ক্যাট-ভিকির বিয়ে ডিসেম্বরে

ক্যাট-ভিকির বিয়ে ডিসেম্বরে

ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কুশল। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ইটিটাইমস সূত্রের বরাত দিয়ে বলছে, বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি এরইমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন দুজনে। জানা গেছে বিয়েতে লেহেঙ্গায় সাজবেন ক্যাট, সেই লেহেঙ্গার র সিল্ক ফ্যাবরিকও চূড়ান্ত করে ফেলেছেন অভিনেত্রী।

জল্পনা তো ছিলই। রটেছিল চলতি বছর অগস্টেই নাকি বাগদান সেরে ফেলেছেন ভিকি কুশল ও ক্যাটরিনা কাইফ।

সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম বলছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরে বিয়ে করতে যাচ্ছেন ভিকি-ক্যাট।

সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে এখন পর্যন্ত কোনো কথা বলেননি দুজনে। এমনকি একসঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়েও আলাদা আলাদা ছবি পোস্ট করেছেন। তবে ক্যাটরিনার ফ্ল্যাটের বাইরে হামেশাই পাপারাজ্জিদের হাতে ধরা পরেছেন ভিকি। সম্প্রতি সর্দার উদম সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে আলিঙ্গনতর অবস্থায় ধরা দিয়েছিলেন দুজনে।

বয়সে ৫ বছরের ছোট ভিকির সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন ক্যাটরিনা। বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে বলে শোনা যাচ্ছে। জানা গেছে বিয়ের পোশাকের ডিজাইন করছেন সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়। লাল বেনারসী নয় বরং লেহেঙ্গায় সাজবেন ক্যাটরিনা।

বছর কয়েক আগে কফি উইথ করন অনুষ্ঠানে ক্যাট জানিয়েছিলেন, তার মনে হয় ভিকির সঙ্গে তাকে ভালো মানাবে।

সেই ভিডিও ক্লিপ দেখে মূর্ছা যাওয়ার অবস্থা ভিকির! স্পষ্ট জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফের অনেক বড় ভক্ত তিনি। কে জানত একদিন এই ফ্যানের প্রেমেই হাবুডুবু খাবেন ক্যাটরিনা।

সম্পের্কে কোনো ফাঁটল নয়, কোনো ঝগড়া নয়, ব্রেক-আপ নয়, প্রেমের পরিণতি ঘটতে যাচ্ছে ছাদনা তলায়।

ভারতের ইটিটাইমস সূত্রের বরাত দিয়ে বলছে, বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি এরইমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন দুজনে। জানা গেছে বিয়েতে লেহেঙ্গায় সাজবেন ক্যাট, সেই লেহেঙ্গার র সিল্ক ফ্যাবরিকও চূড়ান্ত করে ফেলেছেন অভিনেত্রী।

ক্যাটরিনার সঙ্গে ভিকি প্রেম করছেন কি না জানতে চাইলে ভিকি বছর খানেক আগে জানিয়েছিলেন, প্রেম কোনও খারাপ জিনিস না, একটা দুর্দান্ত অনুভূতি।

সালমান খানের সঙ্গে ক্যাটরিনার প্রেমের সম্পর্কের কথা শোরগোল ফেলেছিল বি-টাউনে। এরপর রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান ক্যাট। বছর তিনেক পর সেই প্রেমে ভাঙন ধরে।

অন্যদিকে ক্যাটরিনার আগে অভিনেত্রী হার্লিন শেঠির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন ভিকি। যদিও মাস কয়েক পরেই তা ভেঙে যায়।

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সুবর্ণার ৬২

সুবর্ণার ৬২

অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। ছবি: সংগৃহীত

১৯৮০ সালে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী পরিচালিত ‘ঘুড্ডি’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক সুবর্ণার। সিনেমাটিকে তিনি ‘সময়ের আগে নির্মিত একটি ছবি’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন এক সাক্ষাৎকারে।

চার দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত বাংলা চলচ্চিত্র ও নাটকের তুমুল জনপ্রিয় মুখ সুবর্ণা মুস্তাফা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রীর ৬২তম জন্মদিন আজ।

১৯৫৯ সালের ২ ডিসেম্বর জন্ম হওয়া সুবর্ণার ক্যারিয়ার শুরু মঞ্চ নাটক দিয়ে। টেলিভিশন ও বড় পর্দার পাশাপাশি দীর্ঘ ২২ বছর মঞ্চে অভিনয় করেন তিনি।

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ধারাবাহিক নাটক ‘কোথাও কেউ নেই’ ও ‘আজ রবিবার’-এ তার চরিত্র মুনা ও মীরা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

১৯৮০ সালে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী পরিচালিত ঘুড্ডি সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক সুবর্ণার।সিনেমাটিকে তিনি ‘সময়ের আগে নির্মিত একটি ছবি’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন এক সাক্ষাৎকারে।

সুবর্ণার ৬২
অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। ছবি: সংগৃহীত

১৯৮৩ সালে নতুন বউ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান, তবে সেই পুরস্কার তিনি নেননি। তার কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, এ সিনেমায় তিনিই প্রধান চরিত্র।

সুবর্ণার জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘুড্ডি, নয়নের আলো, শঙ্খনীল কারাগার, পালাবি কোথায়গহীন বালুচর

টেলিভিশন নাটকে সুবর্ণা অত্যন্ত জনপ্রিয়। আফজাল হোসেন ও হুমায়ুন ফরিদীর সঙ্গে তার জুটি ছিল দর্শকনন্দিত। অভিনয়ের জন্য ২০১৯ সালে একুশে পদক পান এ অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন

কপিরাইট শুনানিতে শফিক, ইথুন, শেলী, সরলপুর

কপিরাইট শুনানিতে শফিক, ইথুন, শেলী, সরলপুর

কপিরাইট অফিসের শুনানি। ছবি কোলাজ: সংগৃহীত

শেলীর দাবি, সেই চুক্তিপত্র তিনি বাতিল করতে চান। কারণ সেই সব কনটেন্ট ২০১০ থেকে বা ২০১২ থেকে এখন পর্যন্ত মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ হয়েছে। সেখান থেকে তিনি অনেক টাকা পেতে পারতেন। অনলাইন মিডিয়া সম্পর্কে তার ভালো ধারণা ছিল না। তাই না বুঝেই তিনি সে চুক্তি করে দিয়েছেন।

গান, সিনেমা নিয়ে মাঝে মাঝেই দ্বন্দ্ব দেখা যায় মালিকানা নিয়ে, কখনও আবার অর্থ নিয়ে। অনেক সময় এই দ্বন্দ্ব চলতে থাকে বছরের পর বছর। অনেক সময় নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে সেসব সমস্যার সমাধান হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস অনেক বিষয়ের সমাধান করছে। কপিরাইট ইস্যু নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ, আলোচনার মাধ্যমে আইন প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন তারা। আগের অ্যানালগ সিস্টেম থেকে বর্তমানের ইউটিউব- সব বিষয় নিয়েই কাজ করছেন তারা।

বুধবার তেমন কিছু সমস্যার শুনানি ছিল কপিরাইট অফিসে। যার মধ্যে যুবতী রাধে, শেলী কাদের, আসিফ আকবর-শফিক তুহিন ইস্যু অন্যতম।

ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ‘নিঝুম অরণ্যে’ সিনেমার গানের ভিসিডি ও ডিভিডি রাইট বাজারজাতকরণের চুক্তি জি-সিরিজের থাকলেও ২০১৭ সালে পুরো চলচ্চিত্রটি জি-সিরিজের কর্ণধার নাজমুল হক ভূঁইয়া তাদের প্রতিষ্ঠানের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করে।

এটি নিয়ে কপিরাইট অফিসে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের বিরুদ্ধে আপিল করেন নাজমুল হক ভূঁইয়া।

কপিরাইট শুনানিতে শফিক, ইথুন, শেলী, সরলপুর
‘নিঝুম অরণ্যে’ সিনেমায় অভিনয় করেন সজল ও আজমেরী হক বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

শুনানিতে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পক্ষ থেকে কেউ ছিলেন না। নাজমুল হক ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে কপিরাইট অফিসকে জানানো হয়, চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে তাদের মৌখিক একটা সমঝোতা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তারা কপিরাইট অফিসে লিখিতভাবে বিষয়টি জানাবে।

আসিফের বিরুদ্ধে অন্যের গান ডিজিটালে রূপান্তর করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করার অভিযোগ আনেন শফিক তুহিন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কপিরাইট অফিসে আপিল করেন আসিফ আকবর।

সেই আপিলের শুনানি ছিল বুধবার। শুনানিতে আসিফ আকবের পক্ষ থেকে আইনজীবী উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না শফিক তুহিন। তিনি সময়ের আবেদন করেছেন। বোর্ড শফিক তুহিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।

কপিরাইট শুনানিতে শফিক, ইথুন, শেলী, সরলপুর
আসিফ আকবর (বাঁয়ে) ও শফিক তুহিন। ছবি: সংগৃহীত

নিউজবাংলাকে কপিরাইট অফিসার জাফর রাজা চৌধুরী বলেন, আগামী মাসেই আরেকটা সভা করা হবে।’

২০০১ সালের ৩০ জানুয়ারি প্রকাশ পায় আসিফ আকবরের গাওয়া তুমুল জনপ্রিয় গান ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’। গানটি নিয়ে ঝামেলা চলছে লেবেল প্রতিষ্ঠান সাউন্ডটেক এবং গীতিকার-সুরকার ইথুন বাবুর।

কপিরাইট শুনানিতে শফিক, ইথুন, শেলী, সরলপুর
‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ গানের অ্যালবামের কাভার। ছবি: সংগৃহীত

সাউন্ডটেকের করা আপিলের শুনানিতে বুধবার ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ গানটির সুরকার-গীতিকার সময় বাড়ানোর দাবি করেন এবং তাকে সময় বাড়িয়ে দেয়া হয়।

আব্বাজান, স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ, লুটতরাজ, পিতা মাতার আমানত, মনের সাথে যুদ্ধ, আমি জেল থেকে বলছি, দুই বধূ এক স্বামী নামক সাতটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কপিরাইট চুক্তিপত্র বাতিল আবেদন করেছেন প্রয়াত মান্নার স্ত্রী শেলী কাদের। নাজমুল হক ভূঁইয়ার সঙ্গে শেলীর এ চুক্তি ছিল।

সাতটি পূর্ণ্যদৈর্ঘ্য সিনেমার কমার্শিয়াল রাইট শেলীই দিয়েছেন নাজমুল হক ভূঁইয়াকে। যার বিনিময়ে তিনি প্রথমে ২০ লাখ, পরে ৫ লাখ এবং শেষে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন। তিনি নিজেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন এবং সেই চুক্তিপত্র সঠিক বলে নিশ্চিত করেছেন।

এখন শেলীর দাবি, সেই চুক্তিপত্র তিনি বাতিল করতে চান। কারণ সেই সব কনটেন্ট ২০১০ থেকে বা ২০১২ থেকে এখন পর্যন্ত মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ হয়েছে। সেখান থেকে তিনি অনেক টাকা পেতে পারতেন। অনলাইন মিডিয়া সম্পর্কে তার ভালো ধারণা ছিল না। তাই না বুঝেই তিনি সে চুক্তি করে দিয়েছেন।

কপিরাইট আইনের সেকশন ২০ ধারার সাবসেকশন ২-এ বলা আছে, কোনো কপিরাইট প্রণেতা যদি মনে করেন যে কপিরাইটের চুক্তিটা তার জন্য ভালো হয়নি, তা হলে তিনি তা বাতিলের আবেদন করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে কপিরাইট বোর্ড দুই পক্ষের শুনানি নেবে। যদি তা যুক্তিসঙ্গত হয়, তা হলে বোর্ড অবশ্যই সেটি বাতিলের সিদ্ধান্ত দেবে।

কপিরাইট শুনানিতে শফিক, ইথুন, শেলী, সরলপুর
প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্না ও তার স্ত্রী শেলী। ছবি: সংগৃহীত

শেলীর এমন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অন্যপক্ষ জানিয়েছে, যদি এই ধরনের চুক্তি বাতিল হয় তা হলে এ অঙ্গনে মারাত্মক অরাজকতা তৈরি হবে। অনেকেই এটা করতে চাইবে। কেউ আজ চুক্তি করে এক বছর পরেই বলবে যে, সে চুক্তি বাতিল করতে চায়।

এ বিষয়ে কপিরাইট বোর্ড সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে, ‘বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেব। সেই কমিটি শেলীর আবেদন পর্যালোচনা করে দেখবে, কেন শেলী কাদের এটি চাচ্ছেন এবং যদি চুক্তি বাতিল হয়, সে ক্ষেত্রে কী কী সমস্যা হতে পারে। এসব অ্যানালাইসিস করে কমিটি একটা রিপোর্ট দাখিল করবে পরের বোর্ডসভায়। এর ভিত্তিতে বোর্ড একটি পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেবে।’

‘যুবতী রাধে’ গান নিয়ে সরলপুর ব্যান্ডের সঙ্গে আইপিডিসির সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে কপিরাইট অফিসে শুনানি হয় বুধবার।

শুনানিতে আইপিডিসির পক্ষে বলা হয়, ‘যুবতী রাধে’ গানটি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়। গানটির মোট ৩২টি লাইনের মধ্যে ১১টি লাইন বিভিন্ন জায়গা থেকে হুবহু কপি করা, তিনটি লাইনের ভাবার্থসহ আংশিক মিল আছে, তা ছাড়া গানটির সুর প্রাচীন কীর্তন সুরের সঙ্গে যথেষ্ট মিলে যায়।’

সরলপুরের বক্তব্য ছিল, আপনারা (আইপিডিসি) যদি কপিরাইট অফিসে খোঁজ নিতেন, তা হলে তো জানতে পারতের গানটি কপিরাইট করা। আর যখন কেউ কোনো কিছু অবলম্বন করে সৃষ্টি করে, তখন সেই অভিযোজিত বিষয়টিও নতুন হয়ে ওঠে এবং সেই রাইটটাই আমরা নিয়েছি। সে কারণে কপিরাইটটি আমাদের এবং আইপিডিসি নতুন করে কাজটি করার কারণেই কপিরাইট লঙ্ঘিত হয়েছে।

তবে সমস্যা হয়েছে সরলপুরের দেয়া অঙ্গীকারনামায়। যখন কেউ কপিরাইটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করে, তখন একটা স্টেটমেন্ট দিতে হয় সবাইকে। সরলপুর ব্যান্ডটি যথন ‘যুবতী রাধে’ গানটির কপিরাইট করে তখন তারাও স্টেটমেন্ট দিয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ‘আমরা (সরলপুর) কোথাও থেকে গানটি নকল বা অনুকরণ বা অনুসরণ করিনি।’

আইপিডিসি বলছে, এই যে তারা কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনের সময়ই মিথ্যে স্টেটমেন্ট দিয়েছে। তারা তো ১১ লাইন হুবহু কপি করেছে; কিন্তু বলেছে যে কোথাও থেকে কপি করেনি। আর তারা (সরলপুর) ২-৩ বছর আগে গানটি কপিরাইট করে নিয়ে গেছে কিন্তু যখন ওয়েবে তুলেছে, তখন কোনো নোটিশ দেয়নি যে তাদের গানটি কপিরাইটকৃত, কপিরাইট আইন লঙ্ঘন হলে তারা ব্যবস্থা নিতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও বলে, গানটি যেহেতু ময়মনসিংহ গীতিকা বা বিভিন্ন লোকগানের সঙ্গে মিলে যায় এবং সুরও কীর্তনের সঙ্গে মিলে যায় এবং আরও অনেক প্ল্যাটফর্মেই গানটি রয়েছে, তাই আমরা গানটি ইউটিউবে তুলেছিলাম। আমরা গানটি তোলার পর যখন প্রচুর ভিউ হয়, তখন সরলপুরের সমস্যা হলো, তারা শুধু আমাদের ব্যাপারে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ আনল এবং আমরা জানতে পারলাম যে গানটির কপিরাইট করা আছে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা গানটি নামিয়ে ফেলেছি।

কপিরাইট শুনানিতে শফিক, ইথুন, শেলী, সরলপুর
‘যুবতী রাধে’ গানের কপিরাইট করা ব্যান্ড সরলপুর। ছবি: সংগৃহীত

কপিরাইট বোর্ড বলছে, আপনি (সরলপুর) অঙ্গীকারনামায় বলেছেন, আপনি কোনো অনুকরণ, অনুসরণ করেননি, এটা তো মিথ্যা স্টেটমেন্ট দিয়েছেন, বিভ্রান্ত করেছেন। তখন কেন বলেননি যে আপনারা আংশিক কপি করেছেন।

বিষয়টি ভালো করে বোঝাতে কপিরাইট অফিসার জাফর রাজা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পাবলিক ডমেইনটাকে কেউ যদি কিছু কপি করে নিজের মতো তৈরি করে এবং তা যদি স্বীকার করে বা উল্লেখ করে, তা হলে নীতিগতভাবে তারা ঠিক থাকে। যেমন, রবীন্দ্রনাথের কোনো লেখা নিলে সেখানে তার ক্রেডিট দেয়া। কিন্তু যুবতী রাধে গানের ক্ষেত্রে তো সরলপুর সেটা করেনি।’

এমন প্রশ্নের উত্তরে সরলপুর ব্যান্ড পরিপূর্ণ কোনো জবাব দিতে পারেনি এবং তারা কিছু সময় চেয়েছে। সাত দিনের মধ্যে এর জবাব চাওয়া হয়েছে। সাত দিন পর এটার একটা জবাব কপিরাইট বোর্ড দিয়ে দিতে পারবে বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন

হৃদয় ভেঙেছে ‘দঙ্গল’ অভিনেত্রী সানিয়ার

হৃদয় ভেঙেছে ‘দঙ্গল’ অভিনেত্রী সানিয়ার

বলিউড অভিনেত্রী সানিয়া মালহোত্রা। ছবি: সংগৃহীত

সানিয়া বলেন, ‘আমার মনে হয় বিচ্ছেদ বেশির ভাগ মানুষের জন্যেই খুব একটা সুখকর নয়। এই পরিস্থিতি যে অত্যন্ত কঠিন থাকে, সে কথা বলাই বাহুল্য। আমার জন্যও একই কথাই প্রযোজ্য। হৃদয় এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে গিয়েছিল।’

বড়পর্দা কিংবা নেটফ্লিক্স, সব জায়গায় দারুণ উপস্থিতির প্রমাণ রেখে চলেছেন ‘দঙ্গল’ খ্যাত অভিনেত্রী সানিয়া মালহোত্রা।

সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।

দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসেছেন সানিয়া। তবে সেটা একদমই সহজ ছিল না তার কাছে। বিচ্ছেদে হৃদয় ভেঙেছে অভিনেত্রীর।

হৃদয় ভেঙেছে ‘দঙ্গল’ অভিনেত্রী সানিয়ার
বলিউড অভিনেত্রী সানিয়া মালহোত্রা। ছবি: সংগৃহীত

সেই অবস্থা থেকে নিজেকে কীভাবে সামলিয়েছেন সানিয়া, সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সে কথাও।

অভিনেত্রী জানান, দিল্লি থাকার সময় থেকেই তার এই সম্পর্কের শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ চার বছরের সেই লং ডিসট্যান্স সম্পর্কের ইতি টানেন গত বছর।

হৃদয় ভেঙেছে ‘দঙ্গল’ অভিনেত্রী সানিয়ার
বলিউড অভিনেত্রী সানিয়া মালহোত্রা। ছবি: সংগৃহীত

সানিয়া বলেন, ‘আমার মনে হয় বিচ্ছেদ বেশির ভাগ মানুষের জন্যেই খুব একটা সুখকর নয়। এই পরিস্থিতি যে অত্যন্ত কঠিন থাকে, সে কথা বলাই বাহুল্য। আমার জন্যও একই কথাই প্রযোজ্য। হৃদয় এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে গিয়েছিল। তবে এই সময়ের পরপরই আরও বেশি করে কাজে ডুবে গিয়েছিলাম। নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলাম কাজে। নিজের ব্যাপারেও হয়েছিলাম যত্নশীল।’

হৃদয় ভেঙেছে ‘দঙ্গল’ অভিনেত্রী সানিয়ার
বলিউড অভিনেত্রী সানিয়া মালহোত্রা। ছবি: সংগৃহীত

সেই সাক্ষাৎকারে ২৯ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘সম্পর্কের বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিকগুলো নিয়ে আমি এখন আরও অবগত। গত কিছুকাল ধরে আমি সিঙ্গেল। এই মুহূর্তে আমার সব মনোযোগ শুধু নিজের ওপরেই। নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও খেয়াল রাখছি। ব্যস, বুঝেছি নিজেকে ভালোবাসাটা ভীষণভাবে প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

বিজয়ের ৫০ বছর উপলক্ষে রাজধানীর হাতিরঝিলে ১৬ দিনব্যাপী লাল-সবুজের মহোৎসবের আয়োজন করে দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন আয়োজিত লাল-সবুজের মহোৎসবে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর হাতিরঝিলে মহোৎসবের প্রথম দিনে দেশের গান ও নৃত্যে মেতে ওঠেন শিল্পীরা। রাতে আলোক উৎসবের মধ্য দিয়ে প্রথম দিন শেষ হয়।

বিজয়ের ৫০ বছর উপলক্ষে লাল-সবুজের মহোৎসবে ছিল এক ঝাঁক তারকার মিলনমেলা।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন আয়োজিত ওই মহোৎসবে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর হাতিরঝিলে মহোৎসবের প্রথম দিনে দেশের গান ও নৃত্যে মেতে ওঠেন শিল্পীরা। রাতে আলোক উৎসবের মধ্য দিয়ে প্রথম দিন শেষ হয়।

লাল-সবুজের মহোৎসবে সংগীত পরিবেশন করে দেশবরেণ্য কণ্ঠ শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। দেশের গানের তালে নৃত্য পরিবেশন করেন অভিনেতা ফেরদৌস, অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা সাহা মিম, তমা মির্জা, ইমন, নিরব, মেহজাবিনরা।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

বিজয়ের মাসে রাজধানীর হাতিরঝিলে ১৬ দিনব্যাপী লাল-সবুজের মহোৎসবের প্রথম দিনে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

গানে গানে ছন্দে-আনন্দে সাফল্যগাথা তুলে ধরতে পরিবেশন করা হয় 'এগিয়ে চলো আবার জয় বাংলা বলে' গান। এর সংগীত আয়োজন করেন কৌশিক হোসেন তাপস, কণ্ঠও তার।

এরপর মঞ্চে আসেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। 'দে তালি, বাঙালি, আজ নতুন করে স্বপ্ন দেখার দিন' গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন তিনি ও তার সহশিল্পীরা।

পিয়ানোর তালে, মঙ্গল প্রদীপের আলোয় রেজওয়ানা চৌধুরী গেয়ে শোনান ‘আনন্দলোকে’। তার সঙ্গে কণ্ঠ মেলান সহশিল্পীরা। এ সময় পরিবেশিত হয় মনোমুগ্ধকর নৃত্য।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

অভিনেতা ও আবৃত্তিশিল্পী আজাদ আবুল কালামের কণ্ঠে উঠে আসে ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগ থেকে স্বাধীন বাংলার ইতিহাস। মঞ্চের এলইডি পর্দায় দেখানো হয় ইতিহাস থেকে নেয়া বিভিন্ন ছবি।

ইতিহাস বর্ণনা যখন এসে ঠেকে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে, তখন শুরু হয় পরের পরিবেশনা। 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানের পরিবেশনায় অংশ নেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

এর পরেই হয় সমবেত সংগীত। 'নোঙ্গর তোলো তোলো' গানটি কণ্ঠে তোলেন রফিকুল আলম, শাহীন সামাদসহ অগ্রজ-অনুজ কণ্ঠশিল্পীরা। তারা আরও গেয়ে শোনান 'কারার ওই লৌহ কপাট', 'চল চল চল', 'মাগো ভাবনা কেন' গানগুলো।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

আবার শুরু হয় ইতিহাস পাঠ। বর্ণনা ১৪ ডিসেম্বরে এসে দাঁড়ালে শুরু হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিকদের পরিবেশনা। নতুন সংগীতায়োজনে তারা গেয়ে শোনান 'রক্তলাল'।

এরপর স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরা এবং সেই নির্মম ১৫ আগস্ট সবই উঠে আসে ইতিহাসের বর্ণনায়।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, নতুন করে হাল ধরা- এসব যখন পর্দায় দেখানো হচ্ছে তখন বেজে ওঠে ‘ও আলোর পথযাত্রী’ গানটি। সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা ও তার সহশিল্পীরা।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

'ও পৃথিবী এবার এসে বাংলাদেশ নাও চিনে'- শেখ হাসিনার নেতৃত্বের দৃঢ়তা প্রকাশ করতে মঞ্চে আসেন তমা মির্জা, ইমন। ‘লাল-সবুজের বিজয় নিশান’ হাতে হাতে ছড়িয়ে দিতে আসেন নিরব, মেহজাবিন।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

আরও হয় নৃত্যশিল্পীদের বিশেষ পরিবেশনা। সংগীতশিল্পীরা একদম শেষে সমবেত কণ্ঠে গেয়ে শোনান 'সকল দেশের রানী সেজে আমার জন্মভূমি', 'শোনো একটি মুজিবুরের', 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানগুলো।

'আমরা করব জয়' গান দিয়ে শেষ হয় প্রথম দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর সবশেষে বিজয়ের আনন্দে ছোড়া হয় আতশবাজি।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

মহোৎসবের শেষে বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় হাতিরঝিল এলাকায় এ উৎসব হয়। সে সময় বাজি ফুটিয়ে বিজয়ের ৫০ বছর উদযাপন করা হয়। সে সময় রাজধানীর আকাশ আতশবাজিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। কয়েক মিনিট ধরে চলে এ আতশবাজির বিচ্ছুরণ।

বিজয়ের ৫০ বছর: লাল-সবুজের মহোৎসব

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন

‘পাগল মন’ রিমেকে রাধা-কৃষ্ণ অপু-জয়

‘পাগল মন’ রিমেকে রাধা-কৃষ্ণ অপু-জয়

পাগল মন গানে রাধা-কৃষ্ণ রূপে অপু বিশ্বাস ও জয় চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

‘পাগল মন’ গানটিতে পুরনো ‘পাগল মন’ গানের কিছু কথার পাশাপাশি নতুন কথাও আছে। গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন জাবেদ আহম্মেদ কিছলু। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান ও লুইপা। গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন এ কে আজাদ।

অপু বিশ্বাস এবং জয় চৌধুরী অভিনীত প্রেম প্রীতির বন্ধন সিনেমায় রাধা-কৃষ্ণ সেজেছেন দুই অভিনয়শিল্পী। গানের একটি অংশে তাদেরকে দেখা যাবে এ লুকে।

‘পাগল মন’ শিরোনামের একটি গানে বেশ কটি অতি পরিচিত চরিত্রে হাজির হবেন জয় ও অপু। যার মধ্যে একটি হলো রাধা-কৃষ্ণ।

চিত্রনায়ক জয় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সিনেমার একটি গানে বেশ কয়েকটি চরিত্রে হাজির হব আমরা। এরই মধ্যে আমরা বেদের মেয়ে জোসনা সাজে শুটিং করে ফেলেছি। গতকাল (মঙ্গলবার) এফসিডিতে রাধা-কৃষ্ণের লুকে শুট হয়েছে। আরও কিছু চরিত্রে শুটিং বাকি আছে।’

‘পাগল মন’ গানটিতে পুরনো ‘পাগল মন’ গানের কিছু কথার পাশাপাশি নতুন কথাও আছে। গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন জাবেদ আহম্মেদ কিছলু। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান ও লুইপা। গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন এ কে আজাদ।

‘পাগল মন’ রিমেকে রাধা-কৃষ্ণ অপু-জয়
পাগল মন গানের দৃশ্যে অপু ও জয়। ছবি: সংগৃহীত

সোলায়মান আলী লেবু পরিচালিত সিনেমাটির এখনও ত্রিশ শতাংশ কাজ এবং দুটি গানের শুটিং বাকি রয়েছে। কক্সবাজারে কিছু শুটিং হওয়া বাকি। ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে সিনেমার কাজ শেষ হবে বলে জানান জয়।

আর ‘পাগল মন’ গানটির কপিরাইট কিনেই নতুনভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জনান চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী।

জয় তার ফেসবুকে গানের দৃশ্যের কিছু ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘পাগল মন-রিমেক। প্রথম কোনো চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে আমার কষ্টটা একটু বেশিই হলো, যদিও এটি গানের একটি পার্ট, ডিউরেশন ছিল মাত্র ১ মিনিট এর মতো কিন্তু ডেডিকেশন ছিল অনেক বেশি। রাধা অপু বিশ্বাস অনেক ভালো করলেও আমি কেমন করছি জানি না যাই হোক সবাই দোয়া করবেন।’

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন

কঙ্গনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সেন্সরের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে

কঙ্গনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সেন্সরের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী চরণজিৎ সিং চন্দর পাল আবেদনটি করেন। সেখানে আইটি মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছে কঙ্গনা রানাউতের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বলিউডে বিতর্কের রানি হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। এর জেরে তাকে নিষিদ্ধ করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।

এবার কঙ্গনার অন্যান্য সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সব পোস্ট সেন্সর করতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী চরণজিৎ সিং চন্দর পাল আবেদনটি করেন।

সেখানে বলা হয়, আইটি মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ কর্তৃপক্ষ কঙ্গনা রানাউতের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেবে।

সম্প্রতি কৃষক আইন নিয়ে কঙ্গনার করা বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে এ আবেদন করা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘অভিনেত্রীর মন্তব্যগুলো কেবল আপত্তিকর ও নিন্দাজনকই নয় বরং দাঙ্গা সৃষ্টিকারী, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিপ্রায়ে করা, মানিহানিকর। সেই সঙ্গে মন্তব্যে শিখদের সম্পূর্ণরূপে দেশবিরোধী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

‘এটি শিখদের হত্যাকেও ন্যায্যতা দেয়। মন্তব্যটি সম্পূর্ণরূপে আমাদের দেশের ঐক্যের পরিপন্থি এবং অভিনেত্রীর আইনে কঠোর শাস্তি প্রাপ্য। এগুলোকে এক পাশে সরিয়ে দেয়া যাবে না বা অজুহাত দেয়া যাবে না।’

কঙ্গনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সেন্সরের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি ভারতের বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে ভারতকে ‘জেহাদি দেশ’ বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেন কঙ্গনা।

একই সঙ্গে সেই পোস্টের আরেক অংশে শিখ ধর্মাবলম্বীদের ‘খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদী’ বলে আখ্যা দেন অভিনেত্রী।

কৃষি আইন প্রত্যাহার করার পর কঙ্গনা লিখেছিলেন, ‘খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদীরা আজ সরকারের হাত মচকে দিল, কিন্তু ভুললে চলবে না একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী এদের জুতোর নিচে পিষে দিয়েছিল; দেশকে টুকরো হতে দেননি তিনি। তার মৃত্যুর এত বছর পরেও তার নামে ভয় পায় এরা (শিখ)। এদের জন্য এমনই গুরু দরকার।’

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন

মোশাররফের ‘বকুল ফুল’ আসছে বৃহস্পতিবার

মোশাররফের ‘বকুল ফুল’ আসছে বৃহস্পতিবার

বকুল ফুল স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার দৃশ্যে মোশাররফ করিম এবং তাসনুভা তিশা। ছবি: সংগৃহীত

শরাফ আহমেদ জীবন পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো চরকিতে দেখা যাবে মোশাররফ করিমকে। তার বিপরীতে আছেন তাসনুভা তিশা।

একদিন ডাকাতি করতে গিয়ে ডাকাত সরদার ময়নালের মনে হয় ডাকাতরাও সাধারণ মানুষের মতোই আবেগের বেড়াজালে আবদ্ধ। তাদেরও সুখ-দুঃখ আছে, হাসি–কান্না পায়, প্রেম হয়।

এমনই এক গল্প নিয়ে বৃহস্পতিবার ওয়েব প্ল্যাটফর্ম প্রকাশ পেতে যাচ্ছে মোশাররফ করিম অভিনীত ওয়েব কনটেন্ট বকুল ফুল। শরাফ আহমেদ জীবন পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো চরকিতে দেখা যাবে মোশারফ করিমকে। তার বিপরীতে আছেন তাসনুভা তিশা।

ডাকাতিয়া বাঁশি সিরিজের চতুর্থ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বকুল ফুল। পরিচালক শরাফ আহমেদ জীবন বলেন, ‘দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ওটিটি প্লাটফর্মের জন্য এটি আমার প্রথম কাজ। আমি ও আমার পুরো টিম বেশ সময় নিয়ে বকুলফুলের গল্প নিয়ে প্ল্যানিং করে আসছিলাম। দর্শকদের এই গল্পের মধ্য দিয়ে আনন্দ, কষ্ট, প্রেম, ভালোবাসা সবকিছুর ছোঁয়া পাবে।’

তিনি দর্শকদের উদ্দেশে আরও বলেন, ‘আমি ও আমার পুরো টিম বিশেষ করে মোশারফ ভাইসহ সকল আর্টিস্ট ঢাকার বাইরে বিভিন্ন লোকেশনে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে শুটিং করেছি।

‘আমাদের কষ্ট সার্থক হবে যদি আপনারা গল্পটি দেখেন। আমার বিশ্বাস যে গল্পটি প্রথম দেখবেন, সে তার কাছের মানুষকে গল্পটা দেখতে অনুরোধ করবেন।’

স্বল্পদৈর্ঘ্য এই চলচ্চিত্রে আরও অভিনয় করেছেন হিন্দোল রায়, মাসুদ হারুন, শেখ মেরাজুল ইসলাম, হেদায়েত নান্নু, হাসনাত রিপন, তুহিন চৌধুরী, দিপক কর্মকার, শেখ স্বপ্না, শেরতাজ জেবিন, আরিয়ান। বকুল ফুল ২ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে দেখা যাবে।

আরও পড়ুন:
ক্যাটরিনা কাইফের ‘যমজ’!

শেয়ার করুন