টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ড্র হলে শিরোপা ভাগাভাগি

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ড্র হলে শিরোপা ভাগাভাগি

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালিস্ট দুই দলের অধিনায়ক নিউজিল্যান্ড কেইন উইলিয়ামসন ও ভারতের ভিরাট কোহলি। ছবি: আইসিসি

ফাইনাল ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখা হলেও সেটি শুধুমাত্র ব্যবহার করা হবে যদি টেস্টের দৈনিক ওভার ঘাটতি পাঁচ দিনে পূরণ না করা যায়। আইসিসি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করে এই তথ্য।

আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচ শুরু হচ্ছে ১৮ জুন। ইংল্যন্ডের সাউদ্যাম্পটনে শিরোপা লড়াইয়ে নামবে নিউজিল্যান্ড ও ভারত। ম্যাচ ড্র হলে দুই দলকেই যৌথ বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। রিজার্ভ ডেতে খেলা গড়াবে না ম্যাচ।

ফাইনাল ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখা হলেও সেটি শুধুমাত্র ব্যবহার করা হবে যদি টেস্টের দৈনিক ওভার ঘাটতি পাঁচ দিনে পূরণ না করা যায়। আইসিসি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করে এই তথ্য।

শুক্রবার সকালে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা জানায়, ‘পাঁচদিনের খেলার পর যদি ইতিবাচক ফল না আসে তাহলে ম্যাচ ড্র ঘোষণা করা হবে। বাড়তি একদিন খেলা গড়াবে না। রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে পাঁচদিনের খেলা নিশ্চিত করার জন্য। নিয়মিত দিনে যদি হারানো ওভার শেষ না করা যায় তখনই কেবল এটি ব্যবহৃত হবে। রিজার্ভ ডে ব্যবহার করা হবে কিনা ম্যাচ রেফারি সেই সিদ্ধান্ত নেবেন পঞ্চম দিনের শেষ ঘণ্টায়।’

সাম্প্রতিক বদল হওয়া নিয়মগুলোও আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রযোজ্য হবে। আইসিসি তিনটি নতুন নিয়ম প্রনয়ণ করেছে যা চলতি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে সিরিজ থেকেই কার্যকরী হয়েছে।

নিয়মগুলো হলো:

১. শর্ট রানের ক্ষেত্রে থার্ড আম্পায়ার স্বয়ংক্রিয়ভাবেই রিভিউ করবেন এবং ফিল্ড আম্পায়ারকে পরবর্তী ডেলিভারির আগে তার ফল জানাবেন।

২. এলবিডাব্লিউ সিদ্ধান্ত রিভিউয়ের আগে ফিল্ডিং ক্যাপ্টেন বা আউট হওয়া ব্যাটসম্যান ফিল্ড আম্পায়ারদের সঙ্গে শট খেলা হয়েছে কিনা সেটা নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন।

৩. এলবিডাব্লিউ রিভিউয়ের ক্ষেত্রে আম্পায়ারের স্টাম্পের উচ্চতা ও প্রস্থের কলের জন্য উইকেট জোনের উচ্চতা স্টাম্পের শীর্ষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

লর্ডসের বদলে মার্চে সাউদ্যাম্পটনকে ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে নির্বাচন করে আইসিসি। মূল কারণ ছিল করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে খেলোয়াড়দের বায়ো বাবল নিশ্চিত করা।

সাউদ্যাম্পটন স্টেডিয়ামের ভেতরেই রয়েছে খেলোয়াড়দের থাকার জন্য পাঁচ তারকা হোটেল। যার কারণে আইসিসিকে বায়ো বাবল আয়োজনে বেশি বেগ পেতে হয়নি।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অজিদের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

অজিদের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।

টেস্ট ও ওয়ানডে ফরম্যাটে জয় পেলেও টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া বধের স্বপ্ন অধরা রয়ে গেছে টাইগারদের। এখন পর্যন্ত চারবার ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। যার সবকয়টিই বিশ্বকাপের মঞ্চে। প্রতি ম্যাচে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সাকিব-তামিমদের।

এই প্রথম ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। জয় দিয়েই সিরিজ শুরু করতে আশাবাদী জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। যদিও দলে নেই তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের মতো তারকা ক্রিকেটার।

বাংলাদেশ একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, শামিম হোসাইন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ।

অস্ট্রেলিয়া একাদশ: অ্যালেক্স ক্যারি, জশ ফিলিপ, মিচেল মার্শ, মোয়েজেস এনরিকেস, ম্যাথিউ ওয়েড, অ্যাস্টন টার্নার, অ্যাস্টন এইগার, মিচেল স্টার্ক, অ্যান্ড্রু টাই, অ্যাডাম জাম্পা, জশ হেইজলউড।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন

২০২৩ সালের মার্চে আসছে ইংল্যান্ড

২০২৩ সালের মার্চে আসছে ইংল্যান্ড

ফাইল ছবি

দুই পক্ষে সম্মতির ভিত্তিতেই নতুন সূচিতে আয়োজন করা হবে সিরিজটি। ২০২৩ সালের মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে হবে দুই দলের সিরিজ। ঢাকা ও চট্টগ্রামে খেলা হবে তিন ওডিআই ও তিন টি-টোয়েন্টি।

বাংলাদেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের সিরিজ পিছিয়ে গেছে এক বছর ছয় মাস। এই বছরের সেপ্টেম্বর মাসের বদলে সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ২০২৩ সালের মার্চে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এক যৌথ বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে সিরিজের নতুন সময়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দুই পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতেই নতুন সূচিতে আয়োজন করা হবে সিরিজটি। ২০২৩ সালের মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে হবে দুই দলের সিরিজ। ঢাকা ও চট্টগ্রামে খেলা হবে তিন ওডিআই ও তিন টি-টোয়েন্টি।’

তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি খেলতে সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল ইংল্যান্ডের। কিন্তু ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের সূচির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় স্থগিত করা হয় সিরিজ। আনুষ্ঠানিক ভাবে সিরিজ পেছানোর কারণ নিয়ে ইসিবি কিছু বলেনি।

বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডের সিরিজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০ সেপ্টেম্বর। আর এই বছরের আইপিলের দ্বিতীয় অংশ শুরু হচ্ছে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে খেলোয়াড়দের একই সময়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে পাঠাতে চায় ইংল্যান্ড। ওই সময়ে বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে আইপিএলের ম্যাচ চলবে।

বাংলাদেশ ট্যুর বাতিল করলেও অক্টোবরের ১৪ ও ১৫ তারিখ পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে ইংল্যান্ড।

চলতি বছর মে মাসে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্থগিত করে দেয়া হয় আইপিএল। তিন মাস পর ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আইপিএলের বাকি থাকা খেলাগুলো।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের ৪টি ভেন্যুতে বাকি ৩০ ম্যাচ খেলার পর ১৯ অক্টোবর ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এবারের আইপিএলের।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন

প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক

প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক

সিরাজের বাউন্সার মাথায় আঘাত হানার পর পড়ে যান মায়াঙ্ক। ছবি: সংগৃহীত

অনুশীলনের সময় মোহাম্মদ সিরাজের বাউন্সার এসে আঘাত হানে আগারওয়ালের মাথায়। সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে পরে যান ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। বর্তমানে তিনি বিসিসিআইয়ের মেডিকেল টিমের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

বুধবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। সিরিজ শুরুর আগে বড় রকমের ধাক্কা খেল ভারত। অনুশীলনের সময় মোহাম্মদ সিরাজের বাউন্সারে ইনজুরিতে পড়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন ওপেনার মায়াঙ্ক আগারওয়াল।

সিরিজ শুরুর প্রায় মাস দেড়েক আগে নিয়মিত ওপেনার শুভমান গিলের ইনজুরিতে কপাল খুলে গিয়েছিল মায়াঙ্কের। সেই কপালের দোষে সুযোগ ভেস্তে গেল মোহাম্মদ সিরাজের বাউন্সারে। মাথায় আঘাত পাওয়ায় প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে পড়েছেন এই ওপেনার।

মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

অনুশীলনের সময় মোহাম্মদ সিরাজের বাউন্সার এসে আঘাত হানে আগারওয়ালের মাথায়। সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে পরে যান ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। বর্তমানে তিনি বিসিসিআইয়ের মেডিকেল টিমের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

আগারওয়ালের এই ইনজুরিতে অভিজ্ঞ ওপেনার রোহিত শর্মা জুটি হিসেবে পেতে পারেন লোকেশ রাহুলকে। একই সঙ্গে মাঠে নামার সম্ভাবনা আছে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা অভিমন্যু ঈশ্বরনের।

বুধবার বিকেল ৪টায় শুরু হবে ইংল্যান্ড-ভারতের দলের ব্যাটে বলের লড়াই।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ার পাঁচে পাঁচ না বাংলাদেশের প্রথম

অস্ট্রেলিয়ার পাঁচে পাঁচ না বাংলাদেশের প্রথম

ফাইল ছবি

টেস্ট ও ওয়ানডে ফরম্যাটে জয় পেলেও টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া বধের স্বপ্ন অধরা রয়ে গেছে টাইগারদের। এখন পর্যন্ত চারবার ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। প্রতি ম্যাচে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সাকিব-তামিমদের।

অনেক জল্পনা কল্পনার পর মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। আজ সন্ধ্যা ৬টায় হোম অফ ক্রিকেট মিরপুরে মুখোমুখি হবে দুই দল।

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দল বাংলাদেশে পা রাখার পর থেকেই শুরু হয় ক্রিকেটকে পাশে রেখে কোয়ারেন্টিন, হোটেল ও আয়োজন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। সব জল্পনা কল্পনা, আলোচনা-সমালোচনা ছাপিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে দুই দলের ব্যাটে বলের লড়াই। সব কিছু ঠিক থাকলে সন্ধ্যায় মাঠে নামবে দুই দল।

টেস্ট ও ওয়ানডে ফরম্যাটে জয় পেলেও টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া বধের স্বপ্ন অধরা রয়ে গেছে টাইগারদের। এখন পর্যন্ত চারবার ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। যার সবকয়টিই বিশ্বকাপের মঞ্চে। প্রতি ম্যাচে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সাকিব-তামিমদের।

এই প্রথম ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। জয় দিয়েই সিরিজ শুরু করতে আশাবাদী জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। যদিও দলে নেই তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের মতো তারকা ক্রিকেটার।

তারপরও অজি বধে উন্মুখ হয়ে রয়েছেন স্বাগতিক দলপতি। চার বছর পর দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ। র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ঢের এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। সেটিকে অগ্রাহ্য করে করে সফরকারীদের বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে মুখিয়ে রয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

টাইগার দলপতি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটাই এমন। র‍্যাঙ্কিংয়ের যত উপরের দলই হোক না কেন নির্দিষ্ট দিনে যদি ভালো খেলতে পারেন তাহলে যে কোনো দলকেই হারাতে পারবেন।’

‘টি-টোয়েন্টি সংস্করণই এমন, নির্দিষ্ট দিনে ভালো খেললে যে কোনো দলকে হারানো সম্ভব। র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা যত ওপরের দলই হোক। ওদের কয়েকজন ক্রিকেটার আসেনি। আমরাও তেমনি কয়েকজনকে মিস করছি। তামিম-মুশফিক-লিটন নেই। আমাদের দলের জন্য ও প্রতিটি ক্রিকেটারের জন্য বড় সুযোগ নিজেদের মান দেখানোর। আমি সবসময় বিশ্বাস করি যে ঘরের মাঠে আমরা ভালো দল আর এটা দেখানোর চেষ্টা করব এবারও।‘

একে তো ঘরের মাঠ, তার ওপর রয়েছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সিরিজ জয়। সব মিলিয়ে অজিদের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী হতেই পারে বাংলাদেশ।

অপরদিকে নিজেদের বেশ কিছু প্রথম সারির ক্রিকেটারকে রেখেই বাংলাদেশ সফরে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের সঙ্গে সিরিজে অজি শিবিরে নেই নিয়মিত অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। সেই সঙ্গে নেই স্টিভেন স্মিথ। ব্যক্তিগত কারণে সফরে আসেননি প্যাট কামিন্স, ডেভিড ওয়ার্নার, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, জাই রিচার্ডসন ও কেইন রিচার্ডসনের মতো নিয়মিত তারকারা।

তাতে খুব একটা প্রভাব পড়ছে না দলে এমনটা জানিয়েছেন দায়িত্ব পাওয়া নতুন অধিনায়ক ম্যাথিউ ওয়েড। বরং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে সন্তোষজনক পারফরম্যান্স না করায় বাংলাদেশ সিরিজে সেটি পুষিয়ে নিতে চান তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা আমাদের প্রত্যাশিত ফল পাইনি। তবে কিছু ভালো বিষয় আমরা দেখেছি। মার্শ, টার্নারদের কাছ থেকে যা চেয়েছি, সেটি ভালোভাবেই পেয়েছি। আরও কয়েকজন আছে, তারা দেখিয়েছে যে এই পর্যায়ে তাদের সামর্থ্য আছে।’

শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৬টায় মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। প্রতিটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই ভেন্যুতে।

বাংলাদেশ স্কোয়াড: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, আফিফ হোসেন, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, নুরুল হাসান সোহান, নাসুম আহমেদ, মাহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন ও তাইজুল ইসলাম।

অস্ট্রেলিয়া দল: ম্যাথিউ ওয়েড (অধিনায়ক), অ্যাস্টন এইগার, ওয়েস এইগার, জেসন বেরেনডর্ফ, জশ হেইজলউড, মোয়েজেস এনরিকেস, মিচেল মার্শ, বেন ম্যাকডারমট, অ্যালেক্স ক্যারি, ড্যান ক্রিশ্চিয়ান, নেইথান এলিস, জশ ফিলিপে, মিচেল স্টার্ক, মিচেল সোয়েপসন, অ্যাশটন টার্নার, অ্যান্ড্রু টাই ও অ্যাডাম জ্যাম্পা।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ না করোনা?

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ না করোনা?

শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলনে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। ছবি: ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

রকিবুল হাসানের মতে করোনার ভেতর অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি চাওয়া যৌক্তিক। কেননা সবার আগে সুরক্ষাই সবার কাছে প্রাধান্য পায়। কিন্তু বাকিগুলোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত নন।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই বাংলাদেশ ঘরের মাঠে বেশ কিছু টুর্নামেন্ট ও সিরিজ আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), জাতীয় ক্রিকেট লিগসহ (এনসিএল) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সফলভাবে আয়োজন করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক সিরিজ।

শ্রীলঙ্কা যখন বাংলাদেশে আসে সে সময় সিরিজ আয়োজন করতে এতটা বেগ পেতে হয়নি বিসিবিকে। ছিল না বাড়তি কোনো শর্তের চাপ।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড (সিএ) বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলার আগে জুড়ে দিয়েছে একগাদা শর্ত। বাংলাদেশ - অস্ট্রেলিয়ার ৫ ম্যাচ সিরিজে মোট সময় কোয়ারেন্টিনসহ ১৩ দিন।

এই ১৩ দিনে দুই দলের খাবার ও হোটেল থাকা বাবদ খরচ ৬.৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বিসিবি। দুই দলের স্টাফ ও খেলোয়াড়দের করোনা পরীক্ষায় খরচ হবে ৪০ লাখ টাকা।

আনুষাঙ্গিক সবকিছু মিলিয়ে ১০ কোটি টাকার মত খরচ হবে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ আয়োজনে। এরপর আরও কিছু বিষয় কঠোর ভাবে পালন করেছে সিএ।

১। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন চ্যানেল অতিক্রম না করে বিমান থেকে নেমে সরাসরি হোটেলে চলে গেছে অজিরা।

২। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ১২০ রুম খেলোয়াড়রা ছাড়া বাইরের কোনো ব্য়াক্তি থাকতে পারবে না।

৩। দুই দল থাকার একই হোটেলে থাকার পরও হোটেলের জিম ব্যবহার করবে শুধু অস্ট্রেলিয়া।

৪। মাঠে খেলোয়াড় বাদে বাকিরা থাকবে ৫ মিটার দূরে। মাঠকর্মীরা খেলার পরে মাঠে ঢুকতে পারবেন।

৫। ব্রডকাস্টাররা মাঠে ঢুকতে পারবে না। গ্যালারি থেকে ছবি নিতে হবে।

এছাড়াও ঢাকা ও চট্টগ্রামে সিরিজ আয়োজনের কথা থাকলেও সিএর অনুরোধে শুধু একটা ভেন্যুতেই খেলার সূচি করেছে বিসিবি। করোনার সময়ে দিয়ে অন্যান্য বোর্ডও নিয়মিত সিরিজ আয়োজন করে আসছে। কোনো বোর্ডকেই এতো সব শর্ত মেনে সিরিজ আয়োজন করতে হচ্ছে না।

তাহলে কেন বিসিবি এক প্রকারে সিএকে অনুরোধ করে সিরিজটি আয়োজন করতে যাচ্ছে? আরো বড় প্রশ্ন বিসিবির এমন নমনীয়তার সুযোগ কি ভবিষ্যতে অন্যান্য বোর্ড নেবে না?

উত্তরটা দিলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক রকিবুল হাসান। এই ক্রিকেট কিংবদন্তি বলেন করোনার ভেতর অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি চাওয়া যৌক্তিক। কেননা সবার আগে সুরক্ষাই সবার কাছে প্রাধান্য পায়। কিন্তু বাকিগুলোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত নন।

নিউজবাংলাকে রকিবুল বলেন, ‘আমরাও (বাইরে গেলে) চাইব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থাকতে। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের দিক দিয়ে আমাদের চেয়ে অনেক বড় দেশ। অস্ট্রেলিয়ার মতো একটা দলকে আমাদের দেশে আনা এই করোনার সময় একটা বড় ব্যপার।’

তিনি যোগ বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া বিভিন্নভাবে আমাদের দেশে এখন কোভিডের যে ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা, সেই সঙ্গে নানা সত্য মিথ্যা মিলিয়ে খবর জেনেছে। এমনিতেও পশ্চিমা দেশগুলোর আমাদের নিয়ে একটা নাক সিটকানো ভাব থাকেই। সেটাকে তারা সামনে বেশি করে নিয়ে এসেছে।’

বাংলাদেশের পরিবর্তে অন্য কোনো দেশ হলে সেখানে দৃশ্যপট ভিন্ন হত বলেও মন্তব্য করেন সাবেক এই ক্রিকেটার।

রকিবুল বলেন, ‘তাদের চাওয়াকে আমাদের সম্মান করতে হচ্ছে। আমাদের জায়গায় ভারত হলে বলতো গো টু হেল। আমি যেটা দিব সেটা তোমাকে নিতে হবে। তুমি মেহমান, তোমার থাকা খাওয়া সুরক্ষা সব আমার দায়িত্ব। এটা বলার ক্ষমতা ভারতের মতো দেশের আছে। আমাদের নেই। ক্রিকেটের দিক থেকেও আমরা তৃতীয় বিশ্ব। অন্যান্য দিক থেকেও আমরা তৃতীয় বিশ্ব।’

কয়েকটি শর্ত যৌক্তিক হলেও অজিদের কয়েকটি শর্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রকিবুল।

বলেন, ‘অনেক কিছু তারা চেয়েছে। শ্রীলঙ্কা হলে তারা হয়তো এতো কিছু চাইতো না। অস্ট্রেলিয়া বলেছে মাঠে কোনো গ্রাউন্ডসম্যান তাদের কাছে আসতে পারবে না। তারা সুইমিং পুলও স্যাক্রিফাইস করে দিয়েছে যে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা সুইমিং করবে। তারা করবে না। এগুলো বোকার মতো চিন্তাভাবনা আমি মনে করি।’

শর্ত ও বিধিনিষেধ মেনে সিরিজ শুরু হচ্ছে আজ সন্ধ্যায়। এতো কিছুর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কেমন পারফরম্যান্স করেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহরা সেটার অপেক্ষায় রয়েছেন টাইগার ক্রিকেটের ভক্তরা।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়া জুজু ঘরের মাঠে কাটাতে চান মাহমুদউল্লাহ

অস্ট্রেলিয়া জুজু ঘরের মাঠে কাটাতে চান মাহমুদউল্লাহ

প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে অনুশীলনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ছবি: বিসিবি

র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ঢের এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সেটিকে অগ্রাহ্য করে করে অজিদের বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে মুখিয়ে রয়েছেন টাইগার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ।

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। চার বছর পর বাংলাদেশ সিরিজ খেলতে এসেছে অজিরা। তাও আবার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।

দেশের মাটিতে তাই তাদের হারিয়ে অজিদের জুজু কাটাতে চান টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ঢের এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। সেটিকে অগ্রাহ্য করে করে সফরকারিদের বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে মুখিয়ে রয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

সোমবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন রিয়াদ।

টাইগার দলপতি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটাই এমন, র‍্যাঙ্কিংয়ের যত উপরের দলই হোক না কেন নির্দিষ্ট দিনে যদি ভালো খেলতে পারেন তাহলে যে কোনো দলকেই হারাতে পারবেন।’

ইনিজুরির কারণে এই সিরিজে দলে নেই অ্যারন ফিঞ্চ ও স্টিভেন স্মিথ। ব্যক্তিগত কারণে সফরে আসেননি প্যাট কামিন্স, ডেভিড ওয়ার্নার, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, জাই রিচার্ডসন ও কেইন রিচার্ডসনের মতো নিয়মিত তারকারা।

বাংলাদেশ দলেও নেই তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাসের মতো তারকা ক্রিকেটার। গত সপ্তাহে শেষ হওয়া জিম্বাবুয়ে সফরে ইনজুরির কারণে টি-টোয়েন্টি খেলেননি তামিম। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজেও চোটের কারণে থাকছেন না দলে। তামিমের সঙ্গে পারিবারিক কারণে নেই আরেক অভিজ্ঞ ওপেনার লিটন দাসও।

এতে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন মাহমুদউল্লাহ। বরঞ্চ বিষয়টিকে দলের তরুণ ক্রিকেটারদের নিজেদের প্রমাণের বড় মঞ্চ হিসেবে মানছেন তিনি।

জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অবশ্যই হয়তোবা ওদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু খেলোয়াড় আসেনি, একই সাথে আমরাও আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে মিস করছি। লিটন, তামিম, মুশফিককে মিস করতেছি। এটা আমাদের দলের ও ক্রিকেটারদের জন্য বড় সুযোগ নিজেদের যোগ্যতা দেখানো যে আমরা ঘরের মাঠে ভালো একটা দল।’

সংবাদ সম্মেলনে তার টেস্ট অবসর নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলেও ‘যথাসময়ে জানানোর’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে এড়িয়ে গেছেন মাহমুদুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন

বাংলাদেশে আসছে না ইংল্যান্ড

বাংলাদেশে আসছে না ইংল্যান্ড

ছবি: ফাইল ছবি। এএফপি

সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখ থেকে মাঠে গড়ানোর কথা ছিল সিরিজের। এক দিন আগে থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) স্থগিত হওয়া আসরের বাকি খেলাগুলো।

টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে অস্ট্রেলিয়া চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশে আসার কথা ছিল ইংল্যান্ডের। ঢাকায় আসবে না তারা। সিরিজ শুরুর দেড় মাস আগে ট্যুর বাতিল করেছে ইংল্যান্ড।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট সাইট ক্রিকইনফো। তারা জানিয়েছে দুই-একদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে দুই দেশের বোর্ড।

২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি এই দুই ফরম্যাটে তিনটি করে ম্যাচ খেলার কথা ছিল ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ীদের।

কী কারণে এই ট্যুর বাতিল করা হয়েছে তা স্পষ্ট করা হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকেও আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হয়নি।

নিউজবাংলাকে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনূস বলেন, ‘আমরাও মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি স্থগিত হওয়ার বিষয়টি। এই মুহুর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি না।’

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে খেলোয়াড়দের একই সময়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে পাঠাতে পারে দেশটি। ওই সময়ে বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে আইপিএলের ম্যাচ চলবে।

সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখ থেকে মাঠে গড়ানোর কথা ছিল সিরিজের। এক দিন আগে থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) স্থগিত হওয়া আসরের বাকি খেলাগুলো।

বাংলাদেশ ট্যুর বাতিল করলেও অক্টোবরের ১৪ ও ১৫ তারিখ পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে ইংল্যান্ড।

চলতি বছর মে মাসে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্থগিত করে দেয়া হয় আইপিএল। তিন মাস পর ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আইপিএলের বাকি থাকা খেলাগুলো।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের ৪টি ভেন্যুতে বাকি ৩০ ম্যাচ খেলার পর ১৯ অক্টোবর ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এবারের আইপিএলের।

আরও পড়ুন:
লর্ডস নয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল সাউদ্যাম্পটনে

শেয়ার করুন