শুরু গুনিন, নতুন রূপে রাজ

শুরু গুনিন, নতুন রূপে রাজ

গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘গুনিন’ এর শুটিং এ শিল্পীরা। ছবি: নিউজবাংলা

গিয়াস উদ্দিন সেলিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভোর ৪টায় উঠে গুনিনের শুটিং শুরু করেছি। কোনো ঝামেলার মুখোমুখি এখনও হতে হয়নি।’

শুরু হয়েছে মনপুরা খ্যাত পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ওয়েব সিনেমা ‘গুনিন’ এর শুটিং। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অষ্টগ্রামের কালীমন্দির বটতলিতে চলছে সিনেমার দৃশ্যধারণ।

সোমবার থকে শুরু হয়েছে সিনেমার শুটিং। ভোর ৪টায় শুরু হয় প্রথম দিনের কাজ। শুটিং সেটে একদমই ভিন্নরূপে পাওয়া গেছে সময়ের আলোচিত অভিনেতা শরিফুল রাজকে।

অল্প বড় চুল, গোফ আর লুঙ্গি-গেঞ্জিতে ধরা দিয়েছেন তিনি। শুটিংয়ে দেখা যাচ্ছে বাঁশ-ছনের একটি ঘর, তার সামনে বড় উঠান। আর উঠানের পুরো জায়গাটিতে ছায়া দিচ্ছে পাশের একটি ঝাঁকড়া ধরনের গাছ।

পরিচালক আগেই জানিয়েছিলেন, এবারের সিনেমাটি তিনি নির্মাণ করছেন গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে। কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের গুনিন ছোট গল্পকে সিনেমায় রুপান্তরিত করছেন পরিচালক।

সিনেমায় আরও আছেন অভিনেত্রী পরীমণি। তিনি কবে থেকে শুটিংয়ে অংশ নেবেন তা জানাতে চাননি সিনেমা সংশ্লিষ্ট কেউ। কারণ এবারের শুটিংয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সাবধানতা অবলম্বন করতে চান। শুটিংয়ের খবর পেয়ে যদি দর্শকের ঢল নামে তাতে শুটিংয়ে সমস্যা হতে পারে।

শুরু গুনিন, নতুন রূপে রাজ
গুনিন এর শুটিং দেখতে হাজির দর্শক।

সে কারণে আগে থেকেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে শুটিং সংশ্লিষ্টরা। শুটিং স্পটে ১০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকায় উৎসুক জনগণ ভিড় জমাতে পারছে না। দূর থেকে শুটিং দেখতে হচ্ছে তাদের।

শুটিং দেখতে আসা কয়েকজন নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, পরীমনি শুটিং করতে আসবেন বলে তারা জেনেছেন। তবে প্রথম দিনে পরীমনি না থাকায় শুটিং দেখতে তেমন আগ্রহ পাননি স্থানীয় লোকজন।

গিয়াস উদ্দিন সেলিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভোর ৪টায় উঠে শুটিং শুরু করেছি। কোনো ঝামেলার মুখোমুখি এখনও হতে হয়নি।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আগে উৎসব পরে দেশে মুক্তি পাবে ‘কাগজ’

আগে উৎসব পরে দেশে মুক্তি পাবে ‘কাগজ’

কাগজ সিনেমার ফটোশুটে আইরিন ও ইমন। ছবি: সংগৃহীত

পরিচালক বলেন, ‘পুরো কাজ শেষ করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি অংশ নেয়ার পর বাংলাদেশে মুক্তি পাবে। দর্শক গতানুগতিক ধারার বাইরে কিছু দেখতে পাবেন বলে আশা করছি। আমার প্রথম সিনেমায় কোনো কিছুরই কমতি রাখিনি।’

যাপিত জীবনের আড়ালে লুকায়িত অন্য এক জীবনের গল্প নিয়ে নির্মাতা জুলফিকার জাহেদী নির্মাণ করছেন তার প্রথম সিনেমা কাগজ। থ্রিলার-রোমান্টিকধর্মী গল্পের সিনেমাটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক মামনুন হাসান ইমন ও চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা।

সিনেমাটি একজন লেখকের গল্প নিয়ে। একজন লেখক কীভাবে এক ফিলোসফি নিয়ে বিখ্যাত হয়ে ওঠেন তা দর্শক এই সিনেমায় দেখতে পাবেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান পরিচালক। এরই মধ্যে সিনেমাটির ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে পরিচালক বলেন, ‘পুরো কাজ শেষ করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি অংশ নেয়ার পর বাংলাদেশে মুক্তি পাবে। দর্শক গতানুগতিক ধারার বাইরে কিছু দেখতে পাবেন বলে আশা করছি। আমার প্রথম সিনেমায় কোনো কিছুরই কমতি রাখিনি।’

লেখক ইমন আহমেদের চরিত্রে অভিনয় করছেন ইমন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার কাজ হচ্ছে কাগজের মধ্যে লেখা। কাগজের সঙ্গে আমার সুন্দর একটি সম্পর্ক আছে। সিনেমাটি মুক্তি পেলে দর্শক বেশ উপভোগ করবেন।’

আগে উৎসব পরে দেশে মুক্তি পাবে ‘কাগজ’
কাগজ সিনেমার শুটিং সেটে পরিচালক (বাঁয়ে), আইরিন ও ইমন। ছবি: সংগৃহীত

ইমনের বিপরীতে রেনু চরিত্রে অভিনয় করছেন আইরিন। তিনি বলেন, ‘রেনু একটি বনেদি পরিবারের মেয়ে। দারুণ একটি গল্প নিয়ে পরিচালক সিনেমাটি নির্মাণ করছেন। আশা করছি, সিনেমাটি বাংলাদেশে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের মধ্যে মাইলফলক হিসেবে স্থান করে নেবে।’

সিনেমার বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন মাইমুনা মম ও এলিনা শাম্মী। আরও আছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, শশী আফরোজা, মুন, আশরাফ কবির, ফারহান খান রিও, যুবরাজ। গল্প, চিত্রনাট্য তৈরি এবং প্রযোজনা করছেন নির্মাতা নিজেই।

শেয়ার করুন

‘এরই নাম যদি সভ্যতা হয়, নিকুচি করি আমি’

‘এরই নাম যদি সভ্যতা হয়, নিকুচি করি আমি’

সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। ছবি: সংগৃহীত

‘কেউ যদি প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে গানটিকে স্বীকৃতি দিতে চান, তিনি পারবেন। কারণ গানটির কথাগুলোর অনুভূতি শাশ্বত। যেকোনো অমানবিক, সাম্প্রদায়িক ও ধ্বংসের বিরুদ্ধে গানটি।’ বলেন বাপ্পা মজুমদার।

‘কবর কিংবা চিতা/ সেই তো সাড়ে তিন হাত/ তবুও কেন বলো বন্ধু/ বাছো এতো জাত-পাত/ তোমার ধর্ম, তোমার বর্ম/ মানুষের চেয়েও দামি/ এরই নাম যদি সভ্যতা হয়/ নিকুচি করি আমি!’

সাম্প্রতিক সময়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে এ যেন প্রতিবাদের ভাষা! এ কথাগুলো সুরে সুরে বলেছেন বাপ্পা মজুমদার আর কথাগুলো লিখেছেন মহসীন মেহেদী।

‘হে পাথর’ শিরোনামের গানটি সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িকতার প্রতিবাদ হিসেবে তৈরি হয়নি, নিউজবাংলাকে জানান বাপ্পা মজুমদার।

‘তবে কেউ যদি প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে গানটিকে স্বীকৃতি দিতে চান, তিনি পারবেন। কারণ গানটির কথাগুলোর অনুভূতি শাশ্বত। যেকোনো অমানবিক, সাম্প্রদায়িক ও ধ্বংসের বিরুদ্ধে গানটি।’ বলেন বাপ্পা মজুমদার।

‘হে পাথর’ গানটিতে মিউজিক ভিডিওতে রয়েছেন বাপ্পা মজুমদার। সঙ্গে দেশ-বিদেশে ঘটে যাওয়া যুদ্ধ ও অমানবিক অনেক ঘটনার দৃশ্যের ভিডিও ব্যবহার করা হয়েছে।

গানটি তৈরির গল্প শুনিয়ে বাপ্পা মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গানটি আমার কাছে আসে আরও দেড় মাস আগে। কথাগুলো হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি সুর করার কাজ ধরি।

‘সারা পৃথিবীতে যে অমানবিক কর্মকাণ্ড ঘটছে, তারই প্রতিবাদ হিসেবে গানটি করা। ১০ অক্টোবর ইউটিউবে গানটি প্রকাশ পায়। তার তিন-চার দিন পর দেশেও অস্থিতিকর পরিবেশ তৈরি হয়। এটি কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে।’

শুধু সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়, যেকোনো অমানবিক ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবেই গানটিকে শ্রোতারা চাইলে স্বীকৃতি দিলে আপত্তি থাকবে না বাপ্পা মজুমদারের।

রংপুরের ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন জনপ্রিয় এ সংগীতশিল্পী। নিজের ফেসবুকে আগুন জ্বলা সেই ছবিটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘লাল সবুজের দেশ !!! সম্প্রীতি(?)র দেশ !!!’

শেয়ার করুন

বন্ধুদের ‘রবিন’, নানির ‘বাঁশি’, বাবা-মার ‘বাচ্চু’ নেই তিন বছর

বন্ধুদের ‘রবিন’, নানির ‘বাঁশি’, বাবা-মার ‘বাচ্চু’ নেই তিন বছর

আইয়ুব বাচ্চু। ছবি: সংগৃহীত

১৯৯১ সালে ঢাকায় এলআরবির প্রথম কনসার্ট। ১৯৯২ সালে দেশের প্রথম ডাবল অ্যালবাম প্রকাশ, ১৯৯৬-এ দেশের বাইরে তাদের প্রথম কনসার্ট ছিল। এলআরবি নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠান করা একমাত্র বাংলাদেশি ব্যান্ড।

দেশের রক লেজেন্ড আইয়ুব বাচ্চু না থাকার তিন বছর পূর্ণ হলো। সোমবার তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটিতে আইয়ুব বাচ্চুর সন্তানরা নানাভাবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তার বাবাকে।

লাভ রান ব্লাইন্ড (এলআরবি) ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান কণ্ঠশিল্পী ও লিড গিটারিস্ট আইয়ুব বাচ্চু। তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে এলআরবির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কিছু স্মৃতি শেয়ার করেছেন তার সন্তানরা।

আইয়ুব বাচ্চুর ছোটবেলার তিনটি ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘পারিবারিক অ্যালবাম থেকে কিছু স্মৃতি ভাগ করে নিতে চাই আমরা এই দিনটিকে স্মরণ করে। ছবিতে ছোট্ট রবিন। ফ্রেমের বাঁদিক থেকে পর্যায়ক্রমে ২ বছর, ৫ (আনুমানিক) বছর ও ১২ বছরের রবিন।

‘রবিন নামটি ছিল রক আইকন আইয়ুব বাচ্চুর পারিবারিক ডাকনাম। বন্ধুরা রবিন নামেই ডাকত। তবে আরেকটি ডাকনাম ছিল কিংবদন্তির। নানাবাড়ির দিকে বিশেষ করে নানি কিংবদন্তিকে ‘বাঁশি’ নামে ডাকতেন। মা ও বাবা আদর করে ডাকতেন ‘বাচ্চু’। শৈশবের সেই রবিন কিংবা বাঁশি আজ আমাদের প্রিয় রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু।’

বন্ধুদের ‘রবিন’, নানির ‘বাঁশি’, বাবা-মার ‘বাচ্চু’ নেই তিন বছর

আইয়ুব বাচ্চুর জন্য দোয়া চেয়ে তারা লেখেন, ‘১০৯৫ দিন অথবা ৩টি বছর! সময়ের হিসাব আমরা করিনি কখনও। চলে যাওয়ার ক্ষণটি আঁকড়ে ধরিনি। শুধু জেনেছি আমাদের সবটা জুড়েই তিনি আছেন। আপনাদের কাছে একটিই চাওয়া, রক আইকন আইয়ুব বাচ্চুর জন্য আপনারা সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করবেন।’

বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে মেয়ে ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার একদম শেষে তিনি লিখেছেন, ‘আমি শুধু তোমাকে জানাতে চেয়েছিলাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি এবং মিস করি, সব সময়।’

এলআরবি ব্যান্ডের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আইয়ুব বাচ্চুর ছেলে আহনাফ তাজওয়ার আইয়ুব একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি এলআরবি ব্যান্ডের ‘ঘুমন্ত শহরে’ গানটি গিটার কাভার করেছেন।

তার ক্যাপশনে লেখা, ‘যখন আমি এটা বাজাচ্ছিলাম, আমার সত্যিই মনে হচ্ছিল তুমি আমার পাশেই আছ। আমরা সবাই তোমাকে খুব মিস করি এবং ভালোবাসি।’

আহনাফ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একই ভিডিও প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘৩ বছর, কিন্তু এটি এখনও ঠিক গতকালের মতো মনে হয়।’

আইয়ুব বাচ্চু ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার খরনা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন।

বন্ধুদের ‘রবিন’, নানির ‘বাঁশি’, বাবা-মার ‘বাচ্চু’ নেই তিন বছর
কনসার্টে আইয়ুব বাচ্চু। ছবি: সংগৃহীত

১৯৯১ সালের এপ্রিল মাসে, এলআরবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের প্রথম কনসার্টটি করে। ১৯৯২ সালের জানুয়ারি মাসে দেশের প্রথম ডাবল অ্যালবাম এলআরবি ১ এবং এলআরবি ২ প্রকাশ করে ব্যান্ডটি। ১৯৯৬ সালে এলআরবি ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠান করে যা দেশের বাইরে তাদের প্রথম কনসার্ট ছিল। এলআরবি নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠান করা একমাত্র বাংলাদেশি ব্যান্ড।

ব্যান্ডের পাশাপাশি এককভাবেও গান করেছেন আইয়ুব বাচ্চু। সিনেমার গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর সকাল, আইয়ুব বচ্চু অসুস্থ বোধ করায় তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৯টা ৫৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

শেয়ার করুন

বাংলাদেশকে বলতে দাও: ফারুকী

বাংলাদেশকে বলতে দাও: ফারুকী

নিউজবাংলায় প্রকাশিত শাহবাগ অবরোধের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ছবি: নিউজবাংলা

নিউজবাংলার ছবির অ্যালবাম নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আর ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘লেট বাংলাদেশ স্পিক (বাংলাদেশকে বলতে দাও)।’

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, ক্যামেরার ভাষায় যিনি বলে যাচ্ছেন সময়ের কথা। সময়ের নানা ইস্যু নিয়ে ফেসবুকেও সরব তিনি।

দুর্গাপূজার উৎসবের মাঝে এবং পরে দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নিয়েও ফেসবুকে লিখেছেন ফারুকী।

শনিবার এক স্ট্যাটাসে ঘটনাগুলোর ঠিকঠাক তদন্ত করে সবার সামনে তুলে ধরা, জড়িতদের দ্রুততার সঙ্গে তাদের শাস্তির আওতায় আনা এবং আগামীতে যেন এ রকম কিছু না ঘটে, সে জন্য ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

এর মধ্যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা আরও বেশি ছড়িয়েছে। রংপুরের পীরগঞ্জে রোববার রাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৫ থেকে ২০টি বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় রাজপথ থেকে ফেসবুক- সবখানেই সরব সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরোধীরা।

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিসহ ৭ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে সোমবার বিক্ষোভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সংগ্রহের জন্য সেখানকার অনেকগুলো ছবি তোলেন নিউজবাংলার আলোকচিত্রী সাইফুল ইসলাম ও পিয়াস বিশ্বাস। সেই ছবিগুলো দিয়ে ছবির গ্যালারি বানিয়ে প্রকাশ করে নিউজবাংলা।

ছবির সেই অ্যালবামটি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সেই সঙ্গে ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘লেট বাংলাদেশ স্পিক (বাংলাদেশকে বলতে দাও)।’

ফারুকী ছাড়াও নিউজবাংলার ছবির অ্যালবামটি শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী নাজিফা তুষিও।

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় জয়ার কালো ব্যাজ

সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় জয়ার কালো ব্যাজ

সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ফেসবুকে জয়ার কালো ব্যাজ। ছবি: সংগৃহীত

জয়া ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না/ এই জল্লাদের উল্লাসমঞ্চ আমার দেশ না/ এই বিস্তীর্ণ শ্মশান আমার দেশ না/ এই রক্তস্নাত কসাইখানা আমার দেশ না।’

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান দুর্গাপূজা কাটিয়েছেন কলকাতায়। তার আগে তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে। যারা তার ফেসবুক নিয়মিত ফলো করেন, এসব তথ্য তারা নিশ্চয়ই জানেন।

সেই সঙ্গে এটিও জানেন যে, জয়া বরাবরই দেশ-বিদেশের চলতি ইস্যু নিয়ে খুবই সচেতন এবং সে বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিতই লেখেন ফেসবুকে।

কিছুদিন আগেই তো ‘প্রাণবিক বন্ধু’ সম্মাননা পেয়েছেন এ অভিনেত্রী। পরিবেশ নিয়েও সোচ্চার জয়া।

অসাম্প্রদায়িকতার পক্ষেও সব সময় সরব জয়া। নিজের দেশের পাশাপাশি কলকাতায়ও তিনি আবাস গেড়েছেন এবং নিজের গুণে সেখানকার মানুষের মনও জয় করে নিয়েছেন।

ঈদ-পূজা-বড়দিন সমানভাবে উদযাপন করেন জয়া। বিশেষ দিনগুলোতে থাকে তার আলাদা পরিকল্পনা। তার সাজসজ্জা, খাবার নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় সাক্ষাৎকার।

এই অসাম্প্রদায়িক মানুষ তার নিজ দেশে সাস্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় কালো ব্যাজ ধারণ করেছেন। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল পিকচারের পুরোটা শোকের রং কালো করে দিয়েছেন তিনি।

সেই সঙ্গে রংপুরের ঘটনায় অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন নবারুন ভট্টাচার্যের কবিতার লাইন দিয়ে।

জয়া লিখেছেন, ‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না/ এই জল্লাদের উল্লাসমঞ্চ আমার দেশ না/ এই বিস্তীর্ণ শ্মশান আমার দেশ না/ এই রক্তস্নাত কসাইখানা আমার দেশ না।’

এই লাইনগুলোর নিচে জয়া ‘রংপুর’ লিখে এবং ছবি পোস্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, কোন প্রসঙ্গে কথাগুলো বলেছেন তিনি।

শেয়ার করুন

সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা। ছবি: ফেসবুক থেকে

বাংলাদেশ ফেরত চেয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা আপনার সৈনিক। আপনি আদেশ করেন। '৭১-এ পারিনি ২০২১-এ দেশের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত।’

দেশে চলমান সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লেখা এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, সহনশীল হওয়ার দিন শেষ।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে এক বিশ্রী অনুভূতির মধ্যে বসবাস করছি। গ্লানি, দুঃখ, ক্ষোভ সব কিছু মিলেমিশে একাকার।’

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে যেন কালো একটা পর্দা পরে গেল বলে মনে করেন সুবর্ণা।

তিনি লেখেন, ‘৩০ লাখ শহীদ আর তিন লাখ নারীর সর্বোচ্চ ত্যাগকে অসম্মানিত হতে দেখলাম। বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষ সোনার বাংলাকে ধর্মের ধুয়াধারীরা কলুষিত করতে উদ্গ্রী‌ব।’

কিন্তু আর না, সুবর্ণা মনে করেন নতুন করে যুদ্ধ শুরু করতে হবে। দেশকে এই কুচক্রীদের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে।

তাই তিনি লেখেন, ‘যারা ষড়যন্ত্র করে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইছে, দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে, তাদের বলছি- বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান, এবার ঘুঘু তোমার বধিব পরাণ।’

অপরাধীদের উদ্দেশ করে সুবর্ণা লেখেন, ‘বাংলাদেশ এখন পুরোটাই ডিজিটাল। তোমরা সবাই চিহ্নিত, তোমাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে, আইনের শাসন দিয়েই তোমরা শাস্তি পাবে। সহনশীল হওয়ার দিন শেষ।’

লেখনীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য তুলে ধরেন সুবর্ণা। লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না, মানে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। ধর্ম যার যার উৎসব সবার, সব ধর্মের প্রতি সমান সম্মান।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ভেঙে পড়ার ঘটনা উল্লেখ করে সুবর্ণা লেখেন, ‘যখন জগন্নাথ হল ভেঙে পড়ল, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী, সাধারণ মানুষ, ডাক্তার, নার্স, সারা দিন সারা রাত সবাই একসঙ্গে উদ্ধারকাজ, রক্ত দেয়া, ওষুধ আনার কাজ করে গেছি। মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

সেই বাংলাদেশ ফেরত চেয়ে সুবর্ণার ভাষ্য, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা আপনার সৈনিক। আপনি আদেশ করেন। '৭১-এ পারিনি ২০২১-এ দেশের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত।’

শেয়ার করুন

মিথিলার বলিউড সিনেমা ‘রোহিঙ্গা’ মুক্তি নভেম্বরে

মিথিলার বলিউড সিনেমা ‘রোহিঙ্গা’ মুক্তি নভেম্বরে

আগামী ১৫ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০’-এ বিজয়ী তানজিয়া জামান মিথিলা অভিনীত বলিউড সিনেমা ‘রোহিঙ্গা’। ছবি: সংগৃহীত

মিথিলা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একজন বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম বলিউডে কাজ করেছি। অবশ্যই আমি বলব যে সবাই সিনেমাটি দেখুক, দেখে তাদের কেমন লাগল, ভালো-মন্দ যেটাই হোক, সেটা নিয়ে কথা বলুক।’

বাংলাদেশি মডেল ও ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০’-এ বিজয়ী তানজিয়া জামান মিথিলার অভিনীত বলিউড সিনেমা রোহিঙ্গা মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৫ নভেম্বর।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মিথিলা নিজেই।

তিনি জানান, আগামী ১৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যাপেল টিভিতে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

সিনেমাটির মুক্তির তারিখ জানাতে উচ্ছ্বসিত মিথিলা। তিনি বলেন, ‘সিনেমাটার ইস্যু তো খুব সেনসেটিভ। অনেক দৃশ্য কেটেও সেন্সর পেয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বলব, আমি এটা নিয়ে অনেক হ্যাপি।’

বাংলাদেশি দর্শকদের সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সিনেমাটি খুবই ইমোশনাল। গল্পটা ভীষণ ভালো। সত্য ঘটনা থেকে নেয়া গল্প। একটু এদিক ওদিক করা হয়েছে। অবশ্যই সিনেমাটি দেখার অনুরোধ রইল।’

সেই সঙ্গে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘একজন বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম বলিউডে কাজ করেছি। অবশ্যই আমি বলব যে সবাই সিনেমাটি দেখুক, দেখে তাদের কেমন লাগল, ভালো-মন্দ যেটাই হোক, সেটা নিয়ে কথা বলুক।’

মিথিলার বলিউড সিনেমা ‘রোহিঙ্গা’ মুক্তি নভেম্বরে
‘রোহিঙ্গা’ সিনেমার পোস্টারে তানজিয়া জামান মিথিলা। ছবি: সংগৃহীত

একই সঙ্গে মিথিলার চাওয়া, দর্শকরা অ্যাপ্রিশিয়েট করুক, যেন পরবর্তী সময়ে আরো অভিনেতা-অভিনেত্রীরা বলিউডে গিয়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা পান।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন হায়দার খান। যিনি সালমান খান অভিনীত রাধে সিনেমার সহকারী পরিচালক ছিলেন।

এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিথিলা। তার চরিত্রের নাম হুসনে আরা। তার বিপরীতে অভিনয় করছেন স্যাঙ্গে শেলট্রিম। যাকে রাধে সিনেমার অন্যতম ভিলেনের চরিত্রে দেখা গেছে।

শেয়ার করুন