নভেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে নারী দল

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে নারী দল

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ফাইল ছবি

নভেম্বরে জিম্বাবুয়েতে শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব। বাছাইপর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, পাপুয়া নিউ গিনি, থাইল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ও আমেরিকা।

গেল বছর মার্চে সবশেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন জাতীয় দলের নারী ক্রিকেটাররা। এরপর করোনার কারণে লম্বা সময় ধরে নেই তাদের কোনো খেলা।

করোনার সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পুরুষদের ক্রিকেট ফিরলেও প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে নারী ক্রিকেটের সফর। মাঝে এমার্জিং দলের হয়ে সাউথ আফ্রিকা এমার্জিং দলের বিপক্ষে খেলেন রুমানা-জ্যোতিরা। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হয়নি।

অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল।

সব কিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবেন জাহানারা-সালমারা।

এর আগে নারী দলের একটি সিরিজ খেলার কথা রয়েছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এখনও সেই সিরিজ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। যদি সিরিজটি হয় তবে সেটা দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে দল।

নভেম্বরে জিম্বাবুয়েতে শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব। বাছাইপর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, পাপুয়া নিউ গিনি, থাইল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ও আমেরিকা।

২১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। ৫ ডিসেম্বরে হবে এই পর্বের শেষ খেলা।

নিউজিল্যান্ডে ২০২২ সালের ৪ মার্চ থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ। চলবে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত।

বাছাইপর্ব ছাড়া মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জনকারী দেশগুলো হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা ও স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’

‘ওপারে ভালো থাকবেন স্যার’

মিরপুর শেরে বাংলায় মাশরাফি মোর্ত্তজার সঙ্গে জালাল আহমেদ চৌধুরী। ছবি: ইনস্টাগ্র্যাম

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মোর্ত্তজা তার পরামর্শ গ্রহণ করতেন বিপদে আপদে। তার অধীনে খেলেছেন দেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা এই স্তম্ভ। জালাল চৌধুরীর চলে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ব্যথিত মাশরাফি।

সাবেক ক্রিকেট কোচ, খেলোয়াড় ও বিশ্লেষক জালাল আহমেদ চৌধুরী চলে গেলেন মঙ্গলবার। ফুসফুসের সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্টের সঙ্গে যুদ্ধ করে হার মানের ৭৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেট ‘গুরু’।

সত্তর ও আশির দশকে ক্রিকেট খেলা ও এরপর থেকে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত জালাল চৌধুরীর হাত ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে এসেছে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু, নজরুল কাদের লিন্টু, নাজমুন নূর রবিন, গোলাম ফারুক, জি এম নওশের প্রিন্স, তুষার ইমরানের মতো তারকারা।

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মোর্ত্তজা তার পরামর্শ গ্রহণ করতেন বিপদে আপদে। তার অধীনে খেলেছেন দেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা এই স্তম্ভ। জালাল চৌধুরীর চলে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ব্যথিত মাশরাফি।

নিজের ইনস্টাগ্র্যামে পোস্ট দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এই ক্রিকেট গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। জালাল চৌধুরীর সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে মাশরাফি লেখেন, ‘যাদের হাত ধরে ক্রিকেট জীবন শুরু, তাদের বিদায়গুলো এভাবে দেখা খুব কঠিন।
স্যার আপনার আন্ডারে খেলা, আপনার আদেশ, ড্রেসিং রুমে আপনার স্থির থাকা, আপনার লেখা এ সব কিছুই এখন স্মৃতি হয়ে গেল।’

বাংলাদেশের ক্রিকেটে জালাল আহমেদ চৌধুরীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করেন মাশরাফি।

তিনি আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটে আপনার অবদান যারা দেখেছে, তারা আজীবন মনে রাখবে। অসংখ্য খেলোয়াড়ের গুরু ছিলেন, আপনি আর হয়েও থাকবেন। ওপারে ভালো থাকবেন স্যার। আল্লাহ আপনাকে জান্নাত বাসী করুন। আমিন’

জালাল আহমেদ চৌধুরীর স্মরণে বিসিবির বোর্ড সভার আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন

বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার

বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার

ছবি: নিউজবাংলা

দীর্ঘদিন ধরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের বসার চেয়ারগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে কতটা অযত্নের শিকার সেগুলো। বেশির ভাগ চেয়ার ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নেই সংস্কারের উদ্যোগ। আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজনের আগে স্টেডিয়ামের বাইরে জোড়াতালি দিয়ে চলে সংস্কারের কাজ।

গত মাসে বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি জানান করোনাকালেও বড় অঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে বোর্ডের। টাকার অঙ্কে সেটি ৯০০ কোটি। যেটির বড় অংশ ব্যবহার হওয়ার কথা ক্রিকেটের উন্নয়নে।

ক্রিকেটের উন্নয়নের ভেতর ক্রিকেটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্টেডিয়ামের অবকাঠামোগত উন্নয়নও অন্তর্গত। বিসিবির সভাপতির পদে নাজমুল হাসান পাপন বসার পর ক্রিকেটের অবকাঠামোর আমূল পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু বোর্ডের নজর এড়িয়ে গেছে সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ।

দীর্ঘদিন ধরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের বসার চেয়ারগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে কতটা অযত্নের শিকার সেগুলো। বেশির ভাগ চেয়ার ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নেই কোনো সংস্কারের উদ্যোগ।

আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজনের আগে স্টেডিয়ামের বাইরে জোড়াতালি দিয়ে চলে সংস্কারের কাজ। যা স্থায়ী থাকে সিরিজ শেষ হওয়া পর্যন্ত। কিছুদিনের মধ্যে আগের জীর্ণদশায় ফিরে যায় সেগুলো।

বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারির চেয়ার। ছবি: নিউজবাংলা

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো দুই আন্তর্জাতিক হেভিওয়েট দলের বিপক্ষে সিরিজের সময় পাওয়া গেছে মিরপুরের স্টেডিয়াম নিয়ে বোর্ডের অবহেলার নজির। গ্যালারির চেয়ারগুলোর নিচে জমে গেছে শ্যাওলার আস্তর।

যা ইঙ্গিত দেয় দীর্ঘদিন ধরে চলছে না পরিচ্ছন্নতার কাজ। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে নিয়মিতভাবে তদারকি করা হচ্ছে স্ট্যান্ড, গ্যালারি, বক্সসহ ও স্টেডিয়ামের পুরো এলাকার।

শুধু গ্যালারির অবস্থাই যে জরাজীর্ণ তা নয়। অত্যাধুনিক মিডিয়া সেন্টার থেকে ইনডোরে যাবার পথটি খুবই বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। যাতায়াতের পথে এয়ার কন্ডিশনের পানি মেঝেতে জমে থাকে প্রায় সময়। ফলে শ্যাওলা জমে রাস্তাটি এতটাই পিচ্ছিল হয়ে গেছে যে যেকোনো সময় পা ফসকে ঘটতে পারে বিপত্তি।

হোম অফ ক্রিকেটের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা এমন হওয়ার কথা ছিল না। লম্বা সময় ধরে এই অবস্থা এখন বিসিবির নিত্যনৈমিত্যিক চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা কিনা দেখার কেউ নেই। টনক নড়ছে না গ্রাউন্ডস কমিটির সদস্যদের।

বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
ইনডোরে যাওয়ার পথে শ্যাওলার আস্তর। ছবি: নিউজবাংলা

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে একটা উত্তরই আসে কর্তাদের কাছ থেকে। বিষয়টি চলমান প্রক্রিয়া, সংস্কারের কাজ চলছে। আর সম্প্রতি অজুহাতের খাতায় যুক্ত করা হয়েছে করোনাকে।

করোনার সময়ে সিরিজ উপলক্ষে মাঠের সংস্কারকাজ ও স্টেডিয়ামের বাইরে বিজ্ঞাপনের ঝকঝকে ব্যানার লাগানো হলেও ভেতরের অধিকাংশ জায়গায় পড়েনি পরিচ্ছন্নতার ছাপ। একই হাল সাংবাদিকদের জন্য বরাদ্দ প্রেসবক্সেরও।

সংবাদকর্মীরা যেখানে বসে ম্যাচ কভার করেন সেখানে রয়েছে চেয়ার সংকট। ম্যাচের সময় অনেক সংবাদকর্মীকে বসার জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে থেকে করতে হয় তাদের কাজ। চেয়ার যে কয়টা আছে তার অধিকাংশই ভাঙা।

সবকিছু দেখার পর প্রশ্ন আসাটা স্বাভাবিক, রিজার্ভে ৯০০ কোটি টাকা থাকার পরও স্টেডিয়ামের অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিবির কি কোনো ফান্ড বরাদ্দ নেই? নাকি এমনটা হচ্ছে দেখভালের দায়িত্বে থাকা লোকজনের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে?

বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
আবর্জনায় ভর্তি হয়ে আছে শেরে বাংলার স্টেডিয়ামের চত্বর। ছবি: নিউজবাংলা

এ বিষয়ে নিউজবাংলা কথা বলেছে বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির ম্যানেজার আবদুল বাতেনের সঙ্গে। উত্তরে জানা গেছে চিরাচরিত চলমান প্রক্রিয়া ও করোনার দোহাই।

বাতেন বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময় আমরা কিছু উন্নয়নের কাজ করেছি। বোর্ডের পক্ষ থেকে কী দিয়েছে সেটা ওভাবে বলা যাবে না, কিন্তু আমরা ধাপে ধাপে উন্নয়ন করছি।

‘চেয়ার যেগুলো ভাঙা আছে সেগুলো পর্যায়ক্রমে সংস্কারের কাজ চলছে। এটা চলমান প্রক্রিয়া। করোনার কারণে কাজ বন্ধ ছিল, কিন্তু এখন ধীরে ধীরে সেগুলো সংস্কারের কাজ চলছে। কিছু চেয়ার আমরা ইতিমধ্যেই বদলে দিয়েছি। বাকিগুলোও আমরা ক্রমান্বয়ে বদলে দেব।’

তো দাবি করেন প্রেসবক্সের নিচে থেকে অনেক চেয়ার বদলে দেয়া হয়েছে। বাস্তবে তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নতুন করে বদলে দেয়া হলেও অল্প সময়ে সেগুলো বেহাল।

বাতেন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘যখন যেটা লাগে সেটা আমরা করছি। চেয়ারগুলোর ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হয়েছে। শিগগির সেগুলো সংস্কারের আওতায় আনা হবে। স্কোর বোর্ডের দিক থেকে শুরু করে আপনাদের সাংবাদিকদের প্রেসবক্সের নিচ পর্যন্ত চেয়ারগুলো আমরা বদলে দিয়েছি। আর পানির ব্যাপার যেটা বললেন সেটা আসলেই একটু সমস্যা রয়েছে, আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

বিসিবির ফান্ডে ৯০০ কোটি: সংস্কার নেই শেরে বাংলার
শেরে বাংলার গ্যালারির চেয়ারের বর্তমান অবস্থা। ছবি: নিউজবাংলা

সামনের মাস দুয়েক শেরে বাংলায় ম্যাচ নেই। বিশ্বকাপের পর শুরু হচ্ছে পাকিস্তান সিরিজ। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটের ব্যস্ততা। এর ফাঁকেই হোম অফ ক্রিকেটের জৌলুস ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট বিসিবি এমনটা জানালেন বাতেন।

তিনি বলেন, ‘মিডিয়া বক্সের বিষয়টা আমরা জানি। এটাও দ্রুত বদলে দেয়া হবে। কবে নাগাদ সেটা বলতে পারছি না, একটা গোলমাল হয়ে গেছে তো। বদল করাটা আসলে ব্যাপার না। কিছু কোম্পানি রয়েছে তাদের দিয়ে দিলে তারা বদল করে দেবে। নিজেরাও আমরা বানিয়ে নিতে পারব। শিগগিরই বদলে দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন

চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

চলে গেলেন জালাল চৌধুরী

জালাল আহমেদ চৌধুরী। ফাইল ছবি

শ্বাসকষ্টের কারণে চলতি মাসের শুরুতে প্রথম দফায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল জালাল চৌধুরীকে। বাসায় ফেরার পর অবস্থার অবনতি হলে ১৫ সেপ্টেম্বর ফের তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আর ফেরা হলো না তার।

ফুসফুসের সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্টের সঙ্গে যুদ্ধ করে হার মানলেন দেশের ক্রিকেটের কারিগর, কোচ ও প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক জালাল আহমেদ চৌধুরী।

ঢাকার একটি হাসপাতালে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গুণী এই ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল।

শ্বাসকষ্টের কারণে চলতি মাসের শুরুতে প্রথম দফায় হাসপাতালে নেয়া হয় জালাল চৌধুরীকে। বাসায় ফেরার পর অবস্থার অবনতি হলে ১৫ সেপ্টেম্বর ফের তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ফুসফুসের সংক্রমণ ধরা পড়ে।

অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে নেয়া হয়েছিল জালাল চৌধুরীকে। গত শুক্রবার রাত থেকে তাকে রাখা হয় ভেন্টিলেশনে। সেখান থেকে আর ফেরা হলো না তার।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় ক্রিকেট খেলতেন জালাল চৌধুরী। ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর মোহামডান, ধানমন্ডি, কলাবাগানসহ ঢাকার বেশ কয়েকটি শীর্ষ ক্লাবে কোচিং করান বরেণ্য এই ক্রিকেটার।

তার হাত ধরেই দেশ পেয়েছিল গাজী আশরাফ হোসেন লিপু, নজরুল কাদের লিন্টু, নাজমুন নূর রবিন, গোলাম ফারুক, জি এম নওশের প্রিন্স, তুষার ইমরানের মতো নামকরা ক্রিকেটার।

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন

ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ

ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ

ফাইল ছবি

সবশেষ ২০০৫ সালে পাকিস্তান সফরে এসেছিল ইংল্যান্ড। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা ছিল রুট-বেয়ারস্টোদের।

নিরাপত্তা ইস্যুতে ১৮ বছর পর পাকিস্তানে গিয়েও সিরিজ না খেলেই দেশে ফিরে গিয়েছে নিউজিল্যান্ড। কিউইদের দেখাদেখি পাকিস্তান সফর বাতিল করেছে ইংল্যান্ডও। ইংল্যান্ডের পুরুষ ও নারী উভয় দলেরই পাকিস্তান সফরে আসার কথা ছিল।

নিউজিল্যান্ড দেশে ফিরে যাবার পরও আশা ছিল ইংল্যান্ড সফরে আসবে। কিন্তু ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট (ইসিবি) বোর্ড তাদের কথা রাখেনি। গতকাল এক বিবৃতির মাধ্যমে বাতিল করেছে তাদের আসন্ন সিরিজটি।

১৬ বছর পর পাকিস্তানে আসার কথা থাকলেও সেই কথা না রাখায় ইসিবির ওপর বেজায় চটেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রমিজ রাজা।

রমিজ বলেন, 'এটা খুবই দুঃখজনক। ইংল্যান্ড সিরিজটি বাতিল করে দিয়ে তাদের কথার বরখেলাপ করেছে এবং তাদের ক্রিকেটের ভ্রাতৃত্ববন্ধন থেকে সরে গিয়েছে, যখন ভ্রাতৃত্ববোধ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল।’

একই সঙ্গে রমিজ আশা করেন, বড় দলগুলোর এমন ব্যবহার থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার। একই সঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ঘুরে দাঁড়ানোর।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা ঘুরে দাঁড়াব। এটি পাক দলের জন্য বিশ্বের সেরা দল হওয়া ও নতুন করে জেগে ওঠার একটি বার্তা, যেন বিশ্বের সব সেরা দল আমাদের বিপক্ষে খেলার জন্য লাইন ধরে থাকে কোনো অজুহাত না দেখিয়ে।'

সবশেষ ২০০৫ সালে পাকিস্তান সফরে এসেছিল ইংল্যান্ড। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা ছিল রুট-বেয়ারস্টোদের; যার ফলে অবসান ঘটার কথা ছিল ১৬ বছরের অপেক্ষার। কিন্তু সিরিজটি বাতিল হওয়ায় অপেক্ষার প্রহর আরও বাড়ল।

নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড সিরিজ বাতিল হওয়ায় বর্তমানে শঙ্কা দেখা দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং অস্ট্রেলিয়ার পাকিস্তান সফর নিয়ে।

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন

‘ফর্মহীন’ মুশফিক-সৌম্য ভাবাচ্ছে ম্যানেজমেন্টকে

‘ফর্মহীন’ মুশফিক-সৌম্য ভাবাচ্ছে ম্যানেজমেন্টকে

ফিটনেস অনুশীলনে মুশফিকুর রহিম। ফাইল ছবি

বিশ্বকাপের আগে তাদের ফর্মে ফেরাতে তাই বোর্ড উদ্যোগ নিয়েছে তাদের বেশি করে ম্যাচ খেলানোর। এই জন্য দেশ ছাড়ার আগে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের বিপক্ষে ম্যাচ খেলিয়ে অফফর্মে থাকা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের উন্নতি এনে দেশ ছাড়তে চায় বিসিবি।

পারিবারিক কারণে জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে সরে দাঁড়ান জাতীয় দলের উইকেকিপার ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। অস্ট্রেলিয়ার কোভিড বিধিনিষেধের কারণে খেলতে পারেননি তাদের বিপক্ষে। সব জটিলতা কাটিয়েনিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ছিলেন এই সিনিয়র ব্যাটসম্যান।

কিন্তু সিরিজে হাসেনি মুশফিকের ব্যাট। পাঁচ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৬*, ০, ২০*, ০ ও ৩ রান। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে কতটা অফ ফর্মে রয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সব জয়ের নায়ক সাবেক এই অধিনাওক। যার কারণে নির্বাচক থেকে শুরু করে বোর্ড কর্তাদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন ভরসার আরেক নাম হয়ে।

তবে মিস্টার ডিপেন্ডেবলের তকমা পাওয়া এ তারকার সাম্প্রতিক অফ ফর্ম চিন্তায় ফেলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি। শুধু মুশফিকই নয়। অফ ফর্মে থাকা সৌম্য সরকারও বাড়তি চিন্তা বিসিবির কাছে।

সৌম্যের অফফর্মের শুরু অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে। সেই সিরিজে পাঁচ ম্যাচে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে এসেছে মোটে ২৮ রান। আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচে সুযোগ পেয়েও চার রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।

আসছে বিশ্বকাপের আগে তাদের ফর্মে ফেরাতে তাই বোর্ড উদ্যোগ নিয়েছে তাদের বেশি করে ম্যাচ খেলানোর। এই জন্য দেশ ছাড়ার আগে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের বিপক্ষে ম্যাচ খেলিয়ে অফফর্মে থাকা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের উন্নতি এনে দেশ ছাড়তে চায় বিসিবি।

সোমবার এই পরিকল্পনা নিশ্চিত করেন বিসিবির অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘যারা নিয়মিত পারফর্ম করে ওদের ফর্মহীনতা দুশ্চিন্তার বিষয়। ওরা ভালো না করলে দলের পারফরম্যান্স ভালো হবে না। যারা দলে আছে ওরাও চেষ্টা করছে। আমরাও চেষ্টা করছি, ওদের প্রস্তুত করে তোলার সুযোগ দিচ্ছি।’

তবে বিসিবি আত্মবিশ্বাসী অভিজ্ঞতার জোরে নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরবেন দুই ব্যাটসম্যান, বিশ্বকাপে মেলে ধরবেন নিজেদের।

আকরাম যোগ করেন, ‘আমরা মুশফিকের জন্য ম্যাচগুলো এগিয়ে এনেছি যেন সে খেলতে পারে। ওখানে সৌম্যও খেলবে। খেলোয়াড়রা ম্যাচের মধ্যে থাকলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। তারা সবাই পরীক্ষিত। আশা করি তারা আরব আমিরাতে ভালো করবে।’

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন

ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে

ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে

রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামের সামনে কড়া পাহাড়া। ছবি: এএফপি

ইসিবি বলেছে, ‘পাকিস্তান সফরের বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনায় বসেছিলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে সিরিজটির বিষয়ে আমাদের আর এগোনো সম্ভব হচ্ছে না। অক্টোবরের দুটি সিরিজ আমরা বাতিল ঘোষণা করছি।’

১৮ বছর পর পাকিস্তানে সিরিজ খেলতে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে সেই সিরিজ না খেলে দেশে ফিরে গেছে কিউইরা। আর এ কারণে শঙ্কা জাগে ইংল্যান্ডের পাকিস্তান সফর নিয়েও।

সে শঙ্কা বাস্তবে পরিণত করল ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। বাতিল করল পাকিস্তান সফর।

সোমবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসিবি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইংল্যান্ড নারী এবং পুরুষ দলের পাকিস্তান সফরের বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনায় বসেছিলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, সিরিজটির বিষয়ে আমাদের আর এগোনো সম্ভব হচ্ছে না। অক্টোবরের দুটি সিরিজ আমরা বাতিল ঘোষণা করছি।’

আরও বলা হয়, ‘আমরা বুঝতে পারছি বিষয়টিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বেশ আশাহত হবে। কেননা তারা নিজের মাঠে ক্রিকেট ফেরাতে বেশ পরিশ্রম করছে। আমরা আমাদের সিদ্ধান্তের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

গতকাল নিউজিল্যান্ড সিরিজ বাতিল হলেও ইংল্যান্ড সিরিজ নিয়ে আশা প্রকাশ করেছিলেন পিসিবির প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান। তিনি আশা করেছিলেন, যথাসময়ে পাকিস্তান সফরে আসবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার আশাবাদকে মিথ্যে প্রমাণ করে সিরিজ বাতিল করল ইংল্যান্ড।

সবশেষ ২০০৩ সালে পাকিস্তান সফরে এসেছিল নিউজিল্যান্ড। এরপর ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর লম্বা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন থেকে দূরে ছিল পাকিস্তান।

সেই জটিলতা কাটিয়ে ২০১৭ সালে বিশ্ব একাদশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন করেছিল পাকিস্তান।

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন

আপাতত আলাদা দল করছে না বিসিবি

আপাতত আলাদা দল করছে না বিসিবি

বাংলাদেশ জাতীয় দল। ছবি: এএফপি

বিশ্বকাপের এক মাস আগে দুই দল খেলানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল বিসিবি। দুটি জাতীয় দল মাঠে থাকার ঘটনাটা এখনই ঘটছে না।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে বোর্ড সভাপতি ঘোষণা দিয়েছিলেন বিশ্বকাপের পর দুটি জাতীয় দল বানিয়ে একই সঙ্গে দুটি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। বিসিবির পরিকল্পনায় ছিল পাইপলাইনে থাকা খেলোয়াড় ও নিয়মিত খেলোয়াড়দের নিয়ে দুটি ভিন্ন ফরম্যাটে ভিন্ন দল গঠন করে একই সময়ে দুই দেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে টাইগাররা।

সেই হিসেবে ধারণা করা হচ্ছিল বিশ্বকাপের পর পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে ভিন্ন দুটি দল গঠন করে সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বকাপের এক মাস আগে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দুটি জাতীয় দল মাঠে থাকার ঘটনাটা এখনই ঘটছে না।

রোববার সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।

আকরাম বলেন, 'বিশ্বকাপের পরপরই পাকিস্তান আসবে, দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। এরপরই কিন্তু দল নিউজিল্যান্ডে চলে যাবে। আগে মানিয়ে নিতে একটু সমস্যা হচ্ছিল কিন্তু এখন আর হচ্ছে না।’

পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের সিরিজ দুটির সময়কাল পরস্পর সাংঘর্ষিক না হওয়ায় দুই দল গঠনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বিসিবি।

তিনি আরও বলেন, ‘দুইটা দল করার কথা উঠেছিল পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড সিরিজ সাংঘর্ষিক হওয়ায়। সেই জিনিসটা এখন আর হচ্ছে না তাই দুটি দলের চিন্তাধারাও করতে হচ্ছে না। আমরা চিন্তাধারা রেখেছি। অনেক খেলোয়াড় উঠে আসছে, ভালোও করছে। এই সুযোগ থাকলে ভালো। তবে এই পরিস্থিতিতে দুটি দল হচ্ছে না।’

ক্রিকেটের ইতিহাসে একই সময়ে দুই দলের বিপক্ষে খেলার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এই প্রথা শুরু হয়েছে ইংল্যান্ডের হাত ধরে।

১৯৩০ সালে একই সময়ে ইংলিশরা দুই ভিন্ন দল নিয়ে টেস্ট খেলে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এরপর লম্বা বিরতির পর একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি করে ভারত।

১৯৯৮ সালে তারা দুটি জাতীয় দল প্রস্তুত করে এক দলকে পাঠায় কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নিতে। আরেক দলকে পাঠায় কানাডার বিপক্ষে সাহারা কাপে খেলতে।

সম্প্রতি একই সময়ে দুই সিরিজ আয়োজন করার কারণে বাধ্য হয়েই ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায় ভিন্ন দুই জাতীয় দল পাঠাতে হয় ভারতকে।

আরও পড়ুন:
বাছাই দিয়ে কমনওয়েলথ গেমস খেলতে হবে জাহানারাদের
বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছে সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং দল
সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশ এমার্জিংয়ের

শেয়ার করুন