বঙ্গবন্ধুকন্যার কাছে নিরাপত্তা চাইলেন পরীমনি

বঙ্গবন্ধুকন্যার কাছে নিরাপত্তা চাইলেন পরীমনি

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে পরীমনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘রাস্তায় মানুষগুলোও এত অনিরাপদ না। একবার একটু দেখেন না আমার দিকে, কি করে বেঁচে আছি।’

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। আর সেই ভয় থেকে তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সোমবার সন্ধ্যায় দেয়া এক পোস্টের মাধ্যমে সরকার প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন পরীমনি।তিনি লিখেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন!’

নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে পরীমনি পরের লাইনে লেখেন, ‘রাস্তায় মানুষগুলোও এত অনিরাপদ না। একবার একটু দেখেন না আমার দিকে, কি করে বেঁচে আছি।’

এর আগেও একবার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পরীমনি। ১৪ জুন রাতে সেই স্ট্যাটাসে তিনি জানিয়েছিলেন, বোট ক্লাবে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

গত ৪ আগস্ট রাতে পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাবের একটি দল। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, মদের বোতলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য জব্দের দাবি করে বাহিনীটি।

পরের দিন পরীমনিকে আটকের কারণ জানানোর পাশাপাশি বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করে র‌্যাব। ওই দিনই এই অভিনেত্রীকে আদালতে তোলা হলে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। পরে আরও দুই দফায় মোট তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি।

রিমান্ড শেষে পরীমনিকে রাখা হয় কাশিমপুর কারাগারে। ৩১ আগস্ট জামিন হয় পরীমনির। ১ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হয়ে বানানীর বাসায় ফেরেন তিনি। সেখানেই আছেন এখন।

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দিনার, মম, খিজিরদের নতুন মিশন

দিনার, মম, খিজিরদের নতুন মিশন

দিনার, মম, খিজিরদের নতুন মিশন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

সিনেমার নাম ওরা ৭ জন হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ৭ সংখ্যাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ মার্চ। আমার সিনেমাতে অনেক অভিনয়শিল্পী থাকলেও গল্পে ৭ জনের ভূমিকা বা সাত জনের মাধ্যমে গল্পটি এগিয়ে যাবে।’

নতুন এক মিশনে নামছেন ইন্তেখাব দিনার, জাকিয়া বারী মম, খিজির হায়াত খান। না, তারা এই তিন জনই শুধু নন, আরও আছেন।

তারা হলেন ইমতিয়াজ বর্ষণ, সাইফ খান, নাফিস আহমেদ, খালিদ মাহবুব তূর্য, শাহরিয়ার ফেরদৌস সজীব, শিবা শানু, তাসনিম তাসফি, জয় রাজ, হামিদুর রহমান।

এরা সবাই মিলে নামবেন একটি মিশনে। যার নাম ওরা ৭ জন। এটি মূলত একটি সিনেমা। তবে সিনেমার মধ্যেই অভিনয়শিল্পীদের একটি মিশন নিয়ে এগোতে দেখা যাবে।

ওরা ৭ জন নির্মাতা-অভিনেতা খিজির হায়াত খানের নতুন সিনেমা। এর প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধ। শুক্রবার রাতে পরিচালক অভিনয়শিল্পীদের নাম প্রকাশ করেছেন।

খিজির হায়াত খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দৃশ্যধারণে যাচ্ছি। নভেম্বর ফিরে আসব।’

সিনেমার দৃশ্যধারণ হবে সিলেট অঞ্চলে। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ৫ নম্বর সেক্টরে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা পরিচালক সিনেমায় তুলে আনতে চান বলে জানান।

দিনার, মম, খিজিরদের নতুন মিশন
ওরা ৭ জন সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত

খিজির হায়াত বলেন, ‘এটি কোনো একজনের গল্প না। এটা কয়েকজনের গল্প একসঙ্গে করে ফিকশন করা হয়েছে।’

তিনি এও জানান, সিনেমাটি সম্পূর্ণ ৭১ সালের গল্প হিসেবেই তুলে ধরা হবে। সেই সময়টা ফ্রেমে তুলে ধরতে হবে জন্য কর্মযজ্ঞ আরও বেশি।

সিনেমার নাম ওরা ৭ জন হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে খিজির হায়াত বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ৭ সংখ্যাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ মার্চ। আমার সিনেমাতে অনেক অভিনয়শিল্পী থাকলেও ৭ জনের ভূমিকা বা সাত জনের মাধ্যমে গল্পটি এগিয়ে যাবে।’

সিনেমায় চিকিৎসকের চরিত্রে দেখা যাবে ইন্তেখাব দিনারকে। মমর চরিত্রের নাম অর্পণা সেন। ইমতিয়াজ বর্ষণ আছেন সোলাইমান কাজীর চরিত্রে। সাব ইনস্পেক্টর শাফির চরিত্রে সাইফ খান, পাকিস্তানি মেজর শাহরিয়ারের চরিত্রে হামিদুর রহমান, নাফিস আহমেদের চরিত্রের নাম সুমিত। জয়রাজকে দেখা যাবে চেয়ারম্যান আওয়ালের ভূমিকায়।

শাহরিয়ার ফেরদৌস সজীব থাকছেন সার্জেন্ট মুক্তাদিরের ভূমিকায়। শিবা শানু অিভিনয় করবেন ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মোশাররফের চরিত্রে। তাসনিয়ার চরিতের নাম স্নিগ্ধা।

পরিচালনার পাশাপাশি মেজর লুৎফর চরিত্রে দেখা যাবে নির্মাতা খিজির হায়াত খানকে।

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন

‘গুনিন’-এ চূড়ান্ত পরীমনি

‘গুনিন’-এ চূড়ান্ত পরীমনি

গিয়াস উদ্দিন সেলিম গুনিন চলচ্চিত্রে যুক্ত হলেন অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। তিনি বলেন, ‘গুনিন-এর শুটিং শুরু হচ্ছে ১০ অক্টোবর থেকে।’

নতুন ওয়েব ফিল্মে যুক্ত হলেন পরীমনি। ওয়েব ফিল্মের নাম গুনিন। এটি পরিচালনা করছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। শুক্রবার রাতে পরীমনির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। তিনি বলেন, ‘গুনিন-এর শুটিং শুরু হচ্ছে ১০ অক্টোবর থেকে।’

পরীমনির নামে হওয়া মাদক মামলার হাজিরার তারিখ রয়েছে শুটিং শুরুর দিন ১০ অক্টোবর । হাজিরা শেষ করেই শুটিংয়ে অংশ নেবেন পরীমনি।

বোট ক্লাব বিতর্ক ও মাদক মামলায় কারাভোগের পর গুনিন-এর শুটিং দিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছেন পরীমনি।

কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের গল্প ‘গুনিন’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এই ওয়েব সিনেমাটি। এতে রাবেয়া চরিত্রে অভিনয় করবেন পরীমনি।

এতে অভিনয় করবেন ইরেশ যাকের, শরিফুল রাজ, মোস্তফা মনোয়ার, দিলারা জামানসহ অনেকে।

এর আগে গুনিন নিয়ে পরিচালক নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘এর একটা আর্কাইভাল ভ্যালু আছে। একসময় হয়তো গ্রামই পাওয়া যাবে না। এই কাজের মাধ্যমে গ্রামীণ প্রেক্ষাপট ও কিছু গল্প আমি ধারণ করে রাখতে চাই।

‘চিরন্তন গ্রামবাংলা নয় বরং চিরন্তন মানুষের গল্প আমি বলতে চাই। সেটাও গুনিন পছন্দ করার অন্যতম কারণ।’

এর আগে গুনিন-এ কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তবে সিডিউল মিলাতে পারছিলেন না বলে সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন

অমিতাভ বললেন, লিখিত অনুমতি ছিল

অমিতাভ বললেন, লিখিত অনুমতি ছিল

নির্মাতা অমিতাভ রেজা। ছবি: নিউজবাংলা

অমিতাভ রেজা বলেন, ‘পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস থেকে সিনেমা নির্মাণের লিখিত অনুমতি নিলেও সে সময় আমাদের কপিরাইট ভ্যালুর বাজেটিংটা করা হয়নি। এটা ভুল হয়েছে বলতে পারেন। সেসময়ই এটা নিয়ে কথা বলা উচিৎ ছিল।’

হুমায়ূন আহমেদের পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য পাওয়া অনুদানের অর্থ ফেরত দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতা অমিতাভ রেজা। তিনি চলচ্চিত্রটি বানাচ্ছেন না। কিন্তু চলচ্চিত্রটি নির্মাণ থেকে তিনি কেন সরে এলেন, এ নিয়ে আলোচনা এখনও থামছে না।

অমিতাভ রেজা জানিয়েছিলেন, উপন্যাসটি নিয়ে কাজ করার জন্য প্রয়াত লেখকের পরিবার থেকে যেসব শর্ত দেয়া হয়েছে, তা অনুসরণ করে চলচ্চিত্রটি সুষ্ঠুভাবে নির্মাণ সম্ভব হবে না বলে মনে হওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি তিনি মন্ত্রণালয়কেও আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন এবং অনুদানের অর্থ যা পেয়েছিলেন, সেটি ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

এমন ঘটনার ফলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের চলচ্চিত্রস্বত্ব ছাড়াই অমিতাভ রেজা অনুদান কমিটির কাছে প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন? লেখকের এরকম স্বত্ব বা লিখিত অনুমোদন ছাড়া অনুদান কমিটি কীভাবে সিনেমাটি অনুদান দিল?

অনুদানের প্রস্তাব জমা দেয়ার শর্তের ৯ (খ) ধারায় বলা আছে- ‘দেশি গল্প/কাহিনির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লেখক/সংস্থা/প্রকাশকের লিখিত সম্মতি/অনুমতি নিতে হবে। বিদেশি গল্প বা কাহিনির ক্ষেত্রে কপিরাইট আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট লেখক/সংস্থা/প্রকাশকের অনুমতি নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।’

এ সব বিষয়ে নির্মাতা অমিতাভ রেজার সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। বিষয়টি পরিষ্কার করতে তিনি বলেন, ‘লিখিত অনুমতি নিয়েই আমরা অনুদানের জন্য আবেদন করেছি।’

তিনি এও জানান, হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে কথা বলেই পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমা নির্মাণের লিখিত অনুমতি নেয়া হয়েছে।

তবে সে সময় উপন্যাসটির কপিরাইট ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানান অমিতাভ।

তিনি বলেন, ‘পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস থেকে সিনেমা নির্মাণের লিখিত অনুমতি নিলেও সে সময় আমাদের কপিরাইট ভ্যালুর বাজেটিংটা করা হয়নি। এটা ভুল হয়েছে বলতে পারেন। সে সময়ই এটা নিয়ে কথা বলা উচিৎ ছিল।’

অমিতাভ আরও বলেন, ‘আর অনুদান কমিটি কি এটা জানবে না যে, আমি একটি অ্যাডাপটেড চিত্রনাট্য জমা দিয়েছি এবং আমাকে অনুদান দিতে গেলে তার লিখিত অনুমতি লাগবে? এটা তো খুব স্বাভাবিক। আর সেই লিখিত অনুমতি ছিল বলেই আমাকে অনুদান দেয়া হয়েছিল।’

বিষয়টি নিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক জায়গায় দেখছি, এটাকে শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে বলা হচ্ছে। এটা কিন্তু কোনো শর্ত জুড়ে দেয়া হয়নি, এটা কপিরাইট ভ্যালু চাওয়া হয়েছে। এটা সবার কাছেই চাওয়া হয় এবং হবে। এই ভ্যালুটা তার (অমিতাভ রেজা) মনমতো হয়নি।’

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন

ক্যামেরার সামনে লেখক ইমন

ক্যামেরার সামনে লেখক ইমন

‘কাগজ’ সিনেমার দৃশ্য ধারণের সময় অভিনেতা ইমন। ছবি: সংগৃহীত

নিউজবাংলাকে ইমন বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে ঢাকাতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছি আমরা। তেজগাঁওয়ে একটা পত্রিকা অফিসে এর শুটিং শুরু হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা রাজশাহী যাব, সেখানেও শুট হবে সিনেমাটির।’  

গত জুলাইয়ে কাগজ নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন চিত্রনায়ক ইমন ও চিত্রনায়িকা আইরিন।

এর প্রায় দুই মাস পর গত বৃহস্পতিবার থেকে সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছেন এই তারকা জুটি।

এ তথ্য শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন ইমন।

তিনি বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে ঢাকাতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছি আমরা। তেজগাঁওয়ে একটা পত্রিকা অফিসে এর শুটিং শুরু হয়। আজ ভোর পর্যন্ত শুটিং হয়েছে। আগামীকাল থেকে আবার দৃশ্যধারণ হবে। এরপর কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা রাজশাহীর যাব, সেখানেও শুট হবে সিনেমাটির।’

কাগজ সিনেমা সম্পর্কে বিস্তারিত না বললেও গল্প সম্পর্কে হালকা ধারণা দিলেন ইমন।

তিনি জানান, একজন স্বনামধন্য লেখকের জীবনের নানা গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে এই সিনেমাটি। সেখানে সেই লেখকের চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। তার চরিত্রের নাম ইমন আহমেদ।

ক্যামেরার সামনে লেখক ইমন
‘কাগজ’ সিনেমার জুটি ইমন ও আইরিন। ছবি: সংগৃহীত

আর এতে মফস্বলের একজন শিক্ষিত মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন আইরিন। তার চরিত্রের নাম রেনু। মফস্বলের মেয়ে হলেও মানসিকভাবে অগ্রসর সেই রেনুর সঙ্গে এক ধরনের সম্পর্ক তৈরি হয় লেখক ইমন আহমেদের।

গীতিকার, সুরকার, প্রযোজক এবং নির্মাতা জুলফিকার জাহেদীর পরিচালনায় কাগজ-এ আরও অভিনয় করছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, মাইমুনা ফেরদৌস মম, এলিনা শাম্মী, ফারহান খান রিও, রিয়া বর্মণ, রফিক, শিশির আহমেদ, যুবরাজ বিন আবিদসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন

আর্থিক প্রতারণা মামলায় জ্যাকলিনকে আবার তলব

আর্থিক প্রতারণা মামলায় জ্যাকলিনকে আবার তলব

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

গত ৩০ আগস্ট দিল্লিতে জ্যাকলিনকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। রেকর্ড করা হয়েছিল তার বয়ান। সেই বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বান্ধবী অভিনেত্রী লীনা মারিয়া পলকে।

আর্থিক প্রতারণা মামলার তথ্য পেতে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে ফের তলব করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর, সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলার অন্যতম সাক্ষী হিসেবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট দিল্লিতে জ্যাকলিনকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। রেকর্ড করা হয়েছিল তার বয়ান। সেই বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বান্ধবী অভিনেত্রী লীনা মারিয়া পলকে। সুকেশ জেলে থাকাকালীন তিনিই এই প্রতারণা চক্র চালাতেন বলে অভিযোগ।

চেন্নাই নিবাসী সুকেশের বিরুদ্ধে মামলা করেন দিল্লির এক ব্যবসায়ী। তার অভিযোগ, এক বছরে তার থেকে ২০০ কোটি রুপি আত্মসাৎ করেছে সুকেশ।

আর্থিক প্রতারণা মামলায় জ্যাকলিনকে আবার তলব
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

সেই মামলাতেই জ্যাকলিনের সাক্ষ্য নেয় ইডি। জ্যাকুলিনও এই চক্রে পড়ে নিজের অনেক টাকা হারিয়েছেন। তার সাক্ষ্যের পরই এই তদন্তে আসে নতুন মোড়।

এদিকে শুক্রবারই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে জ্যাকলিন অভিনীত সিনেমা ভূত পুলিশ। এতে আরও আছেন সাইফ আলি খান, অর্জুন কাপুর ও ইয়ামি গৌতম।

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন

‘বলি’র জন্য ন্যাড়া হলেন চঞ্চল!

‘বলি’র জন্য ন্যাড়া হলেন চঞ্চল!

‘বলি’র জন্য ন্যাড়া হলেন চঞ্চল। ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টি নিয়ে জানতে চঞ্চলকে ফোন করা হলে তিনি কল কেটে দেন। ধারণা করা হচ্ছে, বলি নামের যে ওয়েব কনটেন্টটি নির্মাণ করছেন শংখ দাশগুপ্ত, সেই সিরিজের জন্যই এ লুক নিয়েছেন চঞ্চল।

চঞ্চল চৌধুরী পর্দায় বহুরূপী। তার প্রমাণ তিনি দিয়েছেন বহুবার। নাটক, সিনেমা ও কনটেন্টে তার ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র দেখে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক। সব রকম চরিত্রেই তিনি সাবলীল, বলেছেন দর্শকরা।

চরিত্রের প্রয়োজনে অনেক কিছুই করেন তিনি। এই যেমন এবার চরিত্রের প্রয়োজনে ন্যাড়া হলেন চঞ্চল চৌধুরী।

ন্যাড়া হওয়া ছবি নিজেই ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন চঞ্চল। কিন্তু কোন চরিত্রের জন্য ন্যাড়া হলেন, তার কিছুই জানাননি অভিনেতা।

ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘বলি???? না থাক… বলবো না…’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চঞ্চলকে ফোন করা হলে তিনি কল কেটে দেন। ধারণা করা হচ্ছে, বলি নামের যে ওয়েব কনটেন্টটি নির্মাণ করছেন শংখ দাশগুপ্ত, সেই সিরিজের জন্যই এ লুক নিয়েছেন চঞ্চল।

ভারতীয় ওয়েব প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের জন্য নির্মিত হচ্ছে ওয়েব সিরিজটি। শোনা যাচ্ছে এতে আরও অভিনয় করছেন সোহানা সাবা, সাফা কবীরসহ অনেকে। তবে এ নিয়ে কেউ মুখ খুলছেন না।

মুখ না খুললেও ফেসবুকে ঠিকই রহস্যময় পোস্ট দিয়ে তথ্য জানাতে চাচ্ছেন চঞ্চল চৌধুরী। ১৪ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে তিনিই পোস্ট করে জানান বলি ওয়েব সিরিজের কথা।

তিনি লিখেছিলেন, ‘হইচইয়ের নতুন ওয়েব সিরিজ বলি নির্মাণে ব্রতী হয়েছেন শংখ দাশগুপ্ত। ভিন্ন স্বাদের এই গল্প নির্মাণের জন্য আমরা সবাই এখন কুয়াকাটা। কাল থেকে শুটিং শুরু।’

দর্শকদের ভালো একটা ওয়েব সিরিজ উপহার দিতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে চঞ্চল লেখেন, ‘শংখর সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। শংখ মূলত পেশাদার বিজ্ঞাপন নির্মাতা। বলি টিমের সবাই আমরা আশাবাদী। আপনাদের জন্য ভালো একটা ওয়েব সিরিজ উপহার দিতে পারব।’

ভক্ত-দর্শকদের শুভ কামনা আশা করেছেন চঞ্চল। এটি ছাড়াও চঞ্চল জি-ফাইভের একটি দীর্ঘ ওয়েব সিরিয়ালে অভিনয় করছেন। সেটি পরিচালনা করছেন গোলাম সোহরাব দোদুল।

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন

পাইপলাইনে বিপুল সিনেমা

পাইপলাইনে বিপুল সিনেমা

পাইপলাইনে বিপুল সিনেমা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

সিনেমাগুলো নির্মিত হলে দেশের যে সিনেমাসংকটের কথা বলা হচ্ছে, সেটি কেটেও যেতে পারে। একই সঙ্গে হলমালিকরাও তাকিয়ে আছেন অপেক্ষমাণ সিনেমাগুলোর মুক্তির আশায়।

দেশি সিনেমার সংকটকাল কাটছে না। হলমালিকরা অনেক দির ধরে সিনেমা আমদানির দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের ভাষ্য, সিনেমা ব্যবসার জন্য যে পরিমাণ ভালো সিনেমা প্রয়োজন হয়, দেশের প্রযোজক-পরিচালকরা সেই পরিমাণ সিনেমা তাদের দিতে পারছেন না।

একদিকে যেমন ব্যবসা হচ্ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রযোজকরা। একই সঙ্গে সিনেমা হল না চলায় বন্ধ করে দিতে হচ্ছে প্রেক্ষাগৃহ।

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাণিজ্যিক, অবাণিজ্যিক ও অনুদানের ছবি মিলিয়ে ৫০টির বেশি চলচ্চিত্র এখন মুক্তির জন্য অপেক্ষমাণ। আরও বেশ কিছু ছবির নির্মাণকাজ অনেকখানি এগিয়ে গেছে। এগুলো মুক্তি পেলে সিনেমার খরা অনেকখানিই কেটে যাবে।

নির্মাণ হয়ে থাকা কিছু সিনেমা করোনার কারণে আটকে আছে মুক্তির প্রতীক্ষায়। সেগুলোর মধ্যে আছেমিশন এক্সট্রিম, শান, পরান, জ্বীন, বিক্ষোভ, ক্যাসিনো, আনন্দ অশ্রু, অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন, অপারেশন সুন্দরবন, গিরগিটি, সিক্রেন্ট এজেন্ট, ইত্তেফাক, বিদ্রোহী, অন্তরাত্মা, হাওয়া, পাপপুণ্য, দামাল ওস্তাদ, মুখোশ, চোখ, লিডার- আমিই বাংলাদেশরিভেঞ্জ

এগুলো ছাড়া আরও বেশ কিছু সিনেমা রয়েছে পরিচালকদের হাতে, যার মধ্যে সরকারি অনুদানের বেশ কটি সিনেমা জমা হয়েছে গত দুই বছরে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুদান পাওয়া ১৬টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার মধ্যে আছে মুশফিকুর রহমানের টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা, গিয়াসউদ্দিন সেলিমের কাজলরেখা, এস এ হক অলিকের যোদ্ধা, বদরুল আনাম সৌদের শ্যামা কাব্য, প্রদীপ ঘোষের ভালোবাসা প্রীতিলতা, ইস্পাহানী আরিফ জাহানের হৃদিতা, ফজলুল কবীর তুহিনের গাঙকুমারী, ইফতেখার আলমের লেখক ও মনজুরুল ইসলামের বিলডাকিনী

পঙ্কজ পালিতের একটি না বলা গল্প, অনম বিশ্বাসের ফুটবল ৭১, আউয়াল রেজার মেঘ রোদ্দুর খেলা ও নুরে আলমের রাসেলের জন্য অপেক্ষা হাতে আছে।

এ ছাড়া বাঁধন বিশ্বাসের ছায়াবৃক্ষ, রোজিনার ফিরে দেখা, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের আশীর্বাদ-এর দৃশ্যধারণ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।

পূর্ণদৈর্ঘ্য ছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাও আছে অনেক পরিচালকের হাতে। অনুদানের স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাণ করবেন প্রবীর কুমার সরকার, শরীফ রেজা মাহমুদ, এ বি এম নাজমুল হুদা, সাজেদুল ইসলাম, দেবাশীষ দাশ, ফাখরুল আরেফীন খান, সোহেল আহমেদ সিদ্দিকী, মিতালি রায় ও চৈতালি সমাদ্দার।

২০২০-২১ অর্থবছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য ২০টি চলচ্চিত্রকে অনুদান দেয় সরকার। জাহাঙ্গীর হোসেন মিন্টুর ক্ষমা নেই, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের সাড়ে তিন হাত ভূমি, উজ্জ্বল কুমার মণ্ডলের মৃত্যুঞ্জয়ী, হাসান জাফরুল ও এফ এম শাহীনের মাইক, লুবানা শারমিনের নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড় নির্মাণপর্বে আছে।

এ ছাড়া কাজী হায়াতের জয় বাংলা, অনিরুদ্ধ রাসেলের জামদানী, জাহিদুর রহিম অঞ্জনের চাঁদের অমাবস্যা, মেজবাউর রহমান সুমনের রইদ, অরুণ চৌধুরীর জলে জ্বলে, অরুণা বিশ্বাসের অসম্ভব, মীর্জা শাখাওয়াত হোসেনের ভাঙন অপেক্ষমাণ।

রকিবুল হাসান চৌধুরী পিকলুর দাওয়াল, ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর বলি, আব্দুস সামাদ খোকনের শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়, আশুতোষ সুজনের দেশান্তর, এস এ হক অলিকের গলুই, ইব্রাহিম খলিল মিশুর দেয়ালের দেশ এবং অপূর্ব রানার জলরঙ অনুদান পেয়েছে। এগুলোও নির্মীয়মাণ।

এ ছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্যের আরও ১০টি সিনেমাকে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেয়া হয়েছে অনুদান। এর মধ্যে মেহেদী হাসান অর্ণব জল পাহাড় আর পাতাদের গল্প, স্বপ্ন সমুদ্র রূপালী আঁশ, শায়লা রহমান তিথি যুদ্ধজয়ের কিশোর নায়ক, নাসরিন ইসলাম স্বাধীনতার পোস্টার, শামসুদ্দীন আহমদ শিবলু হাওয়াই সিঁড়ি, রাসেল রানা সোনার তরী, ফজলে হাসান শিশির ঝিরি পথ পেরিয়ে, তাসমিয়াহ আফরিন আমার নানুর বাড়ি, মেহজাদ গালিব বিন্দু থেকে বৃত্ত: একজন বকুলের আখ্যান ও এমদাদুল হক খান শিরিনের একাত্তর যাত্রা নির্মাণ করবেন।

অনুদানের সিনেমা ছাড়াও নির্মাতা রাশিদ পলাশের পদ্মাপুরাণ মুক্তির জন্য প্রস্তুত। তিনি আরও পরিচালনা করছেন প্রীতিলতা। এ ছাড়া নাম চূড়ান্ত না হওয়া একটি সিনেমা রয়েছে পিপলু আর খানের হাতে, যাতে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান।

দেশা: দ্য লিডার-খ্যাত পরিচালক সৈকত নাসিরের হাতে রয়েছে মাসুদ রানা, ক্যাশতালাশসহ কয়েকটি ওয়েব কনটেন্ট। নির্মাতা ইফতেখার চৌধুরী প্রযোজিত প্রথম সিনেমা মুক্তির অধিকাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

অনন্ত জলিলের একাধিক সিনেমা আছে শুটিং ফ্লোরে। যৌথ প্রযোজনার সিনেমাগুলোর কাজ শেষ করতে ও মুক্তি পেতে সময় লাগবে।

সম্প্রতি রায়হান রাফি শুরু করেছেন নূর নামে একটি সিনেমার নির্মাণ। ঢাকা অ্যাটাক-খ্যাত পরিচালক দীপঙ্কর দীপন পরিচালনা করছেন অন্তর্জাল নামে একটি সিনেমা। সঞ্জয় সমদ্দার নির্মাণ করবেন বায়োপিক নামে একটি সিনেমা।

পরিচালক অনন্য মামুনের হাতেও আছে অনেক সিনেমার প্রজেক্ট। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়েব কনটেন্ট হলেও অভিনয় নামের একটি সিনেমাও রয়েছে।

জাগো সিনেমার পরিচালক খিজির হায়ত খান ঘোষণা দিয়েছেন নতুন একটি সিনেমা নির্মাণের। সিনেমাটির নাম ওরা ৭ জন। এটি মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রযোজক সেলিম খান ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেখান থেকে এরই মধ্যে ৩০টির মতো সিনেমা নির্মাণের কাজ অনেকখানি এগিয়ে গেছে। সিনেমাগুলো প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে নাকি সেলিম খানে সিনেমা দেখার অ্যাপ সিনেবাজে মুক্তি পাবে, তা নিশ্চিত করে জানাননি তিনি।

ঠিকভাবে সিনেমাগুলো নির্মিত হলে দেশের যে সিনেমাসংকটের কথা বলা হচ্ছে, সেটি কেটেও যেতে পারে। একই সঙ্গে হলমালিকরাও তাকিয়ে আছেন অপেক্ষমাণ সিনেমাগুলো মুক্তির আশায়।

এগুলো মুক্তি পেলে প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আসবেন বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু বড় বাজেটের সিনেমা মুক্তি পওয়ার পরও প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আসবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে প্রযোজকদের।

আরও পড়ুন:
একটা চিঠিতে পরীমনির সব শক্তির গল্প
হারুনের বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ চেয়েছেন হুইপ আবু সাঈদ
পরীমনির তিন দফা রিমান্ড কতটা স্বাভাবিক
হাসি ফুটেছে পরীমনির মুখে
সংসদে হারুনের আলোচনায় ‘বোটক্লাব-পরীমনি’

শেয়ার করুন