আফগান ক্রিকেট বোর্ডে রাইফেল হাতে তালেবান

আফগান ক্রিকেট বোর্ডে রাইফেল হাতে তালেবান

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড দখলের পর তালিবান সৈন্যরা। ছবি: টুইটার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরে তালিবানদের বোর্ড দখলের একটি ছবি। সেখানে দেখা যায় বোর্ডের সদর দফতরে সশস্ত্র অবস্থান নিয়েছেন তালিবান যোদ্ধারা।

কাবুল দখল করে নেয়ার পর ক্রিকেটকে ছাড় দেয়ার ঘোষণা দিলেও কওমি মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের নিয়ে গঠন করা সশস্ত্র সংগঠন তালেবান আসলে কী করে, তা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেটি আরও বড় হয়ে উঠল তাদের এক পদক্ষেপে।

রাজধানী কাবুল দখলের চার দিন পর দেশটির ক্রিকেট বোর্ড এসিবিসদর দপ্তরে ঢুকে সশস্ত্র অবস্থান নিয়ে বসে থাকে তালেবান সদস্যরা।

ক্রিকেটের কেন্দ্রে অস্ত্রের কী কাজ, সেই প্রশ্ন উঠার সঙ্গে সঙ্গে ক্রিকেট বোর্ডকে তার মতো করে চলতে দেয়ার ঘোষণাটা পড়ে গেছে বড় প্রশ্নের মুখে।

তালেবানের ক্রিকেট বোর্ড দখলের এই ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার। সামাজিক মাধ্যমে টুইটারে এই ঘটনার বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, তালেবান যোদ্ধারা রাইফেল হাতে নিয়ে বসে আছে, কেউ কেউ দাঁড়িয়ে।

আফগান ক্রিকেট বোর্ডে রাইফেল হাতে তালেবান
গত ১৫ আগস্ট তালেবান যোদ্ধারা বিনা বাধায় আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ঢুকে পড়ে

আর তাদের সহায়তা করেছেন সাবেক আফগান ক্রিকেটার আব্দুল্লাহ মাজারি।

মাজারি অবশ্য দেশটির প্রধান ক্রিকেটারদের একজন ছিলেন না। তিনি জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন কেবল দুটি ওয়ানডে। তবে পারফরম্যান্স আহামরি না হওয়ায় আর সুযোগ পাননি।

ইসলামি কঠোর শরিয়া আইন প্রয়োগ করতে চাওয়া তালেবান গত রোববার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখলে নেয়ার পর দেশবাসীর জীবন যে কঠিন হয়ে যাচ্ছে, সেটি স্পষ্ট হয়ে উঠে।

বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা যায়, বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভুত হওয়ার চেষ্টায় থাকা ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ কী হবে। তাদেরকে তাদের মতো করে থাকতে দেয়া হবে কি না, খেলতে দেয়া হবে কি না।

এর মধ্যে ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হামিদ শিনওয়ারি দেন আশ্বাস। বলেন, তালেবানের কারণে আফগানিস্তানের ক্রিকেটের কোনো ক্ষতি হবে না। তারাও ক্রিকেট ভালোবাসেন।

৯০ দশকে যখন তালেবান কাবুলের দখলে নেয়, তখন ক্রিকেটে বাধা দেয়ার খবর আসেনি। তবে তখনও আফগানিস্তানে যে ক্রিকেট খেলা হতো, সে বিষয়ে খুব একটা ধারণা ছিল না। ২০০১ সালে কাবুল থেকে তালেবান বিতাড়িত হওয়ার বছর পাঁচেক পরে আফগান ক্রিকেটাররা তাদের সামর্থের কথা জানান দিতে থাকেন।

আফগান ক্রিকেট বোর্ডে রাইফেল হাতে তালেবান
কাবুল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ছবি: সংগৃহীত

তালেবান কাবুলের দখল নেয়ার পর খেলোয়াড়রাও যে উদ্বেগের বাইরে নয়, সেটি বোঝা গেছে এক উঠতি ফুটবলারের দেশ ছাড়তে মরিয়া চেষ্টায়।

যুক্তরাষ্ট্রের কার্গো বিমানে করে শত শত মানুষ যে দেশ ছেড়েছেন, সে চেষ্টায় ছিলেন দেশটির বয়সভিত্তিক জাতীয় দলের ফুটবলার ১৯ বছর বয়সী জাকি আনওয়ারি।

জায়গা নেন ল্যান্ডিং গিয়ারে ঝুলে দেশ ছাড়তে গিয়েছিলেন হতভাগ্য এই ফুটবলার। বিমান আকাশে উড়ার পর তিনি ছিটকে পড়ে মারা যান।

আফগান ক্রিকেট বোর্ডে রাইফেল হাতে তালেবান
গত কয়েক বছর ধরে আফগান ক্রিকেটাররা দারুণ নৈপূণ্য দেখিয়ে আসছেন

আফগান ক্রিকেট তারকাদের কী অবস্থা, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। জাতীয় দলের বেশিরভাগ সদস্যই এই মুহূর্তে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। কেউ বিভিন্ন দেশে টি টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে আছেন, কেউ বা আছেন ব্যক্তিগত সফরে। তবে তাদের স্বজনদের সিংহভাগেই দেশেই আছে।

আগামী অক্টোবরে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের অংশ নেয়ার কথা আছে। সেপ্টেম্বরের দিকে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথাও ছিল তাদের। তবে সফরসূচি নির্দিষ্ট হয়নি।

অনূর্ধ্ব-১৯ আফগান দলের বাংলাদেশ সফরের কথাও আছে চলতি মাসে।

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বৃষ্টিতে ভেসে গেল তামিমদের প্রথম ম্যাচ

বৃষ্টিতে ভেসে গেল তামিমদের প্রথম ম্যাচ

ভাইরহাওয়া গ্ল্যাডিয়েটরসের জার্সিতে তামিম ইকবাল। ছবি: ইপিএল

তামিমের দল ভাইরহাওয়া গ্ল্যাডিয়েটরসের সঙ্গে রোববার দুপুরে ম্যাচ ছিল পোখারা রাইনোসের। ম্যাচের ১০.১ ওভার হওয়ার পরই হানা দেয় বৃষ্টি। ফলে ম্যাচ আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

নেপালের এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগে (ইপিএল) শুরুটা ভালো হলো না তামিম ইকবালের। ব্যাট হাতে নামার সুযোগই পেলেন না এই অভিজ্ঞ টাইগার ওপেনার।

তামিমের দল ভাইরহাওয়া গ্ল্যাডিয়েটরসের সঙ্গে রোববার দুপুরে ম্যাচ ছিল পোখারা রাইনোসের। ম্যাচের ১০.১ ওভার হওয়ার পরই হানা দেয় বৃষ্টি। ফলে ম্যাচ আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

ওই সময় টস জিতে ব্যাট করতে নেমে পোখারা রাইনোস বিপর্যয়ে পড়ে। খেলা বন্ধ হওয়ার সময় তাদের স্কোর ছিল সাত উইকেটে ৬৫।

ব্যাট হাতে নামার সুযোগ না পেলেও ফিল্ডিংয়ে দলের হয়ে অবদান রাখেন তামিম ইকবাল। তার থ্রোতে রান আউট হন আসেলা গুনারত্নে।

আজ ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ না পেলেও, কালই আবার তামিমকে দেখা যেতে পারে ব্যাট হাতে। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৭ সেপ্টেম্বর চিতওয়ান টাইগারসের বিপক্ষে খেলবে তামিমের দল।

২৯ সেপ্টেম্বর বিরাটনগর ওয়ারিয়র্স, ২ অক্টোবর কাঠমান্ডু কিংস ইলেভেন ও ৪ অক্টোবর ললিতপুর প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে গ্ল্যাডিয়েটরস।

চলতি বছরের শুরুতে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর থেকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আর দেখা যায়নি তামিম ইকবালকে। হাঁটুর ইনজুরির জন্য ক্রিকেটের শর্টার ফরম্যাট থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন

এনসিএল দিয়ে টেস্ট মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় বিসিবি

এনসিএল দিয়ে টেস্ট মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় বিসিবি

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে উইকেট উদযাপন করছেন মেহেদী মিরাজ। ছবি: এএফপি

এনসিএলে খেলেই টেস্ট ম্যাচের লম্বা ভার্সনের জন্য মুমিনুল-তাইজুলরা নিজেদের তৈরি করতে পারবেন বলে বিশ্বাস বিসিবি নির্বাচক হাবিবুল বাশারের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কারণে টানা সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেট খেলেছেন ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপ থেকে ফিরে এসে তাদের ব্যস্ত হয়ে যেতে হবে টেস্ট ক্রিকেটের লড়াইয়ে।

দীর্ঘদিন টেস্ট ম্যাচ না খেলা টাইগারদের ছন্দে ফেরাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চোখে রেখেছে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দিকে। যে কারণে অন্যবারের তুলনায় এবারে দলগুলোকে প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় দেয়া হচ্ছে।

রোববার বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার সংবাদমাধ্যমকে জানান বাড়তি সময়ের সঙ্গে বাড়তি খেলোয়াড়ও পাবে এনসিএলের দলগুলো।

তিনি বলেন, ‘সাধারণত যখন এনসিএল শুরু করি, দলগুলো খুব একটা সময় পায় না। এবার প্রায় এক মাসের সময় পাচ্ছে। ফিটনেস ট্রেনিং চলছে। এক তারিখ থেকে ফিটনেস টেস্ট হবে। এর আগে ওরা ট্রেনিংয়ের সুযোগ পায়নি। এবার সুযোগটা করে দেয়া হয়েছে। টেস্টের পর আমরা ১৬ জনের দল করে হবে। সবসময় আমরা ১৪ জনের দল দেই। এবার করোনার জন্য দুইজনের বেশি দিচ্ছি। উইকেটগুলোও পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেয়েছে কিছু দিনে। আশা করছি এবারের এনসিএল খুব প্রতিযোগিতামূলক হবে।’

১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এনসিএলে খেলেই টেস্ট ম্যাচের লম্বা ভার্সনের জন্য মুমিনুল-তাইজুলরা নিজেদের তৈরি করতে পারবেন বলে বিশ্বাস বাশারের।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের পরপরই আমাদের কিছু টেস্ট ম্যাচ আছে। এটা খেলোয়াড়দের তৈরি করার জন্যে ভালো একটি সুযোগ। আমরা খুব একটা টেস্ট খেলার সুযোগ পাইনি। পাকিস্তান সিরিজের আগের এনসিএলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি হবে বলে আমি মনে করি।’

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবারে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে সব বিভাগে খেলা সম্ভব হবে না জানিয়েছে বিসিবি।কক্সবাজার ও সিলেটেই হবে টুর্নামেন্টের সব খেলা নিশ্চিত করেন বাশার।

বলেন, ‘ কোভিডের সঙ্গে এখনও লড়াই করতে হচ্ছে। ট্রাভেলিং একটু ঝুঁকিপূর্ণ। ট্রাভেলিং করতে গিয়েই গতবার আমাদের বন্ধ হয়েছে। এখন পর্যন্ত জানি দুইটা ভেন্যুতে খেলা হবে। একটা কক্সবাজার, আরেকটা সিলেটে। পরিস্থিতি উন্নতি হলে আমরা নতুন করে যোগ করতে পারব।’

বিসিবি জানিয়েছে, আট দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করে খেলানো হবে আলাদা ভেন্যুতে। চার দলকে এক গ্রুপে রাখা হবে এক ভেন্যুতে। অন্য চার দলকে আরেকটি গ্রুপে রাখা হবে বিকল্প ভেন্যুতে।

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন

তামিমের গ্ল্যাডিয়েটরস নামছে দুপুরে

তামিমের গ্ল্যাডিয়েটরস নামছে দুপুরে

পিএসএলে খেলছেন তামিম ইকবাল। ফাইল ছবি

রোববার দুপুরে তার দল ভাইরহাওয়া গ্ল্যাডিয়েটরস নামছে পোখারা রাইনোসের বিপক্ষে। ম্যাচ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সময় দুপুর পৌনে দুইটায়।

নেপালের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগে (ইপিএল) নামছেন তামিম ইকবাল। রোববার দুপুরে তার দল ভাইরহাওয়া গ্ল্যাডিয়েটরস নামছে পোখারা রাইনোসের বিপক্ষে। ম্যাচ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সময় দুপুর পৌনে দুইটায়।

তামিমের দলের অধিনায়ক নেপালের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান শরদ ভেসাওকার।

গ্ল্যাডিয়েটরসে খেলছেন দুই সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গা ও পেইসার ধাম্মিকা প্রাসাদ।

রাইনোসের একাদশে দেখা যাবে সাউথ আফ্রিকার সাবেক ওপেনার রিচার্ড লেভিকে। সঙ্গে আছেন উইন্ডিজ পেইসার কেসরিক উইলিয়ামস ও শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান আসেলা গুনারাত্নে।

টুর্নামেন্টের জন্য সেখানে পৌঁছে ক্রিকেটিং নেপালকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তামিম।

তিনি বলেন, ‘গত দুই-তিন মাস ইনজুরিতে ছিলাম। তবে গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে বেশ ভালো বোধ করছি। দেশে থাকতে অনুশীলন করেছি। আমি ভালোভাবে শুরু করতে আশাবাদী। মাঠে নামলে কী হবে সেটা এখনই বলতে পারছি না, তবে আমি আমার সেরাটা দেবো।’

বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান আরও বলেন, ‘আমি আগে কখনও নেপাল আসিনি। এখানে আসা নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত ছিলাম। ইপিএলে খেলার অপেক্ষায় আছি। আশা করছি, ভালো একটি টুর্নামেন্ট হবে। আমার দলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করতে চাই।’

টুর্নামেন্টে ২৬ সেপ্টেম্বর পোখারা রাইনোসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে তামিমের গ্ল্যাডিয়েটর্স। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর চিতওয়ান টাইগার্স, ২৯ সেপ্টেম্বর বিরাটনগর ওয়ারিয়র্স, ২ অক্টোবর কাঠমান্ডু কিংস ইলেভেন ও ৪ অক্টোবর ললিতপুর প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে লড়বে তামিমের দল।

চলতি বছরের শুরুতে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর থেকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আর দেখা যায়নি তামিম ইকবালকে। হাঁটুর ইনজুরির জন্য ক্রিকেটের শর্টার ফরম্যাট থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন

পাঁচ ওয়ানডে খেলতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে যুবদল

পাঁচ ওয়ানডে খেলতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে যুবদল

শ্রীলঙ্কা যুব দল। ছবি: আইসিসি

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়ে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে কলম্বো যাচ্ছে বাংলাদেশ যুবদল।

কোভিডের কারণে কিছুদিন মাঠের বাইরে থাকার পর অনূর্ধ্ব ১৯ দলকে ব্যস্ত রাখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আফগানিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে ও চার দিনের ম্যাচের সিরিজ মাত্র শেষ করেছে জুনিয়র টাইগাররা। এরপর তারা যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে কলম্বো যাচ্ছে বাংলাদেশ যুবদল।

ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু না জানালেও এসএলসি জানায়, সাত অক্টোবর লঙ্কয় যাবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল।

কোয়ারেন্টিন ও অনুশীলন পর্ব শেষে ১৫ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াবে সিরিজ। ওই দিন হবে প্রথম ম্যাচ।

পরের চারটি ম্যাচ হবে যথাক্রমে ১৮, ২০, ২৩ ও ২৫ অক্টোবর।

সিরিজটিকে ২০২২ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে শ্রীলঙ্কা দল। এক বার্তায় এমনটা জানান তাদের হেড কোচ আভিস্কা গুনাওয়ার্দেনা।

তিনি বলেন, 'সিরিজটি বহুদিন পর ছেলেদের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার একটা সুযোগ। ২০২২ যুব বিশ্বকাপ খেলার জন্য আমাদের সঠিক কম্বিনেশন খুঁজে পেতেও এই ম্যাচগুলো আমাদের সাহায্য করবে।'

কলম্বোতে এরই মধ্যে আবাসিক ক্যাম্পে প্রস্তুতি শুরু করেছে লঙ্কানরা। দলের সঙ্গে গুনাওয়ার্দেনে ছাড়াও আছেন ফিল্ডিং কোচ উপুল চন্দনা, স্পিন কোচ সাচিথ পাথিরানা, পেইস বোলিং কোচ চামিলা গামাগে ও ব্যাটিং কোচ দাম্মিকা সুদর্সনা।

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন

দাতব্য সংস্থা করতে যাচ্ছেন বিপ্লব

দাতব্য সংস্থা করতে যাচ্ছেন বিপ্লব

আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ছবি: সংগৃহীত

শিগগিরই দাতব্য প্রতিষ্ঠান খুলে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এই লেগস্পিনার। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিল্পব।

অসহায় মানুষদের পাশে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের দাঁড়ানো নতুন কিছু নয়। তারকা ক্রিকেটাররা প্রায় সময় পাশে দাঁড়ান অসহায় ব্যক্তিদের।

করোনার সময়ে ফাউন্ডেশন চালু করে অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাশরাফি মোর্ত্তজা।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাশে দাঁড়িয়েছেন তামিম ইকবাল, নাজমুল ইসলাম অপু।

এবারে সেই খাতায় নাম লেখাতে যাচ্ছেন জাতীয় দলের লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। শিগগিরই দাতব্য প্রতিষ্ঠান খুলে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এই লেগস্পিনার।

শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিল্পব।

তিনি লিখেন, ‘খুব শিগগির একটি চ্যারিটি ফাউন্ডেশন করার পরিকল্পনা আছে। এরপর থেকে যতরকম হেল্প পোস্ট সব গুলোই চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের পেইজ থেকে করা হবে।’

তিনি আরও লিখেন, ‘ফাউন্ডেশনের পেইজ সম্পর্কিত সব তথ্য এই পেইজ থেকে জানানো হবে ইনশাআল্লাহ।’

২০১৯ সালে অভিষেকের পর থেকে অল্প সময়ে নির্বাচকদের দৃষ্টি কাড়েন বিপ্লব। গত দুই বছরে খেলছেন ৭টি টি-টোয়েন্টি।

বিশ্বকাপের মূল দলে জায়গা না হলেও স্ট্যান্ড-বাই হিসেবে আছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন

এ-দলের হয়ে ব্যাট হাসল মিঠুনের

এ-দলের হয়ে ব্যাট হাসল মিঠুনের

সেঞ্চুরির পর মোহাম্মদ মিঠুন। ছবি: বিসিবি

চট্টগ্রামে হাই পারফরম্যান্স দলের বিপক্ষে ম্যাচের চতুর্থ দিনে দুর্দান্ত এক শতকের দেখা পান মিঠুন।

দুঃসময় যেন কাটছিল না মোহাম্মদ মিঠুনের। অফ ফর্মের খাতা থেকে নিজের নামটা কাটাতে পারছিলেন না এই ব্যাটসম্যান। বিসিবির চুক্তি থেকে বাদ পড়ার পর বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে নাম কাটা পড়ে তার।

অবশেষে অফ ফর্ম কাটিয়ে তার প্রাপ্তির খাতায় যোগ হল দুর্দান্ত এক অর্জন। লম্বা সময় পর পেলেন সেঞ্চুরির দেখা। চট্টগ্রামে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের বিপক্ষে ম্যাচের চতুর্থ দিনে দুর্দান্ত এক শতকের দেখা পান মিঠুন।

মিঠুনের অনন্য প্রাপ্তির দিনে জয়ের দেখা পায়নি তার দল। ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।

শনিবার ৪৬ রান নিয়ে দিন শুরু করে মিঠুন অর্ধশতকের দেখা পান ১২৬ বল খেলে। তার সঙ্গে দেখশুনে ব্যাট করছিলেন ইয়াসির রাব্বি। পেসার মুকিদুল ইসলামের লেংথ বল পুল করতে গিয়ে লাইন মিস করে ইয়াসির বোল্ড হলে ভাঙ্গে জুটি। সেঞ্চুরি থেকে ১৪ রান দূরে থাকতে থামে রাব্বির ব্যাট।

এরপর ইরফান শুক্কুরকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন মিঠুন। তানভিরকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে ৩৭ রানেই থামেন শুক্কুর।

অপরপ্রান্তের ব্যাটসম্যানরা থামলেও এইচপির বোলাররা থামাতে পারছিলেন না মিঠুনকে। ২০৬ বল খেলে সেঞ্চুরি করে মাঠ ছাড়েন তিনি। এরপর ইনিংস ঘোষণা করে এ-দল।

এইচপির লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৬৬ রানের। জয়ের জন্য তাদের এই লক্ষ্য টপকাতে হত ৫৮ ওভারে।

ব্যাট করতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি এইচপি দলের ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ৯ রানেই হারিয়ে বসে ওপেনার তানজিদ হোসেন তামিমের উইকেট।

উইকেটে থিতু হওয়ার আগে পারভেজ হোসেন ইমন ও মাহমুদুল হাসান ফেরেন। শেষতক বেশিদূর আর যাওয়া হয়নি এইচপির। ৩ উইকেটের খরচায় ১৪৮ রানে থামতে হয় তাদের।

দল জয় না পেলেও নিজের পারফরম্যান্সে বেশ উচ্ছ্বাসিত মোহাম্মদ মিঠুন। ম্যাচ শেষে দেয়া তার মন্তব্যে সেটি স্পষ্ট ছিল।

মিঠুন বলেন, ‘এখানে আসার যে উদ্দেশ্য ছিল, ম্যাচ অনুশীলন সেটা এখন পর্যন্ত খুবই ভালো হয়েছে। এখানকার সুযোগ-সুবিধা ভালো ছিল। চট্টগ্রামের উইকেট তো সবসময় ভালো থাকে।’

তিনি যোগ করেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে খুব ভালো হয়েছে। আমার ম্যাচগুলি দরকার ছিল। সবশেষ কিছুদিন খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না। এখানে রান করতে পেরেছি। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এটা আমাকে সহায়তা করবে।’

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন

আফগানদের কাছে হারল বিশ্বজয়ী যুবারা

আফগানদের কাছে হারল বিশ্বজয়ী যুবারা

বাংলাদেশ-আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ম্যাচের একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

আফগান যুবাদের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে ৩ উইকেটে হেরেছে স্বাগতিকরা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র আন অফিসিয়াল চার দিনের ম্যাচে জয়ের আশা জাগিয়েও হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশের যুবাদের। আফগান যুবাদের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে ৩ উইকেটে হেরেছে স্বাগতিকরা।

৫১ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করা বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় দিনের প্রথম সেশনেই। ৪ উইকেটে ১৭০ রান নিয়ে দিন শুরু করে ২২৮ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। আর তার সুবাদে জয়ের জন্য ১১০ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায় সফরকারীদের সামনে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে স্কোরশিটে ২ রান তুলতেই ওপেনার সুলাইমান শাফিকে হারায় সফরকারী দল। এরপর নিয়মিত বিরতিতে পতন হতে থাকে আফগানিস্তানের উইকেট। কিন্তু প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ঢাল হয়ে দাঁড়ান সাঈদি। দলকে টেনে নিয়ে যেতে থাকেন জয়ের দ্বারপ্রান্তে।

১০৮ বলে ৫৪ রান করে যখন তিনি মাঠ ছাড়েন সে সময় দলের স্কোর ১০৬ রান। বাকি কাজটা সারেন কামরান ও নানগেলিয়া খারাটে মিলে। দলকে এনে দেন তিন উইকেটের দুর্দান্ত এক জয়।

বাংলাদেশের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন আইচ, রিপন মন্ডল ও মুশফিক হাসান। একটি উইকেট পান প্রান্তিক।

আরও পড়ুন:
শঙ্কার মুখে আফগান নারী ক্রিকেট
তালেবানেরও পছন্দ ক্রিকেট
আফগান ক্রিকেট ক্যাম্প ও সফর অব্যাহত থাকছে

শেয়ার করুন