২০ বছরে ভালোবাসা-অবজ্ঞা দুটাই পেয়েছি: চয়নিকা

২০ বছরে ভালোবাসা-অবজ্ঞা দুটাই পেয়েছি: চয়নিকা

নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী পূর্ণ করলেন নির্মাণ জীবনের ২০ বছর। ছবি: সংগৃহীত

চয়নিকা বলেন, ‘আসলে এই ২০ বছরের পথ চলা এতো সহজ ছিল না। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন, আসলে সেদিন না, বিশাল একটা জার্নি। এখানে কিন্ত পথ চলাটা মসৃণ ছিল না, ছিল বন্ধুর, উঁচু-নিচু অনেক প্রতিবন্ধকতা। ফ্যামিলি থেকে কোনো প্রতিবন্ধকতা পাইনি, তাদের পূর্ণ সাপোর্ট পেয়েছি। যদিও পরিচালকের কোনো জেন্ডার নেই, কিন্তু একজন মেয়ে হিসেবে অনেক ভালো-মন্দ দেখেছি।’

টেলিভিশন নাটক নির্মাণের পরিচিত নাম চয়নিকা চৌধুরী। ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এই দিনে প্রথম নির্মাণ শুরু করেন নাটক শেষ বেলায়। সেই হিসেবে আজ নির্মাতা জীবনের ২০ বছর পূর্ণ করলেন চয়নিকা।

তবে তার নির্মাণ করা প্রচারিত প্রথম নাটক এক জীবনে । যে নাটকটি ২০০১ সালের অক্টোবর প্রচারত হয় বিটিভিতে।

চয়নিকা চৌধুরী নির্মাতা জীবনের ২০ বছর পূরণের দিনে নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপ করলেন এই পথ চলার অভিজ্ঞতা নিয়ে। তিনি জানালেন, দীর্ঘ এই সময়ে মানুষের ভালোবাসা যেমন পেয়েছেন পাশাপাশি অবজ্ঞাও পেয়েছেন।

চয়নিকা বলেন, ‘আসলে এই ২০ বছরের পথ চলা এতো সহজ ছিল না। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন, আসলে সেদিন না, বিশাল একটা জার্নি। এখানে কিন্ত পথ চলাটা মসৃণ ছিল না, ছিল বন্ধুর, উঁচু-নিচু অনেক প্রতিবন্ধকতা। ফ্যামিলি থেকে কোনো প্রতিবন্ধকতা পাইনি, তাদের পূর্ণ সাপোর্ট পেয়েছি। যদিও পরিচালকের কোনো জেন্ডার নেই, কিন্তু একজন মেয়ে হিসেবে অনেক ভালো-মন্দ দেখেছি।

‘ভালো মানুষ দেখেছি, খারাপ মানুষও দেখেছি। ভালোবাসা পেয়েছি, আবার পাশাপাশি অপমান অবজ্ঞাও পেয়েছি। এসব উৎরিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে আসলে কাজটাই আসল। এমনও হয়েছে আমি একটা স্ক্রিপ্ট নিয়ে গিয়ে ৪ ঘন্টা বাইরে বসে ছিলাম। আমাকে কেউ পাত্তাই দেয় নি। এমনও হয়েছে প্রথম নাটকে আমি হিরোই পাইনি। আমিতো পরিচালনা জানি না কিছু, আমি ভালো হিরো পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘এমনও হয়েছে আমি আগে বলতে পারিনি আমার নাটকটি কোন চ্যানেলে যাবে। আমাকে পরীক্ষা দিয়ে হয়েছে। আমাকে নাটক বানিয়ে আগে জমা দিয়ে হয়েছে, প্রিভিউ হয়েছে, এরপর ঠিক হয়েছে নাটকটি যাচ্ছে কিনা।’

তবে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এসব ঘটনা নিয়েই গর্ববোধ করেন চয়নিয়া। তিনি বলেন, ‘যা হয় ভালোর জন্যই হয়। আমি খুব গর্ববোধ করি। এইসব ঘটনায় আমার আস্থা বেড়েছে এবং আমি আরও অভিজ্ঞ হয়েছি।’

চয়নিকা জানালেন, এই ২০ বছরের নির্মাতা জীবনে তিনি এপর্যন্ত নাটক-টেলিফ্লিম মিলিয়ে ৪১৫, ১৬টি সিরিয়াল এবং একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।

এইদিনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ এইপথ চলায় তার সব শিল্পী, কলাকুশলী ও সহকর্মী ও দর্শকদের ভালোবাসা জানান চয়নিকা।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আদালতে পরীমনি

আদালতে পরীমনি

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পরীমনি। ছবি: সাইফুল ইসলাম

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দক্ষিণ গেটে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপস্থিত হন পরীমনি। প্রায় আধা ঘণ্টা গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি। পরে গেট খুলে দেয়া হলে সাড়ে ৯টার সময় আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা।

রাজধানীর বনানী থানায় র‌্যাবের করা মাদক মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দক্ষিণ গেটে উপস্থিত হন পরীমনি। প্রায় আধা ঘণ্টা গেটের বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি। পরে গেট খুলে দেয়া হলে সাড়ে ৯টার সময় আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন।

সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল আলম অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি নেবেন।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানির দিন রাখে ২৬ অক্টোবর।

গত ৪ আগস্ট বিকেলে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাবের একটি দল। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটক করা হয় পরীমনিকে।

পরের দিন ব্রিফিংয়ে পরীমনিকে আটক করার কারণ জানানোর পাশাপাশি বনানী থানায় একটি মাদক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় র‌্যাব। এরপর এই অভিনেত্রীকে তিন দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলায় পরীমনিকে বারবার রিমান্ডে দেয়ায় বিচারিক আদালতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। সমালোচনাও হয়। এসবের মাঝে ৩১ আগস্ট জামিন পান পরীমনি।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে অপর দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

অভিযোগপত্র জমার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। সেই সঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

কারামুক্ত হওয়ার পর বিশ্রাম শেষে ফের কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে গুনিন সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে। সেখানে তার অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া পরীমনির হাতে রয়েছে প্রীতিলতা, মা নামে সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ।

এর মধ্যে গত রোববার বেশ ঘটা করে পরীমনি তার জন্মদিন পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন

ববি শুরু করছেন সত্য ঘটনার সিনেমা

ববি শুরু করছেন সত্য ঘটনার সিনেমা

অভিনেত্রী ববি। ছবি: সংগৃহীত

মূল ঘটনায় নায়িকা সিমলার নাম যুক্ত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে সিমলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ববি, কিন্তু ববি বললেন অন্য কথা।

ঘটনাটি ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের। চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন পলাশ নামের এক যুবক।

ঘটনার দিনই কমান্ডো অপারেশনে নিহত হন পলাশ। পরে জানা যায়, সাবেক স্ত্রী চিত্রনায়িকা শামসুন নাহার সিমলার সঙ্গে ডিভোর্সের পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন পলাশ।

তদন্তে আরও জানা যায়, মূলত ভয় দেখানোর মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই পলাশের ‘অস্ত্র ও বোমাকাণ্ড’।

এই ঘটনা থেকেই এবার সিনেমা নির্মাণ হতে যাচ্ছে। সিনেমাটি নির্মাণ করবেন পদ্মাপুরাণ খ্যাত রাশিদ পলাশ। ছিনতাই চেষ্টা করা সেই বিমানের নাম ‘ময়ূরপঙ্খী’। পরিচালকও সিনেমার নাম দিয়েছেন সেই বিমানের নামেই।

সিনেমার নারী কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন ইয়ামিন হক ববি। গল্পের বিষয়টি পরিচালক এবং অভিনয়ের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ববি।

মূল ঘটনায় নায়িকা সিমলার নাম যুক্ত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে সিমলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ববি, কিন্তু ববি বললেন অন্য কথা।

ববি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি সিমলার চরিত্রে অভিনয় করছি, বিষয়টি এমন নয়। আমার চরিত্রটি কেমন হবে সেটা এখনই বলছি না। এ বিষয়ে জানানোর সময় এখনও আসেনি। সময় হলে ভালো করেই সব জানাব।’

এই সিনেমার মাধ্যমে অনেক দিন পর সিনেমার কাজে ফিরছেন ববি। জানালেন, চাইলে অনেক কাজই করতে পারতেন, কিন্তু সেগুলো করতে চাননি।

সিনেমাটিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ববি বলেন, ‘গল্পটি অনেক আগেই শুনেছি। ধীরে ধীরে গল্পটি আরও গুছিয়েছেন নির্মাতারা। গল্পটি আরও ভালো হয়ে উঠেছে। আর ভালো গল্পে কে না কাজ করতে চায়।’

নির্মাতা রাশিদ পলাশ ব্যস্ত থাকবেন প্রীতিলতা সিনেমার দৃশ্যধারণ নিয়ে। তিনি জানান, প্রীতিলতার শুটিং শেষ করেই ময়ূরপঙ্খী সিনেমার কাজ শুরু করবেন। এ বছরের শেষ দিকে সেটা হতে পারে। সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন আজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ

অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

‘আমার নিজস্ব প্রোডাকশন, যেখানে আমার ভাবনাগুলো তুলে ধরব, সেটার জন্য এটা একটা স্কুলিং হিসেবে কাজ করবে।’ তাহলে কি শুভকে প্রযোজক হিসেবে দেখা যাবে? শুভ বলেন, ‘দেখা যাক।’

দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ। অভিনয় করছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে। জীবনীভিত্তিক সিনেমাটির নাম বঙ্গবন্ধুনূর নামের একটি সিনেমার কাজ একদম শেষ পর্যায়ে।

তার অভিনীত ‌মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি মুক্তি পাবে ৩ ডিসেম্বর। রোববার সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে আরিফিন শুভকে দেখা গেছে নতুন ঘটনায় নতুন কাজের চ্যালেঞ্জ নিতে।

এ তিন সিনেমাসহ আরও কিছু বিষয়ে আরিফিন শুভ কথা বলেছেন মিশন এক্সট্রিম সিনেমার ট্রেলার প্রকাশের রোববারের অনুষ্ঠানে।

মিশন এক্সট্রিম সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে, কেমন লাগছে?

মিক্সড ফিলিংস বলা যেতে পারে। আমি হ্যাপি, এক্সাইটেড, নার্ভাস, হোপফুল সবকিছু।

ভালো সিনেমা নেই, প্রেক্ষাগৃহে দর্শক যাচ্ছে না। পরিস্থিতিটা কেমন মনে হচ্ছে আপনার। মিশন এক্সট্রিম তো বিগ বাজেটের সিনেমা।

৮৮ সালে যখন বন্যা হয়েছিল, সেই বন্যার পরেও সিনেমা হলে দর্শক গেছেন এবং দেখেছেন। এটা এই কারণে বললাম যে, দর্শক যার কাজ দেখতে ভালোবাসেন, যাদের ওপরে আস্থা আছে দর্শকদের, যাদের কাজে দর্শকরা মনে করেন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখলে ইন্টারেস্টিং স্টোরি পাওয়া যাবে, বিনোদিত হওয়া যাবে, তাদের কাজ দর্শকরা দেখতে যাবেন এবং মিশন এক্সট্রিম মানুষের সেই এক্সপেকটেশন পুরণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় আরিফিন শুভর সঙ্গে ঐশী। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমার প্রেক্ষাপটে জঙ্গিবাদ কতটা গুরুত্ব পেয়েছে? নাকি পুরোটাই?

আমাদের গল্পের ব্যাপ্তিটা অনেক বড়। যে কারণে সেটা আমরা একটা সিনেমাতে শেষ করতে পারিনি। সে কারণে এটা দুটো সিনেমা হয়েছে। গল্পটা সেকেন্ড পার্টে গিয়ে শেষ হয়। আবার আলাদাভাবে দুটি সিনেমাই পূর্ণাঙ্গ।

ব্যাপ্তিটা এত বড় বলেই ডিটেইল করে দেখাতে চেয়েছি যে গল্পটা জঙ্গিবাদ এবং সেটার সূত্রপাত এবং সেটার বিস্তার এবং সেটাকে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে দেশকে রক্ষা করছেন জঙ্গিবাদ থেকে, তার একটা বড়ভাবে ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করেছেন আমাদের পরিচালকরা।

বিদেশি সিনেমায় আন্তর্জাতিক চক্রের বিষয় উঠে আসতে দেখা যায়। দেশের সিনেমায় এমন ঘটনা তেমন একটা দেখা যায় না। মিশন এক্সট্রিমে তেমন কিছু আছে কি?

হ্যাঁ, মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় তেমন কিছু আছে। আমরা শুধু বাংলাদেশকে ইনভলব দেখাচ্ছি না। এই ষড়যন্ত্র বা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা অথবা এই যে জঙ্গিবাদ, এই বিষয়টাকে আমরা শুধু আমাদের দেশের পরিমণ্ডলে দেখাচ্ছি না। সেটা আমাদের দেশের সঙ্গে অন্য দেশের যে সম্পৃক্ততা, এই জঙ্গিবাদকে আরও লেলিয়ে দেয়ার জন্য অথবা আরও মদদ দেয়ার জন্য, সেই দিকটাও সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে।

মিশন এক্সট্রিম বাংলাদেশের সঙ্গে দেশের বাইরেও মুক্তি পাচ্ছে। তারা সিনেমাটা কীভাবে নেবে বলে মনে করেন?

আমি ব্যক্তিগতভাবে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় আমার সিনেমা প্রদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে তারা আমার প্রত্যেকটা সিনেমা খুব সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছে এবং আনন্দিত হয়েছে। আমাকে তারা উৎসাহ জুগিয়েছে। সেটা ছুঁয়ে দিলে মন বা ঢাকা অ্যাটাক

আশা করছি মিশন এক্সট্রিমেও সেই সাপোর্ট এবং ভালোবাসাটা পাব। কারণ এযাবৎকালে এত ব্যাপক ধরনের একটা বৃহৎ পরিসরে করা সিনেমা আমার এটাই প্রথম বঙ্গবন্ধু ছাড়া।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
বঙ্গবন্ধু সিনেমায় আরিফিন শুভ অভিনয় করছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চরিত্রে। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু সিনেমার আপডেট জানতে চাই। কী অবস্থায় আছে সিনেমাটি?

নভেম্বর-ডিসেম্বরে সিনেমাটির শেষ অংশের শুটিংটা হচ্ছে এবং আমরা আশা করছি যে বঙ্গবন্ধু সিনেমাটা আগামী বছর প্রথম কোয়ার্টারে গোটা পৃথিবীকে দেখাতে পারব।

সিনেমায় আপনি এক টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে শোনা যায়। কেন এক টাকা নিলেন?

পারিশ্রমিক নিচ্ছি না, এ কথা ঠিক না। এখানে আমার শ্রম-মেধা আছে আর আমি ফ্রি তে কাজ করি না। আমি এক টাকা নিচ্ছি।

বিদেশে গেলে আমাদের পাসপোর্টে যে দেশের নাম লেখা থাকে, সেই দেশটির স্বপ্ন যিনি দেখে গেছেন, যে দেশটি তিনি দিয়ে গেছেন, তার চরিত্রে অভিনয় করার চেয়ে বড় বিষয় তো আর শিল্পী হিসেবে, বাংলাদেশি হিসেবে একজন মানুষ হিসেবে থাকতে পারে না।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শারীরিক গড়নও পরিবর্তন করতে হয়। কীভাবে করেন?

আমার কোনো সিক্রেট নেই। আমাকে কাঙাল বলতে পারেন, আমি ভালোবাসার কাঙাল। সেই ভালোবাসার লোভে একেকবার একেক রূপ নেয়ার এক ধরনের প্রয়াস থাকে।

আমি আমার দর্শকদের উদ্দেশে একটা ছোট বার্তা দিতে চাই, প্রথমে মিশন এক্সট্রিম, তারপরে হয়তো বঙ্গবন্ধু, তারপরে নূর এবং তিনটি গল্পই একেবারেই তিন ধরনের এবং সেটার প্রমাণ আমি যে ফাঁকা আওয়াজ দিই না সেটার প্রমাণ আপনারা দ্রুত পেয়ে যাবেন।

মিশন এক্সট্রিম দিয়ে শুরু হচ্ছে, তারপর বঙ্গবন্ধু সিনেমার লুক যখন বের হবে, তখন আপনারা দেখবেন আপনাদের চোখের সামনে থাকবে সেটা। তারপর যখন নূর সিনেমার লুক প্রকাশ পাবে সেটাও দেখবেন।

নূর সিনেমার আপডেটটাও জানতে চাই।

নূর সিনেমার দৃশ্যধারণ শেষ হয়ে যাবে আর তিন দিন পরে। এটা প্রেমের গল্প।

সিনেমায় আপনি নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন। কেমন দায়িত্বটা?

খুবই কঠিন। তবে আমি অনেক কিছু শিখলাম, যেটা আমার নিজের প্রোডাকশনে আমাকে সহায়তা করবে। আমার নিজস্ব প্রোডাকশন, যেখানে আমার ভাবনাগুলো তুলে ধরব, সেটার জন্য এটা একটা স্কুলিং হিসেবে কাজ করবে।

আমার প্রোডাকশন হাউসে ‘নূর’-এর অভিজ্ঞতা কাজে দেবে: শুভ
অভিনেতা আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

তাহলে কি আপনাকে প্রযোজক হিসেবে দেখা যাবে?

দেখা যাক।

নতুন কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন কি?

বঙ্গবন্ধু শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না। তবে বঙ্গবন্ধু সিনেমার শুটিংয়ের পর দেশের বাইরের একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন

কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

কাল আদালতে যাচ্ছেন পরীমনি

রোববার রাতে জন্মদিনে অতিথিদের সামনে বিমান বালা সাজে উপস্থিত হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে পরীমনি আদালতে হাজির হবেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা আছে ২৬ অক্টোবর।

রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় হাজিরা দিতে মঙ্গলবার আদালতে যাবেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি।

আদালতে যাওয়ার বিষয়টি সোমবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী।

সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে পরীমনি আদালতে হাজির হবেন বলে জানান তিনি।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ ঠিক করা আছে।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালত চার্জশিট গ্রহণের তারিখ ২৬ অক্টোবর ঠিক করে।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। গত ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর আবারও ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।

রিমান্ড শেষে গত ২১ আগস্ট ফের তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ চার্জশিট জমা দেয়া পর্যন্ত তাকে জামিন দেয়। পরদিন তিনি কারামুক্ত হন।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় চার্জশিট জমা দেন। চার্জশিটভুক্ত অপর দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো.কবীর।

চার্জশিট জমা দেয়ার পর গত ১০ অক্টোবর পরীমনি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

অভিনেত্রী পরীমনির জন্মদিন ছিল রোববার। এ দিনটি বরাবরই নানা আয়োজনে উদযাপন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন

‘হাবিবি’ গানে রানিবেশে নুসরাত ফারিয়া

‘হাবিবি’ গানে রানিবেশে নুসরাত ফারিয়া

নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান ‘হাবিবি’-এর পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

নূর নবীর কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন আবীদ কবীর। নুসরাত ফারিয়া জানিয়েছেন, গানটি প্রকাশ পাবে ২ নভেম্বর, এসভিএফ-এর ইউটিউব চ্যানেলে।

ধারণা দিয়ে রেখেছিলেন, জানিয়েছিলেন, তিনি কাজ করছেন। আর গত দুই দিন ধরে পোস্টের মাধ্যমে ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন কিছু একটা আসবে।

সেই খবরই পাওয়া গেল, সেই সঙ্গে দেখা গেল নতুন কাজের এক ঝলক। দেশের জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান হাবিবি আসছে। এটা এখন নিশ্চিত।

নুসরাত ফারিয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘হাবিবি’ শিরোনামের গানটির পোস্টার শেয়ার করেছেন। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, সিংহাসনে বসে আছেন তিনি। মাথায় ছোট আকারের মুকুট।

পোস্টারে ফারিয়ার পেছনে আরও দেখা যাচ্ছে রাজাদের মহলের মতো, বেশ কয়েকজন নারী নৃত্যের ভঙ্গি করে আছেন, আবার হাতিও দেখা যাচ্ছে।

পুরো পোস্টার দেখে মনে হচ্ছে, রানি হয়ে ধরা দেবেন নুসরাত ফারিয়া। ধারণাটি ঠিক বলে জানালেন ফারিয়া।

নিউজবাংলাকে বললেন, ‘হ্যাঁ, এখানে আমাকে রানির বেশে দেখা যাবে।’

জানালেন, মিউজিক ভিডিওটির শুটিং হয়েছিল অক্টোবরের মাঝামাঝিতে মুম্বাইয়ে। এটি পরিচালনা করেছেন ভারতীয় পরিচালক বাবা যাদব।

নূর নবীর কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন আবীদ কবীর। নুসরাত ফারিয়া জানিয়েছেন, গানটি প্রকাশ পাবে ২ নভেম্বর, এসভিএফ-এর ইউটিউব চ্যানেলে।

নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার প্রথম গান ‘পটাকা’ প্রকাশ পায় ২০১৮ সালে। দুই বছর পর প্রকাশ পায় ফারিয়ার দ্বিতীয় গান ‘আমি চাই থাকতে’।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

জন্মদিনে অতিথিদের সামনে বিমান বালা সাজে উপস্থিত হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

পরীমনি ককপিটে প্রথমবার দর্শন দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস ধ্বনিতে সবাই তাকে স্বাগত জানায়। পরীমনিও গানের ছন্দে নিজেকে মেলে ধরছিলেন। নিজেই সবার কাছে গিয়ে ভাগ করে নিচ্ছিলেন ভালোবাসা।

পরীমনির জন্মদিনের মূল মঞ্চটি বিমানের ককপিটের আদলে সাজানো হলেও মঞ্চের ওপরের লেখাটি প্রথমেই চোখে পড়ল। লাল রঙের ইংরেজি বর্ণ, তার মধ্যে লাইট বসানো। লেখা ‘ফ্লাই উইথ পরীমনি’ অর্থাৎ ‘পরীমনির সঙ্গে ওড়ো’।

সত্যি যেন উড়েছেন পরীমনির জন্মদিনের আমন্ত্রণে আসা অতিথিরা। আলোচিত এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কেক কেটে, নেচে-গেয়ে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তারা।

রোববার জন্মদিনের রাতে ককপিটে পরীমনি আসেন বিমান বালার বেশে। তবে এ বিমান বালা সবার চেনা সাজের নন। মাথায় টুপি, টুপি থেকে বের হয়ে আসা ওড়না, লাল শার্ট আর সাদা রঙের লুঙ্গির মতো দেখতে যেটি সেটি কাছা দেয়ার ঢংয়ে বাঁধা।

পরীমনি ককপিটে প্রথমবার দর্শন দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস ধ্বনিতে সবাই তাকে স্বাগত জানায়। পরীমনিও গানের ছন্দে নিজেকে মেলে ধরছিলেন। নিজেই সবার কাছে গিয়ে ভাগ করে নিচ্ছিলেন ভালোবাসা।

এরপর হয় কেক কাটা। বরাবরের মতো পরী তার নানুকে সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। মজা করতে গিয়ে কেকে থাকা ক্রিম মাখিয়ে দেন সাংবাদিক ও তার বন্ধুদের।

এরপর কিছুটা বিরতি...।

যেমন ছিল পরীমনির সঙ্গে ওড়ার রাত

ফিরে এসে শুরু হয় উপহার গ্রহণ। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, চলচ্চিত্র পরিচালক, সাংবাদিকরা পরীকে শুভেচ্ছা জানান, উপহার দেন এবং ছবি তোলেন। সঙ্গে চলতে থাকে খাবার পর্ব।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন গুণিন সিনেমার পুরো টিম অর্থাৎ পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম, অভিনেতা সাইফুল ইসলাম রাজ, মুস্তাফা মনোয়ার। পরী শেষ চমকটা দেন তাদের সঙ্গেই।

অভিনেতা সাইফুল ইসলাম রাজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনা উপহার দেন পরী। সেই পরিবেশনায় অংশ নেন পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমও।

পরিবেশনা শেষ হলে একাই নৃত্য পরিবেশন করেন পরীমনি। একক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় পরীর সাদা-লালের জন্মদিন।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন

পরীমনির জন্মদিনের থিম এবার ককপিট

পরীমনির জন্মদিনের থিম এবার ককপিট

পরীমনির জন্মদিনের উদযাপন মঞ্চ সাজানো হয়েছে বিমানের ককপিটের আদলে। ছবি: আলভী নাভিদ অর্ণব/ নিউজবাংলা

আয়োজনের সাজসজ্জা দেখে বোঝা গেল লাল-সাদা রংবিন্যাসের আসল কারণ। পরীমনির জন্মদিনের উদযাপন মঞ্চ সাজানো হয়েছে বিমানের ককপিটের আদলে, যার রং হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সাদা-লাল। সেখানে টুকরো কাগজে লেখা ‘ফ্লাই উইথ পরী’ অর্থাৎ ‘পরীর সঙ্গে ওড়ো’।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনির জন্মদিনের থিম কালার সাদা-লাল। সাদায় শুভ্রতা আর লালে শক্তি বোঝাতেই এমন রংবিন্যাস- এমনটাই মনে করছেন অনেকে। হয়তো চমক রাখতে পরীমনিও খোলাসা করছিলেন না সবকিছু।

আয়োজনের সাজসজ্জা দেখে বোঝা গেল লাল-সাদা রংবিন্যাসের আসল কারণ। পরীমনির জন্মদিনের উদযাপন মঞ্চ সাজানো হয়েছে উড়োজাহাজের ককপিটের আদলে, যার রং হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সাদা-লাল। সেখানে টুকরো কাগজে লেখা ‘ফ্লাই উইথ পরী’ অর্থাৎ ‘পরীর সঙ্গে ওড়ো’।

ককপিটের আদলে উদযাপন মঞ্চ করার কারণ পরীমনি না জানালেও আন্দাজ করা যায় সহজেই। এর জন্য মনে করতে হবে গত বছর পরীমনির জন্মদিনের একটি ঘটনা।

গত বছর পরীমনি তার জন্মদিনের থিম করেছিলেন ময়ূর। সেই আয়োজনে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে পরীমনি থিম নিয়ে বলার সময় পিকক বলতে গিয়ে ভুলবশত বলেছিলেন, ‘ককপিট’।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর শুরু হয় হাসি-ঠাট্টা। পরীমনির অসাবধানতায় তার ভুলটিকে নিয়ে সমালোচনা করেন অনেকে।

তখন জেদের বশেই হয়তো পরীমনি জানিয়েছিলেন, পরেরবার তার জন্মদিনের থিম হবে ককপিট। সেই কথা রাখলেন পরী।

অনেক ঝড়-ঝাপটার পর পরীমনির এবারের জন্মদিনটিকে ঘিরে বাড়তি আকর্ষণ ছিল ভক্ত-দর্শকদের মধ্যে। শুভ্র শক্তির প্রত্যয় নিয়ে নতুন করে শুরু করবেন পরী- এমনটাই আশা শুভাকাঙ্ক্ষীদের।

আরও পড়ুন:
পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

শেয়ার করুন