আমার কাছে সফলতা বলতে কিছু নাই: খায়রুল বাসার

আমার কাছে সফলতা বলতে কিছু নাই: খায়রুল বাসার

অভিনেতা খায়রুল বাসার। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি সফল কি না জানি না। আর সফল হওয়ার বিষয়টি আমার কাছে আপেক্ষিক। আমি একটা কাজ করি, সেটা ভালো করে করতে চাই। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অভিনয়টা করে যেতে চাই।’

ওয়েব ফিল্ম নেটওয়ার্কের বাইরে চাপা পড়ে থাকা এক শাশ্বত অনুভূতিকে যেন উসকে দিয়ে গেছে। বন্ধুত্বের চিরচেনা ক্ষেত্রগুলোকে যেন উর্বর করে দিয়ে গেছে নতুন করে।

যে চরিত্রগুলো দিয়ে নানা ঘটনার বর্ণনা করা হয়েছে, সেই চরিত্রগুলো যেন তরুণ দর্শকদের প্রতিনিধি হয়ে উঠেছে। নানা ক্ষেত্রে তাদের মতোই নিজেদের ভাবতে ভালোবাসছেন দর্শকরা।

মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ওয়েব কনটেন্টটিতে অভিনয় করেছেন তরুণ অভিনেতা খায়রুল বাসার।

কিছুদিন আগে নেটওয়ার্কের বাইরে কনটেন্টটির অভিনয়শিল্পী রাজ, তুষি ও জুনায়েদের সঙ্গে খায়রুল বাসারও আহত হন। তবে এখন তিনি ভালো আছেন, সুস্থ আছেন।

নেটওয়ার্কের বাইরে মুক্তি হওয়ার কিছুদিন পরেই এবং দুর্ঘটনার দুই দিন আগে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা হয় খায়রুল বাসারের।

  • আপনার অভিনীত নেটওয়ার্কের বাইরে কনটেন্টটি বেশ প্রশংসা পাচ্ছে। আপনি এর আগেও নানা কাজে প্রশংসা পেয়েছেন। এবারের ভালো কথাগুলো কি আপনার কাছে নতুন?

প্রতিটা কাজ তো নতুন। প্রতিটি কাজেই একটা প্রেম নিয়ে করতে যাই। ভাবতে থাকি চরিত্রটা কীভাবে সুন্দর করে তৈরি করা যায়। কীভাবে দৃশ্যায়ন করলে চরিত্রটি আরও ফুটে উঠবে। এ বিষয়গুলো বেশ চ্যালেঞ্জিং।

নতুন কাজ আমার কাছে নতুনের মতোই। আমি নতুন করে ফিল করি। প্রতিবার প্রেমে নতুন জনম যে রকম, অনেকটা সে রকম।

সেই দৃষ্টিকোণ থেকে যদি বলি, নেটওয়ার্কের বাইরে নিয়ে যে রকম সবাই মন্তব্য করছেন, ফিডব্যাক দিচ্ছেন, ইনবক্সে লিখছেন, এটা অন্য রকম একটা অনুভূতি। এটা একটা বন্ধুত্বের গল্প ছিল এবং এটা যে চমৎকারভাবে সবার আপন হয়ে উঠল, সেটা সত্যি খুব আনন্দের। সবাই খুব ভালো রিলেট করে নিচ্ছেন গল্পটা। সবাই ভালোবাসা জানাচ্ছেন, আমি সেই ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞ।

আমার কাছে সফলতা বলতে কিছু নাই: খায়রুল বাসার
অভিনেতা খায়রুল বাসার। ছবি: সংগৃহীত

  • আপনার নিজের একটা বন্ধুর সার্কেল রয়েছে নিশ্চয়ই। কনটেন্ট তো আমরা দেখলাম, কিন্তু যেটা দেখলাম না, সেটা হলো আপনার বন্ধু সত্তা। কেমন সেটা?

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে আমার প্রচুর বন্ধু ছিল। আমরা বন্ধুরা এখনও আছি। আমরা ট্যুরে যেতাম। ইদানীং যেটা হচ্ছে, নেটওয়ার্কের বাইরের ছবি আর আমাদের রিয়েল লাইফের ছবি দিয়ে অনেকে পোস্ট করছেন। সেটা দেখে নস্টালজিক হয়ে যাচ্ছি। আমরা এমনটাই করতাম।

নেটওয়ার্কের বাইরে কনটেন্টের স্ক্রিপ্টটা যখন পড়লাম, তখন মনে হয়েছে অবশ্যই আমার কাজটা করা উচিত। এখানে আমাদের সবার কম ইমোশন জড়িত।

  • ঝলমলে রুপালি জগতের হাতছানি, এই জগতের বন্ধুত্বকে ছাপিয়ে আপনার কি ক্যাম্পাসজীবনের বন্ধুত্বকে বেশি মনে পড়ে, নাকি রুপালি জগৎই ঠিক আছে?

আমাকে আমার ক্যাম্পাসজীবনের বন্ধুত্বটাই বেশি টানে। সেটাই বেশি পীড়া দেয়।

ক্যাম্পাসজীবনটা আমাদের অনেক কিছু শেখায়। একটা বিভাগে পড়লাম সেখান থেকেও শিখলাম। কিন্তু সেটা আসলে কিছু বিষয়ে ধারণা দিল। কিন্তু আমাদের শেখার পুরো পরিবেশটা হলো ওই ক্যাম্পাসটা।

সেখানে কত মানুষ কত রকম বিষয় নিয়ে কথা বলছে, কাজ করছে। এই বলয়টা আমাদের অনেক কিছু শেখায়। ওই বিষয়টা মিস করি।

  • অনেকে বলেন শোবিজে বন্ধুত্ব হয় না। বন্ধু নিয়ে আমাদের যে ভাবনা, শোবিজে তেমন কিছু দেখা যায় না। আপনি তো শোবিজের বাসিন্দা। কেমন এখানকার বন্ধুত্ব?

এখানে বন্ধুত্বের ব্যাপারটা অন্য রকমই হওয়ার কথা। আমার তো মনে হয় আমরা এখানে কলিগ বা সহকর্মী। আমরা একে অপরের প্রতি আন্তরিক। এখানে আমরা সবাই আসি কাজ করি। এখানে যে বন্ধুত্বটা পরিচর্যা করা হয় তা না।

বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে এমন হতে পারে যে, কথা বলতে গেলেই ওই বন্ধুকে লাগে। কিংবা আমি যাচ্ছি একদিকে, আমার আরেক বন্ধু যাচ্ছে আরেক দিকে। হঠাৎ করে দেখা হয়ে গেল এবং আমরা আমাদের লক্ষ্য ভুলে অন্য কোনো দিক চলে গেলাম অন্য কোনো আলোচনা নিয়ে।

কিন্তু শোবিজে বা পেশাগত জীবনে বিষয়টি তো আর এমন না। তাই ডিপার্টমেন্টের বন্ধু আর শোবিজের বন্ধু বিষয়টি মেলালে চলবে না।

আমার কাছে সফলতা বলতে কিছু নাই: খায়রুল বাসার
অভিনেতা খায়রুল বাসার। ছবি: সংগৃহীত

  • নেটওয়ার্কের বাইরে মুন্না চরিত্রটিকে আমরা একটু গান গাইতে শুনি। গান নিয়ে তার প্যাশন আছে। আসল জীবনেও কি আপনি কখনও গান করেন বা করেছেন?

আমার পড়াশোনা মিউজিক ডিপার্টমেন্টে। সেই সুবাদে গান তো করাই হয়েছে বা একটা চর্চায় ছিল। কিন্তু কোর্স সিস্টেমে মিউজিক বিষয়টা সম্ভব না বলে আমার মনে হয়। সংগীত নিয়ে আমার আলাদা ভালোবাসা আছে।

  • গান নিয়ে পড়েছেন, সেটা নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা আছে কি?

গান গাওয়া হয়, গাওয়া হবে। গান ছাড়া আসলে খুব অস্বস্তি লাগে। গানটা করা হবে। আরও ভালো করে শিখতে চাই। প্রফেশনালি করব কি না জানি না। তবে ঘরের কোনায় বসে গান করব নিজের স্বস্তির জন্য, এটুকু জানি। সেটা যদি মানুষের কাছে পৌঁছায়, তাহলে ভালো। না হলেও কোনো অসুবিধা নাই।

  • আপনার কাজ অধিকাংশ জায়গাতেই নন্দিত হয়েছে। তারপরও, সমালোচনাহীন একটা ক্যারিয়ার কেমন লাগে?

প্রথমত নিন্দিত হতে চাই না। আর সমালোচনা হচ্ছে না তা না। আমি তো সব রকমের চরিত্র করতে চাই। কিন্তু আমাদের এখানে তো খুব অন্য রকম কাজ হচ্ছে, তা না। প্রেমের গল্প অনেক হচ্ছে, পার্থক্য খুবই কম।

এখন অনেকের মনে হতে পারে আমার চরিত্র একঘেয়ে লাগছে। আমি নিজেকে নিজের সমালোচনায় রাখতে বেশি পছন্দ করি। মাঝে মাঝে তো নিজেরই একঘেয়ে লাগে। মনে হয় এই রকম চরিত্র আর না।

আমার কাছে সফলতা বলতে কিছু নাই: খায়রুল বাসার
অভিনেতা খায়রুল বাসার। ছবি: সংগৃহীত

  • মহানগর ওয়েব সিরিজে আপনি প্রশংসিত হয়েছেন, নেটওয়ার্কের বাইরেও হলেন, নিজেকে লাকি মনে করেন?

প্রত্যেকটা মানুষই লাকি, আমার মনে হয়। আমরা এ পৃথিবীতে আসতে পেরেছি এটাই অনেক বড় বিষয়। তবে চেষ্টাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যার চয়েস যেটা তিনি সেদিকেই যাবেন।

কেউ আমাকে কাজে নিচ্ছে আমার আগের কাজ দেখে। আমি কারও কাজ করছি গল্পটা পছন্দ হচ্ছে কি না তার ওপর নির্ভর করে। এটা নির্ধারণ করে নিতে হয় এবং আমি মনে করি শুরু থেকে এ জায়গায় বেশ শক্ত ছিলাম।

  • আপনাকে এখন পর্যন্ত সবাই সফল বলছেন। অন্তত স্ক্রিনে তাই মনে হয়। কিন্তু সফলতার পেছনে বিফল হওয়ার একাধিক গল্প কি আপনার আছে?

আমি সফল কি না জানি না। আর সফল হওয়ার বিষয়টি আমার কাছে আপেক্ষিক। আমি একটা কাজ করি, সেটা ভালো করে করতে চাই। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অভিনয়টা করে যেতে চাই।

আমার কাছে সফলতা বলতে কিছু নাই। আমার কাছে মনে হয় যে, আমরা কাজ করে যাব, কাজ করে যাব এবং কাজ করে যাব। প্রত্যেক দিন নতুন নতুন কিছু করব।

আর ব্যর্থতাকে আমি ব্যর্থতা বলব না, এটাকে আমি অভিজ্ঞতা হিসেবে মূল্যায়ন করি। আমার কিছু অভিজ্ঞতা ছিল, নিশ্চয়ই ছিল। সেগুলোই কাজে লাগছে। ভাবতে পারছি।

  • আপনি নিজেও বলছেন যে, বেছেই কাজ করেন। তারপরও কাজ বাছার ক্ষেত্রে আরও নজর দেবেন কি না? দর্শকের প্রত্যাশার চাপ অনুভব করেন কি না?

মানুষের ভালোবাসার চাপ রক্ষা করার একটা চাপ আমি অনুভব করি। অনেকে এসে যখন বলেন যে, আপনার কাজ ভালো লাগে, তখন ভাবি, এই মানুষটি যেন আমার কাজে হতাশ না হয়। আমি খুব নগণ্য একজন মানুষ।

আর কাজ বাছার ক্ষেত্রে আরেকটু নজর দেয়া উচিত। এখন প্রচুর কাজের অফার পাচ্ছি।

অনেক কাজই হয় যেটা মানা করতে পারি না, কিন্তু করতেও চাই না। তেমন কাজ যেন না করতে হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে নিজেকেই। সেই ধরনের কাজ না করার চেয়ে বসে থাকা ভালো।

  • আপনি এখন যেমন অবস্থাতেই আছেন না কেন, সেই অবস্থানের স্ট্রাগলটা কী এবং কার সঙ্গে?

এখনকার স্ট্রাগল আমার নিজের সঙ্গে। ধরেন আমার আগামী এক বছর কাজ নেই, প্যারা নাই, আবার হবে বা পরে হবে। কিন্তু কোনো কাজ, কোনো অভিনয় কাল-পরশুই করতে হবে, এমন দরকার নাই।

কেন অভিনয় করি সেটা জানা দরকার। কেন আমি অভিনয় করতে চাই, সেটা বোঝা দরকার। সেটা আমি জানি।

আমি নিজেকে সমালোচনায় রাখি। আমার আরও স্ট্রং হওয়া উচিত, জানা উচিত। আমি আমার কিছু সীমাবদ্ধতার কথা জানি। সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। এগুলোই এখন স্ট্রাগল।

আরও কিছু বিষয় আছে সেগুলোকে বলব না সংগ্রাম। কারণ ওই বিষয়গুলো না থাকলে আসলে জীবনটা জীবনের মতো হতো না।

আমার কাছে সফলতা বলতে কিছু নাই: খায়রুল বাসার
অভিনেতা খায়রুল বাসার। ছবি: সংগৃহীত

  • কোন কোন কাজে যুক্ত হলেন? জানাবেন কি?

নাটকের কাজ বেশি আসছে, ওয়েব ফিল্ম ও সিরিজের কথা হচ্ছে। ওয়েবের দুটি কাজে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। সেগুলো শিগগিরই জানা যাবে। এখন বলতে পারছি না।

  • গল্প বলতে চান; সেটা অভিনয়ে না পরিচালনায়?

অভিনয় আর চরিত্রের মাধ্যমেই গল্প বলতে চাই। তবে হ্যাঁ, দীর্ঘদিন ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছি, পরিচালনা করার ইচ্ছা আছে, তবে তার জন্য আরও অনেক সময় লাগবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

লেক্সি লুনা নামের পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে মহাকাশে বিশেষ ভিডিওটির জন্য। ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা যখন চলছে তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ড্রাস্ট্রিও সেখানে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে। লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য।

মহাকাশ এক বিষ্ময়। এখানে কী আছে, তা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গবেষণার জন্য কিছু মানুষ যান, থাকেন। তবে সেই জীবন নির্ভর করে গাণিতিক সমীকরণের ওপর। বিশ্ববাসীর তাই জায়গাটি নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই।

মহাকাশের নানা দৃশ্য দর্শকরা দেখেছেন বিদেশি সিনেমায়। তবে তার সবটুকুই গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশনে করা বা সেট তৈরি করে নির্মিত। স্পেসে গিয়ে দৃশ্যধারণের ঘটনা এখনও ঘটেনি মানব ইতিহাসে। আর এমন প্রতিকূল পরিবেশে দৃশ্যধারণ সম্ভব কী না তা নিয়েও ছিল না কোনো ধারণা।

তা ছাড়া যেখানে মহাকাশ নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণাই অনেক সময় ও অর্থের ব্যাপার সেখানে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণ তো অকল্পনীয়।

তবে দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলে কিছু অগ্রগতি এসেছে মহাকাশে নানা রকম কাজের ব্যাপারে। তাই এখন বিপুল অর্থের বিনিময়ে হলেও দর্শকদের আরও রোমাঞ্চিত করতে ও নতুন দৃশ্য দেখানোর কথা ভাবছেন কেউ কেউ।

এই যেমন টম ক্রুজকে নিয়ে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণের ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২০ সালের মে মাসে এমন কাজ করার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে নাসা। স্পেস স্টেশনের বাইরে সেই শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে সেটি বাস্তবায়ন হয়েছে কী না তা এখনও নিশ্চিত করেনি নাসা বা আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যম।

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
পর্নোগ্রাফি ইন্ড্রাস্ট্রি মহাকাশে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

চলতি মাসেই মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অক্টোবর মাসেই মহাকাশে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার দৃশ্যধারণ করবে দেশটি। এর জন্য একজন পরিচালক ও অভিনেত্রী যাবেন মহাকাশে। সিনেমার নাম ‘দ্য চ্যালেঞ্জার।’

সিনেমার জন্য এসব পরিকল্পনা যখন চলছে তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ড্রাস্ট্রিও মহাকাশে পর্নোগ্রাফি দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এর এ উদ্যোগ। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট।

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য। এরইমধ্যে লেক্সির জন্য টিকিটের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে।

যে সংস্থাটি লেক্সিকে পাঠাচ্ছে সেই সংস্থার রব কেমিনোফি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে যখন মহাকাশে যাওয়ার বিকল্প রাস্তা তৈরি হয়েছে। আমরাও চাই মহাকাশে যেতে। এর জন্য আমরা লেক্সি লুনাকে সেখানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

শেয়ার করুন

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

পরীমনি বলেন, ‘সেলিম ভাই শুধু আমাকে না, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে এমনভাবে বিশ্বাস করে, সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা ও বিশ্বাস আমাদেরও আছে।’

শুটিংয়ে ফিরছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে শুটিংয়ে অংশ নেয়ার কথা আছে তার। মামলা, কারাভোগের সব মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা মাড়িয়ে চিরচেনা লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের জগতে ফিরতে যাচ্ছেন তিনি।

নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের গুনিন ওয়েব ফিল্মটি হতে যাচ্ছে বিরতির পর পরীমনির প্রথম কাজ। এতে তিনি অভিনয় করবেন রাবেয়া চরিত্রে। চরিত্রটি তৈরি করেছেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। তার উপন্যাস ‘গুনিন’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি।

সেলিমের পরিচালনায় ওয়েব ফিল্ম প্রীতি তে প্রীতি, স্বপ্নজাল এ শুভ্রা হওয়ার পর এবার সেলিমের নির্দেশনায় পরীমনি হতে যাচ্ছেন রাবেয়া।

এ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘আমার কাজে ফেরা হচ্ছে গুনিন দিয়ে। সেলিম ভাইয়ের কাজের ক্ষেত্রে আমার কাছে যেটি গুরুত্বপূর্ণ সেটা শুধুই সেলিম ভাই। মানে, আমি সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
মুখোশ সিনেমার ডাবিংয়ে পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

‘সেলিম ভাই শুধু আমাকে না, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে এমনভাবে বিশ্বাস করে, সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা ও বিশ্বাস আমাদেরও আছে।’

স্বপ্নজালের শুভ্রা তকমাটি খুলে গুনিন এর রাবেয়া কি পারবে পরীমনিকের জাপটে ধরতে, জানতে চাইলে পরী বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চরিত্র। এটা এখনই বলা যাবে না। বলে দিলে সেলিম ভাই আমাকে মারবে।’

গুনিন ছাড়াও পরীমনি যুক্ত আছেন বায়োপিক নামের একটি সিনেমায়। যেখানে পরীমনির বিপরীতে অভিনয় করবেন সিয়াম আহমেদ। আর পরিচালনা করবেন সঞ্জয় সমদ্দার। এটির শুটিং অক্টোবরে শুরু হবার কথা শোনা গিয়েছিল।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
নিজের বাসায় পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

তবে পরীমনি এটি নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। তিনি বলেন, ‘বায়োপিকের জন্য ছয় মাস তো চলেই গেল সাইন ও প্রিপারেশন মিলিয়ে। আরেকটু সময় লাগবে।’

পরীমনি এও জানান, আগামীতে আর কী কী কাজ রয়েছে এবং তিনি কোন শুটিং করতে যাচ্ছেন তা ধীরে ধীর সবই জানাবেন তিনি।

প্রীতিলতা সিনেমায় প্রীতিলতা চরিত্রে অভিনয় করছেন পরীমনি। রাশিদ পলাশের পরিচালনায় ২৮ অক্টোবর থেকে সিনেমার শুটিং শুরু হতে যাচ্চে। সিনেমাটি নিয়ে শুক্রবার এফডিসিতে মিট দ্য প্রীতিলতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টিম প্রীতিলতা।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটিতে পরীমনি প্রীতিলতা চরিত্রটি কতটুকু ফুটিয়ে তুলতে পারবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখন তো কেউ কেউ সংবাদে স্বপ্নজাল খ্যাত বা রক্ত খ্যাত অভিনেত্রী বলে। অনেক সময় ভালোবাসা সীমিহীন খ্যাত নায়িকা হিসেবে ধরা হয় বা পরিচয় করিয়ে দেয়। একেকটা অ্যাচিভমেন্ট থাকে না জীবনে, হতে পারে প্রীতিলতা নতুন একটা অ্যাচিভমেন্ট।’

শেয়ার করুন

সত্যিকারের ‘জেমস বন্ড’ হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ

সত্যিকারের ‘জেমস বন্ড’ হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ

ডেনিয়েল ক্রেগ

যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর প্রধান র‌্যাডাকিন জানান, সত্যিকারের বন্ডের মতই দেশকে নিরাপদ রাখতে রাজকীয় বাহিনীর নৌ কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অভিযানে অংশ নেন। প্রযুক্তি আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বন্ডের মতোই অপ্রতিরোধ্য।

জেমস বন্ড হয়ে রূপালী পর্দা কাঁপাচ্ছেন ডেনিয়েল ক্রেগ। এবার যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা হয়ে সত্যিকারের বন্ডের বেশে আবির্ভূত হলেন জিরো জিরো সেভেন খ্যাত এই তারকা।

সিনেমার পর্দায় বিশ্বখ্যাত ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রটিও একজন ব্রিটিশ নৌবাহিনী কমান্ডরের। বিশ্বজুড়ে একের পর এক অভিযানের মধ্য দিয়ে ব্রিটেনকে নিরাপদ রাখাই তার লক্ষ্য।

গত ১৫ বছর ধরে পর্দার জেমস বন্ড হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ডেনিয়েল ক্রেগও রাজকীয় নৌবাহিনীতে কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এক বিবৃতিতে ক্রেগের নিয়োগ প্রসঙ্গে রাজকীয় বাহিনীর প্রধান এডমিরাল স্যার টনি র‌্যাডাকিন বলেছেন, ‘সম্মানিত কমান্ডার ডেনিয়েল ক্রেগকে স্বাগত জানিয়ে আমি আনন্দিত।’

র‌্যাডাকিন জানান, সত্যিকারের বন্ডের মতই দেশকে নিরাপদ রাখতে রাজকীয় বাহিনীর নৌ কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অভিযানে অংশ নেন। প্রযুক্তি আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বন্ডের মতোই অপ্রতিরোধ্য।

বিবৃতিতে জানানো হয়, কমান্ডার পদবি গ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্মানের দিক থেকে রাজকীয় নৌবাহিনী পরিবারে ডেনিয়েল ক্রেগ এখন সপ্তম সর্বোচ্চ ব্যাক্তিত্ব।

সম্প্রতি জেমস বন্ড সিরিজের ‘নো টাইম টু ডাই’ সিজনে অংশ নিয়ে রূপালী পর্দায় পঞ্চমবারের মত বন্ড হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ। এই সিনেমাটিতে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর নতুন কিছু প্রযুক্তিকে হাজির করা হয়েছে পৃথিবীর সামনে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘নো টাইম টু ডাই’ সিনেমাটিতে তাদের ৪৫ এয়ার ডিফেন্সের এইচএমএস ড্রাগন নামে একটি নতুন ডেস্ট্রয়ারকে হাজির করা হয়েছে। ৮ হাজার টন ওজন এবং ১৫২ মিটার দীর্ঘ এই যুদ্ধজাহাজটিতে বিশ্বের আধুনিকতম বিভিন্ন প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। গত জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সামরিক মহড়ায় অগ্রসরমান একটি মিসাইলকে লাখ লাখ টুকরোয় ছিন্ন ভিন্ন করে দিয়েছে এই জাহাজের নিরাপত্তা প্রযুক্তি।

নতুন নিয়োগের মধ্য দিয়ে অবৈতনিক কর্মকর্তা হলেও ডেনিয়েল ক্রেগ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজকীয় নৌ বাহিনীর প্রধান র‌্যাডাকিন বলেন, ‘আমাদের সম্মিানিত অবৈতনিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা পালন ছাড়াও এই বাহিনীর শক্তিমত্তাকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন।’

শেয়ার করুন

তিন মহাদেশে একসঙ্গে মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’

তিন মহাদেশে একসঙ্গে মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’

মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

মিশন এক্সট্রিম এর অন্যতম পরিচালক, প্রযোজক ও লেখক সানী সানোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ ডিসেম্বর ২০২১ বিশ্বব্যাপী মুক্তির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘দেশের আগেই বিদেশে বুকিং শুরু হওয়াতে আমরা বেশ খুব আনন্দিত। তবে, দেশ-বিদেশে ডিস্ট্রিবিউশনের পাশাপাশি আমরা মিশন এক্সট্রিম এর প্রচারণার কাজ ফের ব্যাপক আয়োজনে শুরু করতে যাচ্ছি।’

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশসহ বিশ্বের তিনটি মহাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত এবং প্রতীক্ষিত পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা মিশন এক্সট্রিম

ঢাকার দর্শকদের সঙ্গে একই সময়ে নিউইয়র্ক, সিডনি এবং অকল্যান্ডের প্রেক্ষাগৃহেও সিনেমাটি দেখতে পাবেন দর্শকরা। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ছাড়া আরও ১১টি দেশে সিনেমাটি মুক্তির বিষয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে প্রযোজনা সংস্থা কপ ক্রিয়েশন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বায়েস্কোপ ফিল্মস এর কর্ণধার রাজ হামিদ বলেন, ‘হলিউডের বিখ্যাত সব সিনেমাগুলোর মতো নিউইয়র্কে মিশন এক্সট্রিম এর প্রিমিয়ার শো হবে ৩ ডিসেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিটে। জ্যামাইকা মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমা কমপ্লেক্সে ৩ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ২৭টি শো চূড়ান্ত করা হয়েছে। আমরা এই সিনেমাটি দিয়ে কোভিড পরবর্তী পৃথিবীতে সবাইকে স্বাগত জানাতে চাই। মুক্তির খবর শুনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরাও খুব আনন্দিত।’

বায়েস্কোপ ফিল্মস এর আরেক কর্ণধার নউশাবা রশিদ বলেন, ‘৩ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক ছাড়াও লস এঞ্জেলেস, সানফ্রানসিসকো, মিয়ামীর অদূরে ওয়েস্ট পামবীচে সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে মুক্তি পাবে ডালাস, অস্টিন, হিউস্টন, ভার্জিনিয়ার কয়েকটি সিটি, ডিসি, বোস্টন, নিউজার্সি, এটলান্টা, ফিনিক্স, সিয়াটল, পোর্টল্যান্ড, ডেট্রয়েট, সাক্রোমেন্টো, রিভারসাইড এবং প্রথমবারের মতো নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যালবানি ও অ্যালাবামার হান্টসভিল এ। মিশন এক্সট্রিম এর প্রতি যুক্তরাষ্ট্র দর্শকদের প্রবল আকাঙ্ক্ষা বিবেচনা করে এতটা ব্যাপকভাবে মুক্তির আয়োজন করেছি। আশা করি সিনেমাটি এখানকার দর্শক হৃদয় জয় করে নিতে সামর্থ্য হবে।’

এদিকে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বঙ্গজ ফিল্মস এর কর্ণধার তানিম মান্নান বলেন, ‘প্রবাসে বাংলা সিনেমা নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা বরাবরই রুচিশীল সিনেমার সঙ্গে থাকার চেষ্টা করি। আমাদের প্রচেষ্টার মূলে থাকে প্রবাসী দর্শকরা যেন তাদের মূল্যবান সময় এবং অর্থের বিনিময়ে কোনোভাবেই সিনেমা হলে এসে হতাশ না হন। আমাদের ভীষণ জনপ্রিয় আয়োজনের মধ্যে ঢাকা অ্যাটাক অন্যতম এবং আমি বিশ্বাস করি মিশন এক্সট্রিম আমাদের দর্শকদের তার থেকেও বেশি বিনোদিত করবে।’

বঙ্গজ ফিল্মের সাফিন আজম জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, ক্যানভেরা, পার্থ, মেলবোর্নসহ আরও বেশ কয়েকটি শহরে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে, সে সঙ্গে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডসহ অন্যান্য শহরে। সে লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে বঙ্গজ ফিল্মস অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অগ্রিম টিকেট বিক্রয় শুরু করতে যাচ্ছে। টিকেট কেনা যাবে www.bongozfilms.com ওয়েবসাইট থেকে।

এর আগে মিশন এক্সট্রিম এর অন্যতম পরিচালক, প্রযোজক ও লেখক সানী সানোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ ডিসেম্বর ২০২১ বিশ্বব্যাপী মুক্তির ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘দেশের আগেই বিদেশে বুকিং শুরু হওয়াতে আমরা বেশ খুব আনন্দিত। তবে, দেশ-বিদেশে ডিস্ট্রিবিউশনের পাশাপাশি আমরা মিশন এক্সট্রিম এর প্রচারণার কাজ ফের ব্যাপক আয়োজনে শুরু করতে যাচ্ছি।’

অচিরেই সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী মুক্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানায় সিনেমাটির অপর পরিচালক ফয়সাল আহমেদ।

মিশন এক্সট্রিম এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন আরিফিন শুভ তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা, সুমীত সেনগুপ্ত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, মনোজ প্রামাণিক, ইরেশ জাকের, মাজনুন মিজান, সুদীপ বিশ্বাস, সৈয়দ আরেফ, রাশেদ খান অপু, দীপু ইমাম, এহসানুর রহমান, ইমরান শওদাগর।

মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)-এর কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার সানী সানোয়ার। সিনেমাটির সহযোগী প্রযোজক হিসেবে রয়েছে মাইম মাল্টিমিডিয়া ও ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাব।

মিশন এক্সট্রিম ও মিশন এক্সট্রিম-২ এর মধ্যে প্রথম পর্ব মুক্তি পেতে যাচ্ছে ৩ ডিসেম্বর। পরবর্তীতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় খণ্ড মুক্তি দেয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

সিনেমায় সম্পূর্ণ নতুন মুখ চাইছেন নুহাশ

সিনেমায় সম্পূর্ণ নতুন মুখ চাইছেন নুহাশ

নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন, মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার পোস্টার ও শিল্পী সংগ্রহের বিজ্ঞাপন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

বিজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, ১৭-২৮ বছর বয়সী নারী-পুরুষ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাদের অবশ্যই বাংলা ও ইংরেজিতে সাবলীল হতে হবে এবং এটা আবশ্যিক।

সবাই তো সিনেমায় অভিনয় করানোর জন্য কিছুটা হলেও অভিনয়ে অভিজ্ঞতা চায়। কিন্তু নুহাশের সিনেমার জন্য হলো একটু অন্য রকম।

নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা মুভিং বাংলাদেশ। সিনেমার প্রধান চরিত্রের জন্য অভিনয়শিল্পী খুঁজতে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন এই পরিচালক।

বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘আবেদনের জন্য অভিনয়ের অভিজ্ঞতা দরকার নেই। সত্যি বলতে, অভিনয়শিল্পী নন এমন নারী-পুরুষ প্রয়োজন।’

বিজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, ১৭-২৮ বছর বয়সী নারী-পুরুষ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাদের অবশ্যই বাংলা ও ইংরেজিতে সাবলীল হতে হবে এবং এটা আবশ্যিক।

এখান থেকে চূড়ান্তরাই মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে বিজ্ঞাপনে।

মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার অন্যতম প্রযোজক গুপী-বাঘা প্রোডাকশনের আরিফ রহমান। তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে।

আগ্রহীরা বাংলা ও ইংরেজিতে পছন্দের একটি মনোলগ সর্বোচ্চ ২ মিনিট রেকর্ড করে, ফোন নম্বর, ছবিসহ একটি ফোল্ডার করে গুগল ড্রাইভে আপ করে সেই লিংকটি [email protected] এই ই-মেইলে পাঠাতে পারবেন।

প্রযোজক আরিফ রহমান বলেন, ‘এখান থেকে বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পীকে চূড়ান্ত করব। এটি মূলত একটি স্টার্ট আপের গল্প। এখানে একটি দলগত ব্যাপার রয়েছে। আর বাকি অভিনয়শিল্পীদের আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে চূড়ান্ত করব।’

সিনেমার শুটিং আগামী বছর শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানান আরিফ রহমান।

মুভিং বাংলাদেশ সিনেমাটি এরই মধ্যে লোকার্নো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ওপেন ডোর্স স্ক্রিন রাইটিং ল্যাব, কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মার্শে দ্যু ফিল্মস গ্লোবাল মিডিয়া মার্কেট ফিল্ম, ইনডিপেনডেন্ট ঢাকা ওয়ার্কশপ ফিল্ম বাজার ইন্ডিয়া, টোকিও গ্যাপ ফাইন্যান্সিং মার্কেট, সানড্যান্স স্ক্রিন রাইটিং ওয়ার্কশপে নির্বাচিত হয়েছে।

এসবের মাধ্যমে সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তৈরি হয়েছে অর্থপ্রাপ্তি ও ভ্যালু অ্যাডের সম্ভাবনা।

শেয়ার করুন

পরিবার ও ন্যায়বিচার থেকে কোনটি বেছে নেবেন মোশাররফ

পরিবার ও ন্যায়বিচার থেকে কোনটি বেছে নেবেন মোশাররফ

ব্রোকার চরিত্রে মোশাররফ করিম। ছবি: সংগৃহীত

এ প্রসঙ্গে হায়াত মাহমুদ বলেন, ‘গল্পটি যেখানে শুরু হয়, শেষ হয় একদম অন্য একটি প্রেক্ষাপটে গিয়ে। এই গল্পকে একটি সাইকোলজিক্যাল গল্প বলা যেতে পারে।’

দারুণ এক সমস্যায় অভিনেতা মোশাররফ করিম। সামনে তার পরিবার ও ন্যায়বিচার। এ দুটি বিষয় থেকে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে তার। কোনটি তিনি বেছে নেবেন তা দেখা যাবে ওয়েব কনটেন্ট দ্য ব্রোকার এ।

দ্য ব্রোকার ৪৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি ওয়েব কনটেন্ট। এটি মুক্তি পাবে জি-ফাইভ ওয়েব প্ল্যাটফর্মে। কনটেন্টটি পরিচালনা করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সপ্তাহ দুয়েক আগে কাজটি শেষ করেছি। এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষা। আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হবে।’

কনটেন্টে মোশাররফ করিম অভিনয় করেছেন একজন ব্রোকারের চরিত্রে। তবে এই ব্রোকার শেয়ারবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। এখানে মোশাররফ করিমকে দেখা যাবে বাসাবাড়ি পরিবর্তন থেকে শুরু করে এ বিষয়ক সব ধরনের কাজ করতে।

এ প্রসঙ্গে হায়াত মাহমুদ বলেন, ‘গল্পটি যেখানে শুরু হয়, শেষ হয় একদম অন্য একটি প্রেক্ষাপটে গিয়ে। এই গল্পকে একটি সাইকোলজিক্যাল গল্প বলা যেতে পারে।’

মোশাররফ করিম ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী অর্শাসহ অনেকে। জি-ফাইভে এর আর মোশাররফ করিমের আরও একটি কনটেন্ট দেখা গিয়েছিল। দ্য ব্রোকারের মাধ্যমে দ্বিতীয়বার মোশাররফের কনটেন্ট দেখা যাবে ওটিটিতে।

শেয়ার করুন

নিজের ভুবনে প্রত্যয়ী পরীমনি

নিজের ভুবনে প্রত্যয়ী পরীমনি

সংবাদ সম্মেলনে পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

প্রীতিলতা পরীমনির কাছে এক অনুভূতির নাম, যাকে নিয়ে ক্যামেরা আর মাইক্রোফোনের সামনে হুট করে এসে বলে ফেলা যায় না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানান নায়িকা।

শেষ কোরবানি ঈদের দিন এফডিসির খুব কাছাকাছি এসেছিলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। অনেক দিনের বিরতির পর শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের চেনা জগতে আবার আসেন তিনি।

নিজের অভিনীত সিনেমা প্রীতিলতা নিয়ে কথা বলতেই তার আগমন এফডিসিতে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ১ সেপ্টেম্বর কারামুক্তির পর প্রথমবার সংবাদমাধ্যমের সামনাসামনি এলেন পরীমনি।

না, কারাজীবন নিয়ে কিছু বলেননি। কথা বলেছেন প্রীতিলতা সিনেমা ও চরিত্র নিয়ে কিছু কথা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি।

প্রীতিলতা চরিত্রের জন্য পরীমনির প্রস্তুতি কেমন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রীতিলতা সিনেমা ও চরিত্র নিয়ে এখন কি আমার কিছু বলার কথা? প্রীতিলতাকে নিয়ে এখন আমার দেখানোর কথা। দুই বছর ধরে আমরা সিনেমাটি নিয়ে অপেক্ষা করছি। সবাইকে অনুরোধ করব পর্দায় প্রীতিলতাকে দেখতে।’

পরীমনি আরও বলেন, ‘আমার ওপরে এমন একটি চরিত্রের দায়িত্ব দেয়ার জন্য পরিচালক ও চিত্রনাট্যকারের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আমি সেই দায়িত্ব পালন করতে পারব এবং আমার বিশ্বাস অবশ্যই পারব।’

প্রীতিলতা পরীমনির কাছে এক অনুভূতির নাম, যাকে নিয়ে ক্যামেরা আর মাইক্রোফোনের সামনে হুট করে এসে বলে ফেলা যায় না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানান নায়িকা।

সিনেমাটির পরিচালক রাশিদ পলাশ জানান, ২৮ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হবে সিনেমার দৃশ্যধারণ।

ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতির দিন ছিল শুক্রবার। এ দিনেই সংবাদ সম্মেলেনের আয়োজন করেন সিনেমাটির পরিচালক রাশিদ পলাশ ও চিত্রনাট্যকার গোলাম রাব্বানীসহ প্রীতিলতা টিম।

পরিচালক জানান, সিনেমাটি নিয়ে অনেক দিন আগে থেকে কাজ শুরু হলেও কোনো অনুষ্ঠানে টিমের সবাই জড়ো হয়নি। সে কারণেই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।

এফডিসির মান্না ডিজিটাল কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শম্পা রেজাসহ সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন