‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচেই খেলা উচিত শামীমের’

‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচেই খেলা উচিত শামীমের’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ট্রফি হাতে শামীম পাটোয়ারী। ফাইল ছবি

অজিদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের প্রতিটিতেই ফিনিশারের ভূমিকায় শামীম পাটোয়ারীকে দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রিকেট কিংবদন্তি রকিবুল হাসান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে টাইগারদের লোয়ার অর্ডারে বাকি দুই তরুণ নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেনের ওপরও ভরসা রাখতে চান রকিবুল।

বেশ কিছুদিন যাবত জাতীয় দলের ব্যাটিং লাইনআপে একজন ফিনিশার খুঁজছিলেন নির্বাচকেরা। যিনি শেষ ৫-৬ ওভারে ১০ রান রেটের ওপরে দলকে রান এনে দেবেন।

গত ৫ বছরে ঐ ভূমিকায় চেষ্টা করা হয়েছে সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার, লিটন দাস এমনকি মাহমুদুল্লাহর মতো অভিজ্ঞ তারকাকেও। খুব একটা ভালো করতে পারেননি কেউই।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকের পর ডেথ ওভারে দারুণ পারফর্ম করেছেন শামীম পাটোয়ারী। দুই ম্যাচে ৬০ রান করেছেন। স্ট্রাইক রেট ছিল চোখে পড়ার মতো। ২১৪.২৮। নিজের প্রথম ম্যাচে ২৯ এর পর দ্বিতীয় ম্যাচে করেন ৩১*।

অভিষেকেই ভবিষ্যত তারকার বার্তা দেওয়া শামীমের বড় পরীক্ষা সামনের সপ্তাহেই। ঘরের মাঠে লড়তে হবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

অজিদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের প্রতিটিতেই ফিনিশারের ভূমিকায় শামীম পাটোয়ারীকে দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রিকেট কিংবদন্তি রকিবুল হাসান।

নিউজবাংলাকে এই সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘শামীম একটা পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ। সে ঘরোয়া ক্রিকেট ও অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে নিজেকে প্রমাণ করেছে। ডিপিএলে বিশ্বের এক নম্বর স্পিনার সাকিবের বিপক্ষে রান করেছে। ঘরোয়া সেরা স্পিনারদের বিপক্ষে খেলেছে। সে একজন জাত ফিনিশার। শামীম তার রোলটা জানে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচেই তার থাকা উচিত।’

শুধু শামীম নয় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে টাইগারদের লোয়ার অর্ডারে বাকি দুই তরুণ নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেনের ওপরও ভরসা রাখতে চান রকিবুল। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের তার মতে এই তিনজন অটোমেটিক চয়েজ।

তিনি বলেন, ‘শামিম পাটোয়ারীর কথাই শুধু নয়। শামীম, আফিফ ও সোহানের এখন স্থায়ী স্লটে থাকা উচিত। না থাকলে অবিচার হবে।’


‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচেই খেলা উচিত শামীমের’
সাকিব আল হাসানের কাছ থেকে অভিষেক ক্যাপ নিচ্ছেন শামীম পাটোয়ারী। ছবি: টুইটার


এর আগে, অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ জেতার পর শামীমকে নেওয়া হয় বিসিবির হাই পারফরম্যান্স দলে। দলের হয়ে আয়ারল্যান্ড এ-দলের বিপক্ষে সিরিজে নির্বাচকদের বিবেচনায় আসেন তিনি।

২০ বছরের শামীম প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে এবারের ডিপিএলে উপহার দেন একের পর এক বিস্ফোরক ইনিংস। সবই ওই ৫-৬-৭ নম্বরে নেমে। অর্থাৎ বাংলাদেশের যেমনটা দরকার ছিল ঠিক তাই।

সেটার সুফলও পান চাঁদপুরের এই ক্রিকেটার। জিম্বাবুয়ে সফরে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পান।

সব মিলিয়ে শামীমের ক্যারিয়ারটা এগোচ্ছে তার স্ট্রাইক রেটের মতোই। ঝড়ের বেগে।

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবির জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করতে চান অ্যালামনাইরা

ঢাবির জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করতে চান অ্যালামনাইরা

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

এ কে আজাদ বলেন, ‘বর্তমানে অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে প্রতি বছর তিন কোটি টাকা বৃত্তি দেয়া হয়। এই বৃত্তি না দেয়া হলে অনেক শিক্ষার্থীরই হয়তো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাই আগামী দিনে আমাদের লক্ষ্য হলো অ্যালামনাইয়ের উদ্যোগে ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করা।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করতে চায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ প্রত্যাশা জানান সংগঠনের সভাপতি এ কে আজাদ।

তিনি বলেন, ‘অ্যালামনাই হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমাদের যে দায়িত্ব ও কর্তব্য সেটি আমরা পালন করতে সক্ষম হইনি। এজন্য আমি দুঃখিত এবং লজ্জিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো খরচই সরকারি অনুদান এবং শিক্ষার্থীদের সামান্য বেতনে চলে। এভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। এক্ষেত্রে অ্যালামনাইদেরও অবদান রাখতে হবে।

‘বর্তমানে অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে প্রতি বছর তিন কোটি টাকা বৃত্তি দেয়া হয়। এই বৃত্তি না দেয়া হলে অনেক শিক্ষার্থীরই হয়তো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাই আগামী দিনে আমাদের লক্ষ্য হলো অ্যালামনাইয়ের উদ্যোগে ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করা।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য আখতারুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়ার জন্য অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘পরিবর্তিত এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা এখন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে এই সংস্কৃতির অভাব রয়েছে। অ্যাকাডেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি অ্যালায়েন্স এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং এই দুটো বিষয়ের সংস্কৃতি বাংলাদেশে এখনও গড়ে ওঠেনি।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘অ্যাকাডেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি অ্যালায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে হয়। সেটির একটি বড় সহায়ক হলো অ্যালামনাই এই সত্য উপলব্ধি করতে আমাদের অনেক সময় লেগেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা সবসময় সরকারের বরাদ্দের ওপর নির্ভর করি।

‘বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং এবং ইন্ডাস্ট্রি অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে সকল মহৎ কিছু অর্জন করে থাকে। সেটি এদেশে এখনও প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সক্ষম হবে বলে আমি আশা করি।’

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ এবং অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অ্যালামনাইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোল্লা মোহম্মাদ আবু কাওছার, সাবেক সভাপতি ও মহাসচিব রকীব উদ্দীন আহম্মেদ।

সশরীরে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অ্যালামনাইয়ের সহসভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী, মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, কোষাধ্যক্ষ দেওয়ান রাশিদুল হাসান এবং কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য সেলিমা খাতুন।

সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে অ্যালামনাইদের সার্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি জানান এবং শতবর্ষী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব ও ঐতিহ্য রক্ষায় বর্তমান প্রজন্মকে আরও আন্তরিক ও সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।

উৎসবের দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রিয়াঙ্কা গোপ এবং নৃত্য পরিবেশন করেন সামিনা হোসেন প্রেমা।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রোকাইয়া হাসিনা নিলি।

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন

থেমে গেল ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিনের কণ্ঠ   

থেমে গেল ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিনের কণ্ঠ   

ফাইল ছবি।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাড়ৈখালিতে নিজ বাসায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান জনপ্রিয় এই নজরুল সংগীত সাধক। সন্ধ্যায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীত শিল্পী ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিন আহমেদ আর নেই। ৮৮ বছর বয়সে থেমে গেছে তার জীবন প্রদীপ।

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের বাড়ৈখালিতে নিজ বাসায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান জনপ্রিয় এই নজরুল সংগীত সাধক।

সন্ধ্যায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গুনী এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণব কুমার ঘোষ ও মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর নাছিরউদ্দিন উজ্জ্বল।

জুলহাসউদ্দীন আহমেদ ১৯৩৩ সালের ১০ নভেম্বর মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী গ্রামে জন্ম নেন। সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।

এ ছাড়া নজরুল স্বর্ণপদক, নাছিরউদ্দিন স্বর্ণপদক, শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক সংবর্ধনা, বুলবুল একাডেমি কর্তৃক সংবর্ধনা, এবি ব্যাংক-চ্যানেল আই আজীবন সম্মাননাসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি।

রাজশাহীতে এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদকসহ ‘সুর সাগর’ উপাধি লাভ করেছিলেন ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিন।

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন

অফিস কক্ষে ভাইস চেয়ারম্যানের ঝুলন্ত মরদেহ

অফিস কক্ষে ভাইস চেয়ারম্যানের ঝুলন্ত মরদেহ

নিহতের ভাই নুরুল আফসার ভূঁইয়া বলেন, ‘বাড্ডায় লামিনাল গ্রুপ নামের একটি ফরেন ইনভেস্টর অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এক নারী, তার পার্টনার হিসেবে আমার বড় ভাই ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন।’

রাজধানীর বাড্ডার আফতাবনগর এলাকার একটি অফিস কক্ষ থেকে নুরনবী ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালের দিকে তার পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

বাড্ডা থানার পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে বাড্ডার আফতাবনগর এলাকার নুরুল টাওয়ারের একটি একটি বাসার ৯ তলা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি।

‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।’

তিনি জানান, তাকে হত্যা করা হয়েছে না কি এটি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বলা যাবে।

নিহতের ভাই নুরুল আফসার ভূঁইয়া বলেন, ‘বাড্ডায় লামিনাল গ্রুপ নামের একটি ফরেন ইনভেস্টর অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এক নারী, তার পার্টনার হিসেবে আমার বড় ভাই ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন।

‘সৌদির সঙ্গে কমিশনে ব্যবসা করতেন, আমাদের বাসা থেকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বের হন। ভাইকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান অফিসে যাচ্ছি। এর কিছুক্ষণ পরে খবর পাই অফিসের মধ্যে চাদর দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেয়ার। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।’

৫৫ বছর বয়সী নূরনবী ভূঁইয়ার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী সোনাইমুড়ী থানার আবির পাড়ায়।

তিনি বাড্ডার আফতাবনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন

ঢাবিতে ডোপ টেস্ট চলতি বছর থেকেই

ঢাবিতে ডোপ টেস্ট চলতি বছর থেকেই

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী বলেন, ‘এই বছর যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, তাদের দিয়েই মূলত ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু হবে। তাদেরকে টার্গেটে রেখেই আমরা এটি শুরু করব।’

চলতি বছর থেকেই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনতে চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এ বছর যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন, তাদের দিয়েই মূলত ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করা হবে। তবে টেস্টের খরচ শিক্ষার্থীরা নাকি বিশ্ববিদ্যালয় বহন করবে সেটি এখনও ঠিক করা হয়নি।

শুক্রবার নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডোপ টেস্ট নিয়ে গঠিত কমিটির সদস্য সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী।

তিনি বলেন, ‘এই বছর যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, তাদের দিয়েই মূলত ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু হবে। তাদেরকে টার্গেটে রেখেই আমরা এটি শুরু করব।’

৩১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক নিয়মিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি এবং শিক্ষক নিয়োগে ডোপ টেস্ট কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ লক্ষ্যে ডোপ টেস্টের সক্ষমতা যাচাইয়ে ডিনস কমিটির করা সাত সদস্যের একটি কমিটি অনুমোদন দেয় সিন্ডিকেট।

কমিটির প্রধান করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞাকে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রহমতুল্লাহ, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার নবী, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান জোবেদা খাতুন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী।

৭ সেপ্টেম্বর এ কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে কমিটি সদস্য ও চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার নবী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা কোন জায়গায় এই টেস্ট করাব, কীভাবে করানো হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ল্যাবরেটরি আছে, সেগুলোকে উন্নত করে এই টেস্ট করানোর সুযোগ আছে কী না সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

টেস্টের খরচ বহনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু না। আমরা শুধু কোন জায়গায় টেস্ট করাতে কী খরচ সেটি কর্তৃপক্ষকে জানাব। তারাই সিদ্ধান্ত নিবে এই খরচ কে বহন করবে।’

কমিটির সদস্য সচিব ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী বলেন, ‘কমিটির সদস্যরা ডোপ টেস্ট নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করছে। কোথায় থেকে টেস্ট করানো হবে, খরচটা কীভাবে বহন করা হবে এগুলো নিয়েই ওনারা প্রস্তাব দিবেন। এ প্রস্তাবনাগুলোই কমিটির আগামী সভায় আলোচনা হবে। এগুলোই পরবর্তীতে ডিনস কমিটি, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি এরপর সিন্ডিকেটে সভায় যাবে। সেখানেই ডোপ টেস্ট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।’

নতুন সভা কবে হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির সময় এটি কার্যকর করার চেষ্টা করা হবে, তাই এটি নিয়ে এখনই তাড়াহুড়া করা হচ্ছে না। কিছুদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু হবে। সেটির জন্য এখন একটু ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। ভ্যাকসিনেশন শুরু করতে পারলে পরে আরেকটা সভায় আমরা বসব।’

টেস্টের খরচের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো প্রাইভেট সংগঠনে যেতে চাই না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়েই হয়তো আমাদের টেস্ট করাতে হবে। এখানেই মূলত খরচটা সবচেয়ে কম। এই টেস্টে দুই ধরনের খরচ আছে।

‘একটা প্রায় ৫০০ টাকা, অন্যটি এক হাজার টাকার মতো। এই দুটিই প্রস্তাবনা হিসেবে আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব। তারাই সিদ্ধান্ত নিবে। তবে এই খরচটা বিশ্ববিদ্যালয় নাকি শিক্ষার্থীরা বহন করবে এটি পুরোপুরি আলোচনা হয়নি। প্রস্তাবনা আকারে সব সদস্য থেকে নিয়ে তারপর এটি আলোচনা করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘ডোপ টেস্ট নিয়ে গঠিত কমিটি কাজ করছে। তাদের রিপোর্ট জমা পড়লে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

চট্টগ্রামের মানুষ যদি সিআরবিতে স্থাপনা না চায় তবে জোর করে চাপিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন রেলমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে তথ্যগত কোনো ভুল হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবিতে হাসপাতাল করা নিয়ে কয়েক দিন আগে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু তার আগেই আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। বিষয়টি পত্রিকা ও টেলিভিশনে দেখেছি।

‘কিন্তু কী নিয়ে আন্দোলন তা আনুষ্ঠানিকভাবে রেলওয়েকে জানানো হয়নি। এমনকি মন্ত্রী, সচিব বা রেলের ডিজির কাছেও কোনো আবেদন করা হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও কোনো দরখাস্ত দেয়া হয়নি। দরখাস্ত বা অভিযোগ দেয়ার পর যদি জোর করে কোনো কিছু হয়, তাহলে আন্দোলনের প্রশ্ন আসবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩-১৪ সাল থেকে সিআরবিতে হাসপাতাল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তখন কেউ আপত্তি তোলেনি। যখন হাসপাতাল নির্মাণ বাস্তবায়ন পর্যায়ে আসছে তখন আপত্তিগুলো আসছে। আপত্তির কারণটা আগে আমাদের জানাবেন। এখানে তো হাসপাতাল হচ্ছে, মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে।’

আন্দেলনকারীদের উদ্দেশ্য আসলে কী তা খতিয়ে দেখা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ আছে, তাদের কোনো কাজই ভালো লাগে না। তাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আন্দোলন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।’

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

রাজধানীর বাড্ডায় বেসরকারি কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। ছবি: নিউজবাংলা

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

করোনায় ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তবে এর জন্য স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমতি লাগবে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিচালক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ) মো. ওমর ফারুখের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও করোনার এক ডোজ টিকা অথবা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে এই শর্তে সশরীরে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

শর্ত সমূহ:

১. শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ ইতোমধ্যে কমপক্ষে এক ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে অথবা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য জাতীয় পরিচয় (NID) সহযোগে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব (https://surokkha.gov.bd/) অথবা surokkha app-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করে থাকলে।

২. ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব শিক্ষার্থী, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারা জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য ব্যবহার করে কমিশনের ওয়েবলিংক (https://univac.ugc.gov.bd)-এ ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন করে থাকলে এবং পরবর্তীতে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করে থাকলে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যদের বৈঠকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের টিকা নিবন্ধন শেষে কিছু ব্যবস্থা নেয়া সাপেক্ষে যেকোনো দিন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেখরা গ্রামে শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয় পেতে চলতি মাসের শুরুতে গ্রামের মসজিদে দোয়ার ব্যবস্থা করেন ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুল লতিফ। ইমাম নামাজ শেষে দোয়া করেন।

কিন্তু ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে জয় পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আনিসুর রহমান।

শুক্রবার জুমার নামাজের আগে আনিসুর রহমানের সমর্থক ফারুক মসজিদের ইমামকে ওই দিন দোয়া করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল লতিফের সমর্থক বাবুল ফকির। একপর্যায়ে তারা তর্কে জড়ান। পরে নামাজ শেষে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে আব্দুল লতিফ জানান, আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছেন আনিসুরের লোকজন। তাদের হামলায় আমার ১৩ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বাবুল ফকিরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কজেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আনিসুর রহমান বলেন, ‘মসজিদের মধ্যে বাবুল ফকির, কামরুল ইশারাত শেখসহ বেশ কয়েকজন আমার লোকজনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়।’

আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নেই লিটন
ক্রিকেটার বানানো বিথী এখন অসহায়দের সহায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রিন্সকে রাখছে বিসিবি

শেয়ার করুন