মিরপুরে বৃষ্টির পর আবার শুরু খেলা

মিরপুরে বৃষ্টির পর আবার শুরু খেলা

বৃষ্টির আঘাতের আগে উইকেটে মুশফিক। ছবি: এএফপি

দ্বিতীয় বার বৃষ্টির আঘাতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪৩.৩ ওভারে ৭ উইকেটে ২১৩। ৯৬ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বৃষ্টির বাঁধায় দুইবার বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে খেলা।

দ্বিতীয় বার বৃষ্টির আঘাতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪৩.৩ ওভারে ৭ উইকেটে ২১৩। ৯৬ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

মঙ্গলবার দুপুর থেকেই ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে মেঘলা ছিল মিরপুরের আকাশ। মাঝে মধ্যেই হচ্ছিল ঝিড় ঝিড় বৃষ্টি। ম্যাচ আম্পায়ার খেলা না থামিয়ে চালিয়ে যান হালকা বৃষ্টিতেই।

৪১.১ ওভারের সময় ভারী বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। আধ ঘণ্টার মতো বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হলে মাত্র দুই ওভার দুই বল খেলাতে পারেন আম্পায়ার। এরপর আবারও আঘাত হানে বৃষ্টি।

মিরপুরে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। মাঠে নেমে আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করেন তামিম ইকবাল। ইসুরু উদানার প্রথম ওভারে তামিমের তিনটি চারসহ বাংলাদেশ তুলে নেয় ১৫ রান।

দ্বিতীয় ওভারেই ঘটে বিপর্যয়। দুষ্মন্ত চামিরার ওভারের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ হন তামিম। লেগ স্টাম্পে পড়া ইনসুইঙ্গারের লাইন মিস করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। প্রথমে বোলারের আপিলে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে শ্রীলঙ্কা রিভিউ নিলে দেখা যায় বল স্টাম্পে আঘাত হানছে। ছয় বলে ১৩ রান করে ফিরতে হয় তামিমকে।

এর দুই বল পরই ফেরেন সাকিব। চামিরার ইনসুইঙ্গারে পরাস্ত হন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানও। মিডলস্টাম্পে পড়া ইনসুইঙ্গারের লাইন মিস করেন তিনি। শূন্য রানেই বিদায় নিতে হয় তাকে।

এরপর ৩৪ রানের এক জুটিতে বাংলাদেশকে সামাল দেন লিটন ও মুশফিকুর রহিম। লাকশান সান্দাকানের বলে বাজে এক শটে পয়েন্টে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ক্যাচ দেন লিটন। তাতে উইকেটে সেট হয়েও ২৫ রানে ফিরতে হয় তাকে।

লিটনের বিদায়ের পর উইকেটে মুশফিককে সঙ্গ দিচ্ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। কিন্তু প্রায় দুই বছর পর ওয়ানডে একাদশে ফেরা এ ব্যাটসম্যান মাত্র ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সান্দাকানের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি।

সেখান থেকে জুটি গড়েন মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ। উইকেট বাঁচিয়ে দুজন মিলে সচল করেন রানের চাকা। মাত্র একটি চারের সহায়তায় ৭০ বলে ফিফটি তুলে নেন মুশফিক। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার ৪১তম ফিফটি, ঘরের মাটিতে টানা তৃতীয়।

ফিফটির পথে ছিলেন মাহমুদুল্লাহও। কিন্তু সান্দাকানের বলে স্কুপ করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে হয়নি। এক হাতে দারুণ ক্যাচ নেন শ্রীলঙ্কান উইকেটকিপার কুশল।

এরপর আফিফ হোসেনও টেকেননি বেশিক্ষণ। ইসুরু উদানাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিসটাইমিং করে বসেন। ডিপ মিড অনে ধরা পড়েন নিসাঙ্কার হাতে। তার ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১০ রান।

আটে নামা মেহেদী মিরাজকে শিকার করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। এই স্পিনারের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে শূন্য রানে বোল্ড হন মিরাজ। তার আউটের পর বাংলাদেশের সংগ্রহ সাত উইকেটে ১৮৪।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সহজ হলো ডলার এনডোর্সমেন্ট

সহজ হলো ডলার এনডোর্সমেন্ট

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের সার্কুলারে বলা হয়েছে, পাসপোর্টের মেয়াদ যত বছর থাকবে, তত বছরের জন্য একসঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করা যাবে। তবে বাৎসরিক সীমা ১২ হাজার ডলার অতিক্রম করতে পারবে না। ভ্রমণ কোটার অব্যবহৃত অংশ পরবর্তী বছরে স্থানান্তর করা যাবে না।

বি‌দেশ ভ্রমণে ডলার এনডোর্সমেন্ট সহজ করে‌ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থে‌কে পাসপোর্টের মেয়াদ যত‌ বছর থাক‌বে, তত বছ‌রের জন্য একস‌ঙ্গে বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করা‌ যা‌বে। তবে নিয়ম অনুযায়ী বছরে ১২ হাজার ডলারের বেশি খরচ করতে পারবে না।

বৃহস্প‌তিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হ‌য়ে‌ছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকসংশ্লিষ্ট নিবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তির অনুকূলে তার পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন আন্তর্জাতিক কার্ডে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় ও নির্ধারণ করতে পারবে। ত‌বে এডি ব্যাংককে নির্দিষ্ট কয়েকটি শর্ত মেনে চলতে হবে।

বাৎসরিক সীমা ১২ হাজার ডলার অতিক্রম কর‌তে পার‌বে না। ভ্রমণ কোটার অব্যবহৃত অংশ পরবর্তী বছরে স্থানান্তর করা যাবে না।

এ ছাড়া বিদেশে চাকরি ও ইমিগ্র্যান্ট হিসেবে কিংবা শিক্ষার জন্য বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদকালীন এনডোর্সমেন্ট করা যাবে না বলে সার্কুলারে বলা হয়েছে।

তবে সম্পূরক কার্ডধারী ব্যক্তি তার ভ্রমণ কোটার আওতায় এ সুবিধা পাবে।

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভ্রমণ কোটা প্রযোজ্য হয়ে থাকে। তবে নির্দিষ্ট ভ্রমণ পরবর্তী বছরের মধ্যে পড়লে ৩১ ডিসেম্বর সময় পর্যন্ত একটি কোটা এবং ১ জানুয়ারি থেকে অন্য বছরের কোটা ব্যবহার করতে হবে।

পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় বা নির্ধারণ সুবিধা গ্রহণ করা না হলে কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়ের ক্ষেত্রে ঘটনাত্তর এনডোর্সমেন্ট করার সুবিধা রাখা হয়েছে।

যৌক্তিক কারণে কার্ডের মাধ্যমে ভ্রমণ ব্যয় বাৎসরিক কোটা সীমা অতিক্রম করলে ওই অর্থ গ্রাহকের নিবাসী বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি দ্বারা সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জাতীয় হিসাব না থাকলে পরবর্তী বছরের ভ্রমণ কোটার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫০০ ডলার সমন্বয় করা যাবে।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

৬৭ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি: গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা

৬৭ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি: গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানীর মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়। ফাইল ছবি

২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্ত করে এই ফাঁকি উদঘাটন করা হয়। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি সেবা থেকে প্রাপ্ত আয়ের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির দেয়ার কথা ছিল ৩০ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৬০০ টাকা। উৎসে ভ্যাট বাবদ ৮ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু দেয়ার কথা ছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা।

গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৬৭ কোটি টাকর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ফাঁকি উদঘাটন করার পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ভ্যাট গোয়েন্দা ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান।

তিনি জানান, ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার কায়সারের নেতৃত্বে একটি দল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্ত করে এই ফাঁকি উদঘাটন করে।

তবে এ বিষয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোর্শেদ কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

গ্রামীণ ব্যাংক একটি নন-ব্যাকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে না। নিজস্ব আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূস এই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটির কোনো ভ্যাট নিবন্ধন নেই, যা ভ্যাট আইনের পরিপন্থি।

রাজধানী ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর হতেই ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ করেনি।

এনবিআর বলেছে, গ্রামীণ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা হিসেবে সেবার বিপরীতে কমিশন, ফি বা চার্জ গ্রহণ করে থাকে। যে কারণে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক।

গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ দিয়ে থাকে। এসব ঋণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খরচের বিপরীতে চার্জ, ফি ও কমিশনের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রযোজ্য।

ভ্যাট গোয়েন্দারা বলেছেন, তদন্তকালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক অডিট প্রতিবেদন এবং অন্যান্য দলিল যাচাই করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য আমলে নেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি তদন্ত চলাকালে সেবা থেকে প্রাপ্ত আয়ের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির দেয়ার কথা ছিল ৩০ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৬০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ফাঁকির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ কোটি ৩৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯০ টাকা।

যথাসময়ে সরকারি কোষাগারে জমা না দেয়ায় জরিমানা দাঁড়ায় প্রায় ১৪ কোটি টাকা।

প্রতিষ্ঠানটি তদন্ত মেয়াদে বিভিন্ন খরচের বিপরীতে উৎসে ভ্যাট বাবদ ৮ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু দেয়ার কথা ছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা।

এ ক্ষেত্রে অপরিশোধিত ভ্যাট ১৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যথাসময়ে পরিশোধ না করায় জরিমানা হিসেবে আসে ৭ কোটি ২৩ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৭ টাকা।

অর্থাৎ সব মিলিয়ে অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ ৪৫ কোটি ৭৫ লাখ ৩৭ হাজার ৯৪৬ টাকা এবং জরিমানা বাবদ ২১ কোটি ২৩ লাখ ২২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

এ টাকা সরকারি কোষাগারে রাজস্ব হিসেবে আদায়যোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

মাদক রোধে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা প্রয়োজন: খাদ্যমন্ত্রী

মাদক রোধে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা প্রয়োজন: খাদ্যমন্ত্রী

সাপাহারে বৃহস্পতিবার উন্নয়ন কর্মসূচির প্রণোদনা বিতরণ করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিজের চিন্তাচেতনা স্বচ্ছ রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সংস্কৃতিবান্ধব বর্তমান সরকার সংস্কৃতিকর্মীদের বিষয়ে আন্তরিক। সংস্কৃতিমনা প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।

মাদক রোধে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নওগাঁর সাপাহার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিজের চিন্তাচেতনা স্বচ্ছ রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সংস্কৃতিবান্ধব বর্তমান সরকার সংস্কৃতিকর্মীদের বিষয়ে আন্তরিক। সংস্কৃতিমনা প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, বিবাহ রেজিস্ট্রার ও প্রশাসনকে সোচ্চার হতে হবে। বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

মাদকের ভয়াল থাবা সমাজকে পঙ্গু করে দিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যুব সমাজকে রক্ষা করতে মাদক রুখতে হবে। বাল্যবিবাহ ও মাদকের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স ভূমিকা গ্রহণে প্রশাসনসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিতে দেশে খাদ্যসংকট হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত সব সেক্টরে প্রণোদনা দিয়েছেন। মানুষের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রেখেছেন। খাদ্যের অভাব হলে ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিলে দরিদ্রদের খাদ্য পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দরিদ্রদের মোবাইলে সহায়তার টাকা পৌঁছে গেছে। এটাই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাজান আলী মন্ডল, আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী, সহকারী পুলিশ সুপার বিনয় কুমার সরকার ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা আমেনা খাতুন ।

পরে মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ মুক্তমঞ্চ উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেন, ‘১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। করোনার এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর। চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। করোনার এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

কবে কোন পরীক্ষা

১৪ নভেম্বর কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ ও পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), ১৮ নভেম্বর হাদিস শরিফ এবং ২১ নভেম্বর ইসলামের ইতিহাস, রসায়ন, তাজভিদ নসর ও নজম (মুজাব্বিদ গ্রুপ) এবং তাজভিদের (হিফজুল গ্রুপ) পরীক্ষা হবে।

পরীক্ষার রুটিনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

১. করোনা মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

৩. পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র এবং ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে।

৪. পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

ভারতে আরও ইলিশ রপ্তানির অনুমতি

ভারতে আরও ইলিশ রপ্তানির অনুমতি

দুই দফায় মোট ৪ হাজার ৬০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে গত সোমবার ২ হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়।

প্রথম দফা অনুমোদনের মাত্র চার দিনের মাথায় আরও ৬৩ প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয় দফায় অনুমতি মিলেছে ২ হাজার ৫২০ টন ইলিশ রপ্তানির। অনুমোদিত রপ্তানিকারকদের প্রত্যেকে ৪০ টন করে ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দ্বিতীয় দফায় ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এর ফলে দুই দফায় মোট ৪ হাজার ৬০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে গত সোমবার ২ হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়।

তবে ইলিশ রপ্তানির ক্ষেত্রে আগের মতোই ছয়টি শর্ত রপ্তানিকারকদের মেনে চলতে হবে। শর্তগুলো হচ্ছে, বিদ্যমান রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১ এর বিধিবিধান মানতে হবে; শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানি করা ইলিশের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে; প্রতিটি চালান (কনসাইনমেন্ট) শেষে রপ্তানিসংক্রান্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে; অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না, অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত; অনুমতি কোনোভাবে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া ঠিকায় (সাব-কন্ট্রাক্ট) রপ্তানি করা যাবে না।

দেশের বাজারে ইলিশের জোগান কম থাকার কারণে ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ ইলিশ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এরপর গত ৯ বছরে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি।

বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮৬ শতাংশই বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। বিশেষ করে মেঘনা ও পদ্মায় বর্ষাশেষে ধরা পড়া ইলিশ খুবই সুস্বাদু বলে মনে করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের ইলিশের কদর বেশি।

বাংলাদেশে পোনা ইলিশ বা জাটকা ধরার ওপর বিধিনিষেধ আরোপসহ নানান উদ্যোগের কারণে গত দেড় দশকে ইলিশের উৎপাদন অনেক বেড়েছে।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ৩ যুবক আটক

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ৩ যুবক আটক

আড়াইহাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন জানান, সকাল ১০টা থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে শিশুটির বাবা পুরিন্দা এলাকার নান্নু মিয়ার তালাবদ্ধ ঘরের জানালা দিয়ে তার বিবস্ত্র দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

আড়াইহাজার উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের পুরিন্দা বড় বাড়ি এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় নেয় পুলিশ।

আটক তিনজন হলেন মো. সামাদ, মো. সোহেল ও মো. শিমুল।

আড়াইহাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকাল ১০টা থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে শিশুটির বাবা পুরিন্দা এলাকার নান্নু মিয়ার তালাবদ্ধ ঘরের জানালা দিয়ে তার বিবস্ত্র দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

পুলিশ গিয়ে শিশুটির গলায় গামছা বাঁধা ও বেল্ট দিয়ে দুই পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ পরিদর্শক জানান, ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে যুবলীগের বৃক্ষরোপণ

শেখ হাসিনার জন্মদিনে যুবলীগের বৃক্ষরোপণ

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ভাটারায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যুবলীগের নেতাকর্মীরা। ছবি: ফেসবুক

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের যে হুমকি সারা বিশ্বে, সে বিষয়ে সজাগ থেকে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য আমরা এই ভূমিকা রাখতে চাই, যাতে নতুন প্রজন্ম একটা সুষ্ঠু পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগ।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের উদ্যোগে ভাটারায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এক বিবৃতিতে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের যে হুমকি সারা বিশ্বে, সে বিষয়ে সজাগ থেকে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য আমরা এই ভূমিকা রাখতে চাই, যাতে নতুন প্রজন্ম একটা সুষ্ঠু পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।’

যুব সমাজকে গাছের সঠিক পরিচর্যা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের যুবসমাজ এই কর্মসূচির দ্বারা অনুপ্রাণিত হবে। শুধু গাছ লাগালেই চলবে না, গাছের সঠিক পরিচর্যা করতে হবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘বিএনপি-জামাত চক্র ক্ষমতায় আসার জন্য দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সততাই শক্তি, মানবতায় মুক্তি- রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার এই মন্ত্রকে ধারণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতারা বিএনপি-জামাতের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে।’

অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব জাকির হোসেন বাবুল সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মৃণাল কান্তি জোদ্দার, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শামসুল আলম অনিক, উপ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকতসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
মুশফিকের ফিফটির পর দ্রুত ফিরলেন তিন ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং ধসে বাংলাদেশ
তামিম-সাকিবকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন