আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনেমার দৃশ্যে ক্রিস। ছবি: সংগৃহীত

এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

ওটিটি জায়ান্ট নেটফ্লিক্সের তুমুল আলোচিত কনটেন্ট এক্সট্র্যাকশন। বাংলাদেশে এই ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। কারণ রাজধানী ঢাকাকে দেখানো হয়েছিল সিনেমায়।

মুক্তির পর সবচেয়ে বেশি দেখা নেটফ্লিক্স সিনেমা হয়ে ওঠে এক্সট্র্যাকশন। মুক্তির প্রথম চার সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী ৯৯ মিলিয়ন পরিবার দেখে সিনেমাটি।

২০২০-এর এপ্রিলে মুক্তি পায় এক্সট্র্যাকশন। সিনেমার শেষে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, আসবে দ্বিতীয় কিস্তি। শনিবার নেটফ্লিক্স আনুষ্ঠানিকভাবে জানাল, শিগগিরই আসছে এক্সট্র্যাকশন-টু। প্রকাশ করেছে একটি টিজারও।

টিজারটি শুরু হয়েছে প্রথম পর্ব যেখান থেকে শুরু হয়েছে, সেখান থেকেই। গুলিবিদ্ধ হয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন ক্রিস। টিজারে নদীর তলদেশ থেকে উঠে আসতে দেখা গেছে তাকে।

এক্সট্র্যাকশন-এর মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও থাকছেন থর খ্যাত ক্রিস হেমসওয়ার্থ, পরিচালনা করবেন স্যাম হারগ্রেভের আর প্রযোজক হিসেবে থাকছেন জো এবং অ্যান্থনি রুশো।

এখন প্রশ্ন হলো, এক্সট্র্যাকশনের মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও কি বাংলাদেশকে দেখা যাবে বা বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা থাকবে?

এ বিষয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা হয় এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খানের সঙ্গে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

জন্মদিনে অতিথিদের সামনে বিমান বালা সাজে উপস্থিত হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

পরীমনি ককপিটে প্রথমবার দর্শন দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস ধ্বনিতে সবাই তাকে স্বাগত জানায়। পরীমনিও গানের ছন্দে নিজেকে মেলে ধরছিলেন। নিজেই সবার কাছে গিয়ে ভাগ করে নিচ্ছিলেন ভালোবাসা।

পরীমনির জন্মদিনের মূল মঞ্চটি বিমানের ককপিটের আদলে সাজানো হলেও মঞ্চের উপরের লেখাটি প্রথমেই চোখে পড়ল। লাল রঙের ইংরেজি বর্ণ, তার মধ্যে লাইট বসানো। লেখা ‘ফ্লাই উইথ পরীমনি’ অর্থাৎ ‘পরীমনির সঙ্গে ওড়ো’।

সত্যি যেন উড়েছেন পরীমনির জন্মদিনের আমন্ত্রণে আসা অতিথিরা। আলোচিত এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কেক কেটে, নেচে গেয়ে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন।

রোববার জন্মদিনের রাতে ককপিটে পরীমনি আসেন বিমান বালার বেশে। তবে এ বিমান বালা সবার চেনা সাজের নন। মাথায় টুপি, টুপি থেকে বের হয়ে আসা ওড়না, লাল শার্ট আর সাদা রঙের লুঙ্গির মতো দেখতে যেটি সেটি কাছা দেয়ার ঢংয়ে বাঁধা।

পরীমনি ককপিটে প্রথমবার দর্শন দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস ধ্বনিতে সবাই তাকে স্বাগত জানায়। পরীমনিও গানের ছন্দে নিজেকে মেলে ধরছিলেন। নিজেই সবার কাছে গিয়ে ভাগ করে নিচ্ছিলেন ভালোবাসা।

এরপর হয় কেক কাটা। বরাবরের মতো পরী তার নানুকে সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। মজা করতে গিয়ে কেকে থাকা ক্রিম মাখিয়ে দেন সাংবাদিক ও তার বন্ধুদের।

এরপর কিছুটা বিরতি...।

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

ফিরে এসে শুরু হয় উপহার গ্রহণ। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, চলচ্চিত্র পরিচালক, সাংবাদিকরা পরীকে শুভেচ্ছা জানান, উপহার দেন এবং ছবি তোলেন। সঙ্গে চলতে থাকে খাবার পর্ব।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন গুণিন সিনেমার পুরো টিম অর্থাৎ পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম, অভিনেতা সাইফুল ইসলাম রাজ, মুস্তাফা মনোয়ার। পরী শেষ চমকটা দেন তাদের সঙ্গেই।

অভিনেতা সাইফুল ইসলাম রাজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনা উপহার দেন পরী। সেই পরিবেশনায় অংশ নেন পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমও।

পরিবেশনা শেষ হলে একাই নৃত্য পরিবেশন করেন পরীমনি। একক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় পরীর সাদা-লালের জন্মদিন।

শেয়ার করুন

পরীমনির জন্মদিনের থিম এবার ককপিট

পরীমনির জন্মদিনের থিম এবার ককপিট

পরীমনির জন্মদিনের উদযাপন মঞ্চ সাজানো হয়েছে বিমানের ককপিটের আদলে। ছবি: আলভী নাভিদ অর্ণব/ নিউজবাংলা

আয়োজনের সাজসজ্জা দেখে বোঝা গেল লাল-সাদা রংবিন্যাসের আসল কারণ। পরীমনির জন্মদিনের উদযাপন মঞ্চ সাজানো হয়েছে বিমানের ককপিটের আদলে, যার রং হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সাদা-লাল। সেখানে টুকরো কাগজে লেখা ‘ফ্লাই উইথ পরী’ অর্থাৎ ‘পরীর সঙ্গে ওড়ো’।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনির জন্মদিনের থিম কালার সাদা-লাল। সাদায় শুভ্রতা আর লালে শক্তি বোঝাতেই এমন রংবিন্যাস- এমনটাই মনে করছেন অনেকে। হয়তো চমক রাখতে পরীমনিও খোলাসা করছিলেন না সবকিছু।

আয়োজনের সাজসজ্জা দেখে বোঝা গেল লাল-সাদা রংবিন্যাসের আসল কারণ। পরীমনির জন্মদিনের উদযাপন মঞ্চ সাজানো হয়েছে উড়োজাহাজের ককপিটের আদলে, যার রং হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সাদা-লাল। সেখানে টুকরো কাগজে লেখা ‘ফ্লাই উইথ পরী’ অর্থাৎ ‘পরীর সঙ্গে ওড়ো’।

ককপিটের আদলে উদযাপন মঞ্চ করার কারণ পরীমনি না জানালেও আন্দাজ করা যায় সহজেই। এর জন্য মনে করতে হবে গত বছর পরীমনির জন্মদিনের একটি ঘটনা।

গত বছর পরীমনি তার জন্মদিনের থিম করেছিলেন ময়ূর। সেই আয়োজনে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে পরীমনি থিম নিয়ে বলার সময় পিকক বলতে গিয়ে ভুলবশত বলেছিলেন, ‘ককপিট’।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর শুরু হয় হাসি-ঠাট্টা। পরীমনির অসাবধানতায় তার ভুলটিকে নিয়ে সমালোচনা করেন অনেকে।

তখন জেদের বশেই হয়তো পরীমনি জানিয়েছিলেন, পরেরবার তার জন্মদিনের থিম হবে ককপিট। সেই কথা রাখলেন পরী।

অনেক ঝড়-ঝাপটার পর পরীমনির এবারের জন্মদিনটিকে ঘিরে বাড়তি আকর্ষণ ছিল ভক্ত-দর্শকদের মধ্যে। শুভ্র শক্তির প্রত্যয় নিয়ে নতুন করে শুরু করবেন পরী- এমনটাই আশা শুভাকাঙ্ক্ষীদের।

শেয়ার করুন

‘মিশন এক্সট্রিম’-এর শ্বাসরুদ্ধকর ট্রেলারে কোড ও টাকার রহস্য

‘মিশন এক্সট্রিম’-এর শ্বাসরুদ্ধকর ট্রেলারে কোড ও টাকার রহস্য

‘মিশন এক্সট্রিম’-এর ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে আরিফিন শুভ ও জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। ছবি: আলভী নাভিদ অর্ণব/ নিউজবাংলা

ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে মিশন এক্সট্রিম-এর অন্যতম পরিচালক, প্রযোজক ও লেখক সানী সানোয়ার বলেন, ‘সিনেমার গল্পে আমার পেশাগত বাস্তব জীবনে দেখা কিছু জটিল পরিস্থিতি তুলে ধরেছি, আর ট্রেলারে তার কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছি মাত্র! সিনেমায় থ্রিল, অ্যাকশন আর সাসপেন্সের পরিমাণ একটু বেশি থাকবে এবারের কিস্তিতে।’

প্রতীক্ষিত পুলিশি অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা মিশন এক্সট্রিম-এর মুক্তির ঘণ্টা বেজেছে। আগামী ৩ ডিসেম্বর একযোগে দেশ ও দেশের বাইরে সিনেমাটির প্রথম পর্ব মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ব্যাপক আয়োজনে চলছে এর প্রচারণা।

রোববার রাতে প্রকাশ পায় সিনেমাটির ট্রেলার। ধুন্ধুমার অ্যাকশন ও রহস্যঘেরা আবহে শ্বাসরুদ্ধকর ট্রেলার নিয়ে হাজির হয়েছেন আরিফিন শুভ, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, তাসকিন রহমান ও সাদিয়া নাবিলারা।

‘মিশন এক্সট্রিম’-এর ২ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ট্রেলারটি প্রকাশ করে টাকা ও গোপন কোডের রহস্য ভেদ করতে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া হয়েছে দর্শকদের দিকে।

ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে মিশন এক্সট্রিম-এর অন্যতম পরিচালক, প্রযোজক ও লেখক সানী সানোয়ার বলেন, ‘সিনেমার গল্পে আমার পেশাগত বাস্তব জীবনে দেখা কিছু জটিল পরিস্থিতি তুলে ধরেছি, আর ট্রেলারে তার কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছি মাত্র! সিনেমায় থ্রিল, অ্যাকশন আর সাসপেন্সের পরিমাণ একটু বেশি থাকবে এবারের কিস্তিতে।’

পুলিশি অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমাটি সানী সানোয়ারের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ফয়সাল আহমদ। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন ‘মাসলম্যান’ খ্যাত অভিনেতা আরেফিন শুভ।

এ ছাড়া ঢাকা অ্যাটাক খ্যাত তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা ও সুমিত সেনগুপ্ত রয়েছেন।

কপ ক্রিয়েশনের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন- রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাজনুন মিজান, ইরেশ জাকের, মনোজ প্রামাণিক, আরেফ সৈয়দ, সুদীপ বিশ্বাস দীপ, রাশেদ মামুন অপু, এহসানুল রহমান, দীপু ইমামসহ অনেকে।

কুল নিবেদিত মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘সিটিটিসি’র কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত।

গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পুলিশ সুপার সানী সানোয়ার নিজেই। সিনেমাটির সহযোগী প্রযোজক হিসেবে রয়েছে মাইম মাল্টিমিডিয়া ও ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাব।

রোববার মিশন এক্সট্রিম-এর প্রথম পর্বের ট্রেলার মুক্তি উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের একটি স্টুডিওতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সিনেমাটির পরিচালকদ্বয়সহ শিল্পী ও কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে এই আয়োজনের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেতা তারিক আনাম খান ও মাইম মাল্টিমিডিয়ার এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার আহমেদ শাওন।

এর আগে পরপর দুই বছর দুই ঈদে মিশন এক্সট্রিম মুক্তির ঘোষণা দেয়া হলেও করোনার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

অনাথ শিশুদের সঙ্গে পরীর জন্মদিনের আনন্দময় দুপুর

অনাথ শিশুদের সঙ্গে পরীর জন্মদিনের আনন্দময় দুপুর

জন্মদিনে এতিম শিশুদের সঙ্গে কেক কাটেন পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন পরীমনি। সেখানে দেখা যায়, উচ্ছ্বল অভিনেত্রী কেক কাটছেন শিশুদের সঙ্গে। এ সময় হ্যাপি বার্থডে গানে পরীমনিকে শুভেচ্ছা জানায় শিশুরা।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির জন্মদিন আজ। এ দিনটি বরাবরই নানা আয়োজনে উদযাপন করেন তিনি।

অন্যতম একটি আয়োজন থাকে এতিমখানার শিশুদের সঙ্গে। চোখ ধাঁধানো জমকালো আয়োজনের পাশাপাশি এদিন অনাথ শিশুদের সঙ্গে কেক কাটেন তিনি। সেই সঙ্গে খাওয়াদাওয়া ও তাদের উপহারও দেন পরী।

এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। আগেই জানিয়েছিলেন জন্মদিনের দুপুরটা কাটাবেন সেইসব শিশুর সঙ্গে। সেই সময়টুকু কাটিয়েছেনও তিনি।

নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন পরীমনি। সেখানে দেখা যায়, উচ্ছ্বল অভিনেত্রী কেক কাটছেন শিশুদের সঙ্গে। এ সময় হ্যাপি বার্থডে গানে পরীমনিকে শুভেচ্ছা জানায় শিশুরা।

কেক কেটে শিশুদের পরম মমতায় খাইয়েও দিলেন তিনি। এমন ভিডিও পোস্ট করে পরীমনি লিখেছেন, ‘যেখানেই জীবন, সেখানেই ভালোবাসা।’

শেয়ার করুন

ফুলের তোড়া নিয়ে অনন্যা পান্ডের বাড়িতে ঈশান

ফুলের তোড়া নিয়ে অনন্যা পান্ডের বাড়িতে ঈশান

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে ও অভিনেতা ঈশান খট্টর। ছবি: সংগৃহীত

অনন্যার সঙ্গে দেখা করতে শনিবার ফুলের তোড়া নিয়ে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন ঈশান। তার আগে রাস্তার পাশে দোকান থেকে ফুল কেনার একটিও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডের সঙ্গে উঠতি অভিনেতা ঈশান খট্টরের প্রেমের গুঞ্জন অনেক দিনের। যদিও দুজনের কেউই সেই সম্পর্ক নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি।

তবে এবার অনন্যার দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ালেন ঈশান। মাদককাণ্ডে কয়েক দিন ধরেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) জেরার মুখে অনন্যা পান্ডে। বান্ধবীর এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ালেন ঈশান।

অনন্যার সঙ্গে দেখা করতে শনিবার ফুলের তোড়া নিয়ে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। তার আগে রাস্তার পাশে দোকান থেকে ফুল কেনার একটিও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানের মাদককাণ্ডে বর্তমানে নাম জড়িয়েছে অনন্যা পান্ডেরও। যার জেরে পরপর দুই দিন এনসিবির জেরার মুখে পড়তে হয়েছে অনন্যাকে। সোমবার ফের এনসিবি অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে অভিনেত্রীকে।

মাদককাণ্ডে নাম জড়ানোর পর থেকে অনন্যা যে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন তা বোধহয় আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। আর ঠিক সেই কারণেই বান্ধবীর মন ঠিক করতে সোজা তার বাড়ি পৌঁছে যান ঈশান।

খালি পিলি সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন অনন্যা ও ঈশান। সেই সিনেমার শুটিং সেট থেকেই তাদের প্রেমের শুরু বলে গুঞ্জন শোনা যায়। এমনকি দুজনকে একসঙ্গে মালদ্বীপে ছুটি কাটাতেও দেখা যায়।

শেয়ার করুন

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদ আর নেই

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদ আর নেই

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদ আর নেই। ছবি: সংগৃহীত

মৃত্যুকালে এই বরেণ্য অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় মাহমুদ সাজ্জাদের মেজো ভাই ম হামিদ ও ছোট ভাই কে এম খালিদ বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। মাহমুদ সাজ্জাদের স্ত্রী মমতাজ বেগম; উপল ও অঞ্জন নামে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

দেশের খ্যাতিমান অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদ মারা গেছেন। রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে বেলা আড়াইটার দিকে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম।

মাহমুদ সাজ্জাদ করোনাভাইরাস-পরবর্তী জটিলতা নিয়ে গত ১ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

মাহমুদ সাজ্জাদ সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদের বড় ভাই। প্রতিমন্ত্রী পরিবারের পক্ষ থেকে তার বড় ভাইয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

মৃত্যুকালে এ বরেণ্য অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় মাহমুদ সাজ্জাদের মেজো ভাই ম হামিদ বাংলাদেশের টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও ছোট ভাই কে এম খালিদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। মাহমুদ সাজ্জাদের স্ত্রী মমতাজ বেগম; উপল ও অঞ্জন নামে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

মাহমুদ সাজ্জাদ কলেজজীবন থেকেই মঞ্চনাটকে যুক্ত ছিলেন। নিয়মিত অভিনয় করেছেন টিভি নাটকেও। তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক সকাল সন্ধ্যা। পরিচালক জহির রায়হানের সংসার, খান আতাউর রহমানের ঝড়ের পাখি, আপন পরসহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন সাজ্জাদ।

রাষ্ট্রপতির শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে গভীর শোক করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।

এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের নাট্যজগতে মরহুম মাহমুদ সাজ্জাদের অবদান মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

রাষ্ট্রপতি মরহুম মাহমুদ সাজ্জাদ এর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বীয় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।’

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শেয়ার করুন

দেশে টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর তাহসান ও পূর্ণিমা

দেশে টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর তাহসান ও পূর্ণিমা

টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন তাহসান ও পূর্ণিমা।

সেফটি প্রোগ্রামে তাহসান খান ও পূর্ণিমা ইন-অ্যাপ ক্যাম্পেইনের জন্য টিকটকের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তারা দ্বি-মাসিক ভিত্তিতে প্ল্যাটফর্মটিতে অ্যাম্বাসেডররা ভিডিও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবেন।

বাংলাদেশে টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন সঙ্গীতশিল্প ও অভিনেতা তাহসান এবং অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা।

টিকটক জানায়, নিরাপদ, সুরক্ষিত ও বহুমুখী কমিউনিটি তৈরির লক্ষ্যে প্লাটফর্মটি দেশে এই সেফটি অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে টিকটক বেশ কিছু সেফটি এবং প্রাইভেসি কন্ট্রোল এর সুবিধা নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছে যাতে ব্যবহারকারী আরও বেশি ব্যক্তিগত তথ্যে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে।

সেফটি প্রোগ্রামের মধ্যে রয়েছে, যাদের বয়স ১৬ বছরের নিচে তাদের অ্যাকাউন্টগুলো স্বয়ংক্রিভাবে প্রাইভেট করা থাকবে, ১৬ বা তার বেশি বয়সীদের কাছে সরাসরি বার্তা পাঠানোকে সীমিত রাখা এবং ফ্যামিলি পেয়ারিংয়ের মাধ্যমে বাবা-মা তাদের ছেলে-মেয়েদের টিকটকে নজরদারি রাখার ব্যবস্থা।

সেফটি প্রোগ্রামে তাহসান খান ও পূর্ণিমা ইন-অ্যাপ ক্যাম্পেইনের জন্য টিকটকের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তারা দ্বি-মাসিক ভিত্তিতে প্ল্যাটফর্মটিতে অ্যাম্বাসেডররা ভিডিও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবেন।

ভিডিও ক্যাম্পেইনে বড় পরিসরে সব বিষয় থাকবে, যার মধ্যে শিক্ষামূলক বিষয়, ডিজিটাল ওয়েলবিং বা ডিজিটাল সুস্থতা, বিশ্বাস এবং সেফটি।

এ ছাড়া কিছু প্রধান ফিচার ফ্যামিলি পেয়ারিং মোড থাকবে, যেটি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে পিতামাতা ও কিশোর-কিশোরীদের নিজেদের মতো করে সেফটি সেটিংস করতে দেবে বলে জানানো হয়।

এই ক্যাম্পেইনের প্রথম প্রোগ্রাম হিসেবে তাহসান ও পূর্ণিমা উন্মোচন করেছেন ফ্যামিলি পেয়ারিং মোড। প্রোগ্রামটি লাইভ করা হয় #tiktokfamily নামে। এই ফিচারের মূল লক্ষ্য, সন্তানদের টিকটক কার্যক্রম এর ওপর পিতা-মাতাদের আরও পর্যবেক্ষণ সুযোগ। এর মাধ্যমে তারা টিকটকে ছেলে-মেয়েদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবেন এবং তাদের সঙ্গে বাবা-মায়েরা আরও বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারেন।

ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারের মাধ্যমে বাবা-মা সন্তানদের টিকটক অ্যাকাউন্টে প্রবেশাধিকার পাবে নিজেদের অ্যাকাউন্ট সংযোগের মাধ্যমে। এর মধ্যে দিয়ে তারা জানতে পারবেন সন্তানরা কার সঙ্গে কথা বলছে, তারা কোন ধরনের কনটেন্ট দেখছে এবং অ্যাপে কতটা সময় ব্যয় করছে।

সন্তানরা কার সঙ্গে কথা বলতে পারে সেটা নজরদারির পাশাপাশি বাবা-মায়েরা নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন কারা সওই সংযুক্ত অ্যাকাউন্টে সরাসরি ম্যাসেজ পাঠাতে পারবেন; কিংবা পুরোদমে বন্ধ রাখতে পারবেন ডিরেক্ট ম্যাসেজ অপশনও।

তাহসান খান বলেন, ‘ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আচরণে কেমন হওয়া উচিত– এ নিয়ে টিকটক যে পরিবারের মধ্যে কথোপকথনের সুযোগ করে দিচ্ছে, তা দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের সবারই অগ্রনী ভূমিকা রাখতে হবে। সেজন্য প্রত্যেকের জায়গা থেকে আমাদের সচেতন হতে হবে।’

পূর্ণিমা বলেন, ‘আজকের বিশ্বকে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ছাড়া কল্পনা করা যায় না। তেমনটাই আমাদের প্রযুক্তিকেন্দ্রীক শিশু-কিশোরদেরও এসব ছাড়া চলে না। কিন্তু তারা যতই ডিজিটালভাবে শিক্ষিত হোক না কেনো, প্রাপ্তবয়স্ক এবং বাবা-মা হিসেবে তাদের সুস্থতার দেখাশোনা করা আমাদের দায়িত্ব। তরুণদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য এমন ক্যাম্পেইনে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।’

এক বিজ্ঞপ্তিতে টিকটক জানায়, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ও বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহারকারীদের সেফটি ও প্রাইভেসি দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনলাইনে ছেলে-মেয়েরা কী করছে সেটা জানতে এবং ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারের একটা অংশ হিসেবে মা-বাবাদের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ দিতেই টিকটকের এই প্রচেষ্টা।

এ ছাড়া টিকটকের অনেকগুলো ব্যবস্থা রয়েছে যেমন, বর্ধিত প্রাইভেসি সেটিংস, ফিল্টার, ইন-অ্যাপ রিপোর্টিং, শক্তিশালী কমিউনিটি গাইডলাইন এবং লোকাল ল্যাঙ্গুয়েজ মডারেশন ইত্যাদি।

সম্প্রতি টিকটক বাংলাদেশে তাদের সেফটি সেন্টার চালু করেছে। এটি একটি ওয়ান স্টপ ডেসটিনেশন যা সেফটি পলিসি এবং রিসোর্স এনেছে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায়।

শেয়ার করুন