অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান

অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান

অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করেছে সরকার। ছবি: সংগৃহীত

একই প্রযোজক/পরিচালককে সাধারণত দুইবারের বেশি অনুদান প্রদান করা হবে না। তবে একই প্রযোজক দ্বিতীয়বার অনুদান পাওয়ার পর ০৪ (চার) বছর অতিক্রান্ত হলে পুনরায় অনুদানের জন্য আবেদনের যোগ্য হবেন। একজন প্রযোজক সর্বোচ্চ তিনবারের বেশি অনুদান পাবেন না।

সরকারি অনুদানে পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাব আহ্বান করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

উপসচিব মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ৩১ আগস্ট প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং মানবীয় মূল্যবোধসম্পন্ন জীবনমুখী, রুচিশীল ও শিল্পমানসমৃদ্ধ পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদান প্রদানের উদ্দেশে কাহিনি ও চিত্রনাট্য বাছাইয়ের জন্য প্রযোজক/পরিচালক/চলচ্চিত্র নির্মাতা/চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব/সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পেশাদার প্রতিষ্ঠান/লেখক/ চিত্রনাট্যকারদের নিকট থেকে প্যাকেজ প্রস্তাব আহ্বান করা হচ্ছে।

পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের অনুদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে গল্প, চিত্রনাট্য এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের সার্বিক পরিকল্পনাসহ পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ প্রস্তাব আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২১ বিকেল ৪টার মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র-২ শাখায় পৌঁছাতে হবে। ওই তারিখ ও সময়ের পরে প্রাপ্ত কোনো প্রস্তাব/আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

প্রস্তাব জমাদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো হলো-

শুধু বাংলাদেশের নাগরিকরা অনুদান প্রাপ্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের সকল শিল্পী/কলাকুশলীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। তবে বিশেষ ভূমিকায় অংশগ্রহণের জন্য যদি কোনো বিদেশি শিল্পী/কলাকুশলীর প্রয়োজন হয় তাহলে মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে ওই শিল্পী/কলাকুশলী চলচ্চিত্রে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

অনুদানপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্মাণ অনুদানের প্রথম চেক প্রাপ্তির ০৯ (নয়) মাসের মধ্যে এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্মাণ অনুদানের প্রথম চেক প্রাপ্তির ০৬ (ছয়) মাসের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে।

নির্মাণাধীন, সমাপ্ত বা মুক্তিপ্রাপ্ত কোনো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য অনুদানের জন্য বিবেচিত হবে না।

অনুদানে নির্মিত/নির্মিতব্য চলচ্চিত্র মৌলিক নয় বলে প্রমাণিত হলে এবং চুক্তিনামার শর্তাবলি বরখেলাপ করলে প্রযোজক অনুদান হিসেবে গৃহীত সমুদয় অর্থ ও সেবার মূল্য রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রচলিত সুদসহ ফেরত দিতে বাধ্য থাকবেন মর্মে ৩০০/- (তিনশত) টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারপত্র মূল কপিসহ (১২ সেট ফটোকপি) আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে। শর্ত খেলাপকারী সংশ্লিষ্ট প্রযোজকের বিরুদ্ধে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে সাহিত্যনির্ভর গল্প ও চিত্রনাট্যকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র-২ শাখায় যোগাযোগ করা যেতে পারে।

পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে গল্প, চিত্রনাট্য ও চলচ্চিত্র নির্মাণের সার্বিক পরিকল্পনাসহ পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ প্রস্তাবের প্রতিটির ১২ (বারো) সেট ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের জন্য ১০ (দশ) সেট করে জমা দিতে হবে। প্রস্তাবের সাথে নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি, কাগজপত্রাদি দাখিল/উল্লেখ করতে হবে:

(ক) প্রস্তাবিত গল্প ও চিত্রনাট্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক, শিশুতোষ, সাধারণ শাখা না-কি প্রামাণ্যচিত্র তা আবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে;

(খ) দেশি গল্প/কাহিনির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লেখক/সংস্থা/প্রকাশকের লিখিত সম্মতি/অনুমতি নিতে হবে। বিদেশি গল্প বা কাহিনির ক্ষেত্রে কপিরাইট আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট লেখক/সংস্থা/প্রকাশকের অনুমতি নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দাখিল করতে হবে;

(গ) প্রযোজকের নাম, মোবাইল নম্বরসহ জীবন-বৃত্তান্ত (পিতা-মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা ও ই-মেইলসহ) সুষ্পষ্টভাবে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে হবে;

(ঘ) প্রযোজকের ব্যাংক প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইএন দাখিলে প্রত্যয়নপত্র এবং চলচ্চিত্রবিষয়ক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের প্রত্যয়নপত্র (যদি থাকে) দাখিল করতে হবে;

(ঙ) কাহিনি ও চিত্রনাট্যকারের স্পষ্টাক্ষরে পূর্ণ নাম এবং পরিচালকের স্পষ্টাক্ষরে পূর্ণ নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতার বর্ণনা সংবলিত জীবন-বৃত্তান্ত, মোবাইল নম্বর, টেলিফোন নম্বর অবশ্যই প্রস্তাবের সাথে দাখিল করতে হবে;

(চ) পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ প্রস্তাবের সঙ্গে চলচ্চিত্রের প্রস্তাবিত শিল্পী ও কলাকুশলীদের নাম, ঠিকানা, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতার বর্ণনা, নির্মাণ সংস্থার কারিগরি, আর্থিক ও অবকাঠামোগত সক্ষমতার বিবরণ, আউটডোর শুটিং স্পটের বিবরণ, পরিচালক নির্মিত একটি চলচ্চিত্রের নমুনা ও নির্মিত বা চলচ্চিত্রের যথার্থ বাজেট বিভাজনসহ নির্মাণ সমাপ্তির শেষ তারিখ উল্লেখ করে দাখিল করতে হবে:

(ছ) প্রস্তাবিত চলচ্চিত্রের কাহিনি সংক্ষেপ দাখিল করতে হবে; এবং

(জ) পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রক্ষেপন সময় (স্থিতি) ০২ ঘণ্টা এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রক্ষেপন সময় (স্থিতি) ৩০ মিনিট পর্যন্ত হতে হবে। তবে সরকার এ সময় হ্রাস-বৃদ্ধি করতে পারবে।

অনুদানপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ শেষে সেন্সর সনদপ্রাপ্তি সাপেক্ষে দেশের কমপক্ষে ২০টি সিনেমাহলে মুক্তি দিতে হবে। অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো বাংলাদেশ টেলিভিশনের চাহিদা মতে প্রদর্শনের লক্ষ্যে প্রযোজক সরবরাহ করবেন।

কোনো প্রযোজক পরপর ০২ (দুই) বছর অনুদান পাওয়ার যোগ্য হবেন না।

একই প্রযোজক/পরিচালককে সাধারণত দুইবারের বেশি অনুদান প্রদান করা হবে না। তবে একই প্রযোজক দ্বিতীয়বার অনুদান পাওয়ার পর ০৪ (চার) বছর অতিক্রান্ত হলে পুনরায় অনুদানের জন্য আবেদনের যোগ্য হবেন। একজন প্রযোজক সর্বোচ্চ তিনবারের বেশি অনুদান পাবেন না।

অনুদান প্রদানসংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে এবং অনুদান প্রদানের পরও সরকার যেকোনো যুক্তিসংগত শর্তারোপ করতে পারবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

তাকে চেনা যায়?

তাকে চেনা যায়?

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোট বেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নীল, সাদা স্কুলপোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন অভিনেত্রী। পাশে সাদা জামায় তার বান্ধবী। দুজনেরই সরল হাসিমুখ। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাঝেমধ্যেই শৈশবের ছবি প্রকাশ করেন বলিউড তারকারা। সেসব ছবি প্রকাশের পরপরই আলোচনা শুরু হয় ভক্ত মহলে।

এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন বলিউডের আলোচিত এক অভিনেত্রী।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নীল, সাদা স্কুলপোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন অভিনেত্রী। পাশে সাদা জামায় তার বান্ধবী। দুজনেরই সরল হাসিমুখ।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোটবেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ছবিটির ডান পাশে যে শিশুটিকে দেখা যাচ্ছে, তিনিই বর্তমানের বলিউড ‘কুইন’ কঙ্গনা রানাউত।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ছবির ক্যাপশনে কঙ্গনা লিখেন, ‘হিল ভিউ নামে উপত্যকার ছোট্ট স্কুল...সাল ১৯৯৮। হিমাচল প্রদেশ।’

ছোটবেলার আরও একটি ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সে ছবিতে তাকে দেখা যাচ্ছে গোলাপি ও সবুজ রঙের লেহেঙ্গায়। এতেও তার সঙ্গে ছিল আরেক শিশু।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোটবেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

দ্বিতীয় ছবির বিষয়ে কঙ্গনা জানান, স্কুল থেকে পিকনিকে গিয়ে ছবিটি তুলেছেন।

হিমাচলের এক পাহাড়ি গ্রামেই বেড়ে ওঠা কঙ্গনার। তার পরিবার এখনও সেখানেই থাকেন। কাজের ফাঁকে সময় পেলেই নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

বলিউডে পরিচিত কেউ ছিল না কঙ্গনার। বাড়ির অমতেই অভিনয়ের জন্য মুম্বাই গিয়েছিলেন তিনি। সে অবস্থাতেই চ্যালেঞ্জিং ইন্ডাস্ট্রিতে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেন তিনি। সেসব কথা একাধিক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

অনুরাগ বসুর গ্যাংস্টার দিয়েই প্রথম পরিচিতি পান কঙ্গনা। আর মাধবনের বিপরীতে তানু ওয়েডস মানু ঘুরিয়ে দিয়েছিল তার ক্যারিয়ারের গ্রাফ।

পরে কুইন সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান কঙ্গনা। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন তিনি।

শেয়ার করুন

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনেমার দৃশ্যে ক্রিস। ছবি: সংগৃহীত

এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

ওটিটি জায়ান্ট নেটফ্লিক্সের তুমুল আলোচিত কনটেন্ট এক্সট্র্যাকশন। বাংলাদেশে এই ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। কারণ রাজধানী ঢাকাকে দেখানো হয়েছিল সিনেমায়।

মুক্তির পর সবচেয়ে বেশি দেখা নেটফ্লিক্স সিনেমা হয়ে ওঠে এক্সট্র্যাকশন। মুক্তির প্রথম চার সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী ৯৯ মিলিয়ন পরিবার দেখে সিনেমাটি।

২০২০-এর এপ্রিলে মুক্তি পায় এক্সট্র্যাকশন। সিনেমার শেষে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, আসবে দ্বিতীয় কিস্তি। শনিবার নেটফ্লিক্স আনুষ্ঠানিকভাবে জানাল, শিগগিরই আসছে এক্সট্র্যাকশন-টু। প্রকাশ করেছে একটি টিজারও।

টিজারটি শুরু হয়েছে প্রথম পর্ব যেখান থেকে শুরু হয়েছে, সেখান থেকেই। গুলিবিদ্ধ হয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন ক্রিস। টিজারে নদীর তলদেশ থেকে উঠে আসতে দেখা গেছে তাকে।

এক্সট্র্যাকশন-এর মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও থাকছেন থর খ্যাত ক্রিস হেমসওয়ার্থ, পরিচালনা করবেন স্যাম হারগ্রেভের আর প্রযোজক হিসেবে থাকছেন জো এবং অ্যান্থনি রুশো।

এখন প্রশ্ন হলো, এক্সট্র্যাকশনের মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও কি বাংলাদেশকে দেখা যাবে বা বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা থাকবে?

এ বিষয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা হয় এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খানের সঙ্গে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

‘মুজিব আমার পিতা’ নিয়ে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মাণ হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর এটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নির্মাণ হয় দেশের প্রথম ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র মুজিব আমার পিতা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে এটি নির্মাণ হয়।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর চলচ্চিত্রটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

আইসিটি বিভাগের অর্থায়নে নির্মিত সিনেমাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বরে প্রিমিয়ার হবে।

ওই দিন রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে বেলা তিনটায় হবে প্রিমিয়ার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

এর আগে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির কলাকুশলী ও সাংবাদিকদের নিয়ে একটি শো হয়।

সে প্রিমিয়ার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের গল্প পৌঁছে দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আমার মনে হয় ওদের জানানোর জন্য অ্যানিমেশনের চেয়ে ভালো মাধ্যম আর হতে পারে না।

‘একইভাবে বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা সম্পর্কে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো আর কেউ বলতে পারবে না। এই দুইয়ের যুগলবন্দি করা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে।’

চলচ্চিত্রটি নির্মাণে আইসিটি বিভাগ দুই কোটি টাকা দিয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, এ অর্থের পুরোটা খরচ হয়নি।

দেশের সর্ববৃহৎ টু-ডি অ্যানিমেশন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রোলেন্সার স্টুডিও এটি নির্মাণ করেছে।

৪৭ মিনিটের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে বলে জানান পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ রানা।

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কাজ শুরু করেছিলাম, অনেকে বিশ্বাসই করতে পারেনি বাংলাদেশে বসে ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা সম্ভব, কিন্তু আমরা বিশ্বাস হারাইনি।

‘সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, এখনই হয়তো বিশ্বমানের অ্যানিমেশন বানানো সম্ভব নয়। তবে আমরা যাত্রাটা শুরু করেছি।’

পরিচালক আরও বলেন, “শত সীমাবদ্ধতার মধ্যে সেরা কাজ করার চেষ্টা করেছি। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা ওয়ার্কশপ করে অ্যানিমেটর তৈরি করেছি। আমি বিশ্বাস করি সামনে এরাই দেশের অ্যানিমেশন শিল্পের দৃশ্যপট বদলে দেবে এবং এই নতুন দিনের সূচনাটা হচ্ছে ‘মুজিব আমার পিতা’ বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার মধ্যে দিয়ে।”

সংবাদ সম্মেলনে স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল ঘোষণা করেন, তাদের সব শাখায় টিকিটের দাম অর্ধেক রাখা হবে।

শেয়ার করুন

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

গায়ক কবীর সুমন। ফাইল ছবি

ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না। বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ।’

মরণোত্তর দেহদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। গত বুধবার ৭২ বছর বয়সি এ শিল্পী দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করেন। বৃহস্পতিবার সেই অঙ্গীকারপত্রের ছবি নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি।

খবরটি দুই বাংলার সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশ পায়। সুমনের দাবি, সে সংবাদে বাংলাদেশের সংবাদকর্মীরা তাকে ‘জীবনমুখী গানের শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শিল্পী শনিবার তার ফেসবুকে করা পোস্টে এমন দাবি করেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না।

‘বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ। তারা প্রায় সব সময় আমার নামের আগে এই কথা প্রয়োগ করে থাকেন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মহান শিল্পী শ্রীযুক্ত নচিকেতা চক্রবর্তীর গানের ক্যাসেটে ওই কথাটি ছিল, থাকত: জীবনমুখী বাংলা গান বা গান। আমার গানের কোনো অ্যালবামে ওই কথাটি ছিল না; থাকে না। দয়া করে আমার নামের আগে ওই কথাগুলি লিখবেন না। দয়া করে।’

ভিডিওতে সুমন জানান, তিনি সব সময় আধুনিক বাংলা গান নিয়ে কাজ করে এসেছেন। আর এখন বাংলা খেয়াল নিয়ে কাজ করছেন।

শেয়ার করুন

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

নির্মাতা এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম। ফাইল ছবি

‘গলুই’ ও ‘গুনিন’ এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন কাজ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছেন সরকারি অনুদান। অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’ সিনেমা। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন তারা।

দেশের দুই খ্যাতিমান নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং এস এ হক অলিক। দুজনই তাদের নতুন সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নতুন সিনেমা গলুই-এর দৃশ্যধারণ করতে অলিক এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদারবাড়িতে।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন সেলিম ১০ অক্টোবর থেকে দৃশ্যধারণে যাবেন। তিনি গুনিন নামে একটি ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করবেন।

গলুইগুনিন অলিক ও সেলিমের নতুন কাজ। অথচ দুজনের কাছেই পুরনো কাজ জমা পড়ে আছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছিলেন সরকারি অনুদান।

সরকারি অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন ওই দুই পরিচালক। কিন্তু কেন?

দুজন পরিচালকই নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, তাদের কাজ শুরু করার প্রধান অন্তরায় ছিল করোনা পরিস্থিতি।

অলিক বলেন, ‘যোদ্ধা সিনেমার দৃশ্যধারণ শীতে করতে হবে। গত শীতে করোনার কারণে করা সম্ভব হয়নি। আগামী শীতে করতে পারব আশা করি। গলুই-এর পরেই যোদ্ধার কাজ ধরার ইচ্ছা আছে।’

সেলিম বলেন, ‘প্রথমত, সিনেমাটি করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছি। দ্বিতীয়ত, কাজলরেখা বড় বাজেটের সিনেমা। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সিনেমা নির্মাণের জন্য টাকা পাওয়া কঠিন। তাই কাজটি ধরা হয়নি।’

অলিকের মতো সেলিমও জানান, গুনিন-এর কাজ শেষ করেই কাজলরেখার কাজ শুরু করবেন।

সিনেমা নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ‘শ্যামা কাব্য’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি। এটিও ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া।

শেয়ার করুন

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

অভিনয়শিল্পী বাপ্পী ও জাহারা মিতু। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরিচালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

এফডিসিতে শুরু হয়েছে জয় বাংলা সিনেমার শুটিং। শনিবার ছিল সিনেমাটির দৃশ্যধারণের প্রথম দিন। এতে অভিনয় করছেন বাপ্পী চৌধুরী ও জাহারা মিতু। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কাজী হায়াৎ।

দৃশ্যধারণ শেষে সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে। সিনেমার শুটিংয়ের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা জানান তারা।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমি দেড় বছর পর সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালাম। কমান্ডোর শুটিংয়ের পর আর কাজ করিনি। এর মধ্যে কিছু ফটোশুট করেছি।’

তবে বাপ্পী এর মধ্যেও সিনেমার জন্য কিছু দৃশ্যধারণে অংশ নিয়েছেন। তবে নতুন কাজে নতুন অভিজ্ঞতা তার।

বাপ্পী বলেন, ‘জয় বাংলা পিরিয়ডিক্যাল একটি সিনেমা। এখানে আমার লুক ও পোশাকে ভিন্নতা থাকছে।’

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরচিালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

সিনেমার প্রেক্ষাপট ১৯৬৮ থেকে ৭১। সেই সময়ের সাজপোশাকেই দেখা যাবে অভিনয়শিল্পীদের।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমরা সিনেমায় কোনো মেকআপ ব্যবহার করছি না। আমি প্রথমে একটু অবাক হলেও পরে বুঝতে পেরেছি যৌক্তিক কারণেই এটা করা হচ্ছে। কাজী হায়াৎ গুণী পরিচালক, তিনিও খুব যত্ন নিয়ে সব বুঝিয়ে দিচ্ছেন।’

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সিনেমা হলেওে উপন্যাসের মতো সিনেমাতেও দেখানো হচ্ছে না।

বাপ্পী ও মিতু জুটির এটি দ্বিতীয় সিনেমা। এর আগে যন্ত্রণা নামের একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন তারা। সেই সিনেমার অল্প কিছু দৃশ্যধারণ হয়েছে।

শেয়ার করুন

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

লেক্সি লুনা নামের পর্নস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে মহাকাশে বিশেষ ভিডিওটির জন্য। ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা যখন চলছে, তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রিও সেখানে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে। লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য।

মহাকাশ এক বিস্ময়। সেখানে কী আছে, তা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গবেষণার জন্য কিছু মানুষ যান, থাকেন। তবে সেই জীবন নির্ভর করে গাণিতিক সমীকরণের ওপর। বিশ্ববাসীর তাই জায়গাটি নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই।

মহাকাশের নানা দৃশ্য দর্শকরা দেখেছেন বিদেশি সিনেমায়। তবে তার সবটুকুই গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশনে করা বা সেট তৈরি করে নির্মিত। স্পেসে গিয়ে দৃশ্যধারণের ঘটনা এখনও ঘটেনি মানব-ইতিহাসে। আর এমন প্রতিকূল পরিবেশে দৃশ্যধারণ সম্ভব কি না তা নিয়েও ছিল না কোনো ধারণা।

তা ছাড়া যেখানে মহাকাশ নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণাই অনেক সময় ও অর্থের ব্যাপার, সেখানে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণ তো অকল্পনীয়।

তবে দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলে কিছু অগ্রগতি এসেছে মহাকাশে নানা রকম কাজের ব্যাপারে। তাই এখন বিপুল অর্থের বিনিময়ে হলেও দর্শকদের আরও রোমাঞ্চিত করতে ও নতুন দৃশ্য দেখানোর কথা ভাবছেন কেউ কেউ।

এই যেমন টম ক্রুজকে নিয়ে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণের ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২০ সালের মে মাসে এমন কাজ করার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে নাসা। স্পেস স্টেশনের বাইরে সেই শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে সেটি বাস্তবায়ন হয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করেনি নাসা বা আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যম।

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রি মহাকাশে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

চলতি মাসেই মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অক্টোবর মাসেই মহাকাশে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার দৃশ্যধারণ করবে দেশটি। এর জন্য একজন পরিচালক ও অভিনেত্রী যাবেন মহাকাশে। সিনেমার নাম দ্য চ্যালেঞ্জার

সিনেমার জন্য এসব পরিকল্পনা যখন চলছে, তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রিও মহাকাশে পর্নোগ্রাফি দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। ছবি:সংগৃহীত

লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য। এরই মধ্যে লেক্সির জন্য টিকিটের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে।

যে সংস্থাটি লেক্সিকে পাঠাচ্ছে সেই সংস্থার রব কেমিনোফি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে যখন মহাকাশে যাওয়ার বিকল্প রাস্তা তৈরি হয়েছে। আমরাও চাই মহাকাশে যেতে। এর জন্য আমরা লেক্সি লুনাকে সেখানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

শেয়ার করুন