলাম সোহান। দেশেই নয়, বিদেশেও ‌র‌্যাপিং করেছেন তিনি। দেশের হিপ হপ জগতে তিনি ব্ল্যাক জ্যাং নামে পরিচিত।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় গানের মিউজিক ভিডিও করা হয়েছে ‘জীবন একটা সিনেমার মতো’ এই ধারণা থেকেই। টিজারে দেয়া হয়েছে তারই আভাস।

র‌্যাপ গানের টিজার নিয়ে আসিফুল ইসলাম সোহান (ব্ল্যাক জ্যাং) বলেন, ‘এরই মধ্যে নতুন গানটি গ্লোবাল মিউজিক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে আমরা বেশ সাড়াও পেয়েছি। এখন আমরা গানটির টিজার নিয়ে আসছি। বিশ্বের যেসব দেশে থার্ড জেনারেশনের বাঙালি রয়েছে, তাদের উৎসর্গ করে গানটি করা হয়েছে। ইয়াং জেনারেশনই আমাদেরকে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।’

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন

ঢাবি ক্যাম্পাসে আসছেন পূর্ণিমা ও নচিকেতা

ঢাবি ক্যাম্পাসে আসছেন পূর্ণিমা ও  নচিকেতা

চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা ও গায়ক নচিকেতা।

তিন পর্বের এই অনুষ্ঠানের সর্বশেষ পর্বে বাংলাদেশের শিল্পীদের পাশাপাশি ভারতীয় শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী ও তার দল গান পরিবেশন করবে। সঞ্চালনা করবেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের আয়োজনে মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে থাকবেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা ও ভারতের জনপ্রিয় শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।

আগামী ১৭ ডিসেম্বর তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

শনিবার মার্কেটিং বিভাগের সেমিনার রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

১৭ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

তিন পর্বের এই অনুষ্ঠানের সর্বশেষ পর্বে বাংলাদেশের শিল্পীদের পাশাপাশি ভারতীয় শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী ও তার দল গান পরিবেশন করবে। সঞ্চালনা করবেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা।

পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.আখতারুজ্জামান।

মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (এমএএ) সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।

গেস্ট অফ অনার থাকবেন মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, আকিজ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বশির উদ্দিন এবং ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও গোলাম মুর্শিদ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে 'বাংলাদেশে ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক আলোচনার আয়োজন রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যালামনাইয়ের চেয়ারম্যান ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকে আমাদের ৭০ লাখ টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট) রয়েছে। এখান থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে আমরা প্রতিবছর নিয়মিতভাবে মার্কেটিং বিভাগের মেধাবী ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকি। নতুন ভর্তির ক্ষেত্রে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তাও দিই। এ বছর আমরা এই এফডিআর দেড় কোটি টাকায় রূপান্তর করতে চাই।’

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন

এক বছর হলো

এক বছর হলো

আলী যাকেরের ড্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭৩ সালে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ে তিনি প্রথম নির্দেশনা দেন বাদল সরকারের বাকি ইতিহাস নাটকে, যা ছিল বাংলাদেশে প্রথম দর্শনীর বিনিময়ে নাট্য প্রদর্শনীর যাত্রা।

সারা যাকের। অভিনেত্রী, ব্যবসায়ী। প্রয়াত আলী যাকেরের স্ত্রী তিনি। ইরেশ যাকের এবং শ্রিয়া সর্বজয়ার মা।

পরিবারের পাশাপাশি বড় ব্যবসা সামলাতে হয় তাকে। আলী যাকের বেঁচে থাকতে অনেকটা ছাড় পেতেন তিনি, পেতেন আশ্রয়ও। কিন্তু এখন আর সেই সুযোগ নেই।

শনিবার আলী যাকের চলে যাওয়ার এক বছর। সারা দিনটি স্মরণ করেছেন ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর লেখা তরিকুল লাভলুর কবিতা দিয়ে। কবিতাটির ওপর সারা লিখেছেন, ‘এক বছর হলো’।

কবিতা-

শেষ অঙ্কে ছিল না কিছুই সংলাপ।

নিরব তোমার উপস্থিতিও কম নয়।

আবহের সুরে বিরহবিধুর সন্তাপ,

যবনিকাতে এবারে ছিল না অভিনয়!

বেলা পড়ে এলে ছায়াটা দীর্ঘ হয়,

তোমার কায়াই দীর্ঘতর ছিল,

মঞ্চে তোমার কতই না পরিচয়,

আমাদের ছিলে তুমিই গ্যালিলিও!

এক জীবনে কতবার কত সাজ,

সংলাপ শেষে ফিরেওছো আপনাতে,

শেষ সাজটা নিলেই যখন আজ,

আমরা দাঁড়ালাম দেশময় গেলারিতে।

অভিবাদনের করতালি শুনছো কী?

আর আমাদের দেবে কী সাড়া, ডাকের?

আঁধারে যখন জ্বলে উড়বে জোনাকি,

আস্ফুটে যদি ডাক দেই, আলী যাকের?

ব্রেটল ব্রেশটের ‘দ্য লাইফ অব গ্যালিলিও গ্যালিলি’ অবলম্বনে গ্যালিলিও নামে অনুবাদ নাটকে নামচরিত্র ‘গ্যালিলিও’ হিসেবে অভিনয়ের জন্য আলী যাকেরকে ‘বাংলার গ্যালিলিও’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

আলী যাকেরের ছেলে ইরেশ যাকের। তিনি দেশের নামকরা অভিনেতা। শখে ফটোগ্রাফি করেন। ব্যবসায়ীও তিনি। বাবাকে স্মরণ করেছেন ইরেশ, তবে একটু ভিন্নভাবে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আলী যাকেরের বাড়ি রতনপুরের একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি।

আলী যাকেরের জন্ম ১৯৪৪ সালের ৬ নভেম্বর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রতনপুরে জন্ম তার। বাবা মাহমুদ তাহের ও মা রেজিয়া তাহেরের চার সন্তানের মধ্যে আলী ছিলেন তৃতীয়। বাবার সরকারি চাকরির কারণে তার শৈশব কাটে কুষ্টিয়া ও মাদারীপুরে।

১৯৬০ সালে সেন্ট গ্রেগরিজ থেকে ম্যাট্রিক, নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করেন।

১৯৭২ সালে আলী যাকের আরণ্যক নাট্যদলের হয়ে মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটিতে প্রথম অভিনয় করেন যার প্রথম প্রদর্শনী হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে। ১৯৭২ সালের জুন মাসের দিকে আতাউর রহমান ও জিয়া হায়দারের আহ্বানে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ে যোগ দেন। ওই দলে তিনি আতাউর রহমানের নির্দেশনায় বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন, যার প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ওয়াপদা মিলনায়তনে । ১৯৭৩ সালে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ে তিনি প্রথম নির্দেশনা দেন বাদল সরকারের বাকি ইতিহাস নাটকে, যা ছিল বাংলাদেশে প্রথম দর্শনীর বিনিময়ে নাট্য প্রদর্শনীর যাত্রা।

এরপর বহু টিভিনাটক ও সিনেমায় অভিনয় করেছেন আলী যাকের।

আলী যাকের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। গত বছরের ২৭ নভেম্বর সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন আলী যাকের। তাকে সমাহিত করা হয় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে।

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন

সেই ‘প্রতারকের’ সঙ্গে জ্যাকলিনের ঘনিষ্ঠ ছবি প্রকাশ

সেই ‘প্রতারকের’ সঙ্গে জ্যাকলিনের ঘনিষ্ঠ ছবি প্রকাশ

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জ্যাকলিন-সুকেশের এই অন্তরঙ্গ ছবিটি চলতি বছর এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে তোলা হয়েছে। সুকেশের হাতে যে ফোনটি রয়েছে, সেটি দিয়েই বিরাট অঙ্কের প্রতারণার কাজ সেরেছেন তিনি।

হাতে আইফোন, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের গালে চুমু খাচ্ছেন এক ব্যক্তি। এমনই এক ছবি ঘিরে তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

কারণ এই ব্যক্তি আর কেউ নন, তিনি ২০০ কোটি রুপি আর্থিক প্রতারণা মামলার মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখর। যে মামলায় বারবার ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর জেরার মুখে পড়েছেন জ্যাকলিন।

এই ছবি ভাইরাল হতেই জ্যাকলিনের সঙ্গে সুকেশের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয়েছে ফের চর্চা।

তবে সুকেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

সেই ‘প্রতারকের’ সঙ্গে জ্যাকলিনের ঘনিষ্ঠ ছবি প্রকাশ
২০০ কোটি রুপি প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত সুকেশের সঙ্গে জ্যাকলিনের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের এই ছবিটি ভাইরাল হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জ্যাকলিন-সুকেশের এই অন্তরঙ্গ ছবিটি চলতি বছর এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে তোলা হয়েছে। সুকেশের হাতে যে ফোনটি রয়েছে, সেটি দিয়েই বিরাট অঙ্কের প্রতারণার কাজ সেরেছেন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরেই সুকেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি। এর আগেই দিল্লি পুলিশ সুকেশ ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে।

এই মামলায় ইডির সাক্ষী তালিকায় নাম রয়েছে জ্যাকলিনের। একাধিকবার অভিনেত্রীকে জেরাও করেছে সংস্থাটি।

অভিযুক্ত সুকেশের আইনজীবীর দাবি, জ্যাকলিনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সুকেশের।

সেই ‘প্রতারকের’ সঙ্গে জ্যাকলিনের ঘনিষ্ঠ ছবি প্রকাশ
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

যদিও জ্যাকলিনের মুখপাত্র বলেন, ‘তদন্তকারীদের সঙ্গে সব রকম সহযোগিতা করছেন জ্যাকলিন, তিনি এই মামলার অভিযুক্ত নন। তাকে সাক্ষী দেয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। জ্যাকলিনের সঙ্গে অভিযুক্তের ব্যক্তিগত সম্পর্কের খবর ভুয়া ও ভিত্তিহীন।’

তবে সুকেশের সঙ্গে জ্যাকলিনের এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চারবার চেন্নাইতে জ্যাকলিনের সঙ্গে দেখা করেছেন সুকেশ। এমনকি অভিনেত্রীর জন্য প্রাইভেট জেটের বন্দোবস্তও করে দেন তিনি।

সুকেশ ও তার স্ত্রী লীনা পাল এর আগে ২০১১ সালে এক ব্যাংক জালিয়াতির মামলার অভিযুক্ত। সেই মামলায় গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন তারা। পরে জামিনে ছাড়া পান।

আরও পড়ুন:
পরীমনিকে রিমান্ড: দুই বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা
যে অনাথ আশ্রমে জন্মদিনের দুপুর কেটেছে পরীমনির
জামিনেই থাকছেন পরীমনি
আদালতে পরীমনি
কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

শেয়ার করুন