‘কী দারুণ কণ্ঠ’

‘কী দারুণ কণ্ঠ’

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘কী দারুণ কণ্ঠ।’ সেই সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমো। আরেকজন লিখেছেন, ‘অভিনয়ে যেমন দক্ষ, গানেও করলেন মুগ্ধ।’

দুই বাংলার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তার অভিনয়ে মুগ্ধ লাখো ভক্ত-অনুরাগী। তবে শুধু অভিনয় নয়, এবার সেই মুগ্ধতার রেশ ছড়ালেন গান গেয়ে।

সম্প্রতি কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে অতনু ঘোষ পরিচালিত সিনেমা বিনিসুতোয়। এতে শুধু অভিনয় নয়, একটি গানও গেয়েছেন জয়া। তাও আবার রবীন্দ্রসংগীত। সিনেমায় নিজের গাওয়া গানের সঙ্গে ঠোঁটও মিলিয়েছেন জয়া।

‘সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি’ শিরোনামের এ গানটির এক ইউটিউব লিংক নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন জয়া। সেই সঙ্গে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নিজের মতো করে চেষ্টা করেছি গাইবার। আশা করছি, আপনাদের ভালো লাগবে।’

আসলেই গানটি কেমন লাগল শ্রোতাদের? তা বোঝা গেল গানটির ইউটিউব লিংকে মুগ্ধতা প্রকাশ করে নেটিজেনদের মন্তব্যে।

একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘কী দারুণ কণ্ঠ।’ সেই সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমো। আরেকজন লিখেছেন, ‘অভিনয়ে যেমন দক্ষ, গানেও করলেন মুগ্ধ।’

অন্য একজন লিখেছেন, ‘কী সুন্দর মোহের আবেশ তৈরি করল জয়ার কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীতটি। মোহাচ্ছন্ন হয়ে শুনলাম গানটি। আহা! কী কণ্ঠস্বর।’

জয়ার কণ্ঠে আরও গান শোনার আবদার জানিয়ে একজন লিখেছেন, ‘জয়া দিদি এত ভালো গান করেন তা জানতামই না এই গান না শুনলে। দিদি তোমার কাছ থেকে আরও গান শুনতে চাই।’

‘কী দারুণ কণ্ঠ’
অভিনেত্রী জয়া আহসানের গাওয়া ‘সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি’ শিরোনামের রবীন্দ্রসংগীতে নেটিজেনদের মন্তব্য। ছবি: সংগৃহীত

জয়ার কণ্ঠে মুগ্ধতা প্রকাশ করে এ রকম অনেক মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা।

২০ আগস্ট কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে বিনিসুতোয় । এই সিনেমায় সংগীত পরিচালনা করেছেন সুরকার দেবজ্যোতি। তিনি এর আগে জয়ার গাওয়া এই গানটি প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছিলেন, এই সিনেমায় জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এনসিবির তলবে হাজির হননি অনন্যা পান্ডে

এনসিবির তলবে হাজির হননি অনন্যা পান্ডে

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এদিন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এনসিবির কাছে আর্জি জানান অনন্যা, যাতে অন্য কোনো দিন তাকে ডাকা হয়। অভিনেত্রীর সেই আর্জি গ্রহণ করে সংস্থাটি। তবে শিগগিরই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নতুন সমন পাঠানো হবে তাকে।

মাদককাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার তৃতীয় দফায় বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডেকে তলব করেছিল ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনসিবি)। তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এদিন এনসিবির অফিসে হাজির হননি তিনি।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর অনন্যার বাড়িতে তল্লাশি করে এনসিবি। ওই দিনই ২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অনন্যাকে। পরদিন শুক্রবার ৪ ঘণ্টা এনসিবির কর্মকর্তাদের জেরার মুখোমুখি হন তিনি।

এরপর গত সোমবার তাকে তৃতীয় দফায় তলব করেছিল সংস্থাটি।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এদিন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এনসিবির কাছে আর্জি জানান অনন্যা, যাতে অন্য কোনো দিন তাকে ডাকা হয়। অভিনেত্রীর সেই আর্জি গ্রহণ করে সংস্থাটি। তবে শিগগিরই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নতুন সমন পাঠানো হবে তাকে।

এনসিবির তলবে হাজির হননি অনন্যা পান্ডে
বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে। ছবি: সংগৃহীত

মাদক মামলায় অভিযুক্ত বলিউড সুপারস্টার শাহরুখপুত্র আরিয়ানের সঙ্গে অনন্যার যোগসূত্র খতিয়ে দেখতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এনসিবি।

আরিয়ানের সঙ্গে অনন্যার অনেকবার কথা হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে। সেই কথোপকথনে বারবারই এসেছে মাদক প্রসঙ্গ।

এদিকে মাদক মামলায় হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিন আর্জি শুনানির দিন ধার্য রয়েছে মঙ্গলবার।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন

অবশেষে ৬৭তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তাদের হাতে

অবশেষে ৬৭তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তাদের হাতে

ভারতের ৬৭তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার হাতে বিজয়ীরা। ছবি: সংগৃহীত

হিন্দি ভাষায় সেরা সিনেমার পুরস্কার পেয়েছে প্রয়াত বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুত অভিনীত সিনেমা ‘ছিছোরে’। বাংলা ভাষায় সেরা সিনেমার পুরস্কার পেয়েছে সৃজিত মুখার্জির ‘গুমনামী’।

ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯-এর পদক অবশেষে হাতে পেলেন বিজয়ীরা। করোনার কারণে এক বছর পিছিয়ে ২০২০ সালের মার্চে ঘোষণা করা হয়েছিল পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম।

এরও এক বছরের বেশি সময় পর তাদের হাতে তুলে দেয়া হলো এ পুরস্কার।

দিল্লিতে সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ৬৭তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।

এতে ৫১তম দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার হাতে পেলেন দক্ষিণী মেগাস্টার রজনীকান্ত।

মনিকর্ণিকাপাঙ্গা- এ দুই সিনেমার জন্য সেরা পুরস্কার পেলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

আর হিন্দি সিনেমা ভোঁসলে ও তামিল সিনেমাঅনুসরণ -এর জন্য যৌথভাবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার মনোজ বাজপেয়ি এবং ধানুশের হাতে।

ভারতের উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।

হিন্দি ভাষায় সেরা সিনেমার পুরস্কার পেয়েছে প্রয়াত বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুত অভিনীত ছিছোরে

বাংলা ভাষায় সেরা সিনেমার পুরস্কার পেয়েছে সৃজিত মুখার্জির চিত্রনাট্য অবলম্বনে নির্মিত গুমনামীজ্যেষ্ঠপুত্র সিনেমার জন্য সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য লেখার পুরস্কার উঠল কৌশিক গাঙ্গুলির হাতে।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন

জামিনেই থাকছেন পরীমনি

জামিনেই থাকছেন পরীমনি

জামিন নিয়ে আদালত থেকে হচ্ছেন পরীমনি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

কোন গ্রাউন্ডে জামিন চেয়েছেন জানতে চাইলে পরীমনির আইনজীবী বলেন, ‘পরীমনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিল। তার শুটিং শিডিউল ছিল। জামিন পাওয়ার পর শুটিং আবার শুরু হয়েছে। সেজন্য আমরা জামিন বাড়িয়ে চেয়েছি। আদালত প্রথমে এক সপ্তাহের দিতে চেয়েছিলেন। আমাদের আবেদনে ১৫ নভেম্বর দিয়েছেন।’

রাজধানীর বনানী থানায় র‌্যাবের করা মাদক মামলায় পরীমনির জামিনেই থাকছেন। সেই সঙ্গে মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি পিছিয়েছে। পরবর্তী শুনানির তারিখ ১৫ নভেম্বর।

পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল আলম অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি নেন।

শুনানি শেষে অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানির জন্য ১৫ নভেম্বর তারিখ রাখেন বিচারক। সেই সঙ্গে পরীমনির আবেদন গ্রহণ করে এই সময় পর্যন্ত জামিন বাড়ান তিনি।

সকাল ১০টা ৩৭ মিনিটে শুরু হওয়া মাত্র ৭ মিনিটের শুনানিতে পরীমনির পক্ষে আইনজীবী নিলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিনের প্রার্থনা করেন। পরীমনির শুটিং আছে বলে তাকে লম্বা সময়ের জন্য জামিন দিতে আদালতকে অনুরোধ জানান।

এসময় রাষ্ট্র পক্ষে মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন। তিনি কোনো আপত্তি না করে তা সমর্থন করেন।

পরীমনির আইনজীবী সুরভী বলেন, ‘মামলাটি বদলি হওয়ার পর আজকে প্রথম তারিখ। কোর্ট বদলি হলে আসামিকে হাজিরা দিতে হয়। হাজির হয়ে আমরা জামিন আবেদন করি। আদালত ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছেন।

‘এ ছাড়া, আজকে অভিযোগটি আমলে গ্রহণের তারিখ ছিল আজ, কিন্তু আদালত তা গ্রহণ করেননি। আগামী ১৫ নভেম্বর নতুন তারিখ দিয়েছেন।’

কোন গ্রাউন্ডে জামিন চেয়েছেন জানতে চাইলে সুরভী বলেন, ‘পরীমনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিল। তার শুটিং শিডিউল ছিল। জামিন পাওয়ার পর শুটিং আবার শুরু হয়েছে। সেজন্য আমরা জামিন বাড়িয়ে চেয়েছি। আদালত প্রথমে এক সপ্তাহের দিতে চেয়েছিলেন। আমাদের আবেদনে ১৫ নভেম্বর দিয়েছেন।’

রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর দায়রা আদালতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বলেন, ‘আজকে ভারপ্রাপ্ত বিচারক দায়িত্বে থাকায় অভিযোগপত্র আমলে নেয়া হয়নি। পরবর্তী ডেটে অভিযোগপত্র নেয়া হবে। আমরা জামিনের বিরোধিতা করিনি। কারণ তারা একই আদালত থেকে জামিনে ছিলেন।’

এর আগে সকাল ৯ টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে এসে গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন পরীমনি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গেট খুললে তিনি মহনগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে সোফায় গিয়ে বসে শুনানির জন্য অপেক্ষা করেন।

এদিন পরীমনিসজ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা ছিল।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ২৬ অক্টোবর ধার্য করেন।

গত ৪ আগস্ট বিকেলে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাবের একটি দল। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটক করা হয় পরীমনিকে।

পরের দিন ব্রিফিংয়ে পরীমনিকে আটক করার কারণ জানানোর পাশাপাশি বনানী থানায় একটি মাদক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় র‌্যাব। এরপর এই অভিনেত্রীকে তিন দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলায় পরীমনিকে বারবার রিমান্ডে দেয়ায় বিচারিক আদালতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। সমালোচনাও হয়। এসবের মাঝে ৩১ আগস্ট জামিন পান পরীমনি।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে অপর দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

অভিযোগপত্র জমার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। সেই সঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

কারামুক্ত হওয়ার পর বিশ্রাম শেষে ফের কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে গুনিন সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে। সেখানে তার অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া পরীমনির হাতে রয়েছে প্রীতিলতা, মা নামে সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ।

এর মধ্যে গত রোববার বেশ ঘটা করে পরীমনি তার জন্মদিন পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন

আদালতে পরীমনি

আদালতে পরীমনি

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পরীমনি। ছবি: সাইফুল ইসলাম

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দক্ষিণ গেটে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপস্থিত হন পরীমনি। প্রায় আধাঘণ্টা গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি। পরে গেট খুলে দেয়া হলে সাড়ে ৯টার সময় আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা।

রাজধানীর বনানী থানায় র‌্যাবের করা মাদক মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দক্ষিণ গেটে উপস্থিত হন পরীমনি। প্রায় আধাঘণ্টা গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি। পরে গেট খুলে দেয়া হলে সাড়ে ৯টার সময় আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন।

সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল আলম অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি নেবেন।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানির দিন রাখে ২৬ অক্টোবর।

গত ৪ আগস্ট বিকেলে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাবের একটি দল। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটক করা হয় পরীমনিকে।

পরের দিন ব্রিফিংয়ে পরীমনিকে আটক করার কারণ জানানোর পাশাপাশি বনানী থানায় একটি মাদক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় র‌্যাব। এরপর এই অভিনেত্রীকে তিন দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলায় পরীমনিকে বারবার রিমান্ডে দেয়ায় বিচারিক আদালতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। সমালোচনাও হয়। এসবের মাঝে ৩১ আগস্ট জামিন পান পরীমনি।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে অন্য দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

অভিযোগপত্র জমার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। সেই সঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

কারামুক্ত হওয়ার পর বিশ্রাম শেষে ফের কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে গুনিন সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে। সেখানে তার অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া পরীমনির হাতে রয়েছে প্রীতিলতা, মা নামে সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ।

এর মধ্যে গত রোববার বেশ ঘটা করে পরীমনি তার জন্মদিন পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন

ববি শুরু করছেন সত্য ঘটনার সিনেমা

ববি শুরু করছেন সত্য ঘটনার সিনেমা

অভিনেত্রী ববি। ছবি: সংগৃহীত

মূল ঘটনায় নায়িকা সিমলার নাম যুক্ত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে সিমলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ববি, কিন্তু ববি বললেন অন্য কথা।

ঘটনাটি ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের। চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন পলাশ নামের এক যুবক।

ঘটনার দিনই কমান্ডো অপারেশনে নিহত হন পলাশ। পরে জানা যায়, সাবেক স্ত্রী চিত্রনায়িকা শামসুন নাহার সিমলার সঙ্গে ডিভোর্সের পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন পলাশ।

তদন্তে আরও জানা যায়, মূলত ভয় দেখানোর মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই পলাশের ‘অস্ত্র ও বোমাকাণ্ড’।

এই ঘটনা থেকেই এবার সিনেমা নির্মাণ হতে যাচ্ছে। সিনেমাটি নির্মাণ করবেন পদ্মাপুরাণ খ্যাত রাশিদ পলাশ। ছিনতাই চেষ্টা করা সেই বিমানের নাম ‘ময়ূরপঙ্খী’। পরিচালকও সিনেমার নাম দিয়েছেন সেই বিমানের নামেই।

সিনেমার নারী কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন ইয়ামিন হক ববি। গল্পের বিষয়টি পরিচালক এবং অভিনয়ের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ববি।

মূল ঘটনায় নায়িকা সিমলার নাম যুক্ত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে সিমলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ববি, কিন্তু ববি বললেন অন্য কথা।

ববি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি সিমলার চরিত্রে অভিনয় করছি, বিষয়টি এমন নয়। আমার চরিত্রটি কেমন হবে সেটা এখনই বলছি না। এ বিষয়ে জানানোর সময় এখনও আসেনি। সময় হলে ভালো করেই সব জানাব।’

এই সিনেমার মাধ্যমে অনেক দিন পর সিনেমার কাজে ফিরছেন ববি। জানালেন, চাইলে অনেক কাজই করতে পারতেন, কিন্তু সেগুলো করতে চাননি।

সিনেমাটিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ববি বলেন, ‘গল্পটি অনেক আগেই শুনেছি। ধীরে ধীরে গল্পটি আরও গুছিয়েছেন নির্মাতারা। গল্পটি আরও ভালো হয়ে উঠেছে। আর ভালো গল্পে কে না কাজ করতে চায়।’

নির্মাতা রাশিদ পলাশ ব্যস্ত থাকবেন প্রীতিলতা সিনেমার দৃশ্যধারণ নিয়ে। তিনি জানান, প্রীতিলতার শুটিং শেষ করেই ময়ূরপঙ্খী সিনেমার কাজ শুরু করবেন। এ বছরের শেষ দিকে সেটা হতে পারে। সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন আজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ

অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

‘আমার নিজস্ব প্রোডাকশন, যেখানে আমার ভাবনাগুলো তুলে ধরব, সেটার জন্য এটা একটা স্কুলিং হিসেবে কাজ করবে।’ তাহলে কি শুভকে প্রযোজক হিসেবে দেখা যাবে? শুভ বলেন, ‘দেখা যাক।’

দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ। অভিনয় করছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে। জীবনীভিত্তিক সিনেমাটির নাম বঙ্গবন্ধুনূর নামের একটি সিনেমার কাজ একদম শেষ পর্যায়ে।

তার অভিনীত ‌মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি মুক্তি পাবে ৩ ডিসেম্বর। রোববার সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে আরিফিন শুভকে দেখা গেছে নতুন ঘটনায় নতুন কাজের চ্যালেঞ্জ নিতে।

এ তিন সিনেমাসহ আরও কিছু বিষয়ে আরিফিন শুভ কথা বলেছেন মিশন এক্সট্রিম সিনেমার ট্রেলার প্রকাশের রোববারের অনুষ্ঠানে।

মিশন এক্সট্রিম সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে, কেমন লাগছে?

মিক্সড ফিলিংস বলা যেতে পারে। আমি হ্যাপি, এক্সাইটেড, নার্ভাস, হোপফুল সবকিছু।

ভালো সিনেমা নেই, প্রেক্ষাগৃহে দর্শক যাচ্ছে না। পরিস্থিতিটা কেমন মনে হচ্ছে আপনার। মিশন এক্সট্রিম তো বিগ বাজেটের সিনেমা।

৮৮ সালে যখন বন্যা হয়েছিল, সেই বন্যার পরেও সিনেমা হলে দর্শক গেছেন এবং দেখেছেন। এটা এই কারণে বললাম যে, দর্শক যার কাজ দেখতে ভালোবাসেন, যাদের ওপরে আস্থা আছে দর্শকদের, যাদের কাজে দর্শকরা মনে করেন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখলে ইন্টারেস্টিং স্টোরি পাওয়া যাবে, বিনোদিত হওয়া যাবে, তাদের কাজ দর্শকরা দেখতে যাবেন এবং মিশন এক্সট্রিম মানুষের সেই এক্সপেকটেশন পুরণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় আরিফিন শুভর সঙ্গে ঐশী। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমার প্রেক্ষাপটে জঙ্গিবাদ কতটা গুরুত্ব পেয়েছে? নাকি পুরোটাই?

আমাদের গল্পের ব্যাপ্তিটা অনেক বড়। যে কারণে সেটা আমরা একটা সিনেমাতে শেষ করতে পারিনি। সে কারণে এটা দুটো সিনেমা হয়েছে। গল্পটা সেকেন্ড পার্টে গিয়ে শেষ হয়। আবার আলাদাভাবে দুটি সিনেমাই পূর্ণাঙ্গ।

ব্যাপ্তিটা এত বড় বলেই ডিটেইল করে দেখাতে চেয়েছি যে গল্পটা জঙ্গিবাদ এবং সেটার সূত্রপাত এবং সেটার বিস্তার এবং সেটাকে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে দেশকে রক্ষা করছেন জঙ্গিবাদ থেকে, তার একটা বড়ভাবে ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করেছেন আমাদের পরিচালকরা।

বিদেশি সিনেমায় আন্তর্জাতিক চক্রের বিষয় উঠে আসতে দেখা যায়। দেশের সিনেমায় এমন ঘটনা তেমন একটা দেখা যায় না। মিশন এক্সট্রিমে তেমন কিছু আছে কি?

হ্যাঁ, মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় তেমন কিছু আছে। আমরা শুধু বাংলাদেশকে ইনভলব দেখাচ্ছি না। এই ষড়যন্ত্র বা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা অথবা এই যে জঙ্গিবাদ, এই বিষয়টাকে আমরা শুধু আমাদের দেশের পরিমণ্ডলে দেখাচ্ছি না। সেটা আমাদের দেশের সঙ্গে অন্য দেশের যে সম্পৃক্ততা, এই জঙ্গিবাদকে আরও লেলিয়ে দেয়ার জন্য অথবা আরও মদদ দেয়ার জন্য, সেই দিকটাও সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে।

মিশন এক্সট্রিম বাংলাদেশের সঙ্গে দেশের বাইরেও মুক্তি পাচ্ছে। তারা সিনেমাটা কীভাবে নেবে বলে মনে করেন?

আমি ব্যক্তিগতভাবে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় আমার সিনেমা প্রদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে তারা আমার প্রত্যেকটা সিনেমা খুব সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছে এবং আনন্দিত হয়েছে। আমাকে তারা উৎসাহ জুগিয়েছে। সেটা ছুঁয়ে দিলে মন বা ঢাকা অ্যাটাক

আশা করছি মিশন এক্সট্রিমেও সেই সাপোর্ট এবং ভালোবাসাটা পাব। কারণ এযাবৎকালে এত ব্যাপক ধরনের একটা বৃহৎ পরিসরে করা সিনেমা আমার এটাই প্রথম বঙ্গবন্ধু ছাড়া।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
বঙ্গবন্ধু সিনেমায় আরিফিন শুভ অভিনয় করছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চরিত্রে। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু সিনেমার আপডেট জানতে চাই। কী অবস্থায় আছে সিনেমাটি?

নভেম্বর-ডিসেম্বরে সিনেমাটির শেষ অংশের শুটিংটা হচ্ছে এবং আমরা আশা করছি যে বঙ্গবন্ধু সিনেমাটা আগামী বছর প্রথম কোয়ার্টারে গোটা পৃথিবীকে দেখাতে পারব।

সিনেমায় আপনি এক টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে শোনা যায়। কেন এক টাকা নিলেন?

পারিশ্রমিক নিচ্ছি না, এ কথা ঠিক না। এখানে আমার শ্রম-মেধা আছে আর আমি ফ্রি তে কাজ করি না। আমি এক টাকা নিচ্ছি।

বিদেশে গেলে আমাদের পাসপোর্টে যে দেশের নাম লেখা থাকে, সেই দেশটির স্বপ্ন যিনি দেখে গেছেন, যে দেশটি তিনি দিয়ে গেছেন, তার চরিত্রে অভিনয় করার চেয়ে বড় বিষয় তো আর শিল্পী হিসেবে, বাংলাদেশি হিসেবে একজন মানুষ হিসেবে থাকতে পারে না।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শারীরিক গড়নও পরিবর্তন করতে হয়। কীভাবে করেন?

আমার কোনো সিক্রেট নেই। আমাকে কাঙাল বলতে পারেন, আমি ভালোবাসার কাঙাল। সেই ভালোবাসার লোভে একেকবার একেক রূপ নেয়ার এক ধরনের প্রয়াস থাকে।

আমি আমার দর্শকদের উদ্দেশে একটা ছোট বার্তা দিতে চাই, প্রথমে মিশন এক্সট্রিম, তারপরে হয়তো বঙ্গবন্ধু, তারপরে নূর এবং তিনটি গল্পই একেবারেই তিন ধরনের এবং সেটার প্রমাণ আমি যে ফাঁকা আওয়াজ দিই না সেটার প্রমাণ আপনারা দ্রুত পেয়ে যাবেন।

মিশন এক্সট্রিম দিয়ে শুরু হচ্ছে, তারপর বঙ্গবন্ধু সিনেমার লুক যখন বের হবে, তখন আপনারা দেখবেন আপনাদের চোখের সামনে থাকবে সেটা। তারপর যখন নূর সিনেমার লুক প্রকাশ পাবে সেটাও দেখবেন।

নূর সিনেমার আপডেটটাও জানতে চাই।

নূর সিনেমার দৃশ্যধারণ শেষ হয়ে যাবে আর তিন দিন পরে। এটা প্রেমের গল্প।

সিনেমায় আপনি নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন। কেমন দায়িত্বটা?

খুবই কঠিন। তবে আমি অনেক কিছু শিখলাম, যেটা আমার নিজের প্রোডাকশনে আমাকে সহায়তা করবে। আমার নিজস্ব প্রোডাকশন, যেখানে আমার ভাবনাগুলো তুলে ধরব, সেটার জন্য এটা একটা স্কুলিং হিসেবে কাজ করবে।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

তাহলে কি আপনাকে প্রযোজক হিসেবে দেখা যাবে?

দেখা যাক।

নতুন কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন কি?

বঙ্গবন্ধু শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না। তবে বঙ্গবন্ধু সিনেমার শুটিংয়ের পর দেশের বাইরের একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন

কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

রোববার রাতে জন্মদিনে অতিথিদের সামনে বিমান বালা সাজে উপস্থিত হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে পরীমনি আদালতে হাজির হবেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা আছে ২৬ অক্টোবর।

রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় হাজিরা দিতে মঙ্গলবার আদালতে যাবেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি।

আদালতে যাওয়ার বিষয়টি সোমবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী।

সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে পরীমনি আদালতে হাজির হবেন বলে জানান তিনি।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা আছে।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত চার্জশিট গ্রহণের তারিখ ২৬ অক্টোবর ঠিক করে।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। গত ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর আবারও ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।

রিমান্ড শেষে গত ২১ আগস্ট ফের তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ চার্জশিট জমা দেয়া পর্যন্ত তাকে জামিন দেয়। পরদিন তিনি কারামুক্ত হন।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় চার্জশিট জমা দেন। চার্জশিটভুক্ত অপর দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

চার্জশিট জমা দেয়ার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

অভিনেত্রী পরীমনির জন্মদিন ছিল রোববার। এ দিনটি বরাবরই নানা আয়োজনে উদযাপন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
অন্য এক জয়া
‘জয়া ছাড়া অন্য কণ্ঠে গানটি মানাত না’
তালেবানের ক্ষমতা দখলে শঙ্কিত জয়া
‘বিনিসুতোয়’ শেষ হলো না জয়ার গল্প
‘স্বাধীনতার বজ্র আগুনে যার জন্ম, তার মৃত্যু নেই’

শেয়ার করুন