ক্যাসেট, সিডি, ভিসিডির গানের রয়্যালিটি বিভাজন নির্দেশনা

ক্যাসেট, সিডি, ভিসিডির গানের রয়্যালিটি বিভাজন নির্দেশনা

ক্যাসেট, সিডি, ভিসিডির গানের রয়্যালিটি বিভাজন নির্দেশনা নিয়েছে কপি রাইট অফিস। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

জয় শাহরিয়ার বলেন, ‘এই প্রজ্ঞাপনের সুফল আমাদের প্রজন্ম হয়তো সেভাবে পাবে না, তবে আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের গীতিকবি, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীরা আজ থেকে তাদের অধিকার চাইতে পারবেন একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে যাদের প্রকাশিত কাজগুলোর ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশনের অ্যাগ্রিমেন্ট নেই।’

পুরোনো ক্যাসেট, সিডি, ভিসিডিতে প্রকাশিত ও সম্প্রচারিত গানের রয়্যালিটির বিভাজনবিষয়ক সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস।

৫ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা রেজিস্টার অফ কপিরাইট জাফর রাজা চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, পুরোনো ক্যাসেট, সিডি, ভিসিডিতে প্রকাশিত ও সম্প্রচারিত গানের রয়্যালিটির বিভাজন সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কপিরাইট বোর্ডের ২২ মার্চ ২০২১ তারিখের সভায় নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:

‘যে সকল পুরোনো গান পূর্বে কেবল সিডি/ভিসিডি ও ক্যাসেট নির্মাণের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট লেবেল কোম্পানিকে নতুন করে অর্থ বিনিয়োগ কিংবা গীতিকার, সুরকার বা কণ্ঠশিল্পীকে পুনরায় কোনো মেধা বা শ্রম বিনিয়োগ করতে হয়নি, এরূপ পুরোনো গানের ক্ষেত্রে গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী এবং লেবেল কোম্পানি প্রত্যেক পক্ষ ২৫% হারে রয়্যালিটি পাবেন মর্মে বোর্ড সভার সকল সদস্য কর্তৃক একমত প্রকাশ করা হয়।’

রয়্যালিটি বিভাজনের ক্ষেত্রে উল্লিখিত হার অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে কপিরাইট অফিসের পক্ষ থেকে।

এ বিষয় নিয়ে রেজিস্টার অফ কপিরাইট জাফর রাজা চৌধুরীর সঙ্গে গত মে মাসে কথা হয়েছিল নিউজবাংলার।

উদাহরণ দিয়ে বলেছিলেন, ‘যদি এক মাসে কোনো গান থেকে ১০ ডলার আয় হয়, তাহলে সবাই আড়াই ডলার করে পাবেন। আবার কেউ যদি মনে করেন, তিনি এভাবে অপেক্ষা করে টাকা নেবেন না, তিনি এককালীন একটা টাকা নিয়ে নেবেন, সংশ্লিষ্টরা রাজি থাকলে সেটাও তিনি নিয়ে নিতে পারবেন।’

কপিরাইট অফিসের চিঠি ফেসবুকে পোস্ট করে নিজের মতামত জানিয়েছেন সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী জয় শাহরিয়ার।

তিনি বলেন, ‘এই প্রজ্ঞাপনের সুফল আমাদের প্রজন্ম হয়তো সেভাবে পাবে না, তবে আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের গীতিকবি, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীরা আজ থেকে তাদের অধিকার চাইতে পারবেন একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে যাদের প্রকাশিত কাজগুলোর ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশনের অ্যাগ্রিমেন্ট নেই।’

এই নির্দেশনা বিরাট অর্জন উল্লেখ করে জয় আরও বলেন, ‘এমনি এমনি দয়াপরবশ হয়ে কেউ এটা করে দেয়নি। বাংলাদেশের পঞ্চাশ বছরে শিল্পীদের রয়্যালটি বিভাজন সম্পর্কিত এটাই প্রথম সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন।’

সংগীত ঐক্য বাংলাদেশের মাধ্যমে তিন সংগীতসংশ্লিষ্ট সংগঠনের পেশকৃত ১৮ দফা প্রস্তাবের অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানান জয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘গুনিন’-এ চূড়ান্ত পরীমনি

‘গুনিন’-এ চূড়ান্ত পরীমনি

গিয়াস উদ্দিন সেলিম গুনিন চলচ্চিত্রে যুক্ত হলেন অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। তিনি বলেন, ‘গুনিন-এর শুটিং শুরু হচ্ছে ১০ অক্টোবর থেকে।’

নতুন ওয়েব ফিল্মে যুক্ত হলেন পরীমনি। ওয়েব ফিল্মের নাম গুনিন। এটি পরিচালনা করছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। শুক্রবার রাতে পরীমনির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। তিনি বলেন, ‘গুনিন-এর শুটিং শুরু হচ্ছে ১০ অক্টোবর থেকে।’

পরীমনির নামে হওয়া মাদক মামলার হাজিরার তারিখ রয়েছে শুটিং শুরুর দিন ১০ অক্টোবর । হাজিরা শেষ করেই শুটিংয়ে অংশ নেবেন পরীমনি।

বোট ক্লাব বিতর্ক ও মাদক মামলায় কারাভোগের পর গুনিন-এর শুটিং দিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছেন পরীমনি।

কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের গল্প ‘গুনিন’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এই ওয়েব সিনেমাটি। এতে রাবেয়া চরিত্রে অভিনয় করবেন পরীমনি।

এতে অভিনয় করবেন ইরেশ যাকের, শরিফুল রাজ, মোস্তফা মনোয়ার, দিলারা জামানসহ অনেকে।

এর আগে গুনিন নিয়ে পরিচালক নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘এর একটা আর্কাইভাল ভ্যালু আছে। একসময় হয়তো গ্রামই পাওয়া যাবে না। এই কাজের মাধ্যমে গ্রামীণ প্রেক্ষাপট ও কিছু গল্প আমি ধারণ করে রাখতে চাই।

‘চিরন্তন গ্রামবাংলা নয় বরং চিরন্তন মানুষের গল্প আমি বলতে চাই। সেটাও গুনিন পছন্দ করার অন্যতম কারণ।’

এর আগে গুনিন-এ কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তবে সিডিউল মিলাতে পারছিলেন না বলে সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

শেয়ার করুন

অমিতাভ বললেন, লিখিত অনুমতি ছিল

অমিতাভ বললেন, লিখিত অনুমতি ছিল

নির্মাতা অমিতাভ রেজা। ছবি: নিউজবাংলা

অমিতাভ রেজা বলেন, ‘পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস থেকে সিনেমা নির্মাণের লিখিত অনুমতি নিলেও সে সময় আমাদের কপিরাইট ভ্যালুর বাজেটিংটা করা হয়নি। এটা ভুল হয়েছে বলতে পারেন। সেসময়ই এটা নিয়ে কথা বলা উচিৎ ছিল।’

হুমায়ূন আহমেদের পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য পাওয়া অনুদানের অর্থ ফেরত দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতা অমিতাভ রেজা। তিনি চলচ্চিত্রটি বানাচ্ছেন না। কিন্তু চলচ্চিত্রটি নির্মাণ থেকে তিনি কেন সরে এলেন, এ নিয়ে আলোচনা এখনও থামছে না।

অমিতাভ রেজা জানিয়েছিলেন, উপন্যাসটি নিয়ে কাজ করার জন্য প্রয়াত লেখকের পরিবার থেকে যেসব শর্ত দেয়া হয়েছে, তা অনুসরণ করে চলচ্চিত্রটি সুষ্ঠুভাবে নির্মাণ সম্ভব হবে না বলে মনে হওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি তিনি মন্ত্রণালয়কেও আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন এবং অনুদানের অর্থ যা পেয়েছিলেন, সেটি ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

এমন ঘটনার ফলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের চলচ্চিত্রস্বত্ব ছাড়াই অমিতাভ রেজা অনুদান কমিটির কাছে প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন? লেখকের এরকম স্বত্ব বা লিখিত অনুমোদন ছাড়া অনুদান কমিটি কীভাবে সিনেমাটি অনুদান দিল?

অনুদানের প্রস্তাব জমা দেয়ার শর্তের ৯ (খ) ধারায় বলা আছে- ‘দেশি গল্প/কাহিনির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লেখক/সংস্থা/প্রকাশকের লিখিত সম্মতি/অনুমতি নিতে হবে। বিদেশি গল্প বা কাহিনির ক্ষেত্রে কপিরাইট আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট লেখক/সংস্থা/প্রকাশকের অনুমতি নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।’

এ সব বিষয়ে নির্মাতা অমিতাভ রেজার সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। বিষয়টি পরিষ্কার করতে তিনি বলেন, ‘লিখিত অনুমতি নিয়েই আমরা অনুদানের জন্য আবেদন করেছি।’

তিনি এও জানান, হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে কথা বলেই পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমা নির্মাণের লিখিত অনুমতি নেয়া হয়েছে।

তবে সে সময় উপন্যাসটির কপিরাইট ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানান অমিতাভ।

তিনি বলেন, ‘পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাস থেকে সিনেমা নির্মাণের লিখিত অনুমতি নিলেও সে সময় আমাদের কপিরাইট ভ্যালুর বাজেটিংটা করা হয়নি। এটা ভুল হয়েছে বলতে পারেন। সে সময়ই এটা নিয়ে কথা বলা উচিৎ ছিল।’

অমিতাভ আরও বলেন, ‘আর অনুদান কমিটি কি এটা জানবে না যে, আমি একটি অ্যাডাপটেড চিত্রনাট্য জমা দিয়েছি এবং আমাকে অনুদান দিতে গেলে তার লিখিত অনুমতি লাগবে? এটা তো খুব স্বাভাবিক। আর সেই লিখিত অনুমতি ছিল বলেই আমাকে অনুদান দেয়া হয়েছিল।’

বিষয়টি নিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক জায়গায় দেখছি, এটাকে শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে বলা হচ্ছে। এটা কিন্তু কোনো শর্ত জুড়ে দেয়া হয়নি, এটা কপিরাইট ভ্যালু চাওয়া হয়েছে। এটা সবার কাছেই চাওয়া হয় এবং হবে। এই ভ্যালুটা তার (অমিতাভ রেজা) মনমতো হয়নি।’

শেয়ার করুন

ক্যামেরার সামনে লেখক ইমন

ক্যামেরার সামনে লেখক ইমন

‘কাগজ’ সিনেমার দৃশ্য ধারণের সময় অভিনেতা ইমন। ছবি: সংগৃহীত

নিউজবাংলাকে ইমন বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে ঢাকাতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছি আমরা। তেজগাঁওয়ে একটা পত্রিকা অফিসে এর শুটিং শুরু হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা রাজশাহী যাব, সেখানেও শুট হবে সিনেমাটির।’  

গত জুলাইয়ে কাগজ নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন চিত্রনায়ক ইমন ও চিত্রনায়িকা আইরিন।

এর প্রায় দুই মাস পর গত বৃহস্পতিবার থেকে সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছেন এই তারকা জুটি।

এ তথ্য শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন ইমন।

তিনি বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে ঢাকাতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছি আমরা। তেজগাঁওয়ে একটা পত্রিকা অফিসে এর শুটিং শুরু হয়। আজ ভোর পর্যন্ত শুটিং হয়েছে। আগামীকাল থেকে আবার দৃশ্যধারণ হবে। এরপর কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা রাজশাহীর যাব, সেখানেও শুট হবে সিনেমাটির।’

কাগজ সিনেমা সম্পর্কে বিস্তারিত না বললেও গল্প সম্পর্কে হালকা ধারণা দিলেন ইমন।

তিনি জানান, একজন স্বনামধন্য লেখকের জীবনের নানা গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে এই সিনেমাটি। সেখানে সেই লেখকের চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। তার চরিত্রের নাম ইমন আহমেদ।

ক্যামেরার সামনে লেখক ইমন
‘কাগজ’ সিনেমার জুটি ইমন ও আইরিন। ছবি: সংগৃহীত

আর এতে মফস্বলের একজন শিক্ষিত মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন আইরিন। তার চরিত্রের নাম রেনু। মফস্বলের মেয়ে হলেও মানসিকভাবে অগ্রসর সেই রেনুর সঙ্গে এক ধরনের সম্পর্ক তৈরি হয় লেখক ইমন আহমেদের।

গীতিকার, সুরকার, প্রযোজক এবং নির্মাতা জুলফিকার জাহেদীর পরিচালনায় কাগজ-এ আরও অভিনয় করছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, মাইমুনা ফেরদৌস মম, এলিনা শাম্মী, ফারহান খান রিও, রিয়া বর্মণ, রফিক, শিশির আহমেদ, যুবরাজ বিন আবিদসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

আর্থিক প্রতারণা মামলায় জ্যাকলিনকে আবার তলব

আর্থিক প্রতারণা মামলায় জ্যাকলিনকে আবার তলব

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

গত ৩০ আগস্ট দিল্লিতে জ্যাকলিনকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। রেকর্ড করা হয়েছিল তার বয়ান। সেই বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বান্ধবী অভিনেত্রী লীনা মারিয়া পলকে।

আর্থিক প্রতারণা মামলার তথ্য পেতে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে ফের তলব করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর, সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলার অন্যতম সাক্ষী হিসেবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট দিল্লিতে জ্যাকলিনকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। রেকর্ড করা হয়েছিল তার বয়ান। সেই বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বান্ধবী অভিনেত্রী লীনা মারিয়া পলকে। সুকেশ জেলে থাকাকালীন তিনিই এই প্রতারণা চক্র চালাতেন বলে অভিযোগ।

চেন্নাই নিবাসী সুকেশের বিরুদ্ধে মামলা করেন দিল্লির এক ব্যবসায়ী। তার অভিযোগ, এক বছরে তার থেকে ২০০ কোটি রুপি আত্মসাৎ করেছে সুকেশ।

আর্থিক প্রতারণা মামলায় জ্যাকলিনকে আবার তলব
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

সেই মামলাতেই জ্যাকলিনের সাক্ষ্য নেয় ইডি। জ্যাকুলিনও এই চক্রে পড়ে নিজের অনেক টাকা হারিয়েছেন। তার সাক্ষ্যের পরই এই তদন্তে আসে নতুন মোড়।

এদিকে শুক্রবারই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে জ্যাকলিন অভিনীত সিনেমা ভূত পুলিশ। এতে আরও আছেন সাইফ আলি খান, অর্জুন কাপুর ও ইয়ামি গৌতম।

শেয়ার করুন

‘বলি’র জন্য ন্যাড়া হলেন চঞ্চল!

‘বলি’র জন্য ন্যাড়া হলেন চঞ্চল!

‘বলি’র জন্য ন্যাড়া হলেন চঞ্চল। ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টি নিয়ে জানতে চঞ্চলকে ফোন করা হলে তিনি কল কেটে দেন। ধারণা করা হচ্ছে, বলি নামের যে ওয়েব কনটেন্টটি নির্মাণ করছেন শংখ দাশগুপ্ত, সেই সিরিজের জন্যই এ লুক নিয়েছেন চঞ্চল।

চঞ্চল চৌধুরী পর্দায় বহুরূপী। তার প্রমাণ তিনি দিয়েছেন বহুবার। নাটক, সিনেমা ও কনটেন্টে তার ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র দেখে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক। সব রকম চরিত্রেই তিনি সাবলীল, বলেছেন দর্শকরা।

চরিত্রের প্রয়োজনে অনেক কিছুই করেন তিনি। এই যেমন এবার চরিত্রের প্রয়োজনে ন্যাড়া হলেন চঞ্চল চৌধুরী।

ন্যাড়া হওয়া ছবি নিজেই ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন চঞ্চল। কিন্তু কোন চরিত্রের জন্য ন্যাড়া হলেন, তার কিছুই জানাননি অভিনেতা।

ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘বলি???? না থাক… বলবো না…’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চঞ্চলকে ফোন করা হলে তিনি কল কেটে দেন। ধারণা করা হচ্ছে, বলি নামের যে ওয়েব কনটেন্টটি নির্মাণ করছেন শংখ দাশগুপ্ত, সেই সিরিজের জন্যই এ লুক নিয়েছেন চঞ্চল।

ভারতীয় ওয়েব প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের জন্য নির্মিত হচ্ছে ওয়েব সিরিজটি। শোনা যাচ্ছে এতে আরও অভিনয় করছেন সোহানা সাবা, সাফা কবীরসহ অনেকে। তবে এ নিয়ে কেউ মুখ খুলছেন না।

মুখ না খুললেও ফেসবুকে ঠিকই রহস্যময় পোস্ট দিয়ে তথ্য জানাতে চাচ্ছেন চঞ্চল চৌধুরী। ১৪ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে তিনিই পোস্ট করে জানান বলি ওয়েব সিরিজের কথা।

তিনি লিখেছিলেন, ‘হইচইয়ের নতুন ওয়েব সিরিজ বলি নির্মাণে ব্রতী হয়েছেন শংখ দাশগুপ্ত। ভিন্ন স্বাদের এই গল্প নির্মাণের জন্য আমরা সবাই এখন কুয়াকাটা। কাল থেকে শুটিং শুরু।’

দর্শকদের ভালো একটা ওয়েব সিরিজ উপহার দিতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে চঞ্চল লেখেন, ‘শংখর সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। শংখ মূলত পেশাদার বিজ্ঞাপন নির্মাতা। বলি টিমের সবাই আমরা আশাবাদী। আপনাদের জন্য ভালো একটা ওয়েব সিরিজ উপহার দিতে পারব।’

ভক্ত-দর্শকদের শুভ কামনা আশা করেছেন চঞ্চল। এটি ছাড়াও চঞ্চল জি-ফাইভের একটি দীর্ঘ ওয়েব সিরিয়ালে অভিনয় করছেন। সেটি পরিচালনা করছেন গোলাম সোহরাব দোদুল।

শেয়ার করুন

পাইপলাইনে বিপুল সিনেমা

পাইপলাইনে বিপুল সিনেমা

পাইপলাইনে বিপুল সিনেমা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

সিনেমাগুলো নির্মিত হলে দেশের যে সিনেমাসংকটের কথা বলা হচ্ছে, সেটি কেটেও যেতে পারে। একই সঙ্গে হলমালিকরাও তাকিয়ে আছেন অপেক্ষমাণ সিনেমাগুলোর মুক্তির আশায়।

দেশি সিনেমার সংকটকাল কাটছে না। হলমালিকরা অনেক দির ধরে সিনেমা আমদানির দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের ভাষ্য, সিনেমা ব্যবসার জন্য যে পরিমাণ ভালো সিনেমা প্রয়োজন হয়, দেশের প্রযোজক-পরিচালকরা সেই পরিমাণ সিনেমা তাদের দিতে পারছেন না।

একদিকে যেমন ব্যবসা হচ্ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রযোজকরা। একই সঙ্গে সিনেমা হল না চলায় বন্ধ করে দিতে হচ্ছে প্রেক্ষাগৃহ।

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাণিজ্যিক, অবাণিজ্যিক ও অনুদানের ছবি মিলিয়ে ৫০টির বেশি চলচ্চিত্র এখন মুক্তির জন্য অপেক্ষমাণ। আরও বেশ কিছু ছবির নির্মাণকাজ অনেকখানি এগিয়ে গেছে। এগুলো মুক্তি পেলে সিনেমার খরা অনেকখানিই কেটে যাবে।

নির্মাণ হয়ে থাকা কিছু সিনেমা করোনার কারণে আটকে আছে মুক্তির প্রতীক্ষায়। সেগুলোর মধ্যে আছেমিশন এক্সট্রিম, শান, পরান, জ্বীন, বিক্ষোভ, ক্যাসিনো, আনন্দ অশ্রু, অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন, অপারেশন সুন্দরবন, গিরগিটি, সিক্রেন্ট এজেন্ট, ইত্তেফাক, বিদ্রোহী, অন্তরাত্মা, হাওয়া, পাপপুণ্য, দামাল ওস্তাদ, মুখোশ, চোখ, লিডার- আমিই বাংলাদেশরিভেঞ্জ

এগুলো ছাড়া আরও বেশ কিছু সিনেমা রয়েছে পরিচালকদের হাতে, যার মধ্যে সরকারি অনুদানের বেশ কটি সিনেমা জমা হয়েছে গত দুই বছরে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুদান পাওয়া ১৬টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার মধ্যে আছে মুশফিকুর রহমানের টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা, গিয়াসউদ্দিন সেলিমের কাজলরেখা, এস এ হক অলিকের যোদ্ধা, বদরুল আনাম সৌদের শ্যামা কাব্য, প্রদীপ ঘোষের ভালোবাসা প্রীতিলতা, ইস্পাহানী আরিফ জাহানের হৃদিতা, ফজলুল কবীর তুহিনের গাঙকুমারী, ইফতেখার আলমের লেখক ও মনজুরুল ইসলামের বিলডাকিনী

পঙ্কজ পালিতের একটি না বলা গল্প, অনম বিশ্বাসের ফুটবল ৭১, আউয়াল রেজার মেঘ রোদ্দুর খেলা ও নুরে আলমের রাসেলের জন্য অপেক্ষা হাতে আছে।

এ ছাড়া বাঁধন বিশ্বাসের ছায়াবৃক্ষ, রোজিনার ফিরে দেখা, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের আশীর্বাদ-এর দৃশ্যধারণ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।

পূর্ণদৈর্ঘ্য ছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাও আছে অনেক পরিচালকের হাতে। অনুদানের স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাণ করবেন প্রবীর কুমার সরকার, শরীফ রেজা মাহমুদ, এ বি এম নাজমুল হুদা, সাজেদুল ইসলাম, দেবাশীষ দাশ, ফাখরুল আরেফীন খান, সোহেল আহমেদ সিদ্দিকী, মিতালি রায় ও চৈতালি সমাদ্দার।

২০২০-২১ অর্থবছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য ২০টি চলচ্চিত্রকে অনুদান দেয় সরকার। জাহাঙ্গীর হোসেন মিন্টুর ক্ষমা নেই, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের সাড়ে তিন হাত ভূমি, উজ্জ্বল কুমার মণ্ডলের মৃত্যুঞ্জয়ী, হাসান জাফরুল ও এফ এম শাহীনের মাইক, লুবানা শারমিনের নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড় নির্মাণপর্বে আছে।

এ ছাড়া কাজী হায়াতের জয় বাংলা, অনিরুদ্ধ রাসেলের জামদানী, জাহিদুর রহিম অঞ্জনের চাঁদের অমাবস্যা, মেজবাউর রহমান সুমনের রইদ, অরুণ চৌধুরীর জলে জ্বলে, অরুণা বিশ্বাসের অসম্ভব, মীর্জা শাখাওয়াত হোসেনের ভাঙন অপেক্ষমাণ।

রকিবুল হাসান চৌধুরী পিকলুর দাওয়াল, ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর বলি, আব্দুস সামাদ খোকনের শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়, আশুতোষ সুজনের দেশান্তর, এস এ হক অলিকের গলুই, ইব্রাহিম খলিল মিশুর দেয়ালের দেশ এবং অপূর্ব রানার জলরঙ অনুদান পেয়েছে। এগুলোও নির্মীয়মাণ।

এ ছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্যের আরও ১০টি সিনেমাকে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেয়া হয়েছে অনুদান। এর মধ্যে মেহেদী হাসান অর্ণব জল পাহাড় আর পাতাদের গল্প, স্বপ্ন সমুদ্র রূপালী আঁশ, শায়লা রহমান তিথি যুদ্ধজয়ের কিশোর নায়ক, নাসরিন ইসলাম স্বাধীনতার পোস্টার, শামসুদ্দীন আহমদ শিবলু হাওয়াই সিঁড়ি, রাসেল রানা সোনার তরী, ফজলে হাসান শিশির ঝিরি পথ পেরিয়ে, তাসমিয়াহ আফরিন আমার নানুর বাড়ি, মেহজাদ গালিব বিন্দু থেকে বৃত্ত: একজন বকুলের আখ্যান ও এমদাদুল হক খান শিরিনের একাত্তর যাত্রা নির্মাণ করবেন।

অনুদানের সিনেমা ছাড়াও নির্মাতা রাশিদ পলাশের পদ্মাপুরাণ মুক্তির জন্য প্রস্তুত। তিনি আরও পরিচালনা করছেন প্রীতিলতা। এ ছাড়া নাম চূড়ান্ত না হওয়া একটি সিনেমা রয়েছে পিপলু আর খানের হাতে, যাতে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান।

দেশা: দ্য লিডার-খ্যাত পরিচালক সৈকত নাসিরের হাতে রয়েছে মাসুদ রানা, ক্যাশতালাশসহ কয়েকটি ওয়েব কনটেন্ট। নির্মাতা ইফতেখার চৌধুরী প্রযোজিত প্রথম সিনেমা মুক্তির অধিকাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

অনন্ত জলিলের একাধিক সিনেমা আছে শুটিং ফ্লোরে। যৌথ প্রযোজনার সিনেমাগুলোর কাজ শেষ করতে ও মুক্তি পেতে সময় লাগবে।

সম্প্রতি রায়হান রাফি শুরু করেছেন নূর নামে একটি সিনেমার নির্মাণ। ঢাকা অ্যাটাক-খ্যাত পরিচালক দীপঙ্কর দীপন পরিচালনা করছেন অন্তর্জাল নামে একটি সিনেমা। সঞ্জয় সমদ্দার নির্মাণ করবেন বায়োপিক নামে একটি সিনেমা।

পরিচালক অনন্য মামুনের হাতেও আছে অনেক সিনেমার প্রজেক্ট। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়েব কনটেন্ট হলেও অভিনয় নামের একটি সিনেমাও রয়েছে।

জাগো সিনেমার পরিচালক খিজির হায়ত খান ঘোষণা দিয়েছেন নতুন একটি সিনেমা নির্মাণের। সিনেমাটির নাম ওরা ৭ জন। এটি মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রযোজক সেলিম খান ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেখান থেকে এরই মধ্যে ৩০টির মতো সিনেমা নির্মাণের কাজ অনেকখানি এগিয়ে গেছে। সিনেমাগুলো প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে নাকি সেলিম খানে সিনেমা দেখার অ্যাপ সিনেবাজে মুক্তি পাবে, তা নিশ্চিত করে জানাননি তিনি।

ঠিকভাবে সিনেমাগুলো নির্মিত হলে দেশের যে সিনেমাসংকটের কথা বলা হচ্ছে, সেটি কেটেও যেতে পারে। একই সঙ্গে হলমালিকরাও তাকিয়ে আছেন অপেক্ষমাণ সিনেমাগুলো মুক্তির আশায়।

এগুলো মুক্তি পেলে প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আসবেন বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু বড় বাজেটের সিনেমা মুক্তি পওয়ার পরও প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আসবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে প্রযোজকদের।

শেয়ার করুন

অক্টোবরে প্রেক্ষাগৃহ মাতাবেন দেশি-বিদেশি শিল্পীরা

অক্টোবরে প্রেক্ষাগৃহ মাতাবেন দেশি-বিদেশি শিল্পীরা

অক্টোবরে প্রেক্ষাগৃহ মাতাবেন দেশি-বিদেশি শিল্পীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

অক্টোবরের তিন সপ্তাহে মুক্তি পাবে বাজি ও চন্দ্রাবতী কথা। সিনেমা দুটির মধ্যে বাজি কলকাতা থেকে আমদানিকৃত। এতে অভিনয় করেছেন কলকাতার জিৎ ও মিমি।

করোনার কারণে চলতি বছর মুক্তি পায়নি তেমন কোনো সিনেমা। আগস্টে সিনেমা হল খোলার ঘোষণা আসার পর অনেক প্রযোজকই খুঁজছিলেন ভালো সময়। অক্টোবরকে বেছে নিয়েছেন কয়েকজন প্রযোজক।

অক্টোবরের তিন সপ্তাহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছয়টি সিনেমা। সিনেমাগুলো হলো কসাই, চোখ, ঢাকা ড্রিম, পদ্মাপুরাণ, বাজি, চন্দ্রাবতী কথা

প্রযোজক পরিবেশক সমিতিতে সিনেমাগুলো মুক্তির জন্য তারিখ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছেন প্রযোজকরা। পেয়েছেন অনুমতিও।

সমিতির দেয়া তথ্যানুযায়ী ১ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে অনন্য মামুন পরিচালিত নিরব, রাশেদ মামুন অপু, কাজী নওশাবা অভিনীত সিনেমা কসাই

একই দিন মুক্তি পাবে সিনেমা চোখ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আসিফ ইকবাল জুয়েল। এতে অভিনয় করেছেন নিরব, রোশান ও বুবলী।

পরের সপ্তাহে অর্থাৎ ৮ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে ঢাকা ড্রিম ও পদ্মাপুরাণ। ঢাকা ড্রিম পরিচালনা করেছেন সুতপার ঠিকানা খ্যাত পরিচালক প্রসূন রহমান। আর পদ্মাপুরাণের পরিচালক রাশিদ পলাশ। পদ্মাপারের জীবন-জীবিকা নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে মুক্তি পাবে বাজিচন্দ্রাবতী কথা। সিনেমা দুটির মধ্যে বাজি কলকাতা থেকে আমদানিকৃত। এতে অভিনয় করেছেন কলকাতার জিৎ ও মিমি।

আর চন্দ্রাবতী কথা ষোড়শ শতকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত আত্মজীবনীমূলক চলচ্চিত্র। মৈয়মনসিংহ গীতিকার কবি নয়ানচাঁদ ঘোষের চন্দ্রাবতী পালা অবলম্বনে বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর জীবনালেখ্য নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। এটি পরিচালনা করেছেন এন রাশেদ চৌধুরী।

আলোচিত সিনেমা রেহানা মরিয়ম নূর -এর নির্বাহী প্রযোজক নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সিনেমাটি মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা তাদের। সে অনুযায়ী অক্টোবরের চতুর্থ শুক্রবার অর্থাৎ ২২ অথবা শেষ শুক্রবার ২৯ অক্টোবর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে। তা ছাড়া তারিখ দুটি সিনেমা মুক্তির জন্য খালিও রয়েছে।

নভেম্বরে দুটি ও ডিসেম্বরে একটি সিনেমা মুক্তির জন্য আবেদন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে প্রযোজক পরিবেশক সমিতি।

শেয়ার করুন