জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে লড়তে পারে ১৫ সিনেমা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে লড়তে পারে ১৫ সিনেমা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে অংশ নিতে প্রযোজকদের আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রযোজকরা আবেদনের ফরম/ছক বিনা মূল্যে বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। আবেদনের ফরম সেন্সর বোর্ডের ওয়েবসাইট www.bfcb.gov.bd থেকে ডাউনলোড করেও ব্যবহার করা যাবে।

দেশের সিনেমার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এতে অংশ নিতে ২০২০ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রের প্রযোজকদের আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০-এর জন্য চলচ্চিত্রের আবেদনপত্র ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।

উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালে মুক্তি পেয়েছে ১৫টি সিনেমা। যদি সবগুলো সিনেমা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে জমা পড়ে, তাহলে এবার ১৫টি সিনেমার মধ্য থেকেই ২৮টি বিভাগে দেয়া হবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

সিনেমা ১৫টি হলো- জয় নগরের জমিদার, গণ্ডি, বীর, হৃদয় জুড়ে, চল যাই, শাহেনশাহ, হলুদবনি, সাহসী হিরো আলম, ঊনপঞ্চাশ বাতাস, রংবাজি -দ্য লাফাঙ্গা, বায়োগ্রাফি অব নজরুল (প্রামাণ্য চলচ্চিত্র), বিশ্বসুন্দরী, রূপসা নদীর বাঁকে, নবাব এলএলবি, গোর।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রযোজকরা আবেদনের ফরম/ছক বিনা মূল্যে বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। আবেদনের ফরম সেন্সর বোর্ডের ওয়েবসাইট www.bfcb.gov.bd থেকে ডাউনলোড করেও ব্যবহার করা যাবে।

প্রত্যেক আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চলচ্চিত্রের যথাযথ মানসম্পন্ন সিডি/ডিভিডি/পেনড্রাইভ জমা দিতে হবে। কোনো সিডি/ডিভিডি/পেনড্রাইভ মানসম্মত না হলে তা বিবেচনা না করার ক্ষমতা জুরি বোর্ডের আছে।

প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য পৃথকভাবে আবেদনপত্র ও সিডি/ডিভিডি/পেনড্রাইভ জমা দিতে হবে। পুরস্কারের জন্য প্রস্তাবিত শিল্পী/কলাকুশলী/ব্যক্তির জীবনবৃত্তান্ত (বাংলা), জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), শিশুদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সঙ্গে অবশ্যই জমা দিতে হবে।

অংশগ্রহণকারী প্রযোজকদের তাদের নিজ নিজ চলচ্চিত্রের একটি উন্নতমানের সিডি/ডিভিডি/পেনড্রাইভ এবং নির্ধারিত ছকে প্রযোজক, পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পী ও কলাকুশলীদের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বরসহ জীবনবৃত্তান্ত (বাংলায়), চলচ্চিত্রের কাহিনি সংক্ষেপ, গানের কথা ইত্যাদি প্রতিটির ১৫ (পনেরো) সেট ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড ও সদস্যসচিব, জুরি বোর্ড, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০, তথ্য ভবন (লেভেল ১৩ ও ১৪), ১১২ সার্কিট হাউস রোড, রমনা, ঢাকা ১০০০-এই ঠিকানায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে হবে।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আরও যা শর্ত রয়েছে-

ক) কেবল বাংলাদেশি নাগরিকগণ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন;

(খ) আজীবন সম্মাননা পুরস্কারের জন্য জীবিত ব্যক্তিদেরকে বিবেচনা করা হবে;

(গ) যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে। তবে যৌথ প্রযোজনা চলচ্চিত্রের বিদেশি শিল্পী এবং কলাকুশলীগণ পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না;

(ঘ) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিবেচনাযোগ্য চলচ্চিত্রকে অবশ্যই বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সেন্সর সনদপত্র প্রাপ্ত এবং বিবেচ্য বছরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তিপ্রাপ্ত হতে হবে। স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না, তবে তা ২০২০ সালে সেন্সর সনদপত্র প্রাপ্ত হতে হবে;

(ঙ) পুরস্কারযোগ্য প্রতিটি শাখায় গুণগত ও শৈল্পিক মানে শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হবে; (চ) দেশীয় প্রেক্ষাপট, পরিচালকের মৌলিকত্ব ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর বহনকারী চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে;

(ছ) জুরি বোর্ডের বিবেচনার জন্য প্রতিটি নৃত্যের জন্য পৃথকভাবে নৃত্য পরিচালকের নাম উল্লেখ করতে হবে। একইভাবে প্রতিটি গানের (পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন) জন্য পৃথকভাবে গায়ক, গায়িকা, গীতিকার এবং সুরকারের নাম উল্লেখ করতে হবে;

(জ) কাহিনির ক্ষেত্রে দেশি বা বিদেশি লেখক/প্রকাশকের অনুমতি (কপিরাইট) নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে; (ঝ) বিদেশি চলচ্চিত্রের কপিরাইট নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র এবং রিমেক (Remake) চলচ্চিত্রের কাহিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে না;

(ঐ) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য অংশগ্রহণকারী কোনো চলচ্চিত্রে সেন্সরবিহীন কোনো দৃশ্য সংযোজন এবং সেন্সরকৃত কোনো অংশ বিয়োজন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হলে চলচ্চিত্রটি পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে না;

(ট) সংশ্লিষ্ট চলচ্চিত্রের প্রধান প্রধান দৃশ্য/সংলাপসংবলিত বিষয়বস্তুর ওপর ৫ মিনিটের (কম/বেশি) ১টি সিডি/ডিভিডি/পেনড্রাইভ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য জমাকৃত চলচ্চিত্রটির সঙ্গে জমা দিতে হবে। (ঠ) সংশ্লিষ্ট চলচ্চিত্রের প্রযোজক কর্তৃক যে সকল শিল্পী ও কলাকুশলীদের পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেয়া হবে তাদের নাম চলচ্চিত্রের টাইটেলে উল্লেখ থাকতে হবে।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০ সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জয়া-বাঁধন-মিথিলাকে ঘিরে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে টালিউডে

জয়া-বাঁধন-মিথিলাকে ঘিরে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে টালিউডে

বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া, মিথিলা ও বাঁধন ঘিরে টালিউড অভিনেত্রীদের মাঝে ক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নায়িকা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত।’

অনেক বছর ধরেই টালিউডে কাজ করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সম্প্রতি এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন দেশের আরও দুই গুণী অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও আজমেরী হক বাঁধন।

২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া আবর্ত সিনেমা দিয়ে টালিউডে যাত্রা শুরু হয়েছিল জয়ার। এরপর জয়া অভিনীত মুক্তি পাওয়া সিনেমার মধ্যে রয়েছে রাজকাহিনী, বিসর্জন, বিজয়া, কণ্ঠ, বিনিসুতোয়। এ ছাড়া জয়ার গোটা তিনেক সিনেমা এখনও মুক্তির অপেক্ষায়।

এদিকে রেহেনা মরিয়ম নূর খ্যাত অভিনেত্রী বাঁধন অভিনীত সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ় রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি মুক্তি পেয়েছে সম্প্রতি। এতে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন বাঁধন।

অন্যদিকে পরপর মায়াঅ‌্যা রিভার ইন হেভেন নামের দুই সিনেমায় যুক্ত হয়ে বেশ পাকাপোক্তভাবেই টালিউডে নাম লিখিয়েছেন মিথিলা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন অভিনেত্রীর এভাবে টানা কাজ করা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন টালিউডের অনেক অভিনেত্রী।

জয়া-মিথিলা-বাঁধনরা টালিউডের যে ঘরনার সিনেমাতে কাজ করছেন, এই ঘরানার সিনেমায় এর আগে সাধারণত পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রাইমা সেনদের দেখা যেত।

অন্যদিকে টালিউডের মূলধারার বাণিজ্যিক সিনেমার চাহিদা কমে যাওয়ায় শুভশ্রী, শ্রাবন্তী, মিমি চক্রবর্তী, নুসরাতও ঝুঁকেছেন ভিন্ন ধারার সিনেমার দিকে। ফলে অল্প পরিসরে প্রতিযোগিতা বেশি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নায়িকা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত।’

জয়া আহসান অবশ্য এই প্রতিযোগিতা নিয়ে ভাবতে চান না। তার মতে, কাজের সুযোগ সবারই আছে।

আনন্দ প্লাসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা তো ভালোই। আমার মতে শিল্পের কোনো সীমারেখা থাকা উচিত নয়।’

এদিকে দুই বাংলার শিল্পের আদান-প্রদানের ওপরে জোর দিলেন মিথিলা।

মিথিলা বলেন, ‘কেউ কারও কাজ, জায়গা কেড়ে নিতে পারে বলে মনে হয় না। সবাই নিজের যোগ্যতা দিয়ে কাজ পাচ্ছেন। আমি বৈবাহিক সূত্রে কলকাতায় থাকছি, তাই এখানেই কাজ করছি এখন। তবে আমি এখানে সদ্য কাজ শুরু করেছি। আমাকে বোধহয় কারও প্রতিযোগী হিসেবে দেখাটা ঠিক হবে না।’

সেই সঙ্গে মিথিলা মনে করিয়ে দিলেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়সহ অনেকেই বাংলাদেশে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশের সিনেমা কমান্ডোতে কাজ করেছেন দেব। আবার কলকাতায় গিয়ে একাধিক নায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া।

বাংলাদেশে কাজ করেছেন টালিউডের এমন এক নায়িকা বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশের শিল্পীরা যত সুযোগ পান, সেই তুলনায় বাংলাদেশে আমাদের কাজের সুযোগ বেশ কম।’

এসব নিয়ে বাঁধন মনে করেন, এই চর্চাগুলো অভিনেত্রীদের ওপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে।

তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ থেকে অভিনেত্রীরা এসে কাজ করায় টালিউডের কিছু অভিনেত্রীর মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আসলে আমাদের সমাজ এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে দেয়। বিশেষ করে নারীদের ওপরেই বেশি চাপ তৈরি করা হয়। কেন এই চাপগুলো আমাদের নিতে হবে?

‘এগুলো এড়িয়ে ভালো দিকগুলো ভাবলে, সবারই ভালো হবে। সবাই যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন। কথাটা কলকাতা-বাংলাদেশ সব ইন্ডাস্ট্রির নিরিখেই বলছি।’

শেয়ার করুন

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি

‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ভারতে কনসার্ট প্রসঙ্গে ‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত এই গায়িকা বলেন, ‘ভারত থেকে এত ভালোবাসা পেয়ে আমি আপ্লুত। আগামী কনসার্ট নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। ভারতে লাইভ পারফর্ম করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

‘মানিকে মাগে হিতে’ শিরোনামের এক গান গেয়ে উপমহাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনসেশন হয়ে ওঠা শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা এবার ভারতের দুই কনসার্টের আমন্ত্রণ পেয়েছেন।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতের হরিয়ানার গুরুগ্রামে ও ৩ অক্টোবর হায়দরাবাদে পারফর্ম করবেন ইয়োহানি।

ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজের এক খবরে বলা হয়েছে, জি লাইভের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘সুপারমুন হ্যাশট্যাগ নিউ ট্রেন্ডিং’-এর ব্যানারে হবে এই কনসার্ট দুটি। এমনকি ইয়োহানির দুই কনসার্ট দিয়েই যাত্রা শুরু হবে প্ল্যাটফর্মটির।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইয়োহানি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে বলিউডে গান গাইতে চান তিনি। বলিউডে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই হিন্দি ভাষাও শিখছেন তিনি।

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি
ভারতের কনসার্ট করবেন ‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ভারতে কনসার্ট প্রসঙ্গে গায়িকা বলেন, ‘ভারত থেকে এত ভালোবাসা পেয়ে আমি আপ্লুত। আগামী কনসার্ট নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। ভারতে লাইভ পারফর্ম করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি
‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা কনসার্ট করবেন ভারতে। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ইয়োহানি নিজেই গান লেখেন, সুর করেন এবং কণ্ঠ দেন। শ্রীলঙ্কায় এখন তাকে ‘র‌্যাপ প্রিন্সেস’ বলা হচ্ছে।

যে গানটি দিয়ে ইয়োহানির জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী, সেই ‘মানিকে মাগে হিতে’র ভিউ এই এখন ১১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। গানটি গত ২২ মে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করেন ইয়োহানি।

শেয়ার করুন

অবশেষে পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত শিল্পার স্বামী

অবশেষে পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত শিল্পার স্বামী

পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। ছবি: সংগৃহীত

সবশেষ ২০ সেপ্টেম্বর মুম্বাই হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। সোমবার ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি এই মামলার দেড় হাজার পাতার চার্জশিট দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। এই মামলাতে মুম্বাই পুলিশের কাছে বয়ানও দিয়েছেন শিল্পা।

পর্নো ছবি বানানো ও তা বিশেষ অ্যাপের ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারের ২ মাস পর অবশেষে জামিনে মুক্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা।

গত ১৯ জুলাই গ্রেপ্তার হন রাজ কুন্দ্রা। এরপর একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ করে দেয় আদালত।

সবশেষ ২০ সেপ্টেম্বর মুম্বাই হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। সোমবার ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি এই মামলার দেড় হাজার পাতার চার্জশিট দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। এই মামলাতে মুম্বাই পুলিশের কাছে বয়ানও দিয়েছেন শিল্পা।

গ্রেপ্তারের পর উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পিটিশন করেছিলেন রাজ কুন্দ্রা। মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, এই গ্রেপ্তার অবৈধ।

অবশেষে পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত শিল্পার স্বামী
পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। ছবি: সংগৃহীত

যদিও এর আগেই আদালত থেকে জানানো হয়, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পক্ষ থেকে রাজ কুন্দ্রাকে পুলিশ হেফাজতে দেয়ার নির্দেশে কোনো ভুল নেই।

সেই সময়ে রাজের আইনজীবী জানিয়েছেন, তার মক্কেলের গ্রেপ্তারি আইনসম্মত নয় এবং সুবিচারের জন্য তারা উচ্চ আদালতে যাবেন। অবশেষে সোমবার ৫০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন রাজ কুন্দ্রা।

শেয়ার করুন

ভুয়া খবরে হতাশ বাপ্পি লাহিড়ী

ভুয়া খবরে হতাশ বাপ্পি লাহিড়ী

সংগীতশিল্পী বাপ্পি লাহিড়ী। ছবি: সংগৃহীত

বাপ্পির ছেলে বাপ্পা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার বাবা এখনও দুর্বল। ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায় ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। তবে যে খবর ছড়িয়েছে, সেটা ভুয়া। চিকিৎসকরা বাপ্পির কণ্ঠকে বিশ্রাম দিতে বলেছেন। দুর্গাপূজার আগেই বাপ্পি ঠিক হয়ে যাবেন বলে জানান বাপ্পা।

‘অমর সঙ্গী’, ‘ডিস্কো ডান্সার’-খ্যাত সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর করোনা হয়েছিল সম্প্রতি। সংক্রমণ থেকে রেহাই পেয়েছেন।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে কণ্ঠস্বর নষ্ট হয়ে গিয়েছে তার- এমন খবর শোনা গিয়েছিল। কয়েক দিন আগে এমনই খবর ছড়িয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

স্বাভাবিকভাবেই এমন খবরে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন অন্য সংগীতশিল্পী থেকে সাধারণ মানুষ।

অবশেষে সোমবার ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বাপ্পি। তিনি লেখেন, ‘আমি কথা বলতে পারছি না, কণ্ঠস্বর নষ্ট হয়ে গেছে- এসব কথা মিথ্যা। এমন কথায় আমি হতাশ। কিচ্ছু হয়নি আমার। সবার ভালোবাসা, আশীর্বাদে ভালোই আছি।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সাবধানতা মেনে চলার পরও এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হন গায়ক। আচমকাই গুজব ছড়ায়, আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে পাঁচ মাস নাকি কথা বন্ধ শিল্পীর। শারীরিক অবস্থারও অবনতি হয়েছে।

বাপ্পির ছেলে বাপ্পা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার বাবা এখনও দুর্বল। ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায় ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। তবে যে খবর ছড়িয়েছে, সেটা ভুয়া। চিকিৎসকরা বাপ্পির কণ্ঠকে বিশ্রাম দিতে বলেছেন। দুর্গাপূজার আগেই বাপ্পি ঠিক হয়ে যাবেন বলে জানান বাপ্পা।

অসুস্থতার খবর পেয়ে এপ্রিলে লস এঞ্জেলেস থেকে মুম্বাই ফিরে আসেন বাপ্পি লাহিড়ীর ছেলে।

বাপ্পা আরও জানিয়েছেন, দুর্বলতার কারণেই আপাতত হুইলচেয়ারে বসে চলাফেরা করছেন বাপ্পি। পূজার সময় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে একটি গানের রেকর্ডিংয়ের কথা আছে বাপ্পি লাহিড়ীর।

শেয়ার করুন

ফোক স্টেশনে আঁখি আলমগীর

ফোক স্টেশনে আঁখি আলমগীর

ফোক স্টুডিওতে আঁখি আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ২৫ মিনিটে নতুন ভাবে শুরু হয় ফোক স্টেশন সিজন ৪। আঁখি আলমগীরের গান নিয়ে দ্বিতীয় পর্বটি প্রচার হবে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১ ২৫ মিনিটে।

ফোক গান বা লোক গান তো অনেক গেয়েছেন, তবে এবার প্রথমবারের মতো ফোক স্টেশনে গাইলেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর।

ফোক স্টেশন সিজন ৪ এর দ্বিতীয় পর্বে তাকে দেখা ও শোনা যাবে। সংগীত পরিচালক জে কে মজলিশের সংগীত পরিচালায় গেয়েছেন আঁখি আলমগীর।

মোট ৬টি লোক গান গেয়েছেন আঁখি। গানগুলো হলো ‘আইছে দামান সাহেব মিয়া’, ‘বসন্ত আসিল শখি’, ‘হায় বাঙালি’, ‘সাগর কূলের নাইয়া’, ‘হলুদ বাটো মেন্দি বাটো’, ‘বন্ধু কাজল ভ্রোমরা রে’।

১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ২৫ মিনিটে নতুন ভাবে শুরু হয় ফোক স্টেশন সিজন ৪। আঁখি আলমগীরের গান নিয়ে দ্বিতীয় পর্বটি প্রচার হবে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১ ২৫ মিনিটে।

প্রতি শুক্রবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আরটিভির পর্দায় প্রচারিত হয় অনুষ্ঠানটি। টিভি অনএয়ারের পর গানগুলো ইউটিউবে আরটিভি মিউজিক চ্যানেলে পাওয়া যায়।

ফোক স্টেশনে আঁখি আলমগীর
নিজের ফ্যাশন হাউজের পোশাকে আঁখি আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

গানের পাশাপাশি ‘মখমল’ নামে একটি ফ্যাশন হাউজ চালু করেছেন কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর। নিজের প্রতিষ্ঠানে তিনিই প্রধান নকশাকার। এর মধ্য দিয়ে আরেকটি নতুন পরিচয় যুক্ত হয়েছে তার নামের পাশে। এই প্রতিষ্ঠানের মডেল হিসেবেও দেখা গেছে তাকে।

শেয়ার করুন

মাহফুজুরের সঙ্গে বিচ্ছেদ, ইভার নতুন সংসার

মাহফুজুরের সঙ্গে বিচ্ছেদ, ইভার নতুন সংসার

মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে ইভা (বাঁয়ে), নতুন স্বামী সোহেল আরমানের সঙ্গে ইভা (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

‘১৯ সেপ্টেম্বর রাতে আমাদের বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আর আমাকে ইভা রহমান নয়, ইভা আরমান বলবেন।’

এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে আলোচিত সংগীতশিল্পী ইভা রহমানের বিচ্ছেদের বিষয়টি জানা গেল তার নতুন সংসার শুরুর পর।

রোববার ব্যবসায়ী সোহেল আরমানকে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করেছেন ইভা। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।

এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘১৯ সেপ্টেম্বর রাতে আমাদের বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আর আমাকে ইভা রহমান নয়, ইভা আরমান বলবেন।’

ইভার নতুন সঙ্গী সোহেল আরমান ঢাকার বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ী।

দেশের আরেক সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী ইভার বিয়ের একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। তিনিও বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি একটি ছবি দিয়েছি ফেসবুকে। সেখানে তো দেখাই যাচ্ছে ইভার বিয়ে হয়েছে। এর বেশি কিছু আমি জানি না। আমাকে ছবিটি পাঠিয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক।’

ইভা এর আগে বিয়ে করেছিলেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে।

তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তালাকনামা হাতে পান ইভা।

এখন পর্যন্ত ইভার ৩০টির মতো অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে। অ্যালবামগুলো থেকে বাছাই করা গানের মিউজিক ভিডিও নির্মিত হয়েছে দেশে-বিদেশে।

শেয়ার করুন

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

০০৭ কোড ধারী অভিনেত্রী লাসানা রাশেদা লিঞ্চ। ছবি: সংগৃহীত

ড্যানিয়েলের জায়গাতেই দেখা যাবে নারী গুপ্তচর লাসানাকে। তবে তার নাম জেমস বন্ড হবে না। তিনি ০০৭ পদের দায়িত্বে কাজ করবেন। লাসানার জন্ম ১৯৮৭ সালে লন্ডনে। তিনি ব্রিটিশ অভিনেত্রী তিনি।

লাসানা রাশেদা লিঞ্চ। ব্রিটিশ মহলে তিনি বেশ পরিচিত হলেও অন্য মহলের খুব অল্প মানুষই তাকে চেনেন। সিনেমাপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নেয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে নিজের নামে নয়, জেমস বন্ড নামে।

এ বার লাসানাকেও দেখা যাবে জেমস বন্ড এর ভূমিকায়। সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নো টাইম টু ডাই সিনেমাটি। তাতে ৩৩ বছরের লাসানাকে এমআই ৬ এজেন্ট বা ০০৭ কোড ধারীর ভূমিকায় দেখা যাবে।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

সিনেমায় তার চরিত্রের নাম নোমি। ধারণা করা হচ্ছে জেমস বন্ড এর উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন তিনি।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

এর মাধ্যমে প্রথম বার পর্দায় দেখা যাবে কোনো নারী জেমস বন্ডকে।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

অন্যদিকে জেমস বন্ড সিরিজের নো টাইম টু ডাই এ শেষ বারের মতো বন্ড এর ভূমিকায় দেখা যাবে ড্যানিয়েল ক্রেগকে।

ড্যানিয়েলের জায়গাতেই দেখা যাবে নারী গুপ্তচর লাসানাকে। তবে তার নাম জেমস বন্ড হবে না। তিনি ০০৭ পদের দায়িত্বে কাজ করবেন।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

লাসানার জন্ম ১৯৮৭ সালে লন্ডনে। তিনি ব্রিটিশ অভিনেত্রী তিনি। ২০১৭ সালের স্টিল স্টার ক্রসড এবং ২০১৯ সালের ক্যাপ্টেন মার্ভেল এ অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

জেমস বন্ড সিরিজে অভিনয়ের জন্য একাধিক বার অডিশন দিয়েছেন তিনি। সিনেমার সমস্ত স্টান্ট নিজেই করেছেন লাসানা।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

পর্দায় লাসানার অভিষেক হয় ২০১২ তে। ফাস্ট গার্লস নামে একটি ছবিতে। তার অভিনীত অন্য সিনেমাগুলো হলো সাইলেন্ট উইটনেস, ডেথ ইন প্যারাডাইস

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

ড্যানিয়েল ক্রেগের যোগ্য উত্তরসূরি হয়ে উঠতে পারবেন কি না তা সময়ই বলে দেবে।

শেয়ার করুন