‘মুশফিক দারুণ রান্না করে, তবে হেড শেফ ইমরুল’

‘মুশফিক দারুণ রান্না করে, তবে হেড শেফ ইমরুল’

লম্বা সিরিজ খেলার সময় মাসের পর মাস একসঙ্গে থাকতে হয় টাইগারদের। হোটেলের খাবারে অরুচি এসে গেলে নিজেরাই রান্না করেন ক্রিকেটাররা। তামিম জানালেন কে দলের সেরা রাঁধুনি।

ক্রিকেটার বা যেকোনো খেলোয়াড়ের জীবন চলে নিয়মমাফিক। আর দশজনের থেকে তাদের জীবনযাপন একেবারেই আলাদা। বিশেষ করে খাবার-দাবারের বেলায়। কঠিন ডায়েটের অধীনে ক্যালরি গুণে গুণে খেতে হয় তামিম-সাকিব-মুশফিকদের। তবে, সুযোগ পেলে নিজেদের রসনা মেটাতে পিছপা হননা কেউই।

ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ওপেনার তামিম ইকবাল জানিয়েছেন দলের খাদ্যাভাসের কথা। বিশ্বমানের অ্যাথলিট হতে হলে যে খাবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে সেই কড়াকড়িটা তামিমের সঙ্গে করেন টাইগারদের সাবেক হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

‘২০১৫ সালে হাতুরুসিংহা আমার দিকে বেশ কড়া নজর রেখেছেন। সেটাই ঠিক ছিল। তার আগে আমি ভাবতাম যতক্ষণ আমি রান করছি ততক্ষণ আমার স্বাস্থ্য কেমন বা আমি কী খাচ্ছি সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। আমি সেভাবেই চিন্তা করতাম। কিন্তু অফ ফর্মে থাকার পর দেখা যেত আমার ওজন বেশি আর ফিটনেস নেই। ভারতের বিপক্ষে আমাদের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের পর এমসিজিতে হাথুরুসিংহে আমাকে বেশ কিছু কথা বলেন। যেগুলো কাজে লাগে ও আমি তার পর থেকেই উন্নতি করি।’

জাতীয় দলে থাকার সময় ক্রিকেটারদের থাকতে হয় ডায়েটিশিয়ান ও ফিটনেস কোচের কড়া নজরদারীতে। কিন্তু যখন জাতীয় দলের বাইরে থাকেন তখন? তামিম জানালেন ক্রিকেটাররা নিজ উদ্যোগেই খাওয়া দাওয়ার দিকে নজর রাখেন।

‘জাতীয় দলে থাকার সময় আমাদের খাবার-দাবার ভালো থাকে। অনেক খেলোয়াড়ই আছেন যারা বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট খেলার সময় জাতীয় দলের খাদ্যভ্যাসটা ধরে রাখেন। আমি বেশ কয়েকবার তেমনটা পারিনি। তবে গত দুই বছর নিয়ন্ত্রণ করেছি।’

ফ্র্যাঞ্চাইজি ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কল্যাণে প্রচুর বিদেশি ক্রিকেটার আসেন বাংলাদেশের। বাংলাদেশি খাবারের স্বাদে মুগ্ধ হন সবাই। তামিম চান তার নিজ এলাকা চট্টগ্রামের জনপ্রিয় একটি ডিশ খাওয়াতে।

‘চট্টগ্রামে যখন বিপিএলের খেলা থাকে, অনেকেই কালো ভুনা খেতে চায়। ওদের জন্য কিছুটা ঝাল এটা। তবে, সবচেয়ে বেশি যেটা ওরা চেষ্টা করে সেটা হচ্ছে হাত দিয়ে খাওয়া। বিদেশি সবাই এই চেষ্টা করেছে।’

লম্বা সিরিজ খেলার সময় মাসের পর মাস একসঙ্গে থাকতে হয় টাইগারদের। হোটেলের খাবারে অরুচি এসে গেলে নিজেরাই রান্না করেন ক্রিকেটাররা। তামিম জানালেন কে দলের সেরা রাঁধুনি।

‘যখন লম্বা সফরে থাকি যদি হোটেলে রান্নাঘর ব্যবহার করার সুবিধা থাকে তাহলে আমরা দলবেঁধে রান্না করি। ইমরুল কায়েস আমাদের হেড শেফ। ও যখন না থাকে তখন মুশফিক দায়িত্ব নেয়। ও খুবই ভালো রান্না করে। বিশেষ করে মুরগী খুব ভালো রাঁধে। আমরা সাধারণত খিচুড়ি, মুরগি আর নানা রকম ভর্তা বানাই। সাউথ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার অনেক সফরেই আমরা এমনটা করেছি।’

নিজে কখনও রান্না করেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তামিমের সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘আমি সবকিছুর আয়োজন করি।’

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিপিএল শুরু ২০ জানুয়ারি

বিপিএল শুরু ২০ জানুয়ারি

ফাইল ছবি

সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর ২৮ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিপিএল।

কোভিড পরিস্থিতিতে গতবছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজন করতে পারেনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আসর। তবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় বিসিবি আগামী বছর আয়োজন করতে যাচ্ছে টুর্নামেন্টটি।

সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর ২৮ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি।

বিপিএলের সর্বশেষ আসরের মতো আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য আসরটির নামকরণ করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি’ নামে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশেষ বিপিএল আয়োজন করতে যাচ্ছে বোর্ড।

বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।

সুজন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেটা সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিপিএলের স্লট রাখা আছে। এর মধ্যেই আমরা শেষ করব।’

সাম্প্রতিক সময়ে করোনাভাইরাসের নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় কিছুটা শঙ্কায় পরতে পারে বিপিএলের অষ্টম আসরটি। কিন্তু বোর্ডের প্রধান নির্বাহী শঙ্কার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ আক্রান্ত কোন ব্যক্তি শনাক্ত না হওয়ায় বিপিএলের আয়োজন নিয়ে কোন শঙ্কা দেখছেন না তিনি।

সুজন বলেন, ‘আমার দেশে তো স্বাভাবিকভাবে চলছে। ওটার (ওমিক্রন) প্রভাব সেভাবে পড়ে নাই। যদি সরকারের কাছ থেকে পরে কোনো নিষেধাজ্ঞা আসে বিদেশি দলের ভ্রমণের ব্যাপারে। তখন বিষয়টাকে এখন যেভাবে চিন্তা করছি, তখন হয়তো কিছু ফাইন টিউনিং করতে হবে।’

বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, এবারের আসরটি হবে ছয়টি দল নিয়ে। আগের আসরটি সাত দলের হলেও এবারে একদল কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আগের মতোই সম্ভাব্য ভেন্যু হতে পারে মিরপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট।

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন

ভারতের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক জয় যুবাদের

ভারতের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক জয় যুবাদের

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের দেয়া ২৩০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মেহেরব ও তানজিম সাকিবের বোলিং নৈপুণ্যে ভারতকে ২২৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন যুবারা।

বড়রা যখন হারের বৃত্ত থেকে বের হতে খাবি খাচ্ছেন, ঠিক বিপরীত চিত্র তখন যুবাদের দলে। ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা।

বৃহস্পতিবার শেষ ওভারের রোমাঞ্চে ৬ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন বিশ্বকাপজয়ী যুবারা।

বাংলাদেশের দেয়া ২৩০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মেহেরব ও তানজিম সাকিবের বোলিং নৈপুণ্যে ভারতকে ২২৪ রানেই গুটিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ।

ইডেন গার্ডেনসে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে মাহফিজুলের ৫৬, নওরোজ নাবিলের ৬২, ফাহিমের ২১, নাইমুরের ২০ ও ইফতেখারের ১৫ রানে ভর করে ২৩০ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

ভারতের পক্ষে ৫৩ রানের খরচায় ৫ উইকেট নেন রিশিথ। পাশাপাশি ২টি করে উইকেট নিয়েছেন গার্ভ আর নিশান্ত।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে হোঁচট খায় স্বাগতিকরা। দলীয় ১০ রানেই ওপেনার হারনুরকে ফিরে যেতে হয় সাজঘরে।

এরপর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অংকৃশ। ভারতকে জয়ের স্বপ্ন দেখাতে থাকেন।

কিন্তু অংকৃশের সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে দেন রিপন। ৮৮ রানে তাকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে আনেন ব্রেক থ্রু।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল ৮ রান আর বাংলাদেশের ২ উইকেট। সেই সময় ৪ বলেই দুটি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে টানা তৃতীয় জয়ের স্বাদ দেন তানজিম সাকিব।

২৯ রানের খরচায় সাকিব নেন ৩ উইকেট। পাশাপাশি ৩ উইকেট যায় মেহরবের ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন

৯ ডিসেম্বর নিউজিল্যান্ডের বিমানে চাপবেন মুমিনুলরা

৯ ডিসেম্বর নিউজিল্যান্ডের বিমানে চাপবেন মুমিনুলরা

ফাইল ছবি

নিউজিল্যান্ডে গিয়ে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক রুম কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা থাকলেও সেটিতে শিথিলতা এনেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ১৪ দিনের জায়গায় টাইগারদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে তিন থেকে চার দিন।

পহেলা জানুয়ারি থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজটি। আর সেই সিরিজে অংশ নিতে আগামী ৯ ডিসেম্বর দেশ ছাড়বেন ডমিঙ্গো শিষ্যরা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের শেষ ম্যাচটি মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আগামী ৪ ডিসেম্বর। ৮ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে সিরিজটির। এই সিরিজটি শেষ করেই নিউজিল্যান্ডের বিমানে চাপবে বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ডে গিয়ে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক রুম কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা থাকলেও সেটিতে শিথিলতা এনেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ১৪ দিনের জায়গায় টাইগারদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে তিন থেকে চার দিন।

সংবাদমাধ্যমকে বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।

সুজন বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সিরিজে যে প্রটোকল ছিল, সেটা থেকেও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। তিন থেকে চারদিনের রুম কোয়ারেন্টিন করতে হবে।’

কোয়ারেন্টিন সময়কাল কমে আসায় বাংলাদেশ কিউইদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সুযোগ পাবে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার। এর একটি বাংলাদেশ খেলবে আন্ত স্কোয়াড আর অপরটি খেলবে নিউজিল্যান্ড ইলেভেনের সঙ্গে।

সুজন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের কিছু বাড়তি সুযোগ এসেছে। আমাদের দল দুটি অনুশীলন ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে। দুটি দুদিনের অনুশীলন ম্যাচ হবে।’

তিনি আরে বলেন, ‘একটা নিজেদের মধ্যে, আরেকটা নিউজিল্যান্ড ইলেভেনের সঙ্গে। দুটি প্র্যাক্টিস ম্যাচ খেলার পর বাংলাদেশ দল সরাসরি টেস্ট খেলবে।’

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন

ভারতের বিপক্ষে টাইগার ‍যুবাদের বড় জয়

ভারতের বিপক্ষে টাইগার ‍যুবাদের বড় জয়

ফাইল ছবি।

ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বি-দলের বিপক্ষে বিশাল জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। ১১৩ রানে জয় পেয়েছে জুনিয়র টাইগাররা। অনবদ্য সেঞ্চুরি উপহার দেন বাংলাদেশের নওরোজ প্রান্তিক।

প্রথম ম্যাচে জয়ের পর ট্রায়াঙ্গুলার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বি-দলের বিপক্ষে বিশাল জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। ১১৩ রানে জয় পেয়েছে জুনিয়র টাইগাররা।

অনবদ্য সেঞ্চুরি উপহার দেন বাংলাদেশের নওরোজ প্রান্তিক।

আগামী বছরের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে প্রস্তুতি সারছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে আফগানিস্তান সিরিজ শেষে এখন ত্রিদেশীয় সিরিজ।

কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করে বাংলাদেশ।

ওপেনার ইফতেখার হোসেইনের ৫৭, প্রান্তিকের ১০১ রানের অনবদ্য ইনিংস আর মেহেরব হাসানের ৭০ রানের অপরাজিত ফিফটিতে ছয় উইকেটে ৩০৫ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাহাড়সম টার্গেটে নেমে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে ভারত। দলের সর্বোচ্চ ইনিংস আসে কুশল তাম্বের ব্যাট থেকে। তার ৪২ ছাড়া কেউই বাংলাদেশের বোলারদের দাপটের সামনে ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনি।

দলীয় ১৯২ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। একাই চার উইকেট তুলে নেন বাংলাদেমের আরিফুল ইসলাম। দুটি উইকেট পান নয়ন। একটি করে উইকেট তুলে নেন আশিক, সাকিব, মেহেরব ও অধিনায়ক রাকিব।

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন

২৪ ধাপ উন্নতি লিটনের, সেরা ২০-এ মুশফিক

২৪ ধাপ উন্নতি লিটনের, সেরা ২০-এ মুশফিক

বাংলাদেশের হয়ে উইকেটে লিটন-মুশফিক জুটি। ছবি: এএফপি

চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা ১১৪ রানের ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৯ রান করেন তিনি। অনবদ্য এ পারফরম্যান্সের পুরস্কারও পেয়েছেন লিটন। এ উইকেটকিপার ব্যাটার ২৪ ধাপ এগিয়ে আছেন ৩১ নম্বরে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ হারলেও ব্যক্তিগত নৈপূণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন টাইগারদের সেরা তিন পারফরমার। লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম ও তাইজুল ইসলামের উন্নতি হয়েছে আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে।

আইসিসির বুধবার প্রকাশিত হালনাগাদ করা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে মুশফিকুর রহিম। পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯১ রান করা এ অভিজ্ঞ তারকা আছেন ১৯ নম্বরে। আগের অবস্থানের চেয়ে তিন ধাপ এগিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে উন্নতি হয়েছে লিটন দাসের। চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা ১১৪ রানের ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৯ রান করেন তিনি। অনবদ্য এ পারফরম্যান্সের পুরস্কারও পেয়েছেন লিটন। এ উইকেটকিপার ব্যাটার ২৪ ধাপ এগিয়ে আছেন ৩১ নম্বরে।

আর বোলারদের মধ্যে বাংলাদেশে সবার ওপরে আছেন তাইজুল ইসলাম। চট্টগ্রাম টেস্টের দুই ইনিংসে ৮ উইকেট নেয়া এ স্পিনার তিন ধাপ এগিয়ে আছেন ২৩ নম্বরে।

আর বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হওয়া আবিদ আলি উন্নতি করেছেন ২৮ ধাপ। ২০ নম্বরে আছেন এ পাকিস্তানি ওপেনার।

আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ব্যাটিং, বোলিং ও অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা তিন অবস্থানে আছেন জো রুট, প্যাট কামিন্স ও জেসন হোল্ডার।

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন

টাইফয়েড আক্রান্ত সাইফ হাসান

টাইফয়েড আক্রান্ত সাইফ হাসান

বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে নাজমুল শান্তর সঙ্গে সাইফ হাসান (ডানে)। ছবি: এএফপি

টাইফয়েড ধরা পড়েছে সাইফের। ফলে ঢাকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলা হচ্ছে না ২৩ বছর বয়সী এ ব্যাটারের। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

ব্যাট হাতে সময়টা ভালো যাচ্ছে না সাইফ হাসানের। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে ০ ও ১ রান করার পর টেস্ট ম্যাচেও রান পাননি।

চট্টগ্রাম টেস্টের দুই ইনিংসে ১৪ ও ১৮ রান করেন এই তরুণ ওপেনার। ঢাকা টেস্টের আগে আরেকটি দুঃসংবাদ পেলেন সাইফ।

টাইফয়েড ধরা পড়েছে তার। ফলে ঢাকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলা হচ্ছে না ২৩ বছর বয়সী এ ব্যাটারের।

তার টাইফয়েড ধরা পড়ার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। চট্টগ্রামে সাইফের জ্বর থাকায় তার পরীক্ষা করা হয়। বুধবার তার পরীক্ষার ফলে জানা যায়, টাইফয়েড আক্রান্ত তিনি।

দেবাশীষ বলেন, ‘সাইফের পরীক্ষার ফল এসেছে আমাদের হাতে। তার টাইফয়েড হয়েছে। ফলে ঢাকা টেস্টে তার থাকার সম্ভাবনা নেই।’

ঢাকা টেস্টের জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ২০ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি। তাতে জায়গা পান সাইফ। তবে তখনও তার পরীক্ষার ফল মেডিক্যাল টিমের কাছে পৌঁছায়নি।

সাইফ না খেললেও, দলে ওপেনার হিসেবে বাড়তি যুক্ত করা হয়েছে নাঈম শেখকে। প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া সাদমান ইসলাম ও নাজমুল শান্তও রয়েছেন স্কোয়াডে।

বাংলাদেশ স্কোয়াড : মুমিনুল হক, সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান, নাজমুল শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, ইয়াসির রাব্বি, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ, নাইম হাসান, মাহমুদুল হাসান, রেজাউর রহমান, খালেদ মাহমুদ, শহিদুল ইসলাম ও নাঈম শেখ।

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন

সাকিব, মুস্তাফিজ, রাশিদদের ধরে রাখল না দল

সাকিব, মুস্তাফিজ, রাশিদদের ধরে রাখল না দল

বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে সাকিব ও মুস্তাফিজ। ছবি: এএফপি

আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী আগের মৌসুমের চারজন খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে পারবে কোনো দল। যার কারণে দল ছাড়া হয়েছে সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ও রাশিদ খানের মতো সেরা তারকারা।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নতুন মৌসুমের আগে রিটেইনার তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তালিকায় আটটি বর্তমান দল জানিয়েছে তারা কোনো কোনো পুরোনো খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে চায়।

আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী আগের মৌসুমের চারজন খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে পারবে কোনো দল। যার কারণে দল ছাড়া হয়েছে সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ও রাশিদ খানের মতো সেরা তারকারা।

গত মৌসুমে কলকাতা নাইট রাইডার্সে (কেকেআর) খেলেন সাকিব। মুস্তাফিজ খেলেন রাজস্থান রয়্যালসে। আর রাশিদ খান খেলেছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদে।

একই সঙ্গে কেএল রাহুল ও হার্দিক পান্ডিয়ার মতো তারকারাও দল ছাড়া হয়েছেন। যারা রিটেইনার তালিকায় নেই তাদের আবার নিলামের মাধ্যমে দলগুলো স্কোয়াকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

যাদের রেখে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো:

কেকেআর- আন্ড্রে রাসেল, ভারুন চক্রবর্তি, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, সুনিল নারিন

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স- রোহিত শর্মা, জাসপ্রিত বুমরাহ, সুরিয়াকুমার ইয়াদভ, কাইরন পোলার্ড

চেন্নাই সুপার কিংস- রভিন্দ্র জাডেজা, এমএস ধোনি, রুতুরাজ গায়েকোয়াড়, মইন আলি

দিল্লি ক্যাপিটালস- রিশাভ পান্ট, আক্সার পাটেল, পৃথভি শ, আনরিখ নরটিয়া

রাজস্থান রয়্যালস- সাঞ্জু স্যামসন, জস বাটলার, ইয়াসশভি জেইসওয়াল

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর- ভিরাট কোহলি, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মোহাম্মদ সিরাজ

সানরাইজার্স হায়দরবাদ- কেইন উইলিয়ামসন, আবদুল সামাদ, উমরান মালিক

পাঞ্জাব কিংস- মায়াংক আগারওয়াল, আর্শদিপ সিং

আরও পড়ুন:
তামিমের ভুলে যাওয়ার মতো জন্মদিন
তামিমের শূন্যের রেকর্ড

শেয়ার করুন