মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর

মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে মুশফিক। ছবি: ডিপিএল

এই জয়ে ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে আবাহনী।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) সোমবারের ম্যাচে খেলাঘরের বিপক্ষে হেরে ব্যাকফুটে ছিল আবাহনী লিমিটেড। পরদিন আর পা হড়কায়নি তাদের।

অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও মোসাদ্দেক হোসেনের ফিফটিতে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে আবাহনী।

এই জয়ের পর ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে আবাহনী।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও শেখ মেহেদি হাসান ৯ ওভারেই তুলে ফেলেন ৭৮। মেহেদি ৪৩ করে ফেরার পর শুরু হয় ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিল।

অন্য প্রান্ত আগলে রাখেন সৌম্য। সাত নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে ইনিংসের শেষ ওভারে ফেরার আগে ৫০ বলে ৬ চার ও ২ ছয়ে তিনি করেন ৬৭ রান। গাজী গ্রুপের সংগ্রহ তাতে দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১৫০।

জবাবে দ্রুত নাইম শেখ ও নাজমুল হোসেন শান্তকে হারায় আবাহনী। আরেক ওপেনার মুনিম শাহরিয়ারও শুরু করেন ধীরগতিতে।

মুনিম ফেরার পর আর কোনো বিপদ হয়নি আকাশী-হলুদদের। মুশফিক ও মোসাদ্দেকের অবিচ্ছিন্ন ১০৫ রানের জুটিতে দুই ওভার হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় পায় আবাহনী।

চারটি চার ও এক ছয়ে মুশফিক অপরাজিত থাকেন ৩৫ বলে ৫৩ রানে। অন্য প্রান্তে চারটি চার ও তিন ছয়ে ২৮ বলে ৫০ করেন মোসাদ্দেক।

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আইপিএলের মুস্তাফিজ মিরপুরে অচেনা

আইপিএলের মুস্তাফিজ মিরপুরে অচেনা

ফিলিপেকে ফিরিয়ে দলের সঙ্গে মুস্তাফিজের উদযাপন। ছবি: এএফপি

উইকেটের সঙ্গে নিজেকে এভাবে মানিয়ে নেয়ায় ফিজের প্রশংসা করেছেন অজি অলরাউন্ডার মোয়েজেস এনরিকেস। মুস্তাফিজের এমন বোলিং তিনি আইপিএলেও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান। দুই ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি নাস্তানাবুদ করেছেন সফরকারী দলের ব্যাটসম্যানদের।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জশ ফিলিপে, ম্যাথিউ ওয়েড ও অ্যাস্টন এইগারকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন কাটার মাস্টার খ্যাত ফিজ। ৩টি উইকেট তিনি পেয়েছেন স্লোয়ার ডেলিভারিতে।

উইকেটের সঙ্গে নিজেকে এভাবে মানিয়ে নেয়ায় সংবাদ সম্মেলনে ফিজের প্রশংসা করেছেন অজি অলরাউন্ডার মোয়েজেস এনরিকেস। মুস্তাফিজের এমন বোলিং তিনি আইপিএলেও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

স্লোয়ারে কাঁপিয়ে দেয়া মুস্তাফিজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘মুস্তাফিজ দেখিয়েছে কত দ্রুত সে পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়। আমার মনে হয় সে আজ ২৪টি বলই স্লোয়ার করেছে এবং তার কোনো বলেই গতি ছিল না। সে যখন আইপিএলে খেলে তখনও তাকে এমন বোলিং করতে দেখা যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে সত্যিই দারুণভাবে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। পুরো কৃতিত্ব দিতে হবে। তার স্লোয়ারগুলো অসাধারণ। সে ভালো উইকেটেও স্লোয়ার করতে পারে। যা খেলা খুবই কঠিন। তাকে মোকাবিলা করার ও বড় স্কোর করার উপায় দ্রুতই খুঁজে বের করতে হবে তাকে।’

দ্বিতীয় ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারে লেগ স্টাম্পের বাইরে করা মুস্তাফিজের বল লেগে খেলতে গিয়ে বোকা বনে গিয়েছিলেন অজি ওপেনার জশ ফিলিপে। তাকে ফাঁকি দিয়ে বাঁহাতি এই পেইসারের কাটার গিয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে।

১৭ তম ওভারে ফিজের ইয়র্কার লেন্থের ডেলিভারিতে ভাঙ্গে ওয়েডের স্টাম্প। পরের বলে কিছু বুঝে উঠার আগেই মিস টাইমিং করে নুরুল হাসানের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন অ্যাস্টন এইগার।

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন

মুস্তাফিজের ‘সুপার ভ্যারিয়েবলে’ সতর্ক অস্ট্রেলিয়া

মুস্তাফিজের ‘সুপার ভ্যারিয়েবলে’ সতর্ক অস্ট্রেলিয়া

উইকেট শিকারের পর দলের সাথে মুস্তাফিজের উদযাপন। ছবি: এএফপি

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়াচ্ছে প্রতিপক্ষ শিবিরেও। সফরকারী বোলার এইগার ফিজে এতোটাই মজেছেন যে তার বলগুলোকে ‘সুপার ভ্যারিয়েবল’ এর তকমা দিয়েছেন তিনি।

মুস্তাফিজের পেইস বিষে সিরিজের শুরু থেকেই নাস্তানাবুদ অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা। দুই ম্যাচ মিলিয়ে ফিজের ঝুলিতে ৫ উইকেট।

কাটার তো আছেই, সেই সঙ্গে স্লোয়ার, বাউন্সারে দ্য ফিজ রীতিমতো অসহায় করে রেখেছেন অজি ব্যাটসম্যানদের। তার বল যেন বুঝে উঠতে পারছেন না ওয়েড-ক্যারিরা।

যার প্রমাণ মেলে সিরিজের প্রথম ম্যাচে। সেই ম্যাচে কাটার মাস্টারের করা ২৪ বলের ভেতর ১২টি বলে রানের দেখা পাননি সফরকারী ব্যাটসম্যানরা।

একটি মাত্র বাউন্ডারির বিনিময়ে ১৬ রানের খরচায় শিকার করেন দুই উইকেট। সেই ম্যাচে তিনি তুলে নেন অ্যাস্টন টার্নার ও মিচেল স্টার্কের উইকেট।

দ্বিতীয় ম্যাচে বোলিং তেজ আরও বাড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। কিছুটা খরুচে হলেও ২৩ রানের খরচায় ফেরান জশ ফিলিপে, ম্যাথিউ ওয়েড এবং অ্যাস্টন এইগারকে।

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়াচ্ছে প্রতিপক্ষ শিবিরেও। সফরকারী বোলার এইগার ফিজে এতোটাই মজেছেন যে তার বলগুলোকে ‘সুপার ভ্যারিয়েবল’ এর তকমা দিয়েছেন তিনি।

ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এইগার বলেন, ‘তার (মুস্তাফিজের) বলগুলো খুব ধীর গতির নয়। তাই যে কোন সময় যে কোন কিছু হতে পারে। উইকেটে পিচ করার পর বলগুলো হয় স্লো হয়ে যায়, নয়তো অনেক টার্ন করতে পারে। আবার কখনো নাও হতে পারে। সেগুলো সত্যিই সুপার ভ্যারিয়েবল।’

এই সিরিজে নাসুম-মাহেদীর স্পিনে ভুগেছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের সঙ্গে বিশ্বসেরা সাকিব আল হাসান তো আছেনই। বাড়তি হিসেবে যোগ হয়েছে মুস্তাফিজের সেরা ফর্মে ফেরা। সবমিলিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা অজিদের।

শেষ ম্যাচে মুস্তাফিজকে নিয়ে সতর্ক থাকবে অস্ট্রেলিয়া এমনটা জানিয়ে এইগার যোগ করেন, ‘সে বল হাতে যতটা সম্ভব সুযোগ তৈরি করতে পারে। তার অধিকাংশ বলই স্লোয়ার। তাকে মোকাবেলা করার পথ আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন

সিরিজ জয় সম্ভব মনে করছেন বিসিবি সভাপতি

সিরিজ জয় সম্ভব মনে করছেন বিসিবি সভাপতি

জয়ের ইতিহাস গড়ে মাঠ ছাড়ছেন টাইগাররা ছবি: এএফপি

টাইগারদের পাশাপাশি সিরিজ জয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান। নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলতে পারলে সিরিজ না জেতার কোনো কারণ দেখছেন না বিসিবি বস।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে নাজেহাল করে ছেড়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে টাইগার স্পিন এবং দ্বিতীয় ম্যাচে তরুণ টাইগারদের হাতে হারতে হয়েছে অজিদের।

টানা দুই জয়ে এখন সিরিজ জয়ে চোখ টাইগারদের। হবেই বা না কেন। স্বাগতিকদের সামনে তো দাঁড়াতে পারছে না ল্যাঙ্গারের শিষ্যরা।

টাইগারদের পাশাপাশি সিরিজ জয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান। নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলতে পারলে সিরিজ না জেতার কোনো কারণ দেখছেন না বিসিবি বস।

বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার সভাপতি।

তিনি বলেন, ‘বলা মুশকিল (বাংলাদেশ সিরিজ জিতবে কিনা), অস্ট্রেলিয়া অত্যন্ত প্রফেশনাল একটি দল। ওরা শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। আমরা যেভাবে খেলে আসছি আর সর্বোচ্চটা দিয়ে যদি খেলতে পারি, আমি মনে করি সিরিজ না জেতার আর কোনো কারণ নেই।’

তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক মুহূর্তের জন্যও মনোযোগ হারালে বা অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠলে বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন সভাপতি।

তিনি বলেন, ‘একবারও যদি মনে হয়, দুটো তো জিতেছি, বাকিগুলোও জিতব, এ ধরনের মানসিকতা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জেতা যাবে না। এ ব্যাপারে আমাদের আরও গুরুত্ব দিতে হবে।’

একদিন বিরতি দিয়ে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে শুক্রবার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচে জিতলে সিরিজ নিশ্চিত করে নেবে বাংলাদেশ। আর অস্ট্রেলিয়া জিতলে সিরিজে কামব্যাক করবে তারা।

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন

‘মানসিক ভাবে তরুণদের আরও সময় দিতে হবে’

‘মানসিক ভাবে তরুণদের আরও সময় দিতে হবে’

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ছেন আফিফ-সোহান। ছবি: এএফপি

সাবেক ওপেনার জাভেদ ওমরের মতে তরুণদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়গুলো নিয়ে স্থিতিশীল হতে। সিনিয়র-জুনিয়র ভাগ না করে পুরো দলকে একটা ইউনিট ভাবার পরামর্শ আশরাফুলের।

খুব বেশি দিন আগের কথা না। দেশের তরুণ ক্রিকেটারদের বদনাম ছিল যে তারা জাতীয় দলের জন্য অপরিপক্ক। মানসিক ও দক্ষতার দিক থেকে জাতীয় দলের চাপ নেবার মতো পরিণত নন।

সিনিয়র ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করত দলের হারা জেতা। সেই সঙ্গে জমত না উইকেটে সিনিয়র-জুনিয়রদের খেলাটা।

নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান থেকে শুরু করে সৌম্য সরকার সবাই তরুণ তারকা হিসেবে দলে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু টাইগার ক্রিকেট তাদের কাছ থেকে উপযুক্ত সার্ভিস পায়নি।

চলমান অস্ট্রেলিয়া সিরিজে সেই ধারনা বদলে দিচ্ছেন আফিফ-সোহান-নাসুম-মাহেদীরা। দলের বিপর্যয় এড়াতে সিনিয়ররা যখন ব্যর্থ, সে সময় নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিশ্চিত করেছেন দলের জয়।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুই তরুণ স্পিনার নাসুম আহমেদ ও মাহেদী হাসানের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে।

দ্বিতীয় ম্যাচেও প্রাধান্য বিস্তার করেন তরুণরা। ৬৭ রানে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে যখন চোখ রাঙ্গাচ্ছিল পরাজয়, সে সময় অজিদের হাতের মুঠো থেকে জয় ছিনিয়ে মাঠ ছাড়েন আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান সোহান।

হুট করেই কী এই পরিবর্তন? মানসিক শক্তিমত্তা কি প্রকৃতপক্ষেই বৃদ্ধি পেয়েছে না অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া হওয়ায় ভালো করাটা সম্ভব হয়েছে?

জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার জাভেদ ওমর বেলিমের মতে মানসিক শক্তিমত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে কিনা সেটা এখনও বলার সময় হয়নি। মানসিকভাবে শক্ত হতে তরুণদের আরও সময় দিতে হবে।

সাবেক এই ওপেনার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাকিব-মুশফিক-মাহমুদউল্লাহরা শুরু থেকেই বুঝে গিয়েছিল কিভাবে কোন ফরম্যাটে খেলতে হবে। তারা সেটা ধরেও রেখেছে। কিন্তু সৌম্য-লিটন দাস সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারেনি। বর্তমানে আফিফ-সোহান-শামিম যেভাবে খেলছে এখনও সময় আসেনি তাদের নিয়ে কিছু বলার। তাদের আরও বেশ কিছু ম্যাচ খেলতে হবে। এরপর বোঝা যাবে তাদের মনস্তাত্ত্বিক স্থিতিশীলতা।’

তবে আফিফ-সোহানদের তরুণ ক্রিকেটার মানতে নারাজ জাতীয় দলের এক সময়ের তরুণ তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল। একই সঙ্গে সিনিয়র-জুনিয়র ভাগ না করে পুরো দলকে একটা ইউনিট ভাবার পরামর্শ সাবেক জাতীয় অধিনায়কের।

আশরাফুল বলেন, ‘আসলে তরুণ-সিনিয়র এভাবে ভাগ না করে পুরো দলটাকে একসঙ্গে দেখতে হবে। আফিফ-সোহান তো আজকে থেকে খেলছে না। এভাবে ভাগ না করে পুরো দল ভালো খেলছে সেভাবে আমাদের চিন্তা করতে হবে।‘

২০০৫-০৬ মৌসুমে তিন তরুণ সাকিব, তামিম ও মুশফিকের অভিষেকে বদলে যায় পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেট। দেশের সেরা ক্রিকেটারদের ছায়ায় থেকে এখনকার তরুনদের নিজেদের আরও শানিয়ে নেওয়ার সুযোগ আছে অভিমত দুই সাবেক তারকা জাভেদ ওমর ও আশরাফুলের।

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দেয়া নাসুম নিজ জেলা সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ!

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দেয়া নাসুম নিজ জেলা সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ!

ম্যাচ সেরার পুরস্কার নিতে মঞ্চে নাসুম আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

২০২১ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর নাসুম এখন জাতীয় তারকা। সুনামগঞ্জ জেলাও চাইছে তাদের সেরা খেলোয়াড়ের সার্ভিস ফিরে পেতে। দ্রুতই তার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে জানিয়েছে জেলা ক্রীড়া সংস্থা।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নাসুম আহমেদের স্পিনে ঘায়েল হন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা। ক্যারিয়ার সেরা দুর্দান্ত বোলিংয়ে এই-বাঁহাতি স্পিনার পান ম্যাচ সেরা পুরস্কার।

অজিদের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি জয়ের নায়কের অতীতে রয়েছে বড় একটি শাস্তির কালিমা। সেটি হল নিজ জেলায় ক্রিকেট খেলার ওপর আজীবন নিষেধাজ্ঞা। নিজ জেলা সুনামগঞ্জের হয়ে না খেলে, সিলেট জেলা দলের হয়ে খেলার শাস্তি হিসেবে ২০১৫ সালে তার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। গেল ছয় বছর শিরোনামের আড়ালে ছিল বিষয়টি।

এ প্রসঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান ইমদাদ রেজা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থার ক্রিকেট কমিটি জেলা পর্যায়ে জাতীয় লিগ শুরু হলে তাকে জেলা দলে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ায় সুনামগঞ্জের হয়ে না খেলে সিলেট জেলার হয়ে খেলা শুরু করে। এ কারণে তাকে ওই কমিটি তাকে আজীবন বহিষ্কার করে।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর রীতিমতো নায়ক বনে গেছেন বাঁহাতি এই স্পিনার। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগছে এখন কি কাটতে যাচ্ছে তার নিষেধাজ্ঞা? ফিরতে কি পারবেন তিনি চিরচেনা ঘরের মাঠে?সুনামগঞ্জ জেলাও চাইছে তাদের সেরা খেলোয়াড়ের সার্ভিস ফিরে পেতে। দ্রুতই তার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে জানালেন ইমদাদ রেজা।

তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে আবারও ক্রিকেট খেলতে যখন সুনামগঞ্জে আসে তখন এই কারণে তাকে খেলতে দেওয়া হয়নি। তবে আগামী সভায় আমরা আলোচনা করে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেব। তাকে আবারও সুনামগঞ্জে মাঠে খেলার সুযোগ করে দেওয়া হবে।’

সুনামগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা যদি সত্যিই তার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তাহলে হয়তো জেলা পর্যায়ের ক্রিকেটে আবার নাসুমকে নিজ জেলার হয়ে বল হাতে দেখা যাবে খুব দ্রুত।

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন

১৮ বছর পর পাকিস্তান যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড

১৮ বছর পর পাকিস্তান যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড

ফাইল ছবি

সব কিছু ঠিক থাকলে ১১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানে পা রাখবে উইলিয়ামসনরা। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি তারা চলে যাবে হোটেলে। সেখানে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর কোয়ারেন্টিনে থাকার পর ১৫ এবং ১৬ তারিখে অনুশীলনের সুযোগ পাবে সফরকারী দল।

তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি খেলতে পাকিস্তান যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

ওয়ানডে সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে রাওয়ালপিণ্ডিতে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজটি লাহোরে।

সূচী অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে রাওয়ালপিন্ডির পিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। এরপর ১৯ এবং ২১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ।

এরপর লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ২৬, ২৯ সেপ্টেম্বর, ১ এবং ৩ অক্টোবর মাঠে গড়াবে সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো।

সব কিছু ঠিক থাকলে ১১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানে পা রাখবে উইলিয়ামসনরা। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি তারা চলে যাবে হোটেলে। সেখানে ১২-১৪ সেপ্টেম্বর কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর ১৫ এবং ১৬ তারিখে অনুশীলনের সুযোগ পাবে সফরকারী দল।

এর আগে ২০০৩ সালে সর্বশেষ পাকিস্তান সফরে গিয়েছিল ব্ল্যাক ক্যাপস। এরপর গত ১৮ বছরে আর পাকিস্তানে খেলতে যায়নি নিউজিল্যান্ড।

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন

ভারতের পেইসে নাকাল রুট-বাটলাররা

ভারতের পেইসে নাকাল রুট-বাটলাররা

উইকেট শিকারের পর ভারতীয় দলের উল্লাস। ছবি: এএফপি

সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৮৩ রানে গুটিয়ে গেছে ইংলিশরা। জবাবে প্রথম দিন শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২৩ রান।

ঘরের মাঠে ভারতের পেইস বিষে নাজেহাল ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৮৩ রানে গুটিয়ে গেছে ইংলিশরা। জবাবে প্রথম দিন শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২৩ রান।

ট্রেন্ট ব্রিজে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্ভাগ্য ছিল স্বাগতিকদের কপালে। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে রানের খাতা খোলার আগে সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার ররি বার্নস। জাসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

সেই ধাক্কা সামাল দিতে ইনিংস মেরামতের দায়িত্বভার কাঁধে তুলে নেন ডম শেলবি ও জ্যাক ক্রলি। ২২ ওভার এই দুইজন গড়েন ৪২ রানের জুটি।

জুটি ভাঙ্গেন মোহাম্মদ সিরাজ। ২৭ রান করা ক্রলিকে রিশাভ পান্টের তালুবন্দী করে ফেরান এই পেইসার।

লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরেই শেলবিকে হারায় স্বাগতিকরা। মোহাম্মদ শামির বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে লোকেশ রাহুলের হাতে বন্দী হন তিনি। আর তাতেই ৬৬ রানে তিন উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।

দলের বিপর্যয়ে হাল ধরতে এগিয়ে আসেন অধিনায়ক জো রুট। জনি বেয়ারস্টোকে নিয়ে গরে তোলেন প্রতিরোধ। কিন্তু সেটি বেশিক্ষণ সম্ভব হয়নি শামির কারণে।

রুট-বেয়ারস্টোর ৭২ রানের জুটি শামি ভাঙ্গেন ২৯ রান করা বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে। কিন্তু উইকেট আগলে রাখেন রুট। অপরপ্রান্তে তখন চলছে আশা যাওয়ার মিছিল।

১৩৮ রানে ৪ উইকেট হারানো ইংল্যান্ড স্কোরশিটে ৭ রান যোগ করতে গিয়ে হারিয়ে বসে আরও দুটি উইকেট। রানের খাতা খোলার আগেই ড্রেসিংরুমে ফিরে যান ড্যান লরেন্স, জস বাটলার।

সতীর্থরা দ্রুত ফিরলেও একাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন রুট। তাকেও থামতে হয় ৬৭ রানে শার্দুল ঠাকুরের শিকার হয়ে।

এরপর স্যাম কারান বাদে আর কোনো ইংলিশ ব্যাটসম্যান ভারতের পেস তোপের সামনে টিকতে পারেননি। শেষতক ১৮৩ রানে থামে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান আসে রুটের ব্যাট থেকে। ভারতের হয়ে ৪ পেসার ভাগাভাগি করে নেন ১০ উইকেট।

আরও পড়ুন:
টানা দ্বিতীয় হার সাকিবদের
রুবেলের বোলিং তোপে বড় জয় প্রাইম ব্যাংকের
আবাহনীর পর হারল মোহামেডানও

শেয়ার করুন