কোনো চরিত্র সহজ বা কঠিন লাগে না: মনোজ

কোনো চরিত্র সহজ বা কঠিন লাগে না: মনোজ

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মনোজ কুমার প্রামাণিক। ছবি: সংগৃহীত

মনোজ বলেন, ‘অনেক ক্র্যাশ কাজ তো আমারও আছে। সবারই আছে। কোনো কাজ খাটো করে বলছি না। এটা আমাদের করতে হয়। আমরা যারা অভিনয় করি, সবাই আসলে চাই অভিনয়টা ভালো করে করতে এবং এমন কোনো অভিনয় করতে, যেটাতে দর্শক আমাদেরকে ভালোবাসবে; দর্শকের ভালো লাগবে।’

ছোট পর্দার পরিচিত মুখ মনোজ কুমার প্রামাণিক। ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্ল্যাটফর্মেও বিচরণ বাড়ছে তার। এর বাইরেও পরিচয় আছে তার। ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে পড়ান তিনি।

এ মুহূর্তে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য বেশ কিছু কাজে ব্যস্ত মনোজ। ওয়েব ফিল্মের পাশাপাশি সম্প্রতি একটি ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন। তবে কোন প্ল্যাটফর্মের জন্য কাজ করছেন, তা বড় বিষয় নয় মনোজের কাছে। তার আগ্রহের বিষয় শুধু অভিনয়।

অভিনয় ও সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান মনোজ।

কোন চরিত্র কেমন লাগে

এ পর্যন্ত অনেক চরিত্রেই অভিনয় করেছেন মনোজ। এর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি কঠিন লেগেছে, তা জানতে চাওয়া হয় অভিনেতার কাছে।

জবাবে নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনো চরিত্রই কঠিন বা সহজ লাগে না। সব একটা প্রসেসের মধ্য দিয়ে যায়। সবগুলো সম্পর্কে একটু গবেষণার দরকার আছে; চিন্তাভাবনার দরকার আছে। কখনো সেটা করতে পারি, কখনো সেটা সঠিকভাবে করতে পারি না সময়ের অভাবে। সব চরিত্র আমার কাছে একই রকম মনে হয়।’

বেছে বেছে কাজ করেন কি না, জানতে চাইলে মনোজ বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে এত বাছাই করে কাজ করার সুযোগ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এখনও তৈরি হয়নি। আমাদের কাজের পরিমাণ বাড়ছে, কিন্তু ভালো কাজের পরিমাণ আসলে এখনও অনেক কম। বিশেষ করে টেলিভিশনে আমরা যারা কাজ করি, আমাদের বাজেট-সময় সবকিছু মিলিয়ে আসলে বেছে...

কোনো চরিত্র সহজ বা কঠিন লাগে না: মনোজ
অভিনেতা মনোজ কুমার প্রামাণিক। ছবি: সংগৃহীত

‘অনেকেই আমরা বলি বেছে বেছে কাজ করছি, কিন্তু সত্যিকার অর্থে এত বেছে কাজ করার সুযোগ থাকে না। এখন দেখা যাচ্ছে, যদি ৮০-৯০ পারসেন্ট গল্পই খারাপ হয়, ডিরেকশন খারাপ হয় বা ৮০-৯০ পারসেন্টই যদি আমাদের অল্প সময়, অল্প বাজেটের মধ্যে করতে হয়, তাহলে এর মধ্যে যদি আমি বাদ দিয়ে যাই, বেছে করতে হয়, তাহলে বেশির ভাগই বাদ পড়ে যাবে। যদি ভাবি শুধু ভালোগুলো করব, তখন তো পেট চলবে না। তো এত বেছে আমাদের কাজ করা হয় না।’

তিনি বলেন, ‘অনেক ক্র্যাশ কাজ তো আমারও আছে। সবারই আছে। কোনো কাজ খাটো করে বলছি না। এটা আমাদের করতে হয়। আমরা যারা অভিনয় করি সবাই আসলে চাই অভিনয়টা ভালো করে করতে এবং এমন কোনো অভিনয় করতে যেটাতে দর্শক আমাদেরকে ভালোবাসবে; দর্শকের ভালো লাগবে।’

‘টেলিভিশন নাটকের অবস্থা খুবই খারাপ’

নাটকের সার্বিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনপ্রিয় ও প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতা মনোজ বলেন, ‘আমাদের নাটকের বাজেট নাই। আমাদের নাটকের যারা ডিরেকশন দিচ্ছেন তাদের কোয়ালিটি যথেষ্ট ভালো না। সবার না; বেশির ভাগেরই। এমন অল্প আয়োজনের মধ্যে তাদের কাজ করতে হয়। ডিরেক্টর যদি ভালো করতে চানও, যদি টাইম দিতে চান, তাহলে সেই বাজেট নেই। একটা প্রোডাকশনের পেছনে সময় এক মাস, দুই মাস, পাঁচ মাস যে দেবেন, চলবে কীভাবে। সো এই কন্ডিশনের মধ্যে টেলিভিশন নাটকের অবস্থা খুবই খারাপ।

কোনো চরিত্র সহজ বা কঠিন লাগে না: মনোজ
অভিনেতা মনোজ কুমার প্রামাণিক। ছবি: সংগৃহীত

‘তারপরও আমরা করে যাচ্ছি। কারণ আমাদের জীবিকা; এটা প্রয়োজন। এর মধ্যে থেকেই কিছু কাজ হয়তো ভালোও হচ্ছে। বাজারে ১০টা হলে তার মধ্যে হয়তো তিনটা-চারটা ভালো হচ্ছে। আর বাকি সাতটাই হয়তো সে রকমভাবে মানের হচ্ছে না।’

‘সিনেমার ডিরেক্টরদের আরও টেকনিক্যাল হতে হবে’

নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপের একপর্যায়ে সিনেমা নিয়ে নিজ ভাবনার কথা জানান মনোজ।

তিনি বলেন, ‘সিনেমার ক্ষেত্রে আমি বলব, লকডাউনের কারণে সিনেমা দেড়-দুই বছর যাবৎ বন্ধই আছে। আমরা কোনো সিনেমা দেখতে পাচ্ছি না। সিনেমার ক্ষেত্রে আমি বলব যে, টেকনিক্যালি আরও ডেভেলপ করতে হবে। আমার তাই মনে হয়। আমাদের আইডিয়া আছে অনেক ভালো। তারপরে ডিরেক্টরিয়াল হেড আছে, ক্রিয়েটিভ আছে, অভিনেতা-অভিনেত্রী আছে, কিন্তু টেকনিক্যাল ক্রু টিম যেটা সেইটা নাই বা ডিরেক্টরদেরকেও আরও টেকনিক্যাল হতে হবে। অনেক ম্যাথমেটিক্যাল হতে হবে।

‘ম্যাথমেটিক্স বলছি। অবশ্যই এটা একটা টেকনিক্যাল কাজ, কিন্তু একই সাথে অনেক কিছুর ম্যাথমেটিক্সের ফলে ফিল্ম তৈরি হয়। তো সেই জায়গা থেকে আমার মনে হয় তাদেরকে আরও টেকনিক্যাল হওয়া উচিত। ফিল্ম ল্যাঙ্গুয়েজটা সম্পর্কে আরও বোঝা উচিত, জানা উচিত এবং ওই প্র্যাকটিসটা হওয়া উচিত। তাহলে আরও ভালো সিনেমা এখানে হবে। হচ্ছে না, তা না। অনেকেই খুব ভালো করছেন। কান, বুসান লেগেই আছে। আমাদের অনেক সিনেমা অনেক দেশে প্রশংসিত হচ্ছে।’

‘অভিনেতাদের কাছে ওটিটি, টেলিভিশন, ফিল্মের পার্থক্য নাই’

মনোজের কথায় উঠে আসে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের বিষয়টি। তিনি মনে করেন, অভিনেতাদের কাছে প্ল্যাটফর্ম নয়, অভিনয়ই মুখ্য বিষয়।

‘একসময় মানুষ তো মাঠেঘাটে অভিনয় করত, একসময় মঞ্চ তৈরি করে সেখানে অভিনয় করেছে। তারপরে টেলিভিশন বা ফিল্মের ক্যামেরার সামনে অভিনয় করেছে। অভিনয় দেখানো হয়েছে প্রজেক্টরে; টেলিভিশনে দেখেছি আমরা। তারপর আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেখছি’, বলেন মনোজ।

কোনো চরিত্র সহজ বা কঠিন লাগে না: মনোজ
অভিনেতা মনোজ কুমার প্রামাণিক। ছবি: সংগৃহীত

‘আসলে মাধ্যমটা সব সময় চেঞ্জ হয়। যারা অভিনয় করেন তাদের কাছে ওটিটি, টেলিভিশন, ফিল্ম—এগুলোর কোনো পার্থক্য নাই। যদি কাজটা ভালো হয় তাহলে ভালো, যদি ভালো না হয় ভালো না। ওটিটি মানেই যে সব ভালো হয়ে যাবে বা হচ্ছে তা নয়’, যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘অনেক ওটিটি এখন দেখা যায় যে, কোয়ালিটি অ্যাচিভ করতে পারি নাই। আবার অনেকগুলো বেশ ভালো যাচ্ছে আরকি। তো অভিনেতাদের কাছে কোনো প্ল্যাটফর্ম কোনো বিষয় না।’

ওটিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে এ অভিনেতা বলেন, ‘এখন যদি বলেন ওটিটির ভবিষ্যৎ কী? ডেফিনেটলি, একসময় মহাকাব্য রচিত হতো; মাঝখানে কোনো মহাকাব্য রচিত হয়নি। অনুকাব্য হয়ে গেছে, অনুকবিতা হয়ে গেছে। এখন কিন্তু আবার দেখবেন ওয়েব সিরিজ নামের যা হচ্ছে, এটা আবার এপিসোডি মহাকাব্যিক। তাই না? এটা আসলে ঘুরে ঘুরে আসে। ওটিটি এখন আছে, এখন ওটিটিতেই সবাই কাজ করবে। জানি না বিজ্ঞান কী আবিষ্কার করবে তারপরে।’

‘নীতিমালা দিয়ে কাকে আটকাবেন?’

ওটিটির নীতিমালা নিয়ে মনোজ বলেন, ‘নীতিমালা দিয়ে মানুষের নীতিকে, বিবেককে আসলে বেঁধে রাখা যায় না বা মানুষের খারাপ কোনো কিছুকে নীতি দিয়ে বাঁধা যায় না। তাহলে এত এত যে আইনের বই তৈরি হইছে পৃথিবীতে বা এত এত যে নীতি তৈরি হইছে পৃথিবীতে, কই আমি দেখি না যে পৃথিবীর মানুষ খুন করা বন্ধ রাখছে। ইন অ্যা ওয়ে দ্য কিল, ইন অ্যা ওয়ে দ্য লাভ টু।

‘সো যিনি শিল্পী, যিনি কিছু বানাচ্ছেন, ধরেই নিতে হবে যে তিনি শুদ্ধ একজন মানুষ। তিনি ভালোর জন্য, মঙ্গলের জন্যই কিছু করছেন। তাকে আসলে নীতিমালা দিয়ে বাঁধা যাবে না। যদি নীতিমালা দিয়ে বাঁধতেই হয় তাহলে তো সিনেমায় এখন…।’

নীতিমালা সব ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য কি না, সে প্রশ্নও তোলেন মনোজ।

তিনি বলেন, ‌‌‘এটা আসলে খুব কনফিউজিং একটা ব্যাপার। নীতিমালা দিয়ে বলা হলো যে, ধরেন সিগারেট খাওয়ার দৃশ্য দেখানো যাবে না। কোনো চরিত্র যদি সিগারেটখোর হয়, তখন কী করবেন? সো তখন নীতিমালাটা কীভাবে অ্যাপ্লাই করবেন বা ধরেন অনেক ক্ষেত্রে আছে যৌনতা দেখানো যাবে না বলা হয়। যৌনতা তো জীবনের একটা অংশ। সেটা কেন দেখানো যাবে না? আর মানুষ কি ইন্টারনেটে পর্নো মুভি দেখতেছে না? ইন্টারনেটে ঢুকলে তারা যেকোনো ধরনের যৌন দৃশ্য দেখতে পাচ্ছে।

‘তো কাকে আটকাবেন এই নীতিমালা দিয়ে? আমি বলতেছি না যে এ ধরনের দৃশ্যে গল্প ভরে দাও। তা না। কিন্তু এই দৃশ্যগুলো আমাদের জীবনের অংশ। এই দৃশ্যগুলো দেখানোই যাবে না, এটা আসলে মুশকিল।’

কোনো চরিত্র সহজ বা কঠিন লাগে না: মনোজ
অভিনেতা মনোজ কুমার প্রামাণিক। ছবি: সংগৃহীত

নীতিমালার অসুবিধা তুলে ধরে মনোজ বলেন, ‌‌‘এই প্রতিবন্ধকতা কীভাবে উতরানো যাবে? প্রথমত, আমি মনে করি নীতিমালা দিয়ে কোনো লাভ হয় না। দ্বিতীয়ত, নীতিমালা যতই কঠিন হোক না কেন, যিনি ক্রিয়েটিভ, যার মাথায় সৃষ্টিশীলতা আছে, তিনি কোনো না কোনো ওয়ে আউট করে নেন। সমস্যাটা এই দৃশ্য দেখানো যাবে বা এই দৃশ্য দেখানো যাবে না, এটাতে না; সমস্যা হচ্ছে একটা মানুষ কী বলতে চায়, সেটা সে কোনো না কোনোভাবে বলার ওয়ে খুঁজে নিতে পারে বুদ্ধি থাকলে।

‘এখন কী বলতে চাই সেটাকে থামানোই হচ্ছে নীতিমালার কাজ। কী দেখানো হচ্ছে এটা গুরুত্বপূর্ণ না, যখন মূলে গিয়ে আঘাত লাগে তখন আসলে নীতিমালার প্রয়োজন হয়। আমি সরকারকে, দেশের নিয়মকে কোনো কিছুকে খাটো করে বলছি না। কিন্তু জাস্ট একজন শিল্পী যে জায়গা থেকে অনুভব করে, সে জায়গা থেকে বলছি।’

তিনি বলেন, ‘‌নীতিমালার কোনো প্রয়োজন আছে মনে করি না। আবার নীতিমালা যদি দেয়ও, শিল্পীর তাতে কিছু যায় আসে না। সে একটা ওয়ে খুঁজে নিবে।’

অভিনয় নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান এ অভিনেতা।

তিনি বলেন, ‌‘অভিনয় নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। ভালো ভালো কাজ করতে চাই, ভালো গল্পে, ভালো ডিরেক্টরদের সঙ্গে। আর চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করতে চাই।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

লাল-সাদার জন্মদিনে পরীর এবার ২৭

লাল-সাদার জন্মদিনে পরীর এবার ২৭

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, নায়িকার বয়স হলো কত? নায়িকার নাকি বয়স জানতে নেই। পরীমনিও মজা করে বললেন, ‘আমার জন্মদিন তো এখন তিনটা।’ এর বেশি কিছু আর বললেন না। নিজের বয়সটা অকপটেই বললেন, ‘২৭’।

এবার পরীমনির সাদা-লালের জন্মদিন। অর্থাৎ পরীমনির জন্মদিন উদযাপনে যারা আমন্ত্রণ পেয়েছেন, তাদের মধ্যে যারা পুরুষ তারা সাদা রঙের পোশাক এবং যারা নারী তারা লাল রঙের পোশাক পরে আসবেন।

সাদা রং সাধারণত শুভ্রতা বোঝায় আর লাল শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ড্রেস কোডে সাদা-লালের এই রংবিন্যাস নির্ধারণের সময় বিষয়গুলো ভাবনায় ছিল কি?

জানতে চাইলে পরীমনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হ্যাঁ, শুভ্রতার সঙ্গে শক্তির মিশ্রণের থিমে এবারের আয়োজনটা করতে চাই। সে কারণেই ড্রেস কোড হিসেবে সাদা-লাল নির্ধারণ করা।’

লাল-সাদার জন্মদিনে পরীর এবার ২৭
অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

গুনিন সিনেমার শুটিং করছিলেন পরীমনি। শনিবার দুপুরের দিকেই ঢাকা ফেরেন এই অভিনেত্রী। জন্মদিনে পাঁচ তারকা হোটেলের আয়োজন শুধু নয়, সারা দিনই ব্যস্ত থাকবেন বলে জানান পরীমনি।

তিনি বলেন, ‘জন্মদিনে আমি সারা দিনই ব্যস্ত থাকি। কাল (রোববার) রাতে আয়োজন থাকলেও দুপুরে আমি এতিম বাচ্চাদের সঙ্গে কাটাব। তাদের খাবারের কিছু আয়োজন করছি। তাদের জন্য কিছু গিফট কিনেছি। এখন সেগুলোই প্যাকেট করছিলাম।’

জন্মদিনে পাঁচ তারকা হোটেলে যে আয়োজন, সেখানে কারা আমন্ত্রিত হতে পারেন তার একটি ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন পরীমনি।

স্ট্যাটাসের একদম শেষে লিখেছিলেন, ‘মূলত যারা বিপদের সময় তোমার পাশে থাকেনি! তারা তোমার আনন্দের অংশীদার হওয়ার যোগ্যতাও রাখে না!’

লাল-সাদার জন্মদিনে পরীর এবার ২৭
অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

এ থেকে সবাই ধারণা করেছেন যে, পরীমনির সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনায় যারা পরীর পাশে ছিলেন, আয়োজনে হয়তো তারাই শুধু আমন্ত্রণ পাবেন।

ধারণাটি ঠিক বলে জানালেন পরী। বললেন, ‘এবার আয়োজনে অনেক নতুন মানুষের সঙ্গে দেখা হবে আমার। কারণ নতুন করে অনেক মানুষ আমার পাশে থেকেছে। আমার বিশেষ দিনে তাদের সঙ্গে নিয়ে কাটাতে চাই।’

আমন্ত্রিত অতিথিদের ড্রেস কোড থাকলেও পরী নিজে কোন ধরনের পোশাক পরবেন, তার রংবিন্যাস বা ডিজাইন কেমন হবে, তা পরিষ্কার করে বলেননি পরী।

বলেন, ‘কী রং বা নকশার পোশাক পরব তা জানি না। এবার আমি জিমিকে খুব মিস করছি। আগের পোশাকগুলো তো সে-ই ডিজাইন করেছিল।’

পরীমনিকে এর আগে ময়ূর থিমে জন্মদিনের পোশাক পরতে দেখা গেছে। সেই পোশাকের নকশা করেছিলেন জিমি।

লাল-সাদার জন্মদিনে পরীর এবার ২৭
অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে কিছু সংবাদমাধ্যমে এসেছিল পৃষ্ঠপোষক নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করবেন পরী। তবে এই তথ্য উড়িয়ে দিয়ে পরী বলেন,

‘এগুলো বাজে কথা। আমি আমার কাছের মানুষদের আমন্ত্রণ করব, তার জন্য আবার পৃষ্ঠপোষক লাগবে কেন?’

আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, নায়িকার বয়স হলো কত? নায়িকার নাকি বয়স জানতে নেই। পরীমনিও মজা করে বললেন, ‘আমার জন্মদিন তো এখন তিনটা।’ এর বেশি কিছু আর বললেন না।

নিজের বয়সটা অকপটেই বললেন, ‘২৭’।

শেয়ার করুন

১৩ বছর আগে কী বলেছিলেন শাহরুখ

১৩ বছর আগে কী বলেছিলেন শাহরুখ

সপরিবারে শাহরুখ খান।

২০০৮ সালে একটি জার্মান চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাতকারে নিজের পরিবার বিশেষ করে সন্তানদের সম্পর্কে শাহরুখ এমন কিছু বলেছিলেন যার ছায়া দেখা যাচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতিতে।

দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে সম্প্রতি মুম্বাইয়ের আর্থার রোডের জেলখানায় ছেলে আরিয়ানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। গত ২ অক্টোবর মাদক সেবনের অভিযোগে একটি প্রমোদতরী থেকে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনবিসি)।

এ ধরনের মামলায় সাধারণত সহজে জামিন পাওয়া গেলেও আরিয়ানের বেলায় ব্যতিক্রম হচ্ছে বলে অভিযোগ খান পরিবারের ভক্তদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভক্তদের ওয়ালে ওয়ালেই এবার ঘুরে বেড়াচ্ছে ১৩ বছর আগে দেয়া শাহরুখ খানের একটি সাক্ষাতকার।

ডিএনএইন্ডিয়া জানিয়েছে, ২০০৮ সালে একটি জার্মান চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাতকারে নিজের পরিবার বিশেষ করে সন্তানদের সম্পর্কে শাহরুখ এমন কিছু বলেছিলেন যার ছায়া দেখা যাচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতিতে।

সেই সাক্ষাতকারে শাহরুখ বলেছিলেন, ‘সবচেয়ে বড় ভয় আমার সন্তানদের নিয়ে। আমি চাই তারা আমার ছায়ার বাইরে গিয়ে বাঁচুক। আমার খ্যাতি তাদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আমি চাইনা তারা এর সঙ্গে লড়াই করুক এবং বলুক ওহ, আমি আমার বাবার চেয়েও ভালো। আমি চাই না বাবার খ্যাতির ঘোরে পড়ে তারা জীবনে কিছু না করার কথা ভাবুক। কারণ তারা আমার সন্তান।’

এরপর শাহরুখ যোগ করেন, ‘এটা সত্যি যে, আমার নাম-যশ তাদের জীবনকে নষ্ট করে দিতে পারে। আমি এমনটি চাইবো না। তারা আমার সন্তান- এই পরিচয়ের চেয়ে আমি তাদের বাবা পরিচয়েই থাকতে পছন্দ করবো।’

শুধু এটিই নয়, আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এই সাক্ষাতকারটি তিনি দিয়েছিলেন করন জোহরের সঞ্চালনায় ‘কফি উইথ করন’ অনুষ্ঠানে।

সন্তানদের প্রসঙ্গ চলে এলে সেই সাক্ষাতকারে শাহরুখ বলেছিলেন, ‘একটি সন্তান জন্ম দেয়ার সিদ্ধান্তের মানে হলো- হৃদয়ের একটি টুকরোকে শরীরের বাইরে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত।’

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কটিকে বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘যদি দেখি আমার কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু দাঁড়িয়ে আছে এবং তার দিকে একটি গাড়ি তীব্র গতিতে ছুটে আসছে, তবে আমি ধাক্কা দিয়ে সেই পথ থেকে তাকে সরিয়ে দেবো। আর যদি দেখি- আমার স্ত্রী কিংবা আমার বোন দাঁড়িয়ে আছে এবং তার দিকে গাড়িটি ছুটে আসছে। তবে নিঃসন্দেহে সেই পথ থেকে তাকে আমার দিকে টেনে নেব কোনো আঘাতের চিন্তা না করেই। কিন্তু এই ঘটনাটি যদি আমার সন্তানের বেলায় ঘটে; তবে আমি সেই গাড়িটির সামনে গিয়ে দাঁড়াবো এবং এটিকে থামাবোই।’

শেয়ার করুন

১৬ বছর পর পর্দায় বান্টি এবং বাবলি

১৬ বছর পর পর্দায় বান্টি এবং বাবলি

বান্টি অওর বাবলি টু সিনেমার দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

১৬ বছর পর আবারও আসছে চরিত্র দুটি। বাবলি চরিত্রে রানী মুখার্জি থাকলেও বান্টি চরিত্রের অভিনেতা পরিবর্তন হয়েছে। নতুন পর্বে বান্টি চরিত্রে দেখা যাবে সাইফ আলী খানকে।

বলিউড সিনেমার দুটি চরিত্রের নাম বান্টি এবং বাবলি। ২০০৫ সালে এ চরিত্র দুটির সঙ্গে পরিচিত হন দর্শকরা। বান্টি অওর বাবলি নামের সিনেমাতে ছিল চরিত্র দুটি।

বান্টি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিষেক বচ্চন এবং বাবলি চরিত্রে রানী মুখার্জি।

১৬ বছর পর আবারও আসছে চরিত্র দুটি। বাবলি চরিত্রে রানী মুখার্জি থাকলেও বান্টি চরিত্রের অভিনেতা পরিবর্তন হয়েছে। নতুন পর্বে বান্টি চরিত্রে দেখা যাবে সাইফ আলী খানকে।

নতুন সিনেমাটির নাম বান্টি অওর বাবলি টু। রাকেশ আর ভিম্মি অর্থাৎ বান্টি আর বাবলির গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে যশরাজ ফিল্মসের নতুন সিনেমার কাহিনি। এটি পরিচালনা করেছেন বরুণ ভি শর্মা।

টিকিট কালেক্টর রাকেশের চরিত্রে সাইফ। চরিত্রটির জন্য ওজন বাড়াতে হয়েছে তাকে। অন্য দিকে ভিম্মি অর্থাৎ রানী এখন ফ্যাশন ডিজাইনার।

ফুরসতগঞ্জের মতো ছোট শহরে রাকেশ আর ভিম্মির সংসার। কিন্তু শুধু গৃহবধূ হয়ে থাকতে নারাজ ভিম্মি। ‍তাই ফ্যাশন ডিজ়াইনার হিসেবে সে কাজ শুরু করেছে।

১৬ বছর পর পর্দায় বান্টি এবং বাবলি
সাইফ ও রানির (সামনে) সঙ্গে চতুর্বেদি ও শর্বরি (পেছনে)। ছবি: সংগৃহীত

বান্টি অওর বাবলি তে ভিম্মির স্বপ্ন ছিল মিস ইন্ডিয়া হওয়ার, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই বাড়ি থেকে টাকা চুরি করে সে পালিয়েছিল। পথে দেখা রাকেশের সঙ্গে। তার চোখেও বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন। তার পর দু’জনের পথ মিলে যায় এবং বান্টি ও বাবলি নাম নিয়ে শুরু করে লোক ঠকাতে।

সেই জুটি এখন সংসারী হয়েছে। যদিও স্ত্রীর ফ্যাশনের রকমসকম দেখে রাকেশ খুশি নয়, কিন্তু স্ত্রীকে সে উৎসাহ দিয়ে যায়।

সিদ্ধান্ত চতুর্বেদি ও নবাগতা শর্বরিকে জুটি হয়ে দেখা যাবে বান্টি অওর বাবলি টু সিনেমায়। ১৯ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

শেয়ার করুন

মালাইকার ৪৮

মালাইকার ৪৮

বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা। ছবি: সংগৃহীত

শনিবার জীবনের আরও একটি নতুন বসন্তে পা দিলেন বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা। এদিন ৪৮ বছরে পা রাখলেন তিনি। ১৯৭৩ সালের ২৩ অক্টোবর ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে জন্ম এ অভিনেত্রীর।

বয়স যে শুধুমাত্র একটি সংখ্যা সেটাই প্রতিবছর প্রমাণ করেন বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা। তাকে দেখে তার বয়স অনুমান করা বেশ কঠিন।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া দিল সে সিনেমায় ‘ছাইয়া ছাইয়া’ গানে শাহরুখ খানের বিপরীতে ট্রেনে নৃত্যরত ছিমছাম গড়নের মালাইকার চেহারাটা ২৩ বছর পরও যেন একই আছে।

শনিবার জীবনের আরও একটি নতুন বসন্তে পা দিলেন অভিনেত্রী। এদিন ৪৮ বছরে পা রাখলেন তিনি।

১৯৭৩ সালের ২৩ অক্টোবর ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে জন্ম এ অভিনেত্রীর।

জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রেমিক অর্জুন কাপুরসহ বলিউডের অনেক তারকা।

অর্জুন কাপুর তার ইনস্টাগ্রামে তাদের যৌথ একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেই ছবি ক্যাপশনে অভিনেতা লেখেন, ‘শুধু এইদিন নয়, অন্য যেকোনো দিনে আমি তোমাকে হাসাতে চাই। এ বছরটা সবচেয়ে বেশি হাসো।’

তার উত্তরে মালাইকা কমেন্ট করেছেন, ‘স্পষ্টতই আমি তোমাকে এই ছবিতে হাসাচ্ছি।’

মালাইকার ৪৮
মালাইকার জন্মদিনে এই ছবিটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন অর্জুন কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

অর্জুনের পোস্ট করা সেই ছবি তুলে দেয়ার ক্রেডিট চেয়ে কমেন্ট করেছেন কারিনা কাপুর। লিখেছেন, ‘আমি ছবির ক্রেডিট চাই অর্জুন কাপুরজি।’

সেই পোস্টে ভালোবাসার ইমো দিয়ে কমেন্ট করেছেন, রণবীর সিং, বিপাশা বসু, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, স্বরা ভাস্কর, এশা গুপ্তা, দিয়া মির্জা ও ভূমি পেডনেকারসহ অনেক তারকা।

শেয়ার করুন

প্রয়াত বন্ধুর মেয়ের বিয়েতে বাবার দায়িত্বে ভিন ডিজেল

প্রয়াত বন্ধুর মেয়ের বিয়েতে বাবার দায়িত্বে ভিন ডিজেল

ভিন ডিজেলের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছেন মেডো ওয়াকার। ছবি: সংগৃহীত

মেডোর তো বাবা মারা গেছে অনেক আগেই। তাই বাবার জায়গাটি নিয়েছেন পলের বন্ধু ও সহকর্মী ভিন ডিজেল। পলের হয়ে মেয়েকে সম্প্রদানের কাজটি করেছেন তিনি।

হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা সিরিজ ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস। সিনেমায় অভিনয় করা গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় একটি চরিত্রে অভিনয় করতেন পল ওয়াকার।

২০১৩ সালে দুর্ঘটনায় মারা যান পল; তখন তার বয়স ছিল ৪০। ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস সিনেমার সারাবিশ্বের ভক্তদের সঙ্গে এদেশের ভক্ত-দর্শকরাও কেঁদেছিলেন সেদিন।

কিন্তু সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না। পলের মেয়ে মেডো ওয়াকার। বড় হয়ে গেছে সে। বয়স এখন ২২। তাই দেরি না করে বিয়েটা সেড়ে ফেলেছেন। অক্টোবরের শুরুতে মেডো বিয়ে করেছেন ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের অভিনেতা লুই থর্নটন-অ্যালানকে।

শুক্রবার বিকেলে বিয়ের কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন মিডো ওয়াকার। সেখানকার একটি ছবিতে সবার চোখ আটকে যেতে পারে।

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, মেডোকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন ভিন ডিজেল।

প্রয়াত বন্ধুর মেয়ের বিয়েতে বাবার দায়িত্বে ভিন ডিজেল
মেডো ওয়াকার (বাঁয়ে) ও লুই থর্নটন অ্যালান। ছবি: সংগৃহীত

মূলত খ্রিস্টান বিয়ের রীতিতে গীর্জায় যে আনুষ্ঠানিকতা হয় যেখানে কনেকে নিয়ে যান তার বাবা। কনে তার বাবার হাতের কনুইয়ের অংশ ধরে হাঁটতে হাঁটতে যান আনুষ্ঠানিকতার দিকে।

মেডোর তো বাবা মারা গেছে অনেক আগেই। তাই বাবার জায়গাটি নিয়েছেন পলের বন্ধু ও সহকর্মী ভিন ডিজেল। পলের হয়ে মেয়েকে সম্প্রদানের কাজটি করেছেন তিনি।

বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন অতিথি। ওয়ান্ডার ওম্যান খ্যাত গ্যাল গ্যাদোতসহ অন্যান্য তারকারা নব দম্পতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পলের মৃত্যুর পর কেটে গেছে ৮ বছরের মতো। অনেক কিছুর পরবির্তন হয়েছে এর মধ্যে। ভিন ডিজেলের সঙ্গে ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস সিনেমায় পল ছিলেন ছয়টি পর্ব পর্যন্ত কিন্তু সিনেমায় নয়টি পর্ব মুক্তি পেয়ে গেছে।

শেয়ার করুন

রাশিদ পলাশের নামে লিখিত অভিযোগ

রাশিদ পলাশের নামে লিখিত অভিযোগ

রাশিদ পলাশ (বাঁয়ে) ও সৈয়দ নাজমুস সাকিব। ছবি: সংগৃহীত

সাকিব বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও পরিচালক রাশিদ পলাশ তার অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি। তাই আমার দাবি, তার বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে।’

চলচ্চিত্র পরিচালক রাশিদ পলাশের নামে লিখিত অভিযোগ করেছেন চলচ্চিত্র কর্মী ও শিক্ষক সৈয়দ নাজমুস সাকিব।

৮ অক্টোবর মুক্তি পায় রাশিদ পলাশ পরিচালিত সিনেমা পদ্মাপুরাণ। সিনেমার রিভিউ লেখা-না লেখা নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা।

১৯ অক্টোবর বিকেলে রাশিদ পলাশ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সৈয়দ নাজমুস সাকিবের নাম উল্লেখ করে লেখেন, ‘তার মানে শুধু টাকা দিতে পারিনি বলে সিনেমার রিভিউ করলেন না সিনেমা প্রেমিক সৈয়দ নাজমুস সাকিব। আপনাদের বাংলা সিনেমার প্রতি এই দরদটা মনে থাকবে ভাই। কি মনে হয়, আপনারা না লিখলে সিনেমা চলবে না? কিংবা টাকা না দিলে পোলাপান দিয়ে নেগেটিভ রিভিউ করাবেন?’

এ সব ছাড়াও আরও কিছু কথা লেখেন পলাশ। তবে মূল আলোচনা টাকার বিনিময়ে রিভিউ লেখার অভিযোগ নিয়ে।

রাশিদ পলাশের এই স্ট্যাটাসেই মন্তব্যের ঘরে বিষয়টি নিয়ে উত্তর দেন সৈয়দ নাজমুস সাকিব। পলাশের ওই স্ট্যাটাসের তিন ঘণ্টা পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাকিব এর বিস্তারিত লিখে জানান।

সাকিব তার দীর্ঘ স্ট্যাটাসে রিভিউ ও পদ্মাপুরাণ সিনেমাটি প্রসঙ্গে লেখেন, ‘সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া পদ্মাপুরাণ সিনেমার পরিচালক রাশিদ পলাশ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন, তিনি টাকা দেননি বলে নাকি আমি তার সিনেমার রিভিউ লিখি নাই। আমি যে তার কাছে লেখার বিনিময়ে টাকা চেয়েছি, সেটার সপক্ষে কোনো ধরনের প্রমাণ তিনি হাজির করেন নি। কোনো লিখিত ধরনের বা যেকোনো ধরনের প্রমাণ- কিচ্ছু না। জাস্ট দুম করে একটা স্ট্যাটাস দিয়েই খালাস।’

সিনেমাটি দেখার পর তার কাছে ভালো লাগেনি বলে দাবি করেন সাকিব।

কোনো রকম প্রমাণ ছাড়াই সাকিবের নামে- ‘টাকা দিতে পারিনি বলে সিনেমার রিভিউ করলেন না’- অভিযোগ আনায় চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে পরিচালক রাশিদ পলাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সাকিব।

শনিবার দুপুরে সমিতিতে লিখিত অভিযোগটি জমা দেন সাকিব। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

সাকিব বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও পরিচালক রাশিদ পলাশ তার অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি। তাই আমার দাবি, তার বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে।’

লিখিত অভিযোগে ক্ষমা চাওয়ার কোনো সময় নির্ধারণ করে না দিলেও যতো দ্রুত সম্ভব এটা করতে হবে বলে জানান সাকিব। স্ট্যাটাস দেয়ার পর দুজনের কোনো যোগাযোগও হয়নি, জানান সাকিব।

এ বিষয়কে কথা বলতে রাশিদ পলাশের দুটি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ করার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও লিখেছেন সৈয়দ নাজমুস সাকিব।

শেয়ার করুন

অস্কারে যাচ্ছে তামিল সিনেমা

অস্কারে যাচ্ছে তামিল সিনেমা

‘কুড়াঙ্গাল’ সিনেমার দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

বাছাই পর্ব শেষে জানা গেল, এই দুই সিনেমাকে পেছনে ফেলে ভারত থেকে এবার অস্কারের মঞ্চে যাচ্ছে তামিল সিনেমা কুড়াঙ্গাল। ইংরেজিতে সিনেমাটির নাম পেবেলস। যার বাংলা অর্থ নুড়ি।

কয়েক দিন আগেই জানা গিয়েছিল ৯৪তম অস্কারের মঞ্চে যেতে বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্মের দৌড়ে রয়েছে দুই হিন্দি সিনেমা শেরনিসর্দার উধাম

বাছাই পর্ব শেষে জানা গেল, এই দুই সিনেমাকে পেছনে ফেলে ভারত থেকে এবার অস্কারের মঞ্চে যাচ্ছে তামিল সিনেমা কুড়াঙ্গাল। ইংরেজিতে সিনেমাটির নাম পেবেলস। যার বাংলা অর্থ নুড়ি।

অস্কারে পাঠানোর জন্য এবার ভারতে ১৪টি ভিন্ন ভাষার সিনেমা নির্বাচিত হয়েছিল। যার বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে কলকাতায়। ১৫ বিচারক ১৪টি সিনেমা থেকে বেছে নেন কুড়াঙ্গাল

চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পায় কুড়াঙ্গাল। পরিচালক বিনোথরাজের প্রথম সিনেমা এটি।

এশিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড ২০২১-এর জন্যও মনোনীত হয়েছিল কুড়াঙ্গাল। একই সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের ৫০তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব রটারডামেও প্রদর্শন করা হয়েছে এটি।

এক বাবা ও ছেলের গল্প নিয়ে কুড়াঙ্গাল। স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ছেলেটির মা চলে গেছে বাবার বাড়ি। সেখান থেকে মাকে ফিরিয়ে আনতে পথচলা শুরু করে ছেলে ও তার বাবা।

রোদে পুড়ে বাবা-ছেলের পথচলা রুক্ষ রাস্তা দিয়ে, সেই যাত্রা আর মাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার গল্পই দেখানো হয়েছে এ সিনেমায়।

শেয়ার করুন