অবস্থান একই আছে, কোনো মিথ্যাচার নাই: জায়েদ

অবস্থান একই আছে, কোনো মিথ্যাচার নাই: জায়েদ

পরীমনি ইস্যুতে জ্যেষ্ঠশিল্পীদের নিয়ে কোনো মিথ্যাচার করেননি বলে দাবি জায়েদ খানের। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কারণে পরীমনির সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। তিনি যদি নির্দোষ হয়ে ফিরে আসেন, তাহলে তাকে বরণ করে নেয়া হবে। আর দোষী হলে স্থায়ীভাবে সদস্যপদ বাতিল হবে বলে নিউজবাংলাকে জানান জায়েদ খান।

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি ৫ আগস্ট গ্রেপ্তারের পর ৭ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। সেখানে নেতারা ঘোষণা দেন সমিতিতে পরীমনির সদস্যপদ সাময়িক স্থগিতের।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেছিলেন, ‘আমরা একটা জরুরি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি কার্যনির্বাহী পরিষদের সবাই মিলে। আমাদের উপদেষ্টারাও সেখানে যুক্ত ছিলেন। আমাদের শ্রদ্ধেয় সোহেল রানা, ইলিয়াস কাঞ্চন, উজ্জ্বল ভাই, আলমগীর ভাই, ফারুক ভাই অসুস্থ, মাসুম বাবুল, সবাই মিলে এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেটা পড়ে শোনাবেন আমাদের সভাপতি মিশা সওদাগর।’

জ্যেষ্ঠদের সঙ্গে পরীমনির সদস্যপদ নিয়ে কথা হয়েছে উল্লেখ করলেও জ্যেষ্ঠ শিল্পী উজ্জ্বল, ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তারা পরীমনির সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করতে বলেননি।

অভিনয়শিল্পী, প্রযোজক, পরিচালক সোহেল রানা স্থগিতের পক্ষে ছিলেন বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমে।

আর অভিনেতা, পরিচালক আলমগীরের সঙ্গে এ বিষয়ে কথাই হয়নি বলে গণমাধ্যমকে জানান তিনি।

জ্যেষ্ঠদের মধ্যে শুধু একজন পরীমনির সদস্যপদ সাময়িক স্থগিতের পক্ষে থাকার পরও কেন সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করা হলো, জানতে চাইলে জায়েদ খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের সিনিয়রদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তার প্রমাণ তারা নিজেরাই দিয়েছেন। তারা আমাদের কী বলেছেন সেটা তারা গণমাধ্যমে জানিয়েছেনও, কিন্তু আমি এসব বিষয় বলতে চাই না।

‘তারা আমাদের যা বলেছেন সেসব কথা নিয়ে আমরা কার্যনির্বাহী পরিষদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্তটা নিয়েছি এবং এটা কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত। এটা কিন্তু সিনিয়রদের সিদ্ধান্ত না।’

জায়েদ আরও বলেন, ‘সিনিয়রদের কাছ থেকে আমরা পরামর্শ নিয়েছি। কিন্তু তাদের কথায় আমরা সিদ্ধান্ত নিইনি, এটা কার্যনির্বাহী পরিষদ নিয়েছে। সিনিয়রদের কথায় যে আমরা সিদ্ধান্ত নেইনি, তার প্রমাণও আপনারা পেয়েছেন। কারণ তাদের দুই-তিনজনের মতামত যা গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, তার সঙ্গে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তের মিল নেই।’

জায়েদ খান তার কথায় জানিয়েছিলেন, পরীমনি ইস্যুতে জ্যেষ্ঠ অভিনেতা, পরিচালক আলমগীরের সঙ্গেও তাদের কথা হয়েছে। অথচ আলমগীর গণমাধ্যমে জানিয়েছেন তার সঙ্গে কোনো কথাই বলা হয়নি পরীমনিকে নিয়ে।

এ ব্যাপারে জায়েদের কাছে জানতে চাইলে জায়েদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা আমাদের উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি তো একা সবার সঙ্গে কথা বলিনি, মিশা ভাইও বলেছেন। আলমগীর ভাই শিল্পী সমিতির উপদেষ্টা নন, তারপরও আমরা তার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম; কিন্তু আমাদের কথা হয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনে পরীমনির সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করা হলেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন শিল্পী সমিতির নেতারা। তার কিছুই দৃশ্যমান নয় কেন?

জায়েদ বলেন, ‘আমরা এখনও পরীমনির পাশে আছি। আমাদের আইন উপদেষ্টা কাউসার হোসেন প্রতিদিনই কোর্টে যাচ্ছেন। কিন্তু খোঁজখবর নেয়া ছাড়া তার কিছু করার থাকছে না।’

জায়েদ খান আরও বলেন, ‘আমরা এখনও বলছি, পরীমনির কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে আমরা আছি তার পাশে। অর্থ, আইন, উকিল যা লাগে। প্রয়োজনের কথা তো বলতে হবে।’

জায়েদের দাবি, তারা প্রথম থেকেই একই অবস্থানে আছেন, একই রকম কথা বলছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের অবস্থান একই আছে। এখানে কোনো মিথ্যাচার নাই।’

সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কারণে পরীমনির সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। তিনি যদি নির্দোষ হয়ে ফিরে আসেন, তাহলে তাকে বরণ করে নেয়া হবে। আর দোষী হলে স্থায়ীভাবে সদস্যপদ বাতিল হবে বলে নিউজবাংলাকে জানান জায়েদ খান।

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অ্যানিমেশনে ‘পদ্মাপুরাণ’ সিনেমার টিজার

অ্যানিমেশনে ‘পদ্মাপুরাণ’ সিনেমার টিজার

পদ্মাপুরাণ সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার প্রকাশ।

পরিচালক বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি দর্শকদের নতুন কিছু দিতে। সিনেমা হলে গিয়ে দর্শক সিনেমা দেখবে, দেশের সিনেমা দেখবে, এটাই আমাদের আশা। পদ্মাপুরান আমাদের মাটি-জলের গল্প।’ 

রাশিদ পলাশের চলচ্চিত্র ‘পদ্মাপুরাণ’-এর অ্যানিমেশন টিজার প্রকাশ হয়েছে রোববার সন্ধ্যায়। পরিচালকের দাবি, বাংলাদেশে সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার এটাই প্রথম।

২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের টিজারটি প্রকাশ পেয়েছে লাইভ টেকনোলজির ইউটিউব চ্যানেলে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পরিচালক বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি দর্শকদের নতুন কিছু দিতে। সিনেমা হলে গিয়ে দর্শক সিনেমা দেখবে, দেশের সিনেমা দেখবে, এটাই আমাদের আশা। পদ্মাপুরান আমাদের মাটি-জলের গল্প।’

৮ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। বর্তমানে সিনেমার নির্মাতা ও কলাকুশলীরা ব্যস্ত আছেন ছবির প্রচারণার কাজে।

‘পদ্মাপুরাণ’-এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, প্রসূন আজাদ, শম্পা রেজা, জয়রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, কায়েস চৌধুরী, সূচনা শিকদার, রেশমী, হেদায়েত নান্নু, আশরাফুল আশিষ, সাদিয়া তানজিন।

নির্মাতা রাশিদ পলাশের হাতে রয়েছে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সিনেমা ‘প্রীতিলতা’। যার এখন পর্যন্ত ৩৫ ভাগ দৃশ্যধারণ শেষ। আগামী মাসের শেষের দিকে সিনেমার বাকি অংশের শুটিং হবে বলে জানান রাশিদ পলাশ।

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন

তাকে চেনা যায়?

তাকে চেনা যায়?

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোট বেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নীল, সাদা স্কুলপোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন অভিনেত্রী। পাশে সাদা জামায় তার বান্ধবী। দুজনেরই সরল হাসিমুখ। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাঝেমধ্যেই শৈশবের ছবি প্রকাশ করেন বলিউড তারকারা। সেসব ছবি প্রকাশের পরপরই আলোচনা শুরু হয় ভক্ত মহলে।

এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন বলিউডের আলোচিত এক অভিনেত্রী।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নীল, সাদা স্কুলপোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন অভিনেত্রী। পাশে সাদা জামায় তার বান্ধবী। দুজনেরই সরল হাসিমুখ।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোটবেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ছবিটির ডান পাশে যে শিশুটিকে দেখা যাচ্ছে, তিনিই বর্তমানের বলিউড ‘কুইন’ কঙ্গনা রানাউত।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ছবির ক্যাপশনে কঙ্গনা লিখেন, ‘হিল ভিউ নামে উপত্যকার ছোট্ট স্কুল...সাল ১৯৯৮। হিমাচল প্রদেশ।’

ছোটবেলার আরও একটি ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সে ছবিতে তাকে দেখা যাচ্ছে গোলাপি ও সবুজ রঙের লেহেঙ্গায়। এতেও তার সঙ্গে ছিল আরেক শিশু।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোটবেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

দ্বিতীয় ছবির বিষয়ে কঙ্গনা জানান, স্কুল থেকে পিকনিকে গিয়ে ছবিটি তুলেছেন।

হিমাচলের এক পাহাড়ি গ্রামেই বেড়ে ওঠা কঙ্গনার। তার পরিবার এখনও সেখানেই থাকেন। কাজের ফাঁকে সময় পেলেই নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

বলিউডে পরিচিত কেউ ছিল না কঙ্গনার। বাড়ির অমতেই অভিনয়ের জন্য মুম্বাই গিয়েছিলেন তিনি। সে অবস্থাতেই চ্যালেঞ্জিং ইন্ডাস্ট্রিতে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেন তিনি। সেসব কথা একাধিক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

অনুরাগ বসুর গ্যাংস্টার দিয়েই প্রথম পরিচিতি পান কঙ্গনা। আর মাধবনের বিপরীতে তানু ওয়েডস মানু ঘুরিয়ে দিয়েছিল তার ক্যারিয়ারের গ্রাফ।

পরে কুইন সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান কঙ্গনা। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনেমার দৃশ্যে ক্রিস। ছবি: সংগৃহীত

এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

ওটিটি জায়ান্ট নেটফ্লিক্সের তুমুল আলোচিত কনটেন্ট এক্সট্র্যাকশন। বাংলাদেশে এই ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। কারণ রাজধানী ঢাকাকে দেখানো হয়েছিল সিনেমায়।

মুক্তির পর সবচেয়ে বেশি দেখা নেটফ্লিক্স সিনেমা হয়ে ওঠে এক্সট্র্যাকশন। মুক্তির প্রথম চার সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী ৯৯ মিলিয়ন পরিবার দেখে সিনেমাটি।

২০২০-এর এপ্রিলে মুক্তি পায় এক্সট্র্যাকশন। সিনেমার শেষে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, আসবে দ্বিতীয় কিস্তি। শনিবার নেটফ্লিক্স আনুষ্ঠানিকভাবে জানাল, শিগগিরই আসছে এক্সট্র্যাকশন-টু। প্রকাশ করেছে একটি টিজারও।

টিজারটি শুরু হয়েছে প্রথম পর্ব যেখান থেকে শুরু হয়েছে, সেখান থেকেই। গুলিবিদ্ধ হয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন ক্রিস। টিজারে নদীর তলদেশ থেকে উঠে আসতে দেখা গেছে তাকে।

এক্সট্র্যাকশন-এর মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও থাকছেন থর খ্যাত ক্রিস হেমসওয়ার্থ, পরিচালনা করবেন স্যাম হারগ্রেভের আর প্রযোজক হিসেবে থাকছেন জো এবং অ্যান্থনি রুশো।

এখন প্রশ্ন হলো, এক্সট্র্যাকশনের মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও কি বাংলাদেশকে দেখা যাবে বা বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা থাকবে?

এ বিষয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা হয় এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খানের সঙ্গে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

‘মুজিব আমার পিতা’ নিয়ে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মাণ হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর এটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নির্মাণ হয় দেশের প্রথম ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র মুজিব আমার পিতা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে এটি নির্মাণ হয়।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর চলচ্চিত্রটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

আইসিটি বিভাগের অর্থায়নে নির্মিত সিনেমাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বরে প্রিমিয়ার হবে।

ওই দিন রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে বেলা তিনটায় হবে প্রিমিয়ার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

এর আগে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির কলাকুশলী ও সাংবাদিকদের নিয়ে একটি শো হয়।

সে প্রিমিয়ার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের গল্প পৌঁছে দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আমার মনে হয় ওদের জানানোর জন্য অ্যানিমেশনের চেয়ে ভালো মাধ্যম আর হতে পারে না।

‘একইভাবে বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা সম্পর্কে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো আর কেউ বলতে পারবে না। এই দুইয়ের যুগলবন্দি করা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে।’

চলচ্চিত্রটি নির্মাণে আইসিটি বিভাগ দুই কোটি টাকা দিয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, এ অর্থের পুরোটা খরচ হয়নি।

দেশের সর্ববৃহৎ টু-ডি অ্যানিমেশন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রোলেন্সার স্টুডিও এটি নির্মাণ করেছে।

৪৭ মিনিটের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে বলে জানান পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ রানা।

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কাজ শুরু করেছিলাম, অনেকে বিশ্বাসই করতে পারেনি বাংলাদেশে বসে ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা সম্ভব, কিন্তু আমরা বিশ্বাস হারাইনি।

‘সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, এখনই হয়তো বিশ্বমানের অ্যানিমেশন বানানো সম্ভব নয়। তবে আমরা যাত্রাটা শুরু করেছি।’

পরিচালক আরও বলেন, “শত সীমাবদ্ধতার মধ্যে সেরা কাজ করার চেষ্টা করেছি। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা ওয়ার্কশপ করে অ্যানিমেটর তৈরি করেছি। আমি বিশ্বাস করি সামনে এরাই দেশের অ্যানিমেশন শিল্পের দৃশ্যপট বদলে দেবে এবং এই নতুন দিনের সূচনাটা হচ্ছে ‘মুজিব আমার পিতা’ বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার মধ্যে দিয়ে।”

সংবাদ সম্মেলনে স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল ঘোষণা করেন, তাদের সব শাখায় টিকিটের দাম অর্ধেক রাখা হবে।

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

গায়ক কবীর সুমন। ফাইল ছবি

ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না। বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ।’

মরণোত্তর দেহদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। গত বুধবার ৭২ বছর বয়সি এ শিল্পী দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করেন। বৃহস্পতিবার সেই অঙ্গীকারপত্রের ছবি নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি।

খবরটি দুই বাংলার সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশ পায়। সুমনের দাবি, সে সংবাদে বাংলাদেশের সংবাদকর্মীরা তাকে ‘জীবনমুখী গানের শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শিল্পী শনিবার তার ফেসবুকে করা পোস্টে এমন দাবি করেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না।

‘বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ। তারা প্রায় সব সময় আমার নামের আগে এই কথা প্রয়োগ করে থাকেন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মহান শিল্পী শ্রীযুক্ত নচিকেতা চক্রবর্তীর গানের ক্যাসেটে ওই কথাটি ছিল, থাকত: জীবনমুখী বাংলা গান বা গান। আমার গানের কোনো অ্যালবামে ওই কথাটি ছিল না; থাকে না। দয়া করে আমার নামের আগে ওই কথাগুলি লিখবেন না। দয়া করে।’

ভিডিওতে সুমন জানান, তিনি সব সময় আধুনিক বাংলা গান নিয়ে কাজ করে এসেছেন। আর এখন বাংলা খেয়াল নিয়ে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

নির্মাতা এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম। ফাইল ছবি

‘গলুই’ ও ‘গুনিন’ এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন কাজ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছেন সরকারি অনুদান। অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’ সিনেমা। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন তারা।

দেশের দুই খ্যাতিমান নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং এস এ হক অলিক। দুজনই তাদের নতুন সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নতুন সিনেমা গলুই-এর দৃশ্যধারণ করতে অলিক এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদারবাড়িতে।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন সেলিম ১০ অক্টোবর থেকে দৃশ্যধারণে যাবেন। তিনি গুনিন নামে একটি ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করবেন।

গলুইগুনিন অলিক ও সেলিমের নতুন কাজ। অথচ দুজনের কাছেই পুরনো কাজ জমা পড়ে আছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছিলেন সরকারি অনুদান।

সরকারি অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন ওই দুই পরিচালক। কিন্তু কেন?

দুজন পরিচালকই নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, তাদের কাজ শুরু করার প্রধান অন্তরায় ছিল করোনা পরিস্থিতি।

অলিক বলেন, ‘যোদ্ধা সিনেমার দৃশ্যধারণ শীতে করতে হবে। গত শীতে করোনার কারণে করা সম্ভব হয়নি। আগামী শীতে করতে পারব আশা করি। গলুই-এর পরেই যোদ্ধার কাজ ধরার ইচ্ছা আছে।’

সেলিম বলেন, ‘প্রথমত, সিনেমাটি করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছি। দ্বিতীয়ত, কাজলরেখা বড় বাজেটের সিনেমা। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সিনেমা নির্মাণের জন্য টাকা পাওয়া কঠিন। তাই কাজটি ধরা হয়নি।’

অলিকের মতো সেলিমও জানান, গুনিন-এর কাজ শেষ করেই কাজলরেখার কাজ শুরু করবেন।

সিনেমা নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ‘শ্যামা কাব্য’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি। এটিও ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া।

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

অভিনয়শিল্পী বাপ্পী ও জাহারা মিতু। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরিচালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

এফডিসিতে শুরু হয়েছে জয় বাংলা সিনেমার শুটিং। শনিবার ছিল সিনেমাটির দৃশ্যধারণের প্রথম দিন। এতে অভিনয় করছেন বাপ্পী চৌধুরী ও জাহারা মিতু। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কাজী হায়াৎ।

দৃশ্যধারণ শেষে সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে। সিনেমার শুটিংয়ের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা জানান তারা।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমি দেড় বছর পর সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালাম। কমান্ডোর শুটিংয়ের পর আর কাজ করিনি। এর মধ্যে কিছু ফটোশুট করেছি।’

তবে বাপ্পী এর মধ্যেও সিনেমার জন্য কিছু দৃশ্যধারণে অংশ নিয়েছেন। তবে নতুন কাজে নতুন অভিজ্ঞতা তার।

বাপ্পী বলেন, ‘জয় বাংলা পিরিয়ডিক্যাল একটি সিনেমা। এখানে আমার লুক ও পোশাকে ভিন্নতা থাকছে।’

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরচিালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

সিনেমার প্রেক্ষাপট ১৯৬৮ থেকে ৭১। সেই সময়ের সাজপোশাকেই দেখা যাবে অভিনয়শিল্পীদের।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমরা সিনেমায় কোনো মেকআপ ব্যবহার করছি না। আমি প্রথমে একটু অবাক হলেও পরে বুঝতে পেরেছি যৌক্তিক কারণেই এটা করা হচ্ছে। কাজী হায়াৎ গুণী পরিচালক, তিনিও খুব যত্ন নিয়ে সব বুঝিয়ে দিচ্ছেন।’

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সিনেমা হলেওে উপন্যাসের মতো সিনেমাতেও দেখানো হচ্ছে না।

বাপ্পী ও মিতু জুটির এটি দ্বিতীয় সিনেমা। এর আগে যন্ত্রণা নামের একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন তারা। সেই সিনেমার অল্প কিছু দৃশ্যধারণ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নায়করাজের সমাধিতে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
শোক দিবসে শিল্পী সমিতির শ্রদ্ধা
বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান
জায়েদ খানের ‘বয়কট’ তুলে নেওয়ার নির্দেশ

শেয়ার করুন