× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

ক্রিকেট
শ্রীলংকাকে উড়িয়ে দিয়ে ২ ০ এ সিরিজ জয় সাউথ আফ্রিকার
google_news print-icon

তৃতীয় দিনেই সিরিজ সাউথ আফ্রিকার

তৃতীয়-দিনেই-সিরিজ-সাউথ-আফ্রিকার
ছবি: এএফপি
সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলঙ্কা ১৫৭ ও ২১১, ৫৬.৫ ওভার (করুনারত্নে ১০৩, ডিকওয়েলা ৩৬, এনগিডি ৪/৪৪, সিপামলা ৩/৪০); সাউথ আফ্রিকা ৩০২ ২ ৬৭/০, ১৩.২ ওভার (মার্করাম ৩৬*, এলগার ৩১*)

প্রথম টেস্টে স্বাগতিক সাউথ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারতে হয়েছিল সফরকারী শ্রীলংকার। দ্বিতীয় টেস্টে সেই ভাগ্য এড়াতে পারলেও হারতে হলো দশ উইকেটের বড় ব্যবধানে, সেটিও মাত্র তৃতীয় দিনে।

দ্বিতীয় দিন শ্রীলংকা শেষ করেছিল চার উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে। ৯১ রানে ক্রিজে ছিলেন অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে; তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন নিরোশান ডিকওয়েলা।

তৃতীয় দিনের শুরুটা ভালোই হয়েছিল সফরকারীদের। প্রথম চার ওভারের মধ্যে নিজের সেঞ্চুরি তুলে নেন করুনারত্নে। কিন্তু এরপরই বাধে বিপত্তি।

পরপর দুই ওভারে ফিরে যান দুই সেট ব্যাটসম্যান। আনরিখ নরটিয়া করুনারত্নকে ফেরানোর পরের ওভারেই লুঙ্গি এনগিডির বলে ফিরতে হয় ডিকওয়েলাকে।

বাকি চার উইকেটে আর বেশি দূর আগানো হয়নি শ্রীলংকার। ১৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর তারা গুটিয়ে যায় ২১১ রানে। তাতে সাউথ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৬৭।

সাউথ আফ্রিকার হয়ে চারটি উইকেট নেন এনগিডি। তিনটি উইকেট পান লুথো সিপামলা।

জবাবে ৬৭ রান তাড়া করতে একদমই সময় নেয়নি সাউথ আফ্রিকা। দুই ওপেনার ডিন এলগার ও এইডেন মার্করাম স্বাগতিকদের সেই লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মাত্র ১৩.২ ওভারে।

প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির বদৌলতে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান এলগার। দ্বিতীয় টেস্টও হারায় দুই টেস্টের সিরিজ শ্রীলংকা হারল ২-০ ব্যবধানে।

আরও পড়ুন:
ফার্নান্দোর পাঁচ উইকেটে ম্যাচে ফিরল শ্রীলঙ্কা
নরটিয়া ঝড়ে উড়ে গেল শ্রীলংকা
এলগার-ডু প্লেসির ব্যাটে এগিয়ে সাউথ আফ্রিকা

আরও পড়ুন

ক্রিকেট
South Africa in the semis with a hard fought win

কষ্টসাধ্য জয়ে সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা

কষ্টসাধ্য জয়ে সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে অপরাজিত থেকে ১৪ বলে ২১ করেন মার্কো জ্যানসেন। আরেক অপরাজিত কাগিসো রাবাদাকে নিয়ে তিনি দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। মাঠে দুজনের উল্লাস। ছবি: ক্রেইমাস
শেষ পর্যন্ত ডাকওয়ার্থ লুইস (ডিএল) পদ্ধতিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ঘাম ঝরাতে হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে সোমবারের এ ম্যাচে ক্যারিবীয় দেশটিকে ১৩৫ রানে বেঁধে ফেলে সেই সিদ্ধান্তকে অনেকটা সঠিক প্রমাণ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্কর‌্যাম, তবে ব্যাটিংয়ে নেমে ধুঁকতে হয়েছে আফ্রিকার দলটিকে।

শেষ পর্যন্ত ডাকওয়ার্থ লুইস (ডিএল) পদ্ধতিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ঘাম ঝরাতে হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিং করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান তুলতে সক্ষম হয়। দলীয় দুই রানের মাথায় শাই হোপের উইকেট হারায় দলটি। এরপর ৫ রানের মাথায় নিকোলাস পুরানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে দলটি।

দলীয় ৮৬ রানের মাথায় কাইলি মায়ার্সের উইকেটের পতন হয়। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে দলকে ৩৪ বলে ৩৫ রানের মূল্যবান ইনিংস উপহার দেন তিনি।

মায়ার্সের পর দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন রোস্টন চেজ, যিনি দলীয় সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন ৪২ বল থেকে, তবে অন্য ব্যাটারদের কেউই উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি। এর ফলে প্রতিপক্ষকে ভয় ধরানোর মতো স্কোর করতে পারেনি ক্যারিবীয় দলটি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ১২ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলটির দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয় ১৫ রানে।

উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন অধিনায়ক মার্কর‌্যাম। দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ৩ উইকেটে ৪২ রান।

দলটির বাকি ব্যাটারদের মধ্যে ট্রিস্ট্যান স্ট্যাবস ২৭ বল থেকে দলীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন। অন্যদিকে হেইনরিচ ক্লাসেন ১০ বল থেকে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন।

ম্যাচে অপরাজিত থেকে ১৪ বলে ২১ করেন মার্কো জ্যানসেন। আরেক অপরাজিত কাগিসো রাবাদাকে নিয়ে তিনি দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে।

এ জয়ের মধ্য দিয়ে সেমিফাইনালে যাওয়াটা সহজ ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভার শেষেই শুরু হয় বৃষ্টির বাগড়া। ফলে ২০ ওভারের ম্যাচ কমিয়ে ১৭ ওভারে নামানো হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৩। শেষ পর্যন্ত ডিএল পদ্ধতিতে দলটি সাত উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান তুলতে সক্ষম হয়।

আরও পড়ুন:
ভারতের বিপক্ষেও হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত বাংলাদেশের
টাইগারদের বড় লক্ষ্য দিল ভারত
এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
সুপার এইটে হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের
ভারতীয় বোলিং তাণ্ডবে হারল আফগানিস্তান

মন্তব্য

ক্রিকেট
England in the semi finals after stopping the dream of the United States

যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে সেমিতে ইংল্যান্ড

যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে সেমিতে ইংল্যান্ড ম্যাচ জয়ের পর সল্টের সঙ্গে বাটলারের উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত
১১৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৯.৪ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ইংল্যান্ড। ব্যাট হাতে ৩৮ বলে ৮৩ রান করেছেন বাটলার। এই রান করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের তুলোধুনা করেন তিনি।

সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করতে দক্ষিণ আফ্রিকার নেট রান রেট (0.৬২৫) টপকে যাওয়া লাগত ইংল্যান্ডের। প্রথম ইনিংসে ক্রিস জর্ডানের হ্যাটট্রিক ও আদিল রশিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১১৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ঝড় তোলেন অধিনায়ক জস বাটলার। আর তাতেই হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে।

১১৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৯.৪ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ইংল্যান্ড। ব্যাট হাতে ৩৮ বলে ৮৩ রান করেছেন বাটলার। এই রান করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের তুলোধুনা করেন তিনি। ৭টি ছক্কা ও ৬টি চার মেরে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন বাটলার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আরেক ওপেনার ফিলিপ সল্ট। তিনি ২১ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন। এই রান করতে গিয়ে মাত্র দুটি চার মারেন সল্ট।

জর্ডানের হ্যাটট্রিকসহ চার উইকেট এবং বাটলারের ৩৮ বলে ৮৩ রানের ইনিংস সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর প্রয়োজনীয় মুহূর্তে দলকে উইকেট এনে দিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন আদিল রশিদ।

৬২ বল ও ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানের জয়ে নেট রান রেটে লম্বা লাফ দিয়েছে ইংল্যান্ড। ০.৪১২ থেকে ১ দশমিক ৯৯২ রান রেট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে সুপার এইট শেষ করেছে ইংলিশরা।

এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের জন্য অপেক্ষা না করেই সেমি-ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে জস বাটলার অ্যান্ড কোং।

পাশাপাশি, স্বাগতিক দেশ হওয়ার সুবাদে বিশ্বকাপের মতো আসর দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট শুরু করা যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নযাত্রা থেমেছে সুপার এইট অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে। সবাইকে চমকে দিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করলেও এই পর্বের কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি অ্যারন জোন্সের দল। ফলে অনেক অর্জনের সঙ্গে শূন্য হাতেই ফিরতে হচ্ছে তাদের।

অন্যদিকে, দুই ম্যাচে দুই জয় পেয়ে শূন্য দশমিক ৬২৫ নেট রান রেট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে নেমেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের পয়েন্ট চার। আরেক স্বাগতিক দেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ একটি ম্যাচ জিতে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করলেও তাদের নেট রান রেট অনেক বেশি (১.৮১৪)। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচটিতে যারা জিতবে, তারাই সেমি-ফাইনালে উঠে যাবে।

ম্যাচটি জিতলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থাকবে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর ক্যারিবীয়রা জিতলে প্রোটিয়াদের সমান ৪ পয়েন্ট নিয়েও নেট রান রেটে অনেক এগিয়ে থেকে সেমিতে চলে যাবে নিকোলাস পুরানের দল।

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই সোমবার ভোর সাড়ে ৬টায় অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ড স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
জর্ডানের হ্যাটট্রিকে ১১৫ রানে গুটিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র
টস জিতে বোলিং করছে ইংল্যান্ড
অজিদের বধ করে ইতিহাস আফগানদের
ভারতের বিপক্ষেও হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত বাংলাদেশের
সুপার এইটে হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের

মন্তব্য

ক্রিকেট
Jordans hat trick made the United States 115 runs

জর্ডানের হ্যাটট্রিকে ১১৫ রানে গুটিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

জর্ডানের হ্যাটট্রিকে ১১৫ রানে গুটিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র হ্যাটট্রিকের পর জর্ডানের উদযাপন। ছবি: ক্রিকইনফো
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে এক ওভারে চার উইকেট নিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০২১ বিশ্বকাপে ডাচদের চার ব্যাটারকে ফেরান দক্ষিণ আফ্রিকার কার্টিস ক্যাম্ফার।

সেমি-ফাইনালে ওঠার সমীকরণ একটু সহজ করতে বড় জয় চাই ইংল্যান্ডের। আদিল রশিদের নিয়ন্ত্রিত স্পেলের পর দারুণ এক হ্যাটট্রিকে অধিনায়ক জস বাটলারকে আশ্বস্ত করলেন ক্রিস জর্ডান। তার হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ বলে চার উইকেটে শেষের দিকে গুঁড়িয়ে গেছে স্বাগতিকদের ইনিংস।

টস জিতে এদিন যুক্তরাষ্ট্রকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠন বাটলার। শুরুতে ব্যাট করে ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকতেই ১১৫ রানে অলআউট হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ব্যাট হাতে নীতীশ কুমার সর্বোচ্চ ৩০, কোরি অ্যান্ডারসন ২৯ ও হারমিত সিং ২১ রান করেছেন।

ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নিয়েছেন ক্রিস জর্ডান। ২.৫ ওভারে ১০ রানের খরচায় চারটি উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া আদিল রশিদ চার ওভারে ১৩ রানে এবং স্যাম কারান ২৩ রানে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

জর্ডানের কল্যাণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে নবম হ্যাটট্রিক দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। শুধু তা-ই নয়, এদিন সকালে প্যাট কামিন্সের হ্যাটট্রিকের পর রাতে আরও একটি হ্যাটট্রিক দেখা গেল।

টি-টোয়েন্টিতে প্রথম কোনো ইংলিশ বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন জর্ডান।

এছাড়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে এক ওভারে চার উইকেট নিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০২১ বিশ্বকাপে ডাচদের চার ব্যাটারকে ফেরান দক্ষিণ আফ্রিকার কার্টিস ক্যাম্ফার।

এদিন ১১৫ রানের মাথায় ছয় বলের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের ৫টি উইকেট পড়ে।

আরও পড়ুন:
টস জিতে বোলিং করছে ইংল্যান্ড
অজিদের বধ করে ইতিহাস আফগানদের
ভারতের বিপক্ষেও হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত বাংলাদেশের

মন্তব্য

ক্রিকেট
England are bowling after winning the toss

টস জিতে বোলিং করছে ইংল্যান্ড

টস জিতে বোলিং করছে ইংল্যান্ড টসের সময় করমর্দন করনে দুই অধিনায়ক। ছবি: ক্রিকইনফো
প্রথম দুই রাউন্ডে মিশ্র পারফরম্যান্সে শেষ রাউন্ডে এসে জমে উঠেছে এই গ্রুপের ম্যাচদুটি। যেকোনো দিকে হার-জিতে সেমির ভাগ্য খুলে যেতে পারে যেকোনো দলের। এমন জটিল সমীকরণ মাথায় নিয়ে চ্যাম্পিয়নদের মোকাবিলা করতে মাঠে নেমেছে স্বাগতিকরা।

সেমি-ফাইনালের জায়গা পোক্ত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। এদিন টস ভাগ্য ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলালরের দিকে গিয়েছে।

ব্রিজটাউনে সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে রোববার মুখোমুখি হতে চলেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে স্বাগতিকদের আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন বাটলার।

প্রথম দুই রাউন্ডে মিশ্র পারফরম্যান্সে শেষ রাউন্ডে এসে জমে উঠেছে এই গ্রুপের ম্যাচদুটি। যেকোনো দিকে হার-জিতে সেমির ভাগ্য খুলে যেতে পারে যেকোনো দলের। এমন জটিল সমীকরণ মাথায় নিয়ে চ্যাম্পিয়নদের মোকাবিলা করতে মাঠে নেমেছে স্বাগতিকরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ জিতলেও পরের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারে ইংল্যান্ড। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি তাই সেমি-ফাইনালে যেতে দলটির জন্য বিশেষ গুরুপূর্ণ।

অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে প্রথম দুই ম্যাচে হেরে খাদের কিনারায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে কাগজে-কলমে এখনও সেমিতে ওঠার সম্ভাবনা টিকে আছে তাদের। সেক্ষেত্রে আজকের ম্যাচে বড় জয়ের বিকল্প নেই স্বাগতিকদের সামনে।

এই গ্রুপে দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এছাড়া ইংল্যান্ড ও উইন্ডিজরা একটি করে ম্যাচ জেতায় সেমি-ফাইনাল এখনও উন্মুক্ত রয়েছে প্রতিটি দলের জন্যই।

সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করতে আজকের ম্যাচটি শুধু জিতলেই হচ্ছে না ইংল্যান্ডের। সোমবার ক্যারিবীয়দের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের। প্রোটিয়ারা ম্যাচটি জিতে গেলে কোনো হিসাব ছাড়াই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড। তবে ইংল্যান্ড জিতলে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা হারলে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায় নিশ্চিত করে বাকি তিন দলেরই পয়েন্ট হবে ৪। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকা দুই দল উঠবে সেমিতে।

আবার, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইংলিশদের হারায়, আর দক্ষিণ আফ্রিকা ক্যারিবীয়দের হারায়, তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সরাসরি সেমির টিকিট পেলেও বাকি তিন দলের পয়েন্ট হবে ২ করে। ফলে নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের যে কারও সেমি-ফাইনাল ভাগ্য খুলে যেতে পারে।

ইংল্যান্ড একাদশ: ফিলিপ সল্ট, জস বাটলার (অধিনায়ক), জনি বেয়ারস্টো, হ্যারি ব্রুক, মঈন আলী, লিয়াম লিভিংস্টোন, স্যাম কারান, ক্রিস জর্ডান, জোফরা আর্চার, আদিল রশিদ ও রিস টপলি।

যুক্তরাষ্ট্র একাদশ: স্টিভেন টেইলর, অ্যান্ড্রিস গাউস, নীতীশ কুমার, অ্যারন জোন্স (অধিনায়ক), কোরি অ্যান্ডারসন, মিলিন্দ কুমার, হারমিত সিং, শ্যাডলি ভ্যান শালকউইক, নস্টুশ কেনজিগে, আলী খান ও সৌরভ নেত্রাভালকার।

আরও পড়ুন:
অজিদের বধ করে ইতিহাস আফগানদের
ভারতের বিপক্ষেও হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত বাংলাদেশের
সুপার এইটে হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের
ভারতীয় বোলিং তাণ্ডবে হারল আফগানিস্তান

মন্তব্য

ক্রিকেট
Aji killed Afghans in the T20 World Cup
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

অজিদের বধ করে ইতিহাস আফগানদের

অজিদের বধ করে ইতিহাস আফগানদের মাঠে উচ্ছ্বসিত আফগানিস্তান দল। ছবি: আইসিসি
সম্মিলিত ব্যর্থতায় ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ১২৭ রানে থেমে যায় অজিদের রানের চাকা। এর ফলে ২১ রানের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আফগানরা।   

র‌্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতায় দুই দলের যোজন যোজন পার্থক্য থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে হারল অস্ট্রেলিয়া। এর মধ্য দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিল আফগানিস্তান।

ক্যারিবীয় দ্বীপ সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিনসের কিংসটাউনে স্থানীয় সময় রোববার এ ম্যাচে টস জিতে শুরুতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া।

আগে ব্যাট করতে নেমে দারুণ দৃঢ়তার সঙ্গে উইকেটে টিকে থাকেন আফগান দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। এ দুজনের জোড়া অর্ধশতকে লড়াইয়ের রসদ পায় আফগানিস্তান।

প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে গুরবাজ ৪৯ বল থেকে ৬০ এবং জাদরান ৪৮ বল থেকে ৫১ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন, কিন্তু এ দুজনের ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেননি পরবর্তী ব্যাটাররা।

দলীয় ১১৮ রানে গুরবাজকে হারানোর পর ১২১ রানের মাথায় আজমতুল্লাহ ওমরজাইয়ের উইকেট খোয়ায় আফগানিস্তান। ম্যাচ শেষে নির্ধারিত ২০ ওভার খেলে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান তুলতে সক্ষম হয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

দুই ওপেনার বাদে বাকি চার ব্যাটারের মধ্যে দুই অঙ্কের কোটা পার হন দুজন। তাদের মধ্যে করিম জানাত ৯ বল খেলে ১৩ এবং মোহাম্মদ নবি ৪ বল থেকে অপরাজিত ১০ রান করেন।

সুপার এইটের গ্রুপ ওয়ানের ম্যাচটিতে ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অজিরা। দলীয় শূন্য রানের মাথায় ট্র্যাভিস হেডকে হারায় দলটি। এরপর ১৬ রানের মাথায় প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মিচেল মার্শ।

গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যাটারকে হারিয়ে চরম বিপদে পড়া দলকে টেনে তুলতে পারেননি নির্ভর করার মতো ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারও। মোহাম্মদ নবির বলে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ৮ বল থেকে ৩ রান করেন তিনি।

বাকি অজি ব্যাটারদের মধ্যে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৪১ বলে সর্বোচ্চ ৫৯ রানের ইনিংস খেললেও তার যোগ্য সঙ্গী হতে পারেননি কেউই।

মিচেল মার্শের ৯ বলে ১২ এবং মার্কাস স্টয়নিসের ১৭ বলে ১১ রানের ইনিংস ছাড়া অপর সাত ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের কোটা পার হতে পারেননি।

দলীয় এ ব্যর্থতায় ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ১২৭ রানে থেমে যায় অজিদের রানের চাকা। এর ফলে ২১ রানের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আফগানরা।

আরও পড়ুন:
সূর্যকুমারের ফিফটিতে ১৮২ রানের লক্ষ্য পেল আফগানিস্তান
টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত
জয় দিয়ে সুপার এইট শুরু দক্ষিণ আফ্রিকার
ডি ককের ব্যাটে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৯৫ রানের লক্ষ্য দিল প্রোটিয়ারা
আচরণবিধি ভঙ্গ, শাস্তির মুখে তানজিম

মন্তব্য

ক্রিকেট
Bangladeshs exit is certain after losing against India as well

ভারতের বিপক্ষেও হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত বাংলাদেশের

ভারতের বিপক্ষেও হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত বাংলাদেশের তৌহিদ হৃদয়কে আউট করে কুলদীপের উদযাপন। ছবি: বিসিসিআই
এদিন ভারতের দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলটির দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পণ করেনি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। নিয়মিত উইকেট পড়লেও তারা রীতিমতো ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে গেছেন শেষ পর্যন্ত। তবে ১৪৬ রানের বেশি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

সেমিফাইলের লড়াইযে টিকে থাকার জন্য দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের। তবে প্রথম ইনিংসেই টাইগারদের সেই স্বপ্ন দুরুহ করে দেন ভারতের ব্যাটাররা। পরে বোলাররা তাদের কাজ সারলে ৫০ রানের জয় পায় ভারত। আর পরপর দুই ম্যাচ হেরে সুপার এইটের ‘গ্রুপ ১’-এর প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিশ্চিত প্রায় হয়ে গেল বাংলাদেশের।

এদিন ভারতের দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলটির দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পণ করেনি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। নিয়মিত উইকেট পড়লেও তারা রীতিমতো ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে গেছেন শেষ পর্যন্ত। তবে ১৪৬ রানের বেশি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

টাইগারদের হয়ে অধিনায়ক শান্ত সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন। এছাড়া তানজিদ তামিম ২৯ ও রিশাদ হোসেন ২৪ রান করেন।

ভারতের বোলারদের মধ্যে কুলদীপ যাদব ১৯ রানে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। এছাড়া জসপ্রীত বুমরাহ ১৩ রানে দুটি উইকেট নেন। দুই উইকেট পেয়েছেন আর্শদীপ সিংও, তবে তিনি ৩০ রান দিয়েছেন।

বল-ব্যাটে অসাধারণ পারফর্ম করা হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।

পরপর দুই ম্যাচে জিতে সুপার এইটের ‘গ্রুপ ১’ থেকে প্রথম দল হিসেবে সেমির জায়গা মোটামুটি পাকাপোক্ত করে ফেলল ভারত। রোববার ভোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া জিতলেই ভারত অস্ট্রেলিয়া দুই দলেরই সেমি ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
টাইগারদের বড় লক্ষ্য দিল ভারত
এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

ক্রিকেট
India gave the Tigers a big target

টাইগারদের বড় লক্ষ্য দিল ভারত

টাইগারদের বড় লক্ষ্য দিল ভারত
দলের হয়ে হার্দিক পান্ডিয়া সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। এছাড়া বিরাট কোহলি ২৮ বলে ৩৪, ঋষভ পান্ত ২৪ বলে ৩৬, শিবম দুবে ২৪ বল ৩৪ এবং রোহিত শর্মা ১১ বলে ২৩ রান করেন।

টসের সময় ভারতীয় ব্যাটারদের ১৫০-১৬০ রানের মধ্যে আটকে দেয়ার প্রত্যয় ঝরে টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠে। তবে সেই লক্ষ্য পার করে অনেক দূরে গিয়ে থেমেছে রোহিত-কোহলিদের ইনিংস।

শনিবার বাংলাদেশের বিপক্ষে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেছে ভারত।

ভারতের হয়ে শুধু হার্দিক পান্ডিয়া চল্লিশোর্ধ রান করতে পেরেছেন। তবে ভালো স্ট্রাইক রেট ধরে রেখে ব্যাটারদের প্রায় সবাই ৩০ পার করেছেন।

দলের হয়ে হার্দিক পান্ডিয়া সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। এই রান করতে ২৭ বল মোকাবিলা করে ৩টি ছক্কা ও চারটি চার মারেন তিনি।

এছাড়া বিরাট কোহলি ২৮ বলে ৩৪, ঋষভ পান্ত ২৪ বলে ৩৬, শিবম দুবে ২৪ বল ৩৪ এবং রোহিত শর্মা ১১ বলে ২৩ রান করেন।

বাংলাদেশের হয়ে তানজিম সাকিব চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন। রিশাদও দুই উইকেট পেয়েছেন। তবে তিন ওভারে তিনি রান খরচ করেছেন ৪৩টি। মুস্তাফিজুর এদিন চার ওভারে উইকেট না পেলেও ৪৮ রান দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

p
উপরে