শেখ হাসিনার যে ছবিটি জয়ার মনে

শেখ হাসিনার যে ছবিটি জয়ার মনে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে স্মৃতিচারণ করলেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

জয়া আহসান লেখেন, ‘শেখ হাসিনার আজ জন্মদিন। তার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে লেখার মানুষ কম নেই। আমার আছে মানুষ শেখ হাসিনাকে নিয়ে ব্যক্তিগত কিছু স্মৃতি, একান্ত কিছু অনুভূতি…।’

দেশভাগের বছর অর্থাৎ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের পূর্ব অংশের গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়ায় ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার। আজ তার ৭৫তম জন্মদিন।

জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী। অনেকেই তাকে নিয়ে লিখছেন নানান স্মৃতিকথা।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেখ হাসিনাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে দেয়া জয়া পোস্টে লেখেন, ‘শেখ হাসিনার আজ জন্মদিন। তার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে লেখার মানুষ কম নেই। আমার আছে মানুষ শেখ হাসিনাকে নিয়ে ব্যক্তিগত কিছু স্মৃতি, একান্ত কিছু অনুভূতি…।’

এরপর ‘উজ্জ্বল চিরন্তন এক ছবি’ শিরোনামে দীর্ঘ একটি লেখা প্রকাশ করেছেন জয়া আহসান।

তিনি লিখেছেন- এত বছর আগের একটা দিন, কিন্তু শেখ হাসিনার সেই ছবিটি এখনও উজ্জ্বল হয়ে আছে মনে। কিশোরীবেলার অনেকগুলো ঝলমলে স্মৃতি একসঙ্গে মিলেমিশে আছে বলেই হয়ত। উত্তুঙ্গ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জেনারেল এইচএম এরশাদের সবেমাত্র পতন হয়েছে। প্রিয় স্বজনসহ সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর সেনাশাসনের অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল পুরো দেশ, মানুষ তার সেই নিকষ কালো পর্ব থেকে বেরিয়ে এসেছে। দেড় দশক পরে ফুসফুস ভরে শ্বাস নিচ্ছে মুক্ত হাওয়ায়। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের এক মধুর পর্ব চলছে। নানা রকমের মানুষের মিলেমিশে এক হয়ে ওঠার মতো এত বড় ঘটনা তো মুক্তিযুদ্ধের পরে আর ঘটেনি।

এসব অবশ্য বুঝেছি পরে। রাজনীতির জটিল জ্যামিতি বোঝার মতো বয়স তখনও আমার নয়। বড়দের পৃথিবী থেকে টুকরো টুকরো কথা কানে ভেসে আসে। সেসব আবছা কথা কল্পনায় জোড়াতালি দিয়ে আর নানা রঙে মিশিয়ে এক রকমের ধারণা করে নিই। তবে খুব যে এক আনন্দের সময় বয়ে চলেছে, সেটা বুঝি বাবার চাঞ্চল্য দেখে। বারবার কারণে-অকারণে ঘরে-বাইরে ছুটোছুটি করছেন। সিগারেট খাওয়ার হারটাও বেড়েছে। বহুদিন বাবাকে এমন মধুর মেজাজে দেখিনি।

বাইরে থেকে বাবা এমনিতে ভীষণ কড়া মেজাজের মানুষ। ভেতরটা যদিও উল্টো। নিভৃত মুহূর্তে আপনমনে কাব্যচর্চা করেন। মনে পড়ে, আমাকে একবার কবি আল মাহমুদের কাছেও নিয়ে গিয়েছিলেন। বাংলা ভাষার এত বড় মাপের একজন কবি, কিন্তু সে গুরুত্ব বোঝার মনও কি আর তখন হয়েছে? যা হোক, মনের কোমল অংশটা কঠিন আবরণের আড়ালে ঢেকে রাখতে অভ্যস্ত বাবার মনটা স্বৈরাচারী সেনাশাসনের পতনের পরে হঠাৎ খোলামেলা হয়ে পড়ল।

না হওয়ার কথাও তো নয়। দেশটাকে যে বড় ভালোবাসতেন তিনি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। বাঙালির মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে প্রাণের টানে ছুটে গিয়েছিলেন। যুদ্ধ করেছিলেন খালেদ মোশাররফের সঙ্গে ২ নম্বর সেক্টরে। মুক্তিযুদ্ধের আগেকার সেই উত্তাল বিদ্রোহী দিনে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে বিক্ষোভ চলল, তরুণ-বয়সী বাবা তাতে গিয়েও যোগ দিলেন। সামিল হলেন বেতার অফিসের সামনে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে। নিজের হাতে সেখানে উড়িয়ে দিলেন মুক্তিযুদ্ধের লাল-সবুজ-হলুদ পতাকা। বেতার অফিসের সামনে বাবার সেই ফুটেজটা খুঁজে পেয়েছি সম্প্রতি। আমার অমূল্য এক সংগ্রহ।

যে প্রত্যাশা নিয়ে বাবা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আরও অনেকের মতো তারও মনে হয়েছিল সে প্রত্যাশার মৃত্যু হয়েছে। সেনাশাসনের পতনের পর তার মনে হলো, বদ্ধ দরজা খুলে আবার আলো এল। বাবা বললেন, ‘চল, আমার সঙ্গে। তোদের একটা জায়গায় নিয়ে যাই।’ কোন জায়গায়? কার কাছে? কিছুই জানি না। আমি আর আমার ছোট বোন কান্তা চললাম বাবার সঙ্গে। কান্তা চড়ে বসল বাবার কাঁধে। আমি ধরলাম তার হাত।

বাবা আমাদের নিয়ে চললেন এখন যেখানে সচিবালয়, তার কাছে, পল্টনের মোড়ে। আগের দিনের লোকেরা জায়গাটাকে তখন ডাকে সেকেন্ড ক্যাপিটাল বলে। সেখানে পথে পথে উৎসব। মোড়ে মোড়ে জটলা। মানুষের মাথা মানুষে খাচ্ছে। আনন্দের বন্যা বয়ে চলেছে শহরের পথে পথে। পল্টনে বিরাট মঞ্চ পাতানো হয়েছে। বাবার হাতে এরশাদ ও তার সাঙ্গোপাঙ্গদের কার্টুন-ক্যারিকেচারভরা লিফলেট আর পুস্তিকা ধরিয়ে দিচ্ছে লোকেরা। বাবা খুব আগ্রহ নিয়ে দেখাচ্ছেন আমাদের।

মানুষের উজান ঠেলে বাবা এরপর আমাদের নিয়ে সোজা উঠলেন ৩২ নম্বর ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর ইতিহাসভরা বাড়িটিতে। যেন বেশ চেনা একটা আত্মীয়ের বাড়ি, এমনই নিশ্চিন্তে গিয়ে হাজির হলেন একটা ঘরের সামনে। দরজা ঠুকে বললেন, ‘বুবু, আসব?’ শেখ হাসিনা কে, কী, সেসব কিছু বুঝিনি। মনে মনে শুধু ভেবেছি, ও, ইনিই তাহলে বঙ্গবন্ধুর মেয়ে! বিছানায় দ-এর ভঙ্গিতে কিছুটা অর্ধশায়িত। ঘরোয়া মেজাজ। কিছুটা কি ক্লান্ত? আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে সেনাশাসনবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের ঝড়ঝাপ্টা বয়ে গেছে তার ওপর দিয়ে। কিন্তু কোথাকার কী? আমাদের দেখেই সস্নেহ একটা হাসির রেখা ফুটে উঠল মুখে। সোজা হয়ে বললেন, ‘কাকে নিয়ে এসেছ, বাবলা? তোমার মেয়ে বুঝি?’

সেই তাকে প্রথম দেখা। গায়ে সাধারণ একটা বেগুনি-ঘিয়ে রঙের ডুরে শাড়ি। মাথায় সামান্য ঘোমটা টানা। একেবারেই বাঙালি নারীর চিরচেনা আটপৌঢ়ে ছবি। শেখ হাসিনার চোখের রং আর দশজন সাধারণ বাঙালির মতো নয়। সে দিকে চোখ না পড়ে উপায়ই নেই। তবু সব ছাপিয়ে চোখ আঠার মতো আটকে গেল তার চুলে। ঘন কালো চুলের এক মোটা গোছা। ঘোমটার আড়াল থেকে বেরিয়ে পিঠ বেয়ে এঁকেবেঁকে নেমে গেছে কোমর পর্যন্ত। এমন দীর্ঘ আর চওড়া চুলের গোছাও হয় মানুষের? মনে খচিত হয়ে গেল উজ্জ্বল ও চিরন্তন সেই বাঙালি ছবিটি।

এর পর তো পদ্মানদী দিয়ে বহু পানিই গড়িয়ে গেছে। বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেত্রী থেকে তিনি এ দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন কয়েকবার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার নিজেরও বাহ্যিক রূপান্তর কম হয়নি। কিন্তু চুলের মোটা গোছাসহ তার যে ছবিটা সে দিন দেখেছিলাম, মনে গভীরে এখনও উজ্জ্বল হয়ে আছে সেই ছবিটিই। আমার কাছে সেটিই তার স্থায়ী রূপাবয়ব।

প্রধানমন্ত্রীর গুরুতর দায়িত্বভার তাকে বহন করতে হয়। ছোটখাটো বিষয়ে মন দেয়ার অবকাশ কোথায়? কিন্তু তার সঙ্গে ছোট ছোট দুয়েকটি অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সামান্য বিষয়ের দিকেও তিনি সযত্ন দৃষ্টি রাখেন। প্রধানমন্ত্রী নন, নিতান্ত আপনজনের মতো। সেসব তার না রাখলেও চলে, তার হয়ে অন্য কেউ রাখলেই যথেষ্ট। তবু তিনি রাখেন। এ তার অসামান্য এক গুণ। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব তার ভেতরের মানুষটিকে এখনও মোটেই পিষ্ট করে দিতে পারেনি।

একটা ঘটনা বলি। সেবার আমাকে জিরো ডিগ্রি ছবিটির জন্য সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হবে। পুরস্কার সবার হাতে তুলে দেয়া হবে একটি অনুষ্ঠান করে। ঘটনাচক্রে সে বছর পশ্চিমবঙ্গেও আমাকে মহানায়ক উত্তম কুমার সম্মাননা দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সেবারই প্রথম কোনো নারী অভিনয়শিল্পীকে আয়োজকেরা এ পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই আলাদা একটা মর্যাদার ব্যাপার হয়ে উঠেছিল পুরস্কারটি। অর্থমূল্যও ছিল যথেষ্ট। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থেকে পুরস্কার দেবেন।

ভালোই প্যাঁচ লেগে গেল। দুটো পুরস্কার দেয়ার তারিখ পড়ল একই দিনে। শুধু কি একই দিনে? পড়ল একই দিনের কাছাকাছি সময়ে, এক-দেড় ঘণ্টার এদিকে-ওদিকে। সকালে আর বিকেলে হলেও সামাল দেওয়া যেত। একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চলে যাওয়া যেত আরেকটি অনুষ্ঠানে। আয়োজকদের অনুরোধ করে সময়টাকে আগুপিছু নানা চেষ্টাচরিত্র করেও ফল হলো না। হবে যে না, সেটা এক রকম অনুমানও করেছিলাম। এত এত মানুষের সময়সূচি আবার মিলিয়ে সব ঠিক করা কি সহজ? কিন্তু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার যে আমার দেশের সম্মাননা। তাছাড়া এর মর্যাদাও আলাদা। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে এ পুরস্কার শিল্পীকুশলীদের হাতে তুলে দেবেন। এই পুরস্কার না নিয়ে কি পারা যায়?

দেশেই রয়ে গেলাম। অনুষ্ঠানে যথারীতি আমার নাম ডাকা হলো। মঞ্চে উঠলাম পুরস্কার নিতে। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেয়ার সময় কোমল গলায় তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘জয়া, তুমি কলকাতায় যাওনি?’

তার মুখে এই প্রশ্ন? এত ব্যস্ততার মধ্যে এই অকিঞ্চিৎকর তথ্যটুকু তিনি শুনেছেন, শুনে মনেও রেখেছেন? শুধু এখানেই তো শেষ নয়। আগে কয়েকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া সত্ত্বেও যে আন্তর্জাতিক একটা সম্মাননার মায়া ছেড়ে দিয়ে আমি রয়ে গেছি, বক্তৃতা দিতে উঠে বললেন সে কথা। বললেন, এই হলো দেশের প্রতি ভালোবাসা। আমি তো বাকরুদ্ধ।

আমি গভীরভাবে অভিভূত হয়েছিলাম আরও একটি ঘটনায়। প্রকৃতি আর প্রাণীর প্রতি আমার প্রাণের টান। প্রাণী অধিকার নিয়ে কাজ করে, এমন কিছু সংগঠনের সঙ্গে তাই সক্রিয় যোগাযোগ রাখি। এ রকমই এক সংগঠন থেকে একবার খবর এল, গণভবনের লাগোয়া একটি জায়গা থেকে তারা একটি কুকুর উদ্ধার করেছে। গণভবনের চিফ সিকিউরিটি এসডিএন কবীর সাহেবের কাছে পরে শুনেছিলাম, গণভবনের বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে অর্ধশতাধিক কুকুর আছে। আছে বেড়ালেরও দল। পোষা নয়। স্বাধীন ও ছন্নছাড়া। এত গাছপালাভরা সবুজ একটা জায়গা। পাখপাখালিও সে কারণে এন্তার। যা হোক, দলছুট সারমেয় মহাশয় কোনো ফাঁকফোঁকর গলে গণভবনের বাইরে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে ছিল পথে।

সেই দলছুট মহাশয়ের একটা হিল্লে করা হলো। কিন্তু কবীর সাহেবের কাছ থেকে আরও যে তথ্য পেলাম, তাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ভালোবাসায় বুকটা ভরে গেল। সেই কুকুরগুলোর জন্য তিনি নিজেই খাবারের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। ওদের জন্য ফার্ম থেকে মুরগির মাংস আসে। সেই মুরগির সঙ্গে চাল মিশিয়ে রোজ খাবার তৈরি হয়। বেড়ালগুলোর জন্য প্রতিদিনের বরাদ্দ ২০ লিটার করে দুধ। গণভবনের ভেতরের গাছগুলো থেকে ফল পাড়তে দেওয়া হয় না। ওইসব ফলপাকুড় পাখিদের ভোজ্য। তার নির্দেশে পশুপাখিগুলোর জন্য আলাদা একটা ব্যয়বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রাষ্ট্র নিয়ে যার শত ব্যস্ততা, তার মনের একটি ভাগ তিনি এদের জন্যও দিয়ে রেখেছেন। ভেতর থেকে উপচে আসা গভীর ভালোবাসা ছাড়া কি আর এটি সম্ভব?

রাষ্ট্র আর রাজনীতি কোটি মানুষকে নিয়ে কাজ করে। তার তাই হাজার পথ, হাজার মত। সে নিয়ে জটিল বিতর্কের শেষ হবে না কোনো দিন। কিন্তু যৎসামান্য স্মৃতির গুচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে মানুষী রূপ দেখেছি, তার তুলনা মেলা ভার। এখনো যখনই তাকে দেখি, তখনই মনে ফিরে আসে কিশোরবেলায় দেখা মোটা চুলের গোছায় উজ্জ্বল সেই সস্নেহ মুখটি। অন্তরঙ্গ, নিবিড়, মমতামাখা।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জামিন বাড়ল পরীমনির

জামিন বাড়ল পরীমনির

সকাল ১০টা ৩৭ মিনিটে শুরু হওয়া মাত্র ৭ মিনিটের শুনানিতে পরীমনির পক্ষে আইনজীবী জামিনের প্রার্থনা করেন। পরীমনির শুটিং আছে বলে তাকে লম্বা সময়ের জন্য জামিন দিতে আদালতকে অনুরোধ জানান। তাতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী কোনো আপত্তি তোলেননি।

রাজধানীর বনানী থানায় র‌্যাবের করা মাদক মামলায় পরীমনির জামিন মেয়াদ বেড়েছে। সেই সঙ্গে মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি পিছিয়েছে। পরবর্তী শুনানির তারিখ ১৫ নভেম্বর।

পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল আলম অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি নেন।

শুনানি শেষে অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানির জন্য ১৫ নভেম্বর তারিখ রাখেন বিচারক। সেই সঙ্গে পরীমনির আবেদন গ্রহণ করে এই সময় পর্যন্ত জামিন বাড়ান তিনি।

সকাল ১০টা ৩৭ মিনিটে শুরু হওয়া মাত্র ৭ মিনিটের শুনানিতে পরীমনির পক্ষে আইনজীবী নিলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিনের প্রার্থনা করেন। পরীমনির শুটিং আছে বলে তাকে লম্বা সময়ের জন্য জামিন দিতে আদালতকে অনুরোধ জানান।

এসময় রাষ্ট্র পক্ষে মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন। তিনি কোনো আপত্তি না করে তা সমর্থন করেন।

এর আগে সকাল ৯ টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে এসে গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন পরীমনি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গেট খুললে তিনি মহনগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে সোফায় গিয়ে বসে শুনানির জন্য অপেক্ষা করেন।

এদিন পরীমনিসজ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা ছিল।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ২৬ অক্টোবর ধার্য করেন।

গত ৪ আগস্ট বিকেলে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাবের একটি দল। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটক করা হয় পরীমনিকে।

পরের দিন ব্রিফিংয়ে পরীমনিকে আটক করার কারণ জানানোর পাশাপাশি বনানী থানায় একটি মাদক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় র‌্যাব। এরপর এই অভিনেত্রীকে তিন দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলায় পরীমনিকে বারবার রিমান্ডে দেয়ায় বিচারিক আদালতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। সমালোচনাও হয়। এসবের মাঝে ৩১ আগস্ট জামিন পান পরীমনি।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে অপর দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

অভিযোগপত্র জমার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। সেই সঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

কারামুক্ত হওয়ার পর বিশ্রাম শেষে ফের কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে গুনিন সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে। সেখানে তার অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া পরীমনির হাতে রয়েছে প্রীতিলতা, মা নামে সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ।

এর মধ্যে গত রোববার বেশ ঘটা করে পরীমনি তার জন্মদিন পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন

আদালতে পরীমনি

আদালতে পরীমনি

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পরীমনি। ছবি: সাইফুল ইসলাম

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দক্ষিণ গেটে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপস্থিত হন পরীমনি। প্রায় আধাঘণ্টা গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি। পরে গেট খুলে দেয়া হলে সাড়ে ৯টার সময় আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা।

রাজধানীর বনানী থানায় র‌্যাবের করা মাদক মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দক্ষিণ গেটে উপস্থিত হন পরীমনি। প্রায় আধাঘণ্টা গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি। পরে গেট খুলে দেয়া হলে সাড়ে ৯টার সময় আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন।

সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল আলম অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি নেবেন।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানির দিন রাখে ২৬ অক্টোবর।

গত ৪ আগস্ট বিকেলে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাবের একটি দল। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটক করা হয় পরীমনিকে।

পরের দিন ব্রিফিংয়ে পরীমনিকে আটক করার কারণ জানানোর পাশাপাশি বনানী থানায় একটি মাদক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় র‌্যাব। এরপর এই অভিনেত্রীকে তিন দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলায় পরীমনিকে বারবার রিমান্ডে দেয়ায় বিচারিক আদালতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। সমালোচনাও হয়। এসবের মাঝে ৩১ আগস্ট জামিন পান পরীমনি।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে অন্য দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

অভিযোগপত্র জমার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। সেই সঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

কারামুক্ত হওয়ার পর বিশ্রাম শেষে ফের কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে গুনিন সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে। সেখানে তার অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া পরীমনির হাতে রয়েছে প্রীতিলতা, মা নামে সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ।

এর মধ্যে গত রোববার বেশ ঘটা করে পরীমনি তার জন্মদিন পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন

ববি শুরু করছেন সত্য ঘটনার সিনেমা

ববি শুরু করছেন সত্য ঘটনার সিনেমা

অভিনেত্রী ববি। ছবি: সংগৃহীত

মূল ঘটনায় নায়িকা সিমলার নাম যুক্ত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে সিমলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ববি, কিন্তু ববি বললেন অন্য কথা।

ঘটনাটি ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের। চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন পলাশ নামের এক যুবক।

ঘটনার দিনই কমান্ডো অপারেশনে নিহত হন পলাশ। পরে জানা যায়, সাবেক স্ত্রী চিত্রনায়িকা শামসুন নাহার সিমলার সঙ্গে ডিভোর্সের পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন পলাশ।

তদন্তে আরও জানা যায়, মূলত ভয় দেখানোর মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই পলাশের ‘অস্ত্র ও বোমাকাণ্ড’।

এই ঘটনা থেকেই এবার সিনেমা নির্মাণ হতে যাচ্ছে। সিনেমাটি নির্মাণ করবেন পদ্মাপুরাণ খ্যাত রাশিদ পলাশ। ছিনতাই চেষ্টা করা সেই বিমানের নাম ‘ময়ূরপঙ্খী’। পরিচালকও সিনেমার নাম দিয়েছেন সেই বিমানের নামেই।

সিনেমার নারী কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন ইয়ামিন হক ববি। গল্পের বিষয়টি পরিচালক এবং অভিনয়ের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ববি।

মূল ঘটনায় নায়িকা সিমলার নাম যুক্ত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে সিমলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ববি, কিন্তু ববি বললেন অন্য কথা।

ববি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি সিমলার চরিত্রে অভিনয় করছি, বিষয়টি এমন নয়। আমার চরিত্রটি কেমন হবে সেটা এখনই বলছি না। এ বিষয়ে জানানোর সময় এখনও আসেনি। সময় হলে ভালো করেই সব জানাব।’

এই সিনেমার মাধ্যমে অনেক দিন পর সিনেমার কাজে ফিরছেন ববি। জানালেন, চাইলে অনেক কাজই করতে পারতেন, কিন্তু সেগুলো করতে চাননি।

সিনেমাটিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ববি বলেন, ‘গল্পটি অনেক আগেই শুনেছি। ধীরে ধীরে গল্পটি আরও গুছিয়েছেন নির্মাতারা। গল্পটি আরও ভালো হয়ে উঠেছে। আর ভালো গল্পে কে না কাজ করতে চায়।’

নির্মাতা রাশিদ পলাশ ব্যস্ত থাকবেন প্রীতিলতা সিনেমার দৃশ্যধারণ নিয়ে। তিনি জানান, প্রীতিলতার শুটিং শেষ করেই ময়ূরপঙ্খী সিনেমার কাজ শুরু করবেন। এ বছরের শেষ দিকে সেটা হতে পারে। সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন আজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ

অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

‘আমার নিজস্ব প্রোডাকশন, যেখানে আমার ভাবনাগুলো তুলে ধরব, সেটার জন্য এটা একটা স্কুলিং হিসেবে কাজ করবে।’ তাহলে কি শুভকে প্রযোজক হিসেবে দেখা যাবে? শুভ বলেন, ‘দেখা যাক।’

দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ। অভিনয় করছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে। জীবনীভিত্তিক সিনেমাটির নাম বঙ্গবন্ধুনূর নামের একটি সিনেমার কাজ একদম শেষ পর্যায়ে।

তার অভিনীত ‌মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি মুক্তি পাবে ৩ ডিসেম্বর। রোববার সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে আরিফিন শুভকে দেখা গেছে নতুন ঘটনায় নতুন কাজের চ্যালেঞ্জ নিতে।

এ তিন সিনেমাসহ আরও কিছু বিষয়ে আরিফিন শুভ কথা বলেছেন মিশন এক্সট্রিম সিনেমার ট্রেলার প্রকাশের রোববারের অনুষ্ঠানে।

মিশন এক্সট্রিম সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে, কেমন লাগছে?

মিক্সড ফিলিংস বলা যেতে পারে। আমি হ্যাপি, এক্সাইটেড, নার্ভাস, হোপফুল সবকিছু।

ভালো সিনেমা নেই, প্রেক্ষাগৃহে দর্শক যাচ্ছে না। পরিস্থিতিটা কেমন মনে হচ্ছে আপনার। মিশন এক্সট্রিম তো বিগ বাজেটের সিনেমা।

৮৮ সালে যখন বন্যা হয়েছিল, সেই বন্যার পরেও সিনেমা হলে দর্শক গেছেন এবং দেখেছেন। এটা এই কারণে বললাম যে, দর্শক যার কাজ দেখতে ভালোবাসেন, যাদের ওপরে আস্থা আছে দর্শকদের, যাদের কাজে দর্শকরা মনে করেন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখলে ইন্টারেস্টিং স্টোরি পাওয়া যাবে, বিনোদিত হওয়া যাবে, তাদের কাজ দর্শকরা দেখতে যাবেন এবং মিশন এক্সট্রিম মানুষের সেই এক্সপেকটেশন পুরণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় আরিফিন শুভর সঙ্গে ঐশী। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমার প্রেক্ষাপটে জঙ্গিবাদ কতটা গুরুত্ব পেয়েছে? নাকি পুরোটাই?

আমাদের গল্পের ব্যাপ্তিটা অনেক বড়। যে কারণে সেটা আমরা একটা সিনেমাতে শেষ করতে পারিনি। সে কারণে এটা দুটো সিনেমা হয়েছে। গল্পটা সেকেন্ড পার্টে গিয়ে শেষ হয়। আবার আলাদাভাবে দুটি সিনেমাই পূর্ণাঙ্গ।

ব্যাপ্তিটা এত বড় বলেই ডিটেইল করে দেখাতে চেয়েছি যে গল্পটা জঙ্গিবাদ এবং সেটার সূত্রপাত এবং সেটার বিস্তার এবং সেটাকে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে দেশকে রক্ষা করছেন জঙ্গিবাদ থেকে, তার একটা বড়ভাবে ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করেছেন আমাদের পরিচালকরা।

বিদেশি সিনেমায় আন্তর্জাতিক চক্রের বিষয় উঠে আসতে দেখা যায়। দেশের সিনেমায় এমন ঘটনা তেমন একটা দেখা যায় না। মিশন এক্সট্রিমে তেমন কিছু আছে কি?

হ্যাঁ, মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় তেমন কিছু আছে। আমরা শুধু বাংলাদেশকে ইনভলব দেখাচ্ছি না। এই ষড়যন্ত্র বা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা অথবা এই যে জঙ্গিবাদ, এই বিষয়টাকে আমরা শুধু আমাদের দেশের পরিমণ্ডলে দেখাচ্ছি না। সেটা আমাদের দেশের সঙ্গে অন্য দেশের যে সম্পৃক্ততা, এই জঙ্গিবাদকে আরও লেলিয়ে দেয়ার জন্য অথবা আরও মদদ দেয়ার জন্য, সেই দিকটাও সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে।

মিশন এক্সট্রিম বাংলাদেশের সঙ্গে দেশের বাইরেও মুক্তি পাচ্ছে। তারা সিনেমাটা কীভাবে নেবে বলে মনে করেন?

আমি ব্যক্তিগতভাবে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় আমার সিনেমা প্রদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে তারা আমার প্রত্যেকটা সিনেমা খুব সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছে এবং আনন্দিত হয়েছে। আমাকে তারা উৎসাহ জুগিয়েছে। সেটা ছুঁয়ে দিলে মন বা ঢাকা অ্যাটাক

আশা করছি মিশন এক্সট্রিমেও সেই সাপোর্ট এবং ভালোবাসাটা পাব। কারণ এযাবৎকালে এত ব্যাপক ধরনের একটা বৃহৎ পরিসরে করা সিনেমা আমার এটাই প্রথম বঙ্গবন্ধু ছাড়া।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
বঙ্গবন্ধু সিনেমায় আরিফিন শুভ অভিনয় করছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চরিত্রে। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু সিনেমার আপডেট জানতে চাই। কী অবস্থায় আছে সিনেমাটি?

নভেম্বর-ডিসেম্বরে সিনেমাটির শেষ অংশের শুটিংটা হচ্ছে এবং আমরা আশা করছি যে বঙ্গবন্ধু সিনেমাটা আগামী বছর প্রথম কোয়ার্টারে গোটা পৃথিবীকে দেখাতে পারব।

সিনেমায় আপনি এক টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে শোনা যায়। কেন এক টাকা নিলেন?

পারিশ্রমিক নিচ্ছি না, এ কথা ঠিক না। এখানে আমার শ্রম-মেধা আছে আর আমি ফ্রি তে কাজ করি না। আমি এক টাকা নিচ্ছি।

বিদেশে গেলে আমাদের পাসপোর্টে যে দেশের নাম লেখা থাকে, সেই দেশটির স্বপ্ন যিনি দেখে গেছেন, যে দেশটি তিনি দিয়ে গেছেন, তার চরিত্রে অভিনয় করার চেয়ে বড় বিষয় তো আর শিল্পী হিসেবে, বাংলাদেশি হিসেবে একজন মানুষ হিসেবে থাকতে পারে না।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শারীরিক গড়নও পরিবর্তন করতে হয়। কীভাবে করেন?

আমার কোনো সিক্রেট নেই। আমাকে কাঙাল বলতে পারেন, আমি ভালোবাসার কাঙাল। সেই ভালোবাসার লোভে একেকবার একেক রূপ নেয়ার এক ধরনের প্রয়াস থাকে।

আমি আমার দর্শকদের উদ্দেশে একটা ছোট বার্তা দিতে চাই, প্রথমে মিশন এক্সট্রিম, তারপরে হয়তো বঙ্গবন্ধু, তারপরে নূর এবং তিনটি গল্পই একেবারেই তিন ধরনের এবং সেটার প্রমাণ আমি যে ফাঁকা আওয়াজ দিই না সেটার প্রমাণ আপনারা দ্রুত পেয়ে যাবেন।

মিশন এক্সট্রিম দিয়ে শুরু হচ্ছে, তারপর বঙ্গবন্ধু সিনেমার লুক যখন বের হবে, তখন আপনারা দেখবেন আপনাদের চোখের সামনে থাকবে সেটা। তারপর যখন নূর সিনেমার লুক প্রকাশ পাবে সেটাও দেখবেন।

নূর সিনেমার আপডেটটাও জানতে চাই।

নূর সিনেমার দৃশ্যধারণ শেষ হয়ে যাবে আর তিন দিন পরে। এটা প্রেমের গল্প।

সিনেমায় আপনি নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন। কেমন দায়িত্বটা?

খুবই কঠিন। তবে আমি অনেক কিছু শিখলাম, যেটা আমার নিজের প্রোডাকশনে আমাকে সহায়তা করবে। আমার নিজস্ব প্রোডাকশন, যেখানে আমার ভাবনাগুলো তুলে ধরব, সেটার জন্য এটা একটা স্কুলিং হিসেবে কাজ করবে।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

তাহলে কি আপনাকে প্রযোজক হিসেবে দেখা যাবে?

দেখা যাক।

নতুন কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন কি?

বঙ্গবন্ধু শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না। তবে বঙ্গবন্ধু সিনেমার শুটিংয়ের পর দেশের বাইরের একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন

কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

রোববার রাতে জন্মদিনে অতিথিদের সামনে বিমান বালা সাজে উপস্থিত হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে পরীমনি আদালতে হাজির হবেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা আছে ২৬ অক্টোবর।

রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় হাজিরা দিতে মঙ্গলবার আদালতে যাবেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি।

আদালতে যাওয়ার বিষয়টি সোমবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী।

সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে পরীমনি আদালতে হাজির হবেন বলে জানান তিনি।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা আছে।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত চার্জশিট গ্রহণের তারিখ ২৬ অক্টোবর ঠিক করে।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। গত ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর আবারও ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।

রিমান্ড শেষে গত ২১ আগস্ট ফের তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ চার্জশিট জমা দেয়া পর্যন্ত তাকে জামিন দেয়। পরদিন তিনি কারামুক্ত হন।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় চার্জশিট জমা দেন। চার্জশিটভুক্ত অপর দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

চার্জশিট জমা দেয়ার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

অভিনেত্রী পরীমনির জন্মদিন ছিল রোববার। এ দিনটি বরাবরই নানা আয়োজনে উদযাপন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন

‘হাবিবি’ গানে রানিবেশে নুসরাত ফারিয়া

‘হাবিবি’ গানে রানিবেশে নুসরাত ফারিয়া

নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান ‘হাবিবি’-এর পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

নূর নবীর কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন আবীদ কবীর। নুসরাত ফারিয়া জানিয়েছেন, গানটি প্রকাশ পাবে ২ নভেম্বর, এসভিএফ-এর ইউটিউব চ্যানেলে।

ধারণা দিয়ে রেখেছিলেন, জানিয়েছিলেন, তিনি কাজ করছেন। আর গত দুই দিন ধরে পোস্টের মাধ্যমে ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন কিছু একটা আসবে।

সেই খবরই পাওয়া গেল, সেই সঙ্গে দেখা গেল নতুন কাজের এক ঝলক। দেশের জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান হাবিবি আসছে। এটা এখন নিশ্চিত।

নুসরাত ফারিয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘হাবিবি’ শিরোনামের গানটির পোস্টার শেয়ার করেছেন। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, সিংহাসনে বসে আছেন তিনি। মাথায় ছোট আকারের মুকুট।

পোস্টারে ফারিয়ার পেছনে আরও দেখা যাচ্ছে রাজাদের মহলের মতো, বেশ কয়েকজন নারী নৃত্যের ভঙ্গি করে আছেন, আবার হাতিও দেখা যাচ্ছে।

পুরো পোস্টার দেখে মনে হচ্ছে, রানি হয়ে ধরা দেবেন নুসরাত ফারিয়া। ধারণাটি ঠিক বলে জানালেন ফারিয়া।

নিউজবাংলাকে বললেন, ‘হ্যাঁ, এখানে আমাকে রানির বেশে দেখা যাবে।’

জানালেন, মিউজিক ভিডিওটির শুটিং হয়েছিল অক্টোবরের মাঝামাঝিতে মুম্বাইয়ে। এটি পরিচালনা করেছেন ভারতীয় পরিচালক বাবা যাদব।

নূর নবীর কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন আবীদ কবীর। নুসরাত ফারিয়া জানিয়েছেন, গানটি প্রকাশ পাবে ২ নভেম্বর, এসভিএফ-এর ইউটিউব চ্যানেলে।

নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার প্রথম গান ‘পটাকা’ প্রকাশ পায় ২০১৮ সালে। দুই বছর পর প্রকাশ পায় ফারিয়ার দ্বিতীয় গান ‘আমি চাই থাকতে’।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

জন্মদিনে অতিথিদের সামনে বিমান বালা সাজে উপস্থিত হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

পরীমনি ককপিটে প্রথমবার দর্শন দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস ধ্বনিতে সবাই তাকে স্বাগত জানায়। পরীমনিও গানের ছন্দে নিজেকে মেলে ধরছিলেন। নিজেই সবার কাছে গিয়ে ভাগ করে নিচ্ছিলেন ভালোবাসা।

পরীমনির জন্মদিনের মূল মঞ্চটি বিমানের ককপিটের আদলে সাজানো হলেও মঞ্চের ওপরের লেখাটি প্রথমেই চোখে পড়ল। লাল রঙের ইংরেজি বর্ণ, তার মধ্যে লাইট বসানো। লেখা ‘ফ্লাই উইথ পরীমনি’ অর্থাৎ ‘পরীমনির সঙ্গে ওড়ো’।

সত্যি যেন উড়েছেন পরীমনির জন্মদিনের আমন্ত্রণে আসা অতিথিরা। আলোচিত এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কেক কেটে, নেচে-গেয়ে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তারা।

রোববার জন্মদিনের রাতে ককপিটে পরীমনি আসেন বিমান বালার বেশে। তবে এ বিমান বালা সবার চেনা সাজের নন। মাথায় টুপি, টুপি থেকে বের হয়ে আসা ওড়না, লাল শার্ট আর সাদা রঙের লুঙ্গির মতো দেখতে যেটি সেটি কাছা দেয়ার ঢংয়ে বাঁধা।

পরীমনি ককপিটে প্রথমবার দর্শন দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস ধ্বনিতে সবাই তাকে স্বাগত জানায়। পরীমনিও গানের ছন্দে নিজেকে মেলে ধরছিলেন। নিজেই সবার কাছে গিয়ে ভাগ করে নিচ্ছিলেন ভালোবাসা।

এরপর হয় কেক কাটা। বরাবরের মতো পরী তার নানুকে সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। মজা করতে গিয়ে কেকে থাকা ক্রিম মাখিয়ে দেন সাংবাদিক ও তার বন্ধুদের।

এরপর কিছুটা বিরতি...।

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

ফিরে এসে শুরু হয় উপহার গ্রহণ। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, চলচ্চিত্র পরিচালক, সাংবাদিকরা পরীকে শুভেচ্ছা জানান, উপহার দেন এবং ছবি তোলেন। সঙ্গে চলতে থাকে খাবার পর্ব।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন গুণিন সিনেমার পুরো টিম অর্থাৎ পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম, অভিনেতা সাইফুল ইসলাম রাজ, মুস্তাফা মনোয়ার। পরী শেষ চমকটা দেন তাদের সঙ্গেই।

অভিনেতা সাইফুল ইসলাম রাজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনা উপহার দেন পরী। সেই পরিবেশনায় অংশ নেন পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমও।

পরিবেশনা শেষ হলে একাই নৃত্য পরিবেশন করেন পরীমনি। একক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় পরীর সাদা-লালের জন্মদিন।

আরও পড়ুন:
‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প

শেয়ার করুন