বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রথম দিন

বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রথম দিন

সাউদ্যাম্পটনের ভেজা মাঠ পর্যবেক্ষণ করছেন নিউজিল্যান্ডের পেইসার ট্রেন্ট বোল্ট। ছবি: এএফপি

ইংল্যান্ড সময় বেলা ৩টায় (বাংলাদেশ সময় রাত আটটা) পিচ পরিদর্শন করেন আম্পায়ার।মাঠ ভেজা থাকায় ও তখনও বৃষ্টি পুরোপুরি না থামায় প্রথম দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়ার। তবে ফাইনালের জন্য নির্ধারিত রাখা রিজার্ভ ডে যোগ হচ্ছে টেস্টের সঙ্গে।

সাউদ্যাম্পটনে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম দিন বৃষ্টির বাধায় পড়েছে। বৃষ্টির কারণে খেলা মাঠে গড়াতে পারেনি। প্রথম দিন টসও করেননি দুই অধিনায়ক ভিরাট কোহলি ও কেইন উইলিয়ামসন।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি একেবারেই না থামলে আম্পায়ার লাঞ্চ সেশন ঘোষণা করেন। বৃষ্টিতে ধুয়ে যায় দ্বিতীয় সেশনও। ইংল্যান্ড সময় বেলা ৩টায় (বাংলাদেশ সময় রাত আটটা) পিচ পরিদর্শন করেন আম্পায়ার।

মাঠ ভেজা থাকায় ও তখনও বৃষ্টি পুরোপুরি না থামায় প্রথম দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়ার। তবে ফাইনালের জন্য নির্ধারিত রাখা রিজার্ভ ডে যোগ হচ্ছে টেস্টের সঙ্গে।

অর্থাৎ প্রথম দিন ধুয়ে গেলেও, বৃষ্টি আবার ব্যাঘাত না হলে পুরো পাঁচদিনই খেলা হতে পারে সাউদ্যাম্পটনে।

প্রথম টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট মাথায় নিতে জয় ছাড়া কিছুই ভাবছে না দুই দল। এক ম্যাচের ফাইনালের টেস্টটি ড্র বা টাই হয়, তবে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।

নয়টি দলকে নিয়ে ২০১৯ সালের আগস্টে শুরু হয় প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার পাঁচ টেস্টের অ্যাশেজ সিরিজ দিয়ে পথচলা শুরু টুর্নামেন্টের।

এরপর বিভিন্ন দল নিজেদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলে। প্রতি দল ছয়টি করে সিরিজ খেলেয়ার কথা ছিল। সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া সেরা দুই দলের খেলার কথা ছিল ফাইনাল।

কিন্ত ২০২০ সালের মার্চ থেকে বিশ্বব্যাপি করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় অন্যান্য খেলার মত থমকে যায় ক্রিকেটও।

তাই করোনার কারনে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরের বেশ কয়েকটি ম্যাচ ও সিরিজ স্থগিত হয়ে যায়। ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনে আইসিসি। পয়েন্টের হিসেব বাদ দিয়ে শতকরা হিসেবে পয়েন্ট টেবিলের নিয়ম চালু করে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা।

শতকরা হিসেবে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট ছিলো ভারত ও নিউজিল্যান্ডের। ভারত ছিলো সবার উপরে। ৬ সিরিজে ভারতের শতকরাতে পয়েন্ট ৭২ দশমিক ২। আর পাঁচ সিরিজে নিউজিল্যান্ডের শতকরাতে পয়েন্ট ৭০।

তাই পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুই দল হয়ে প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।

ছয় সিরিজে ১৭ ম্যাচে ভারতের জয় ১২টিতে, হার ৪টিতে ও ড্র ১টিতে। পাঁচ সিরিজে ১১ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের জয় ৭টিতে। হার ৪টিতে, কোন ড্র নেই।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে তিন নম্বরে থাকা দলের জন্য প্রাইজমানি সাড়ে ৪ লাখ ডলার। চার নম্বরে থাকা দল পাবে সাড়ে ৩ লাখ ও ৫ নম্বরে থাকা দলের থাকছে ২ লাখ ডলার প্রাইজমানি। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে নবম দল পাবে ১ লাখ ডলার করে।

ফাইনালের মঞ্চে নামার আগে টেস্ট ফরম্যাটে ৫৯বার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এরমধ্যে নিউজিল্যান্ডের জয় ১২ ম্যাচে। ভারতের ২১টিতে জয়। বাকী ২৬ টেস্ট ড্র হয়।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে হেরেছিলো ভারত। সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ ছিল।

ফাইনালের আগের রাতে বৃহস্পতিবার নিজেদের একাদশ ঘোষনা করেছে ভারত। দলে জায়গা পেয়েছেন স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার রভিন্দ্র জাদেজা।

ভারত একাদশ:
রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, চেতেশ্বর পুজারা, ভিরাট কোহলি, আজিঙ্কা রাহানে, রিশাভ পান্ট, রভিন্দ্র জাদেজা, রভিচন্দ্রন আশউইন, মোহাম্মদ শামি ও ইশান্ত শর্মা।

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টাইগারদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ, অজিদের কামব্যাকের

টাইগারদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ, অজিদের কামব্যাকের

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষে টাইগারদের উল্লাস। ছবি: সংগৃহীত

জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার টাইগাররা মাঠে নামতে যাচ্ছে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি খেলতে। হোম অফ ক্রিকেট মিরপুরে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত এক জয় বাগিয়ে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার টাইগাররা মাঠে নামতে যাচ্ছে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি খেলতে। হোম অফ ক্রিকেট মিরপুরে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

প্রথম ম্যাচে ইতিহাস গড়া জয়ের পর মাহমুদউল্লাহর দলের লক্ষ্য থাকবে দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় ছিনিয়ে নেয়া। আর অস্ট্রেলিয়ার দৃষ্টি থাকবে সিরিজে সমতা ফেরানোর দিকে।

মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে সফরকারীদের ১৩২ রানের সহজ লক্ষ্য বেধে দেয় স্বাগতিক দল। সেই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাকিব-নাসুম-মেহেদিদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে ওয়েড-মার্শদের। ছোট লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ১০৮ রানেই থেমে যায় অজিদের রানের চাকা।

ইতিহাস গড়া এক জয় পেলেও তাতে আকাশে উড়ছেন না টাইগার দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ম্যাচ শেষে এ প্রসঙ্গে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘এই জয়ের পরও আমরা মাটিতে পা রাখছি। আমরা জয় পেয়েছি। এই ম্যাচ শেষ। এখন সময় পরবর্তী ম্যাচের দিকে লক্ষ্য রাখা। প্রথম বল থেকেই আমরা প্রাধান্য বিস্তার করার চেষ্টা করব। আমাদের পা মাটিতে রাখতে হবে।‘

অপরদিকে প্রত্যাশিত জয় না পেয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে জয় দিয়ে সিরিজে ফিরতে প্রত্যয়ী অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ম্যাথিউ ওয়েড। টাইগার বোলারদের প্রতিহত করার উপায় বের করে সিরিজে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে চান তিনি।

ওয়েড বলেন, ‘আমাদের সাহসী হতে হবে ও পরিকল্পনায় অটুট থাকতে হবে। নিজের মতো করে খেলার সাহস রাখতে হবে। ছোট স্কোর তাড়া করার সময় সাহসী হওয়া ও স্মার্ট হওয়ার মধ্যে একটু পার্থক্য আছে। ছেলেরা এখানে খুব বেশি খেলেনি।‘

‘উইকেটে গিয়ে ১০-১৫ বল কাটানো জরুরি ও ইনিংস বড় করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ও পাঁচ ম্যাচের সিরিজে খোলসে ঢুকে যাওয়া চলবে না। পরের ম্যাচগুলোতে একই বোলারদের খেলতে একটা উপায় বের করতে হবে, যেটি কাজে দেয়।‘

দ্বিতীয় ম্যাচে দুই দলেরই একাদশে পরিবর্তন আসার খুব একটা সম্ভাবনা নেই। আগের একাদশ নিয়েই মাঠে নামবে দুই দল।

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন

৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আসছে নিউজিল্যান্ড

৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আসছে নিউজিল্যান্ড

ফাইল ছবি

২৪ আগস্ট আসলেও সেপ্টেম্বরের আগে মাঠে নামছেন না উইলিয়ামসনরা। সাত দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ করে ৩১ আগস্ট অনুশীলন করবে সফরকারী দল। এরপর ১ সেপ্টেম্বর ম্যাচ খেলতে নামবে তারা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) অনুযায়ী ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আসার কথা ছিল নিউজিল্যান্ডের।

সিরিজ শুরুর আগে এসেছে পরিবর্তন। এই পরিবর্তন তারিখে নয়। পরিবর্তন এসেছে ম্যাচ সংখ্যায়।

আগের সূচি অনুযায়ী তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা ব্ল্যাক ক্যাপদের। সে জায়গায় পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে তারা।

বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সব কিছু ঠিক থাকলে ২৪ আগস্ট বাংলাদেশে পা রাখবে নিউজিল্যান্ড।

২৪ আগস্ট আসলেও সেপ্টেম্বরের আগে মাঠে নামছেন না উইলিয়ামসনরা। সাত দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ করে ৩১ আগস্ট অনুশীলন করবে সফরকারী দল। এরপর ১ সেপ্টেম্বর ম্যাচ খেলতে নামবে তারা।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের মতোই একটি ভেন্যুতে খেলা হবে সিরিজের সব ম্যাচ। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দুই বোর্ড মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচগুলো খেলানোর।

সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ১, ৩, ৫, ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর।

গত বছর আগস্টে দুই টেস্ট ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল নিউজিল্যান্ডের। কিন্তু করোনার কারণে বাতিল হয়ে যায় সিরিজ।

এর আগে ২০১৩-১৪ মৌসুমে সবশেষ বাংলাদেশের পূর্ণ সফরে এসেছিল নিউজিল্যান্ড।

গতকাল মঙ্গলবার ইংল্যান্ড বাংলাদেশে তাদের টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল করে।

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন

সতীর্থদের সঙ্গে না থেকেও আছেন তামিম-মুশফিক

সতীর্থদের সঙ্গে না থেকেও আছেন তামিম-মুশফিক

ম্যাচ জয়ের পর একে অপরকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ছবি: এএফপি

টাইগারদের এই জয়ে প্রশংসা করেছেন সিরিজে না থাকা মুশফিকুর রহিম এবং তামিম ইকবাল। নিজেদের টুইটারে ও ফেসবুকে মাহমুদউল্লাহ বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তারা। 

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৩ রানের দুর্দান্ত এক জয়ে সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। ইতিহাস গড়া এই জয়ে ভূয়সী প্রশংসায় ভাসছে স্বাগতিক দল।

টাইগারদের এই জয়ে সতীর্থদের মতো উচ্ছ্বাসে ভাসছেন সিরিজে না থাকা মুশফিকুর রহিম এবং তামিম ইকবাল। নিজেদের টুইটারে ও ফেসবুকে মাহমুদউল্লাহ বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তারা।

অস্ট্রেলিয়ার বেধে দেয়া কোয়ারেন্টিন বিধিনিষেধের কারণে সুস্থ হয়েও মাঠের বাইরে থেকে প্রিয় দলের ইতিহাস গড়া জয় দেখেছেন মুশফিক। জয়ের পর প্রিয় সতীর্থদের শুভেচ্ছা জানান এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

নিজের ব্যক্তিগত টুইটারে এক টুইট বার্তায় মুশফিক লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ দুর্দান্ত জয় ছেলেরা। এখন আমাদের নজর দিতে হবে সিরিজ জয়ে ইনশাআল্লাহ।’

ইনজুরির কারণে সিরিজ খেলছেন না বাংলাদেশের আরেক স্তম্ভ তামিম ইকবালও। টিভিতে খেলা দেখে উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন তিনিও।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। অভিনন্দনসূচক একটি ছবি পোস্ট করে তামিম লিখেছেন, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২০২১। অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে ১-০ তে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।’

টাইগারদের জয়ে অভিন্দন এসেছে রাজনৈতিক মহল থেকেও।

অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা করছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ১৪ দলের সমন্বয়ক আমীর হোসন আমু, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন

অজি বধে টাইগার বন্দনা

অজি বধে টাইগার বন্দনা

বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়ানোর সুযোগই পায়নি অস্ট্রেলিয়া। ছবি: এএফপি

অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা করছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ১৪ দলের সমন্বয়ক আমীর হোসন আমু, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে, দলটির বিরুদ্ধে প্রথম জয়ে সিরিজে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানাচ্ছে সবাই।

টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান আশা করছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ১৪ দলের সমন্বয়ক আমীর হোসন আমু, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে।

পাঁচ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে অজিরা বাংলাদেশে এসেছে কিছুটা খর্বশক্তির দল নিয়ে। তবে বাংলাদেশও পুরো শক্তিতে নেই। দলের স্তম্ভ মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, লিটন কুমার দাসকে ছাড়া এই দলটি যে অজিদেরকে বধ্ করে দেবে, ম্যাচের অর্ধেকটা যাওয়ার পরেও এ বিষয়ে কোনো উচ্চাশা ছিল না।

তবে ১১ রানে সফরকারীদের তিন উইকেট ফেলে দেয়ার পরই নড়েচড়ে বসে গোটা জাতি। সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সামনে ছোট লক্ষ্যের পরেও কিছু একটা হতে পারে, ধারণা জন্মে।

এরপর যত সময় গেছে ১৩২ রানের লক্ষ্য তত বড় হয়েছে অজিদের জন্য। শেষ পর্যন্ত বেশ বড় ব্যবধানেই হার মানতে হয়েছে তাদের।

মুস্কাফিজুর রহমান তার বিখ্যাত কাটারে শেষ অজি ব্যাটসম্যান মিশেল স্টার্কের উইকেট ভেঙে দেয়ার পর পরই শুরু হয় উল্লাস। একের পর এক আসতে থাকে অভিনন্দন বার্তা।

ক্রিকেট দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তিনি আশা করেন, ‘টুর্নামেন্টের সামনের ম্যাচগুলোতেও বাংলাদেশ জয়লাভ করবে।’

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন

নাসুম এখন ইতিহাসের অংশ

নাসুম এখন ইতিহাসের অংশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের অন্যতম নায়ক নাসুম আহমেদ। ছবি: এএফপি

অজিদের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নাসুম করেন ৪ ওভার। ১৯ রানের খরচায় ঝুলিতে পুরেছেন ৪টি উইকেট। আর এই ৪ ওভারের ভেতর ডট বল ছিল ১২টি। তার ৪ ওভারের স্পেলে মাত্র একটি বাউন্ডারি হাঁকাতে সক্ষম হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অবশেষে দেখ মিলল অপূর্ব মুহূর্তের। পূরণ হলো টাইগারদের অধরা স্বপ্ন; অস্ট্রেলিয়া বধ। প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ পেলো অজিদের হারানোর স্বাদ। আর এই জয়ের নায়ক হয়ে ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকলেন স্পিনার নাসুম আহমেদ।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কয়েক দিন আগেই শেষ হওয়া সিরিজে বল হাতে ভালো করতে পারেননি এই স্পিনার। শেষ টি-টোয়েন্টিতে প্রচন্ড মার খেয়েছিলেন তিনি। ৩ ওভারে ৪টি ছক্কা সহ হজম করেন ৩৭ রান। এর মধ্যে তাকে টানা ৩টি ছক্কা হাঁকান রেগিস চাকাবভা।

সেই মারের ঝালটা যেন ওঠালেন অজিদের ওপর দিয়ে। বল হাতে শুরু থেকেই সফরকারীদের চেপে ধরেন নাসুম। নিজের প্রথম ওভারে বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই সাজঘরে ফেরান অপেনার জশ ফিলিপেকে।

এরপর একে একে মাঠ ছাড়া করেন ম্যাথিউ ওয়েড, অ্যাস্টন এইগারদের। নিজের শেষ ওভারে অজিদের জয়ের স্বপ্ন জিইয়ে রাখা মিচেল মার্শকে ফিরিয়ে ইতিহাস রচনার দিকে এক পা এগিয়ে দেন বাংলাদেশকে।

অজিদের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নাসুম করেন ৪ ওভার। ১৯ রানের খরচায় ঝুলিতে পুরেছেন ৪টি উইকেট। আর এই ৪ ওভারের ভেতর ডট বল ছিল ১২টি। তার ৪ ওভারের স্পেলে মাত্র একটি বাউন্ডারি হাঁকাতে সক্ষম হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

শুরুতে পরিকল্পনা তেমনটাই ছিল জানালেন নাসুম। অস্ট্রেলিয়াকে বাউন্ডারি বের করতে দিতে চায়নি বাংলাদেশ। বাউন্ডারির অভাবে পুরো ম্যাচে আস্কিং রেটের সঙ্গে লড়তে হয়েছে সফরকারী দলকে।

নাসুম বলেন, ‘লক্ষ্য ও চেষ্টা ছিল রান কম দিয়ে বোলিং করা। বেশি ডট বল করা। সেটা চেষ্টা করতে যেয়েই উইকেট পেয়েছি।’

ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচ অফ দ্যা ম্যাচ পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত নাসুম। তবে নিজের সাফল্যে দুই সিনিয়র টাইগারের অবদানের কথা ভোলেননি এই বাঁ-হাতি।

নাসুম বলেন, ‘সাকিব ভাই ও রিয়াদ ভাই মিলে আমাকে অনেক সমর্থন করে গেছেন। যখনই বল করতে গিয়েছি তখনই আমার সঙ্গে দুই জনই কথা বলেছেন। তাদের কথা মতোই চেষ্টা করেছি।’

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ২৬ বছর বয়সী এই স্পিনার খেলেছেন ৫টি ম্যাচ। এই ৫ ম্যাচে শিকার করেছেন ৬ উইকেট। যার ভেতর চারটিই এসেছে এই ম্যাচ থেকে।

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়াকে আক্রমণের মূলমন্ত্র কাজে লেগেছে: মাহমুদুল্লাহ

অস্ট্রেলিয়াকে আক্রমণের মূলমন্ত্র কাজে লেগেছে: মাহমুদুল্লাহ

ম্যাচ শেষে জয়ের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

১৩২ রানের লক্ষ্য ডিফেন্ড করতে নেমে ম্যাচের প্রথম বল থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশের বোলাররা। আর এই ধারা ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে বলেই এসেছে কাঙ্ক্ষিত জয়।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২৩ রানের জয় তুলে নিয়ে দুর্দান্ত এক সূচনা করেছে বাংলাদেশ। টাইগারদের জয়ে রচিত হয়েছে ইতিহাস।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে সাত উইকেটের খরচায় ১৩১ রান তোলে স্বাগতিক দল। অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপের সামনে খাবি খাচ্ছিলেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৩২ রানের লক্ষ্য ডিফেন্ড করতে নেমে ম্যাচের প্রথম বল থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশের বোলাররা। আর এই ধারা ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে বলেই এসেছে কাঙ্ক্ষিত জয়।

এমনটাই মনে করছেন বাংলাদেশের দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচ শেষে এমনটাই জানান তিনি।

মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আমরা দলগতভাবে আলোচনা করেছি যে আমাদের বোর্ডে ১০ রান কম ছিল। তাই ভালো ফিল্ডিং করা দরকার ছিল। এটা দারুণ ব্যাপার যে মাঠে সবার মাঝে জয়ের ক্ষুধা ছিল। বোলাররা দারুণভাবে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। প্রথম বল থেকেই যে আক্রমণাত্বক মনোভাবের দরকার ছিল সেটা আমরা দেখাতে পেরেছি।’

ইতিহাস গড়া জয়ের পরও আত্মবিশ্বাসে ভাসছেন না রিয়াদ। এই ম্যাচের ভুলভ্রান্তি শুধরে পরের ম্যাচগুলোতেও প্রথম বল থেকে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে চান তিনি।

এই প্রসঙ্গে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘এই জয়ের পরও আমরা মাটিতে পা রাখছি। এই ম্যাচে জয় পেয়েছি। এটা শেষ। এখন সময় পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হওয়া। আর প্রথম বল থেকেই আমরা প্রাধান্য বিস্তারের চেষ্টা করব। আমাদের মাটিতেই পা রাখতে হবে।‘

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কাঁটাছেড়া করার খুব বেশি সময় পাচ্ছে না দুই দল। বুধবার দ্বিতীয় ম্যাচ সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হচ্ছে মিরপুরে।

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন

বাঘের থাবায় ক্যাঙ্গারু বধ্‌

বাঘের থাবায় ক্যাঙ্গারু বধ্‌

অস্ট্রেলিয়ার একের পর এক উইকেট পতনে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি

মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে খুব বড় টার্গেট দিতে পারেনি বাংলাদেশ। তাতে আত্মবিশ্বাস হারায়নি টাইগাররা। দাপটের সঙ্গেই ক্যাঙ্গারুদের হারিয়ে দিয়েছে তারা। অজিদের বিপক্ষে প্রথমবার টি-টোয়েন্টিতে জয়ের উচ্ছ্বাসে মাতল লাল-সবুজ।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দারুণ লড়াই শেষে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারানোয় পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল টাইগাররা।

অসাধারণ এই জয়ে বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বাহিনী। অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত তামিম, মুশফিক ও লিটনকে ছাড়াই ২২ গজে ব্যাটিংয়ের চ্যালেঞ্জে নেমে ১৩১ রান তোলে বাংলাদেশ।

জবাবে নাসুম আহমেদের স্পিন জাদু এবং মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামের দারুণ পেইসে ১০৮ রানেই থামতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে।

টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম রান ডিফেন্ড করে এটিই জয়ের রেকর্ড বাংলাদেশের। এর আগে ২০১৬ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ১৩৩ রান করে জিতেছিল বাংলাদেশ।

শুরুতেই সৌম্যকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশকে পথে রাখেন ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও সাকিব আল হাসান। ২৯ বলে ৩০ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে ফেরেন নাইম। আর ৩৩ বলে সাকিবের ৩৬ এ রানের ধারা অব্যাহত রাখে টাইগাররা। নাইমের বিদায়ের পর ২০ বলে ২০ রান করে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

বাঘের থাবায় ক্যাঙ্গারু বধ্‌
২৩ রানের ইনিংস খেলার পথে আফিফ হোসেনের একটি শট। ছবি: এএফপি

মাঝে উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহান ৩ রানে বিদায় নেয়ার পর ১৭ বলে ২৩ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন আফিফ হোসেন। থিতু হওয়ার আগেই ফিরতে হয় জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশের বিস্ময় শামীম পাটওয়ারিকে। শেষ দিকে মেহেদী হাসান ৬ বলে ৭ রান করলে ৭ উইকেট ১৩১ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি উইকেট নেন পেইসার জশ হেইজেলউড। দুই উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক।

লক্ষ্য খুব বড় ছিল না অ্যারন ফিঞ্চ, স্টিভেন স্মিথ, প্যাট কামিন্স, ডেভিড ওয়ার্নার, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, জাই রিচার্ডসন ও কেইন রিচার্ডসনের মতো নিয়মিত তারকাদের ছাড়াই বাংলাদেশে আসা অস্ট্রেলিয়ার জন্য। তবে তা পাহাড়সম করে তোলেন নাসুম, মুস্তাফিজ ও শরিফুলরা।

প্রথম বলেই ওপেনার অ্যালেক্স ক্যারিকে সাজঘরে ফিরিয়ে দলকে শুভ সূচনা এনে দেন মাহেদী হাসান। তার স্পিনে কিছু বুঝে ওঠার আগেই বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন ক্যারি।

দ্বিতীয় ওভারেই আরেক ওপেনার জশ ফিলিপেকে ফেরান নাসুম।

বাঘের থাবায় ক্যাঙ্গারু বধ্‌
বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়ানোর সুযোগই পায়নি অস্ট্রেলিয়া। ছবি: এএফপি

১১ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। তৃতীয় ওভারে আঘাত হানেন সাকিব আল হাসান। মোয়েজেস এনরিকেসকে ১ রানেই মাঠছাড়া করেন দেশসেরা অলরাউন্ডার।

ক্রিজে থিতু হতে থাকা অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে সাজঘরে পাঠিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে আরও বিপর্যয়ে ফেলেন নাসুম। এখানেই থেমে থাকেননি এই স্পিনার। অ্যাস্টন এইগারকেও সাজঘরের পথ দেখান বাঁহাতি এই স্পিনার।

ক্রিজে যা লড়াই করার করে যাচ্ছিলেন মিচেল মার্শ। ৮৪ রানের মাথায় তাকে চতুর্থ শিকারে পরিণত করেন নাসুম। বলতে গেলে তার স্পিন জাদুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় অজিরা।

অস্ট্রেলিয়া শিবিরে অষ্টম আঘাত হানেন শরীফুল ইসলাম। তিন বলের ব্যবধানে অ্যান্ড্রু টাই ও অ্যাডাম জ্যাম্পাকে উইকেট ছাড়া করেন তিনি। তার আগে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হন অ্যাস্টন টার্নার।

শেষ ওভারে জিততে অজিদের দরকার ছিল ২৮ রান। আর বাংলাদেশের দরকার ছিল এক উইকেট। ফিজের কাটারে নাজেহাল অস্ট্রেলিয়া তুলতে পারে ৫ রান। আর শেষ বলে মিচেল স্টার্ককে বোল্ড করে অজিদের অলআউটের তেতো স্বাদ দেয় বাংলাদেশ।

আর তাতেই লেখা হলো ইতিহাস। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় দেখল টাইগাররা।

শের-ই-বাংলায় সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো হবে ৪, ৬, ৭ ও ৯ আগস্ট।

আরও পড়ুন:
নির্ভার ক্রিকেট খেলবে ভারত, খালি হাতে ফিরতে চায়না নিউজিল্যান্ড
আইসিসির হল অফ ফেমে সাঙ্গাকারা ও ফ্লাওয়ার
১৪ দলে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০ দলে টি-টোয়েন্টি

শেয়ার করুন